৬ষ্ঠ পর্ব
আমি এখানে বাটিক-বুটিকের যাবতীয় খুঁটি-নাটি প্রাথমিক বিষয়গুলোর কথা বলেছি।
বর্ণিত প্র্যাক্টিক্যাল কাজ গুলো নিজ দায়িত্বে করে নিবেন। আমাকে প্রয়োজন হলে বাসায় ছোলার ডাল, ভেড়ার গোস্ত আর পোলাও করে খবর দিবেন।
ব্লক প্রিন্ট
ক) নিউটেক্স গাম ৭৫% ৭৫ চা চামচ
বাইন্ডার ১০% ১০ চা চামচ
এন কে ফিক্সার ৫% ৫ চা চামচ
এক্রামিন রঙ ৫% ৫ চা চামচ
পানি ৫% ৫ চা চামচ
খ) এপ্রিটন ৮৫% ৮৫ চা চামচ
এন কে ফিক্সার/বাইন্ডার ১০% ১০ চা চামচ
রঙ (গোল্ডেন/সিলভার পাওঃ) ৫% ৫ চা চামচ
উপরোক্ত উপকরণগুলো একত্রে মিশিয়ে নিন। ফ্ল্যাট, আধ শক্ত একটা বিছানায় (ব্লক সমান) সমান ভাবে রঙ লাগিয়ে নিন। সেখান থেকে ব্লকে রঙ লাগিয়ে নির্দিষ্ট কাপড়ে ছাপ দিন।
এ্যম্বুস ডাইং
এ্যম্বুস দেখতে বাদামী সাদা পেস্টের মতো।
এ্যম্বুস দুই প্রকার-
১। লিকুইড এ্যম্বুস
২। পাওডার এ্যম্বুস
বাণিজ্যিক ভিত্তিতে না করলে পাওডার এ্যম্বুস দিয়ে কাজ করলে ভালো হয় ও দীর্ঘস্থায়ী হয়।
প্রস্তুত প্রণালী-
এম্বুশ ৩.৫ চা চামচ
একরামিন কালার
(লিকুইড কালার) ১.৫ চ চামচ
বাইন্ডার ২.৫ চা চামচ
# ফেব্রিক্স রঙ এর জন্য- ১ চা চামচ এম্বুশ + .৫ চা চামচ ফেব্রিক্স রঙ।
পদ্ধতি-
এম্বুশের সাথে রঙ মিশিয়ে পেস্ট করে নিন। পেস্ট নরম বা গাঢ় করতে প্রয়োজন মতো বাইন্ডার মিশিয়ে নিন। এই পেস্ট দিয়ে ইচ্ছে মতো নকশা করুন। এবার কাপড়টি/রঙ করা নকশাটি শুকিয়ে নিন। শুকানোর পর কাপড়ের দুই পাশে পেপার দিয়ে ইস্ত্রি করে নিন। ইস্ত্রি করার জন্য নরম বিছানা ব্যবহার করুন। কাপড়/রঙ কম শুকালে এম্বুশ নকশা সফ্ট হবে।
মশৃণ সিল্ক ও জর্জেট ছাড়া যে কোন কাপড়ে এম্বুশ ডাই করা যায়। সূতী কাপড়ে বাইন্ডারের প্রয়োজন নেই। তবে সাধারন সিল্কে কাজ করতে গেলে অবশ্যই বাইন্ডার মিশাতে হবে। এছাড়া কাপড়ের বেজ বা বুণনের জন্য রঙ + গামের মিশ্রনকে পাতলা বা ঘন করে নিতে হবে। (চলবে)
(আগের লেখা)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

