আমার প্রিয় পোস্ট

জল প্রিজমের গান

০৯ ই জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৮

শেয়ারঃ
0 0

চাক ছেড়ে হঠাৎ উড়াল দিলো বাতাস যে দিকে বয়
উঁচু মগডালে পড়ে আছে শুভ্র মোমের রূপালী ঘর,
নির্লিপ্ত চতুর বসন্তের বহু দিন পর বৃষ্টি এলো
মৌচাক থেকে চুয়িয়ে পড়ছে মধু নয়,
ফোঁটা ফোঁটা সপ্তবর্ণ জলের প্রিজম

শেষ মধু চুষে উড়ে গেলো মিথিলার সোনালী মৌমাছি,
তারা ফুল পরাগের ঘ্রান নিয়ে বসে আছে
আমার জন্মান্ধ চোখের কিনারে,
অথবা তুমিও চোখ বুজে বসো
প্রকৃত অন্ধের ছদ্দবেশে
চোখের ভিতর মধু ধরো,
ওরা এসে বসুক চোখের মোম ঘরে।

আমার না বলা কথা রক্তে মিশে গেছে
কথা বললেই বক্তপাত ঘটে যায়;
আর যারা ঘুমের ভিতর কথা বলে,
অথবা সমুদ্র ভ্রমনের স্বপ্নে পোষাকের সুতোয় লবণ
আর বালি নিয়ে আবার তলিয়ে যায়
নিজের ভিতর নিজে,
তারাতো এই আহত রাত্রির বাতাসেও মোম জ্বেলে দেয়,
শোক-গীতি গায়,
ঘরে ফেরে, কম কথা বলে,
মোজা খুলে পা’য়ে জমা সময়ের গন্ধ বুঝে নেয়।
রাতের বিপন্ন সিড়ি বেয়ে এই অশূন্য আকাশ আরও উপরে উঠে গেছে ,
প্রেম তারও অধিক দূরে যায়
আরও আরও নক্ষত্রের মত দূরে দূরে তুমি আমি বসে আছি পাশাপাশি যেনো।

জাগিয়ো না,
ঘুমের ভিতর মৃত সব মমি ইঁদুরের চার পায়ে ভেঙে দিচ্ছে পিরামিড
বলে দিচ্ছে ইতিহাসে না লেখা হারানো কথা;

জাগিয়ো না,
মৃত্যুর শীতল সাদা ঘোড়া তাকেই উড়িয়ে নেবে;
এই স্বপ্নের বিস্তীর্ণ চিরহরিৎ মখমল ঘাসের নিরব বনে
এক ছোট্ট হ্রদের জলজ তলে আকাশ ঘুমিয়ে আছে,
যে নিদ্র-ভঙ্গ করবে প্রবল-প্রতাপে এই অনন্তের
সাদা ঘোড়া তাকেই উড়িয়ে নেবে।

কথা বললেই রক্তপাত ঘটে যায় গোপনে গোপনে
ফিনকি দিয়ে বেরিয়ে যায় তরল উচ্চারণ
ঘুমের ভিতর মগজের উথাল ইচ্ছার রক্ত নদীর গভীরে
বাঁচিয়ে রেখেছো স্বপ্ন হাঙরের দাঁত;
স্বপ্ন দেখি,
স্বপ্ন দেখি আমার মাথার উপর এসে পড়ছে
পোড়া উল্কার পাথর,
আর পারদ জমছে মাথার শিরায়;
একদিন করোটির হাড় পোষাকের মত খুলে নিলে যৌন-বোধে--
মগজের পরিবর্তে মাথায় ধারণ করে আছি
আয়না বসানো গোল বল,
যা কিছু সত্য তমোহর এসে পড়ে
এই বদলে যাওয়া স্নায়ুর ঘন ফলকে
প্রতিফলন সূত্রে ফিরে যায়,
অনুভব করি আলো এসেছিলো,আলো;
স্বপ্ন দেখি,
স্বপ্নে দেখি
এক বাইসন ডুবে যাচ্ছে মিসিসিরির চোরাবালুতে,
ওর নিঃশ্বাসের শীতল হাওয়ায় জমে যাচ্ছে বাতাসের সরুরেখা,
কে যেনো রাত্রির বিষন্নতা ছিড়ে
গ্রহন লাগা চাঁদের দিকে ছুড়ে দিচ্ছে
চকমকি পাথরের ফলা বসানো সুতীক্ষ্ণ তীর

তবে কার কথা লিখে রাখে ইতিহাসে,
কার!

না-ঘুমানো বিরক্ত মানুষ ডুবে যায়
ডুবতে ডুবতে পারদ নদীর অতল থেকে বাঁচতেই চায়,
অনন্ত প্লাবনে সাঁতারে হারানো হাত
আর ভাঙ বিক্ষত পা নিয়ে
হিমাঙ্ক শীতল কোন অচিন শহরে
গুড়ো হাড়ের যন্ত্রনা নিয়ে সেই লিখতে বসে ইতিহাস;
কার কথা লিখে চলে।
ভেবে চিন্তে মুছে ফেলি পদ-ছাপ, দেহ-ছায়া

এভাবেই এক ছায়াদেবীর পিছু পিছু হারিয়ে গেলাম সবুজ বনের ঘাসে, ঐ ঝর্ণার তীরে পাথর যেভাবে বেড়ে ওঠে মাটির আড়ালে, বুকের ভিতর দিনদিন বেড়ে ওঠা জৈব পাথরের হাড় নিয়ে আমি আর কত দূরেই বা যেতে পারতাম -- পোষাকের উপর আমার নিজের ত্বক পরে নিচ্ছি; ফলে যতবার পোষাক বদল হয় ততবার এই চামড়াকে একবার ছিড়ে রক্ত-আঁঠায় শরীরের পর গেঁথে নিতে হয় একাএকা। সমস্ত দেহেই ধারণ করেছি মন-- আজ কোথায় আগুন, ব্যথা রেখে যাবে। বাসনার ডানা শূন্যতার অধিক নির্জন রসাতলে দেহের সঞ্চয়, মাত্র এই ব্যর্থ হাড় ইঁদুরের মত উঠে এলো সোনালী ঘাসের মাঠে; এরপর পেশী গলছে ত্বকের গভীরে; এক কালো চামড়ার বল হয়ে ত্বকের উপর জন্ম দিচ্ছি লোম, গড়িয়ে চলছি গভীর থেকে গভীর বনপথ-- তাড়া করছে সবুজ ঘাস-ফড়িঙের ধারালো পা আর বন কুকুরের নাক। নলখাগড়ার বনের ভিতর ভেসে আছি গোপনে পালিয়ে।

ঝর্ণার কাছেই ছিলো সাদা ময়ূরের উপত্যকা, আজ তারা পালকের রঙ ধুয়ে নিচ্ছে-- কেকারব ভিজে যাচ্ছে অন্ধকার বৃষ্টি রাতে -- আমিও দেখছি এই বনের যাদু খেলা; ভাঙা মৃৎপাত্রের ’পর সেই ভাঙনের সুর ধুলোর মত মলিন পড়ে আছে। মূলত ঐ সুর আজ লাল রঙের তরঙ্গ চুষে নেয় মাটির অতলে। প্রত্ন-ফসিলের আত্না হয়ে তারা পাতালেই লাভার নদীর তীর ঘেসে ভেসে যেতে দেখেছিলো সেই ডুবে যাওয়া বাইসন।

এই কি তবে না বলা প্রাক-ইতিহাস। স্বপ্ন বারবার পাপে ভরে ওঠে, আসলে প্রতিটি অলস জীবন সত্যমিথ্যাহীন, নির্বাপিত, পাপশূন্য। পাথর-ফুলের সৌরভ ভেসে আসছে ভোরের বাতাসে।

কোন আশা আজ আর আমাদের বাঁচিয়ে রাখে না।
এক রাত থেকে আরেক নিস্তব্ধ আধো-অন্ধকার ভোরে
বাতাস উড়িয়ে নিচ্ছে ধীরে ধীরে নক্ষত্র-পশুর চোখ

তবে দুরত্বই শেষ পরিমাপ,
কেননা সূর্যের নিচে নিভে যায় আলো-বর্ষ দীর্ঘ নক্ষত্রের পথ,
যদিও তাদের ছিলো দৃশ্যহীন বিভ্রান্ত ইথার সাঁতারের জ্ঞান
ছিলো অধিক সচ্ছল কোন যাত্রাপথের গতি

পারদ নদীর ’পর এতো এতো যুক্তিহীন নিরেট গোধূলি রক্ত!
আমি মৃত্য প্রচারক ছাড়া আর কি বা হতে পারি
দেহের অধিক কোন শূন্যতা লাফিয়ে নামছে ঝাঁকে ঝাঁকে।।

 

প্রকাশ করা হয়েছে: কবিতা  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৯ ই জুন, ২০০৮ রাত ৮:০৫
সুন্দরম বলেছেন:

ভালো লাগিয়াছে হে কবি

'আসলে প্রতিটি অলস জীবন সত্যমিথ্যাহীন, নির্বাপিত, পাপশূন্য। '





পাপী তো আকাশের ওই রঙধনু অথবা প্রকৃতিময় রঙের বাহার; পোকা-মাকড়ের ঘর বসতি এরই মাঝে, এরই মাঝে দীপ্তি ও অন্ধকারের খেলা

আপনাকে মুক্তহস্তে পেলাস
০৯ ই জুন, ২০০৮ রাত ৮:০৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২. ০৯ ই জুন, ২০০৮ রাত ৮:৩৯
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন: ভাবনা গুলোকে সাজিয়ে এভাবে কোথায় থেকে কোথায় নিয়ে যাওয়া.........................।কি যে ভালো লাগলো।
অসাধারণ..............।
শুভেচ্ছা অনেক।
০৯ ই জুন, ২০০৮ রাত ৯:৩২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। শুছেচ্ছা জানবেন।

০৯ ই জুন, ২০০৮ রাত ৯:৩৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৪. ০৯ ই জুন, ২০০৮ রাত ৯:৫৭
তারিক টুকু বলেছেন: আপনার কবিতা ভালো লেগেছে। আগে তো চিনতাম না আপনাকে, এখন দেখি ভালই লেখেন। :) :) :)

+

প্রিয়।
১০ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:৩০

লেখক বলেছেন: আপনারে চেনা চেনা লাগে। কবিতা লেখেন মনে হয়। পড়েছি মনে হয় আগে আপনার লেখা।

ধন্যবাদ।

৫. ০৯ ই জুন, ২০০৮ রাত ১১:১৩
মজনু শাহ বলেছেন: chokher vetor modhu dhoro
ora ese boshuk chokher momghore...

sundor pongti
১০ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:৩১

লেখক বলেছেন: মজনু ভাই,
কবিতা সম্পর্কিত আপনার আলোচনা কতদিন শুনি না।

ধন্যবাদ।

৬. ০৯ ই জুন, ২০০৮ রাত ১১:৫০
একরামুল হক শামীম বলেছেন: তারাতো এই আহত রাত্রির বাতাসেও মোম জ্বেলে দেয়,
দারুন একটা লাইন।
কবিতা ভালো লেগেছে।
১০ ই জুন, ২০০৮ রাত ১২:৩১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৭. ১০ ই জুন, ২০০৮ রাত ১:১২
মুজিব মেহদী বলেছেন: খুবই মুগ্ধ হয়ে পড়লাম। আরো পড়তে হবে, আরো। আশা করি মুগ্ধতা তাতে আরো গাঢ় হবে।

চমৎকার কবিতাটির জন্য ধন্যবাদ।
১০ ই জুন, ২০০৮ রাত ৯:০৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মুজিব ভাই।

১০ ই জুন, ২০০৮ রাত ৯:০৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মাহবুব ভাই।

৯. ১১ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ১:২০
সফেদ ফরাজী...... বলেছেন: নতুন? আগে পড়িনি? ভালো লাগল।
১১ ই জুন, ২০০৮ রাত ৮:১৬

লেখক বলেছেন: প্রোফাইলের আগের ছবিটা কি খারাপ ছিলো? আমি তুলছিলাম। সেইটা পরিবর্তন করলেন। এই ছবিটা একটুও ভালো হয় নাই।

পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

১০. ১১ ই জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৭
জুয়েল মোস্তাফি. বলেছেন: আমার না বলা কথা রক্তে মিশে গেছে
কথা বললেই বক্তপাত ঘটে যায়;

দারূন বস
১১ ই জুন, ২০০৮ রাত ৮:১৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১১ ই জুন, ২০০৮ রাত ১১:৫৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১২. ১৫ ই জুন, ২০০৮ রাত ২:০০
সবুজ আরেফিন বলেছেন: তোর আর কবিতা না লিখলেও চলবে। পৃথিবীতে একজন মানুষের বেঁচে থাকার জন্য এর থেকে বেশী সত্য জানার দরকার নাই।

জাগিয়ো না,
মৃত্যুর শীতল সাদা ঘোড়া তাকেই উড়িয়ে নেবে;
এই স্বপ্নের বিস্তীর্ণ চিরহরিৎ মখমল ঘাসের নিরব বনে
এক ছোট্ট হ্রদের জলজ তলে আকাশ ঘুমিয়ে আছে,
যে নিদ্র-ভঙ্গ করবে প্রবল-প্রতাপে এই অনন্তের
সাদা ঘোড়া তাকেই উড়িয়ে নেবে।

মৃত্যুকে এত কাছ থেকে দেথে ফেললি।
১৫ ই জুন, ২০০৮ রাত ৮:০৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৩. ১৭ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ১:০৮
ইমরান খান ইমু বলেছেন: বেশ লাগলো...

টূকে নিলাম প্রিয় পোস্টে...

মৃদুল ভাই কেমন আছেন?
১৭ ই জুন, ২০০৮ রাত ১০:৫৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। বেশি ভালো নাই। নতুন চাকরির যা ধক্কি, তা যাচ্ছে আমার উপর দিয়ে।

আপনার পরীক্ষার কি অবস্থা? ভালোতো সব?

১৪. ১৭ ই জুন, ২০০৮ রাত ৯:৪৭
মাসুদ খান বলেছেন:
পোষাকের উপর আমার নিজের ত্বক পরে নিচ্ছি; ফলে যতবার পোষাক বদল হয় ততবার এই চামড়াকে একবার ছিড়ে রক্ত-আঁঠায় শরীরের পর গেঁথে নিতে হয় একাএকা।.....

এই কি তবে না বলা প্রাক-ইতিহাস। স্বপ্ন বারবার পাপে ভরে ওঠে, আসলে প্রতিটি অলস জীবন সত্যমিথ্যাহীন, নির্বাপিত, পাপশূন্য।

সুন্দর! ভালো লাগল।
১৭ ই জুন, ২০০৮ রাত ১১:০১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মাসুদ ভাই।

১৫. ১৭ ই জুন, ২০০৮ রাত ১১:০১
অশোক দেব বলেছেন: খুব ভালো রে ভাই। জিন্দাবাদ
১৮ ই জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৮ ই জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৭. ১৯ শে জুন, ২০০৮ রাত ৯:০৪
েমঘপুত্র বলেছেন: বন্ধু জনপ্রিয়তা দ্যাখে মুগ্ধ হলাম। ভালো লাগলো কবিতাটি
২০ শে জুন, ২০০৮ রাত ১১:৪৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৮. ২০ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:০০
ইফতেখার ইনান বলেছেন: মৃদুল... আপনার কবিতা পড়লে কবিতা লেখার সবল ইচ্ছা নষ্ট হয়ে যায়...
এইরকমই লিখতে থাকুন...
আমার মাথায় ঢোকে না আপনারা ক্যামনে এতো ভাল লেখেন..? ?
:)
২০ শে জুন, ২০০৮ রাত ১১:৪৯

লেখক বলেছেন: ইফতেখার,

বেশি বলা হয়ে গেলো না?

ধন্যবাদ।

১৯. ২০ শে জুন, ২০০৮ রাত ১১:৫৬
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন:
ইনানের কথাগুলো আমারও কথা
কি করে এত এক্সট্রিম ভালো লেখেন ?

ভালো লেগেছে খুব
২১ শে জুন, ২০০৮ দুপুর ২:৪৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২১ শে জুন, ২০০৮ দুপুর ২:৪৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২১. ২১ শে জুন, ২০০৮ রাত ১২:১৭
ইফতেখার ইনান বলেছেন: না রে ভাই, বেশি কই নাই... আপনার এবং আরো কয়েকজনের লেখা পড়লে হতাশ হতাশ লাগে.. :)..
২১ শে জুন, ২০০৮ দুপুর ২:৪৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২২. ২১ শে জুন, ২০০৮ রাত ৩:২৫
সমাজ্ঞী বলেছেন: মজাই লাগছে আজ কবিতা পড়ে। সবার কবিতার মধ্যেই আজ যেন সুর ভর করেছে।
২১ শে জুন, ২০০৮ দুপুর ২:৫০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৩ শে জুন, ২০০৮ দুপুর ১:০২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৩ শে জুন, ২০০৮ দুপুর ১:০৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। ভ্রমন কি শেষ হলো?

২৫. ২৩ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৭
মাঠশালা বলেছেন: বিরতি, আবার যেতে হবে।
২৫ শে জুন, ২০০৮ রাত ১০:০০

লেখক বলেছেন: ভালোই ঘুরছেন তাহলে। ভালো।

২৫ শে জুন, ২০০৮ রাত ১০:০২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৬ শে জুন, ২০০৮ রাত ১১:৫১

লেখক বলেছেন: দৌড়ের ওপর আছি। লেখা থেকে অনেক দূরে। হবে হয়তো কিছু দিন পর। ধন্যবাদ।

২৮. ০৮ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ৯:৫১
হুমায়রা হারুন বলেছেন: আপনার হেমিংওয়ে তোমার চিঠি এসেছে- লেখাটির লিঙ্ক এবার কাজ করছে, লেখাটি দেখবেন প্লিজ। প্রকাশিত হয়েছে আমার ম্যাগাজিনে http://www.nauba-aloke-bangla.com
১১ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১:২১

লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ।

২৯. ১১ ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ১০:৫১
ফাহমিম বলেছেন: প্রিয়তে রাখলাম।আরো অনেক অনেক অনেক বার পড়া হবে এটা।
১২ ই জুলাই, ২০০৮ রাত ১০:৩৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩০. ২৩ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ৮:৫৫
শামীম মোহাম্মদ বলেছেন: মাহবুব ভাই, কেমন আছেন?
কুব ভাল লাগল..........
২৫ শে জুলাই, ২০০৮ সকাল ১১:৩৫

লেখক বলেছেন: ভালো নারে ভাই।

৩১. ০৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৫৩
ইমরান খান ইমু বলেছেন: মৃদুল ভাই ব্লগ এ আপনাকে ভালই মিস করছি...ব্যস্ত খুব??
০৬ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৭

লেখক বলেছেন: একটু ব্যস্ততা আছে বটে। তবে তত ব্যস্ত না। ব্লগে বসা হয়ে ওঠে না আরকি।

কেমন আছেন? পরীক্ষার কি অবস্থা?

৩২. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১২:২৯
মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন: অলিম্পিক শেষ হলো। দৌড় শেষ হচ্ছে না-তো!
২৬ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:১১

লেখক বলেছেন: হবে হবে.................

৩৩. ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:১৫
মূর্তালা রামাত বলেছেন: শব্দচয়ন ও ইমেজ খুবই ভালো।
কবিতাটা এতা দীর্ঘ না হলেও হয়ত একই ভালো লাগা কাজ করতো।
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:১৯

লেখক বলেছেন: কথা বুঝলাম না। ধন্যবাদ।

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:২২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩৫. ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:২৫
কঁাকন বলেছেন: প্রিয়তে নিলাম
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩৬. ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:২৩
সোমেশ্বর অলি বলেছেন: আমার খুব খারাপ লাগছে যে- এমন দুর্দান্ত একটি কবিতা যেখানে উপত্যকা, হ্রদ, আকাশ, বনানী, হাওয়া, বৃক্ষ, পাখি সর্বোপরি প্রানের সম্মিলন ঘটেছে; যার ভাজে ভাজে চিত্রিত হয়েছে সময়দর্শন সর্বোপরি দীর্ঘ ব্যাঞ্জনাভঙ্গি সে কবিতার পাঠক হলাম অনেক পরে।

আফসোস!

কবির জয় হোক।
২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:১৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

 

মোট সময় লেগেছে ২.৭৯৫৫ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
mridulmahbub@gmail.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ