somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পারসনাকে বাঁচানোর মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি সাইবার পর্ণগ্রাফিক দেশে পরিনত করতে যাচ্ছি।

০৭ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ১১:১৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

অথচ দেড় বছর আগে সাইবার ক্রাইমের নামে আমরা ফেইসবুকে প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেত্রীর ব্যাঙ্গাত্মক ছবি প্রকাশের অভিযোগে মাহাবুব আলম রডিনকে ২৪ ঘন্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করে তিন দিনের রিমান্ডে নিয়েছিল পুলিশ, এরপর কি হয়েছে কেউ জানিনা।একই অপরাধে আরও অনেককে অনেক সময় নির্যাতন করা হয়েছে।এমনকি ব্লগারকেউ পুলিশে ধরেছে।অথচ সাইবার পর্ণগ্রাফিকে এদেশ সব সময় বাতাস দেয়া হয়েছে।এমনকি জনপ্রীয় মডেল, তারকাদের পর্ন তৈরী করে মার্কেটে ছেড়ে ব্যপক প্রচার করলে সরকার সেদিকে নূন্যতম রেসপন্সও দেখায় নি।আসলে পারসোনা হিডেন ক্যাম, রাজিব প্রভা ভিডিও,পরিমল সব উদ্দোগ্যের একই লক্ষ, পেছনে একই মোটিভেশন কাজ করছে।দেশটাকে পর্নগ্রাফির তীর্থ বানানোর স্বপ্ন থেকে উদ্ভূত। তাই আজ দেশজুড়ে ছড়িয়ে পরেছে নানা কায়দায় নারীকে উলঙ্গ করে তার ভিডিও, স্টিল ধারন করা।অনেক আগেই এক কাজ শুরু হলেও গতি তিন বছরে এই উদ্দোগ্য সবচেয়ে নিরাপদে কাজ করছে।যেমনঃ সেদিনই বলেছিলাম প্রোভার জন্য আমাদের কোন সিম্প্যাথি নাই। কিন্তু রাজিবের এই অপরাধ কোন ভাবেই ইগনোর করার সুযোগ নাই।আজ একে ইগনোর করলে কাল মহল্লায় মহল্লায় ব্লুফ্লিম বানানো হবে এবং তা সিডি আকারে ও ইন্টারনেটে প্রকাশ করা হবে।

হয়েছেও তাই কিছুদিন আগে জনৈক ছাত্রলীগ নেতা তার দলবল নিয়া একটা মেয়েকে ধর্ষন করেছে, ভিডিও ধারন করেছে ও সিডি করে বাজারে বিক্রি করেছে।ফরিদপুরে অস্ত্রের মুখে ১৪ বছরের এক স্কুল ছাত্রীকে ধষর্ণ করে তা ভিডিওতে ধারণ করে বাজারে ছেড়ে দিয়েছে। চরভদ্রাসনের আলমনগর এলাকায় ঘটে যাওয়া ঘটনাটা এক ধষর্ক মোবাইলে ভিডিও করে বাজারে ছেড়েছে। পরে মেয়েটি এলাকার একটি দজির দোকানে গিয়ে ঘটনাটা শুনেছে। মামলা হয়েছে ওই যুবকদের নামে। কিন্ত আদৌ কি্ ওদের কেউ কিছু করতে পারবে।টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলায় মধ্যযুগীয় কায়দায় এক কিশোরীকে ধর্ষণ করেছে ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক। তার পৈশাচিকতা শুধু ধর্ষণ পর্যন্তই সীমাবদ্ধ থাকেনি। ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করে তারা উল্লাস প্রকাশ করেছে।বাড়ি ফেরার সময় পথিমধ্যে সখীপুর উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক হাবিবুল্লাহ ইতিহাস ওরফে হাবিব, উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা আরিফ আহমেদ, সখীপুর উপজেলা চেয়ারম্যান শওকত শিকদারের ভাগ্নে বাবুল আজাদ ও তার নাতি আরিফুল ইসলাম আকাশ জোরপূর্বক অপহরণ করে কিশোরীকে মোটর সাইকেল যোগে সখীপুর হাজিপাড়ায় আলমগীর হোসেন নামের এক ব্যক্তির মালিকানাধীন একটি ছাত্রাবাসে নিয়ে যায়। পরে উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক হাবিবুলস্নাহ ইতিহাস ওরফে হাবিব কিশোরীকে ধর্ষণ করে। এ সময় তার সহযোগীরা ধর্ষণের চিত্র ভিডিও ধারণ করে।পরে আরেকজন পালাক্রমে ধর্ষণ করতে গেলে মেয়েটি সুযোগ বুঝে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় মেয়েটিকে তারা ধাওয়া করে। মেয়েটির চিৎকারে আশ পাশের লোকজন এগিয়ে এলে ধর্ষণকারী ও তার সহযোগীরা পালিয়ে যায়।পিরোজপুরে এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের সময় ভিডিওচিত্রে সেই অশ্লীল দৃশ্য ধারণ করে ছাত্রলীগ ক্যাডার আহসান কবীর মামুন। জেলা ছাত্রলীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আহসান কবীর মামুন ওই ছাত্রীকে ধর্ষণের সময় তার বন্ধুদের দিয়ে ভিডিও চিত্রটি ধারণ করেই ক্ষান্ত হয়নি পরে তা সিডি করে বাজারজাত করা হয়। গত জুলাই মাসে ফরিদপুরের প্রত্যন্ত একটি গ্রামের ষষ্ঠ শ্রেণীর এক কিশোরীকে ধর্ষণ করে তার ভিডিওচিত্র ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে মোবাইল ফোন, ভিডিও সিডি আর ইন্টারনেটের মাধ্যমে।ফরিদপুর জেলার সদরপুরের প্রত্যন্ত গ্রামের এক কিশোরী বেড়াতে গিয়েছিলেন চরভদ্রাসনে তার নানীবাড়িতে। আর সেখানে তাকে পাটক্ষেতে নিয়ে ধর্ষণ করে তুষার, কালামসহ চার যুবক। মোবাইল ফোনের ক্যামেরায় আবার সেই ধর্ষনের ভিডিওচিত্রও তুলে রাখে তারা।যশোর সদর উপজেলার একটি গ্রামের এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের দৃশ্য ধারণকৃত শত শত ভিডিও সিডি বাজারে ও মোবাইল ফোনে ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। ওই মেয়ের পরিবার ও গ্রামবাসী সূত্রে জানা যায়, জঙ্গাল বাঁধাল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ওই ছাত্রীকে গ্রামের মনিরার বাড়িতে আটকে রেখে শুকুর নামে এক যুবক ধর্ষণ করে। আর ধর্ষণের এ দৃশ্য রফিকুল নামে আরেক যুবক ভিডিও করে। গত ১৪ এপ্রিল সকালে এ ঘটনা ঘটে। এরপর ভিডিওচিত্র সিডি করে তারা বাজারে ও মোবাইল ফোনে ছড়িয়ে দেয়। কাউকে কিছু বললে মেরে ফেলা হবে বলে ওই স্কুলছাত্রীকে অভিযুক্তরা হুমকি দেয়।যশোরের কেশবপুর উপজেলার বায়শা গ্রামের এক কিশোরীকে ধর্ষণের চিত্র মোবাইল ফোনের ভিডিওতে ধারণ করে সহযোগীরা। এতে ধর্ষিতার পিতা বাদি হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে থানায় মামলা করেন। গত বছর ২৭ সেপ্টেম্বর বিকেলে একই গ্রামের মাসুদ ও ইজাজুল স্থানীয় মাদ্রাসার ষষ্ঠ শ্রেণীর এক ছাত্রীকে মহিউদ্দিন নামক এক ব্যক্তির পুকুরপাড়ে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এ ধর্ষণের চিত্র মোবাইল ফোনের ভিডিওতে ধারণ করা হয়। পরে তা সিডি আকারে বাজারে ছাড়া হয়। এই ধর্ষণের ঘটনার সাথে জড়িতরাও সরকারি দলের লোক।ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলায় প্রেম-ভালোবাসার ফাঁদ পেতে এক কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ করে তার ভিডিওচিত্র বাজারে ছেড়েছে একদল লম্পট। ঘটনার দেড় মাস পর ব্লাকমেইলের এ ঘটনা জানাজানি হয় এবং ধর্ষকসহ ৩ জনের নামে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।প্রাইভেট কোচিং পড়ার সুবাদে পরিচয় ঘটে একই উপজেলার ফুলহরি গ্রামের আকাম শিকদারের ছেলে পারভেজ শিকদারের সাথে। চলতি বছরে ১৯ সেপ্টম্বর ঝিনাইদহের কন্যাদহ গ্রামে খালার বাড়িতে বেড়াতে যায় ওই কলেজছাত্রী। এর ৩ দিন পর ২২ সেপ্টম্বর ভ্যানযোগে নিজ বাড়িতে আসার জন্য ভাটই বাজারে এলে সেখানে পারভেজ শিকদারের বন্ধু মধুর সাথে দেখা হয়। মধু তাকে মোটরসাইকেলে বাড়িতে পৌঁছে দেবার কথা জানালে সে মোটরসাইকেলে ওঠে। সে তাকে পারভেজ শিকদারের বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে পারভেজের আর এক বন্ধু রাসেল অপেক্ষা করছিলো। সে সময় ওই কলেজছাত্রীকে তারা উপর্যুপরি ধর্ষণ করে। সেই ধর্ষণচিত্র মোবাইল সেটে ভিডিও করা হয়। এরপর ভিডিওচিত্র কলেজছাত্রীকে দেখিয়ে জানানো হয় কাউকে ঘটনা বলা যাবে না।এদিকে ঝিনাইদহে ওই কলেজছাত্রীর ধর্ষণ চিত্রের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। প্রতারকচক্র তা সর্বত্র ছড়িয়ে দেয়। পারভেজের বন্ধু মধু মোবাইলের একটি মেমোরি কার্ড এনে ধর্ষণ দৃশ্যের সিডি ডিস্ক করে নিয়ে যায় দোকান থেকে।বরিশাল বিএম কলেজে এক ছাত্রলীগ নেত্রী তার রুমমেটের নগ্ন দৃশ্য মোবাইলে ধারন করে ৩০ হাজার টাকা দাবি করে। সেই ছাত্রী তিন হাজার টাকা দিলেও রক্ষা হয়নি। আরো টাকার দাবি করে বেশ কিছু নগ্ন ছবি ছাত্রদের মোবাইলে দেয়া হয়।এর আগে পটুয়াখালীতে স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতা এক ছাত্রীকে ধর্ষনের পর তার সিডি বাজারে ছেড়েছিলো। এর আগে পিরোজপুরে স্থানীয় ছাত্রলীগের তথ্য ও গবেষনা সম্পাদক এক ছাত্রীকে ধর্ষনের পর সে দৃশ্য মোবাইল ফোনে ধারন করে বাজারে সিডি আকারে ছেড়েছে।এদিকে পরিমল ভিখারুন্নেসা নূন কলেজের একাধিক ছাত্রীকে ধর্ষন করেছে নগ্ন ছবি তুলেছে।সেই সাথে আজকাল সারা দেশে মহাসমারহে ছাত্রীকে ধর্ষন করে ভিডিও করছে শিক্ষক রা।এমন আরও কয়েকশ ঘটনা নেটে সার্চ দিলেই পাওয়া যাবে।

উপরে এই ঘটনাগুলো আরও কয়েকশত গুন বেড়ে যাবে যখন এত প্রচার পাওয়ার পরও পারসনাকে ছাড় দেয়া হবে।বাংলাদেশ পর্ণগ্রাফারদের স্বর্গরাজ্যে পরিনত হওয়ার লাইসেন পাবে।অবশ্য পারসনা এরই মধ্যে সব মেনেজ করে ফেলেছে।নিচের রির্পোটটি তাই বলছে।

রির্পোটঃ গোপন ক্যামেরা কেলেঙ্কারি ধামাচাপা দিতে গলদঘর্ম পারসোনা। এ ঘটনার অভিযোগকারী নারী চিকিৎসক ফাহমিদা ও তার স্বামী ইশতিয়াক আহমেদের সঙ্গে আপসরফা করার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবার তদন্ত কমিটিকে ম্যানেজ করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, একাধিক 'ম্যানেজমাস্টার' নানা প্রলোভন দেখিয়ে তদন্ত কমিটিকে বাগে আনার চেষ্টা করছে। গোপন ক্যামেরার কেলেঙ্কারি যতদূর ছড়িয়েছে, সেখানেই তার ইতি টানার জন্য বিভিন্ন মহল থেকে তদন্ত কমিটির সদস্যদের উপর মহল থেকে চাপ দেয়া হচ্ছে। চেষ্টা চলছে নানা অজুহাতে কালক্ষেপণের।
বিষয়টি স্বীকার করে তদন্ত কমিটির প্রধান গুলশান জোনের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (এডিসি) নিজামুল হক মোল্লা বলেন, পারসোনা কর্তৃর্পক্ষ নানা অজুহাতে তদন্ত কার্যক্রম বিলম্বিত করার চেষ্টা করছে। গোপন ক্যামেরা সম্পর্কে পারসোনার আইটি বিভাগের কর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বারবার ডাকা হলেও গত চারদিনেও তাদের হাজির করা হয়নি।এডিসি নিজামুল হকের ভাষ্য, পারসোনা কর্তৃপক্ষের তালবাহানায় মনে হচ্ছে, গোপন ক্যামেরায় আপত্তিকর ভিডিওচিত্র ধারণের যে খবর রটেছিল, হয়তো সেটাই সত্য।আইটি কর্মীদের কৌশলী জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে তথ্য বেরিয়ে আসবে এই ভয়েই পারসোনা তাদের সরিয়ে রেখেছে।এমনকি আইটি কর্মীদের নাম-ঠিকানাও তারা পুলিশকে দিতে চাচ্ছে না। আইটি কর্মীদের সন্ধানে পুলিশ নানাভাবে চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়েছে।তদন্ত কমিটি সূত্র জানায়, জব্দকৃত হার্ডডিস্ক থেকে মুছে ফেলা ভিডিওচিত্র উদ্ধার করতে সর্বোচ্চ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে।তবে এখনো কোনো ফল পাওয়া যায়নি।এমনও হতে পারে ডার্ডডিস্কটি পরিবর্তন হয়ে থাকতে পারে।
কমিটি প্রধান নিজামুল হক বলেন, পারসোনার কর্মকর্তাদের অনৈতিকতার বেশকিছু তথ্য পাওয়া গেছে।এসব তথ্য ক্রসচেক করার পর পর্যালোচনা চলছে।এ কারণে তদন্ত রিপোর্ট দিতে নির্ধারিত সময়ের বাইরে আরো তিনদিন বাড়তি সময় চাওয়া হয়েছে।আগামী রোববার চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়া সম্ভব হবে বলে আশা করেন তিনি।
কমিটির একজন সদস্য জানান, ইতোমধ্যে কানিজ আলমাসকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।তিনি কমিটিকে বলেছেন, কোনো অসৎ উদ্দেশ্যে নয়, চুরি ঠেকাতেই এ ক্যামেরা বসানো হয়েছে।তবে তার এই বক্তব্য পুলিশের কাছে বিশ্বাসযোগ্য মনে হয়নি।এর পেছনে ওই প্রতিষ্ঠানের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নোংরা মানসিকতা কাজ করেছে বলে তারা জানতে পেরেছেন, জানান কমিটির ওই সদস্য।
এদিকে ক্যামেরা কেলেঙ্কারি নিয়ে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হওয়ায় পারসোনার বনানীসহ প্রতিটি শাখাতেই বিশেষ পাহারা বসানো হয়েছে।সংবাদকর্মীরা ভেতরে ঢুকে পারসোনারার কর্মকর্তা-কর্মীদের কাছ থেকে যাতে কোনোভাবেই কোনো তথ্য নিতে না পারে এজন্য তাদের প্রবেশাধিকার পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার বিকালে এক প্রতিবেদক পারসোনার বনানী শাখাতে ঢোকার আগে সিঁড়িতে পাহারারত কর্মীরা তার গতিরোধ করেন। সাংবাদিক পরিচয় পাওয়ার পর তারা উত্তেজিত হয়ে ওঠেন।ক্ষুব্ধ কণ্ঠে বলেন, 'কারো সঙ্গে কথা বলা যাবে না, আপনার যা খুশি তাই লেখেন গিয়ে- এতে পারসোনার কিছু হবে না।যাদের ম্যানেজ করার, তারা ম্যানেজ হয়ে গেছে।' সিঁড়িতে পাহারারত ওই কর্মীর পরিচয় জানতে চাইলে তিনি কোনো কথা না বলে অন্যদিকে চলে যান।
গুলশান থানার একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ক্যামেরা কেলেঙ্কারির ঘটনা পুরোটাই ম্যানেজ হয়ে গেছে।এখন লোক দেখানো তদন্ত চলছে। দু'দিন পর তদন্ত রিপোর্ট জমা পড়লেই তা বোঝা যাবে।
ওই কর্মকর্তা জানান, ক্যামেরা কেলেঙ্কারির ঘটনা নিয়ে হইচই পড়ে যাওয়ার পরপরই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তা তাৎক্ষণিক ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা চালায় কর্মকর্তারা। তারা এতে ব্যর্থ হওয়ার পর এ কাজে ব্যবহার করা হয় গুলশান থানার এসআই মেহেদী মাসুদকে।বিষয়টি নিয়ে আর ঘাঁটাঘাঁটি না করার জন্য অভিযোগকারী ফাহমিদা আকতারকে মোটা অঙ্কের টাকার প্রস্তাব দেয়া হয়।কিন্তু তিনি মামলা করার সিদ্ধান্তে অটল থাকলে পরে তাকে হুমকি দিয়ে তা থেকে বিরত রাখা হয়।একজন মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে পুলিশকেও ম্যানেজ করে পারসোনা কর্তৃপক্ষ।এ খবর জানাজানি হওয়ার পর পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে সাব-ইন্সপেক্টর মেহেদী মাসুদকে সাসপেন্ড করা হয় এবং ৩ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়।
মাসুদের সাসপেন্ড অর্ডারে বলা হয়, কম্পিউটার হার্ডডিস্ক জব্দ করে আলামত সংরক্ষণ না করে অভিযোগকারীর হাতে তুলে দেয়া এবং কর্তব্যে অবহেলার অভিযোগে তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে।(এখানে ধারনা করা হচ্ছে হার্ডডিস্ক পরিবর্তন হয়ে গেছে ৩০ লাখ টাকার বিনিময়ে)
বৃহস্পতিবার দুপুরে পারসোনার বনানী শাখা থেকে বের হয়ে আসা বারিধারা ডিওএইচএস আবাসিক এলাকার বাসিন্দা গৃহবধূ তানিজা ফাতেমী বলেন, এখানে অনেকবার স্পা করিয়েছি, কিন্তু পোশাক পরিবর্তনের কক্ষে কোনোদিন সিসি ক্যামেরা দেখিনি।নিশ্চয়ই এমন কোথাও লাগানো হয়েছে যা সেবা গ্রহীতাদের চোখে না পড়ে।আর গোপনে এভাবে ক্যামেরা কোনো ভালো উদ্দেশ্যে লাগানো হতে পারে না।তানিজা ফাতেমী জানান, তিনি শুধু গোপন ক্যামেরার ব্যাপারে খোঁজ নিতেই এসেছিলেন। কিন্তু পারসোনার কর্মকর্তা-কর্মীরা সবাই যেন মুখে কুলুপ এঁটেছে।এ ব্যাপারে তাদের কারো কাছ থেকে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।ক্ষুব্ধ কণ্ঠে তানিজা বলেন, এখানে ভবিষ্যতে আর কখন আসার রুচি নেই।যারা পোশাক পরিবর্তন রুমে এভাবে গোপন ক্যামেরা লাগাতে পারে, তারা যে কোনো অনৈতিক কাজও করতে পারে। এদের বিশ্বাস করা বোকামি।
এদিকে যার অভিযোগ নিয়ে দেশব্যাপী তোলপাড়, রহস্যজনক কারণে তিনি এখন আর কিছুই বলতে চাচ্ছেন না।ফাহমিদা ও স্বামী ইশতিয়াক আহমেদ ইদানীং অপরিচিত টেলিফোন কল রিসিভ করছেন না।বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তাকে একাধিকবার কল করা হলে তিনি তা রিসিভ করেননি।
জানা গেছে, তদন্ত কমিটির জিজ্ঞাসাবাদেও তিনি সেদিনের ঘটনার অনেক কিছুই গোপন করার চেষ্টা করেছেন। তদন্ত কমিটির বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর কৌশলে এড়িয়ে গেছেন।উত্তেজিত হয়ে তিনি পারসোনার এক কর্মীকে মারধর করলেও কেন তিনি ওই সময় উত্তেজিত হয়ে উঠেছিলেন তা বলতে চাননি বলে তদন্ত কমিটি সূত্রে জানা গেছে।
অভিযোগকারী ফাহমিদার স্বামী ইশতিয়াক আহমেদ তদন্ত কমিটিকে জানান, তারা হার্ডডিস্কটি থেকে কোনো কিছু ডিলেট করেননি।কারণ হার্ডডিস্ক তারা ওপেনই করতে পারেননি।তবে পরবর্তীতে গোয়েন্দাদের কৌশলী জিজ্ঞাসাবাদের মুখে স্বীকার করেন, তার স্ত্রী হার্ডডিস্কটা দেখেছে।কিন্তু হার্ডডিস্ক থেকে কিছু ডিলেট করেনি।তদন্ত কমিটির একজন সদস্য জানান, ফাহমিদা ও ইশতিয়াকের কথাবার্তা শুনে মনে হয়েছে, তারা কোনোকিছু গোপন করতে চাইছেন। এর পেছনে নিশ্চয় কোনো কারণ রয়েছে।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ১১:৩৬
৫টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র - ভ্রাম্যমান লাইব্রেরী ভাবনা

লিখেছেন ইফতেখার ভূইয়া, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৮:৪৬


শ্রদ্ধেয় আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যাররে হাতে গড়া প্রতিষ্ঠান বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র তার জন্মলগ্ন ১৯৭৮ সাল থেকে অনেকটা পথ পেরিয়ে এসেছে। আমার মনে পড়ে, আমি স্কুলে পড়াকালীন সময়ে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র থেকে স্কুল... ...বাকিটুকু পড়ুন

=একান্ত নিজস্ব জিনিসগুলো পর হয়ে যাচ্ছে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:৪৫



যে চোখ দিয়ে দেখেছি ধরার আলো, সে চোখও দিচ্ছে ফাঁকি,
যে চোখের আলোয় দেখেছি পুকুর নদী, শুকনো উঠোন;
বৃষ্টি ভেজা দিন, দেখেছি ময়না শালিক, ঘুঘু ডাকা দুপুর
সে চোখ পর হয়ে যাচ্ছে অল্প... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবিন খুদারা কেন বাংলাদেশে বিনিয়োগ করেন না ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:২৩


Robin Khuda ঢাকার ছেলে। স্কুল পড়েছেন এই দেশেই। তারপর অস্ট্রেলিয়া গেছেন, AirTrunk বানিয়েছেন, Blackstone তাকে ১৬ বিলিয়ন ডলারে কিনে নিয়েছে, আর এখন তিনি ভারতে ৩০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্যা ফায়ার অফ মাই সউল

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১১ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:১৪

আমি যে ধরণের গান পছন্দ করি, সেগুলোর মাঝে ক্বারি আমির উদ্দিনের 'কুহু সুরে মনের আগুন' গানটি আমার খুব প্রিয়। এই গানটিকে সম্প্রতি ইংরেজিতে অনুবাদ করে গান বানিয়েছি, এনিমেশন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার ডক্টর যেন বাঁচে ১৫০ বছর.....

লিখেছেন শায়মা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৪



ডক্টরস, হসপিটাল এবং ওষুধ এসব নিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতার শেষ নেই। এ কারনে আমি একদম এদের কাউকেই পছন্দ করি না। তবে কিছু তো করার নেই। জীবনের নানা সময়ে ইচ্ছের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×