আমার প্রিয় পোস্ট
- ব্যোমকেশ সমগ্র- (৩০টি রহস্যগল্পের ডাউনলোড লিঙ্ক / রহস্য প্রেমিদের অবশ্য পাঠ্য) - জাহাজী পোলা
- চলেন এইবার নেট থেকে কিভাবে ফ্রী কল করা যায় সেইটা হ্যাক করি - হাসান জোবায়ের
- Windows XP সেটাপ করুন USB পেন ড্রাইভ থেকে - মুস্তাফিজুর রহমান (মুন্না)
- কয়েকটি লিংক ; আপনার কাজে লাগতে পারে। - আজাদ আল্-আমীন
- Dan Brown এর সাম্প্রতিকতম উপন্যাস The Lost Symbol (PDF ডাউনলোড + বোনাস আগের ৪টি উপন্যাস) - নাফিস ইফতেখার
- বাংলাদেশে এল নতুন প্রতারক : UNIPAY2U.COM - ইউেক
- ওয়েস্টার্ন মুভিময় ব্লগ! - দ্যা ডক্টর
- ফটোশপে পাসপোর্ট এবং স্ট্যাম্প সাইজের ছবি (পাসপোর্ট প্রতি ছবি প্রিন্টের খরচ ১ টাকা ১৬পয়সা এবং স্ট্যাম্প ২৯ পয়সা !!) - রিডার ওয়ান
- ডেসটিনির গাছে সোনার কাঁঠাল এবং আবুল ভাইয়ের তৈলাক্ত গোঁফ্ - স্তব্ধতা'
- হলুদ হিমু দাড়িওয়ালা গো আজম।
- আলিম আল রাজি
- DOI : ২ টি মেসেজ , নাম মুজিবের , ব্যক্তিটি কে ? - দাসত্ব
- DOI : ২ টি টেলিফোন , রাত ১২-১.০০ টা , শেখ মুজিবের ট্রু লাইস : মার্চ ২৬ - দাসত্ব
- অফেন্ডিং শেখ মুজিব-১ : ২৫ মার্চ , ১৯৭১ , টাইম ম্যাগাজিনের অদ্ভুত তথ্য - দাসত্ব
- ইভোনি-ফ্রি ফর এভার (রিভিউ) --বাংলাদেশে বসে খেলুন বিশ্বের হাজার হাজার সত্যিকারের খেলোয়ারের সাথে!!!না খেললে খুব পস্তাইবেন
- স্বপ্নীল আহমেদ
জিয়া, ৭ই নভেম্বর ও একান্তই আমার ভাবণা
০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:১৯
আমাদের গ্রামে একটা কথার প্রচলন খুব বেশি। সেটা হচ্ছে, ”ছুটে যাওয়া মাছ বড়ই হয়।” সেকারনেই হয়ত আমরা বার বার আফসোস করি। ইস! যদি এমনটা না হত, আমরা কত এগিয়ে যেতাম। ইস! যদি বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা না হত, আমরা এশিয়ার সুপার পাওয়ার হতে পারতাম। ইস! যদি জিয়া ক্ষমতা দখল না করত, আমরা ৩০ বছর এগিয়ে থাকতাম। ইস! যদি ১/১১ না ঘটত, আমরা ২০ বছর পিছিয়ে যেতাম না। আরও কত কি? কিন্তু, বাস্তবতা হচ্ছে, সময় থেমে থাকে না। সব কিছু ঘটে গেছে। এখন ইস বলে কি হবে?
আমি যখন খুব ছোট, তখন আমাদের বাড়িতে বিনোদনের মাধ্যম বলতে একটা মাত্র ক্যাসেট প্লেয়ার ছিল। সকাল বেলা ঘুম ভাঙ্গত বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষন শুনে অথবা ”যদি রাত পোহালে শোনা যেত........” টাইপ গান গুলো শুনে। ৭ই মার্চের ভষন বোঝার ক্ষমতা আমার ছিল না। আবার বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে লেখা গানগুলোর তুলনায় আমার কাছে হিন্দী সিনেমার ধুম ধামাকা গানগুলো অনেক আকর্ষনীয় ছিল। তাই একদিন বিরক্ত হয়ে ছোট চাচার কাছে জানতে চেয়েছিলাম, ”এগুলো কি শোনেন?” চাচা বলেছিল, ”বড় হলে বুঝতে পারবি। তিনি একজন মহান নেতা ছিলেন। তার জন্যই আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি।” ”তিনি মহান নেতা ছিলেন”। এই কথাটা আমার মনের মাঝে গেথে গিয়েছিল। আমি সবসময় আমার সকল জ্ঞান বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করতাম। এই জ্ঞান টুকও শেয়ার করতে গেলাম। শুনে ফেললেন আমার এক বন্ধুর বড় ভাই। কাছে ডাকলেন। তারপর বললেন, ”বঙ্গবন্ধু কি জিনিস, তুই বুঝবি কি করে? তোর তো জন্মই হল সে দিন। আমরা দেখেছি বঙ্গবন্ধুকে। মুক্তিযুদ্ধের আগ পর্যন্ত। তারপর ৭২ থেকে দেখেছি শাষক মুজিব কে। বড় হ। ৭২এর পরের ইতিহাস জানার চেষ্টা কর । তখন বুঝবি।” আমার মাথায় ঢোকেনি। ভেবেছিলাম, ৭২ এর পরে বঙ্গবন্ধু আরো ভাল কাজ করেছিল।
একটা কথা বলা দরকার। ৯০ এর আন্দোলনের পর খালেদা জিয়া ক্ষমতায় এলেন। আমার এখনও মনে আছে, আব্বার মুখে এই খবর শুনে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে গিয়ে তাদের বলেছিলাম ”শুনছিস, খালেদা জিয়া এরশাদ হইছে।” রাস্ট্র, রাস্ট্রপ্রধান সম্পর্কে আমার তখনও এই ধারণা ছিল। অল্প কয়েকদিন পরেই বুঝতে পাররাম, খালেদা জিয়ার এরশাদ হওয়ার ঘটনা আমার জন্য সুখকর নয়। কারন, আমার নাম ”জিয়া”। ”জিয়াউর রহমান”। সবাই আমাকে ”খালেদা জিয়ার স্বামী বলে ক্ষেপাতে লাগল।” মেজাজ টা খারাপ হয়ে গেল। কিছুতেই বুঝতে পালাম না, ”আওয়ামী সমার্থক একটা পরিবারের ছেলের নাম জিয়া রাখা হল কি মনে করে?” পরে জানতে পারলাম, নামটা আমার দাদী রেখেছে। একটা পাড়াগায়ের অশিক্ষিত গ্রাম্য বধু তার প্রথম নাতীর নাম জিয়া কেন রাখল সেটা ব্যাখ্যা করতে ইচ্ছা করছে না। তবে শুধু এইটুক বলতে চাই, ”প্রেসিডেন্টের নামের সাখে নাম মিলিয়ে রাখার জন্য নয়। কারন, আমার জন্মের ৩ বছর আগেই রাষ্ট্রপতি জিয়া নিহত হয়েছিলেন।”
সেখান থেকেই জিয়া নামটার প্রতি দুর্বলতা চলে এল। জানতে চাইলাম জিয়া সম্পর্কে। কতটুক জেনেছি বলতে পারব না। তবে সামনে যে বইই পেয়েছি পড়েছি। যতটা সম্ভব জেনেছি বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে। জেনেছি কর্নেল তাহের সম্পর্কে। জানতে পারিনি সিরাজ শিকদার সম্পর্কে।
সামুতে এসে নতুন কিছু জানলাম। সেই নতুন তথ্য গুলোই লিখছি-
জিয়া খুবই নিষ্ঠুর শাষক ছিল। উদাহরণ হিসাবে কর্ণেল তাহেরের ফাসি আর ৭৭ এর বিদ্রোহের পর সামরিক আইনে যে বিচার হয়েছিল সেটাকেই তুলে ধরা হয়। আমি এই দুইটা ঘটনা ছাড়া আর নিষ্ঠুরতার প্রমাণ পেলাম না সামুতে। কেউ জানলে দয়া করে বলবেন।
জিয়া কোন সম্মুখ যুদ্ধে অংশ নেয় নাই। তবুও বীর উত্তম খেতাব পেয়েছে।
৭ নভেম্বরে দেখলাম, ৭ই নভেম্বর বাঙ্গালীর জীবনে একটা কালো দিন। যেহেতু জিয়া ৭ই নভেম্বরের সুবিধা ভোগী, অতএব সেও অপরাধী।
আরও অনেক কিছু। এই মুহর্তে মনে আসছে না।
”জোড় যার মুল্লুক তার”। কথাটা মনে হয় একটু বদলে দেয়া দরকার। আসলে হওয়া উচিৎ ”চাপার জোড় যার, মুল্লুক তার”। ২০০৯ সালে কেউ যদি চাঁদাবাজী, দখল বাজী, টেন্ডার বাজীর সাথে আরও কোন শব্দ যুক্ত করতে চায় তবে সেটা নিসন্দেহে ”চাপাবাজী” হওয়া উচিৎ।
একটা ভাল কাজ কি সবারই ভাল লাগবে? মনে হয় না। কারো না কারো খারাপ লাগবেই। একই ভাবে একটা খারাপ কাজও অনেকের আল লাগতে পারে। পুরো বিষয়টা হচ্ছে দেখার দৃষ্টি ভঙ্গীর উপর নির্ভর করে। যে কোন একটা সাধারণ ঘটনা থেকে যদি কেউ লাভবান হয় তবে সেই সাধারণ ঘটনাই তার কাছে অনেক ভাল কাজ হিসাবে গন্য হবে। আবার কেউ যদি ক্ষতিগ্রস্ত হয় তবে তার কাছে একই ঘটনা খারাপ কাজ মনে হবে। তারমানে ভাল মন্দ বিষয়টা আসলে আপেক্ষিক। অন্তত আমার কাছে তাই মনে হয়। তাহলে ভাল মন্দ বিচার করার পদ্ধতী কি? অধিকাংশ মানুষ যেটাকে খারাপ বলবে সেটা খারাপ, আর অধিকাংশ মানুষ যেটাকে ভাল বলবে সেটা ভাল। তাইতো হওয়া উচিৎ, তাই নয় কি? কিন্তু এর ব্যতিক্রম কি হতে পারে না? অবশ্যই পারে। একটা দলে যদি চাপাবাজের সংখ্যা বেশি থাকে তবে সেই দল খারাপ কাজকেও চাপাবাজীর দ্বারা ভাল প্রমাণ করতে পারে। আবার ভাল কাজকেও খারাপ। যার উদাহরণ- সামহোয়াই ইন।
জিয়া ভাল না কি খারাপ ছিল সেটা বিচার করার ক্ষমতা আমার নাই। কারন, কতটুকই বুঝি। কিন্তু খারাপ লাগে যখন দেখি এসির হাওয়ার বসে নরম তুলতুলে শরীর নিয়ে কেউ সামরিক বাহিনীর সমালোচনা করে। তারা করতেই পারে। কারন, তারা মহাজ্ঞানী। জ্ঞান বিজ্ঞানের এমন কোন শাখা নেই যেটা সম্পর্কে তারা জানে না। আফসোস হয় এই কারণে যে, এত কিছু জানার পরও তারা দেশের জন্য কিছুই করতে পারল না। ব্লগ লিখে আর চাপাবাজীর মাঝেই তাদের দেশ উদ্ধার সীমাবদ্ধ।
সমস্যাটা কোথায়? জিয়া কি কোন ভাল কাজ করতে পারে নাই? নাকি, জিয়া শুধু জিয়া নয়। জেনারেল জিয়া। এটাই তার অপরাধ। আমার ধারণা, শুধু জেনারেল জিয়া হওয়াটাই অপরাধ। তা না হলে এই চাপাবাজের দল ৭২-৭৫ এর শাষন আমলেও ভাল কিছু খুজত না। আমি বঙ্গবন্ধুর সাথে জিয়ার তুলনা করতে চাই না। করার সাহসও আমার নাই।
সবার কি ফুলবাড়ির ঘটনা মনে আছে? কিম্বা কানসাটের ঘটনা? কি ঘটেছিল? বিক্ষুব্ধ মানুষ তাদের সর্ব্বোচ্চ অস্ত্র লাঠি হাতে বেড়িয়ে এসেছিল। মনে করুনতো, বিক্সুব্ধ মানুষগুরো আমাদের সেনা বাহিনীর সদস্যরা। যে কোন কারনে তারা অসন্তুষ্ট হয়ে বের হয়ে এসছে। তার কি লাঠি হাতে বের হত? নাকি আগ্নেয়াস্ত্র হাতে? ভুলে যান নাই নিশ্চই ২৫শে ফেব্রুয়ারীর কখা। আপনাদের ভাষ্য অনুশারে দুই চোরের (!) মালামাল ভাগাভাগি নিয়ে লড়াই এ নিহত ৬৪ জন। আর যদি অস্ত্র হাতে বের হয়েই পরে, নিহতের সংখ্যা কত হতে পারে? এখন দুইটা অপশন। হয় কোন অস্ত্রধারী বাহিনীর প্রয়োজন নেই। অথবা তাদের তুষ্ট রাখতে হবে। মানুষের চাহিদার শেষ নেই। তাদের তুষ্ট রাখবেন কি করে? এক সময় না এক সময় তার অসন্তুষ্ট হয়েই উঠবে। তখন আপনি কি করবেন? আপনাকে অবশ্যই কঠোর শাসনেও রাখতে হবে। এই কঠোর শাসনে রাখার জন্যই কঠোর সেনা আইন। যেটা আপনাদের কাছে মানবাধিকার লঙঘন। যদি বোঝার ক্ষমতা থাকে তবে বুঝে নেন, সেনা আইনে বিদ্রোহীদের ফাসী দিয়ে জিয়া কোন অন্যায় করেছিল কি না। তারপরও যদি মনে হয় অন্যায় করেছিল, তবে জিয়া নয় সেনা আইনের বিরুদ্ধে লিখুন। সেনা বাহিনীর বিরুদ্ধে লিখুন। অথবা, সেনাবাহিনীর অফিসার হিসাবে যোগ দিন। দেখা যাবে, কয়দিন মানবাধিকারের বুলি আওরাতে পারেন।
জিয়া সম্মুখ যুদ্ধে অংশ নেয় নাই। ভাল কথা। তারপরও সে বীর উত্তম। তাইলে ভাই, জেনারেল ওসমানীর কি অপরাধ ছিল? সে কেন কোন খেতাব পেল না? মাথায় আসতেছে না। আমার ছোট মাথাতো, তাই অনেক কিছু বুঝি না। আমি এতদিন জানতাম, যুদ্ধের রণ কৌশল তৈরি করাও এক ধরনের যুদ্ধ। পাকিস্তানের কারগারে থাকা শেখ মুজিব কে আমারা মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক মানলেও একজন সেক্টর কমান্ডার, পরবর্তীতে একটা ফোর্সের অধিনায়ক যুদ্ধ করেছিলেন, নাকি করেন নাই সেটা নিয়ে আমরা সন্দিহান।
৭ই নভেম্বর ১৯৭৫। আমরা কয়েকটা যদি নিয়ে চিন্তা করি। যদি জিয়া কর্ণেল তাহেরের কথা মেনে নিত এবং কর্ণেল তাহেরে স্বপ্নের সমাজতান্ত্রীক বাংলাদেশ গড়ত তবে নিশ্চই বাংলাদেশ ৫০ বছর এগিয়ে থাকত। তাহলে আজ যারা খালেদ মোশাররফরে হত্যার বিচার চাইছেন, তারা কার বিচার চাইতেন? জিয়ার নাকি তাহেরের? আর কর্ণেল তাহেরে স্বপ্নের সমাজতান্ত্রীক বাংলাদেশ গড়লেই যে বাংলাদেশ সফল হত তার নিশ্চয়তা কোথায়? আজকের ২০০৯ সাল দেখুন, কর্ণেল তাহেরের সমাজতান্ত্রীক আদর্শের সব সৈনিক তাদের আদর্শ বিকিয়ে দিয়ে আওয়ামী ছাতার নিচে ঠাই নিয়েছে। যে জাসদ ছিল আওয়ামীলীগের একমাত্র প্রতিদ্বন্দী, তার আজ আওয়ামী সুরেই গান গাইছে। যে আদর্শ থেকে তাদের অনুশারীরাই সরে দাড়িয়েছে, সেই আদর্শ কিভাবে দেশ রক্ষা করত সেটা বুঝতে পারছি না। তারপরও কর্ণেল তাহের হিরো। কারন, ”ছুটে যাওয়া মাছ বড়ই হয়”।
ধণ্য ছুটে যাওয়া মাছ গুলো। ধণ্য ধণ্য ধণ্য.................
প্রকাশ করা হয়েছে: বিবিধ বিভাগে । বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
মইনুল িমঠু বলেছেন:
জোস
লেখক বলেছেন: ধণ্যবাদ, কষ্ট করে এত বড় লেখা পড়ার জন্য।
মনসুর খালিদ বলেছেন:
খুব সুন্দর উপস্থাপনা.............................
লেখক বলেছেন: ধণ্যবাদ, কষ্ট করে এত বড় লেখা পড়ার জন্য।
রাফাত সাদাত বলেছেন:
ব্যাপক পোষ্ট দিছেন ভাই। নির্দ্বিধায় প্লাস।
বাবু>বাবুয়া>বাবুই বলেছেন:
জাসদের চামড়ায় কণা পরিমান লজ্জা থাকলে মহাজোটে যেত না। তানোর হত্যা দিবস এখনও পালিত হয় আর বামপন্থিরা তাদেরই হত্যাকারীদের সাথে সরকারে বসে।
লেখক বলেছেন: লজ্জা! কোন রাজনীতিবিদের আছে নাকি?
আহমেদ বুলবুল পাখিবেস্ট বলেছেন:
আজ আমাদের সত্য বলার সত সাহস হয়েছে, ইতিহাস সর্বদা সত্য। বেইমানকে মানুষ একদিন বেইমান হিসেবে জানবে।।।
লেখক বলেছেন: ইতিহান আপনি জানবেন কি করে? সবাই নিজের মত করে ইতিহাস লেখে।
মুখ ও মুখোশ বলেছেন:
আওয়ামীলীগ হচ্ছে চরিত্র বদলের মেশিনএখানে ঢুকলে------
রাজাকার হয়ে যায় সাচ্চা মুক্তিযোদ্বা
সন্ত্রাসী হয়ে যায় জনদরদী
ঘুষখোর, কালোবাজারী হয়ে যায় দেশপ্রেমিক
মদখোর হয়ে যায় সমাজসেবী
শত্রু হয়ে যায় একনিষ্ট মিত্র
৭৫ পূর্ববর্তী শেখ মুজিবের লাল ঘোড়া দাবড়ানো ইনু, মেননরা যে রকম ভুলে গেছে তেমনি ইনু, মেনন দের মুজিব বিরোধী তৎপরতা ও ষড়যন্ত্রও আওয়ামীলীগ ভুলে গেছে। ক্ষমতার লোভে নিজের বাপের পরিচয়ও ওরা ভুলে যেতে পারবে। নিজেদের স্বার্থের জন্য দেশ বিক্রী করতেও ওদের কোন কুন্ঠাবোধ হবে না।
জিয়া একটি দেশপ্রেমিকের নাম, জিয়া একটি সফল রাষ্ট্রনায়কের নাম জিয়া একটি সততার নাম। জিয়া তোমায় লক্ষ কোটি সালাম।
অামি যতদুর জানি কর্ণেল তাহেরের নেতৃত্বে জিয়াকে মুক্ত করা হয়েছিল।
অারমান বলেছেন:
সাতই নভেম্বর সম্পর্কে এ যাবৎ যেসব লেখালিখি পড়েছি তার অধিকাংশই দলবাজি বয়ান, অর্থাৎ প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে বিষোদগার ও নিজেদের সাফাই গাইবার জন্য বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের বয়ান। আরেকটি ধারা আছে, একে বলা যায় ‘ষড়যন্ত্র’ বা দস্যু মোহনের রহস্য সিরিজ মার্কা কেচ্ছা। কে কার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে, কে কার গোয়ালে ধোঁয়া দিচ্ছে এই সব। এই ধরনের লেখালিখির মধ্যে কখনই একটি জনগোষ্ঠী কিভাবে ইতিহাসের নানান উথান-পতনের মধ্য দিয়ে নিজেদের সম্পর্কে সচেতন হয়ে ওঠে কিম্বা নিজেদের শত্রুমিত্র বুঝে নিতে পারে তার কোন দিকনির্দেশনা তো থাকেই না, এমনকি ইঙ্গিত-ইশারাও থাকে না। বিশেষত বর্তমান বিশ্বব্যবস্খার যে চরিত্র ও গতিপ্রকৃতি তার মধ্যে বাংলাদেশের টিকে থাকার রণনীতি ও রণকৌশল কী হতে পারে তার কোন হদিস আমরা এইসব লেখালিখির মধ্যে পাই না। বরং দলবাজি বকোয়াজগিরি সমাজকে যেভাবে বিভক্ত করে ও রাজনৈতিক মেরুকরণ ঘটায়, তার ফলে বাংলাদেশের খোদ অস্তিত্বই বিপন্ন হয়ে পড়ে। Click This Link
ধীবর বলেছেন:
লেখকের এই লেখা এই প্রথম পড়লাম। খুবই ভালো এই জেনে যে, তিনি প্রশ্নের সন্ধান করেছেন। জ্ঞানার্জনের অবশ্য ধাপ যেটা। তাই তার এই শুভ পথে শুভ কামনা থাকলো। এবং তিনি লেখা চালিয়ে যাবেন, সে প্রত্যাশাটা অবশ্যই থাকলো। প্লাস।
লুৎফুল কাদের বলেছেন:
বাবু>বাবুয়া>বাবুই বলেছেন:জাসদের চামড়ায় কণা পরিমান লজ্জা থাকলে মহাজোটে যেত না। তানোর হত্যা দিবস এখনও পালিত হয় আর বামপন্থিরা তাদেরই হত্যাকারীদের সাথে সরকারে বসে।
+ On your post.
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...














