১. শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে নিয়ে একটি জোকস!!! সূত্র
জিয়াউর রহমান 'প্রকৃত' মুক্তিযোদ্ধা কিনা তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে আওয়ামী লীগ নেতা আমির হোসেন আমু বলেছেন, সেক্টর কমান্ডার থাকলেও তার সম্মুখ যুদ্ধে যাওয়ার কোনো প্রমাণ নেই।
বৃহস্পতিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
আমু বলেন, "মুক্তিযুদ্ধে ১১ জন সেক্টর কমান্ডার ছিলেন। জিয়া তাদেরই একজন। তিনি কোনোদিন সম্মুখযুদ্ধে অংশ নেননি। ওই যুদ্ধে সেক্টর কমান্ডারদের অনেকে আঘাত পেয়েছেন। তাই এমন কোনো প্রমাণ নেই তিনি যুদ্ধে গিয়েছেন।"
বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট ঢাকা জেলা শাখা এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।
একাত্তরের ২৪ মার্চ পাকিস্তানের সোয়াত জাহাজ থেকে অস্ত্র খালাসের প্রসঙ্গ টেনে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর এই সদস্য বলেন, "এই অস্ত্র বাঙালির বিরুদ্ধে ব্যবহার হবে জেনেও যিনি অস্ত্র খালাসে যান, তিনি কীভাবে দুই দিন পরেই মনে প্রাণে মুক্তিযোদ্ধা হন!"
অন্যদের মধ্যে আইন প্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলাম, আওয়ামী লীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন ও বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের নেতা হাসান ইমাম আলোচনা সভায় অংশ নেন।
সভাপতিত্ব করেন বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের ঢাকা জেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ুন কবির মিজি।
আইন প্রতিমন্ত্রী স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে বিএনপি'র দাবির সমালোচনা করে বলেন, "জিয়াকে আমি সত্যিকার মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে মেনে নিতে পারি না। জিয়া ছিলেন বাইচান্স ও সুবিধাভোগী মুক্তিযোদ্ধা।"
২. অফেন্ডিং শেখ মুজিব-১ : ২৫ মার্চ , ১৯৭১ সূত্র
২৫ শে মার্চের কালো রাত - স্বাধীনতার ইতিহাসে সবচেয়ে আলোচিত গা হিম করা এক রাত। এই রাতের প্রতি মুহূর্ত জানার অদম্য কৌতূহল কাজ করে স্বাধীনতা প্রিয় মানুষের।
অনেক আলোচনা , তথ্য উদঘাটন , ইরফরমেশন ডায়াগনসিস হয়েছে এই রাতের কুখ্যাত-বিখ্যাত ঘটনাগুলো নিয়ে। তার ভেতরে সবচেয়ে বড় ঘটনাটি ছিলো সেই রাতে পাকিস্তান আর্মির হাতে শেখ মুজিবের আটক হওয়া নিয়ে। সেটা কি আত্নসমর্পন না গ্রেফতার ছিলো ?
সেটা কিভাবে ঘটেছিলো ?
নানাভাবে সেদিন রাতের ঘটনাগুলোর টুকরো টুকরো প্রামান্যের সাথে পরিচিত হতে হতে মনে হলো এগুলো একসাথ করে জানালে ২৫ শে মার্চ , ১৯৭১ এর একটা পরিষ্কার অবয়ব পাওয়া যাবে।
তবে সব গুলো ঘটনাকে সাজাতে গিয়ে শেষ অনুসিদ্ধান্তটি আসলো শেখ মুজিবের নেতৃত্ববীর্য কে ম্লানকর।
সব আসলে কালসাপের বাচ্চা কয়েক দিন আগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের রাস্তায় ছোট্ট এক স্কুল ছাত্রকে দেখলাম হাটতে হাটতে হঠাৎ দেয়ালে জাতির জনকের প্রতিকৃতি দেখে দাড়ালো। জনকের মুখে থুথু ছিটালো, আবার হাটতে শুরু করলো। যাক দেশের ভবিষ্যৎ ভালো একদিন এই দুই অভিশাপ থেকে মুক্ত হবে, মুক্ত হবে এদের রেখে যাওয়া দুই দল কুত্তার বাচ্চার হাত থেকে । তাহলে ওনারা কি ছিল ?
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই এপ্রিল, ২০১১ বিকাল ৪:৫৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



