৩১শে ডিসেম্বর ২০০৭ তারিখে পাকিস্থান হাই কমিশনে বেনজীর ভুট্টোর শোক গাঁথাতে স্বাক্ষর করতে গিয়ে জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু আমীরে জামায়াত মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর সাথে করমর্দন করেন এবং শরীর ও স্বাথ্যের খবর নেন। অন্তত ১৫ তাদের শুভেচ্ছো বিনীময় এবং বর্তমান আর্ন্তজাতিক রাজনীতি নিয়ে আলাপ আলোচনা করেন। সদ্য হজ্জ থেকে ফিরে আসায় আমীরে জামায়াতের সাথে উনি কোলাকোলি করেন। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন বাসদের নেতা মইনুদ্দিন খান বাদল এবং জাতীয় পার্টির এক অংশের চ্যায়ারম্যান আনিসুল ইসলাম মাহমুদ।
--- তথ্যসূত্র, পাক হাই কমিশন প্রেস সেক্রেটারী।
উল্লেখ্য ঘটনায় সাধারণ ব্লগার মুক্তির মনে কিছু খটকা লেগেছে নিম্নে তা দেয়া হইলো:
১। ইনু সাহেবের বলেন নিজামী ৭১ এর রাজাকার এবং একজন নারী ধর্ষণকারী এবং শিশু হত্যাকারী। এমন একজনের সাথে উনার মতো বীর ক্যামন করিয়া কোলাকোলি করেন এমন শরীর ও স্বাস্থের খোজ লইয়া বাধিত হন?
২। সরকারের আমন্ত্রনের নিজামী গেছে কইয়া পানের পিক ফেলাইতে ফেলাইতে কেন নাটক মঞ্চায়ণ করিলেন আর বলিলেন 'আমি খেলবোনা এইখানে নিজামী মুজাহিদ আছে?
৩। কামেল মানুষের দাবীদার নিজামী সাহেব ক্যান একজন ভন্ড, লোভী এবং মিথ্যাবাদীর সাথে করমর্দণ এবং কোলাকোলি করিলেন?
উপসংহার: আমীরে জামায়াত মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী এবং মুক্তিযুদ্ধা হাসানুল হক ইনুর করর্মদণ এবং কোলাকোলি ২৪ ঘন্টার মধ্যে ফেরত নেয়নি বিধায় ইহা ২০০৭ সালে মুক্তির বিবেচনায় সেরা খবর বিবেচিত হইলো।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


