somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

একটি বিতর্কিত বিষয়ঃ বঙ্গবন্ধু কি গ্রেফতার হয়েছিলেন? নাকি আত্মসমর্পণ করেছিলেন?

১৪ ই জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ তারিখে বঙ্গবন্ধু কি গ্রেফতার হয়েছিলেন? নাকি আত্ম সমর্পণ করেছিলেন? আমাদের ইতিহাসবিদগণ আর বুদ্ধিজীবিগণ একেকসময় একেক রকমের কথা বলেন। কিন্তু সঠিক ঘটনাটি কি? এবার বিতর্কিত বিষয়টির ফয়সালা করবেন ব্লগার বন্ধুরা।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকোনো ষড়যন্ত্র সফল করতে হলে জাতির মধ্যে বিভাজনের প্রয়োজন হয়। বাংলাদেশকে মৌলবাদী, সন্ত্রাসী, ব্যর্থ ও অকার্যকর এবং প্রতিবেশী দেশের তাঁবেদারি রাষ্ট্রে পরিণত করার ষড়যন্ত্রে একটি মহল সদা তৎপর রয়েছে। তারা স্বাধীনতার পক্ষে-বিপক্ষের ধুয়া তুলে জাতির মধ্যে বিভাজন ধরে রাখার জন্য মাঝে মধ্যে কিছু বিষয় নিয়ে অহেতুক বিতর্কের সৃষ্টি করে। বর্তমানে এসব বিষয়ের মধ্যে রয়েছে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধে বিরোধিতাকারী দলকে রাজনীতি করতে না দেয়া, রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাতিল করা ইত্যাদি। ইদানীং নারী উন্নয়ন নীতিমালা নিয়ে বিতর্ক হচ্ছে। এছাড়া আরো কিছু বিতর্কিত বিষয় রয়েছে যেগুলো স্বাধীনতার ৩৭ বছরেও নিষ্পত্তি হয়নি। যেমন- স্বাধীনতার ঘোষণা, জাতীয়তাবাদ, জাতির পিতা, জাতির স্থপতি ইত্যাদি। এমনি একটি বিতর্কিত বিষয় হচ্ছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ আত্মসমর্পণ করেছিলেন নাকি পাক হানাদার বাহিনী তাকে গ্রেপ্তার করেছিল। কারো মতে তিনি স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করেছিলেন, আবার কারো মতে পাক বাহিনী তাকে গ্রেপ্তার করেছিল। স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করে গ্রেপ্তার বরণ করা আর গ্রেপ্তার করে নিয়ে যাওয়া এক কথা নয়। এ বিষয়ে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত কিছু লেখকের ভাষ্য এ নিবন্ধে তুলে ধরা হলো।
মাহমুদুর রহমান লিখেছেন, ‘১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধ আরম্ভের ঠিক পূর্বে আমাদের দু’জন নেতা পাকিস্তানি সামরিক জান্তার কাছে আত্মসমর্পণ করেছিলেন। একজন অবশ্যই স্বাধীনতা যুদ্ধের অবিসংবাদিত নেতা মরহুম শেখ মুজিবুর রহমান। দেশের সাড়ে সাত কোটি জনগণকে শত্রুর কামানের মুখে রেখে কেন তিনি এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিলেন তার ভাসা ভাসা কিছু ব্যাখ্যা আমরা শুনেছি। কেউ এ ব্যাখ্যা গ্রহণ করেছেন আবার কেউ করেননি।’ (নয়া দিগন্ত ২৩.৪.২০০৮)
ফরহাদ মজহার লিখেছেন, ‘শেখ মুজিব অসাধারণ দূরদর্শী ছিলেন এবং অন্তত এই ধরা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে তিনি দারুণ বিচক্ষণতার পরিচয় দিয়ে গেছেন। এটা তার নেতৃত্বের চূড়ান্ত অভিপ্রকাশ। ধরা দেয়াটা তার মৌলিক পারফরম্যান্স। এই বিশাল সিদ্ধান্ত নেয়ার সময় তিনি শুধু তার বুদ্ধি খাটাননি, তার সফল বৃত্তিকে কাজে লাগিয়েছেন। চিন্তার যে সীমানায় এসে পৌঁছালে বুদ্ধি আর বিশেষ কাজে লাগে না, যুক্তি যেখানে খুব একটা সহায় হয় না, যে সীমান্তে এসে শুধুমাত্র নিজের প্রজ্ঞার উপর নির্ভর করতে হয়। তিনি ঠিক সেই কাজটিই করেছেন। আজ যখন ইতিহাসের পেছন দিকে তাকাই তখন মনে হয় দখলদার পাকিস্তানি সৈন্যের হাতে ধরা দিয়ে তিনি যে অসাধারণ প্রজ্ঞার পরিচয় দিয়েছেন তার তুলনা হয় না। এই কাজটি যদি তিনি না করতেন তবে বাংলাদেশ স্বাধীন হতো কিনা সে বিষয়ে আমি ঘোরতরভাবে সন্দেহ করি।’
এ প্রসঙ্গে তিনি বদরুদ্দিন উমরের লেখার উদ্ধৃতি দিয়েছেন, ‘শেখ মুজিবের আত্মসমর্পণের আসল কারণ ছিল সংসদীয় রাজনীতিতে অভ্যস্ত এবং কোনো ধরনের সশস্ত্র সংগ্রামের চিন্তা করতে অনভ্যস্ত (যদিও তার শিষ্য সাগরেদ ও মতলববাজরা তার সমস্ত সংগ্রামের পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি সম্পর্কে গাঁজাখুরি গল্প এখন তৈরি করছে) থাকায় হঠাৎ করে যুদ্ধে যাওয়া তাঁর পক্ষে অসম্ভব ছিল।’ (ভোরের কাগজ ৪.৭.১৯৯৫)
আবদুল হালিম লিখেছেন, ‘বঙ্গবন্ধু ধরা দিয়েছিলেন অর্থাৎ আত্মসমর্পণ করেছিলেন এই বক্তব্য সঠিক নয়।... আমরা বলতে চাই, বঙ্গবন্ধু তাঁর বাড়িতে যেটা তার দফতরও বটে (ওই সময় বঙ্গবন্ধু সমান্তরাল সরকার পরিচালনা করেছেন অসহযোগ আন্দোলনের মাধ্যমে একথা অনেকেই বলেছেন) অবস্থান করছিলেন এবং পাকিস্তানি সৈন্যদল সেখানে গিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার বা বন্দি করে নিয়ে যায়। এটাকে ধরা দেয়া বা আত্মসমর্পণ করা বলে না। বস্তুত, পাকিস্তানিরা তাকে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট রাষ্ট্রনায়ক হিসেবেই বন্দি করেছিলেন। এর আংশিক স্বীকৃতি পাওয়া যায় এ ঘটনা থেকে যে, বঙ্গবন্ধুকে বন্দি করে পাকিস্তান তথা পশ্চিম পাকিস্তানে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। যদি তাকে শুধু গ্রেপ্তার করা হতো তাহলে তাকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে রাখলেই চলতো। কিন্তু পাকিস্তানিরা বন্দি করেছিল বাংলাদেশের প্রেসিডেন্টকে এবং মূলত সে কারণেই তারা তাকে নিয়ে যায় নিজেদের দেশ পাকিস্তানে।’ (সংবাদ ১০.৫.১৯৯৫)
১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু ঢাকায় ফিরে এসে রেসকোর্সের ময়দানে ভাষণ দানকালে বলেছিলেন, ‘১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পশ্চিম পাকিস্তানি সৈন্যদের হাতে বন্দি হওয়ার পূর্বে আমার সহকর্মীরা আমাকে চলে যেতে অনুরোধ করেন। আমি তখন তাদের বলেছিলাম, বাংলাদেশের সাড়ে সাত কোটি মানুষকে বিপদের মুখে রেখে আমি যাব না। মরতে হলে আমি এখানেই মরব। বাংলা আমার প্রাণের চেয়েও প্রিয়। তাজউদ্দিন এবং আমার অন্য সহকর্মীরা তখন কাঁদতে শুরু করেন।’ (বাংলার বাণী ১৫.৮.১৯৯৫)
শফিক রেহমান লিখেছেন, ‘পচিশে মার্চের রাতে কেন তিনি পাকিস্তানি সৈন্যদের হাতে আত্মসমর্পণ করেছিলেন তার কোনো সদুত্তর তিনি দেননি। তার অনুপস্থিতিতে মুক্তিযুদ্ধের মহানায়ক রূপে উপস্থিত হন তাজউদ্দিন আহমদ।’ (যায়যায়দিন ১৭.১১.১৯৯৮)
বিবিসির সিরাজুর রহমান লিখেছেন, ‘যতো দূর প্রমাণ পাওয়া যায় ২৫ মার্চ রাতের আগেই পাকিস্তানিরা তাকে গ্রেপ্তার করে পশ্চিম পাকিস্তানে নিয়ে গিয়েছিল। সে রাতে সহকর্মীদের মধ্যে সর্বশেষ তার কাছে ছিলেন তার দুই উপদেষ্টা জমিরউদ্দিন আহমেদ ও ব্যারিস্টার আমীর-উল-ইসলাম। ১৯৮৬ সালে স্বাধীনতার ১৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে আমি তাদের উভয়েরই সবিস্তার সাক্ষাৎকার নিয়েছিলাম। তাদের উক্তি মতো শেখ মুজিব সে রাতেও আশা করেছিলেন যে প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়ার সঙ্গে একটি সমঝোতা হবে, তিনি সারা পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হবেন। তিনি তার এ দুই উপদেষ্টার কাছে স্বাক্ষরিত কোনো যুদ্ধের আহ্বান রেখে গিয়েছিলেন বলে তারা উল্লেখ করেননি।’ (যায়যায়দিন ১১.৪.২০০০)
চট্টগ্রামের বেগম মুশতারী শফীর উদ্ধৃতি দিয়ে মোবায়দুর রহমান লিখেছেন, ‘বঙ্গবন্ধু নিজের ইচ্ছায় ধরা দিয়েছেন? তাকে পাকিস্তানি সৈন্যরা ধরে নিয়ে যায়নি। জহুরুল কাইয়ুম মাথা নেড়ে মুচকি হাসলেন। তারপর এদিক ওদিক ফিরে একটু নিম্নস্বরে বললেন, তবে একথা এখন কাউকে বলবেন না। তিনি যে ধরা দিলেন আমি তার সাক্ষী।’ (সাপ্তাহিক পূর্ণিমা ১৫.৩.২০০০)
খন্দকার মজহারুল করিম লিখেছেন, ‘আত্মগোপন করার বদলে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার বরণ করে জাতির পিতা আসলে দূরদৃষ্টিরই পরিচয় দিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধু পলাতক অবস্থায় ধরা পড়লে ওই কূটনৈতিক মর্যাদা, সম্মান ও সুযোগ-সুবিধাগুলো থেকে বঞ্চিত হতেন। জাতির মুক্তি সংগ্রামও দুর্বল হয়ে পড়তো। এমনকি পলাতক অবস্থায় বিদেশে গিয়ে মুুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বে সমাসীন হলেও তিনি জাতির জন্য ওই আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সনদভুক্ত সুবিধাদি আদায় করতে পারতেন না। তাই ক্ষিপ্ত-উচ্ছৃঙ্খল সেনাবাহিনীর হাতে অপঘাত মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়েও তিনি নিজ বাসভবনে গ্রেপ্তার বরণ করেন।’ (দৈনিক ইত্তেফাক ২৮. ৯. ২০০০)
পশ্চিম বাংলার সাংবাদিক জ্যোতি সেন গুপ্তের উদ্ধৃতি দিয়ে মাসুদুল হক লিখেছেন, ‘আগের রাতে ১৯৭১ সালের ২৪ মার্চ গোয়েন্দা সূত্র আওয়ামী লীগকে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর হামলার কথা জানিয়ে দেয়। জেনারেল ওসমানী ধানমন্ডির বাসভবনে আসেন শেখের সঙ্গে দেখা করতে এবং তিনি তাকে একই খবর দেন। ওইদিন শেষ রাত পর্যন্ত করণীয় নিয়ে তারা আলোচনা করেন। সিদ্ধান্ত নেয়া হয়, তারা আত্মগোপন করবেন এবং পালিয়ে ভারতে চলে যাবেন। কিন্তু ২৫ মার্চ সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় তাজউদ্দিন এসে দেখেন তিনি তার বিছানাপত্র গুছিয়ে তৈরি হয়ে আছেন। মুজিব তাকে বললেন যে, তিনি থেকে যাবেন- গ্রেপ্তার বরণ করবেন।’ (দৈনিক ইনকিলাব ২৬.৩.২০০৬)
ফয়েজ আহমদ লিখেছেন, ‘তিনি (বঙ্গবন্ধু) হয়তো ভেবেছিলেন আর্মির কাছে ধরা দিলে বাংলাদেশের ওপর হত্যা নির্যাতন হবে না অথবা কম হবে। তার এই শুভ মতিটা কোনোভাবেই কার্যকর হয়নি এবং এই চিন্তা সঠিক ছিল না। পাকিস্তানিরা বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধা ও অযোদ্ধা ৩০ লাখ লোককে হত্যা করেছে। তিনি গ্রেপ্তার হওয়ার পরেও। এতে দেখা যায়, তার উল্লিখিত চিন্তা সঠিক ছিল না।... কেউ কেউ ভাবেন, শেখ সাহেব ধরা দিয়ে পশ্চিম পাকিস্তানের নেতাদের কাছে কোনো প্রকার কনফেডারেশনের আশা করেছিলেন। আগস্ট মাসে সোভিয়েত রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের চুক্তি হওয়ার পর একথাটাই কলকাতার প্রবাসী সরকারের কাছে পরোক্ষভাবে বলা হয়েছে। কিন্তু শেখ সাহেব এ ব্যাপারে জানতেন কি-না তা কেউ জানে না।’ (আমার দেশ ২৬.৩.২০০৬)
প্রফেসর আহমদ নূরুল ইসলাম লিখেছেন, ‘আমাদের প্রশ্ন মিত্র ভারতে আশ্রয় গ্রহণ না করে মুজিব কেন ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে শত্রু পাকিস্তানিদের হাতে ধরা দিলেন? আমার ধারণা মুজিব সম্ভবত জানতেন, পাকিস্তানিদের হাত থকে আন্তর্জাতিক সহায়তায় হয়তো বাংলার মাটিতে ফিরে আসতে পারবেন। কিন্তু ভারতে চলে গেলে বাংলার মাটিতে তিনি ফিরে না-ও আসতে পারতেন।’ (নয়া দিগন্ত ৩০.১০.২০০৭)
পাকিস্তান সেনাবাহিনীর তৎকালীন কর্মকর্তা জেড এ খান রচিত ‘ওয়ে ইট ওয়াজ’ বইয়ের উদ্ধৃতি দিয়ে মুস্তাফিজ শফি লিখেছেন, ‘গ্রেনেড বিস্ফোরণ এবং সাবমেশিনগানের শব্দে শেখ মুজিব বদ্ধ কামরার ভেতর থেকে ডাক দিয়ে বলেন, যদি তাকে হত্যা করা হবে না এই নিশ্চয়তা দেয়া হয় তাহলে তিনি বেরিয়ে আসবেন। তাকে নিশ্চিত করা হয়। তখন তিনি বেরিয়ে আসেন। তিনি বের হয়ে আসার পর হাবিলদার মেজর খান ওয়াজির, পরবর্তী সময়ে সুবেদার তার গালে একটা সশব্দ চড় মেরেছিল।’ (সমকাল ২৫.৩.২০০৮)
আরো উদ্ধৃতি দেয়া যায়। কিন্তু এতে লেখার কলেবর বৃদ্ধি পাবে মাত্র। পরাশক্তি ও তাদের দেশীয় তাঁবেদারদের ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করতে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। এ দেশের জনগণই পাক বাহিনী ও তাদের দোসরদের ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করেছে। ঐক্যবদ্ধ হতে হলে জাতির মধ্যে বিভাজন দূর করতে হবে। বিভাজন দূর করতে হলে বিতর্কিত বিষয়গুলোর অবসান ঘটাতে হবে। বঙ্গবন্ধু স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করে গ্রেপ্তার বরণ করাতে বা তাকে গ্রেপ্তার করার ফলে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সশরীরে উপস্থিত না থাকলেও একথা সত্য যে, পুরো দেশের জনগণ মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছে বঙ্গবন্ধুর নাম করে। তিনিই ছিলেন সেদিনের বাংলাদেশের জনগণের এবং মুক্তিযুদ্ধের অবিসংবাদিত নেতা।
আমাদের এখন ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যেতে হবে। একটি ঐক্যবদ্ধ জাতির সৃষ্টি করতে অপারগ হলে আমাদের অগ্রগতি সম্ভব হবে না। জাতির অগ্রগতির লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ হতে অহেতুক সফল বিতর্কের অবসান কাম্য।

সূত্রঃ এ এম কায়েস চৌধুরী; দৈনিক যায়যায়দিন তারিখঃ ১৪ জুন ২০০৮












১৯টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে যায় লঙ্কায় সে হয় রাবণ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৩২


ব্যাংকের সিএসআর বা কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (Corporate Social Responsibility) তহবিল জিনিসটা খাতায় কলমে বড়ই পুণ্যের কাজ। ব্যাংক ব্যবসা করে লাভ করবে, সেই লাভের একটা অংশ সমাজের জন্য আলাদা রাখবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্মৃতির নৌকা

লিখেছেন সেজুতি_শিপু, ১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:১১


কোন কোনদিন আলোর শৈশবে চোখ মেলে
মাধবীলতার হাসিমুখ সম্ভাষণের ওপাশে স্বচ্ছ আকাশে
এক ঝাঁক কবুতরের ওড়াউড়ি দেখতে দেখতে-
নিজেকে বড় ভাগ্যবান বলে মনে হয়,
চকিতে অপার্থিব আলো যেন ঢুকে পড়ে আত্মায়।

কোন কোন সন্ধ‍্যেয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×