ইমতিয়ার শামীমের এই লেখাটি প্রকাশিত হয়েছে ukbengali.com-এ ''শান্ত নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারঃ সামান্য মুখবন্ধ'' শীরোনামে।
''আমাদের অনেকেরই মনে আছে, ২০ আগস্ট ১৯৭৫ সালে সামরিক শাসন জারী হওয়ার পর কালক্রমে বাংলাদেশের সোভিয়েতপন্থী বামপন্থীরা জিয়াউর রহমানের মধ্যে অসমাপ্ত জাতীয় গণতান্ত্রিক বিপ্লব সম্পন্ন করার মতো আর চৈনিক বামপন্থীরা জনগণতান্ত্রিক বিপ্লব সম্পন্ন করার মতো অসাধারণ নেতৃত্ব খুঁজে পেয়েছিলেন।
শেষ পর্যন্ত অবশ্য জিয়াউর রহমান অসমাপ্ত জাতীয় গণতান্ত্রিক বিপ্লব সম্পন্ন করেননি, কিংবা জনগণতান্ত্রিক বিপ্লবের উপযোগী কোনও পথও তৈরী করেননি। উল্টো তিনি মুক্তিযুদ্ধের মধ্যে দিয়ে অর্জিত ১৯৭২-এর সংবিধান ও ধর্মনিরপেক্ষতাকে হত্যা করেছিলেন, ধর্মজ রাজনৈতিক দলগুলোকে রাজনৈতিক দল গঠন করার অধিকার দিয়েছিলেন, ধর্মজ রাজনীতির অনুসারী যেসব নেতা-কর্মীরা যুদ্ধাপরাধজনিত অপরাধে বিচারের জন্যে কারাগারে ছিলেন, কলমের এক খোঁচায় তাদের মুক্তি ও নিষ্কৃতি দিয়েছিলেন, মুক্তবাজার গঠন ও বেসরকারীকরণের কাজ জোরদার করেছিলেন। আর এসবের বিরুদ্ধে জিয়াউর রহমান ও তার সহযোগীদের মোক্ষম যুক্তিটি ছিলোঃ একদলীয় বাকশাল প্রতিষ্ঠা করে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার হত্যা করা হয়েছে; আমরা চাই বহুদলীয় গণতন্ত্র। শুধুমাত্র চতূর্থ সংশোধনীটি অকার্যকর ও বাতিল করেই এ-গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে দেয়া সম্ভব ছিলো। কিন্তু জিয়াউর রহমান ও তার সাঙ্গোপাঙ্গোরা তা করতে উৎসাহী হননি। কেনো-না, তাদের বিশেষ কর্মসূচি নির্ধারণ করা ছিলো ১৫ আগস্ট হত্যাকাণ্ডের আগে থেকেই।" ......
লেখাটির বাকি অংশ পাবেন নিম্নোক্ত লিংকে:
শান্ত নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারঃ সামান্য মুখবন্ধ
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই মে, ২০০৮ রাত ৯:৪৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


