
বহু শখ করে ডাচ বাংলা ব্যাঙ্কে একাউন্ট করেছিলাম। এই মাসে একাউন্ট বন্ধ করে দিবো।
কারনগুলো হচ্ছে:::
১। ১০০টাকার নোট আর পাই না। মাঝে মাঝে ৫০০টাকার নোটও পাওয়া যায় না।
২। শত শত বুথ থাকতে পারে সারাদেশে। কিন্তু কাজের সময় এর ৯০% গুলোতেই হয় টাকা থাকে না নাহয় নেটওয়ার্ক প্রবলেম থাকে
৩। কার্ড আটকিয়ে যাবার মত ঘটনা অনেক ঘটছে, যদিও আমি এখনও এর মুখোমুখি হই নি। ভাগ্য কিছুটা ভালো বলেই মনে হচ্ছে।
৪। টাকা না দিলেও ব্যালেন্স থেকে টাকা কেটে নেবার মত ঘটনা ঘটেছে, যা ফেরত পেতে অনেক কাঠ খড় পোড়াতে হয়েছে।
৫। বছরে ৬০০টাকা চার্জ কেটে নেবার কথায় আমি একাউন্ট খুলেছিলাম যা পরবর্তীতে কোনোরকম পূর্বঘোষণা ছাড়াই দ্বিগুন করা হয়েছে
৬। সবকিছু মেনে নিয়েও এর সাথে ছিলাম। কিন্তু গত মাসখানেক যাবত ক্যাম্পাসে ক্যম্পাসে ঘুরে ভিক্ষার ঝুলি হাতে নিয়ে এরা শত শত স্টূডেন্টদের একাউন্ট খুলিয়েছে। আর এখন তারা হঠাত করে মিনিমাম ব্যালেন্স ৫০০টাকা থেকে ৪গুন বৃদ্ধি করে ২০০০টাকা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এরপর এই জোচ্চোর ব্যাঙ্কের সাথে থেকে আর লাভ নেই। তাই একাউন্ট বন্ধ করে দিতে হচ্ছে। নাহলে জুলাই মাসে একাউন্ট বন্ধ করতে গেলে জমা ৫০০টাকা তো দিবেই না, উলটো আরও ৬০০টাকা পরবর্তী অর্ধ বছরের জন্যে চেয়ে বসতে পারে।
ছাত্র থেকে শুরু করে নিম্ন আয়ের জনসাধারনকে ১০০০ টাকায় একাউন্ট খোলা এবং ৫০০ টাকা একাউন্টে রাখা বাধ্যতামুলক নিয়মে গনহারে একাউন্ট খুলিয়ে এখন এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে এদের বিপদে ফেলে ব্যাংক তার রিজার্ভ বাড়িয়ে নিতে চাওয়ায় এমন উদ্দেশ্য কতটুকু যৌক্তিক!!!
এবার গনহারে সবাইকে একাউন্ট বন্ধ করে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিতে হবে। যদি এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয় তাহলে সকলে গনহারে এই ব্যাংক এর একাউন্ট ক্লোজ করে বুঝিয়ে দিন এটা ইংরেজ আমল নয়, যে বাঙলার মানুষের মাথায় যার যখন খুশি কাঁঠাল ভেঙ্গে খাবে।
তাই আসুন আমরা দলে দলে ডাচ বাংলা ব্যাঙ্কের একাউন্ট বন্ধ করে দেই।
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর মত এইগুলারে আবারও পশ্চাদ্দেশে লাথি দিয়া প্যাভিলিয়ানে ফেরত পাঠিয়ে দেই।
ডাচ বাংলায় কর্মরত কোনো ব্লগার এখানে থাকলেীই ব্যাপারে ব্যাংকের অবস্থান কিছুটা শেয়ার করলে আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে সুবিধা হবে।
ব্র্যাক ব্যাংক বা ব্যাংক এশিয়ার সার্ভিস ফি সম্পর্কে কারও জানা আছে??

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




