আমার প্রিয় পোস্ট
- "সাবটাইটেল ফাইন্ডার" মুভি প্রেমিদের জন্য একটি দরকারী সফ্টওয়ার - লুলুপাগলা
- শান্তনু চৌধুরীর ৫টি কবিতা - সুতরাং
- যারা ল্যাপটপ কেনার কথা ভাবছেন...একটি সতর্কতামুলক পোষ্ট - তাসমান
- জীবনানন্দ দাশ : 'বনলতা সেন' কাব্যগ্রন্থ - একরামুল হক শামীম
- বাঁক - সফেদ ফরাজী......
- উইনএক্সপি তে করাপটেড ফাইল যেভাবে ঠিক করবেন। - আহমদ কায়েস
- কেন কিনবেন বই যখন ফ্রী পাচ্ছেন? - তামিম
- পেনড্রাইভের ভাইরাস থেকে মুক্তির উপায় - লংকার রাজা
- আত্মপক্ষ সমর্থনের মাত্রাতিরিক্ত সুযোগ থাকাটাই স্বমূল্যায়নের সবচে' বড়ো সীমাবদ্ধতা - মুজিব মেহদী
- শিল্পী এস এম সুলতান ও ভিনসেন্ট ভ্যান গঘঃ জীবন কারিগর - নাস্তিকের ধর্মকথা
- কবি মজনু শাহ'র ৫টি কবিতা - সফেদ ফরাজী......
- কবিতা যেমন হতে পারে- ৩ - আজহার ফরহাদ
- সতত জনম; মূল: মৃণাল সেন - ফাহমিদুল হক
- সূর্যাস্ত মন্দির - তারিক টুকু
- ফিরে দেখা ইতিহাস : ভাষা আন্দোলনের দিনপন্জী - ৩ - মিরাজ
- বাস্তবতা নয়, কল্পনা নয়, জাদুকল্পের ভুবন নয় বা নয় কাল্পনিক-বাস্তবতার-জাদু মোচড় - মৃদুল মাহবুব
- ডাকবাক্স - মজনু শাহ
- লবণখাদ ও বোবাঠাকুরের গান - তারিক টুকু
- এক্স পি সেটাপ ??? ৪/৫ মিনিটে কমপ্লিট !!! - মশিউর রহমান মেহেদী
- ইউটিউবের ভিডিও ডাউনলোড করুন
- মুয়ীয মাহফুজ
- কুড়িগ্রাম - মাসুদ খান
- ফিরি ফিরি গান ডাউনলোড - মইন
- লিখে রাখি - মুয়ীয মাহফুজ
- ভাঙাশ্লেট - আপন মাহমুদ
- গহ্বরের দিনকাল অথবা প্রকৃতিক পরিত্রাণ - মুয়ীয মাহফুজ
- গণশৌচাগারের দেওয়ালে আমিই লিখতে চাই একা - মৃদুল মাহবুব
- প্রার্থণা, চিরবৈশ্বিক অন্ধকার - মৃদুল মাহবুব
- প্রিয় কবিতা - মাঠশালা
জল প্রিজমের গান
০৯ ই জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৮
চাক ছেড়ে হঠাৎ উড়াল দিলো বাতাস যে দিকে বয়
উঁচু মগডালে পড়ে আছে শুভ্র মোমের রূপালী ঘর,
নির্লিপ্ত চতুর বসন্তের বহু দিন পর বৃষ্টি এলো
মৌচাক থেকে চুয়িয়ে পড়ছে মধু নয়,
ফোঁটা ফোঁটা সপ্তবর্ণ জলের প্রিজম
শেষ মধু চুষে উড়ে গেলো মিথিলার সোনালী মৌমাছি,
তারা ফুল পরাগের ঘ্রান নিয়ে বসে আছে
আমার জন্মান্ধ চোখের কিনারে,
অথবা তুমিও চোখ বুজে বসো
প্রকৃত অন্ধের ছদ্দবেশে
চোখের ভিতর মধু ধরো,
ওরা এসে বসুক চোখের মোম ঘরে।
আমার না বলা কথা রক্তে মিশে গেছে
কথা বললেই বক্তপাত ঘটে যায়;
আর যারা ঘুমের ভিতর কথা বলে,
অথবা সমুদ্র ভ্রমনের স্বপ্নে পোষাকের সুতোয় লবণ
আর বালি নিয়ে আবার তলিয়ে যায়
নিজের ভিতর নিজে,
তারাতো এই আহত রাত্রির বাতাসেও মোম জ্বেলে দেয়,
শোক-গীতি গায়,
ঘরে ফেরে, কম কথা বলে,
মোজা খুলে পা’য়ে জমা সময়ের গন্ধ বুঝে নেয়।
রাতের বিপন্ন সিড়ি বেয়ে এই অশূন্য আকাশ আরও উপরে উঠে গেছে ,
প্রেম তারও অধিক দূরে যায়
আরও আরও নক্ষত্রের মত দূরে দূরে তুমি আমি বসে আছি পাশাপাশি যেনো।
জাগিয়ো না,
ঘুমের ভিতর মৃত সব মমি ইঁদুরের চার পায়ে ভেঙে দিচ্ছে পিরামিড
বলে দিচ্ছে ইতিহাসে না লেখা হারানো কথা;
জাগিয়ো না,
মৃত্যুর শীতল সাদা ঘোড়া তাকেই উড়িয়ে নেবে;
এই স্বপ্নের বিস্তীর্ণ চিরহরিৎ মখমল ঘাসের নিরব বনে
এক ছোট্ট হ্রদের জলজ তলে আকাশ ঘুমিয়ে আছে,
যে নিদ্র-ভঙ্গ করবে প্রবল-প্রতাপে এই অনন্তের
সাদা ঘোড়া তাকেই উড়িয়ে নেবে।
কথা বললেই রক্তপাত ঘটে যায় গোপনে গোপনে
ফিনকি দিয়ে বেরিয়ে যায় তরল উচ্চারণ
ঘুমের ভিতর মগজের উথাল ইচ্ছার রক্ত নদীর গভীরে
বাঁচিয়ে রেখেছো স্বপ্ন হাঙরের দাঁত;
স্বপ্ন দেখি,
স্বপ্ন দেখি আমার মাথার উপর এসে পড়ছে
পোড়া উল্কার পাথর,
আর পারদ জমছে মাথার শিরায়;
একদিন করোটির হাড় পোষাকের মত খুলে নিলে যৌন-বোধে--
মগজের পরিবর্তে মাথায় ধারণ করে আছি
আয়না বসানো গোল বল,
যা কিছু সত্য তমোহর এসে পড়ে
এই বদলে যাওয়া স্নায়ুর ঘন ফলকে
প্রতিফলন সূত্রে ফিরে যায়,
অনুভব করি আলো এসেছিলো,আলো;
স্বপ্ন দেখি,
স্বপ্নে দেখি
এক বাইসন ডুবে যাচ্ছে মিসিসিরির চোরাবালুতে,
ওর নিঃশ্বাসের শীতল হাওয়ায় জমে যাচ্ছে বাতাসের সরুরেখা,
কে যেনো রাত্রির বিষন্নতা ছিড়ে
গ্রহন লাগা চাঁদের দিকে ছুড়ে দিচ্ছে
চকমকি পাথরের ফলা বসানো সুতীক্ষ্ণ তীর
তবে কার কথা লিখে রাখে ইতিহাসে,
কার!
না-ঘুমানো বিরক্ত মানুষ ডুবে যায়
ডুবতে ডুবতে পারদ নদীর অতল থেকে বাঁচতেই চায়,
অনন্ত প্লাবনে সাঁতারে হারানো হাত
আর ভাঙ বিক্ষত পা নিয়ে
হিমাঙ্ক শীতল কোন অচিন শহরে
গুড়ো হাড়ের যন্ত্রনা নিয়ে সেই লিখতে বসে ইতিহাস;
কার কথা লিখে চলে।
ভেবে চিন্তে মুছে ফেলি পদ-ছাপ, দেহ-ছায়া
এভাবেই এক ছায়াদেবীর পিছু পিছু হারিয়ে গেলাম সবুজ বনের ঘাসে, ঐ ঝর্ণার তীরে পাথর যেভাবে বেড়ে ওঠে মাটির আড়ালে, বুকের ভিতর দিনদিন বেড়ে ওঠা জৈব পাথরের হাড় নিয়ে আমি আর কত দূরেই বা যেতে পারতাম -- পোষাকের উপর আমার নিজের ত্বক পরে নিচ্ছি; ফলে যতবার পোষাক বদল হয় ততবার এই চামড়াকে একবার ছিড়ে রক্ত-আঁঠায় শরীরের পর গেঁথে নিতে হয় একাএকা। সমস্ত দেহেই ধারণ করেছি মন-- আজ কোথায় আগুন, ব্যথা রেখে যাবে। বাসনার ডানা শূন্যতার অধিক নির্জন রসাতলে দেহের সঞ্চয়, মাত্র এই ব্যর্থ হাড় ইঁদুরের মত উঠে এলো সোনালী ঘাসের মাঠে; এরপর পেশী গলছে ত্বকের গভীরে; এক কালো চামড়ার বল হয়ে ত্বকের উপর জন্ম দিচ্ছি লোম, গড়িয়ে চলছি গভীর থেকে গভীর বনপথ-- তাড়া করছে সবুজ ঘাস-ফড়িঙের ধারালো পা আর বন কুকুরের নাক। নলখাগড়ার বনের ভিতর ভেসে আছি গোপনে পালিয়ে।
ঝর্ণার কাছেই ছিলো সাদা ময়ূরের উপত্যকা, আজ তারা পালকের রঙ ধুয়ে নিচ্ছে-- কেকারব ভিজে যাচ্ছে অন্ধকার বৃষ্টি রাতে -- আমিও দেখছি এই বনের যাদু খেলা; ভাঙা মৃৎপাত্রের ’পর সেই ভাঙনের সুর ধুলোর মত মলিন পড়ে আছে। মূলত ঐ সুর আজ লাল রঙের তরঙ্গ চুষে নেয় মাটির অতলে। প্রত্ন-ফসিলের আত্না হয়ে তারা পাতালেই লাভার নদীর তীর ঘেসে ভেসে যেতে দেখেছিলো সেই ডুবে যাওয়া বাইসন।
এই কি তবে না বলা প্রাক-ইতিহাস। স্বপ্ন বারবার পাপে ভরে ওঠে, আসলে প্রতিটি অলস জীবন সত্যমিথ্যাহীন, নির্বাপিত, পাপশূন্য। পাথর-ফুলের সৌরভ ভেসে আসছে ভোরের বাতাসে।
কোন আশা আজ আর আমাদের বাঁচিয়ে রাখে না।
এক রাত থেকে আরেক নিস্তব্ধ আধো-অন্ধকার ভোরে
বাতাস উড়িয়ে নিচ্ছে ধীরে ধীরে নক্ষত্র-পশুর চোখ
তবে দুরত্বই শেষ পরিমাপ,
কেননা সূর্যের নিচে নিভে যায় আলো-বর্ষ দীর্ঘ নক্ষত্রের পথ,
যদিও তাদের ছিলো দৃশ্যহীন বিভ্রান্ত ইথার সাঁতারের জ্ঞান
ছিলো অধিক সচ্ছল কোন যাত্রাপথের গতি
পারদ নদীর ’পর এতো এতো যুক্তিহীন নিরেট গোধূলি রক্ত!
আমি মৃত্য প্রচারক ছাড়া আর কি বা হতে পারি
দেহের অধিক কোন শূন্যতা লাফিয়ে নামছে ঝাঁকে ঝাঁকে।।
প্রকাশ করা হয়েছে: কবিতা বিভাগে ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
ভাবনা গুলোকে সাজিয়ে এভাবে কোথায় থেকে কোথায় নিয়ে যাওয়া.........................।কি যে ভালো লাগলো।অসাধারণ..............।
শুভেচ্ছা অনেক।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। শুছেচ্ছা জানবেন।
সুদৃষ্টি বলেছেন:
চমৎকার!!!+++++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনারে চেনা চেনা লাগে। কবিতা লেখেন মনে হয়। পড়েছি মনে হয় আগে আপনার লেখা।
ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: মজনু ভাই,
কবিতা সম্পর্কিত আপনার আলোচনা কতদিন শুনি না।
ধন্যবাদ।
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
তারাতো এই আহত রাত্রির বাতাসেও মোম জ্বেলে দেয়,দারুন একটা লাইন।
কবিতা ভালো লেগেছে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
মুজিব মেহদী বলেছেন:
খুবই মুগ্ধ হয়ে পড়লাম। আরো পড়তে হবে, আরো। আশা করি মুগ্ধতা তাতে আরো গাঢ় হবে।চমৎকার কবিতাটির জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মুজিব ভাই।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মাহবুব ভাই।
সফেদ ফরাজী...... বলেছেন:
নতুন? আগে পড়িনি? ভালো লাগল।
লেখক বলেছেন: প্রোফাইলের আগের ছবিটা কি খারাপ ছিলো? আমি তুলছিলাম। সেইটা পরিবর্তন করলেন। এই ছবিটা একটুও ভালো হয় নাই।
পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
সবুজ আরেফিন বলেছেন:
তোর আর কবিতা না লিখলেও চলবে। পৃথিবীতে একজন মানুষের বেঁচে থাকার জন্য এর থেকে বেশী সত্য জানার দরকার নাই।জাগিয়ো না,
মৃত্যুর শীতল সাদা ঘোড়া তাকেই উড়িয়ে নেবে;
এই স্বপ্নের বিস্তীর্ণ চিরহরিৎ মখমল ঘাসের নিরব বনে
এক ছোট্ট হ্রদের জলজ তলে আকাশ ঘুমিয়ে আছে,
যে নিদ্র-ভঙ্গ করবে প্রবল-প্রতাপে এই অনন্তের
সাদা ঘোড়া তাকেই উড়িয়ে নেবে।
মৃত্যুকে এত কাছ থেকে দেথে ফেললি।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। বেশি ভালো নাই। নতুন চাকরির যা ধক্কি, তা যাচ্ছে আমার উপর দিয়ে।
আপনার পরীক্ষার কি অবস্থা? ভালোতো সব?
মাসুদ খান বলেছেন:
পোষাকের উপর আমার নিজের ত্বক পরে নিচ্ছি; ফলে যতবার পোষাক বদল হয় ততবার এই চামড়াকে একবার ছিড়ে রক্ত-আঁঠায় শরীরের পর গেঁথে নিতে হয় একাএকা।.....
এই কি তবে না বলা প্রাক-ইতিহাস। স্বপ্ন বারবার পাপে ভরে ওঠে, আসলে প্রতিটি অলস জীবন সত্যমিথ্যাহীন, নির্বাপিত, পাপশূন্য।
সুন্দর! ভালো লাগল।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মাসুদ ভাই।
অশোক দেব বলেছেন:
খুব ভালো রে ভাই। জিন্দাবাদ
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
রবিউলকরিম বলেছেন:
ভালো লাগল।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
েমঘপুত্র বলেছেন:
বন্ধু জনপ্রিয়তা দ্যাখে মুগ্ধ হলাম। ভালো লাগলো কবিতাটি
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
ইফতেখার ইনান বলেছেন:
মৃদুল... আপনার কবিতা পড়লে কবিতা লেখার সবল ইচ্ছা নষ্ট হয়ে যায়... এইরকমই লিখতে থাকুন...
আমার মাথায় ঢোকে না আপনারা ক্যামনে এতো ভাল লেখেন..? ?
লেখক বলেছেন: ইফতেখার,
বেশি বলা হয়ে গেলো না?
ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
রহমান মাসুদ বলেছেন:
ভালো লাগলো।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
সমাজ্ঞী বলেছেন:
মজাই লাগছে আজ কবিতা পড়ে। সবার কবিতার মধ্যেই আজ যেন সুর ভর করেছে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
মাজুল হাসান বলেছেন:
প্রিয়তে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
মাঠশালা বলেছেন:
অনেক ভালো লাগলো ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। ভ্রমন কি শেষ হলো?
মাঠশালা বলেছেন:
বিরতি, আবার যেতে হবে।
লেখক বলেছেন: ভালোই ঘুরছেন তাহলে। ভালো।
মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন:
শো-কেসে জমলো।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন:
নতুন লেখা চাই।
লেখক বলেছেন: দৌড়ের ওপর আছি। লেখা থেকে অনেক দূরে। হবে হয়তো কিছু দিন পর। ধন্যবাদ।
হুমায়রা হারুন বলেছেন:
আপনার হেমিংওয়ে তোমার চিঠি এসেছে- লেখাটির লিঙ্ক এবার কাজ করছে, লেখাটি দেখবেন প্লিজ। প্রকাশিত হয়েছে আমার ম্যাগাজিনে http://www.nauba-aloke-bangla.com
লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ।
ফাহমিম বলেছেন:
প্রিয়তে রাখলাম।আরো অনেক অনেক অনেক বার পড়া হবে এটা।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ভালো নারে ভাই।
ইমরান খান ইমু বলেছেন:
মৃদুল ভাই ব্লগ এ আপনাকে ভালই মিস করছি...ব্যস্ত খুব??
লেখক বলেছেন: একটু ব্যস্ততা আছে বটে। তবে তত ব্যস্ত না। ব্লগে বসা হয়ে ওঠে না আরকি।
কেমন আছেন? পরীক্ষার কি অবস্থা?
মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন:
অলিম্পিক শেষ হলো। দৌড় শেষ হচ্ছে না-তো!
লেখক বলেছেন: হবে হবে.................
মূর্তালা রামাত বলেছেন:
শব্দচয়ন ও ইমেজ খুবই ভালো। কবিতাটা এতা দীর্ঘ না হলেও হয়ত একই ভালো লাগা কাজ করতো।
লেখক বলেছেন: কথা বুঝলাম না। ধন্যবাদ।
অপূর্ব সোহাগ বলেছেন:
ভালো লাগলো
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
কঁাকন বলেছেন:
প্রিয়তে নিলাম
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
সোমেশ্বর অলি বলেছেন:
আমার খুব খারাপ লাগছে যে- এমন দুর্দান্ত একটি কবিতা যেখানে উপত্যকা, হ্রদ, আকাশ, বনানী, হাওয়া, বৃক্ষ, পাখি সর্বোপরি প্রানের সম্মিলন ঘটেছে; যার ভাজে ভাজে চিত্রিত হয়েছে সময়দর্শন সর্বোপরি দীর্ঘ ব্যাঞ্জনাভঙ্গি সে কবিতার পাঠক হলাম অনেক পরে।আফসোস!
কবির জয় হোক।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।



















ভালো লাগিয়াছে হে কবি
'আসলে প্রতিটি অলস জীবন সত্যমিথ্যাহীন, নির্বাপিত, পাপশূন্য। '
পাপী তো আকাশের ওই রঙধনু অথবা প্রকৃতিময় রঙের বাহার; পোকা-মাকড়ের ঘর বসতি এরই মাঝে, এরই মাঝে দীপ্তি ও অন্ধকারের খেলা
আপনাকে মুক্তহস্তে পেলাস