হাসিনার চামচাদের চোখের ঘুম হারাম হয়ে গেছে। মুল চামচাদের একজন খুবই চিন্তিত আজ। তার হিসেব নিকেশ সব এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে। চোখের সামনে পদ্মা সেতু থেকে খাওয়ার চান্স বন্ধ হয়ে যাওয়ায় খুবই কষ্টে আছে সে। বউকে বলেছিল এবারের কোরবানীর ঈদে সে টাকা পাবে , সেই টাকা দিয়ে নতুন ফ্রিজ কিনবে। গত মিগ ২৯ থেকে যে ভাগ পেয়েছিল তাতে যে ফ্রিজ কেনা হয়েছিল তার ডিপ অংশটা খুবই ছোট। সেই ফ্রিজের বদলে এবার একটা বড় দেখে ইন্ডিয়ান ডিপ ফ্রিজ কিনতে হবে। চামচা খুবই চাপে আছে। এদিকে দেশব্যপি সবাই একই রব তুলেছে, হাসিনা দশ টাকায় চাল আসলে খাওয়াতে পারবে তো না ই। বরং ঘরে ঘরে মানুষের চাকরি চলে যাচ্ছে। এখন উপায় কি?
আর চিন্তা করতে পারে না চামচা। কেমন মাথাটা ঘুরছে। সোনারগাওয়ে একজন গওহর তাকে তখনই সেই প্রস্তাব টি দেয়। সবই পাবে সে , কিন্তু বিনিময়ে তারে প্রচন্ড ভারতপন্থি হতে হবে। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্বে ব্লগে রাজাকার রাজাকার রব তুলতে হবে।
চামচা টাকার জন্য নিজের বউকেও বিক্রি করে দিতে পারে। আর এটা এমন কি কাজ। সে কাকে কাকে রাজাকার বলতে হবে তার একটি লিষ্ট চায় গওহরের কাছে। লিষ্ট যত বড় তার উপার্জন ও তত বেশি। কিন্তু এই তিন বছরে হতাশ চামচা। মাত্র ৫ জন রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে রাজাকার হিসেবে বলতে বলা হচ্ছে তাকে। এর মধ্যে জন তিনেক বাস্তবেই রাজাকার। আর যার বিচার সবার আগে শুরু হয়েছে তার রাজাকার হওয়ার স্বপক্ষে তেমন একটা যুক্তি খুজে পাওয়া যাচ্ছে না। কি করা যায়। চামচা আরো হতাশ হয় বিচারটার নাম মানবতার বিরুদ্বে অপরাধ দেয়ায়। এ কেমন কথা, একজন অপরাধী হয়ে আর একজনকে অপরাধী প্রমান করা তার জন্য মুস্কিল ।
সবচেয়ে বড় বিপদ হল , আসল যুদ্বাপরাধী বা মানবতার বিরুদ্বে অপরাধীরা এখন সরকারী দলেই। তাদের তো আর ধরা হবে না। ফলে চামচার উপার্জন ও কমে যাবে। কি য়ে করা যায়। যেখানে তার নিয়োগকর্তা দেশটাকে ভারতের হাতে তুলে দিতে ব্যস্ত , তুলে দেয়া গেলে এদেশে ভারত থেকে নতুন চামচাদের আগমন হবে।
তখন কি হবে? পুরান চামচার ভাত নাই, আবার নতুন চামচা! মাঠে একা হাটে চামচা। চিৎকার করে বলতে ইচ্ছে করছে........বউ এবার ও ফ্রিজ কেনা বোধহয় হবে না আমার। মাফ করে দিও..................
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই নভেম্বর, ২০১১ বিকাল ৫:২২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


