somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

রনিকে ধইয়া ওর পাছা দিয়া বাঁশ ঢুকাইয়া মুখ দিয়া বাইর কইরা চৌরাস্তায় প্রদর্শনীর জন্য খুটি গাইরা রাখা হউক

২৪ শে আগস্ট, ২০১১ সকাল ৮:০৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

রাজধানীতে গ্যাং রেপের পর হত্যা করা হয়েছে সিটি কলেজের এক ছাত্রীকে। প্রেমিকের বাসায় নির্মম এ ঘটনা ঘটে। ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার জন্য ছাত্রীর আত্মহত্যার নাটক সাজিয়ে ওই ঘাতক প্রেমিকসহ তার পরিবার পালিয়ে গেছে। নিহত ছাত্রীর নাম শামীমা নাসরিন সুইটি (২১) তিনি ছিলেন ঢাকা সিটি কলেজের মার্কেটিং বিভাগের অনার্স তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী। সোমবার মধ্যরাতে খিলক্ষেত থানা পুলিশ নিকুঞ্জ-২ এলাকার ৩ নম্বর রোডের ১৪ নম্বর ভবনের ৫ম তলা থেকে লাশ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। ময়নাতদন্ত শেষে নিহত সুইটির লাশ গতকাল সন্ধ্যায় রাজধানীর শাহজাহানপুর কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

এ ঘটনায় নিহত ছাত্রীর পিতা আলাউদ্দিন খন্দকার মেয়ের কথিত মামাবেশী প্রেমিক সাইফুল ইসলাম রনিসহ তিনজনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেছেন। নিহতের স্বজনরা অভিযোগ করেছেন, সুইটিকে ৪-৫ জন মিলে ধর্ষণ করেছে। এরপর ওই ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার জন্য হত্যার পর আত্মহত্যার গল্প ফেঁদেছে। খিলক্ষেত থানার ওসি মো. শামীম হোসেন বলেন, ঘরের সিলিংফ্যানের সঙ্গে ছাত্রীর ওড়না পেঁচানো থাকলেও লাশ ছিল খাটের ওপর। নিহতের বড় বোন রেহেনা পারভীন অভিযোগ করেন, সাইফুল ও তার পরিবার প্রভাবশালী। একই সঙ্গে বিত্তশালী। তারা অর্থ ও ক্ষমতা ব্যবহার করে আমার বোনের ওপর কলঙ্ক লেপনের চেষ্টা করছে। তিনি কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, বাসায় ডেকে নেয়ার পরপরই সুইটিকে ওরা ধর্ষণ করে হত্যা করেছে। ঘটনার আগের দিন সুইটির মোবাইল ফোনে কল দেই। তখন অন্য একজন তরুণী সুইটির পরিচয় দিয়ে কণ্ঠ নকল করে আমার সঙ্গে কথা বলেছে। তিনি বলেন, আমার ধারণা তার আগেই সুইটিকে নৃশংসভাবে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে। সুইটির পিতা মামলার অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেছেন, গত ১৮ই আগস্ট দুপুর ২টার দিকে সাইফুল মোবাইল ফোনে সুইটিকে তার বাসায় যেতে বলে। পরের দিন সোমবার বাসায় ফিরে আসবে বলে কথা দেয়। কিন্তু সেদিন সুইটি না এসে সন্ধ্যা ৭টার দিকে রনির মামা আতাউর রহমান আমার বাসায় এসে বলে- রনির বাসায় সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে সুইটি আত্মহত্যা করেছে। এ সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রনির মামা আতাউর রহমানসহ খিলক্ষেত থানার পুলিশ নিয়ে রাত ১১টার দিকে ওই বাসায় যাই। ৫ম তলার দক্ষিণ পাশের ফ্ল্যাটের তালাবদ্ধ দরজা খুলে পূর্ব পাশের একটি কক্ষে খাটের ওপর দক্ষিণ-উত্তর শিয়রে সুইটিকে মৃত অবস্থায় দেখতে পাই। আমার বিশ্বাস আসামি সাইফুল ইসলাম রনি, তার মা জাহানারা বেগম, পিতা সেলিম চৌধুরী, ভাই রিফাত চৌধুরী পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে আত্মহত্যার নাটক সাজায়। এরপর ঘরের দরজায় তালা লাগিয়ে তারা পালিয়ে যায়।
এদিকে কলেজছাত্রীর লাশ উদ্ধারের পরপরই থানা পুলিশের পাশাপাশি সিআইডি ও মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ ঘটনাটির তদন্ত শুরু করেছেন। গোয়েন্দারা জানান, সাইফুল ইসলাম রনি গুলশান ২ নম্বরে ইউনাইটেড সেন্টারে ইউনাইটেড প্রোপ্রারটি সল্যুশন লি. নামে একটি প্রতিষ্ঠানের এসিস্ট্যান্ট প্রজেক্ট ইঞ্জিনিয়ার পদে চাকরি করতেন। তার সঙ্গে ছোট ভাই সিহাবসহ মাকে নিয়ে ওই ফ্ল্যাটে থাকতেন।
ঘটনার এক-দু’দিন আগে রনির ৪-৫ জন সহযোগী তাদের বাসায় অবস্থান করে। পরে পরিকল্পিতভাবে সুইটিকে ফোন করে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ শেষে হত্যা করে। নিহতের স্বজনেরা বলেন, সুইটির লাশ পচে গিয়েছিল। কিন্তু বিষয়টি সুরতহাল প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি। লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেছেন খিলক্ষেত থানার ইন্সপেক্টর কেএম ফিরোজ আল জালাল। তিনি প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছেন, নিহতের যৌনাঙ্গ ফোলা ও ক্ষতবিক্ষত ছিল। এছাড়া গলায় আঘাতের চিহ্ন ছিল। ওদিকে নিহতের পিতা আলাউদ্দিন খন্দকার বলেন, সুইটির হাত-পা ও বুকে আঘাতের চিহ্ন ছিল। এছাড়া হত্যার আগে তাকে গরম পানির মধ্যে চুবানো হয়েছে বলে মনে হয়েছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কেএম ফিরাজ আল জালাল বলেন, সুইটির সঙ্গে সাইফুলের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তারা দূর সম্পর্কের মামা-ভাগ্নি। ধারণা করা হচ্ছে প্রেমের সম্পর্কের সূত্রধরে সুইটিকে বাসায় নিয়ে ধর্ষণ করে সাইফুল। এরপর সুইটি এর প্রতিবাদ জানালে তাকে খুন করা হতে পারে।
২১টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

রাসূলের (সা.) অনুসারি হবেন শুধুমাত্র সাহাবা (রা.), অন্যরা এবং ওলামা ওলামার অনুসারি হবেন

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:৪০




সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ২৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৮। এভাবে রং বেরং- এর মানুষ, জন্তু ও আন’আম রয়েছে। নিশ্চয়ই আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে (ওলামা) আলেমরাই তাঁকে ভয় করে।নিশ্চয়্ই আল্লাহ পরাক্রমশালী ক্ষমাশীল।

সূরা:... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবিন খুদারা কেন বাংলাদেশে বিনিয়োগ করেন না ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:২৩


Robin Khuda ঢাকার ছেলে। স্কুল পড়েছেন এই দেশেই। তারপর অস্ট্রেলিয়া গেছেন, AirTrunk বানিয়েছেন, Blackstone তাকে ১৬ বিলিয়ন ডলারে কিনে নিয়েছে, আর এখন তিনি ভারতে ৩০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে নবীজির শেখানো এক অনন্য আমল

লিখেছেন নতুন নকিব, ১১ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৯:০৩

দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে নবীজির শেখানো এক অনন্য আমল

ছবি অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

মানুষের জীবন মূলত অসংখ্য ছোট-বড় সিদ্ধান্তের সমষ্টি। প্রতিটি বাঁকে, প্রতিটি মোড়ে আমাদের কোনো না কোনো... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্যা ফায়ার অফ মাই সউল

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১১ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:১৪

আমি যে ধরণের গান পছন্দ করি, সেগুলোর মাঝে ক্বারি আমির উদ্দিনের 'কুহু সুরে মনের আগুন' গানটি আমার খুব প্রিয়। এই গানটিকে সম্প্রতি ইংরেজিতে অনুবাদ করে গান বানিয়েছি, এনিমেশন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার ডক্টর যেন বাঁচে ১৫০ বছর.....

লিখেছেন শায়মা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৪



ডক্টরস, হসপিটাল এবং ওষুধ এসব নিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতার শেষ নেই। এ কারনে আমি একদম এদের কাউকেই পছন্দ করি না। তবে কিছু তো করার নেই। জীবনের নানা সময়ে ইচ্ছের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×