উপরের ষ্টিকি পোষ্টটির লেখাটিকে মিথ্যাচার ঠিক বলব না। তবে পুরোপুরি ঠকবাজির আশ্রয় নেয়া হয়েছে। এই জাতির ভাগ্য যে প্রেসিডেন্ট জিয়ার মত একজন শাসক ক্ষমতায় এসেছিলেন। এখানে একটি কথা স্পষ্ট বাকশাল এর সাথে এই রাজাকার নিধনের কোন সম্পর্ক নাই । একটি গোষ্ঠি চিরকাল ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য ই শুধু বাকশাল করেছিল। জিয়ার হাত ধরে আমাদের গনতন্ত্রের দিকে যাত্রা শুরু হয়। যদি এখাবে বাকশাল মুক্ত করে কোন নেতা , তবে সেই রকম সামরীক শাসক ও আমি বারবার চাই।
এখন বক্তব্য হচ্ছে, রাজাকার দের পুনর্বাসনে জিয়া কতটা দাযী? আমি লেখককে বলব, ব্রিগে, জেনারেল এম এ হামিদ পিএসসির একটি বই আছে, তিনটি অভ্যুত্থান ও কিছু না বলা কথা। এটি পড়ার জন্য । দুধ কা দুধ আর পানি কা পানি হো যায়েগা।
তবে আমি সংক্ষেপে বলি। যদি আপনি বহুদলীয় গনতন্ত্রের স্বপ্ন্বই দেখেন তবে ঠক বেছে বেছে তো আর দল কে অনুমোদন দেয়া যায না। জিয়াও সেটাই করেছে। গো. আজম এর নাগরিকত্ব তো দেশের সর্বোচ্চ আদা"লত দিয়েছে। তো? আর সেই অধিকার বলেই তো এখন তার বিচার করা সম্ভব। ভাই ইতিহাস তার নিজ গতিতে চলে। তবে একটি ঘটনা বিশ বছর পরে একটু দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করে লিখলে কাউকে ভিলেন সাজানো কোন ব্যাপার না। এই জাতির কৃতজ্ঞতা বোধ থাকলে , জিয়ার মত সামরিক শাসক নিয়া গর্ব করত। আমাদের দুর্ভাগ্য যে একজন গনতান্ত্রিক উপায়ে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট এদেশের গনতন্ত্রকে হত্যা করেছিল , আর একজন সামরিক শাসক সেই গনতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার করে। সুতরাং আমি এই লেখাটাকে আদৌ নিরপেক্ষ মনে করি না।
এই সরকার শুধু নয় , সবার ই উচিৎ যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকে স্বাগত জানানে। কিন্তু যে প্রশ্নগুলো এখনও তোলা হচ্ছে, তা আপনি ও জানেন।
লেখককে আমার জিজ্ঞেস করতে ইচ্ছে করছে , সাধারন ক্ষমার মানে কি?
আর ক্ষমা যদি করেই থাকে তাতে তো এই সরকারের কিছু যায় আসে না। হাসিনা কিছু না বুঝেই তো বিডিআর বিদ্রোহীদের সাধারন ক্ষমা ঘোষনা করেছিলেন। আবার এখন বিচার হচ্ছে। এরা জগতের কোন জায়গায় কথা রাখতে পারে নি । এখানে কথা রাখার তো প্রশ্নই আসে না। সরকার তাদের রাজনৈতিক প্রয়োজনে এই ইস্যুকে ব্যবহার করছে। সেটাকে ধিক্বার জানাই।
আপনি ভাল মানসিকতা নিয়ে প্রকৃতপক্ষে সব ধরনের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার চান , আমরা সবাই আছি। কিন্তু আর এই কথা যে ই ব"লবে তাকেই বাকশালী শক্তি রাজাকার আখ্যা দিচ্ছে। এটা জাতি হিসেবে আমাদের বিভক্ত করে ফেলছে।
তিন বছর বসে মাত্র পাঁচজন রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ধরে বিচার বিচার বলে চিল্লাবেন, আর সবাইকে বোকা বানিয়ে রাখবেন, কেউ কিছু ব"লতে গেলেই তাকে রাজাকার বলবেন। এসব কি?
বিগত আওয়ামী সরকারের সময় পুরো সময়টা তারা একটি ইস্যু নিয়ে কাটিয়েছে। কথায় কথায় বলেছে যে বিরোধী দ"ল বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বাঁচাতে চায়। পরে বিরোধীরা ক্ষমতায় এসেও সেই মামলা খারিজ করে নি। চুনকালী তো তখনই পড়ার কথা। আবার এখন শুরু করেছে ফালতু সব যুক্তি। এই দলটি ইতিহাস আশ্রিত একটি দল। সারা জীবন তো আর আমরা এসব ইস্যু নিয়ে বেঁচে থাকব না। প্রয়োজনে সব রাজাকারের লিষ্ট করার জন্য একটি সার্চ কমিটি গঠন করা হোক। সেই কমিটি দেখবে যে কে কে রাজাকার। কমিটিতে সব দলের সদস্য থাকবে। বিএনপি বা আওয়ামীলীগ দু দলেই খেতাব প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা আছেন। সুতরাং তাদের নিয়ে কমিটি হতে পারে।
এরপর দয়া করে সব রাজাকার রে গুলি করে মারেন। তাও ভাওতাবাজি বাদ দিয়ে দেশটা ভালভাবে চালানোর দিকে মন দেন। সেটাই দেখতে চাই।
আর হাঁ সব সব ধরনের রাজাকারের শাস্তি চাই।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




