
ছোট বেলা থেকেই অভ্যাস পরীক্ষার সময় রচনা লিখি আগে। মনে হত- রচনা লিখলে একটা বড় ঝামেলা শেষ
রচনা লিখ : সামু
পুর্নমান :২০
সামু ? কি এটা ? প্রশ্ন তো কমন পরে নাই

আরে কি বোকা আমি। এটা তো প্রিন্টং মিসটেক। মামু হবে সামুর জায়গায়। হা হা হা হা , এখন লেখা শুরু করা যাক
মা এর ভাইকে মামা বলে। মামু আর মামা একই জিনিষ। মা+মা = ২ টা মা এর সমান হলো মামা। কত কথা আছে সাহিত্যে মামু নিয়ে।
মামা ভাগ্নে যেখানে আপদ নেই সেখানে........
ঝড়ের দিনে মামার বাড়ী আম কুড়াতে সুখ.......
আরো কত কি ..........
এভাবে প্রায় ২ পৃষ্ঠা লেখা শেষ। এমন সময় স্কুলের যে শিক্ষকের কাছে কোচিং করি , উনি আসলেন পাশে। খাতাটা হাতে নিলেন " হাদারাম, কি লিখেছ ? এটা তো মামু হবে না..... "

কথা শেষ করতে পারেন নি। হেড স্যার এসে গেলেন। সরে গেলেন আমার কোচিং স্যার। তার মানে সামু মামু নয়। তাহলে ? নিশ্চয়ই এটা খামু হবে
আবার নতুন উদ্যমে শুরু..........
খামু হলো খাবার ইচ্ছে। এটি একটি আঞ্চলিক শব্দ। এটার ব্যাখ্যা হলো- কোন কিছু অবশ্যই খাবার ইচ্ছে।
না আর ভুল করা যাবে না। এক স্যারের কাছে জিজ্ঞেস করে নেই। দাড়িয়ে বিনিত ভাবে এক স্যারের কাছে জিজ্ঞেস করলাম " স্যার এটা কি প্রিন্টং মিসটেক ? " স্যার রাগত চোখে বললেন " না "
খুব চিন্তায় পড়লাম। জগতে এত কিছু থাকতে রচনা দিল সামু ? আর কিছু পেলনা ?
আরে আমি এত বোকা কেন ? এই সহজ জিনিসটা এতক্ষনে মাথায় আসলো ? শুরু করলাম আবার
একদেশে স্যাম নামে এক লোক ছিল। আস্তে আস্তে তার নাম হয়ে গেল সাম। একদিন সে বাজারে গুড় কিনতে গেল, তখন এক বিশ পিপড়া তার পায়ে দিল এক কামড়। বিকট জোড়ে সে ঊঊঊঊঊঊঊ করে চিৎকার দিল। সেই থেকে তার নাম হলো : সাম + উ = সামু
বুঝলাম, যা লিখেছি সব ভুল
শুরু করলাম আবার ।
সামু একটি গৃহ পালিত পশু নয়। তাহার চারটে পা নাই। দুইটা শিং নেই, যা দিয়ে সে গুতো দিতে পারবে। তাহার ড্যাবড্যাবে দুইটা মায়াবী চোখ নেই। সামুর লম্বা একটি লেজ নেই। লেজের মাথায় সুন্দর চুলও নেই। তাহার পেট চামড়া দ্বারা আবৃতও নয়। চামড়া না থাকিলে যেমন পেটের নাড়িভুড়ি বেড়িয়ে পরতো , তার কোন সুযোগ নেই। সামু দিয়ে হালচাষ করা যায় না। এর প্রধান খাবার ঘাস নয়....................
এভাবে লিখতে লিখতে সময় শেষ


অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

