সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ : এটি একটি বিজ্ঞাপনমূলক পোস্ট!
আমি একটা অলস লোক। নানান কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকার আমার খায়েশ অনেক দিনের। আলসেমির জন্য কোন কাজই ঠিকমতো হয় না। তবে, নানান কাজে যুক্ত থাকার খায়েশের একটা অংশ পূরণ হয় গুগলের কারণে।
গুগল নিয়ে আমার নানান ধরণের আগ্রহ আছে। একটা হলো আমেরিকার আইটি শিল্পের বিকাশ। সিলিকল ভ্যালিতে ওরা প্রায় নানান কায়দায় এক্সপেরিমেন্ট করে। গুগল নিয়ে আমার কিছু লেখাও আছে। মাঝে মধ্যে মনে হয় লাইন ধরে কিছু গ্যারাজ বানালে মনে হয় ভাল হয়!
গুগলের প্রতি আমার আর একটা আকর্ষণ হলো এর নানান টুলস। বিনে পয়সায় পাওয়া যায় এবং ব্যাপক কাজের। এর মধ্যে মেইল, টক, ডকের ব্যবহার করে না এমন লোক পাওয়া মুশ্কিল। নন-প্রফিট হলে গুগলের এপসও পাওয়া যায় বিনে পয়সায়! গণিত অলিম্পিয়াড ও বিডিএসএনের জন্য মেইল ডোমেইন আমরা সেখান থেকে পেয়েছি। আমার মাঝে মধ্যে মনে হয়, বিশেষ করে আমাদের যানজটের কারণে, গুগল ব্যবহার করে অফিসগুলোর প্রোডাক্টটিভিটি অনেক বাড়ানো যায়। সেটা খুবই ছোট-খাটো কিছু টিপস ব্যবহার করে। আমরা যে কেন করি না তা আমরা অনেকে জানিনা। যদিও ঘটনাগুলো আমরা সবাই জানি।
ডকের কথায় ভাবা যাক। এই কোলাবোরেটিভটুলসটা কিন্ত যে সমস্ত অফিসে প্রতিদিনই প্রচুর চিঠিপত্র লিখতে হয়, তাদের জন্য ব্যাপক সুবিধা দিতে পারে। খালি সাহস করে লিখলেই হয়।
আধুনিক অফিস মানে কানেক্ট, কমিউনিকেট এন্ড কোলাবোরেট। সঙ্গে সিনক্রোনাইজেশন। আউটপুট বাড়ানো যাবে কয়েকগুণ। তবে, মনে রাখতে হবে এগুলো সঙ্গে সঙ্গে হয় না।
গুগলের কাছ থেকে সবচেয়ে বেশি যেটা শেখার তাহল কালচার। কাজের পরিবেশ তৈরি করা যাতে কর্মীরা আনন্দের সঙ্গে কাজ করে।
আমার খুব ক্ষুদ্র অভিজ্ঞতা আমি সিটিডির অনুরোধে মেয়ার করতে রাজি হয়েছি একটি একদিনের কর্মশালার মাধ্যমে। আগামি শনিবার ১৭ ডিসেম্বর প্রথম আলো জবসে এটি হবে। হাতে কলমে দেখানোর কোন ব্যাপার নাই বলে সবাইকে শেখানো হবে না। ফিলসফিটা ধরিয়ে দেবো। টিউটোরিয়ালও থাকবে। তবে, আমি আগে বলেছি ধরতে হবে কালচারটা। সেটা ধরার জন্য আমি সাহায্য করতে পারবো মাত্র।
আগ্রহীরা কোর্সের বিস্তারিত এখান থেকে পাবেন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



