আমার প্রিয় পোস্ট

রেডিও সিরিজ

১৮ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৫:০৭

শেয়ারঃ
0 2 0

২.

এই করুণার দিকে তাকাও বেলুন, তোমার ভেতর বেহিসবী নিরর্থ ফুঁ দিয়ে আমি দেখলাম নত্রক্ষ বদলে নিচ্ছে তার পথ, পরিক্রমা। এমন দৃশ্যের পর কেঁদে ফেলা যায়। শূন্যতা সেও কি আজ আর নেই! এই তবে ব্যথা? মহাপতঙ্গের নীল ডানা এই আকাশ আমার, তোমার ভেতর হতে রেডিও-ওয়েভ হয়ে আলোর গতিতে ফিরে এসে সুর হয়ে ভেঙে পড়ছি অদৃশ্যে পৃথিবীর ধূসর সন্ধ্যায় নিজের স্নায়ুর কানে; ঠিক আর দেখা হলো না নিখুতঁ পতনের ক্ষত, আমাদের হাওয়ায় ছড়ানো পিষ্ট খুলি এমনই করুণ, অচেনা।

৩.

অন্ধকারে হঠাৎ দাঁড়িয়ে পড়া বিহ্বল সাদা উট তোমার উজ্জ্বল দেহ আজ দেখা গেলো সুরের আভায়।

ছাল ওঠা রক্তিম কার্পেট -- এই হলো স্বপ্নের বাহন, তাতে চড়ে মাতালেরা ঘরে ফেরে, কথা কয়। রাত আরও গভীরে এসে ঘুমিয়ে গেলে দেখা হয় সময়হীন এক দেশ; সেখানে আহত সময়ের ভাঙা লাঠির প্রহরা ছাড়া ভূগোলের দিকে হেঁটে আসে ম্যামথের দেহ, তার ক্ষুধা, মৃতের মিছিল; ফল আর নিজেকে এভাবে ধরে না রাখতে পেরে খসে পড়ছে মাটিতে, বাতাসের প্রতিটি অদৃশ্য কণা ঝরে গেছে ফুলের জ্যামিতি হয়ে। হয়তো ঘুমিয়ে পরা রাত্রির চোখের ভেতর গোপনে তার স্বপ্ন দেখে -- একটা যন্ত্রের নাভির ভেতর উড়ে যায় হাওয়া সংবাদ, উচ্ছ্বল হাততালির সুসময়ে খসে পড়া আঙুল লাফিয়ে ওঠে শূন্য ভেজা শীতল বাতাসে। সময়-বিরহ-শূন্যতা-বেদনাহীন এই দেহ, তুমি ভেসে যাও আজ উড়ন্ত শবের মত একা; অন্ধকারে বসে থাকো বোবা রূপসীর যাতনার পাশে।

অগনন বেলুন উড়ে যাচ্ছে অন্ধকারে হলুদ স্বর্গের দিকে। দেখে যাচ্ছি সব।

 

প্রকাশ করা হয়েছে: কবিতা  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে মার্চ, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৮ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৫:২২
মাঠশালা বলেছেন: মৃদুল,
অনেকদিন পর আপনার লেখা পড়লাম। ভালো লাগল।
কেমন আছেন?
১৮ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৫

লেখক বলেছেন: ভালো আছি। আপনি?

২. ১৯ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১:০৬
কৃত্তিবাস বলেছেন: হাউ মাউ খাউ
মজনু শাহের গন্ধ পাউ।

+
১৯ শে মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১:১৪

লেখক বলেছেন: শোনেন কৃত্তিবাস মশাই,
সনামে এই কথা বলেন, এবং তারপর আসেন আলোচনায় বসি। বিভাবে মজনু শাহের গন্ধ তা আপনাকে আমাকে বোঝাতে হবে। কেননা কবিতার জায়গাটাকে যারা মাছ বাজার ভাবে, যারা আপরের কবিতার ভেতর নারা রকম গন্ধ পায়, যারা নিজের কবিতাকে ভাবে মহা মৌলিক অনবদ্য সৃষ্টি তারা যে কি করেছে তা আমার জানা আছে। আপনি এই কথাটা যার কাছ থেকে শিখেছেন তাকে না হয় এই কথা বলতে বলুন। সতসাহস না থাকলে সাহিত্য হয় না জনাব। নিজের নামে কথা বলুন। আপনি না জানি কবে মাইকেল কে খুজে পান আমার কবিতায়।

আর আপনাকে আমার চিনতে বাকি নাই। এতো ভেজা বেড়ালের ভাব ধরে কাছে আসারও বা কি প্রয়োজন। মুখোস খুলুন।

ধন্যবাদ। আপনার মত ভীতুর সাহস জন্ম হোক।

৩. ১৯ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ১:৩৮
জাহিদ সোহাগ বলেছেন: কমরেড আপনার গদ্য ও কবিতা পৃথক করা আমার পক্ষে কঠিন। আমি কবিতার টেস্ট নিয়েই পড়েছি। ভাল লাগছে।
১৯ শে মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১:১৫

লেখক বলেছেন: বেশ। পড়তে থাকুন।

ধন্যবাদ।

১৯ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৮:৪৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৯ শে মার্চ, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। আছেন কেমন?

৬. ১৯ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৫:০৪
সফেদ ফরাজী...... বলেছেন: মৃদুল, কিছু মানুষ (!)ই থাকে যাদের কাজ শুধু অন্যের দোষ ধরা। দোষ যদি না পায়, তাইলে বলবে আপনার দোষ নাই কেন, আপনি উনার মতো ভালো কেন ইত্যাদি... ভালো হওয়াটাও ওই মানুষরূপী সমালোচকদের কাছে যেন একটা দোষ হয়ে যায় তখন!
যাক, এইসব থাকবেই, ওগুলোতে বিচলিত হলে চলবে না।

কবিতাগুলো ভালো লাগলো। ধন্যবাদ। যাত্রা চলুক...........
১৯ শে মার্চ, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৭. ১৯ শে মার্চ, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩২
প্রণব আচার্য্য বলেছেন: আপনার কবিতা নির্মানটা অসাধারন হয়েছে
১৯ শে মার্চ, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৩

লেখক বলেছেন: thanks. how r u?

১৯ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৮:২০

লেখক বলেছেন: কি বিষয়ে সহমত?

৯. ২০ শে মার্চ, ২০০৮ দুপুর ২:৫৩
মুজিব মেহদী বলেছেন: এ ধরনের বহুরৈখিক কবিতা পড়ে 'ভালো লাগল', বা 'অসাধারণ হয়েছে' জাতীয় কথা ছাড়া আর কী বলার থাকে, যার এক পঙক্তির সঙ্গে আরেক পঙক্তির কোনো যোগ নেই? অথবা থাকলেও সেটা এমন এক যোগ, মানব মেধার সাধ্য নেই যা খুঁজে-পেতে পায়।

অসংখ্য ছবি, কল্পছবি, চমৎকার সব শব্দবন্ধ-- একের পর এক আঘাত করে করে মাথাটা কেমন যেন করে দিল!
২০ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৫

লেখক বলেছেন: মুজিব ভাই আপনাকে অসুস্থ করে দেবার জন্য দুঃখিত।

"অসংখ্য ছবি, কল্পছবি, চমৎকার সব শব্দবন্ধ"

ভালো বলেছেন। ধন্যবাদ।

আচ্ছা, ভাবুনতো সময় নেই। কি কি হতে পারে বলে আপনার মনে হয়? মাত্র সময়ের প্রবাহ ছাড়া এই পৃথিবীর রূপ কেমন?

২০ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৬

লেখক বলেছেন: কিছু না এই গুলা। কিছু না করার চেষ্টা।

অসংখ্য ধন্যবাদ। কেমন আছেন?

১১. ২০ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৪
বীথিলতা বলেছেন: খুব ভালো লাগলো মৃদুল....সত্যিই চমৎকার লিখেছো!
২০ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১২. ২০ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৫:১৭
অ রণ্য বলেছেন: দেখে যাচ্ছি সব।

মৃদুল ভাই এইটুকু কি কোনভাবেই দেয়া যায়না ??



এক অতি উঁচুমানের কবিতাকে প্লিজ য়ে করেই হোক ওপেন রাখুন
মাথাটা মুড়বেন না

অন্য রকমের ভালো লেখা যেটা আসলে শব্দে বয়ান করা যাবেনা
১৩. ২০ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৫:১৮
অ রণ্য বলেছেন: অন্ধকারে হঠাৎ দাঁড়িয়ে পড়া বিহ্বল সাদা উট তোমার উজ্জ্বল দেহ আজ দেখা গেলো সুরের আভায়।


প্রথম নং কিংবা ২য়র
এই যে শুরু পাঠকের মনে যে সুরধ্বনি তুলে তা অবিনশ্বর
যে কোন কালের পাঠক একে অনায়ডস অনুভব করবে
তার প্রাণে
১৪. ২০ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৫:১৮
অ রণ্য বলেছেন: অজস্র শুভকামনা আপনার জন্য
১৫. ২০ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৮:৩৯
মৃদুল মাহবুব বলেছেন: @অ রণ্য, আপনাকে ধন্যবাদ। এবং শুভ কামনা। । ভালো থাকুন।
১৬. ২০ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:০৪
সোমেশ্বর অলি বলেছেন: কৃত্তিবাস কি চায়? সম্ভবত: নেই কাজ তো খই ভাজ- প্রচলিত এ কথাটির পুনরাবৃত্তি। মৃদুল, অসুস্থ মুজিব ভাইয়ের পাশে আমিও...
২০ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:২৯

লেখক বলেছেন: কি আর করা।

ধন্যবাদ।

১৭. ২১ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ২:১১
মুজিব মেহদী বলেছেন: এই রে, না, কবিতাটা আমাকে অসুস্থ করে নি। কবিতার পাঠক হিসেবে অনেক উত্তুঙ্গ কল্পনার সাথে আমি পরিচিত। 'পেঁপেগাছের হাতের লেখা কেমন' জাতীয় পঙক্তি পড়ে আমি বস্তুত আনন্দই পাই। ওরকম লিখতেও চাই, পারি না।
আমি বলতে চেয়েছিলাম, এ ধরনের কবিতা পড়ে সংক্ষেপে প্রতিক্রিয়া জানানোর কায়দাকানুন বিষয়ে।

আপনি আমাকে অযথাই হাইকোর্ট দেখিয়ে দিলেন এই বলে যে, 'আচ্ছা, ভাবুনতো সময় নেই। কি কি হতে পারে বলে আপনার মনে হয়? মাত্র সময়ের প্রবাহ ছাড়া এই পৃথিবীর রূপ কেমন?'

আমার কল্পনায় এটা আসে না মৃদুল। আসবেও না মনে হয়। সময়ের প্রবাহ নেই, এমন পৃথিবী তো বাস্তবে সম্ভব নয়। কেবল কবিতায় সম্ভব, কল্পনায় সম্ভব। যেটা আপনি অলরেডি করে দেখিয়েছেন। আর কেন?

আমার ভাবনার ক্ষমতা অত্যল্প। তবু ধরুন--

চকিতে বোঝা গেল মাথাটা নেই, রাস্তার ধারে সেটা খুঁজে খুঁজে হন্যে হচ্ছে শরীর, কিন্তু পাচ্ছে না। হঠাৎ ধানক্ষেতে মাথামতো একটা বস্তু পেয়ে সে দেখে ওটা তার নয়, অন্য এক যোনিমুখো জঘন্য সুন্দরীর। ওটা সে নেবে কি নেবে না তা ভাবতে ভাবতেই মনে পড়ে গেল গদ্যাঙ্গিকে লেখা বাংলা কবিতার কথা, শূন্য সময়ের কথা। এতে সে সাহসী হলো ও নিজের ঘাড়ে পথে পড়ে থাকা গর্দান লাগিয়ে বিবাহ-বহির্ভূত যৌনতার নন্দনতত্ত্ব নিয়ে অর্থের বিনিময়ে বক্তৃতা করে গেল সোফিস্ট সলিমুল্লাহ খানের মতো, অসময়ে

ভাবনার এরকম দীনতা-হীনতা যার, তাকে আপনি সময়হীন সময় ভাবতে দিয়ে কি হাসিই না পয়দা করলেন মৃদুল।
জয় হোক বাংলা কবিতার।
২১ শে মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১:৪৫

লেখক বলেছেন: মুজিব ভাই,
কথার প্রেক্ষিতে আর্ও কথা বলা যায় হয়তো। যেহেতু হাইকোট আমিও দেখে ফেলাম। কিন্তু কথা বলেই অপ্রয়োজনীয় কথা বাড়বে। লাভ কি বলেন? লেখাটি কবিতা না হয়ে গদ্য হলে আলোচনা করা যেতো। কবিতার নিচে কবিতা নিয়ে নিয়ে এতো কথা আমি বলতে পারবো না।

ভালো থাকুন। অন্য কোথাও এই নিয়ে আলোচনা হতে পারে। এটা মনে হয় সে আলোচনার যথার্থ জায়গা নয়।

ধন্যবাদ।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৩১২ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
mridulmahbub@gmail.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ