somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বিশ্ববিদ্যালয় গুলো খুলছে কিন্তু আমাদের শিক্ষক আর মানবেন্দ্র এর মতোন শিক্ষার্থীদের কি হবে ?তবে কি বন্দুকই সকল ক্ষমতার উৎস ??

২৬ শে অক্টোবর, ২০০৭ দুপুর ১২:৩৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বিশ্ববিদ্যালয় গুলো খুলছে কিন্তু আমাদের শিক্ষক আর মানবেন্দ্র এর মতোন শিক্ষার্থীদের কি হবে ?
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সেনা সদস্যদের ওদ্ধত্বপূর্ণ আচরণ, শিক্ষার্থীদের লাঞ্চিত করার প্রতিবাদে যে আন্দোলন সংগঠিত হয়েছিল তার পরিপ্রেক্ষিতেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো সরকার বন্ধ করে দিয়েছিল । ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো শিক্ষার্থীদের লাঞ্চিত করার প্রতিবাদে ক্ষোভে বিস্ফোরিত হয়েছিল । সরকার খুব সফলভাবে যত দোষ নন্দঘোষদের দিয়ে সেই ছাত্র-জনতার স্বতস্ফূর্ত ক্ষোভকে ভিন্ন পথে চালিত করেছিল । তারপর সামরিক বাহিনী শিক্ষক - শিক্ষার্থীসহ অনেককে আটক করে রিমান্ডে নিয়ে শাররীক আর মানসিক নির্যাতন চালিয়েই ক্ষান্ত হননি , তাদের বিরুদ্ধে এনেছে নানা মামলা ।

ঘটনা পরবর্তী সময় ছাত্র আন্দোলনকে কিছু সুবিধাবাদী স্বার্থেন্বেসি মহলের উপর চাপিয়ে দিয়ে (সেই নন্দ ঘোষ , মানে রাজনীতিবিদদের উপর) কোমল মতি শিক্ষার্থীদের ক্ষমা করে দেয়ার ভাব নিয়েছে । কিন্তু আদৌতে কিছু হয়েছে ?? সরকার পুরো ঘটনার বিশ্লেষনে যায়নি , শিক্ষার্থীদের স্বতস্ফূর্ত আন্দোলনকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত বলে চালিয়েছে এবং পরবর্তী সময়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আটক এবং বিচার শুরু করেছে । এমনকি তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রধান ঘোষণা দেবার পরও শিক্ষার্থীদের অযথা হয়রানি চালানো হয়েছে ।
কিন্তু কেন ??
ঘটনার বিশ্লেষন করলে দেখা যায় বিষয়কি ছিল এক পাক্ষিক । উর্দির যে উত্তাপ সেই উত্তাপেই হয়তো একজন নন গ্রাজুয়েট সেনা সদস্য বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর গায়ে হাত তুলতেও দ্বিধান্বিত হয়নি। কিন্তু সেই হাতহাতি যে এতা বড় ক্ষোভে রুপ নিতে পারে তা সেই সামান্য সেন সদস্যের কল্পনায় আসেনি । শুধু সেই সেনা সদস্য নয় ক্যাসম্পর কোন সেনাসদস্য বা অফিসারের মাধায় আসেনি । নইলে শিক্ষার্থীরা যখন একত্রিত হয়ে প্রতিবাদ করছিল তখন সেনাসদস্যরা বেসামরিক পোষাকে মাথায় হেলমেট দিয়ে প্রতিবাদ মিছিলে আক্রমণ করতো না ।
মানুষ ভুল করে । সাময়িক উত্তেজনায় হয়তো দেশপ্রেমিকসেনাসদস্যরাও ভুল করেছে কিন্তু তাদের দায়িত্বশীল উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা কি করে সেই উত্তেজনায় উত্তেজিত হয় ?? কিসের জোড়ে পুরো প্রশাসন দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতন একটি উচ্চ শিক্ষাগনে যার আছে বাংলাদেশ গড়ার ইতিহাস সেখানে আক্রমণ করে এবং রাতভর শিক্ষার্থীদের লাঠি চার্জ করে ??
শিক্ষার্থীরা শৃংখলে আবদ্ধ নয় , কিংবা সরকারের অংশ নয় বরং সেনাবাহিনী সরকারের অংশ , যাদের শৃংখলা আদর্শ এবং সর্বোপরি জনগনের সেবক কিংবা জনগনের অর্থে যাদের পরিচালিত হতে হয় তারা কি করে স্ই জনগনকে ভয় দেখায় , চোখ রাঙায় এবং পরিশেষে শকুনের মতন ঝাপিয়ে পড়ে ??
ধরা যাক দু একজন উচ্ছৃংখল সেনাসদস্য দায়ী পুরো বিষয়ে কিন্তু তার দায়ভার পুরো সেনাবাহিনী কেন নিয়ে নিল এবং দেশের স্পর্শকাতর অংশ শিক্ষার্থীদের উপর নির্যাতন করে ??
শুধু তাই নয় তারা তাদের সেনাসদস্যদের সাফাই গেয়ে পুরো সেনাবাহিনীর প্রেসনোটে জানা যায় যে সেই সেনা সদস্যরা খেলা চলা কলঅ শিক্ষার্থীদের সরবত পান করাচ্ছিল । কিন্তু সেই সরবত পান করানোর অনুমতি কে দিল কিংবা কেন ??
এবং পুরো বিষয়পটি আড়াল করে সেই উচ্ছৃংখল সেনা সদস্যদের বিচার হবে সামরিক আদলতে সেই আশ্বাস দিয়ে তাদেরই সাফাই গাইলো পুরো সেনাবাহিনী । সেই সেনা সদস্যদের নাকি শিক্ষার্থীরা আগে লাঞ্চিত এবং গালি গালাজ করেছে । কেন এই মিথ্যাচার ??
শুধু সেন প্রসনোটেই নয় তাদেরওয়েবে এবং টেলিভিশন চ্যানেল গুলো শিক্ষক-শিক্ষির্থীদের অপমান করে অপপ্রচার চালানো হয়েছে । কেন ??
তবে কি বন্দুকই সকল ক্ষমতার উৎস ?? নইলে কেন লাঞ্চনার প্রতিবাদ করার ফলাফল এমন হবে ?? শিক্ষার্থীরা কার কাছে বিচার চাবে ?? বিচারের প্রাপ্তি , তাদেরই বিচারের মুখোমুখি করা ?? শিক্ষকদের সামনে শিক্ষার্থীদের অকথ্য সনর্যাতন চালিয়ে সম্মানিত শিক্ষকদের নাজেহাল করা , এসব কি প্রমাণ করে না বন্দুকই ক্ষমতার উৎস !!
যদি তাই হয় তবে আমি মাথা পেতে মেনে নেব । কেননা আমি অক্ষম আমার কোন বন্দুক নাই । শিক্ষার্থীদের হাতে বন্দুক নাই । শিক্ষক - শিক্ষির্থী সহ গোটা জাতি তাহলে ক্ষমা চাবে , তোমাদের অধনস্ত হবে দেশপ্রেমিক সৈনিকরা , তোমরা জেনে রাখ । তবে সেই সম্ভ্রম , সেই সম্মান তোমাদের জন্য নয় , তোমার হাতের বন্দুকটিকেই শুধু ।
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে অক্টোবর, ২০০৭ দুপুর ১২:৩৫
১১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে যাওয়া বলে কিছু নেই

লিখেছেন রানার ব্লগ, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:৫৫

আমি যে নদীর কথা ভাবি,
সে নদী জল নয় সময় বয়ে নিয়ে চলে।
এক পাড়ে মানুষের কোলাহল,
হাটের গুঞ্জন, ভাতের গন্ধ, সন্ধ্যার আহবান,
অন্য পাড়ে কেবল শূন্যতা,
যেন কেউ কোনোদিন সেখানে ছিলইনা।

তবু দু পাড়ই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

নাজিয়া সামান্তা, হিজাব এবং আমাদের সমাজের প্রাতিষ্ঠানিক ভণ্ডামি।

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ১০ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫১



​একজন তরুণী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ড্রাম বাজিয়ে দর্শক মাতাল। নেটিজেনরা বাহবা দিল। কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়—মেয়েটি বোরকা-হিজাব পরা, সে ২০২৫ সালে হজ করেছে, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে এবং নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৃঙ্খল মুক্তি আমার

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

শৃঙ্খল মুক্তি আমার



ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×