গতকালের প্রথম আলোতে পারসোনা ইস্যুতে এই পত্রিকাটি যে দুঃখজনক ভূমিকা রাখল তার পর আমার আর ২য় বার ভাবতে হয়নি যে এর সাথে আর থাকার মানে হয় না। বাসায় আজ থেকে প্রথম আলো পাল্টে নতুন পত্রিকা দিতে হকারকে বললাম। আমার এই অনুভূতি সচেতন অনেক পাঠকেরই হবে নিশ্চই। আমার নিজেকে প্রতারিত মনে হচ্ছে। এই পত্রিকাটি আমাকে এতবছর প্রতারিত করে এসেছে এটা ভাবতে গেলেই মাথায় রক্ত উঠে যাচ্ছে।
ভিকারুন্নেসা ইস্যু এর পর পারসোনা ইস্যু। এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে তাদের আচরন প্রমাণ করে তারা এমবেডেড জার্নালিজমের পূঁজারী। যদিও অনেকদিন থেকেই এদের ব্যাপারে মন খুতখুত করছিলো। সাধারন মানুষের স্বার্থের সাথে তারা নেই। তারা আমাদেরকে প্রকৃত ঘটনা জানাবেনা। বরং তারা যেভাবে ভাবে তাই তারা আমাদেরকে জানাবে। যদিও বাংলাদেশের মেইনষ্ট্রিম মিডিয়ার কমবেশী এইরকমই। এই হারামী মিডিয়ার কারণেই বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে প্রতিটি স্তরে স্তরে বিভেদ।
বিকল্প মিডিয়ার উপস্থিতির কারনেই এরা এবার ঘটনাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে পারেনি। তাই বলে চেষ্টা এখনও ছাড়েনি।
কালকের প্রথম আলো তার প্রমান।
তারা হয়তো ভাববে, আমার মত একজন নগন্য পাঠক কমে গেলে তাদের কিছু যাবে আসবে না। তারা যদি এটা ভাবে তাহলে তারা কোন স্বর্গে আছে আমি জানি না। নিকট অতীতের উদাহরন তাদের হাতে অবশ্যই আছে। ভোরের কাগজ, জনকন্ঠ এদুটি পত্রিকার পরিনতি তাদের কি মনে পড়ে না।
অতিরিক্ত সংযোজন:
সামাজিক, পারিবারিক সম্মানের হুমকি দিয়ে ভিক্টিমের স্বাক্ষরে কাল একটি বিবৃতি দেখলাম। কাল ফেসবুকে একটা পেজে দেখলাম-
একটা কাগজে একটা হাতি আঁকা হলো। তারপর নিচে লিখা হলো , এটা হাতি নয়, পিঁপড়া। তারপর নিচে দুজন সাইন করে দিলো। হাতি পিঁপড়া হয়ে গেলো।
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ১২:৩৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



