somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বিজয়ের গল্প লেখি, প্রথম সূর্যের বুকে !

১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১১ দুপুর ২:৫০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


১৯৭১ এর ১৬ ই ডিসেম্বর । আর সব দিনের মতই প্রথম প্রহরে সূর্য উঠেছিল পুব আকাশে শীতের কুয়াশার চাদর ভেদ করে । কিন্তু অতি পুরাতন সেই সূর্য সেদিন ছিল একেবারেই নতুন । একটি নতুন জাতিসত্বার জন্মলগ্নে কোন সূর্য কি পারে পুরোনো হয়ে থাকতে ? পারে না, আর তাই সে দিন সূর্য উঠল চেনারুপেই কিন্তু নতুন হয়ে। উদয় হল পৃথিবীর মানচিত্রে উর্বরতার পলিমাটিতে বেড়ে ওঠা, ক্ষুদ্র অথচ জনবহুল বাংলাদেশের । আমাদের সবার ত্যাগ তিতিক্ষার ফসল, দু লক্ষ মা বোনের সম্ভ্রম হানিতে, ত্রিশ লক্ষ শহীদের রক্তের সাগরে, পাহাড় সমান দু:খ শোকের ভিত্তিপ্রস্তরে ভর করে জন্ম নেয় বাংলাদেশ, স্বাধীন হয় বাংলাদেশ ।

আমাদের বাংলাদেশ, এই পলি মাটি বিধৌত উর্বরতার পবিত্র জমিনে হাজার বছর ধরেই লালসার দৃষ্টি নিক্ষেপ করেছে ভিনদেশী বর্গিরা । কখনো আর্যরা, কখনো তুর্কি, কখণো মোঘলেরা, কখনো পর্তুগীজ দস্যুরা, কখনো ইউরোপীয় বনিক গোষ্ঠী ব্যবসার নামে এসে শোষণ করে গেছে, কখনো বিট্রিশরা শোষণ করেছে বাংলা ও বাঙালীকে । ১৯৪৭ এ ব্রিটিশরা এই ভারত বর্ষ ছেড়ে চলে যাবার পরে শুরু হয় বর্বর পাকিস্থানীদের শাষন ও শোষণ । নির্মম অত্যাচার, শোষণের সব কলাকৌশন রপ্ত করা পাকিস্থানী নরপশুদের বিরুদ্ধে শুরু হল প্রতিরোধের যুদ্ধ । সশস্ত্র সংগ্রাম, সমগ্র বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের (কিছু কুলাঙ্গার জারজ ব্যাতীত) হৃদয়ের যুদ্ধের প্রাবল্যে ভেসে যায় পাক বাহিনী । এ দেশ থেকে লেজ গুটোবার আগে তারা ধর্ষণ করে যায় বারেবার আমার মা এবং মাটিকে । উপুর্যপুরি ধর্ষণের স্বীকার, বাংলা মায়ের প্রতিটি দেহ কোষে, এক টুকরো খোলা জমিনে রক্তের আল্পনায় লেখা আছে নরপিশাচদের নির্মমতার কথা ।



এরপরে কেটে গেছে অনেকটা সময় । ১৯৭১ থেকে ২০১১ । চল্লিশ বছর পূর্তি হল স্বাধীনতার ।একটি দেশের সত্যিকারের বিকাশের জন্য চল্লিশ বছর তেমন কোন সময় না হলেও শিশু অবস্থা থেকে যৌবন কালে উন্নীত হবার মত সময় পেরিয়ে গেছে অনেক আগেই । তাই মনে প্রশ্ন জাগে, যে আশা এবং স্বপ্ন নিয়ে নিজের জীবন তুচ্ছ করে যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিলেন আমাদের প্রাণপ্রিয় মুক্তিসেনারা, তাদের সে প্রত্যাশাকে আমরা এখন কোথায় রেখেছি, কেমন আছে আমাদের দেশ ?

দেশ স্বাধীন হল সাড়ে সাত কোটি বাঙালীর চোখের জলে, হারানোর মোড়কে মোড়ানো প্রাপ্তি নিয়ে । দেশের স্বাধীনতার রূপকার ফিরে এলেন, গঠিত হল সরকার । শুরু হল দেশ গড়ার সংগ্রাম । ধ্বংসস্তুপে পরিনত দেশ । কোথাও ছিল না নিরাপদ খাবার পানির সংস্থান, অন্ন, বস্ত্রের নিশ্চয়তা, যুদ্ধকালীন ক্ষয়ক্ষতিতে যোগাযোগ ব্যবস্থা ধ্বংসপ্রায় । বিশাল প্রত্যাশা নিয়ে যাত্রা শুরু স্বাধীন বাংলাদেশের ।



কিন্তু দু:খের বিষয় নয় মাসের সশস্ত্র সংগ্রমামের ফলে স্বাধীনতা অর্জনের যে কৃতিত্ব ছিল, তা ফিকে হতে শুরু করল বছর কয়েকের মাঝেই । ৭৪ এ দুর্ভিক্ষ, সামরিক বাহিনীতে অস্থিরতা, মধ্যসত্ব ভোগী মুনাফালোভী নব্য ধনীক শ্রেনীর উথ্থান সমাজকে নিয়ে যেতে শুরু করে অস্থিরতার দিকে । অত:পর আরেকটি কাল রাত, পচাত্তরের পনেরই আগস্ট । সপরিবারে নিহত হলেন স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি । বাংলাদেশের শাসন ব্যবস্থায় সামরিকায়ন । একটানা ১৫ বছর অব্যাহত থাকে সামরিক শাসন / সামরিক গনতন্ত্র । এর পরে আসে গনতন্ত্র, যাকে বলা চলে গনতান্ত্রিক পরিবারতন্ত্র ।

হিসেবের খেরোখাতাটা যখন আমরা খুলি তখন আমরা দেখতে পাই, চল্লিশটি বছর কেটে গেছে । দেশের জনসংখ্যা দ্বিগুন হয়েছে । অনেক প্রত্যাশা ছিল আমাদের সত্যি, তবে তা অলীক ছিল না । সরকারের কাছে, রাষ্ট্রযন্ত্রের কর্নধারদের কাছে বারবার আমরা প্রতারিত হয়েছি ।এনালগ আর ডিজিটাল দুটো সিস্টেমে চলা সরকারই আমরা দেখছি । আমরা এও দেখছি মানুষের যাবার কোন পথ নেই বলে গত বিশটা বছর তারা একবার এপারে ভোট দিচ্ছেন পরের বারে ওপারে ভোট দিচ্ছেন । তাদের আশা আকাঙ্খার মিলন ঘটানোর কেউ নেই । শহীদের রক্ত আর তাদের ত্যাগের ভিত্তিপ্রস্তরে দাড়িয়ে তারা ইচ্ছেমত খেলছেন ছিনিমিনি খেলা ।

আমরা কি তবে এই হতাশা নিয়েই বেচে থাকবো ? না আমাদের হতাশ হবার কিছু নেই । আজকের পৃথিবীতে আমরা কোন দেশের মানুষই আর বিচ্ছিন্ন নই । অর্ন্তজাল আমাদেরকে তার সুতোর বাধনে বেধেছে শক্ত করে । আর তাই আমাদের শাসক গোষ্ঠীর লাগামহীন ব্যর্থতার রাশ টেনে ধরবার সময় এখন আমাদের অর্থাৎ ব্লগ, ফেসবুক ব্যবহার কারী অনলাইন কমিউনিটি । এই অনলাইন কমিউনিটির বেশির ভাগ ব্যবহার কারী হচ্ছেন দেশের তরুন এবং নবীনতম নাগরিকেরা । সমাজকে বদলে দিতে, তথ্যের অবাধ প্রবাহের নিশ্চিত করার মাধ্যমেই এরাই একদিন বদলে দিতে পারে এই দেশটা । যেভাবে আরব বসন্ত এল, চল্লিশ বছরের রাজতন্ত্রের নাগপাশ থেকে একে একে মুক্ত হল আরব রাস্ট্রগুলো তার সংগঠনের মূলে এই তারুণ্য আর অর্ন্তজাল । তাই আমাদের এগিয়ে আসতে হবে সকলকেই ।

একটা কথা আমরা মনে রাখলেই ভাল যে, সবাইকেই খুব বড় কিছু করে দেখাতে হবে এমন কিছু নয় । আমাদের মুক্তিযুদ্ধের যে চেতনা, সেখানে আমরা দেখি বালক শিশুরাও অস্ত্র এগিয়ে দিয়ে সাহায্য করেছিল যোদ্ধাদের । ছাত্র, শিক্ষক, পেশাজীবি, কৃষক, শ্রমিক, কুলি, মজুর, গৃহস্থ, গৃহবধু সবাই তাদের নিজ নিজ সামর্থ্যের মধ্যে অবদান রেখেছিল বলেই এই স্বাধীনতা এসেছিল । তাই দেশ গড়ার কাজে, সমাজকে বদলে দেবার কাজে যে গাফিলতি হয়েছে তাকে আমরাই পারি দূর করতে । আমাদের শক্তি, আমাদের একতাকে কাজে লাগিয়ে ।


আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের বীর শহীদেরা স্বপ্ন দেখেছিলেন একটি শোষণ মুক্ত, সম অধিকারের, সার্বজনীন কল্যান রাস্ট্রের । এই কল্যান রাস্ট্রে থাকবে না কোন ভেদাভেদ । প্রতিটি শিশু পাবে অন্ন, বস্ত্র, শিক্ষা । কিন্তু খুব দু:খ নিয়ে দেখতে হয় পথের ধারে পরে থাকা নিরন্ন শিশুদের । পথের কুকুরের যে জীবন, সে জীবন কখনো কখনো হয়ে যায় মানব সন্তানের ।



এই সব পথ শিশুদের নিয়ে কাজ করে এরকম একটি সংগঠনের সাথে আপনাদের পরিচয় করিয়ে দিতে চাই আজ । রাজধানী ঢাকার প্রায় ৪০ % বাসিন্দা নিম্নবিত্ত । যাদের বেশির ভাগেরই সন্তানকে স্কুলে পাঠাবার সামর্থ্য নেই । আর অনেক পিতামাতা আছেন যারা তাদের সন্তানের লালন পালনে অক্ষম হয়ে ফেলে রেখে যান পথের ধারে । তো এই সব পথ শিশূদের নিয়ে কাজ করা সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক এবং অলাভজনক প্রতিষ্ঠাণ প্রথম সূর্যের সাথে আপনাদের পরিচিত করাতে চাই ।



প্রথম সূর্য

প্রথম সূর্য সংগঠনটি যার একক প্রচেষ্টায় গড়ে উঠেছে তিনি হলেন নাসির উদ্দিন রুবেল । বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া কালীন সময় থেকেই তিনি এই সব পথশিশুদের জন্য কিছু করতে চাইছেন । আর তাই পড়াশোনা শেষ করবার পড়েই তিনি পথের পাশেই ছোট্ট পরিসরে শুরু করেছেন পথ শিশুদের জন্য স্কুলিং । পথের ধারে এই স্কুলে প্রথম পর্যায়ে মাত্র ছয়টি শিশু ছিল । আস্তে আস্তে তার প্রানান্ত পরিশ্রম ফল দিতে শুরু করে । পথশিশুরা এই স্কুলে পড়তে আগ্রহী হয় এবং আরো অনেক সমাজ সচেতন তরুণ কর্মী যোগদান করেন প্রথম সূর্যের কার্যক্রমে ।



২০১০ সালের আটই এপ্রিল এই সংগঠনের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিক ভাবে শুরু হয় । শুরুতে এই কার্যক্রমে যে সকল পথশিশুকে শিক্ষাসেবা দেয়া হত তা পরিবাগ এলাকার (প্রতিষ্ঠাতা রুবেল ভাই এর নিজের এলাকা) মাঝেই সীমাবদ্ধ ছিল । কিন্তু আসতে আসতে ছড়িয়ে পড়ছে পুরো ঢাকা শহরেই । মাত্র ছয় জন পথকলিকে নিয়ে যে সংগঠন যাত্রা করে আজ তাতে প্রায় শতাধিক শিশুকে প্রত্যক্ষ সেবা দেয়া হচ্ছে ।

প্রথম সূর্য প্রধানত এই সব পথশিশুদের প্রি স্কুলিং এর ব্যবস্থা করে থাকে । এর পাশাপাশি যাদেরকে উপযুক্ত মনে করা হয় তাদের সরকারী বিদ্যালয়ে ভর্তি করে দেয়া হয় । তাদের পড়াশোনার সম্পূর্ণ খরচ প্রথম সূর্য বহন করে । ইতিমধ্যে প্রায় অর্ধশতাধিক পথশিশুকে মূল ধারার শিক্ষাব্যবস্থায় আনা হয়েছে । এটি মাত্র দু বছরের একটি নবীন সংগঠনের জন্য অনেক বড় সাফল্য ।



এই সংগঠনের অধীনে যে সকল পথ শিশু আছে, তাদের সুকুমার বৃত্তির বিকাশেও উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে সংগঠনটি । তারই একটি উদাহরণ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ।



পহেলা বৈশাখ, বর্ষবরণ

এছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক এবং ধর্মীয় অনুষ্ঠাণে এদেরকে নিয়ে বিভিন্ন আয়োজন করে থাকে সংগঠনটি । বেশির ভাগ পথ শিশু নিতান্তই দুস্থ পরিবারের । অনেকের আবার পরিবার নেই । তাই এই সব শিশুর মুখে হাসি ফোটানোর জন্য এ সব আয়োজন নিয়মিতই করে চলেছে সংগঠনটি । ঈদ, পহেলা বৈশাখ, বিজয় দিবস সব ধরণের সামাজিক পার্বনেই এমন আয়োজন করা হয়ে থাকে ।



ঈদে শিশুদের মধ্যে খাবার বিতরন ।



ঈদ পূর্ণমিলনী আয়োজন, শিশুদের আনন্দ দান ।

এই সংগঠনটি যে সকল পথ শিশুদেরকে সেবা দিয়ে যাচ্ছে, তাদের বেশির ভাগই ছিল বখে যাওয়া শিশু । কিছু মেয়ে শিশু ছিল যারা আন্ধকারের গহ্বরে ঢুকে গিয়েছিল তাদেরই পরিচিত কারো দ্বারা প্রতারিত হয়ে । এদেরকে আশার আলো দেখিয়েছে প্রথম সূর্য ।

আজ এই সংগঠনে সেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করছে বিভিন্ন সরকারী বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছেলে মেয়েরা । তারা বিনামূল্যে পাঠদান করছে শিশুদের । কারিগরি শিক্ষাও দেয়া হচ্ছে এদের । সংগঠনটিতে বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কয়েকজন সম্মানিত শিক্ষক উপদেষ্টা হিসেবে আছেন ।

সংগঠনটিকে আরো এগিয়ে নেবার প্রত্যাশায় ইতিমধ্যে সরকার বরাবর আবেদন করা হয়েছে এটিকে এন জি ও হিসেবে ঘোষণা লাভের জন্য । আশা করা যায় এটি এন জি ও ঘোষিত হলে এটি ঢাকা শহর থেকে ছড়িয়ে পড়বে সারা দেশে যত গুলি বড় বড় শহর আছে সবখানে ।

সংগঠনটিকে যে কোন রকম সাহায্য, পরামর্শ যদি কেউ দিতে চান তবে যোগাযোগের ঠিকানা নিচে দেয়া হল -

সংগঠনটির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ - প্রথম সূর্য

ঠিকানা : ফ্রি স্কুল স্ট্রীট রোড, পুকুরপাড়, হাতিরপুল, ঢাকা ।
ইমেইল : [email protected]

সংগঠনটির প্রতি শুভকামনা জানাতে সবাইকে অনুরোধ করছি ।



আজ বিজয় দিবস । ৩০ লক্ষ শহীদের রক্ত এখনো শুকায় নি । এখনো বাংলার মাটিতে শেয়াল শকুনের কাড়াকাড়ির চিহ্ন । এই চিহ্ন আমরা কোনদিন ভুলে যাব না, আজ বিজয়ের মন্ত্রে দীপ্ত হই আসুন আরেক বার । আবার গলা ছেড়ে বলি, জয় বাংলা । আসুন আমরা তরুণেরাই শুরু করি আবারো আরেকটি একাত্তর, যে যুদ্ধ হবে দেশ গড়বার জন্য । যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, পথ শিশুদের প্রতি আমাদের সহমর্মিতার হাত, এক সুরে গর্জে উঠুক । আমাদের যা কিছু আছে তাই দিয়ে আমরা লড়ব আবার । হোক সে যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী, তবু জয় আমাদেরই । সবাইকে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা ।

বিজয়ের গল্প লেখি, প্রথম সূর্যের বুকে !
রক্তের লাল, শোকের কালো
প্রোথিত অন্তরে আমাদের ;
সোনার বাংলা গড়ব
আমরা সবাই মিলে, তরুণেরা
এসো হাত মেলাই
আবার নতুন করে ।


সবাই ভাল থাকুন । বিজয়ের আনন্দ, আমাদের মনে করিয়ে দিক আমাদের দায়িত্বের কথা
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ১১:৪৩
৩৫টি মন্তব্য ৩৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাংলা সাহিত্যে জায়গা পাচ্ছেন ওসমান হাদী

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১২ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:১৭


সংবাদপত্র যা বলছে
জাগো নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১০ জুন ২০২৬ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যবই পরিমার্জন-সংক্রান্ত কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেকসহ... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুকুলে নয় শেখ হাসিনা (আপা) প্রতিকুল পরিস্থিতিতেই বেশি অকুতোভয়।

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৪




একদিকে তিনি ঘোষণা দিয়েছেন তিনি দেশে ফিরছেন, আরেকদিকে তিনি প্রায় নিশ্চিন্ন করে দেয়া আওয়ামী লীগকে পুনর্গঠন করে ফেলেছেন! এবং সেই সঙ্গে তিনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশের অগণতান্ত্রিক, ভয়ঙ্কর এবং অবৈধ রাজনৈতিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিএনপির আবালীপনা।

লিখেছেন তানভির জুমার, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮

বিএনপি ৫০ হাজার নাচের শিক্ষক নিয়োগ দিতে যাচ্ছে। যার পেছনে ১০ বছরে ব্যায় হবে ১৫ হাজার কোটি টাকা। যা দিয়ে ফুল প্যাকেজ ৩০ টি জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান... ...বাকিটুকু পড়ুন

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি

লিখেছেন নতুন নকিব, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:২৪

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি

অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় সারা দেশ শোকাহত। এতগুলো নিষ্পাপ প্রাণের মৃত্যু নিঃসন্দেহে অত্যন্ত বেদনাদায়ক... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×