অ্যাবসার্ড কবিতা 01
০৩ রা জুন, ২০০৬ বিকাল ৩:৩৮
কবিতার সাথে পার্থক্য করার জন্য আমি এ ধরনের কবিতার নাম দিলাম ক্কবি্বত্তাহ! আমার বন্ধু ও জানি দোস্ত বিব্রত রাসপুটিন লোপেজ আমার এই গোছের কবিতাগুলিকে অনেক বাহবা দিছেন। পাশাপাশি উনি আমারে কইছেন, মুখু, কাজকাম না থাকলে আয়া পড়, এক লগে বাসন ধুই। আমি কইছি না দাদা, আম্রিকা আমার ভাল্লাগে না। আমি দ্যাশে থাকি।
তো যাই হোক, ঐ গল্প আরেকদিন কমু আনে। এখন ক্কবি্বত্তাহ শোনাই।
---------------------------------
ইতিহাসের পাতায় পাতায় নাম ল্যাখাই
গোমেজ দাদা কইসে
কবিতা মোর হইসে
50 পাতা ছাট্টিফিকেট লয়া
যা মনে কয় সেইটা লেখি
কাইল্যার লগে আসমান দেখি
মেগ দেখতাছি ঘরে বয়া বয়া
কালিদাসও দোস্ত আমার
বাইচ্যা থাকলে সাট্টিফিকেট দিতো
সেও
কেও মেও কেও মেও
পুঁজি এখন মনোবেদন
পাবলিক এইটা খায় না
অগাস্টিনের সাট্টিফিকেট ছাড়া আমার
কবিতা খাড়ায় না।
অ্যাবস্ট্রাক্ট ম্যাবস্ট্রাক্ট নাম দিয়া কই
এইটা আমার বায়না
এখন থিকা এমন এমন
লেইখা যামু কেমন কেমন
পাবলিক কিছু কইলে কমু হোয়াই?
মারতে আসো খালি আমার গোয়াই?
সাট্টিফিকেট টাঙ্গায় দিমু ... গোমেজ বসের লেখা!
ইতিহাসের পাতায় পাতায় নাম ল্যাখামু
কালিদাসের সঙ্গে বয়া ফুচকা খামু
ছাদে বয়া মেগ ও মাগী দেখা
এই কামের ফাঁকে কবিতাখান লেখা
কই কালিদাস কই রে গোমেজ ভাই
সাট্টিফিকেট ছাড়া উপায় নাই।
পোঁয়াইইইইই!
11.12.01
-------------------------------------
এই কবিতায় কিছু নামধাম আছে, ওগুলি কোন বাস্তব মানুষের নাম না। কাজেই কেউ মামলা করতে আইসেন না। আসলে মনোবেদন খামু।
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরি বিভাগে ।
অতিথি বলেছেন:
কোঁয়াইইইইই!
অতিথি বলেছেন:
এ্যাবসার্ড ক্ববি্বত্তাহ ছাড়ছস, আর এ্যাবসার্ড মনোবেদন খাইবিনা, তাই হয় ক্যামনে। পকেটে পয়সা থাকলে সোনার বিস্কুট কিন্যা তা দিয়া তোর নাম বান্ধাইয়া রাখতাম "দি ফাদার অব এ্যাবসার্ড ক্ববি্বত্তাহ" সাট্টিফিকেট দিয়া।
অতিথি বলেছেন:
মুখা জবর এবসার্ডিটি আইছে, মনোবেদন খাইতে হইবো, পেতিভার সমাদার করে না কেউ।
হাসান বলেছেন:
মুখো দাদার জবাব নাই ...
হযবরল বলেছেন:
অ্যাবসর্াড কাব্যের জয় হোক ।
অতিথি বলেছেন:
ত্রিশটা এ্যাবসার্ড কবিতা দিতে পারলে আমি নিজ পয়সায় প্রকাশক হবো।এই প্রতিভাকে বিশ্বের দরবারে পরিচয় না করিয়ে দিলে মরেও শান্তি পাবো না।
তাছাড়া যারা নিজেই নিজের প্রতিভায় মুগ্ধ এরকম কিছু উকিল মোক্তারদেরও জানা উচিত সবকিছুই কবিতা নয়।
অতিথি বলেছেন:
ওহ মুখফোড়, আপনি দেখছি জলে নামাবেনই...ভেবেছিলাম নাইবো না, কিন্তু সবাই দেখবে চুলটা ভেজা, কিন্তু এরকম কবি্বত্তাহ পাঠের পর ....ভিজে লটরপটর অবস্থা, নিদারুণ হয়েছে মুখুদ্যে....নিদারুন!!
অতিথি বলেছেন:
মুখফোড় আপ তো মুঝে বেশক মাখমুর করদিয়া !
অতিথি বলেছেন:
হুমম। চালিয়ে যেতে হবে দেখছি। সবাই খুব করে চেপে ধরেছেন। কিভাবে ফেরাই? কিন্তু শোমচৌদা, এরকম আরো ঊনতিরিশখানা লেখার হ্যাপা চাপিয়ে দিলেন? দেখি, পাঞ্চালদার আগলি (হিন্দি, ইংরেজি উভয়ার্থে) ক্কবি্বত্তাহগুলো একটু পঠন করে, আর কল্কিটাও একটু মেরামত করতে হবে। চোঁয়াইইইই!
অতিথি বলেছেন:
মাহবুব, এই প্রশ্নের জবাব খোজা হইতেছে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের আগ থিকাই ।কিন্তু ইতিমধ্যে বহু লোকে নানা-নাতি-পোষা পাখী ইত্যাদি জটিলতায় আক্রান্ত হওয়ায় ইতিহাসের কার্ডিওগ্রফী ছিৎ রুটি দিয়া হাসের মাংস খাওয়ার সিদ্ধান্ত নিছে । সুতরাং পচানো হইছে কি হয় নাই তা প্রমাণ করা খুব শক্ত । শিশি বোতলের চাইতেও !
অতিথি বলেছেন:
পরবতর্ী কবিত্তাহ কই ?
লাল মিয়া বলেছেন:
অ্যাবসাড কবিত্তহ 2 কই ?
ঝরা পাতা বলেছেন:
কঠিন ভাইজান। বহুত জটিল লিখছেন।
সুমন চৌধুরী বলেছেন:
অ্যাবসার্ড কবিতার তো বর্ষপূর্তি হইতে চল্ল। মুখদ্যে কোথায়?
আলিফ দেওয়ান বলেছেন:
১৭


















