একদিন আমার ফুজিৎসু ল্যাপটপ বিনা নোটিশেই এমনভাবে হ্যাং হলো যে alt+Ctrl+Del চেপে কোন লাভ হলো না এমনকি পাওয়ার বাটনও চাপলাম। না কোনই সাড়া শব্দ নেই একেবারেই অনিভূতিহীন। নিরুপায় হয়ে নিলাম ব্যাটারীটা খুলে। ভাবলাম এতে কাজ হবে। ওমা ব্যাটারী লাগিয়ে যেই না পাওয়ার অন করলাম শুরু হলো ক্রমাগত বিপ দেয়া, থামার তো কোন লক্ষনই নেই। স্ক্রীনটা পুরোই ব্ল্যাক। কোন বুট অপশন আসা তো দূরের কথা।
ল্যাপটপ কেনার আট মাসের মাথায় এই অবস্থা দেখে তো আমার মাথায় হাত। নিজেকে অপরাধী মনে হলো এই ভেবে যে কেন Call of Duty Black Ops টা খেলতে গেলাম? (আসলে ঝামেলাটা হওয়ার আগে টানা দুতিন ঘন্টা করে প্রতিদিন খেলতাম, অবশ্য মেইন পাওয়ার ইউজ করে যাতে ব্যাটারীর বারোটা না বাজে)। আমি অনেকটা নিশ্চিত যে আমার ল্যাপটপের গ্রাফিক্স কার্ডটা ভাজা ভাজা হয়ে গেছে। তারপর একটা দিন এভাবেই পড়ে রইল। ভাবছি ভেন্ডরের কাছে নিয়ে যাব কিনা।
তারপর একসময় মনে হল নিজেই একটু ট্রাই করিনা কেন? ডেস্কটপটাতে বসে সার্চ দিলাম রেজাল্ট যা আসলো তাতে বুঝলাম র র্যামের সমস্যার কারনেই এরকমটা হয়। হয় র্যাম নষ্ট নয়তো কানেকশানে সমস্যা, তবে সমস্যা আরও জটিল হতে পারে যদি কোন কারনে র্যামের স্লটটাই নষ্ট হয়ে যায়। সাহস করে ব্যাক প্যানেলের যে অংশে র্যাম আর হার্ডডিস্ক সেই অংশটা খুব সহজেই খুলে ফেললাম। ২ গিগা করে যে দুটো DDR3 র্যাম ছিল সে দুটো খুলে কানেক্টরগুলো পরিষ্কার করে আবার আগের মতো লাগালাম। একরাশ উৎকন্ঠা নিয়ে প্রেস করলাম পাওয়ার বাটনটা। আহা কি শান্তি। এরই নাম শান্তি।
ফিরে পেলাম আমার চিরচেনা ল্যাপটপটাকে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




