আমার প্রিয় পোস্ট

মানুষ এবং মানুষ সম্পর্কে যাবতীয় বিষয়ে আমার দারুন আগ্রহ ……

একুশে বইমেলায় প্রকাশিত হলোঃ “আ লিটল ফাইটার স্লিপিং উইথ আর্মস্‌”...

১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৪৯

শেয়ারঃ
0 1 0




“যুদ্ধের প্রথম শেলটা পড়ে হৃদয়ের মাঝখানে…” পল বোমার এর এই আক্ষেপ আর হাহাকার যেন প্রতিধ্বনি তোলে আমাদের লিটল ফাইটারের কথায়..., আমার ছেলেখেলা করা শৈশব এক হ্যাঁচকা টানে সরে গিয়ে আমার সামনে হাজির হয়েছিল যুদ্ধের দগদগে ঘা মাখা এক কদাকার বিভৎস স্মৃতি, যা আনন্দ বেদনা আর গৌরবের এক রক্ত তিলক।

“আ লিটল ফাইটার স্লিপিং উইথ আর্মস্‌”, পরিনত বয়সে এসে পিছন ফিরে চাওয়া এক কিশোরের, কালের দৃষ্টিতে দেখা মুক্তিযুদ্ধের ঘটনার নিঁখুত বর্ণনা। আমাদের মুক্তিযুদ্ধের রক্তাক্ত আবির্ভাবের মধ্য দিয়ে তার প্রথম কৈশোর কাটানো মনজুরুল হক, লিটল ফাইটার হয়ে, আমাদের মনে করিয়ে দেন এরিক মারিয়া রেমার্ক — আমাদের স্মৃতিতে ভেসে উঠে তার ধ্রুপদি সৃষ্টি “অল কোয়ায়েট অন দ্য ওয়েষ্টার্ণ ফ্রন্ট”... যদিও বয়সের বিস্তর ফারাক বিদেশী সাংবাদিকের ক্যামেরায় তোলা গোলাবারুদের আশ্রয়ের মধ্যে নিশ্চিন্তে ঘুমিয়ে থাকা লিটল ফাইটার আর রেমার্কের পল বোমারের মধ্যে।

এরিক মারিয়া রেমার্কের সৃষ্ট অমর চরিত্র পল বোমার যুদ্ধে গিয়েছিলেন ১৮ বছর বয়সে, আর পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধের হাত থেকে নিজ পরিবার আর মাতৃভুমিকে রক্ষা করার প্রতিজ্ঞায় আমাদের লিটল ফাইটার যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছিলেন মাত্র ১১বছর বয়সে। যুদ্ধের বিভীষিকার মাঝে আত্মরক্ষার জন্য পালিয়ে বেড়ানো একটা পরিবার বিদেশ বিভুঁইয়ের অচেনা পরিবেশে এসে হাবুডুবু খায় — এই অবস্থায় পুরো পরিবারকে এক রকম মাঝপথে ফেলে রেখে পরিবারের প্রধানকে দেশমাতৃকার ডাকে সাড়া দিয়ে তার দ্বায়ীত্ব পালনের জন্য ফ্রন্টে ফিরে যেতে হয়। ছোট তিন বোন সহ আম্মার দ্বায়ীত্ব এসে পড়ে, লিটল ফাইটারের ১১বছরের কাঁধে — ভয় পেয়োনা, তোমার উপর দায়িত্ব থাকল, নিজে বাঁচবে, মা-বোনদের বাঁচাবে... পিতার আদেশ শিরোধার্য্য করে বিজন-বিভুঁই অনাত্মীয় বিদেশের মাটিতে নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে এক অনিশ্চিত যাত্রা শুরু করে এক নাবালক কিশোর। শুরু হয় যাবতীয় প্রতিকুলতার মাঝে নিজ পরিবারকে নিয়ে স্রেফ টিকে থাকার জন্য, হাফপ্যান্ট হাওয়াই সার্ট স্যান্ডেল পায়ে ঘাড়ে ব্যাগ, ১১ বছরের এক কিশোরের দাঁতে দাঁত চেপে এক মরিয়া লড়াই... আমাদের লিটল ফাইটারের নিজস্ব লড়াই।

গত বছরের সারাটা ডিসেম্বর মাস জুড়ে মনজুরুল হকের ব্লগ সাইট সামহোয়্যারইন ব্লগ সাইটের সদস্য এবং ভিজিটরদের জন্য যেন একটা পবিত্র তীর্থভূমিতে পরিণত হয়েছিল। সেদিনের সেই কিশোর, আজ পরিনত বয়সে এসে তার নিজস্ব ব্লগ সাইটে লিখছেন তার সেদিনের সেই লড়াইয়ের কথা। হাফপ্যান্ট হাওয়াই সার্ট স্যান্ডেল পায়ে ঘাড়ে ব্যাগ, ১১ বছরের এক কিশোরের চোখে মুক্তিযুদ্ধের ঘটনা দেখা,তার নিখুত বর্ণনা নিয়ে লেখা সম্ভবত এই প্রথম।কোন স্ক্রিপ্টের দৃশ্যকল্প তৈরির সময় ঘটনাকালকে মুর্ত করে তোলার কথা খেয়াল রেখে তার ভিতর মালমশলা রেখে তা রচনা করতে হয়, কিন্তু এখানে তৈরি দৃশ্যকল্প পুরোপুরি স্বতঃস্ফুর্ত ও জীবন্ত - নিজগুণে একালে লেখার সময়ও তা আপনাতেই জীবন্ত। বিপুল সংখ্যক ব্লগার প্রতিদিন ব্রত উদযাপনের মতো নিয়ম করে এই ব্লগে প্রবেশ করেছেন। ব্লগে মন্তব্য করার সময় মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আমাদের গর্ব, শ্রদ্ধা আর ভালবাসা, একই সাথে স্বজন হারানোর কষ্ট ও ব্যক্তিগত অনুভুতিগুলোকে একে অন্যের সাথে ভাগ করে নিয়েছেন। বিজয়ের এই মাস মনজুরুল হকের ব্লগসাইট হয়ে উঠেছিল আমাদের মুক্তিযুদ্ধের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো, আমাদের হারিয়ে যাওয়া স্বজনদের স্মৃতি তর্পনের পবিত্র মাটি।

লড়াকু কিশোরের লড়াই এগিয়ে চলে, মাতৃভুমির ইঞ্চি ইঞ্চি মাটি শত্রুর কবল থেকে মুক্ত হতে থাকে, স্বাধীন গনতান্ত্রিক বাংলাদেশের বৈপ্লবিক রুপান্তরের সূচনা হতে থাকে। কিশোরের হাতে প্রথমবারের মতো উঠে আসে হাতিয়ার — এসএলআর, রাইফেল, গ্রেনেড আর সেই সাথে ৭০ দশকের তারুন্য স্পর্ধিত নকশাল আন্দোলনের স্পর্শ পাওয়া মাওসেতুং এর লাল বই। কিশোর যোদ্ধার সমাজ ভাবনায় বৈপ্লবিক চেতনার স্ফুরন ঘটে... ভয়ঙ্কর সব অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে যেতে যেতে, দুর্ধষ সব ঘটনার চাপে, এক বিপুল পরিমান ভাঙচুর আর অদল বদলের ঘটনা সকলের অজান্তে ভেতরে ভেতরে আমূল বদলে দিতে থাকে সাহসী কিশোরটিকে। প্রথাগত বিদ্যালয় তখন বন্ধ, বইখাতার সাথে নাই কোন সম্পর্ক — পৃথিবীর পাঠশালায় জীবনের শিক্ষায় ঋদ্ধ হতে থাকে নবীন কিশোর।

কিন্তু মুল্যটা দিতে হয় অনেক চড়া — দুনিয়ার সব অর্জনের পিছনে থাকে যেমন চড়া মুল্য। একসময় যুদ্ধ শেষ হয়, বাংলাদেশ স্বাধীন হয়। রাতারাতি বড় হয়ে যাওয়া কিশোরের শরীরে পুরানো কোন পোষাকই আর আটতে চায় না। যুদ্ধের আগের ফেলে আসা শহর, সেই শহরের পুরানো বন্ধুরা, তার পুরানো জীবন... কোন কিছুর সাথেই আগের মতো সাবলীল হওয়া যায় না। অন্তর্গত বদলে যাওয়া জীবনবোধ আর নিজকে মেলাতে পারে না পারিপার্শ্বিকতার সাথে। সব কিছুর বিরুদ্ধে ফুঁসে ওঠা এক ক্রোধের বারুদ চুরমার করে দিতে চায় চারপাশের দুনিয়াকে। আমাদের লিটল ফাইটার ভেবে কুল কিনারা করতে পারে না — এই কিম্ভুতকিমাকার পরিবেশের বিরুদ্ধে লড়াইটা কি ভাবে জারী রাখা যায়?

বুকফাটা করুণ এক আর্তনাদের সুর ভেতর থেকে অবিরাম প্রবাহিত হতে থাকে... কে চেয়েছে জীবনের এত জ্ঞান, এত অভিজ্ঞতা? যতটুকু আঁটে না, তার চেয়েও বেশি ঠেসেঠুসে দিয়ে কেন তোমরা কিশোর কে প্রৌঢ় বানাও? হে জ্ঞান, কোথা থেকে আসো তুমি, কোথায় নিবাস? ফিরে যাও জ্ঞান, আমাকে থাকতে দাও আমার আলাভোলা ন্যাকা ন্যাকা শৈশব নিয়ে, আমার মাশুমিয়াৎ, আমার নাদানি নিয়ে!!

একটা যুদ্ধ সব কিছু এমন ভাবে বদলে দেয়, এক শহর থেকে অন্য শহর, এখান থেকে সেখানে। স্বাচ্ছন্দ্য মেলেনা কোথাও! পালিয়ে পালিয়ে বেড়ায় লিটল ফাইটার... মানুষ দেখলে এখন তার আতঙ্ক হয়!! মানুষের সঙ্গ দেয় না কোন স্বস্তি... শুধু যতটুকু সময় বইয়ের পাতায়, সারিবদ্ধ কালো কালো অক্ষর, ততটুকুই শান্তি। শেষ অবলম্বন হিসাবে প্রানপনে সে আঁকড়ে ধরে বইয়ের জগত। যুদ্ধক্ষেত্র ফেরত কিশোর যোদ্ধা, গড়ে তোলে পরাবাস্তবতার নতুন পৃথিবী।

এখনও স্বপ্ন দেখে চলে কিশোর যোদ্ধা, গোলাবারুদের আশ্রয়ের মধ্যে নিশ্চিন্তে ঘুমিয়ে থাকা সেই লিটল ফাইটার স্বপ্ন দেখে এক গনতান্ত্রিক সমাজের। যাবতীয় শোষন বঞ্চনার চির অবসানে, প্রতিটা মানুষের প্রাপ্য সেই মানবিক জীবন নিশ্চিত হওয়ার। লড়াই জারি রাখেন ফ্রন্টের অকুতোভয় যোদ্ধা হিসাবে, কাজে লাগাতে চান জীবনের এই উপচে পড়া অভিজ্ঞতাগুলোকে।

সহব্লগার পি মুন্সী যেভাবে মন্তব্য করেনঃ ... মনজু সফল হবে তার মানবিক ক্ষমতাগুণে; বড় ভুল করা থেকে বেঁচে যাবে - অভিজ্ঞতার প্রতি সৎ আর প্রাকটিক্যাল হবার কারণে। মানুষের জীবন-অভিজ্ঞতা বহু ঘটনায় ঠাসা থাকে, এর সবগুলোই তাৎপর্যপূর্ণ বিশেষ হয় না। এর কিছু অভিজ্ঞতা থাকে যা কয়েক প্রজন্মকে শিক্ষার উপাদান হিসাবে সঞ্চয়ে থেকে যায়, জীবনের বড় ভুলগুলো করা থেকে তাঁদের বাঁচিয়ে দেবার ক্ষমতা রাখে। আপনি সেই উপাদান সংগ্রাহকদের একজন।"

আশা করি আগামী প্রজন্ম মনজুরুল হকের জীবন অভিজ্ঞতা থেকে তাদের পথ চলার পাথেয় সংগ্রহ করবেন।


গত ডিসেম্বর মাস জূড়েই মনজুরুল হক আমাদের শোনাচ্ছিলেন "এক কিশোরের চোখে মুক্তিযুদ্ধের অমলিন স্মৃতি" সর্ব মোট ২২পর্বে সমাপ্ত এই স্মৃতিকথা ব্লগে প্রকাশের সময় থেকেই দাবী উঠেছিল বই হিসাবে প্রকাশ করার। আনন্দের সংবাদ অবশেষে এই স্মৃতিকথা “আ লিটল ফাইটার স্লিপিং উইথ আর্মস্‌” নামে বই হিসাবে প্রকাশ করেছে 'ঐতিহ্য'। পাওয়া যাবে- আগামী কাল থেকে একুশে বইমেলার ঐতিহ্যের স্টলে। এবারের বইমেলায় ঐতিহ্যের স্টল নম্বর ১২৯, ১৩০, ১৩১। সবাইকে বইটা সংগ্রহ করার জন্য আহবান জানাচ্ছি।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): এক কিশোরের চোখে মুক্তিযুদ্ধের অমলিন স্মৃতিকিশোর মুক্তিযোদ্ধামুক্তিযুদ্ধবাঙ্গালীবাংলাদেশীবাংলাদেশ১৯৭১৭১'৭১মনজুরুল হকস্মৃতিকথাগেরিলাপাকিস্তানপূর্ব বাংলাবিহারী197171'71bangladeshfreedom fighterliberation warbangladeshibanglaeast pakistanwest pakistan.... ;
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:০৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

২. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৫৩
মানবী বলেছেন: সংবাদটি শেয়ার করার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ, অবশ্যই বইটি সংগ্রহ করবো।


মনজুরুল হককে অনেক অভিনন্দন ও ধন্যবাদ বইটির জন্য।
বইটির সাফল্য কামনা করছি।
৩. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৫৩
হোরাস্‌ বলেছেন: খুবই ভালো খবর। বইটা অবশ্যই সংগ্রহে রাখব। +
৪. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৫৯
নাজিম উদদীন বলেছেন: বইটির সাফল্য কামনা করি।

একটা ব্যাপার বুঝলাম না, বইয়ের নামটা বাংলায় দেয়া যেত না, এখন অবশ্য শুনতে সুন্দর লাগছে, হয়ত এজন্য কাটতি কিছুটা বেশি হবে। তারপরও বাংলায় সুন্দর কিছু দেয়া যেত।
৫. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:০০
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
এই শুভ সংবাদের জন্য অপেক্ষায় ছিলাম ।

অ ভি ন ন্দ ন মনজুরুল হক ভাইকে ।

নিশ্চিত বলতে পারি, বইটি পাঠক সমাদৃত হবে ।
৬. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:০২
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

পোস্টে কিছু তথ্যের ঘাটতি আছে ।

কোন প্রকাশনী থেকে প্রকাশীত হয়েছে,
তাদের স্টল নাম্বার কতো, এই তথ্যগুলোর সংযুক্তি ঘটলে ভালো হবে ।
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:১০

লেখক বলেছেন: এটা প্রকাশ করেছে ঐতিহ্য প্রকাশনী থেকে... এবারের বইমেলায় ঐতিহ্যের স্টল নম্বর ১২৯, ১৩০, ১৩১। বাংলা একাডেমীর বর্ধমান হাউজের সামনে।

ধন্যবাদ আরাশি- মুল পোষ্টে তথ্য সংযোজন করে দেওয়া হয়েছে।

৭. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:০৯
ত্রিশোনকু বলেছেন: মুনশিয়ানা বলেছেন ঐতিহ্য থেকে বের হচ্ছে। মেলায় ঢুকে যে কাউকে জিজ্ঞেস করলেই দেখিয়ে দেবে,
৮. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:১১
চতুষ্কোণ বলেছেন: অভিনন্দন মনজুরুল হক ভাইকে ।

যে কয়টি পর্ব পড়েছি বেশ ভালো লেগেছিল।
৯. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:১৫
কঁাকন বলেছেন: মনজুরুল ভাইকে অভিনন্দন আর আপনাকে ধন্যবাদ পোস্টের জন্য
১০. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:১৫
মুসতাইন জহির বলেছেন: যাক, বই আকারে একসাথে পড়ার সুযোগ হবে... । বের হলো জেনে খুশি হলাম।

কেনো আয়োজন বা প্রকাশনা উৎসব আছে কি...?
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:২৭

লেখক বলেছেন: আগামী শনিবার ১৩ই ফ্রেব্রুয়ারী মোড়ক উন্মোচনের আয়োজন করা হয়েছে, একুশের বইমেলায়। মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলোকে একসাথে পাড়ি দেওয়া মনজুরুল হক এর চার ভাই-বোন এই মুহুর্তে ঢাকায় উপস্থিত আছেন।

তাদের উপস্থিতিতে এই মোড়ক উন্মোচনের অনুষ্ঠান উদযাপন করা হবে। চেষ্টা থাকবে মনজুরুল হক এর আম্মাকে (যাকে এই বইটি উৎসর্গ করা হয়েছে) অনুষ্ঠানে উপস্থিত করার।

১২. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৩৩
মনজুরুল হক বলেছেন:

অশেষ কৃতজ্ঞতা মুনশিয়ানা।

এক ধরণের মিশ্র অনুভূতি হচ্ছে! রাত এগারটার দিকে প্রকাশক ফোন করে জানাল-‌'কালই মেলায় উঠছে'। মেইল খুলে প্রচ্ছদটা পেলাম। নিশ্চিতভাবেই খুশি হওয়ার কথা...খুশি প্রকাশের জন্য একটু মাথা উঁচু করে দেওয়ালে তাকাতেই রিডিংগ্লাস খুলে ফেলতে হলো! স্মিত মুখে বাবা তাকিয়ে আছেন! কিছুতেই তিনি দেওয়ালে লটকানো ফ্রেম থেকে দেখতে পাবেন না তার অমিত সংগ্রামের কথাগুলো ছোট ছোট কালো অক্ষর হয়ে ছড়িয়ে পড়েছে!

বাবা যেন বলছেন---------------
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:২৬

লেখক বলেছেন: বাবা সবকিছু দেখছেন...

১৩. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৪৩
পন্ডিত বলেছেন: অভিনন্দন মনজুরুল হক এর জন্য সাথে কৃতজ্ঞতাও
১৫. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:২৯
মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন: অভিনন্দন মনজুর ভাই। দারুণ ভাল লাগছে খবরটা শুনে।

@ নাজিম ভাই, 'আ লিটল ফাইটার স্লিপিং উইথ আর্মস' ক্যাপশন দিয়ে বিদেশী একটা পত্রিকা এক কিশোর মুক্তিযোদ্ধার ছবি ছাপিয়ে ছিল। সেই দুঃসাহসী কিশোরের আত্মজীবনী এই গ্রন্থ।

বইয়ের প্রচ্ছদটা দারুণ!
১৬. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৩৭
ত্রিশোনকু বলেছেন: মুনশিয়ানা,

সকালে গিয়েছিলাম।
দুপুরে গিয়েছিলাম।
আসেনি এখনো।

মনজুর বলেছেন যে বিকেলে আসবে।
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৩৬

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, আমিও সেরকম শুনলাম। ভেবেছিলাম বইটার কপি দেখে যেতে পারবো।

আমি আজ রাতে একটু কোলকাতা যাচ্ছি। ফিরবো এ মাসের শেষে। আমি চাই এই বইটার বহুল প্রচার হোক, এ ব্যাপারে সবার কাছেই সক্রিয় সহযোগীতা আশা করছি।

১৭. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৩২
অপ্‌সরা বলেছেন: আমি আছি এক নম্বরে। হাজার হোক ভাইয়ার বই না???:P
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০২

লেখক বলেছেন: আশা করছি আপনার ভুমিকা শুধু পাঠক হিসাবে থাকবে না।

১৮. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:০৪
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: ঐতিহ্যের বই গুলো ভাল হয়। ঐ পর্বগুলো দারুন ছিল। বই আকারে আসায় লেখককে অভিনন্দন। কেনার চেষ্টা করব।
১৯. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৩৮
শয়তান বলেছেন: যাক । অবশেষে :)
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০০

লেখক বলেছেন: ইয়েসা মহামান্য, অবশেষে... :)

২০. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০২
ত্রিশোনকু বলেছেন: "আমি আছি এক নম্বরে। হাজার হোক ভাইয়ার বই না???"



@অপ্‌সরা:


-আমিতো এক নম্বর হতেই গিয়েছিলাম ন'টার পর পরই। ১২:৫৫ পর্যন্ত আসেনি।
২১. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০৮
ত্রিশোনকু বলেছেন: "আমি আজ রাতে একটু কোলকাতা যাচ্ছি। ফিরবো এ মাসের শেষে।"

- আসার সুমায় রাবড়ি আইনেন খাইতাম মন্চায়।
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৩৬

লেখক বলেছেন: হাঃ হাঃ এত কিছু থাকতে রাবড়ি?

ঠিক আছে, আগে টেস করুম নে, ভাল লাগলে লয়ামু নে...

২২. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:০৯
শয়তান বলেছেন: এই পোষ্টটা শেয়ার করে দিছি ফেসবুক এ :)
২৩. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৩৫
ঘোর-কলিযুগ বলেছেন: রফিক আহমদ কিদওয়াই স্ট্রীট এ গিয়া রাবড়ি খাইলে মনটা ভইরা যাবে..., তয় তার আগে আশপাশের গুজরাটি দোকান থেইকা ডালমাখানি আর সবজি দিয়া ভাতটাও খাইয়া নিতে পারেন।
এটা ধরুনইচে যাওনের আগে ১নম্বর টিপস..
২৪. ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:২৮
অজন্তা তাজরীন বলেছেন: আপনার আতি সুন্দর ও যত্ন নিয়ে লেখা বইটির রিভিউতে , বইটি সম্পর্কে একটি সার্বিক ও সুস্পষ্ট ধারনা পাওয়া গেল। লেখাটি পড়ে বইটি কেনার একটি দায়িত্ব অনুভব করছি।
২৫. ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:১৭
মনজুরুল হক বলেছেন:

ধন্যবাদ অজন্তা তাজরীন। পোস্ট লেখক মুনশিয়ানা আজ হঠাৎ দেশের বাইরে চলে গেলেন, তাই তার হয়ে আপনার মন্তব্যের উত্তর দিচ্ছি।

আশা করি মেলায় দেখা হয়ে যেতে পারে।
ভাল থাকুন।
২৬. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:৩৬
রুবেল শাহ বলেছেন:
লেখাটা fb তে শেয়ার করছি ...............
ধন্যবাদ মুনশিয়ানা কে সুন্দর রিভিউ এর জন্য ......

 

মোট সময় লেগেছে ২.১৪৫৭ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আপনারে লয়ে বিব্রত রহিতে, আসে নাই কেহ ধরনী পরে- সকলে আমরা সকলের জন্য- প্রত্যেকে আমরা পরের তরে-
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই