বেজে ওঠে করুণ সুর বেহালার ভেতরকার ক্লান্তি নিয়ে।
তারপর হঠাৎই ছিটকে পড়ে যেতে হয় কান্নার প্রাথমিক ধাপে...
ফুপিয়ে চলা
শিশুর মতো করে,
জড় পিপেগুলোও অসহ্য হয়ে গিয়ে শেষমেশ বলে;
"বেশ,বেশ,বেশ!"
তারপর সে ক্লান্ত থাকে
যতক্ষণ না পর্যন্ত ভায়োলিন থেমে যায়।
জ্বলন্ত চুলায় ঝাপ দেয়
এবং পলায়ন করে।
বিভিন্ন সুরেরা একইসাথে বাজে
তখন বেহালা কোনো কারণ ছাড়াই
কাঁদতে থাকে।
কোথাও যেন বেসুরো হয়ে যায়।
কোথায় যেন
একটা খোল তাল দিয়ে যায়,
আর যেন বলে,
এসব কি হচ্ছে?
এত গোলোযোগ কেন?
বেহালার তারের তাম্ররঙা মুখ
উচ্চস্বরে বলে:
পাগল নাকি তুমি!
রে ছিঁচকাদুনে শিশু!
এবার অন্তত থাম।"
আমি টালমাটাল পায়ে নড়তে নড়তে
অবশেষে স্থির হই,
এবং
সুরের বিভিন্ন তান ভরিয়ে দেই
আশেপাশের জড় জগতে।
হাক ছেড়ে বলি:
"হা ঈশ্বর"
আমি কেন নিজে নিজে কথা বলতে অক্ষম,
আমি ঘুসি পাকিয়ে ছুটে যাই তোমার কাঠের কন্ঠের প্রতি
"বেহালা তুমি কি জানতে
আমরা আসলে ঐ একই রকম,
আমিও
প্রায়ই আর্তনাদ করতে থাকি
কিন্তু বলতে গিয়ে ব্যর্থ থেকে যাই।"
সংগীত বোদ্ধা'রা আমাকে ব্যাংগ করে
বলে ওঠে:
"ওকে দ্যাখো
সে কিনা কাঠের তৈরি এক নয়া বধুর প্রতি আহ্লাদি করতে এসেছে
হাঃহাঃ।"
কিন্তু আমি তো কারো পরোয়া করিনা
আমি যে একজন সৎ মানুষ
"বেহালা তুমিতো ভালো করেই জান
এসো আমার একসাথে করি বসবাস,
এ বিষয়ে তোমার কি মত?"
[মায়াকোভস্কির আরো কিছু কবিতা অনুবাদ করার ইচ্ছে আছে ভবিষ্যতে]

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

