একটি রুমে গিয়ে দেখেছি সিনিয়র ও জুনিয়ররা একসাথে বসে গাঁজা বানাচ্ছে আর একজনে ফেন্সিডিলের মধ্যে কি একটা ট্যাবলেট মিশিয়ে ঘোষনা করল যে এটা এখন টাকিলা হয়ে গেল।
টাকিলা কি জিনিস সেটা অবশ্য পরে জেনেছি ।আপনারাও কেউ কেউ হয়ত জানেন। রাত তিন টা বা চারটা পর্যন্ত চলে এভাবে আড্ডাবাজি। এরপরে তাদের প্রিয় বিষয় নারী ও তার বিভিন্ন বর্ননা ছাড়া তো তেমন কথা বলতে শুনলাম না। জানিনা মেয়েদের হলের পরিস্থিতি কেমন। তবে তাদের একটা বার্ষিক অনুষ্ঠানের ডিজে পার্টিতে নাচানাচির বহর দেখে বেঝাই গেল যে আসলে তার কি করে বেড়ায়।
আমার আজকের পোষ্টটি মুলত ক্ষোভে লেখা। কি কারনে এসব ভাল ছাত্র কিছু না শিখে ডাক্তার হয়ে বের হয়, কি কারনে এরাই আবার কসাইয়ের মত ব্যবহার করে সেসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছি। আসলে এরা সঠিকভাবে শিখে যে আসেনা সে বিষয়ে আমার কোন সন্দেহ নাই। আপনারা জানেন কিনা, পিজি হসপিটালের(বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ) প্রিন্সিপাল তার শরীর চেকআপ করাতে সিঙ্গাপুরে যান। আবার রাষ্ট্রপতি ,প্রধানমন্ত্রী তো যানই। এদেশের চিকিৎসাব্যবস্থার কি হবে?
কিছুদিন আগে আমার এক চাচাত ভাইয়ের বউকে বাচ্চা হওয়ার সময় ডাক্তার ভুল করে অথবা বেশি টাকার লোভে অপারেশন করতে গিয়ে মেরে ফেলেছে। ল্যাবএইডে কিডনি বিক্রির খবর তো সবাই জানেন এখন। আবার ইবনে সিনা কি করল তার জন্য তো আদালত রুল জারি করেছে। এগুলো বেসরকারী সার্ভিস। তো সরকারী সার্ভিস কেমন হবে তো বুঝতেই পারছেন।দেশের সবচেয়ে দামী একটি হসপিটালে দেখেছি সেখানে ডাক্তাররা আন্দাজে চিকিৎসা করে । একজন একটা স্যালাইন দিয়ে যায় তো বড় ডাক্তার এসে বলে এটা কে দিয়েছে? খোল এটা, নতুন একটা লাগাও। এগুলো আমার দাদাকে গতমাসে ভর্তি করেছিলাম তার বাস্তব অভিজ্ঞতা বললাম। আর দু একটা যন্ত্র টন্ত্র বুকে ধরে দিন পার করে শেষে লাখ তিনেক টাকা বিল করে দেয়। শেষে আমরা সেখানে সঠিক চিকিৎসাই পাই নাই। আর আজকের ঘটনাটা কালকে পত্রিকায়ই দেখবেন প্লিজ। আমি শুধু ছবিটা দিয়ে দিলাম।
দেশের চিকিৎসা সেক্টরে এভাবে অরাজকতা চলতে থাকলে আমরা রোগ হবার আগেই ভয়ে মরে যাব।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

