somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সজীব আকিবের পোষ্ট ও কিছু মন্তব্য

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ দুপুর ২:৫২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ব্লগার সজীব আকিবের একটি পোষ্টের আলোকে কিছু মতামত ব্যক্ত করা হল এখানে।এই পোষ্ট পড়ার আগে,মুল পোষ্ট পড়ে নিন এখানে

ইশ্বরে অবিশ্বাসীদের প্রতি আমার অতীতে সুধারনা থাকলেও,ব্লগে এসে তা অনেকটাই ফিকে হয়ে এসেছে।আগে ভাবতাম,এই সমাজে আস্তিকতা গতানুগতিক,নাস্তিকতা ব্যতিক্রম।সামাজিক প্রথা সংস্কারের বাইরে গিয়ে কোন মত ও পথের ধারক বাহক হওয়া সহজ কথা নয়।তাছাড়া,এই সমাজে আস্তিক হতে গেলে শুধু বিশ্বাসটাই জরুরী,কিন্তু নাস্তিক হতে গেলে ভিন্ণ চিন্তা,পড়াশুনার প্রয়োজন।

কিন্তু এই ব্লগ আমাকে শিখালো,কিছু ক্ষেত্রে নাস্তিক আস্তিকে তেমন কোন তফাৎ নেই।উত্তর দিতে অক্ষম হলে দু পক্ষই গালির তুফান ছোটায়,একে অন্যকে তীব্রভাবে খাটো করে।মতের সাথে না মিললেই,আরেকজনকে তুচ্ছ করে নিজের জ্ঞানের অহমিকার ডংকা বাজানো...কেইবা কম যায়।শুধু তফাৎ,নাস্তিকেরা নিজেদের মুক্তমনা দাবি করে বেশি াস্তিকের চাইতে..আচরনে কোন পার্থক্য না থাকা সত্বেও।

ভুমিকাটা অনেক দীর্ঘ হয়ে গেল।যাক,আপনার সজীবের পোষ্ট নিয়ে নিয়ে আমার কিছু অভিমত জানাচ্ছি (আশংকা,আবার না অবান্তর গালাগালির ফেরে পড়তে হয়!)

সভ্যতার ঊষালগ্ন থেকেই মানুষ ধর্মবিশ্বাসকে ধারণ করে আসছে। তবে প্রথম দিকে তা ছিল অসংগঠিত; কিছু বিচ্ছিন্ন বিষয়ে বিশ্বাস ও তার আরাধনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল।

এ তথ্য কি আপনার নিজস্ব?ইসলাম ধর্মমতে প্রথম মানবের সাথেই আসে ধর্ম"ইসলাম",মানবের চলার পুর্নাংগ দিকনির্দেশনা।

ধর্মগুলোর প্রধান শর্ত ও একমাত্র অবলম্বন “বিশ্বাস”।

একটা উদাহরন দিই,ধরুন,আপনি কোন একজন মানুষকে টাকা ধার দিবেন।আপনি ভবিশ্যত জানেননা,লোকটি আদৌ টাকা ফেরত দিবে কিনা।কিন্তু আপনি আপনার বোধ বুদ্ধির আলোকে বিচার করেন এই লোকটি টাকা ফেরত দেবার সম্ভাবনা প্রবল।

মানুষের জীবনে বিশ্বাসের স্থান অনেক গুরুত্বপুর্ন।এটি ছাড়া জীবনে চলা মুশকিল।জীবনে আপনার মতানুযায়ী,যেটি বিজ্ঞান,তার পরিপু্র্ন অনুসরন একেবারেই অসম্ভব।সব কিছু আমরা হাতে কলমে পরিক্ষা করতে পারিনা,অনেক ক্ষেতরেই আমাদের বিশ্বাসের আশ্রয় নিতে হয়।তবে আমাদের সে বিশ্বাস একেবারেই শুন্যের উপর হয়না,কিছু বিষয়ের উপরে ভিত্তি করেই হয়।আমি একজন বিজ্ঞানীর কথার উপর বিশ্বাস করি,নিজের হাতে পরীক্ষা করতে পারিনা।

ঠিক তেমনি ধর্ম বিশ্বাসের কথা বলে।তবে তা আন্দাজের উপর নয়।কোরআনে অসংখ্যবার বলা হয়েছে"এতে রয়েছে জ্ঞানীদের জন্যনিদর্শন""তারা কি ভাবেনা""তারা কি চিন্তা করে দেখেনা"..এ কথাগুলৈ প্রমান করে,ধর্ম যুক্তি দিয়ে বিচার করে বিশ্বাস করতে বলে,আন্দাজ অনুমানের ভিত্তইতে নয়।

যুক্তির সাথে বিশ্বাসের সম্পর্ক ঠিক যেন পরস্পর বিপরীতমুখী; কেননা বিশ্বাসের প্রশ্ন তখনই আসে যখন তার সম্পর্কে সন্দেহের অবকাশ থাকে এবং যুক্তির সাহায্যে প্রমাণ সম্ভব হয় না।

আমরা যা সুস্পষ্ট রুপে দেখি তা বিশ্বাসের প্রয়োজন হয়না,যেটি অদৃশ্য..যা দিব্যদৃষ্টিতে দেখা যায়না, তাতেই আসে বিশ্বাসের প্রশ্ন।আকাশে সুর্য উঠে,এটি বিশ্বাসের কোন বিষয় হতে পারেনা।কিন্তু, কেউ যখন বলে মহাশুন্যে অন্য গ্রহে প্রানের অস্তিত্ব আছে,তখন তা কেউ বিশ্বাসও করতে পারে অবিশ্বাসও করতে পারে।

ধর্মগুলোর বিষয়ে আরেকটি কথা না বললেই নয়। কোনো নির্দিষ্ট ধর্মের সকল মানুষ যদি ঠিক এ মুহূর্তে ঐ ধর্মকে অবিশ্বাস করে তবে,তাৎক্ষণিক তার বিলুপ্তি ঘটবে। তাহলে ধর্মগুলো কি শুধুমাত্র মানুষের বিশ্বাসের উপর নির্ভরশীল নয়? একমাত্র মানুষের বিশ্বাস ব্যতীত ধর্মের আলাদা কি কোনো অস্তিত্ব আছে?

শুধু ধর্ম কেন,সব মতবাদের ক্ষেতরেই কি একই কথা প্রযোজ্য নয় কি?মানুষ সমাজতন্ত্রের জন্য প্রান দিয়েছিল।আজ অনেক দেশেই সমাজতন্ত্র মানুষেরট মুক্তি দিবে সে বিশ্বাস থেকে মানুষ সরে এসেছে।অতীতে এমনি অনেক মতবাদ একসময় মানুষের আস্থা কুড়ালেও আরেকসময় তার উপর মানুষের বিশ্বাস বিলীন হয়ে যাওয়ায় সেগুলো হারিয়ে গেছে কালের গর্ভে।

ধর্ম একটি ধারনা।মানুষের বিশ্বাস আর জীবনে তার অনুসরনের মধ্য দিয়েই তা বেচে থাকে,অন্যথায় হারিয়ে যায়।ঠিক যেমন থাকে আর অন্য সব মতবাদ,ধারনা আর নীতি।

যুক্তির সাথে বিশ্বাসের সম্পর্ক ঠিক যেন পরস্পর বিপরীতমুখী; কেননা বিশ্বাসের প্রশ্ন তখনই আসে যখন তার সম্পর্কে সন্দেহের অবকাশ থাকে এবং যুক্তির সাহায্যে প্রমাণ সম্ভব হয় না।

আরেকটু যোগ করি।যেটি স্বতসিদ্ধ তা নিয়ে যুক্তি দেয়ার কিছু নেই।যেমন আকাশের সুর্য।তবে, যা নিয়ে সন্দেহের অবকাশ থাকে তা প্রমানের বেলায় আসে যুক্তির বিষয়।একপক্ষ যুক্তি মেনে নিয়ে তাতে বিশ্বাস করে,অন্যরা করে অবিশ্বাস।যদি বিষয়টা সম্পুর্ন রুপে প্রমানিত হয়ে থাকে এবং কোন সন্দেহের উর্দ্ধে থেকে থাকে তবে তাতে যুক্তির কি প্রয়োজন?

বিশ্বাসীরা আসলে ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে বলতে চান - “ঈশ্বর ছাড়া সব কিছুর পেছনে কারণ আছে”। কিভাবে বুঝব যে এটি স্বতঃসিদ্ধ? কারণ ছাড়া কোনো কিছুর অস্তিত্ব যখন বিশ্বাসীরা স্বীকার করে নিয়েছেনই, তখন ‘ঈশ্বর’ পর্যন্ত যাওয়া কেন, বিশ্বজগতে এসেই বা আমরা থেমে যাই না কেন?

বিশ্বাসীরা বিশ্বাস করেন স্রষ্টারও কোন স্রষ্টা থাকার প্রশ্ন অবান্তর,যেমন কোন পুরুষের বাচ্চা জন্মদানের বিষয়টি অযৌক্তিক।সৃষ্ট বস্তুর স্রষ্টা থাকতে হয়,স্রষ্টার নয়।

But if we stop, and go no farther, why go so far? Why not stop at the material world?

এতেই কি সমস্যার সমাধান হয়?বস্তুর চিন্তা করার কোন ক্ষমতা নেই।তাহলে কি করে বলি কোন বস্তু কোন মহাশক্তিসহালী স্রষ্টার সুনিপুন পরিকল্পনার অবর্তমানে একা একাই নিজেকে এত সুন্দর করে সাজাল?এই যে পৃথিবীর আন্হিক গতি,বার্ষিক গতি..সুর্যকে কেন্দ্র করে জটিল হিসাব মাফিক তার ঘুর্নন..মাটির নিছ থেকে রস নিয়ে বৃক্ষের জীবনধারন এমনি এমনিই হয়েছে?

যখন মারামারির কারণে গাড়ির কাচ ভেংগে যায়,সে কাচ কি কোন কাজে লাগানো জায় তাৎক্ষনিকভাবে?মহাবিশ্ব যদি নিজে নিজেই এক বিস্ফোরনের মধ্যমে সৃষ্টি হয়,তবে এতটা কার্যকর ও সুনিয়ন্ত্রিত সিষ্টেমে কি করে আসলো যাতে জীবের জীবন ধারনের অনুকুল পরিবেশ সৃষ্টি হল?বর্তমানে কেন তেমন কোন কিছু আমরা দেখিনা?

ইবনে ওয়ারাক তাঁর ‘Why I am Not a Muslim’ গ্রন্থে হালকা রসিকতা করে বলেন, পলিথিইজম থেকে মনোথিইজমে আসতে যেমন বহু ‘গড’কে ছেঁটে ফেলা হয়েছে তেমনি কালের পরিক্রমায় মনোথিইজম থেকে এথিজমে উত্তরণের জন্য ভবিষ্যতে বাকী একটি ‘গড’কেও ছেঁটে ফেলা হবে।

সৃষ্টির শুরু থেকেই মনোথিইজম ছিল,পোরে কালের বিবর্তনে বিভিন্ন মানুষের বিশ্বাসে মোনোথেইজম প্রবেশ করে।(আমার মতে) আদিতে ফেরেস্তাদের ক্রিয়াকর্মের কাহিনী কালের পরিক্রমায় দেবত্বে রুপ নিয়েছে।সুতরাং এখানে এক অনয়ের বিবর্তনের ফলাফাল বলে আমার মনে হয়না।

তবে রসিকতাটা চমৎকার মানতেই হবে।

আরেকটি কথা,আমরা সাধারণত বলে থাকি স্রষ্টাই আমাদের সৃষ্টি করেছেন। আমরা বেমালুম ভুলে যাই যে, আমরা নর ও নারীর (পিতা-মাতা) মাধ্যমে জৈবিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে জন্মগ্রহণ করেছি। আমাদের জন্ম সম্পূণই তাদের (পিতা-মাতা) ইচ্ছার উপর নির্ভরশীল ছিল।

এখানে দেখুন


তিনি খুশি হন, রাগ করেন, দেখেন, শোনেন, বুঝেন। বলা হয় তিনি নিরাকার। আবার তাঁর নূর বা জ্যোতি রয়েছে!

আমরা বাংলা ভাষীরা যখন,ইংরেজীভাষীদের সাথে কথা বলি তখন "পানিকে" বলি "ওয়াটার"।কেউ যখন কোন বক্তব্য দেয় তখন উদ্দিষ্ট গোষ্ঠির বোধগম্য করেই তা উপস্থাপন করে।আমাদের মত করে সৃষ্টিকর্তার কোন শরীর নেই।শরীর না থাকা সত্বেও সমস্ত কিছুর জ্ঞান তার আয়ত্বাধীন।এই বিষয়কে মানুষের বোধগম্য করে তুলার জন্যই এই ভাষার ব্যবহার।

এছাড়া স্রষ্টার দুটি গুণ অসীম দয়ালু ও ন্যায়বিচারক পরস্পরবিরোধী। যিনি ন্যায়বিচারক, তিনি দয়ালু হন কিভাবে আর যিনি দয়ালু, তিনি ন্যায়বিচারক হন কিভাবে?

এ দুটোর মাঝে ফারাক কোথায় ধরতে পারিনি।আইনের ছাত্র হিসেবে জানি একজন বিচারককে যেমন ন্যয়বিচারক হতে হয়,তেমনি হতে হয় অপরাধী হলেও মানুষ হিসেবে তার প্রতি মমতাবান।কোন বিচারকের যদি মানুষের প্রতি মমতা না থাকে তবে তিনি তার রাগ থেকে এমন রায় দিয়ে বসতে পারেন যা অমানবিক।

স্রষ্টা দয়ালু কারন তিনি মানুষের শত অন্যয় দেখেও সাথে সাথে সব কিছুর জন্য শাস্তি প্রয়োগ করেননা,তাকে সুযোগ দেন,আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাইলে সব বিবেচনা সাপেক্ষে ক্ষমাও করতে পারেন।ন্যয়বিচারক কারন মানুষের সকল কর্মের আলোকে তার যথাযথ বিচার করবেন।এই পৃথিবীতে মানুষের পক্ষে সবসময় চাইলেও ন্যয়বিচার করা সম্ভব হয়না।কারন একটি ঘটনার সার্বিক দিক তার জানা নেই,কিন্তু স্রষ্টার জন্য যা মোটেও অজানা নয়।

যিনি মানুষকে অনন্তকাল আগুনে পোড়ানোর শাস্তি দিতে পারেন তাকে আর যা হোক শুভ কিছু বলে মানতে আমার আপত্তি আছে

হিটলার,মুসিলিনি কিংবা বুশ...সহ আরো অসংখ্য রাষ্ট্র নেতা যাদের অংগুলি হেলনে শত শত জনপদ ধবংস হয়েছে,যাদের কারনে কোটি কোটি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদের জন্য একটা ফাসি কি যথেষ্ট?অনন্তকাল আগুনে পোড়ানো তাদের জন্য খুব বেশী হয়ে যায়?আপনি হলে তাদের জন্য কি শাস্তি রাখতেন?

ঈশ্বরের অস্তিত্বের দাবী যেহেতু ঈশ্বরবাদীরাই করেন তাই ঈশ্বরকে বোধগম্য করে তোলা, সংজ্ঞায়িত করা এবং প্রমাণ করা তাদেরই দায়িত্ব

সে আলোচনা বহুকাল আগ থেকেই চলছে,চলবে পৃথিবীর শেষদিন পর্যন্ত।(এমন আলোচনা আপনার নজরে আসেনি,এমন নিশ্চয়ই নয়)অনেকেই তাতে সন্তুষ্ট হয়েছেন,অনেকেই হননি।পৃথিবীতে সব মানুষ কোন বিষয়ে এক হয়ে গেছে এমন জিনিস খুব কমই আছে।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ৯:৫৮
৩টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিলিয়নিয়ার রবিন খুদা ও আমাদের জাতীয় অগ্রাধিকার

লিখেছেন জুয়েল তাজিম, ০৯ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:৩০

বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে জরুরি বিষয় কী?

কর্মসংস্থান? না।

বিনিয়োগ? না।

ডলার সংকট? না।

গার্মেন্টস খাতে ছাঁটাই? না।

ব্যাংকিং খাতের আস্থা সংকট? না।

সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো— কোনো অনুষ্ঠানে জুলাই চেতনা কত মিলিলিটার ঢুকেছে, কে কতবার উচ্চারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×