আমার প্রিয় পোস্ট

খুব জরুরী না ...

ধর্মান্ধরা মুড়ি খাও: চাঁদ দেখতেই হবে?

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ ভোর ৫:৪৩

শেয়ার করুন:                   Facebook

চাঁদ দেখা, কবে ঈদ ইত্যাদি প্রশ্নে মালয়শিয়া এবং সিঙ্গাপুরের দৃষ্টান্ত উল্লেখযোগ্য। এখানে কিন্তু আগে থেকেই নির্ধারিত থাকে কবে রোজা শুরু, কবে ঈদ। সেই অনুসারে একাডেমিক ক্যালেন্ডার এবং যাবতীয় ছুটির হিসাব ঠিক করা থাকে আগে থেকেই।

কিভাবে? এ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ক্যালকুলেশন থেকে। এবং এটা খুবই বৈজ্ঞানিক।

কাঠমোল্লা হুজুরেরা আপত্তি করতেই পারেন। কিন্তু যে হিসাবে অনেক আগে থেকেই সূর্য উদয় হওয়ার উপরে ভিত্তি করে ফযরের সময়, মাগরিবের সময় নির্ধারন করে প্রকাশ করা হয় কয়েক বছর আগেই এবং যার উপরে ভিত্তি করে নামাজিরা নামাজ পড়ে, সেটা কিন্তু প্রতিদিন সূর্য ওঠা সচক্ষে দেখে ঠিক করা নয়। সেটা আগে থেকেই হিসাব করা যায় এবং মুসলিমরা সেটা গ্রহন করেছে অনেক আগে থেকেই। কেউ এখন পূর্ব আকাশে সুবেহ সাদিকের রঙ দেখে ফযরের সময় জানতে যায় না। নামাজের টাইম টেবিল আগেই হিসেব করা। এবং সেটা সেকেন্ডে সেকেন্ডে নিখুঁত।

এমনকি ইফতারি করার সময় কেউ তাকিয়ে দেখে না কখন সূর্য ডুবছে। বড়ং ছাপানো সময়ের লিস্ট থেকেই আমরা জানি কখন ইফতারির সময়। এভাবে সূর্য ওঠা, অস্ত যাওয়া যেমন আগে থেকেই জানা যায়; একই ভাবে চাঁদ ওঠার দিনক্ষনও নিধর্ারন করা কোন ব্যাপার না।

একই যুক্তিতে এবং একইভাবে কবে চাঁদ দেখা যাবে, সেটা খুব বৈজ্ঞানিক ও নিখুঁত ভাবে বের করে আগে থেকেই জানা সম্ভব।

যারা তারপরেও গোঁ ধরে থাকতে চায় এই বলে যে: না নবী (সালাম) চাঁদ দেখে রোযা শুরু করতে বলেছেন তাদের বলি:
"আজ থেকে গাড়িতে না চড়ে, উট কিনে আনেন। উটে চড়েন।" নবী উটে চড়তেন।

গরু বা খাসী কুরবানী না দিয়ে দুম্বা বা উট দিয়েন। নবী সেটা করতেন।

চুল আচড়ানোর সময়ে আয়নায় মুখ না দেখে ঘষা পাথরের বাটিতে পানি নিয়ে চুল আচড়াবেন। কারন নবী সেটা করতেন। "

নিজেদের হাস্যকর প্রমান করায় তথাকথিত ধর্মের নামে অন্ধ মোল্লাদের জুড়ি নেই।

সময়ের চেয়ে অনেক অগ্রসর চিন্তা ভাবনার অধিকারী যে মানুষটা, সেই নবীর নামকে জড়িয়ে পশ্চাদপদতা দেখে নিশ্চই তিনিও ব্যাথিত হন মৃতু্য নামের মহাসিন্দুর ওপাড় থেকে।

[গাঢ়]মোরা ভুলে গিয়ে তব উদারতা,
সার করিয়াছি ধমার্ন্ধতা।
বেহেশত হতে ঝড়ে নাকো আর
তাই তবো রহমত।
ক্ষমা করো হযরত।[/গাঢ়]

 

প্রকাশ করা হয়েছে: ধমর্ান্ধরা মুড়ি খাও  বিভাগে ।

 

  • ৩৮ টি মন্তব্য
  • ৯৩৩ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ০ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:০৪
comment by: নাসিমা বলেছেন: রাইট
২. ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:১৩
comment by: অতিথি বলেছেন: সাদিক ভাই,
এ ব্যাপারে ডিফারেনস অফ অপিনিয়ন আছে, তাই বলে আপনার ধর্মান্ধরা মুড়ি খাও বলাটা ঠিক না।
উভয় পক্ষের আর্গুমেন্টের পেছনে দলিল আছে।।
আপনি এ আর্টিকেলটা পরতে পারেন, যদিও অনেক বড়।
[link|http://www.zaytuna.org/forms/Cesarean_Moon_Births_Pt_1.pdf| cvU
৩. ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:১৪
comment by: পথিক!!!!!!! বলেছেন: সেটাই তো বলতে চাই। কাল বন্ধুদের কে এক দিনে সারা বিশ্বে রোযা মুরর কথা বলতেই বলল, কবি হয়েছি তো , তাই নাকি ওসব নাফরমানি কথা বলছি .....কি করে বুঝাবা দোস্ত সাদিক ওসব বাঙগালী শিক্ষিত গনরে।
৪. ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:১৫
comment by: অতিথি বলেছেন: আরেকটা ব্যাপার, নামাজের সময় ঠিক করা আছে সুর্য থেকে, যার সাথে চাঁদ দেখার তুলনা করা যায় না।
৫. ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:১৫
comment by: অতিথি বলেছেন: গুড় ছাড়া, না গুড় সহ?
৬. ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:২২
comment by: অতিথি বলেছেন: পড়লাম।
৭. ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৫:২৮
comment by: অতিথি বলেছেন: পড়লাম।
ধর্মান্ধরা শুনলে বা মানলে ভালো।
তবে ধর্ম সুন্দর লাগে ধর্মান্ধদের জিকিরে।
৮. ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৫:৩৫
comment by: অতিথি বলেছেন: মন্তব্যের জন্য সবাইকে ধন্যবাদ।

দুরের কনঠস্বর আমি পড়ে দেখবো আশা রাখছি আপনার রেফারেনসটি। নি:সন্দেহে নবীর ট্রাডিশন আছে যে তিনি বলেছেন চাঁদ দেখে রমজান মাস শুরু করতে।

কিন্তু সব বক্তব্যের যেমন কনটেক্সট এবং যৌক্তিকতা, সময়, অডিয়েনস বিচার করতে হয়; সেই একই কথা চাঁদ দেখার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

নামাজের সময় সূর্য দেখে ঠিক করা হয়। এবং সে কারনে যদি এ্যাস্ট্রোলজিক্যাল ক্যালকুলেশন প্রযোজ্য হয়, তবে চাঁদের ক্ষেত্রেও প্র্রযোজ্য না হওয়ার কোন কারন নেই।

চাঁদ এমন কোন বিশেষ বস্তু নয় যাকে আলাদা ট্রিটমেন্ট করতে হবে । নতুন চাঁদের ব্যাপারে আরবদের বিশেষ ট্রিটমেন্ট ছিলো যার প্রতিউত্তরে নবীকে বলতে বলা হয়েছে, নতুন চাঁদ কেবলমাত্র মানুষের সময় নির্ধারনের পরিমাপক বিশেষ।

They ask you concerning the new moon. Say: They are times appointed for (the benefit of) men, and (for) the pilgrimage; and it is not righteousness that you should enter the houses at their backs, but righteousness is this that one should guard (against evil); and go into the houses by their doors and be careful (of your duty) to Allah, that you may be successful. (Surah Bakara, verse 189)

লক্ষ্যনীয় আয়াতে ঘরে পিছনের দরজা দিয়ে প্রবেশ করার প্রসঙ্গটি এসেছে। কুসংস্কারাচ্ছন্ন আরবরা বিশেষ সময়ে এই কাজটা করতো। চাঁদের প্রসঙ্গে সংস্কার ভেঙ্গে বেড়িয়ে আসার কথাটাও তাৎপর্যপূর্ণ কারন এখানে বলা হয়েছে অপ্রয়োজনীয় সংস্কার, পশ্চাদপদশীলতাকে ইসলাম সমথর্ন করে না।

আর ট্রাডিশনের কথা যদি আসে তবে একটা উদাহরন দেই। যেমন বলা হয়, ছায়ার দৈর্ঘ্য দেখে অমুক ওয়াক্ত নির্ধারন হবে। কিন্তু প্রাক্টিক্যাল ক্ষেত্রে কিন্তু সূর্য্যের সময় নির্ধারন করেই সেটা নামাজের ওয়াক্ত নির্ধারন হচ্ছে। এক্ষেত্রে সেই ছায়ার দৈঘ্যর্ের কথা আসলেও, যেটা বেশি স্টেট অফ দি আর্ট, বেশি আধুনিক সেটাই গ্রহন করা হচ্ছে।

মুসলিমদের সবসময়েই অগ্রসরগামী চিন্তার বিষয়ে উৎসাহিত করা হয়েছে। সুযোগ সুবিধাকে খোদার নিয়ামত হিসেবে ব্যবহার করতে বলা হয়েছে।

সুতরাং সেই গ্রাউন্ডে অবশ্যই আমি ক্যালকুলেশন ভিত্তিতে চাঁদের মাস নিধর্ারনের পক্ষে।

আর পোস্টটা ব্যক্তিগত দৃষ্টিভঙ্গি থেকে। ধর্মান্ধদের মুড়ি খেতে বলাটাও ব্যক্তিগত নিমন্ত্রন । এর সাথে ব্যক্তিগত ধর্মবোধকে এক করা ঠিক হবে না।
৯. ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৫:৫৬
comment by: হযবরল বলেছেন: কথা ঠিক । কিন্তু আজকাল মুড়িও তো ইউরিয়া মেশানো , খাওয়া যায় না।
১০. ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:১৩
comment by: অতিথি বলেছেন: সাদিক, আপনার এই মুড়ি খাওয়ার আয়োজনকে প্রথমে সমর্থন দিয়েছিলাম মনে মনে। কারণ, ধর্মান্ধতায় আমি নেই। কিন্তু কিছুদিন পরেই দেখলাম আপনার মুড়ির টিন ঠন ঠন করছে, মানে বুঝতেই পারছেন; খালি টিনই বেশি ঠনঠন করে।

যাই হোক, ভেবেছিলাম আপনার পড়াশোনার ভিত্তিতে অবশ্যই সবকিছুকে বিস্তারিতভাবে জানার চেষ্টা করছেন। কিন্তু এই পোষ্ট পড়ে তো মনে হচ্ছে- 'মুড়ি আগে আপনারই খাওয়া উচিত গলা পর্যন্ত, তারপর ধর্মান্ধদের খাওয়ানোর চেষ্টা যদি করতেন'। কারণ, ব্যাপারটা এখন বুমেরাংই লাগছে।

তারপরও বলবো, এ ব্যাপারে ইসলামের মূল কনসেপ্ট কি তা ভাল করে দেখুন। আপনার খোঁড়া যুক্তি দিয়ে তো আর ইসলামের মৌলিক স্তম্ভটির নীতি নির্ধারিত হবে না? বরং, ইসলামের মৌলিক সব বিধানই সুনির্দিষ্ট এবং তা কেয়ামত বা দুনিয়ার ধ্বংস পর্যন্তই কার্যকর থাকবে, চাই মানুষ উটে চড়ুক কিংবা রকেটে। কাদিয়ানীদের পত্রিকায় দেখেছিলাম এমনতর কথাবার্তা। শুভ কামনা।
১১. ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:১৭
comment by: হযবরল বলেছেন: ভাই ফজলে এলাহী কি বিধান সবাইকে একটু বুঝিয়ে বলতেন , খুব ভাল হত। তারপর সাদিকরে মুড়ি আমরাই চাঁদা তুলে কিনে দিতাম। কাউকে ভুল বললে সেটা কর্ায কারণ সহ দেখিয়ে দিতে হয়।
১২. ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ৯:০৬
comment by: অতিথি বলেছেন: ঠিক আছে.
১৩. ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ৯:২৭
comment by: অতিথি বলেছেন: বুঝলাম না মুড়ি খাওয়ার ব্যপারটা!

দুরের কণ্ঠস্বরের দেয়া রেফারেনসের সাথে আমি একটা লিংক দিচ্ছি:
Astronomical Odds for a United Ramadan
http://islamicsydney.com/story.php?id=2887

এটা একটা 'ডিফারেনস অফ অপিনিয়ন' এর ব্যপার। আপনি যা বলছেন, তার মত এত সহজ সরল না, আরও বেশ কিছু জটিল ব্যপার আছে।

অস্ট্রেলিয়ার মত বড় দেশের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে টাইম জোনের তফাৎ আছে। দুই ঘন্টার পার্থক্য। কখনও এমন সময় আসবে যেখানে দেশের এক প্রান্তে 'এসট্রনমিক্যালি' চাঁদ ওঠার কথা থাকলেও, অন্য প্রান্তে 'কথা' থাকবে না। সে ক্ষেত্রে ওই প্রান্তে কি রোজা রাখবে না? জিওগ্র্যাফিক্যাল বাউন্ডারিটা ঠিক কোথায় হবে বলুন?

সমস্যাটা জটিল। একটু সময় নিবে কনসেনসাসে পেঁৗছতে। এভাবে হুট হাট মুড়ি অফার না করাই ভাল, রমজান তো... হামযা ইউসুফ ট্রেডিশনাল ইনটারপ্রিটেশন, স্বচক্ষে চাঁদ দেখার মত গ্রহণ করেন, যেটার লিংক দুরের কণ্ঠস্বর দিলেন।
১৪. ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ১০:৫৪
comment by: অতিথি বলেছেন: মধ্যযুগের খোলস পড়ে এখনও পাবলিক ঘুরাঘুরি করে।
চাঁদ তো বাঁদর না গাছে উঠবে বা আকাশে উঠবে, চাঁদ চাঁদের জায়গায় থাকে, চাঁদের গায়ে সূর্যের আলো পড়ে আমরা সে টুকু অংশই দেখি যতটা আলোকিত সূর্যের আলোয়।
চাঁদের কক্ষপথ নির্ধারন করা হয়েছে খুব ভালো ভাবেই, মানুষ চাঁদে গিয়ে ঘুরে আসতে পারলো এই হিসাব সঠিক ছিলো বলেই।
তা চাঁদের গায়ে সূর্যের আলো কখন গিয়ে লাগবে এটা নির্ধারিত। চাঁদ উঠুক কিংবা না উঠুক এই চাঁদের গায়ে সূর্যের কলংক লাগার সময়টা বৈজ্ঞানিক ভাবেই নির্ধারন করা যায়। সাদিক এই কথা বলার পর মুড়ি খেতে বলেছে কামটা ঠিক করে নাই। রোজার টাইমে খজ্জুর খাইতে বলা উচিত ছিলো।
চাঁদ দেখা যাবে রাইতে যদি অস্ট্রেলিয়া মহাদেশে কোনো রাতে চাঁদ দেখা যায় তাহলে সেই চাঁদ সমস্ত পৃথিবীতেই দেখা যাওয়ার কথা সেই রাতেই।
যদি আমেরিকায় দেখা যায় তাহলে সেটা বাংলাদেশের সময়ে দিন হবে, সেই দিনের শেষে রাতের বেলা নিশ্চিত দেখা যাবে বাংলাদেশের আকাশে চাঁদ। কোনো সমস্যা নাই তো।
সেই আদিম যুগে কে কি বললো, তা নিয়া মধ্যযুগের মতো মাতলামির কোনো মানে হয় না।
১৫. ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ১১:০৯
comment by: অতিথি বলেছেন: আমি চিন্তা করতাছি, মুড়িটা তাইলে কে খাইবো?
মুড়িমঙ্গল নিয়া যেইভাবে কাড়াকাড়ি হইতাছে, ইউরিয়া মুক্ত হইলেও একটা কথা আছিলো।
১৬. ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ১১:৫০
comment by: অতিথি বলেছেন: রাসেল সালাম।
ধুসর, মুড়ির কপালে দু:খ আছে।

ধর্মান্ধদের খেতে দেয়া ঠিক হবে না।
১৭. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ২:২৭
comment by: অতিথি বলেছেন: প্রিয় সাদিক,
ভালো আছেন ?

এ সবই হলো গৌনকে মুখ্য করে তোলার সেয়ানা ধান্দাবাজি । ধান্দাবাজি টা চলবেই যতোদিন ধর্ম নামের রাজ হাঁসটা সোনার ডিম্ব প্রসব করবে ।
মুড়ি খাওয়ার দাওয়াত দিয়ে ওটা বন্ধ করা যাবে, মনে হয়না ।

১৮. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ৯:৫৩
comment by: অতিথি বলেছেন: আস্তমেয়ে আপনার উদাহরন থেকে শুরু করি। অস্ট্রেলিয়ার এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে 2 ঘন্টার পার্থক্য মানে, 2 ঘন্টা আগে পরে চাঁদ দেখা যাবে।

সুতরাং একই রাতে সবাই সেহেরী খেতে পারবে। কোন বাধা নেই। ঈদ পুরো অস্ট্রেলিয়ার সব মুসলিম একদিনে করতে পারে। এক সিডনী শহরেই সিরিয়ান মুসলিমরা একদিনে, ভারতীয়রা আরেকদিন, আফগানীরা আরেকদিনে করে ইসলামের যে অসাধারন সেনস অফ ব্রাদারহুড সেটাকে কলুষিত করতো না।

এটা অনস্বীকার্য এবং আমার খোদা স্বাক্ষী, স্বাক্ষী খোদার নবী, স্বাক্ষী পৃথিবীর ইতিহাস যে ইসলামের মতো এতটা শক্তিশালীভাবে মানুষের ভিতরে সেনস অফ ব্রাদারহুড আর কোন ধর্ম তৈরী করতে পারে নি। আজও অজানা দেশের অজানা মুসলিমদের শোষনে হাজার মাইল দুরের মুসলিম ব্যাথিত হয়। আজও অচেনা চেচনিয়া/ফিলিস্তিনের মুসলিমদের জন্য প্রার্থনা করা হয় শুক্রবারের প্রার্থনায়, পৃথিবী জুড়েই।

ইসলামের এই একীভুত করার জায়গাটা অসম্ভব সুন্দর। কেবল কিছু মানুষের ইন্টারপ্রেটেশনের কারনে আমাদের দেশের ভিতরেই কয়েক মাইল দূরেত্বের জেলার মধ্যে আলাদ দিনে ঈদ হয়। ব্যাপারটা ব্যাথিত করে। মহান নবীকেও ব্যাথিত করতো এবং করে নি:সন্দেহে।

ঈদ অথবা ধমর্ীয় যেকোন অনুষ্ঠান মানুষকে এক করার, এক সাথে উৎসব পালন করার, মানুষকে এক সাথে আনার। ধর্মের সমস্যা না। সমস্যা ধর্মকে ইন্টারপ্রেট করার যে মানুষগুলো তাদের ভিতরে ভিশনের অভাব। সমস্যা ইগোর।

নি:সন্দেহে আমাদের দেশে কেউ কেউ হেলিকপ্টারে চড়ে চাঁদ দেখতে চান। আরো খায়েশ তাদের চাঁদ দেখা কমিটিতে গদি আটা চেয়ারে বসার। ভালো খাবারের। কিন্তু এতে ক্ষতি হচ্ছে ধর্মের। আমার আপত্তিটা সেখানে।

যদি ইসলামের যেকোন গ্রহনযোগ্য স্কুল অফ থটে এ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ক্যালকুলেশন গ্রহন করে, তার মানে তারা বুঝেই সেটা গ্রহন করেছে। এবং ব্যাপারটা চুড়ান্ত রকমের বৈজ্ঞানিক। এবং এতে স্পিরিট অফ ইসলামের কোন ক্ষতি হয় নেই।

অনুসারীদের মধ্যে একতার সুযোগ করে দেওয়ার অপশন থাকা সত্তেও ্ববিভেদ সৃষ্টিকারী যেকোন ইন্টারপ্রেটেশন স্পিরিট অফ ইসলামের জন্য অমঙ্গলজনক।

এক্ষেত্রে একজন হামজা ইউসুফ কেন, দশজন কোনটা সাপোর্ট করে সেটাই চাইতে কোনটাই ইসলামের স্পিরিট, ইসলামের সৌন্দর্য্য বজায় থাকে সেটাই মাচ গ্রেটার প্রেফারেনস।

হযবরল, আপনাকে বিশেষ ধন্যবাদ (কারনটা নিশ্চই জানেন!)।

রাসেল,
নেক্সটা টাইম আপনার পরামর্শ মতো আরেকটা ট্যাগ আসিতেছে 'অমুকেরা খেজুর খাও'। কাদের সেই দাওয়াতটা দেওয়া যায় এখনও ঠিক করি নাই।
১৯. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ৯:৫৫
comment by: অতিথি বলেছেন: প্রিয় হাসান মোরশেদ,
'তার নামে, অসীমবাস্তবতায় যার কোন নাম নেই' - তাঁর রহমতে ভালোই আছি।

আপনি?
২০. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ১০:০৮
comment by: মাশা বলেছেন: সাদিক কি খবর
২১. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ১০:১০
comment by: সাদিক বলেছেন: খবর ভালা ব্রাদার, বিজি এ্যাজ ইউজুয়াল।

(গরীবের মোবাইল ডিসটার্ব দেয়, তাই ...)
২২. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ১০:১৫
comment by: মাশা বলেছেন: হ তাই কন। বিদেশ বিভুইয়ে থাকেন। পোলাপাইনের লাগি বড় কষ্ট লাগে দিলে।
২৩. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ১১:১২
comment by: অতিথি বলেছেন: সাদিক,
বৈজ্ঞানিক ক্যালকুলেশনের মধ্যেও যে দু'টো ভিন্ন গ্রুপ আছে সেটা জানতেন?

এর মূল কারণ হল, চাঁদ এস্ট্রনমিক্যালি জন্ম হওয়ার পরেও 17 ঘন্টা পুরানো না হলে দেখা যায় না খালি চোখে, খুব বেশি চিকন থাকে।
আপনি যদি 17.5 ঘন্টায় দেখেন, তখনও ঠিক কতটুকু দেখতে পাবেন সেটা বলা মুশকিল। ধরুন সন্ধ্যা হল 6 টায়। ঠিক 6 টায় চাঁদ 13 ঘন্টা পুরানো। তাহলে কিন্তু চাঁদ দেখা অসম্ভব। বৈজ্ঞানিক ভাবে খালি চোখে চাঁদ দেখা অসম্ভব, চাঁদ খুব চিকন থাকে বলে। ধরুন সন্ধ্যা 6 টায় চাঁদ ঠিক 17.5 ঘন্টা পুরানো। তাতে কি হবে জানেন? চাঁদ আকাশে থাকবে খুব কম সময়... 2/1 ঘন্টার মত। সন্ধ্যা সন্ধ্যাতেই কেটে যাবে সে সময়। অথবা চাঁদ এত নিচে থাকবে যে দেখা যাবে না।
এরকম বেশ কিছু জটিলত আছে। যে জন্য যেই হাদিসে বলা হয়েছে চাঁদ দেখে রোজা রাখার কথা, সেটা মানা হয় না এস্ট্রনমিক্যাল চাঁদের জন্ম দেখে নিলে। এই নিয়ে আরও গবেষণা হোক, যে অনুযায়ী শুধু [গাঢ়]ভিজিবল [/গাঢ়]চাঁদের হিসেব করা হবে, মেয়ার চাঁদের জন্ম না, তখন হয়তো ক্যালেন্ডার মানা যাবে। এখনও সময় আসে নি।
২৪. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৬ সকাল ৮:০১
comment by: অতিথি বলেছেন: বিজ্ঞান যদি বলেই দিতে পারে ঠিক কখন চাঁদ দৃষ্টিতে ভিজিবল হয়, পৃথিবী থেকে দেখা যায়; তবে সেই সময়টাই ক্যালকুলেশন করে চাঁদ দেখার সময় নির্ধারন করলেই তো হয়। নিশ্চিতভাবে পুরো অস্ট্রেলিয়া মহাদেশেই কোন এক মরুভুমি, তাসমানিয়ার কোন বিচ থেকে চাঁদ সেই সময়ে দেখা যাবেই। মেলবোর্নের হুজুররা না দেখতে পেলেও অন্যত্র দেখা যাবে। সুতরাং পুরো অস্ট্রেলিয়ায়ই তখন সেটা গ্রহন করতে পারে। নয় কি?

চাঁদ তার কক্ষপথ পাড়ি দিতে লোকাল ট্রেনের মতো গড়িমসি করে না। এটা খোদার সাইন যে তিনি ওদের সময় পূর্ব নিধর্ারিত করে দিয়েছেন।

পৃথিবী এগিয়ে যায়। কেউ কেউ বালিতে মুখ গুঁজে বলতেই থাকে, সময় আসে নি; সময় আসে নি। (আপনারে কই না, কই সিদ্ধান্ত গ্রহনকারী হুজুরগো)

আসলে, সময় আসার দরকার নেই আমাদের।
২৫. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৬ সকাল ১১:৩৮
comment by: অতিথি বলেছেন: আমরা যদি না জাগি মা, কেমনে সকাল হবে?

তবে, কাউকে কাউকে ঘুম পাড়িয়ে রাখাই মঙ্গলময়।
আফিমের কাজ তাই। ঘুম পাড়ানো।
২৬. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৬ সকাল ১১:৪৬
comment by: অতিথি বলেছেন: আজকে রোজার মধ্যে কিছু খাই নাই! খিয়াল কইরা! তারপরে আবার চোরায় গুরের ইংগিত দিছে। বহুত কষ্টে কিন্তু রোজা রাখছি!
২৭. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৬ দুপুর ১:০৮
comment by: অতিথি বলেছেন: সাদিক,
কালকুলেশনের ব্যাপারে আমার কোন অবজেকশন নেই, মতান্তর টা ছিল আপনার 'কালকুলেশন ই রাইট, অন্যটা ভুল' এধরনের মনোভাব (আমার তা মনে হয়েছে)। ব্যক্তিগত ভাবে আমি আমার লোকেল মসজিদের মতামতকেই ফলো করব, তা কালকুলেশন হোক আর চাঁদ দেখে হোক।

তবে এখন ভেবে দেখে মনে হচ্ছে মুড়ি খাওয়ার প্রস্তাবটা যে আদৌ মন্দ ছিলনা। বিশেষ করে এই রোজার মাসে বিদেশ বিভুঁইয়ে চনা-পিঁয়াজু-মুড়ি হেভিভ মিস করতেছি।
২৮. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৬ দুপুর ১:১৬
comment by: অতিথি বলেছেন: ঠিক আছে...
২৯. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৬ বিকাল ৫:০৫
comment by: অতিথি বলেছেন: দুরের কনঠস্বর,
সৃষ্টিতে কোন কিছুই এ্যাবসুলিউট ভুল, এ্যাবসুলিউট রাইট না। তবে ক্ষেত্র বিশেষে ভুল।

যেখানে কিছু ব্যাক ডেটেড চিন্তাভাবনার কারনে একটি কমিউনিটির ঐক্য বিনষ্ট হচ্ছে, ধর্মের মূল যে স্পিরিট সেই একত্ববোধটা নষ্ট হচ্ছে- সেই নেতিবাচকতাকে হিসেবে আনলে আমি বলবো - আধুনিক ইউনিফাইড পদ্ধতি গ্রহন করা ঠিক। না গ্রহন করা ভুল।

শোহেইল মতাহির,
ভালো কবিতা মনে করাইছেন। পার্ফেক্টো।
৩০. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৬ রাত ৯:৩৭
comment by: অতিথি বলেছেন: সাদিক ভাই, 'দীন-এ-ইলাহি'র বিকল্প কিছুর কথা ভাবছেন কি?
৩১. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৬ রাত ১১:১০
comment by: অতিথি বলেছেন: এমন কিছু হলে সম্ভাব্য কি নাম হতে পারে চুর ভাই?
"দ্্বীন-এ-মুড়ি" নাকি "মুড়ি-এ-সাদিক"!

(সাদিক, যদি কিছু মনে না করো!)
৩২. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৬ রাত ১১:৫৪
comment by: সাইমুম বলেছেন: সাদিক,
কেমন আছেন?
ভালো তো ?
সিঙ্গাপুরে ইফতারে মুড়ি খেতে পারেন?
আমার এক বন্ধু অস্ট্রেলিয়া সফরে যাবার পথে সিঙ্গাপুরে 4 ঘন্টা আটক ছিলেন। কারণ তার কাছে টিনের কৌটায় মুড়ি পাওয়া গিয়েছিলো। কাস্টমস কর্তাদের মুড়ির ইংরেজি 'ফ্রায়েড রাইস' বলেই বিপত্তি বাঁধিয়ে ছিলো। তাদের ধারণা হয়েছিলো - এগুলো বিস্ফোরক' হতে পারে।
৩৩. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৬ বিকাল ৪:৩১
comment by: অতিথি বলেছেন: হাহা... @ সাইমুম।

ভালো আছি। আপনি কেমন? অনেক দিন পরে আসলেন। আপনার আরো অংশগ্রহন কামনা করি।

সিঙ্গাপুরে ইফতারে সাধারনত মুড়ি খাওয়া হয় না। মসজিদে ইফতার করি। মালয় কালচারে মুড়ি নাইক্কা।

আপনার বন্ধুর গল্পটা বেশ মজার। কাস্টমসের চেক করতে করতে মুড়ি নিশ্চই মচমচা অবস্থা থেকে একেবারে নেতিয়ে গিয়েছিলো। বেচারা!
৩৪. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:০৮
comment by: সাইমুম বলেছেন: সাদিক, মালয় কালচারে মুড়ি নাই! তাহলে ওটা তো কালচার নয়, রীতিমতো এগ্রিকালচার। ইফতারে মুড়িখেকোরা কি বলেন?
৩৫. ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৬ বিকাল ৪:৫৫
comment by: অতিথি বলেছেন: আপডেট:
জেনে ভালো লাগলো যে নর্থ আমেরিকান ফিকহ কাউনসিলের ইসলামিক স্কলাররা ক্যালকুলেশনকে ভ্যালিড বলে গণ্য করছে এবং বলছেন যে ক্যালকুলেশন গ্রহনযোগ্য এবং এটা মোটেই সুন্নাহ বিরোধী নয়।

বিস্তারিত এখানে:http://tinyurl.com/h3hce

তাদের সিদ্ধান্তের সারাংশ এরকম:
It is decided to use astronomical calculation to determine the beginning of the Islamic lunar months with the consideration of the sightability of the crescent anywhere on the globe.

To determine a lunar Islamic calendar, a conventional point of reference must be used. The International Date Line (IDL) or the Greenwich Mean Time (GMT) may be used.

The new Islamic Lunar month begins at sunset of the day when the conjunction occurs before 12:00 noon GMT.


শুনলাম যে আমেরিকার সরকার খুব সম্ভবত কিছু কিছু স্টেটে ঈদের ছুটিও প্রদান করছে মুসলিমদের। একই দিনে ঈদ পালন করলে অদূর ভবিষ্যতে পুরো আমেরিকাতেই হয়তো ঈদের দিনকে ছুটি পাওয়া যাবে আশা করা যায়, যেটা একাধিক দিনে ঈদ করায় সম্ভব হয় না।
৩৬. ২৩ শে অক্টোবর, ২০০৬ রাত ৯:১২
comment by: সময় বলেছেন: হা হা হা হা হা হা হা হা হা হা হা হা হা হা হা
হা হা হা হা হা হা হা হা হা হা হা হা হা হা হা
হা হা হা হা হা হা হা হা হা হা হা হা হা হা হা
৩৭. ২৩ শে অক্টোবর, ২০০৬ রাত ৯:১৬
comment by: সময় বলেছেন: যারা রমজানের শুরুতে বলেছিল চাঁদ দেখা গিয়েছে একদিন আগে এবং যারা রোজা ও রেখেছে.......তারা এখন মাইনকার চিপাই পরসে.কাল তারা যদি রোজা রাখে তাদের রোজা হবে 31 টা....

কি দেখে যে তারা ঐ দিন চাঁদ দেখা গিয়েছিল বলেছে.......হায়রে মুসলমান ধর্ম নিয়াও রাজনীতি
৩৮. ২৩ শে অক্টোবর, ২০০৬ রাত ৯:৩০
comment by: অতিথি বলেছেন: মানলে ভাল, না মানলে মুড়ী তো আছেই।
আমাগো ব্রেইন স্টোর্মিং কইরা কি লাভ

 



 


পাগলামী থাকা না থাকা
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ৬৬৫০৪