somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বাবা দিবসে আমার বাবার জন্য কিছু কথা

২০ শে জুন, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বাবার সাথে সবসময় একটা দূরত্ব ছিল। কারনটা হয়ত উনি সারাদিন পড়তে বলত বলে। হয়ত সবাই মিলে আড্ডা দিচ্ছি হঠাৎ বলে বসল পড়তে যাও। বিশেষ করে বাসায় কোন গেষ্ট আসলে তো বলতই। আর কতভাবে যে মারা যায় তার একটি ডেমনস্ট্রেষন আব্বার কাছ থেকে পেয়েছিলাম। সেই কারনে আব্বা আমার খুব একটা প্রিয় কোনকালেই ছিল না।

এই মনোভাবটা বদলে যেতে থাকল যখন আমি বুঝতে পারলাম আমার জন্য তার মনে অনেকটা আদর ছিল। তখন আবছাভাবে মনে পড়ল খুব ছোটবেলায় আমার একবার জ্বর হল। আব্বা অনেকটা সময় আমাকে কোলে নিয়ে বারান্দায় হাটাহাটি করেছিল। আমি যখন তাদের ছেড়ে দূরে কিছুদিন ছিলাম, যতবার চলে আসতাম ততবার বাবাকে বুঝতাম কতটা ভাল তিনি আমাকে বাসেন। মাঝে মাঝে যখন জ্বর হয় তখন দেখি আমার বাবা কতটা অস্থির হয়, একদম ছোটবেলার মত। এমনকি ঐ রাতে ঘুমের কোন ঔষধও খায় না।

আমরা যারা মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে তাদের কাছে বাবাদের একটাই চাওয়া থাকে। ছেলে-মেয়ে যেন ভাল লেখাপড়া করে। আমি আমার আব্বার এই ইচ্ছার সামান্য তম মর্যাদাও রাখি নাই।

এখন আমি আর আমার আব্বা খুব ভাল বন্ধু। প্রতিদিন সন্ধ্যায় বাসায় ফিরেই শুরু হয় আব্বা-আম্মার সাথে আড্ডা। আমার এখনের সব কথা, প্ল্যান, ইচ্ছা সবই তাদের সাথে শেয়ার করি। আমার আব্বার কিছু মুদ্রা দোষ ছিল। এখন আমি ঐসব বাসায় প্রাকটিস করি আর আব্বার সাথে মজা করি।

আজকের বাবা দিবসে পৃথিবীর সব মমতাময় বাবার জন্য বিনম্র শ্রদ্ধা।
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই মে, ২০১১ দুপুর ২:১১
১০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাখি মন

লিখেছেন সামিয়া, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:১০



রাত গভীর হলে পাখিটা বারান্দায় এসে বসে। দূরের আকাশে তখনও কিছু আলো জ্বলজ্বল করে, কিন্তু পৃথিবীর কোলাহল ধীরে ধীরে স্তব্ধ হয়ে আসে। সেই নীরবতার মধ্যে বসে পাখিটার মনে হয়, মানুষ... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৃঙ্খল মুক্তি আমার

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

শৃঙ্খল মুক্তি আমার



ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র - ভ্রাম্যমান লাইব্রেরী ভাবনা

লিখেছেন ইফতেখার ভূইয়া, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৮:৪৬


শ্রদ্ধেয় আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যাররে হাতে গড়া প্রতিষ্ঠান বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র তার জন্মলগ্ন ১৯৭৮ সাল থেকে অনেকটা পথ পেরিয়ে এসেছে। আমার মনে পড়ে, আমি স্কুলে পড়াকালীন সময়ে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র থেকে স্কুল... ...বাকিটুকু পড়ুন

=একান্ত নিজস্ব জিনিসগুলো পর হয়ে যাচ্ছে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:৪৫



যে চোখ দিয়ে দেখেছি ধরার আলো, সে চোখও দিচ্ছে ফাঁকি,
যে চোখের আলোয় দেখেছি পুকুর নদী, শুকনো উঠোন;
বৃষ্টি ভেজা দিন, দেখেছি ময়না শালিক, ঘুঘু ডাকা দুপুর
সে চোখ পর হয়ে যাচ্ছে অল্প... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবিন খুদারা কেন বাংলাদেশে বিনিয়োগ করেন না ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:২৩


Robin Khuda ঢাকার ছেলে। স্কুল পড়েছেন এই দেশেই। তারপর অস্ট্রেলিয়া গেছেন, AirTrunk বানিয়েছেন, Blackstone তাকে ১৬ বিলিয়ন ডলারে কিনে নিয়েছে, আর এখন তিনি ভারতে ৩০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×