somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

জিয়া, ৭ই নভেম্বর ও একান্তই আমার ভাবণা

০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:১৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমাদের গ্রামে একটা কথার প্রচলন খুব বেশি। সেটা হচ্ছে, ”ছুটে যাওয়া মাছ বড়ই হয়।” সেকারনেই হয়ত আমরা বার বার আফসোস করি। ইস! যদি এমনটা না হত, আমরা কত এগিয়ে যেতাম। ইস! যদি বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা না হত, আমরা এশিয়ার সুপার পাওয়ার হতে পারতাম। ইস! যদি জিয়া ক্ষমতা দখল না করত, আমরা ৩০ বছর এগিয়ে থাকতাম। ইস! যদি ১/১১ না ঘটত, আমরা ২০ বছর পিছিয়ে যেতাম না। আরও কত কি? কিন্তু, বাস্তবতা হচ্ছে, সময় থেমে থাকে না। সব কিছু ঘটে গেছে। এখন ইস বলে কি হবে?

আমি যখন খুব ছোট, তখন আমাদের বাড়িতে বিনোদনের মাধ্যম বলতে একটা মাত্র ক্যাসেট প্লেয়ার ছিল। সকাল বেলা ঘুম ভাঙ্গত বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষন শুনে অথবা ”যদি রাত পোহালে শোনা যেত........” টাইপ গান গুলো শুনে। ৭ই মার্চের ভষন বোঝার ক্ষমতা আমার ছিল না। আবার বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে লেখা গানগুলোর তুলনায় আমার কাছে হিন্দী সিনেমার ধুম ধামাকা গানগুলো অনেক আকর্ষনীয় ছিল। তাই একদিন বিরক্ত হয়ে ছোট চাচার কাছে জানতে চেয়েছিলাম, ”এগুলো কি শোনেন?” চাচা বলেছিল, ”বড় হলে বুঝতে পারবি। তিনি একজন মহান নেতা ছিলেন। তার জন্যই আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি।” ”তিনি মহান নেতা ছিলেন”। এই কথাটা আমার মনের মাঝে গেথে গিয়েছিল। আমি সবসময় আমার সকল জ্ঞান বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করতাম। এই জ্ঞান টুকও শেয়ার করতে গেলাম। শুনে ফেললেন আমার এক বন্ধুর বড় ভাই। কাছে ডাকলেন। তারপর বললেন, ”বঙ্গবন্ধু কি জিনিস, তুই বুঝবি কি করে? তোর তো জন্মই হল সে দিন। আমরা দেখেছি বঙ্গবন্ধুকে। মুক্তিযুদ্ধের আগ পর্যন্ত। তারপর ৭২ থেকে দেখেছি শাষক মুজিব কে। বড় হ। ৭২এর পরের ইতিহাস জানার চেষ্টা কর । তখন বুঝবি।” আমার মাথায় ঢোকেনি। ভেবেছিলাম, ৭২ এর পরে বঙ্গবন্ধু আরো ভাল কাজ করেছিল।

একটা কথা বলা দরকার। ৯০ এর আন্দোলনের পর খালেদা জিয়া ক্ষমতায় এলেন। আমার এখনও মনে আছে, আব্বার মুখে এই খবর শুনে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে গিয়ে তাদের বলেছিলাম ”শুনছিস, খালেদা জিয়া এরশাদ হইছে।” রাস্ট্র, রাস্ট্রপ্রধান সম্পর্কে আমার তখনও এই ধারণা ছিল। অল্প কয়েকদিন পরেই বুঝতে পাররাম, খালেদা জিয়ার এরশাদ হওয়ার ঘটনা আমার জন্য সুখকর নয়। কারন, আমার নাম ”জিয়া”। ”জিয়াউর রহমান”। সবাই আমাকে ”খালেদা জিয়ার স্বামী বলে ক্ষেপাতে লাগল।” মেজাজ টা খারাপ হয়ে গেল। কিছুতেই বুঝতে পালাম না, ”আওয়ামী সমার্থক একটা পরিবারের ছেলের নাম জিয়া রাখা হল কি মনে করে?” পরে জানতে পারলাম, নামটা আমার দাদী রেখেছে। একটা পাড়াগায়ের অশিক্ষিত গ্রাম্য বধু তার প্রথম নাতীর নাম জিয়া কেন রাখল সেটা ব্যাখ্যা করতে ইচ্ছা করছে না। তবে শুধু এইটুক বলতে চাই, ”প্রেসিডেন্টের নামের সাখে নাম মিলিয়ে রাখার জন্য নয়। কারন, আমার জন্মের ৩ বছর আগেই রাষ্ট্রপতি জিয়া নিহত হয়েছিলেন।”

সেখান থেকেই জিয়া নামটার প্রতি দুর্বলতা চলে এল। জানতে চাইলাম জিয়া সম্পর্কে। কতটুক জেনেছি বলতে পারব না। তবে সামনে যে বইই পেয়েছি পড়েছি। যতটা সম্ভব জেনেছি বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে। জেনেছি কর্নেল তাহের সম্পর্কে। জানতে পারিনি সিরাজ শিকদার সম্পর্কে।


সামুতে এসে নতুন কিছু জানলাম। সেই নতুন তথ্য গুলোই লিখছি-
জিয়া খুবই নিষ্ঠুর শাষক ছিল। উদাহরণ হিসাবে কর্ণেল তাহেরের ফাসি আর ৭৭ এর বিদ্রোহের পর সামরিক আইনে যে বিচার হয়েছিল সেটাকেই তুলে ধরা হয়। আমি এই দুইটা ঘটনা ছাড়া আর নিষ্ঠুরতার প্রমাণ পেলাম না সামুতে। কেউ জানলে দয়া করে বলবেন
জিয়া কোন সম্মুখ যুদ্ধে অংশ নেয় নাই। তবুও বীর উত্তম খেতাব পেয়েছে।
৭ নভেম্বরে দেখলাম, ৭ই নভেম্বর বাঙ্গালীর জীবনে একটা কালো দিন। যেহেতু জিয়া ৭ই নভেম্বরের সুবিধা ভোগী, অতএব সেও অপরাধী।
আরও অনেক কিছু। এই মুহর্তে মনে আসছে না।

”জোড় যার মুল্লুক তার”। কথাটা মনে হয় একটু বদলে দেয়া দরকার। আসলে হওয়া উচিৎ ”চাপার জোড় যার, মুল্লুক তার”। ২০০৯ সালে কেউ যদি চাঁদাবাজী, দখল বাজী, টেন্ডার বাজীর সাথে আরও কোন শব্দ যুক্ত করতে চায় তবে সেটা নিসন্দেহে ”চাপাবাজী” হওয়া উচিৎ।

একটা ভাল কাজ কি সবারই ভাল লাগবে? মনে হয় না। কারো না কারো খারাপ লাগবেই। একই ভাবে একটা খারাপ কাজও অনেকের আল লাগতে পারে। পুরো বিষয়টা হচ্ছে দেখার দৃষ্টি ভঙ্গীর উপর নির্ভর করে। যে কোন একটা সাধারণ ঘটনা থেকে যদি কেউ লাভবান হয় তবে সেই সাধারণ ঘটনাই তার কাছে অনেক ভাল কাজ হিসাবে গন্য হবে। আবার কেউ যদি ক্ষতিগ্রস্ত হয় তবে তার কাছে একই ঘটনা খারাপ কাজ মনে হবে। তারমানে ভাল মন্দ বিষয়টা আসলে আপেক্ষিক। অন্তত আমার কাছে তাই মনে হয়। তাহলে ভাল মন্দ বিচার করার পদ্ধতী কি? অধিকাংশ মানুষ যেটাকে খারাপ বলবে সেটা খারাপ, আর অধিকাংশ মানুষ যেটাকে ভাল বলবে সেটা ভাল। তাইতো হওয়া উচিৎ, তাই নয় কি? কিন্তু এর ব্যতিক্রম কি হতে পারে না? অবশ্যই পারে। একটা দলে যদি চাপাবাজের সংখ্যা বেশি থাকে তবে সেই দল খারাপ কাজকেও চাপাবাজীর দ্বারা ভাল প্রমাণ করতে পারে। আবার ভাল কাজকেও খারাপ। যার উদাহরণ- সামহোয়াই ইন।
জিয়া ভাল না কি খারাপ ছিল সেটা বিচার করার ক্ষমতা আমার নাই। কারন, কতটুকই বুঝি। কিন্তু খারাপ লাগে যখন দেখি এসির হাওয়ার বসে নরম তুলতুলে শরীর নিয়ে কেউ সামরিক বাহিনীর সমালোচনা করে। তারা করতেই পারে। কারন, তারা মহাজ্ঞানী। জ্ঞান বিজ্ঞানের এমন কোন শাখা নেই যেটা সম্পর্কে তারা জানে না। আফসোস হয় এই কারণে যে, এত কিছু জানার পরও তারা দেশের জন্য কিছুই করতে পারল না। ব্লগ লিখে আর চাপাবাজীর মাঝেই তাদের দেশ উদ্ধার সীমাবদ্ধ।

সমস্যাটা কোথায়? জিয়া কি কোন ভাল কাজ করতে পারে নাই? নাকি, জিয়া শুধু জিয়া নয়। জেনারেল জিয়া। এটাই তার অপরাধ। আমার ধারণা, শুধু জেনারেল জিয়া হওয়াটাই অপরাধ। তা না হলে এই চাপাবাজের দল ৭২-৭৫ এর শাষন আমলেও ভাল কিছু খুজত না। আমি বঙ্গবন্ধুর সাথে জিয়ার তুলনা করতে চাই না। করার সাহসও আমার নাই।

সবার কি ফুলবাড়ির ঘটনা মনে আছে? কিম্বা কানসাটের ঘটনা? কি ঘটেছিল? বিক্ষুব্ধ মানুষ তাদের সর্ব্বোচ্চ অস্ত্র লাঠি হাতে বেড়িয়ে এসেছিল। মনে করুনতো, বিক্সুব্ধ মানুষগুরো আমাদের সেনা বাহিনীর সদস্যরা। যে কোন কারনে তারা অসন্তুষ্ট হয়ে বের হয়ে এসছে। তার কি লাঠি হাতে বের হত? নাকি আগ্নেয়াস্ত্র হাতে? ভুলে যান নাই নিশ্চই ২৫শে ফেব্রুয়ারীর কখা। আপনাদের ভাষ্য অনুশারে দুই চোরের (!) মালামাল ভাগাভাগি নিয়ে লড়াই এ নিহত ৬৪ জন। আর যদি অস্ত্র হাতে বের হয়েই পরে, নিহতের সংখ্যা কত হতে পারে? এখন দুইটা অপশন। হয় কোন অস্ত্রধারী বাহিনীর প্রয়োজন নেই। অথবা তাদের তুষ্ট রাখতে হবে। মানুষের চাহিদার শেষ নেই। তাদের তুষ্ট রাখবেন কি করে? এক সময় না এক সময় তার অসন্তুষ্ট হয়েই উঠবে। তখন আপনি কি করবেন? আপনাকে অবশ্যই কঠোর শাসনেও রাখতে হবে। এই কঠোর শাসনে রাখার জন্যই কঠোর সেনা আইন। যেটা আপনাদের কাছে মানবাধিকার লঙঘন। যদি বোঝার ক্ষমতা থাকে তবে বুঝে নেন, সেনা আইনে বিদ্রোহীদের ফাসী দিয়ে জিয়া কোন অন্যায় করেছিল কি না। তারপরও যদি মনে হয় অন্যায় করেছিল, তবে জিয়া নয় সেনা আইনের বিরুদ্ধে লিখুন। সেনা বাহিনীর বিরুদ্ধে লিখুন। অথবা, সেনাবাহিনীর অফিসার হিসাবে যোগ দিন। দেখা যাবে, কয়দিন মানবাধিকারের বুলি আওরাতে পারেন।

জিয়া সম্মুখ যুদ্ধে অংশ নেয় নাই। ভাল কথা। তারপরও সে বীর উত্তম। তাইলে ভাই, জেনারেল ওসমানীর কি অপরাধ ছিল? সে কেন কোন খেতাব পেল না? মাথায় আসতেছে না। আমার ছোট মাথাতো, তাই অনেক কিছু বুঝি না। আমি এতদিন জানতাম, যুদ্ধের রণ কৌশল তৈরি করাও এক ধরনের যুদ্ধ। পাকিস্তানের কারগারে থাকা শেখ মুজিব কে আমারা মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক মানলেও একজন সেক্টর কমান্ডার, পরবর্তীতে একটা ফোর্সের অধিনায়ক যুদ্ধ করেছিলেন, নাকি করেন নাই সেটা নিয়ে আমরা সন্দিহান।

৭ই নভেম্বর ১৯৭৫। আমরা কয়েকটা যদি নিয়ে চিন্তা করি। যদি জিয়া কর্ণেল তাহেরের কথা মেনে নিত এবং কর্ণেল তাহেরে স্বপ্নের সমাজতান্ত্রীক বাংলাদেশ গড়ত তবে নিশ্চই বাংলাদেশ ৫০ বছর এগিয়ে থাকত। তাহলে আজ যারা খালেদ মোশাররফরে হত্যার বিচার চাইছেন, তারা কার বিচার চাইতেন? জিয়ার নাকি তাহেরের? আর কর্ণেল তাহেরে স্বপ্নের সমাজতান্ত্রীক বাংলাদেশ গড়লেই যে বাংলাদেশ সফল হত তার নিশ্চয়তা কোথায়? আজকের ২০০৯ সাল দেখুন, কর্ণেল তাহেরের সমাজতান্ত্রীক আদর্শের সব সৈনিক তাদের আদর্শ বিকিয়ে দিয়ে আওয়ামী ছাতার নিচে ঠাই নিয়েছে। যে জাসদ ছিল আওয়ামীলীগের একমাত্র প্রতিদ্বন্দী, তার আজ আওয়ামী সুরেই গান গাইছে। যে আদর্শ থেকে তাদের অনুশারীরাই সরে দাড়িয়েছে, সেই আদর্শ কিভাবে দেশ রক্ষা করত সেটা বুঝতে পারছি না। তারপরও কর্ণেল তাহের হিরো। কারন, ”ছুটে যাওয়া মাছ বড়ই হয়”।

ধণ্য ছুটে যাওয়া মাছ গুলো। ধণ্য ধণ্য ধণ্য.................
১১টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে যায় লঙ্কায় সে হয় রাবণ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৩২


ব্যাংকের সিএসআর বা কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (Corporate Social Responsibility) তহবিল জিনিসটা খাতায় কলমে বড়ই পুণ্যের কাজ। ব্যাংক ব্যবসা করে লাভ করবে, সেই লাভের একটা অংশ সমাজের জন্য আলাদা রাখবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্মৃতির নৌকা

লিখেছেন সেজুতি_শিপু, ১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:১১


কোন কোনদিন আলোর শৈশবে চোখ মেলে
মাধবীলতার হাসিমুখ সম্ভাষণের ওপাশে স্বচ্ছ আকাশে
এক ঝাঁক কবুতরের ওড়াউড়ি দেখতে দেখতে-
নিজেকে বড় ভাগ্যবান বলে মনে হয়,
চকিতে অপার্থিব আলো যেন ঢুকে পড়ে আত্মায়।

কোন কোন সন্ধ‍্যেয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×