আমার প্রিয় পোস্ট

খুব জরুরী না ...

কুরবাণী করতে হুকুম প্রাণ প্রিয় ধন। গরু ছাগল হইলো কি তোর এতই প্রিয় ধন? - ফিরে দেখা কুরবাণী

২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:৪৯

শেয়ার করুন:                   Facebook

- কি প্রবলেম করছে আপনার বলেন কুরবাণী? রক্ত দেখলে কাপবে কেনো মুসলিমের অন্তর?...
.
[গাঢ়]কুরবাণী করতে হুকুম প্রাণ প্রিয় ধন। গরু ছাগল হইলো কি তোর এতই প্রিয় ধন? নিজের থাইকে প্রিয় বস্তু আর যে কিছু নাই, আত্নত্যাগই আসল কুরবান, জেনে নিও ভাই। [/গাঢ়]
.
1.
আমাদের ধর্মবোধ ও ধর্ম চিন্তার ব্যাপক সীমাবদ্ধতার একটা উদাহরন হলো কুরবাণীর ঈদ বা উৎসর্গের উৎসব। ধমর্ীয় ইতিহাসের দিকে ফিরে তাকালে দেখা যাবে বাইবেল ও কুরআনের বর্ননা অনুসারে নবী ইব্রাহিমকে (সালাম) নির্দেশ দেওয়া হয়েছিলো তার প্রাণ প্রিয় বস্তুকে স্রষ্টার কাছে উৎসর্গ করতে। তিনি উপলব্ধি করেন এবং তার সবচেয়ে প্রিয়, সন্তান ইসমাঈলকে উৎসর্গ করতে প্রস্তুত হন। এর পরের ইতিহাস সবার জানা। ... এই ইতিহাসকে স্বরণীয় করতে প্রচলিত হয় নবী ইব্রাহিমের হাতে গড়া কাবায় তীর্থের (হজ্জ) পরে পশুকে উৎসর্গ করা। আরবের মুশরিকরাও এটা পালন করতো তীর্থের আচার আচরন হিসেবে। নবী মুহাম্মদ (সালাম) -এর মাধ্যমে, যিনি হজ্জের কিছূ পরিমার্জন করার পরে (যেমন উলঙ্গ তাওয়াফ, উৎসর্গ করা পশুর রক্তপান) মুসলিমরা এই ট্রাডিশন অনুসরন করে আসছে।

হজ্জের পরে আসে একটি বড় উৎসব। হজ্জে যাক নি না যাক, কোন না কোন ভাবে মুসলিমদের ভিতরে প্রচলিত হয়ে গ্যাছে এই পশু উৎসর্গ করার ব্যাপারটা। অথচ নির্দেশটা ছিলো যারা হজ্জ পালন করবে তাদের জন্য (কুরবাণীর সাথে হজ্জের এক্সপ্লিসিট সম্পর্কের জন্য দ্রষ্টব্দ্য কুরআনে 22 নং সুরা, হজ্জ)। পশু উৎসর্গ ওতোপ্রোতভাবে হজ্জের সাথে জড়িত। মাংশ খাওয়ার উছিলায় না কোন কারনে আমার স্রষ্টাই জানেন, সারা পৃথিবীতে এই উৎসবের নামে যে পরিমান প্রাণীকে জবাই করা হয় তা রীতিমতো বিভৎস একটা প্র্যাক্টিস। এটা ইসলামিকও নয়।

আমাদের দেশে কুরবানীর সময়ে যে পরিমান পরিবেশ দূষন হয়, শহরের রাস্তা বন্ধ করে গরু ছাগলের হাট বসে সেটা দেখলে মনে হয় ইসলামের নামে মাংশ খাওয়ার প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। [গাঢ়] ধর্মকে কুৎসিত পর্যায়ে নিয়ে যেতে ভারতীয় উপমহাদেশের গরু খাওয়া মোছলমানের জুড়ি নাই। আমাদের কাছে মোছলমান মানে গরু খাওয়া ঠিক আছে, শুওর হারাম। ফুল স্টপ। ওইখানেই এছলামের শুুরু এবং মৃতু্য। [/গাঢ়] ধর্মের নামে চরম হঠকারীতার পরিচয় নিয়ে এই ঈদে একটা ব্যাপক প্রতিযোগিতা দেখা যায়। এমনও বলতে শোনা যায়, আরে কুরবাণী ছাড়া ভালো মাংশ খাওয়ার সুযোগ কোথায়? প্রতিযোগিতা চলে ঘুষের পয়সায় কে কত বড় গরু কুরবাণী দিবে। আফসোস!! এই যদি কুরবাণী হয় তাইলে আপনার এছলাম আপনার কাছে রাখেন, আমি আমাজনে ট্রেকিং করতে যাই।

আরে ভাই, 10 হাজার টাকা দিয়া গরু কিন্না জবাই না দিয়া সেই টাকাটা দিয়া একজন গরীবরে পুর্নবাসন করেন না! এক ইউনুস না, বাংলাদেশে আমি লক্ষ ইউনুস তৈরী হওয়া দেখতে পাই। নাই বা পাইলেন নোবেল। কোনটা খোদার কাছে বেশি ভালো এইটা বুঝতে কি কাঠ মোল্লার ফতোয়া লাগে? যে দেশে এতো মানুষ চরমভাবে গরীব, না খাইয়া এখনো মানুষ মরে, আশরাফুল মাখলুকাত আত্নহত্যা করে খিদার কষ্টে; সেইখানে ফ্যাশন কইরা হজ্জে যাওয়ার মতো হিপোক্রেসি কয়টা আছে আঙ্গুল দিয়া গুনতে হবে। ধমীর্য় আফিমের আবডালে মুনাফেকি যত্তোসব!

2.
অনেকদিন থেকে ভাবছিলাম বিষয়টা নিয়ে যারা ভালো জানেন তাদের জিজ্ঞেস করবো যে হজ্জের বাইরে, যারা হজ্জ করেন না, তাদের প্রতি বছর ঈদে পশু উৎসর্গ করা কতখানি ইসলামিক ও যুক্তিসংগত? যেখানে নবী ইব্রাহিমকে তার জীবনে একবার উৎসর্গ করার নির্দেশ, সেখানে আমরা প্রতি বছর করার মানে কি?

গতকাল দুটো ফোরামে প্রশ্ন করেছিলাম। কাঠমোল্লাদের না, যারা সত্যিকারের ইসলামের স্পিরিট বোঝেন তাদেরকে। আমি এই প্রশ্নটাই করেছিলাম যে প্রতিবছর সাধারন মানুষের পশু জবাই করার যে কালচার চলে আসছে সেটার ভ্যালিডিটি নিয়ে। উত্তরগুলোর ব্যাখ্যা দিচ্ছি না। কেবল দূর্বল অনুবাদ করছি ইংরেজী থেকে।

3.
শেখ জুনায়েদ বাগদাদী হজ্জের প্রসঙ্গে একজন সদ্য হজ্জ সমাপ্ত করা হাজীকে জিজ্ঞেস করছেন:
হজ্জে যখন তুমি পশু জবাই করার স্থানে পৌছলে এবং স্রষ্টাকে পশু উৎসর্গ করলে, তখন কি তুমি তোমার নাফস (অহং, মিথ্যা আত্ন-অহংকার)-কে কুরবাণী করেছিলে?
- না। হাজীর উত্তর।

- জুনায়েদ প্রতিউত্তরে বলেন, 'তাহলে তোমার কুরবাণীই হয় নি।'

4.
আরেকটি ঘটনায়, বিখ্যাত যুলনুন মিসরী বলছেন, 'হজ্জের সময় মিনায় যখন সবাই পশু জবাই করতে ব্যস্ত তখন আমি এক অল্প বয়স্ক যুবককে মৌণভাবে বসে থাকতে দেখি। আমি তার দিকে খেয়াল করছিলাম যে সে কি করে। আমি শুনতে পেলাম সে স্রষ্টার সাথে কথোপকথনে ব্যস্ত। সে বলছে, 'হে খোদা, সবাই যার যার মতো করে পশু হত্যা করছে। আর আমি আকাংখা করি আমার নাফসকে কুরবাণী করতে।'
তার এই উক্তির সাথে সাথে দেহত্যাগ করে সেই যুবক। (এই হলো কুরবাণী) হযরত মুহাম্মদ যে কারনে বলতেন, মৃতু্যর আগে মৃতু্য বরণ করো।এই মৃতু্য অহংয়ের (নাফসের) মৃতু্য। স্বরণ করুন, শেষ বিচারে সবাই একটা মাত্র উচ্চারনে আফসোস করবে আর ভীত হবে, আর সেই উচ্চারন হবে, ইয়া নাফস! ইয়া নাফস!!! ওহ আমার মিথ্যা অহং! ওহ আমার মিথ্যা অহং!!!

5.
আরেকজন লিখছেন: মুসলমানদের পশু উৎসর্গ করায় আমি আপত্তি করি না। কিন্তু উৎসর্গ করতে হলে যে পশুই করতে হবে তা হতে হবে কেন? একজন মুসলমান তার টাকা পয়সা, সময়, কায়িক ও মানসিক পরিশ্রম উৎসর্গ (কুরবাণী) করতে পারে শিক্ষা, উন্নয়ন, মানুষের মঙ্গলের জন্য যেকোন কাজে। এটা একটা পশুকে উৎসর্গ করার চাইতে অনেক মহৎ উৎসর্গ হবে। বিষয়টা কেবলমাত্র মানুষকে মূল ইসালামের স্পিরিটের সাথে যোগাযোগ করিয়ে দেওয়ার ব্যাপার, সুষ্ঠ ধর্মবোধে শিক্ষিত করার সাথে জড়িত। আর এতে এগিয়ে আসতে হবে মুসলিমদেরকেই।


[ দ্্বিতীয় পর্বে সমাপ্য। ]

 

প্রকাশ করা হয়েছে: ধমর্ান্ধরা মুড়ি খাওধর্ম ইত্যাদিসুফি ভাবনা  বিভাগে ।

 

  • ২৮ টি মন্তব্য
  • ৬৩৯ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ০ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ দুপুর ২:৫৬
comment by: অতিথি বলেছেন: ভাল লেখা সাদিক।পরিবেশ দূষনের বিষয়টি উল্লেখ করে ভাল করেছেন।
২. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৩:০১
comment by: মাহবুব সুমন বলেছেন: সাদিক,
আসাধারন , আসাধারন ।
খুব ভালো লেগেছে, ভাবতে শেখায় ,
৩. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৩:১৩
comment by: চিরকালই গাধা বলেছেন: আপনার স্পিরিট আমাকে দারুনভাবে আলোড়িত করল। ধন্যবাদ এ পোস্টের জন্য।
৪. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৩:১৫
comment by: চিরকালই গাধা বলেছেন: পড়াশোনার (গবেষণাধর্মী ) বিকল্প নেই। কিন্তু আমার মাথায় কম্পিউটার ছাড়া কিছুই ঢুকে না।
৫. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৩:১৮
comment by: চিরকালই গাধা বলেছেন: আরেকটি কথা, চলচ্চিত্রকার তারেক মাসুদ ও ক্যাথরিন মাসুদের [গাঢ়] মাটির ময়না [/গাঢ়] ফিল্মটি কি দেখা হয়েছে? সেখানে চমৎকারভাবে ইসলামকে উপস্থাপন করা হয়েছে। আমার সে ছবিটি খুবই ভালো লেগেছে। এ ছবিটি কান পুরস্কারের জন্য মনোনীত ছিল।
অথচ এ ছবিটির বিরুদ্ধে আমাদের দেশে অজ্ঞমুর্খ মোল্লারা কি চিৎকার নাই করল?
৬. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৩:২১
comment by: চিরকালই গাধা বলেছেন: মাটির ময়না ছবিটিতে একটি বিষয় আমার খুবই ভালো লেগেছে। সেখানে চলচ্চিত্রকার একটি বিষয় খুব সুন্দরভাবে বলেছেন যে, এদেশে ইসলাম তলোয়ারের জোড়ে আসেনি, এসেছে পীর-ওলিদের মাধ্যমে, মানুষের হৃদয়ের আকাঙ্খার মাধ্যমে।
আসলে ইসলাম সম্পর্কে আমাদের মধ্যে খুব বেশী অজ্ঞতা কাজ করে।
[গাঢ়]খুব বেশী বইলা ফাইলালে মাফ কইরা দিয়েন।[/গাঢ়]
৭. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৩:২৪
comment by: অতিথি বলেছেন: হ্যা তীরন্দাজ, ঈদের সময়ে ঐ বিশাল গুরু ছাগলের হাট থেকে শুরু করে কুরবাণীর পরে যে অবস্থা হয় পরিবেশের সেইটা দেখলে মেজাজ বিগড়ায়।

ইসলাম ও নবীর শিক্ষার সাথে পার্সোনাল হাইজিন এবং এনভারনমেন্টাল কনশাসনেস একটা বিশাল অংশ জুড়ে আছে। ইন ফ্যাক্ট ইসলামের মতো পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা (ব্যক্তিগত বা অন্যান্য) আর কোন ধর্ম এমফ্যাাসিস দেয় নাই।

অথচ আয়রনী হইলো পৃথিবীর সবচাইতে নোংরা জনগোষ্ঠি এই মোছলমানরাই। দারিদ্রতা একটা কারন মানি, তারপরেও আমাদের নোংরামিটা মজ্জাগত।

৮. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৩:৩০
comment by: অতিথি বলেছেন: চিরকালই গাধা,
কথা সত্য!
তবে মাটির ময়না নিয়া চিল্লাপাল্লার আরেকটা রাজনৈতিক টুইস্টও কিন্তু আছে। যেটার জন্য ছবিটারে কাচির নিচের পড়তে হইছে। খেয়াল করছিলেন?
৯. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৪:০০
comment by: অতিথি বলেছেন: ধন্যবাদ মাহবুব সুমন।
১০. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:৩৭
comment by: অতিথি বলেছেন: কার মাল কে নিবো তা জানিনা তয় এইবার ঈদে গরূ ছাগল না আসলেও এই বার প্রিয় ধন কুরবানী দিমু চিন্তা করতাছি। আর সাদিক আমার প্রিয় ধনগুলার অন্যতম! কি বলেন আপনারা?
১১. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ রাত ৮:১৬
comment by: অতিথি বলেছেন: এককথায় চমতকার, অসাধারণ। অনেকে এই বিষয়টা নিয়ে আগেও লিখেছে, কিন্তু এতো সুন্দর ভাবে প্রকাশ করতে পারেনি।
১২. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ রাত ৮:৫৬
comment by: অতিথি বলেছেন: ঞ! @ মুক্তি।

ধন্যবাদ মেন্টাল
১৩. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ রাত ১০:১২
comment by: অতিথি বলেছেন: চমৎকার পোষ্ট....
১৪. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ রাত ১০:২৭
comment by: অতিথি বলেছেন: অনেকাংশের সাথেই একমত... আবার অনেক দ্্বিমত আছে।

কুরবানীর ঈদের ব্যাপারটা আমি দলিল সহ পরিষ্কার বলতে পারছি না। পড়াশোনা নেই। কিন্তু আমার লজিক বলছে, এটা শুধু হজ্জ্বের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না। যদি হতো, রাসূল (সা) ঈদ উল আযহাকে মুসলিমদের জন্য আনন্দ উৎসব ঘোষণা করতেন না। যদি শুধু হজ্জ্ব হতো, তাহলে সারা পৃথিবীর মানুষের জীবনে একবারই ঈদ উল আযহা আসতো? তাহলে ঈদ উল আযহা সহ পরের তিন দিন এবং ঈদ উল ফিতরকে রোজা রাখার জন্য হারাম দিন ঘোষনা দেয়ার কারণটা কি?

আর আমাদের দেশে মানুষ সারা বছর তো গোশত খায় এমনিতেই, একবার না হয় উৎসব করেই খেল। ভেজিটেরিয়ান হলে বুঝা যেত!

এমনি সব ঠিক আছে, যে, এটা কেবল দেখানোপনা হচ্ছে এখন। পরিবেশের দিকেও খেয়াল রাখা উচিৎ। অস্ট্রেলিয়ার মত উন্নত দেশগুলোতে ফার্মে ছাড়া গরু জবাই নিষিদ্ধ, তাই পরিবেশ রক্ষা হয়। বাংলাদেশের হয়তো সেরকম কিছুই ভাবতে হবে।

মোটের উপর, আপনি অপছন্দের কারণ হিসেবে দেখানোপনা আর পরিবেশের ব্যাপার বলেছেন। এগুলো আমাকেও কনসার্ন করে। কিন্তু এর জন্য ইসলামের ব্যাখ্যা বদলে যাবে না, এটা কে ফিট করার জন্য পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে হবে।

আর আপনি যদি ভাবেন, যারা এক লাখ টাকা খরচ করছে গরু কুরবানী করতে, ওরা এই টাকা গরু কুরবানীতে খরচ না করলে গরীব মানুষের সংস্থানের জন্য করতো, তাহলে ভুল করবেন। ওরা কুরবানী করছে স্রেফ ইমেজ পারফেকশনের জন্য। টাকা এখানে খরচ না হলে অন্য দিকে হতো, কিন্তু গরীবদের জন্য কখনই না। যারা চিন্তাশীল, তারা ঠিকই যত কম টাকায় সম্ভব তত টাকায় কুরবানী দিয়ে বাকি টাকা দিয়ে মানুষকে সাহায্য করে সুন্দর ঈদ এবং ভবিষ্যতের জন্য। আমার দেখা বলেই বলছি।
১৫. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ রাত ২:১০
comment by: ফরিদ বলেছেন: সাদিক মিয়া মনে হয় পরের পোস্টে অন্য কোন দৃষ্টিভঙ্গী বের করবেন, কিন্তু আমার প্যারাডক্স মনে হচ্ছে যে, এখানে এমন কিছু প্রশ্ন করা হয়েছে যেগুলো আমার ধারণা মতে গত দেড় হাজার বছরে বহুবার করা হয়েছে। সত্যি জবাব চাইলে সরাসরি আলেমদের প্রশ্ন করাই শ্রেয় বলে আমার ব্যাক্তিগত মত, এই ব্লগদুনিয়ায় যাদের অল্পই বিচরণ। নাহলে অবিশ্বাসী আর স্বল্পবিশ্বাসীদের খুঁত ধরার জন্য নতুন এক সেট প্রশ্নের কি প্রয়োজন।
(অগ্রীম ক্ষমাপ্রার্থী খোঁচা দিয়ে থাকলে)
(কিবরিয়া পাগলার নতুন কোন খবর আছে?)
১৬. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ রাত ২:৫০
comment by: অতিথি বলেছেন: অবশ্যই হয়েছে ।
উট-দুম্বা, গরু-ছাগল অবশ্যই মুসলমানদের প্রানপ্রিয় ধন । এই মহামুল্যবান ধনের বদলে অন্য কিছু কোরবানী দেবার প্রস্তাব আনুন তো!
বলুন -- 50 হাজার টাকার গরুর বদলে একজন গৃহহীনের জন্য একটা কুঁড়ে ঘর বানিয়ে দেবো ।
আপনার মাথার দাম ঘোষিত হবে এবং আপনার শিরোচ্ছেদ যে মুসলমানের জন্য কতোটা ফরজ সেটা ইসলামের আলোকেই ঘোষনা করবেন একজন ইসলামী চিন্তাবিদ!

১৭. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ রাত ৩:৫৩
comment by: অতিথি বলেছেন: দেখ সাদিক মূল থেকে সড়ে যাওয়াটা বীরোত্তের কোন বিষয় নয়। মূল থেকে সড়ে গিয়ে বির্তক করার জন্য অনেক প্রশ্নেই আনা সম্ভব যেমন আমিও তোমাকে প্রশ্ন করলাম। তুমি কোরবানী দেওয়ার বেলায় কি তোমার প্রিয় ধনরে কুরবানী দিবানা? আর তোমার প্রিয়ধন তোমার পোলা না টাকা?

আমার জানামতে তুমার বুখারী শরীফরেই মানতে কষ্ট হয় কিন্তু এইটা বুঝলাম না যুলনুন মিসরীর গল্পটা তুমি কি ভাবে বিশ্বাস করলা?
১৮. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ ভোর ৫:৩৯
comment by: অতিথি বলেছেন: ত্রিভুজ,
ধন্যবাদ।
১৯. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ ভোর ৫:৪৫
comment by: অতিথি বলেছেন: আস্তমেয়ে,
উৎসব করতে হইলে ভালো খাইতে হয় খুব ভালো কথা। রক্ত হাতে মাখাইয়া একটা অবলা জীবরে অতি আবশ্যকভাবে জবাই করিয়াই সেই উৎসবটি পালন করিতে হইবে - এমনটা ভাবা ভুল।

জবাই না করিলে উৎসব করা যাইবে না, দ্্বিতীয় আরেকটি ঈদই হইবেক না - এইটাও অতি ভয়ংকর ধারনা।

মক্কার কনটেক্সট এবং সেইখানে হজ্জের মতো রিচুয়াল শেষে উৎসব হইবে, এইটা খুবই স্বাভাবিক। হজ্জ তৎকালিন আরব আইডেনটিটি, আরব ইকোনমি, আরব প্রাইড - ইত্যাদি সব কিছুর মূল উৎস ছিলো।

বাংলাদেশীদের কাছে মুক্তিযুদ্ধ যেমন, ঠিক সেই রকম। বিজয় দিবস যেভাবে বাঙ্গালীর খুশির দিন। হজ্জের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়াও একটা খুশির দিন। উহাই ঈদের বা খুশির দিন পালনের জন্য যথেষ্ট। ইহার সঙ্গে একটি অবলা জীবকে দড়ি দিয়া বান্ধিয়া জবাই করিয়া, মাংশ দিয়া উদর পূর্তির কোরিলেশন বেজায় দূর্বল।

সুতরাং রাসুল কেবল জবাই করিবার উৎসবের জন্যই ঈদ ঘোষণা করিয়াছেন

ইহা বলিলে স্বর্গেও হাসির কলোরোল পড়িয়া যাইবে। মুচকি হাসিবে রাসুল নিজেও। দীর্ঘশ্বাস ফেলিয়া বলিবে, এই আমার উম্মত আমাকে বুঝিলো। হায়!
২০. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:১৪
comment by: অতিথি বলেছেন: ফরিদ,
আমি তো দাবী করি নাইরে ভাই নতুন জিনিস বিক্রয় হইতেছে এইখানে। ইহা বহুবার প্রশ্ন করা হইয়াছে। আমি আবার উত্থাপন করিলাম। কারন বিষয়টা আমাদের বর্তমান সমাজ আর সময়ের প্রেক্ষিতে এখনও বড্ড প্রাসঙ্গিক।

ধমর্ীয় আফিমে ঘুমন্ত এই কুম্ভকর্ণ স্বজাতির ধর্মঘুম না ভাঙ্গা পর্যন্ত প্রাসঙ্গিকই রহিয়া যাইবে বলিয়া আমার অনুমান।

পরের পোস্টে ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি না, এই দৃষ্টিভঙ্গির আরেকটু আলোকপাত কন্টিনিউয়েশন হইবেক, যদি খোদা ইচ্ছা করেন তো।

কিবরিয়া পাগলা ইজ ফাইন। এখন দেশে গেছে। ফোন দিছিলো। ঠাইসা সাবজেক্ট জিআরই পড়তাছে। চাকুরীও খুজিতেছে। পারলে ইমেইল করিয়েন তাহারে।

২১. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:৩৩
comment by: অতিথি বলেছেন: কথা বলতে হলে কথা বলুক, তা না বলে এই দিক সেদিক ঘুরে বেড়ায় অনেকেই।
২২. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:৪৭
comment by: অতিথি বলেছেন: কোরবানী নিয়া সুফি সাদিকের ফতোয়া...

ফালতু কমেন্ট পাত্তা দিস না।
২৩. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:৫৩
comment by: অতিথি বলেছেন: কি কস?!

'ফালতু কমেন্ট' যেটারে বলতাছোছ সেইটা হইলো আমাদের দেশের মেজরিটি ভিউ। আমি উহাদের সন্মান করি মারাত্নক ভাবে এবং সযতনে তাহাদের উত্তর দেওয়ার প্রয়াসে থাকি।

ভালো কথা, আমি সুফি না; তয় সুফিগো একটা ফিলোসফি হইলো এই তথাকথিত ভালো আর মন্দ ছাড়াইয়া যাওনের। সেই হিসেবে 'ফালতু কমেন্টগুলাও' আদতে ফালতু না। মানষের সাইকলজি আর চিন্তা বুঝনে বহুত সাহায্যকারী (অন্তত এই সামহোয়্যারে তো বটেই)
২৪. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ১০:৩৭
comment by: অতিথি বলেছেন: ঠিক @ স্বরহীন
২৫. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:২৯
comment by: অতিথি বলেছেন: হাসান মোরশেদ যা বলেছেন।
এছলামের আয়রনী।
২৬. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:৩৬
comment by: অতিথি বলেছেন: আমার ও মাঝে মাঝে মনে হয় 30 লক্ষ হাজি হজ্বে না গিয়ে ঐ টাকাটা গরীব মানুষকে দিয়ে দিলে তো পৃথিবীতে আর গরীব থাকবে না।
২৭. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:৪৯
comment by: অতিথি বলেছেন: এইখানে আস্তমেয়ে যে পয়েণ্টটা তুলছে তার যথেষ্ট ভ্যালিডিটি আছে। যদি ঐ 30 লক্ষ মানুষ হজ্জে না যাইতো, তাইলে কি তারা সেই টাকা অন্য কোথাও দিতো?

হজ্জের মোটিভেশন অন্যরকম। আফটার অল আমরা যে বড় স্বার্থপর। নিজের স্যালভেশন বেশি দেখি।

তবে স্যালভেশন দেখা ঠিকাছে, তবে তার সাথে ব্যালেনস করা উচিত। 2/3 বার যে হজ্জে যায় সে বড় অন্যায় করে, তার অতিরিক্ত সম্পদ - গরীবের হকের উপর।
২৮. ২৮ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৮:১৮
comment by: ফাহমিদুল হক বলেছেন: ভালো পোস্ট। ৫ দেয়া হইলো।

 



 


পাগলামী থাকা না থাকা
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ৬৬৫০৫