অনেকদিন ব্লগে কিছু লিখা হয় না।কি লিখব ভেবে পাই না।আচ্ছা ভাবাভাবি বাদ। আসেন প্রথমে একটা কৌতুক শুনে আসি-
এক প্রবাসী দীর্ঘ ১০ বছর প্রবাসজীবন কাটানোর পর দেশে ফিরেছেন।এক আত্নীয়ের বাসায় দাওয়াত খেতে এসেছেন।টিভিতে বসে বসে বাংলা ছবি দেখছেন। ছবিতে নায়ক-নায়িকা জসিম-শাবানা কলেজে পড়ে।তা দেখে ওই প্রবাস ফেরত বাঙালীর সরস মন্তব্য-
দেশে সেশনজটের অবস্থা খারাপ জানতাম। তবে এতটা খারাপ তা আজ বুঝলাম।
ভদ্রলোক ফান করে বলেছিলেন না সিরিয়াসলি বলেছিলেন কে জানে? তবে খুব একটা খারাপ বোধহয় বলেন নি। ২০০৭ সালে ইন্টার পাশ করার পর অনেক শখ করে এক পাবলিক ভার্সিটিতে ভর্তি হয়েছিলাম।এখন পর্যন্ত সেকেন্ড ইয়ার ই পার করতে পারলাম না।অথচ অন্যান্য ভার্সিটির ফ্রেন্ডরা ( কি পাবলিক কি প্রাইভেট) হয় থার্ড ইয়ারের শেষের দিকে অথবা ফাইনাল ইয়ারের শুরুর দিকে। তাদের ব্যঙ্গ-বিদ্রূপের ঠেলায় টেকা যায় না।আফসোস.....
হে সেশনজট......তুমি মোরে করেছো মহান....বানিয়েছো জসিম....শুধু শাবানা দাও নি......
এবার একটা বেশ পুরনো ক্রিকেটীয় কৌতুক। বছর ছয়-সাতেক আগে শুনেছিলাম।
কানাডা,বাংলাদেশ ও কেনিয়া দলের অধিনায়করা গেছেন ক্রিকেট ঈশ্বরের সাথে দেখা করতে।
কানাডা অধিনায়ক-ঈশ্বর,আমরা কবে বিশ্বকাপ জিততে পারবো?
ঈশ্বর-১০০ বছর পরে বাছা।
কানাডা অধিনায়ক উত্তর শুনে হাউমাউ করে কাঁদতে কাঁদতে বেরিয়ে আসলেন।
এবার কেনিয়ান অধিনায়ক,একই প্রশ্ন।
ঈশ্বরের জবাব-আরও ৫০ বছর পরে বাছা।
কেনিয়ান অধিনায়ক চোখ মুছতে মুছতে বের হলেন।
এবার বাংলাদেশ অধিনায়কের পালা।
-ঈশ্বর,আমরা কবে বিশ্বকাপ জিততে পারবো?
এবার ঈশ্বর নিজেই কেঁদে ফেললেন।
যাই হোক,ব্যাপার না। নিন্দুকদের বানানো কৌতুক। নিন্দুকদের অতীতেও অনেকবার জবাব দিয়েছি। ইনশাল্লাহ,ভবিষ্যতেও দেব। চাই শুধু সবার একটু সমর্থন।
লজ্জাজনকভাবে হেরেছি,মানছি।কিন্তু কি করে ভুলি মাত্র কিছুদিন আগেই আয়ারল্যান্ড ম্যাচ,কিংবা গত বছর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষের ম্যাচগুলো.....
যেই দল বছরে অন্তত: ৩-৪ বার করে হলেও আমাদের অপরিসীম আনন্দে ভাসায়,তাদের জন্য যদি ২-৩ বছরে ২-১ বার লজ্জায় পড়তেও হয়,তবে সেই লজ্জা মেনে নিতে আমি অন্তত: রাজি আছি।
সবাই অনেক অনেক ভাল থাকুন......

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



