somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কবিতার অভিন্ন মৃত্যুও ইমরান মাঝির দুধভাই

২৪ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৩২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বিজ্ঞানী কলিন্স'রা বিশ্বের কোন না কোন এক দেশের নির্বোধ পতাকা হাতে চাদে লাফালাফি করে।চন্দ্রজয়ের আনন্দটা হাসফাস করতে থাকে ভারি জোব্বাজাব্বার অত্তাচারে!এমন রসময় ও হাস্যকর দৃশ্য ইমরান মাঝি কখনো তার ছইওলা নৌকার তলা থেকে মিস করেননা,কেননা আন্তরাষ্ট্রীয় নাগরিক বা,বৈগ্গানিক কিংবা মহানায়কের বাগাড়ম্বরে সকলের মত বিভ্রান্ত হতে তিনি রাজি নন।বরং তার ব্যক্তিগত নৌকা তাকে মুক্তি দেয় কবিতার প্রহরে,কে জানে হয়ত তিনি বৈঠা হাতে মেপে নেন চাঁদের দুরত্বটা!
কথা বলছিলাম ইমরান মাঝির নব্যপ্রকাশিত দুধভাই প্রসঙ্গে।বইটির প্রকাশনা করেছে মান্জাসূতা প্রকাশন।সুদৃশ্য ও কাব্যকল্লোলে মুখরিত বইটির জন্য কবি ও মান্জাসূতাকে ব্যাপ্তিহীন ও ব্যাপক ধন্যবাদ।

কবি ইমরান মাঝি

মাঝির প্রথম কাব্যগ্রন্থ "দুধভাই"এর উতসর্গপত্রের ধরন দেখে মনে হওয়া স্বাভাবিক যে তার আসলে সভ্যতা,বিগ্গানের প্রতি যথেষ্ট বিরক্তি আছে।আসলে কিন্তু এই বিরক্তি যেকোন ব্যাক্তিক সাফল্য বা একজন সফল কর্পোরেটের প্রতি।ধরা পরে এক মাত্রাছাড়া বৈরাগ্য,যা কিনা ভেঙে ফেলেতে চায় প্রতিষ্ঠানের শেখানো নিয়ম।একজন ইমরান মাঝি পৃথিবীর সমস্ত ইমারত ভেঙে দেখাতে চান কুঁড়েঘর।এরপরই ছন্দের ব্যাকরণকেও একহাত দেখে নেন যথেষ্ঠ বিনয়ে মাথা নত করে!তার কাব্যপ্রচেষ্টায় ছন্দ-ফন্দ নিয়ে যে তিনি আদোউ ভাবিত নন-এটা তারই বহিপ্রকাশ।অতপর মাঝির আত্নভোলা স্কেচের নীচে লাজুক স্বরে জানান যে বাড়ি ভোলার চর,লিটলম্যােগর সাথে সম্পর্ক বহুদিনের।
আধুনিক সময়ের অন্যান্য কবিদের চাইতে মাঝির কেস একটু আলাদা।ইউরোপিয়ান ফিভারে আক্রান্ত সমসাময়িকেরা যখন র‌্যাবো,বোদলেয়োর ভুতে আক্রান্ত,মাঝি তখন মাঝনদে বসে বিড়ি ধরিয়ে বোসে থাকেন।হাতের বরশিতে নতুন কোনো কবিতা ধরা পড়ে অথচ ছটফট করে ওঠেন তিনি নিজেই!ব্যাগ্র মগজের টানে তুলে ফেলেন গভীরের চেতনা।কবিতার ইমেজগুলো আমাদের পরিচিত পৃথিবীর সাধারন জানালায় দেখা দৃশ্যগুলই।অনেকটা গল্পের স্টাইলে মাঝি উপরে ফেলেন ভেতরের প্যারাডক্স বা বহুমাত্রিক জটিলতা(অবশ্যই সরল প্রকারে)।এ কারনে তাতে জ্যামেতিক বা আঙ্কিক প্রকাশ নেই।

স্মৃতিকাতর কবিতা অনেকগুলোই চোখে পড়ে।দিকভ্রান্ত মাঝি লেজুড়ে ঘুড়ির পেছনে ছুটে যায়।কিন্তু মাঝি ঘাসফড়িঙও এখন আর ধরেনা,কারন সে যে বড় হয়ে গেছে কবে!
তেতুল গাছ কবিতায় মাঝি গ্রামের বধূদের কাছ থেকে তেতুল চুরির গল্প করেন।
"গাছের নিচ দিয়ে যেতে নেই,স্মৃতিশক্তি কমে যায়।পুরুষের তেতুল খেতে নেই।আমি কি তখন পুরুষ ছিলাম..."(তেতুল গাছ)

আছে শৈশবকাতরতা
"আমাদের বাড়িতে অনেক ভাইবোন বলে কখন পাকতে পারেনি ফল।আর দাদার মুখ তাই খারাপ হয়ে গেছে"...পেয়ারা চুরি।

ছাতা কবিতায় মাঝি তার মৃত বোনের স্মৃতিচারণ করেন।
"হারিয়ে ফেলেছিলাম ছোট বোনের ছাতা।আসলে হারাইনি হারিয়ে ফেলেছিলাম ছোটবোন চার পাচদিন পরে।মাটিকে চোর বলি যে নিয়েছে তারে।"ছাতা"

অথবা ভাল লাগে মাঝি যখন "দুধ"কবিতায় আবার শিশু হতে চান।

প্রলেতারিয়েতদের প্রতি তার প্রগাঢ় দৃষ্টিক্ষেপন আমার দৃষ্টি এড়ায় না।তবে তা আরোপিত নয়।অধিকাংশ কবিতায় মাঝি প্রান্তিকদের জীবনসংগ্রাম,অবসর আনন্দগুলো দেখে ফেলেন।
"নিজের জমির পাকা ধান আলে দাড়িয়ে দেখার একটা হলুদ সুখ আছে।আবার কাস্তে হাতে ক্ষেতে নেমে যাবার মধ্যো লাল সুখ।"ধান"

"নব্বই পারসেন্ট শিশু জন্মে বৃদ্ধা খালার হাতে"।...(সংসার)

মাঝির ভেতর আর বাহিরের নদীর ভেতরকার এক সংযোগ আছে।ফলত নদী মাঝির শরীরে মেখে আছে।তাই মন কবিতাটি ভাল লেগে যায়।
"নদীর কাছে যারা থাকে মন খারাপ হলে তারা ঢেউয়ের কাছে যায়।নদী তো নারীর মতো।নারী তো রােতই মধূর।"(মন)

নিসর্গ মাঝির অতিপ্রিয় তাই সে একা একা দেখেছে যে,
"গাছের পাতা নদীতে আত্নহত্তা করে,বিষন্ন সুরে কাদে বাশের কসাই"।(মহিশের নাম)
নিঃসংগ বধূদের প্রতি তার কবিসুলভ আগ্রহ উপচে পড়ে,
"একলা বাড়ির বউ গো তোমার রেডিও কি আছে।"{রেডিও}অথবা তিনি একাই জানেন" বাপের বাড়ি থেকে মাছ এলে বধূরা সব ঘরে ভাগ করে দেয় আর মরা মাছের কাছে জেনে নেয় পিতা মাতার খবর।"(জেলে বউ)
শেষমেশ আর থাকতে পেরে তিনি ভিখিরি হওয়াই ভালো ভাবেন কারন
"আমার ভিখিরি হওয়াই ভালো ছিলো গ্রামের বউদের হাতের রান্না খেতে পারতাম।"(ভিখারি)

এছাড়া জীবনদর্শন কবিতায় উপস্থিত।বিভিন্ন অভিগ্গোতা(দায়বোধ?) বা প্রাতিষ্ঠানিক জ্য়ানে বিরক্ত মাঝি।

"আমি জানি ইতমধ্যে আমাকে কিছুটা পচিয়ে দিয়েছে গ্য়ান।পচে গন্ধ বের হওয়ার আগেই শিরদাড়া সোজা করে দাড়িয়েছি আর সারিয়ে নিচ্ছি আমার ক্ষত"।(দেহ)

প্রেমিকার প্রতি হাহাকার আমাকে খুব পীড়া দেয়।মনে পড়ে যায় মাঝির কোন এক ডায়েরী কবিতা গ্রাস করেছিল কোন এক পদ্মপুকুর।কবিরা সব হারায়,কবিরা সব ূলেও যায় কিন্তু সব কিছু মনে রাখে কবিতা!

"আমার বয়স কোথাও লেখা নেই।তাই ২৩,২৪ এমনকি ২৫-ও হতে পারে।এই ২৩,২৪,২৫ বছর বয়সে হারিয়েছি ৪,৫,৬ জন প্রেমিকা"।(বয়স)

জীবনধারন সম্পর্কে পেশাদারিত্বের বোঝা মাঝির হাড় কাপিয়ে দেয়।
"শুকনো ঢেলার মতো ছুড়ে দিলে জীবিকার মাঠে।চেয়ে দেখি বেলুনেরা ওড়ে।আমি বিদেশের জেলে দীর্ঘ কয়েদি হলাম।(জীবিকা)
"কেন পড়লাম অভাগা অনার্স....এখন বিশুদ্ধ চাকরী নাই।কোথায় অবৈধ টাকা খেয়ে সন্তানকে করবো ভোদাই"(বরফকল)
অথবা
"অন্ন বিরহ ব্যতীত বাকি সব ফ্যাশন....."(বিরহ)

এজন্যই বোধহ্য় শিক্ষিত বেকার বাকি খায়!

"বর্তমানে আমি তিন দোকানে বাকি খাই।ইউসুফ,বাসু আর চোউমাথার সিজার দোকান।সাইক্লোন সেন্টারেও খেয়েছি উপরে বিশ টাকা।বড়লোকেরা ব্যাংক থেকে জনম বাকি খায়।(বাকি)

অথচ মাঝি প্রাচীন ও না পূরন হওয়া স্বপ্নগুলো জানে,
"একটি রাইসমিলের মালিক হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে বড় হয় কৃষকের ছেলে"....(কল)
মাঝি হতাশ হন।যখন দেখেন,

"আশি পার্সেন্ট রাজাকার আজ মার্চ্যান্ট,ব্যাবসা করে"(নদী একটি বাড়ী নিয়ে যাচ্ছে)

মানুষের হৃতবাক্য হয়ে উঠেছে পুথি "বাসর রাতে পতি মরলো গলায় ফাসি দিয়া"।একবাক্য বলা যায় বইটির বিশেষ আকর্ষণ।

ইমরান মাঝি তার কাব্যগ্রন্থ "দুধভাই"তে অতি সরলভাবে নাগরিকদের বিপন্ন একপ্রকার মাথাব্যাথা উপহার দেন।পরিচ্ছদে নতুনত্বের নাগরিকদের কাছে এসব কবিতা রোমান্চকর চিত্র বয়ে আনে,জীবনের।ছূড়ে ভেংগে ফ্যালে প্রাইভেট কারের ব্যাক ভিউ মিরর!

মাঝে মাঝে মনে হয় মাঝির কবিতাগুলো আলাদা করে কবিতা ভেবে লিখা নয়।একারণে তার কবিতাগুলো তার পরিবার,পরিবেশ নদী,ক্ষেত কিংবা মাটিবর্তী,জীবনঘনিষ্ঠ,স্মৃতিকাতর ইত্যাদি প্রথাগত বিশেষণযুক্ত।তবে উত্তমপুরুষ যেহেতু কবিতার সবটুকু জুড়ে আছেন সবসময় তাই মনে হয় ঋতুর বোইচিত্র অনুপস্থিত।

তার কবিতার প্রকাশের ধরণটিও নতুন কিছু নয়।নব্বইয়ের কবি মুজিব ইরম,টোকন ঠাকুর,কামরুজ্জামান কামু প্রভৃতির কবিতায় এই নিরাবেগ গল্পবর্নণা বহুচর্চিত।(পুর্বকালীন জয় গোস্বামীর কথাও বলা যায়।)

একজন কবি যখন অতিরিক্ত নস্টালজিয়াতে ভোগেন,অথবা তার কবিতায় অনিশ্চিত বাক্যো নির্ভরশীল হন,তার মানে দাড়ায় যে,বর্তমান অবস্থা নিয়ে সংকটে আছেন।মাঝির কবিতায় এই আত্নকেন্দ্রিকতা আমার উপভোগ্য মনে হয়নি।এই সংকট শুধু সংকট মনে হয়,কাব্যরস মনে হয় না।যেন স্রোতের বিপরীতে অক্লান্ত বইঠা সন্চালন।কবিতায় তারল্য চোখে পড়ে।আমার মনে হয় কবিতায় ঘনত্ব অল্পএকটু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়,কিন্তু মাঝির কবিতায় অহেতুক ডিটেইলিং তার কবিতার শাস কমিয়ে দিয়েছে।আমি বলতে চাইছি মাঝি যেন তার কবিতা লিখার সময় তার পাঠককে সামনে বসিয়ে না রাখেন।

"দুধভাই"এর কবিতাগুলো একেবারে সরলরৈখিক।সৌন্দর্যের বিচারে সেই নদী তত সুন্দর যাতে বক্রভাব বিদ্যমান। নদীর বাকগুলোই ভাংচুর করে অস্থির করে তোলে লোকালয়। মাঝির কবিতায় সেই বাক নেই,ভাংচুর নেই।অথচ আমাদের জীবন এতটা কষ্টকল্পিত সুন্দর নয়!মাঝি তুমিই বলো,তোমার বিদ্রোহগুলো কোথায়?তোমার দাবিগুলোর কথা কেন তোমার কবিতা উচ্চারণ করেনা?

একজন নাগরিক যদি তার অন্য অস্তিত্ব হিসেবে মাঝি হতে চায় তবে যেন এই বিভ্রান্তি দ্যাখা দ্যায়!তাই ভয় হয়,অচিরাত বুঝি ভেংগে পড়বে কল্পনার প্রাসাদ!

জলে বিম্বিত প্রাসাদ যেন,কম্পমান বাস্তবে ইলশেগুড়ি বৃষ্টি এলেই ধু্য়ে যায় তার তরল ছায়া।

("মান্জাসূতা" সাহিত্য পত্রিকার নভেম্বর ২০০৭,৩য় সংখ্যায় প্রকাশিত)




সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:১৬
৯টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

নাজিয়া সামান্তা, হিজাব এবং আমাদের সমাজের প্রাতিষ্ঠানিক ভণ্ডামি।

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ১০ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫১



​একজন তরুণী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ড্রাম বাজিয়ে দর্শক মাতাল। নেটিজেনরা বাহবা দিল। কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়—মেয়েটি বোরকা-হিজাব পরা, সে ২০২৫ সালে হজ করেছে, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে এবং নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৃঙ্খল মুক্তি আমার

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

শৃঙ্খল মুক্তি আমার



ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×