somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আমাদের রাজনীতির হালচাল ও গণতন্ত্রের উত্থান-পতন

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৫২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমাদের রাজনীতির হালচাল ও গণতন্ত্রের উত্থান-পতন
মতিউর রহমান

আটত্রিশ বছর চলে গেছে আমাদের স্বাধীনতার পর ৷ নিঃসন্দেহে এটা অনেক দীর্ঘ সময় ৷ জাতীয় জীবনের অনেক কাঙ্কিত, প্রত্যাশিত, গরুত্বপূর্ণ বিষয় যা' এই সময়ের মধ্যে বাস্তবায়িত হওয়া একান্তই জরুরী ছিলো, তা হয়নি এখনো ৷ এ এক বিরাট হতাশার ব্যাপার ৷ একাত্তর সালে - স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় - যারা পূর্ণ বয়স্ক ছিলেন তাদের অনেকেই এ হতাশা নিয়ে ইহলোক ত্যাগ করেছেন ৷ আর আমরা যারা এখনো বেছে আছি তারাও যেন এ ব্যাপারে দ্বিধান্নিত, অসহায় বোধ করছি ৷
একটু পিছন ফিরে তাকালে আমরা দেখতে পাবো যে, যাবাংলাদেশের মানুষ গণতন্ত্র, সম-অধিকার ও আইনের শাসনের স্বপ্ন দেখে আসছে সেই ১৯৪৭ সন থেকে ৷ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার ঐতিহাসিক ছয়দফা আন্দোলনের মাধ্যমে আমাদের রাজনৈতিক চেতনায় যে এক অভূতপূর্ব সাড়া জাগিয়েছিলেন তা ছিলো তখনকার পাকিস্তানের প্রেক্ষাপটে মূলত গণতন্ত্র ও বাঙালির স্বাধিকার আদায়ের জন্য ৷আর সেই অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য এদেশের হতভাগা মানুষ অনেক সংগ্রাম করেছে, সীমাহীন জেল-জুলুমের শিকার হয়েছে; এমনকি শেষপর্যন্ত স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়ে অকাতরে প্রাণ দিয়েছে লাখ-লাখ মানুষ, সম্ভ্রম হারিয়েছে অসংখ্য মা-বোনেরা ৷ তবুও আশা ছাড়েনি, কিংবা পিছপা হয়নি নিজেদের অধিকার আদায়ের সংগ্রাম থেকে ৷ আর তার বিনিময়ে আমরা স্বাধীনতা পেলাম ৷

দেশ স্বাধীন হয়েছিল গণতন্ত্র ও স্বাধিকারের দাবিতে, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার প্রত্যয় নিয়ে ৷ বহু-দলীয় সংসদীয় গণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থার মাধ্যমে মত প্রকাশের পূর্ণ স্বাধীনতা, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, রাষ্ট্রীয়-সামাজিক ব্যাপারে সবার সমান অধিকার এবং ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে ধনী-গরীব, নারী-পুরুষ, শাসক-শাসিত সবার বেলায় আইন সমানভাবে প্রযোজ্য হবে - এই বিশ্বজনীন সাম্যতার দাবি ছিলো আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের পেছনের চালিকা শক্তি ৷

অথচ সবচেয়ে দুঃখের বিবর হচ্ছে এইযে, দেশ স্বাধীন হবার পর সংসদীয় গণতন্ত্রের উপর প্রথম আঘাত আসে ১৯৭৫ সালে তখনকার আওয়ামী লীগ সরকার কর্তৃক প্রেসিডেন্ট পদ্ধতির শাসন ব্যবস্থা চালু এবং বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্ত্বাধীন একদলীয় বাকশাল রাজনীতির প্রবর্তনের মধ্য দিয়ে ৷ সেই সর্বনাশী সরকারী সিদ্ধান্তের বিরোধিতার পথ বন্ধ করার নিমিত্তে এবং ভিন্নমত প্রকাশের সুযোগ না দেবার উদ্দেশ্যে সেই সরকার সকল রাজনৈতিক দল এবং সংবাদপত্র নিষিদ্ধ ঘোষণা করে শধু গুটি কয়েক সংবাদপত্র সরকারী মালিকানাধীনে সম্পূর্ণভাবে সরকারী নিয়ন্ত্রনাধীন অবস্থায় চালু রাখলেন, যার ফলে একটি শ্বাস-রুদ্ধকর রাজনৈতিক পরিস্থিতির সৃষ্টি হলো ৷ এত অল্প সময়ের মধ্যে একটি গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকার কর্তৃক এত আকস্শিক ভাবে গণতান্ত্রিক অধিকারের উপর এহেন হামলার নজির পৃথিবীর ইতিহাসে খুবই বিরল ৷ আর সেটাই মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রথম বড় ধরনের পরাজয় ৷

আর স্বাভাবিকভাবেই এর প্রতিক্রিয়া ও হলো অতি ভয়াবহ - গণতান্ত্রিকভাবে সরকার পরিবর্তনের পথ রুদ্ধ হবার কারণে এক রক্তাক্ত সামরিক অভ্যুথানে নারকীয়ভাবে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার মাধ্যমে বাকশাল সরকারের পতন ঘটলো ৷ নব্য-স্বাধীন এবং বহুমুখী সমস্যা-জর্জরিত দেশে সেই মর্মান্তিক রাষ্ট্রীয়-রাজনৈতিক বিপর্যয় আমাদের অনুভতি ও চেতনাতে প্রচন্ড একটা ঝড় তুলে জাতি হিসাবে আমদেরকে খন্ড-বিখন্ড করলো, আর যে ঐক্য, দৃড়তা ও সংকল্প নিয়ে আমরা দেশ স্বাধীন করেছিলাম তা যেন এক মূহুর্তে বিলীন হয়ে গেলো৷

তারপর জানা-অজানা অনেক সামরিক অভ্যুত্থান, পাল্টা-অভ্যুত্থানের পর তখনকার জেনারেল জিয়াউর রহমানের নেতৃত্ত্বাধীন সামরিক শাসন কিছুটা স্স্থিতিশীল হয় এবং ১৯৭৯ সালে একটি জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে তিনি প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়ে তাঁর নেতৃত্বে বিএনপি নামক একটি রাজনৈতিক দল গঠন করেন ৷ প্রেসিডেন্ট জিয়ার সময় সকল রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম ও সংবাদপত্র প্রকাশের অধিকার ফিরিয়ে দেয়া হলো ৷ ফলে, রাজনৈতিক অঙ্গন যেমন সচল হলো, জনজীবনে ও তেমনি স্বস্তি ফিরে এলো ৷ কিন্তু আরেকটি সামরিক অভ্যুথানের মাধ্যমে তিনিও মর্মান্তিকভাবে মৃত্যু বরণ করেন ১৯৮১ সালে ৷ তাই, প্রেসিডেন্ট জিয়ার সময় দেশে আবার যে একটা স্বাভাবিক জীবনের আশা জনমনে সৃষ্টি হয়েছিল তার ও যবনিকাপাত ঘটে ৷ জাতি আবার ভীষণ হতাশায় নিমজ্জিত হলো ৷

প্রেসিডেন্ট জিয়ার মৃত্যুর কয়েক মাস পরেই দেশের ঘোলা রাজনৈতিক পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে তখনকার সেনাপ্রধান - বর্তমানের জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান - বন্দুখের নল দেখিয়ে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত নড়বড়ে বিএনপি সরকারকে হটিয়ে দিয়ে হরণ করেছিলো রাষ্ট্রক্ষমতা, আর চালিয়েছিলো এক শৈরশাসন প্রায় দশ বছর ধরে ৷ তখন আওয়ামী লীগ ও বিএনপি অন্যান্য দলকে সাথে নিয়ে যৌথভাবে আন্দোলন করে ১৯৯১ সালে এরশাদ সরকারের পতন ঘটালো আর বিএনপি সাধারণ নির্বাচনের মাধ্যমে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে সংসদীয় গণতন্ত্রের সরকার গঠন করলো ৷ তারপর একই প্রক্রিয়ায় আওয়ামী লীগ ১৯৯৬ সালের সাধারণ নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করে ৷ ফলে, জনগণ আবার গণতন্ত্রের আশায় বুক বাধলো ৷

কিন্তু বিএনপি এবং আওয়ামী লীগ উভয় দলই ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় দেশ-শাসনে দক্ষতা ও রজনৈতিক নৈপুন্যের পরিচয় দিতে পারেনি ৷ বরং উভয় শাসন আমলে দেশে দুর্নীতি, সন্ত্রাস, চাদাবাজি, সরকারী প্রশাসন ও জাতীয় প্রতিষ্ঠান সমূহের দলীয়করণ আতন্কিত হারে বেড়ে যায় ৷

সেই সাথে উভয় দলে যোগ হলো গণতন্ত্রের জন্য সবচেয়ে ধ্বংসকারী আরেকটি উপাদান - দলের শীর্ষ নেতৃত্ব ও সরকার প্রধানের আসনে মুজিব ও জিয়া পরিবারকে একচ্ছত্র অধিকার এবং সর্বময় ক্ষমতা (absolute power) প্রদান ৷ এর ফলশ্রুতিতে দল ও সরকারী পদ-পদবী লাভে নেতৃত্বের যোগ্যতার বদলে চাটুকারিতা বেশী প্রাধান্যতা পায় ৷ গণতন্ত্রের মূল মন্ত্র - নেতৃত্বের জনপ্রিয়তার প্রতিযোগিতা - বিসর্জ্জিত হলো ৷ সুতরাং, গণতন্ত্রের পরিবর্তে আমরা এখন পাচ্ছি পরিবারতন্ত্র, যা রাজতন্ত্র থেকে কার্যত ভিন্ন নয় ৷

কিছুদিন আগে বিএনপি এবং আওয়ামী লীগ-এর যে কনভেনশন হয়ে গেল তাতে মনে হচ্ছে, দেশে রাজতন্ত্র কায়েমের পথ আরো খোলাসা হলো ৷ আওয়ামী লীগ ও বিএনপি উভয় দলই একটি কাউন্সিলের আয়োজন করে বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় (unanimously) শেখ হাসিনা এবং বেগম জিয়াকে তাদের নিজ নিজ দলের শীর্ষ নেতা বানিয়ে দিলেন, আর সেই সঙ্গে দলের অন্য সকল পদ পূরণের একক ও সর্বময় ক্ষমতা তাদের হাতে ন্যস্ত করলেন ৷ এই যদি হয় গণতন্ত্রের নমুনা, তাহলে একনায়কত্ব আর কাকে বলে?

যখন কোনো এক ব্যক্তি বা পরিবারের হাতে সম্পূর্ণ নিঃশর্ত একক ক্ষমতা (absolute power) বারবার তুলে দেওয়া হয় জন্ম-সূত্র অথবা পরিবার-সূত্রের কারণে, আর সেই ব্যক্তি যখন দলীয় ক্ষমতার পদাধিকার বলে রাষ্ট্রের সরকার প্রধানের ক্ষমতা গ্রহণ করে, তখন তো তা রাজতন্ত্র ও একনায়কত্ব থেকে কোনো অংশে ভিন্ন নয় ৷ এই উভয় দলের কনভেনশন-এ তাই প্রতীয়মান হলো ৷ দলের সকল নেতা-কর্মীরা আনন্দ-উল্লাসের মাধ্যমে যেনো রাজাকে (এক্ষেত্রে রানী বললেই যথার্থ হবে) সিংহাসনে বসালেন, আর রাজ্যের সকল প্রজারা দূর থেকে শুধু হাততালি দিলেন ৷

এই যদি হয়ে থাকে আমাদের গণতন্ত্রের চর্চা, তাহলে আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধ কি শুধু এক-খন্ড ভূমির জন্যই ছিলো? এ প্রশ্ন আজ অবান্তর নয় ৷জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে বাংলাদেশের মানুষ আজীবন শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে জাতির প্রতি তাদের গৌরবজ্জল আত্মত্যাগ এবং স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের ক্ষেত্রে অবদানের জন্য ৷ কিন্তু তাঁদের মর্মান্তিক অকালমৃত্যু ও এর পরবর্তী সামাজিক-রাজনৈতিক পরিস্থিতি এটাই প্রমান করে যে, গণতন্ত্রের অবাধ বিকাশের পথ রুদ্ধ করে এক দল, এক ব্যক্তি, কিংবা এক পরিবারের শাসন কায়েম করার প্রচেষ্টা একদিকে যেমন দীর্ঘ-স্থায়ী ফল বয়ে আনে না, অন্যদিকে তেমনি গনতন্ত্র ও জাতীয় রাজনীতির ধারাবাহিকতার জন্য ও মঙ্গলদায়ক হয়না ৷

কিন্তু, বর্তমান রাজনৈতিক হালচাল দেখে মনে হয় আমরা ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিতে একেবারেই নারাজ, আর তাই যদি হয়, তাহলে আমাদের রাষ্ট্রীয়-সামাজিক জীবনে বারবার হোচট খেতেই হবে, কারণ যখনই ইতিহাসের শিক্ষাকে উপেক্ষা করা হয়, তখনি একভাবে না একভাবে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটবেই ৷

সুতরাং, আমাদের নিজেদের স্বার্থে এবং দেশ ও জাতির মঙ্গলের জন্য সকল রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী এবং আপামর জনসাধারণের এটা বুঝা উচিত যে, দলীয় স্বার্থে গণতান্ত্রিক পথকে বাঁকা খাতে প্রবাহিত করে শুধু পারিবারিক কারণে প্রতি পাঁচ বছর পর পর মুজিব- কিংবা জিয়া-বংশের একজনকে একটি নির্বাচনের মাধ্যমে সিংহাসনে বসানোর মানেই গণতন্ত্র নয় ৷ যারা গনতন্রের কথা বলে সবসময় আহাজারি করেন, তাদের সকলের জন্যই এই উপলব্ধিবোধ অতি গুরত্বপূর্ণ এক নাগরিক দায়িত্ব ৷
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিলিয়নিয়ার রবিন খুদা ও আমাদের জাতীয় অগ্রাধিকার

লিখেছেন জুয়েল তাজিম, ০৯ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:৩০

বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে জরুরি বিষয় কী?

কর্মসংস্থান? না।

বিনিয়োগ? না।

ডলার সংকট? না।

গার্মেন্টস খাতে ছাঁটাই? না।

ব্যাংকিং খাতের আস্থা সংকট? না।

সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো— কোনো অনুষ্ঠানে জুলাই চেতনা কত মিলিলিটার ঢুকেছে, কে কতবার উচ্চারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×