somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কাজী আনোয়ার হোসেনের গল্প (২)

৩১ শে জুলাই, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:০২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আজিমের বউ (শেষাংশ)
কাজী আনোয়ার হোসেন
----------------------

৬.বড়মামার গাড়ির টানা হর্ন শুনে বুক কাঁপতে শুরু করল মিতার। দোয়া-দরুদ পড়ে ফুঁ দিল বুকে, যাতে ভেঙে পড়ে সবার সামনে বেইজ্জত না হয়। গেটে এসে থামল গাড়ি। ওই তো, নামছে আজিম! সেই ঋজু, সুঠাম দেহ, চিতানো বুক, ব্যাকব্রাশ করা চুল; সেই স্বতঃস্ফূর্ত, উজ্জ্বল হাসি। আর পাশেÑওহ্, ভারী মিষ্টি তো মেয়েটা!Ñঠিক যেন ফুটফুটে এক লালপরী। বয়সটা যদিও একটু কমÑটেনেটুনে বড়জোর সতেরো হবে। কমনীয় চেহারাটা টুকটুকে লাল কাতান শাড়িতে কেবল সুন্দর না, অপূর্ব সুন্দর লাগছে দেখতে। ফোঁস করে একটা দীর্ঘশ্বাস পড়ল মিতার নিজেরই অজাšে-। চট্ করে ঘাড় ফিরিয়ে চাইলেন বড়খালা। মনটা শক্ত করল মিতা। দায়িত্বের কথা মনে পড়ল ওর। আজিম তখন মামা-খালুদের সালাম করে পরিচিতদের সঙ্গে হাত মেলাচ্ছে। মিষ্টি হাসি মুখে নিয়ে পাশে দাঁড়িয়ে ওর বউ। মুখ নাড়া দেখে কেন যেন মনে হলো আজিম জিজ্ঞেস করল: মিতা কই? মিতা আসেনি? তারপর হাতের ইশারায় এগোতে বলল বউকে। হাত-পা ঠাণ্ডা হয়ে গেছে মিতার, গরম ভাপ বেরোতে চাইছে দুই গাল আর কান দিয়ে। ও জানে না, ওর হিংসে করবার কোন কারণই নেই: ওর ফরসা গালের লালচে আভা, কোমর ছাড়িয়ে নেমে যাওয়া মেঘবরণ চুল, আর কাজল-কালো আয়ত চোখ এ-মুহূর্তে ওকে নববধূর চেয়ে অনেক-অনেক বেশি আকর্ষণীয় করে তুলেছে। এগিয়ে আসছে আজিম বউ নিয়ে। সবাই হুমড়ি খেয়ে পড়তে চাইছে ওদের ওপর। কী যেন বলল আজিম, হো-হো করে হেসে উঠল সবাই। খালা-খালুরা হাসছে, হাসছে মামা-মামীরাও, হেসে গড়িয়ে পড়ছে ছোটদের দল। কে যেন বলল, ‘একদম মায়ের চেহারা!’ এখনি খোঁজ পড়বে শরবতের। রান্নাঘরের দিকে ছুটল মিতা। সাদামাঠা শাড়ি পরে চলে এসেছে ও, লজ্জায় কুঁকড়ে যাচ্ছে ভাবতে যে, একটু পরেই ওর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেবে আজিম ওর বউকে। হাসবে মেয়েটা মেকাপবিহীন মিতার গ্রাম্যতা দেখে। হাসুক, সাধারণ এক স্কুল টিচার আর কত ভাল কাপড় পরবে। রান্নাঘরের দিকে যেতে যেতে আজিমের গমগমে গলা শুনতে পেল মিতা, ‘মিতা কোথায়? মিতাকে দেখছি না যে! মিতা গেল কোথায়?’ কে কী উত্তর দিল শোনার জন্য অপেক্ষা না করে হাঁটবার গতি বাড়িয়ে দিল মিতা। দৌড়ে পালিয়ে এলো রান্নাঘরের নিরাপদ আশ্রয়ে। ওখানে অলক আর রুবিকে দেখে বলল, ‘আমি শরবত গুলাচ্ছি, তোমরা কলটা ছেড়ে দিয়ে ট্রে-র গাসগুলো ভরে নিয়ে ছুট দাও, ঠিকাছে? দেখো, কেউ যেন বাদ না পড়ে।’ ছুটল ওরা ট্রে-ভর্তি শরবতের গাস নিয়ে। টুলের ওপর দাঁড়িয়ে শরবত গুলাতে গুলাতে আরও কয়েকবার আজিমের গলা শুনতে পেল মিতা। ‘মিতা গেল কই? কোথায় মিতা?’ ক্রমেই কাছে চলে আসছে গলাটা। কোথাও লুকাতে পারলে হতো, ভাবছে মিতা। কিন্তু তার আগেই দেখল নীল জিন্স পরা একজোড়া পা ব্য¯- ভঙ্গিতে এগিয়ে আসছে রান্নাঘরের দিকে।

৭. মাথা নিচু করে ঢুকল আজিম রান্নাঘরের মেয়েলি-সাইজ দরজা দিয়ে। টুলের ওপর দাঁড়ানো মিতাকে দেখল আপাদম¯-ক। একগাল হেসে বলল, ‘কি ব্যাপার, মিতা? সারা বাড়ি খুঁজে কোত্থাও পাচ্ছি না তোমাকে! শেষে নানু বলল: দেখ্ গিয়ে, রান্নাঘরে থাকতে পারে। আমি এলাম, খুঁজে মরছি তোমাকে, আর এখানে লুকিয়ে রয়েছ তুমি?’ ‘লুকিয়ে কোথায়?’ বলল মিতা। ‘আমি তো সম্বর্ধনার কাজে ব্য¯-!’ আরেক টুকরো বরফ ড্রামে ফেলবে কি না ভাবছিল ও, কথা বলতে গিয়ে হাত ফসকে পড়ে গেল ওটা ড্রামে। ‘এইয-যাহ্! আজিম ভাই, এতবড় বরফের চাঁই তো পানসে করে দেবে শরবত!’ বরফ তুলতে গিয়ে মিতার গায়ে ছিটকে এলো শরবত। হা-হা করে হেসে উঠল আজিম। ‘তোমার হাতের তৈরি শরবত, কিচ্ছু ভেবো না, মিষ্টিই থাকবে।’ এই বলে রুমাল বের করে সোৎসাহে মুছিয়ে দিল ও মিতার হাত, শাড়ি, কপাল। হঠাৎ মিতার চোখে চোখ পড়ল আজিমের। চট্ করে হাতটা ছেড়ে দিয়ে আড়ষ্ট ভঙ্গিতে হাসল ও। ‘তোমার চিঠি পেয়েছি,’ টুল থেকে নেমে বলল মিতা। ‘কী বলতে চেয়েছিলে বুঝতে পেরেছি। সত্যিই, দারুণ! অপূর্ব সুন্দরী মেয়েটা!’ ‘সত্যিই! তাই না?’ বলল আজিম। ‘যেমন দেখতে, তেমনি ওর ব্যবহার, চালচলন। ঠিক যেন মাঝবয়েসী গিন্নি একটা। আমি পাকশি আসছি শুনে কিছুতেই ছাড়ল না। এখন চুটিয়ে গল্প করছে নানীদের সঙ্গে। কিন্তুÑহোয়াট ডু ইউ মীন বাই বুঝতে পেরেছি? কী বুঝতে পেরেছ? তুমি জানতে তোমার জন্যে কী নিয়ে ছুটে আসছি আমি ঢাকা থেকে?’ ‘ছুটে আসছ...আমার জন্যে! মানে?’ ‘অনেক ভেবে দেখলাম, মিতা। মাঝে হাসপাতালে ছিলাম বেশ কিছুদিন। এতদিন ভেবেছিলাম আমাদের সম্পর্কটা বুঝি শুধুই বন্ধুত্বের, কিন্তু হাসপাতালের বেডে শুয়ে-শুয়ে হঠাৎ বুঝতে পারলাম, তোমাকে আমার চাই-ই চাই। বুঝে গেছি, তোমাকে ছাড়া সত্যিই আমি বাঁচব না, মিতা।’ কিন্তু ততদিনে যা হবার হয়ে গেছে, বিয়ে করে বসেছে একটা কচি মেয়েকে। মিতা বুঝতে পারছে আজিমের মনের অবস্থাটা। যখন পরিষ্কার বুঝল সব, তখন দেরি হয়ে গেছে অনেক। আজিমের একটা হাত ধরল মিতা। নরম চোখে চাইল ওর চোখে। বলল, ‘এসব কথা থাক, আজিম ভাই। আর কখনও উচ্চারণ কোরো না একথা। আমিও কি ছাই জানতাম তুমি আমার কী ছিলে? এখন মন থেকে ঝেড়ে ফেলো সব স্মৃতি। সব এখন অতীত। ভুলেও ভেবো না আর, কী হতে পারত। তুমিÑ’ ‘এসব কী বলছ তুমি, মিতা?’ তাজ্জব হয়ে গেছে আজিম। ফ্যাকাসে হয়ে গেছে ওর হাসিখুশি মুখটা। ‘বলছি, বিয়ের পর এসব নিয়ে আর ভাবতে নেই।’ এতক্ষণে হাসিতে উদ্ভাসিত হয়ে উঠল আজিমের মুখ। বলল, ‘অ্যাঁ? বিয়ের পর মানে? কে বলেছে আমি বিয়ে করেছি? তুমিও বুঝি তাই বিশ্বাস করেছ?’ ‘কেন? করোনি বিয়ে?’ দিশেহারা মিতার চেহারা। হাসি আসছে, কিন্তু মিতার মনের অবস্থা বুঝতে পেরে মন খুলে হাসতেও পারছে না আজিম। বলল, ‘মউ? মউয়ের কথা বলছ? ও তো আমার আপন ভাগ্নী!’ ‘কী বললে?’ ‘তাই তো! সঙ্গে মউকে নিয়ে আসছি বলায় নানু শুনেছে বউকে নিয়ে আসছি। ও হলো শাš-া আপুর মেয়ে, এসএসসি দিয়ে বসে ছিল, চেপে ধরল মামার সঙ্গে ও-ও যাবে ওর মা’র নানীবাড়ি। গেটের কাছে সবার ভুল ভেঙে দেওয়ায় কি রকম হাসির হুলোড় উঠলÑতুমি শোনোনি?’ শুনেছে, কিন্তু বুঝতে পারেনি মিতা। হঠাৎ করে বড্ডো দুর্বল বোধ করছে, অবশ লাগছে শরীরটা। আজিমের চোখে চোখ রেখেই নামিয়ে নিল দৃষ্টি। ওর চিবুক ধরে মুখটা উঁচু করল আজিম, কিন্তু চোখ তুলল না মিতা। নিচু গলায় জিজ্ঞেস করল, ‘কী এনেছ আমার জন্যে?’ পকেট থেকে ছোট্ট একটা বাক্স বের করল আজিম, লাজুক ভঙ্গিতে হাসছে। বাক্সটা খুলতেই বেরিয়ে পড়ল বড়সড় হীরে বসানো ঝকঝকে একটা সোনার আংটি। ওটা দেখেই কাঁপা শ্বাস টেনে দম আটকে ফেলল মিতা। ওর বামহাতটা তুলে নিল আজিম তার শক্ত, পুরুষালি হাতে। ‘দিই পরিয়ে?’ বলে অনুমতির অপেক্ষা না করেই পরিয়ে দিল ওটা মিতার অনামিকায়। দুটো দিনের অসহ্য মানসিক চাপ আর সামলাতে পারল না মিতা, ডুকরে কেঁদে উঠে মুখ লুকাল আজিমের বুকে।


৮.এমনি সময়ে রান্নাঘরে ঢুকলেন নানীজি। ‘অই, ছ্যারা! কী করছত অরে? আমার মিতা কান্দে ক্যান?’ ‘আমি কিচ্ছু করিনি, নানু। বিশ্বাস করো। এইটা পরিয়ে দিতেই কেঁদে উঠল!’ মিতার হাতের দিকে চাইলেন নানীজি। ‘আংটি! কীয়ের আংটি?’ ভুরুজোড়া কপালে তুললেন নানীজি। তারপর একগাল হাসলেন। ‘আইচ্ছা! এই বিয়াপার? আমিও তো এরই লেইগা নিচে নামলাম। আমরা আইজই কামটা সাইরা ফালাইতে চাই।’ নানীজির পিছন থেকে কথা বলে উঠলেন মেজো মামা, ‘কিন্তু ওদের বাপ-মাকে না জানিয়ে...’ চমকে ঘাড় ফিরিয়ে দেখল ওরা পুরো ব্যাটেলিয়ান নানুর পিছনে খাড়া। চট্ করে সরে দাঁড়াল মিতা। ‘খলিল, তুই চুপ র্ক! অই, ফজল, তুই লৌরায়া গিয়া কাজী সাবেরে লইয়া আয়। শুব কামে জলি জলি! ঘর রেডি, সাজানি কমপিলিট, খানাপিনা তৈয়ার, আমরা হ¹লতে হাজিরÑতাইলে আর দেরি কীয়ের?’ মায়ের আদেশ পেয়ে ছুটলেন বড় মামা। ‘আর খলিল, যা তো, বাপÑবাবুর্চিগো কইয়া দে, অহনি জানি খাওনটি বাইরা না ফালায়।’ ছুটলেন মেজো মামাও। ছোটখালা বললেন, ‘কিন্তু, মা, এই কাপড়ে মিতার বিয়ে হবে কী করে? ফটো উঠলে কেমন দেখাবে?’ ‘আরে রাখ্! তগো বাবলু ক্যামেরাম্যান আর কী ফোটু তুলব! আর, এই কাপড়ে বিয়া হইব মাইনি? আমার বেনারসি পইরা বিয়া হইব মিতার। নাত-বৌয়ের লেইগা আলাদা কইরা গয়না রাইখা দিছি নাÑহেইটি পইরা বিয়া হইব।’ একটু চিš-ায় পড়লেন নানীজি, ‘অহন এই ছ্যারারে কী পরাই? মনে অইতাসে কইত্তে বাদাইম্যা একটারে দইরা আইনা আমোগো রাজকইন্যার লগেÑ’ ‘এক কাজ করলেই তো হয়,’ বুদ্ধি জোগাল রুবি। ‘নানার শেরোয়ানি আর পাগড়ি দেখেছিলাম না, নানু, তোমার স্টীলের আলমারিতে?’ ‘ঠিক কইছে তো ছেমরি!’ সব সমস্যার সমাধান হয়ে গেল। নানীজি হুকুম করলেন, ‘এইবার পোলা আর মাইয়ার দল ফারাক যাও। পোলারা এই ছ্যারারে লইয়া যাওগা, ঠিকঠাক মথন রেডি কইরা আনবা। রাইত আটটায় বিয়া। আমরা আমাগো মাইয়া লইয়া দোতালায় গেলাম।’ হই-হই করে আজিমকে ঘিরে ধরল ছোটরা। ছোটমামার নেতৃত্বে চলল ওরা দহলিজঘরের দিকে। ঘাড় ফিরিয়ে মামা বললেন, ‘মা, হাতে বেশি সময় নেই; আমাদের আচকান-পাগড়ি পাঠিয়ে দিয়ো তাড়াতাড়ি।’ গলা নামিয়ে আজিমকে বললেন, ‘তোর বাপকে একটা খবর দেওয়া দরকার ছিল না?’ ‘বলেই এসেছি, মামা। বাবা বলল: তোর মামারা আছেন ওখানে, কোনও অসুবিধে হবে না; এই সুযোগে আমি আরও দুটো টাকা কামিয়ে নিই।’ ‘দুলাভাইয়ের খালি সবতেই ঠাট্টা!’ ‘আসলে মাইল্ড একটা স্ট্রোক হয়ে গেছে তো, বেশি নড়াচড়া নিষেধ।’

৯. অবাক লাগছে মিতার, মনে হচ্ছে স্বপ্ন দেখছে জেগে-জেগে। সবাই মিলে সত্যিসত্যিই ওকে রাজকন্যে বানিয়ে দিল আধ ঘণ্টার মধ্যে। বড়খালা ওর চিবুক নেড়ে কপালে চুমু দিলেন। নানীজির বিয়ের বেনারসি একদম নতুন হয়ে আছে। দারুণ মানিয়েছে গহনাগুলোও। বিয়ের আসরে ওকে দেখে প্রথমে চিনতেই পারেনি আজিম, হাঁ করে চেয়ে ছিল বোকার মত। ঠিক আটটায় বিয়ে হয়ে গেল ওদের। সবাই তৃপ্তির সঙ্গে খেয়েদেয়ে ঢেকুর তুলে ইরিনার থালা থেকে পান তুলে নিয়ে যে-যার বাড়ি চলে গেল। সব শেষ হয়ে গেলে সন্তুষ্টচিত্তে হাসলেন নানীজি। ভাবলেন, তাঁকেও কি এই শাড়ি পরে এমনই সুন্দর লেগেছিল আজ থেকে পঞ্চাশ বছর আগে? বিড়বিড় করে আপনমনে বললেন, ‘কী কপাল! পাইয়া গেলাম মনের মথন নাত-বৌ! কিন্তুক, আসলেই কি ‘মউ’রে ‘বউ’ হুনছিলাম?’ দুষ্টু হাসি খেলে গেল তার ঠোঁটে!
-----------------------
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে জুলাই, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:০৪
৬টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

শিক্ষা খাতে শুরু হয়েছে তারেক রহমান ম্যাজিক

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:২৯


রাজনীতির মাঠে ক্ষমতার হাতবদল যেমনই হোক না কেন, সাধারণ মানুষের আসল নজর থাকে জীবনের মৌলিক জায়গাগুলোতে। আর একটি দেশের ভবিষ্যৎ বদলে দেওয়ার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো শিক্ষা ব্যবস্থা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এমন কেন?

লিখেছেন তাই-ফি, ০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ৩:৪৪

একটা গল্প দিয়ে শুরু করা যাক।

শেষ বিচারের পর নরকে শাস্তি ভোগ করছে পাপীরা। বিশাল বিশাল তেলের ড্রামে তাদের একবার ডুবিয়ে আবার ভাসিয়ে তোলা হচ্ছে। প্রতিটি ড্রামের সামনে একজন করে পাহারাদার... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×