১) প্রমাণ মাপের প্রায় এক কাপ পরিমাণ আপেল বীজ একজন মানুষের মৃত্যুর জন্য যথেষ্ট।
২) যদি মানবদেহের সমুদয় DNA কে পরপর জুড়ে দেয়া যায় তবে তার দৈর্ঘ্য হবে পৃথিবীর থেকে সূর্যের দূরত্বের নয় গুণ।
৩) কুমিরের দাঁত যতবার পড়ে ততবার ওঠে।
৪) ঘাস ফড়িং ও ঝিঁঝিঁ পোকার কান যথাক্রমে তাদের পেট ও সম্মুখপদে থাকে।
৫) খচ্চর হিজড়া জাতীয় প্রাণী হওয়ায় খচ্চরে খচ্চরে মিলনে কোনও খচ্চর জন্মায় না। আসলে খচ্চর হচ্ছে ঘোড়া ও গাধার সঙ্কর।
৬) ভূমি থেকে একটি নির্দিষ্ট উচ্চতায় কোনও গাছে পেরেক গাঁথার ২০ বছর পরও তা একই উচ্চতায় থাকবে।
৭) রাডার স্কোপ দ্বারা এক ফুট চওড়া নিশ্চিদ্র বন্ধ দেয়ালের ভেতরের কথাও বাইরে থেকে রেকর্ড করা যায়।
৮) যুক্তরাষ্ট্রের ইরা রেমসেন ১৮৭৯ সালে আলকাতরা নিয়ে পরীক্ষা-নিরিক্ষার পর ভুলবশত হাত না ধোয়ার ফলে আকস্মিকভাবে স্যাকারিন আবিষ্কার করেন।
৯) ডলফিন এক চোখ খোলা রেখে ঘুমায়।
১০) ক্যাটলফিশের হৃদপিন্ড তিনটি।
১১) কেঁচোর কোন হৃদপিন্ড নেই।
১২) চিংড়ির হৃদপিন্ড থাকে তার মাথায়।
১৩) পরমাণুর তেজস্ক্রিয়তায়ও টিকে থাকতে পারার জন্য আরশোলার সুনাম থাকলেও কতিপয় গুবরে পোকা, বোলতা ও ফলের মাছির তেজস্ক্রিয়তার মধ্যে টিকে থাকার ক্ষমতা আরশোলার চেয়েও দশগুণ বেশি
১৪) কোনও বর্গক্ষেত্রের প্রত্যেক বাহুর দৈর্ঘ্যকে দ্বিগুণ করলে ওই বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল বাড়বে ১৬ গুণ।
১৫) তরল নাইট্রোজেন এতই ঠান্ডা যে এক ফোঁটা তরল নাইট্রোজেন আপনার হাতের আঙুলের অগ্রভাগে যদি পড়ে তবে ওই অংশটুকু সঙ্গে সঙ্গে ফেঁটে চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যাবে।
১৬) মানুষের পর শিম্পাঞ্জিই একমাত্র প্রাণী যে আয়নায় নিজেকে চিনতে পারে।
১৭) খাঁটি হীরা কখনোই এক্সরে ছবিতে ধরা পড়ে না।
১৮) সাগরে সাঁতার কাটা সবচেয়ে সহজ।
১৯) চাঁদে আলোর বিক্ষেপ আবহমন্ডল না থাকায় চাঁদের ছায়া পৃথিবীর ছায়ার চেয়ে বেশি অন্ধকার।
২০) গিরগিটির জিহবা তার শরীরের থেকেও বড়।
সূত্রঃ রহস্য পত্রিকা
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই অক্টোবর, ২০১৪ দুপুর ১২:৩১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


