আমার প্রিয় পোস্ট

খুব জরুরী না ...

অভিযানের নাম 'মেজবান সঙ্গে লইয়া ভ্রমন'। গন্তব্য শুভর বাড়ি এবং চতুর্থ মৃতু্যর উপাখ্যান

১০ ই মার্চ, ২০০৭ রাত ১২:৩৪

শেয়ার করুন:                   Facebook

প্রিয় ব্লগার শুভর বাড়ি নিমন্ত্রন ছিলো গতকাল। দিনে যাবো, রাতে ফিরবো। সুহৃদ মাশা আর ঝড়ো হাওয়া সফরসঙ্গী। ঢাকা থেকে যাবো ঢাকার বাইরে। শুভ একটা কাজে ঢাকায় থাকায় সেও আমাদের সফরসঙ্গী, গন্তব্য তার নিজের বাড়ি। ট্রেনে আমরা উঠলাম কমলাপুর থেকে, শুভ এয়ারপোর্ট থেকে। অত:পর মেজবান সঙ্গে লইয়া এক আনন্দময় ভ্রমনের শুরু।

শুভরে যতবার দেখি ততবার আমি নি:সঙ্গোচে চিল্লাই (মনে মনে এবং বাইরে), আপনে একটা পাগলা। মানুষটা আসলেই পাগলা। মনে পড়ে দোহারের একটা প্রিয় গান হইলো 'পাগল'। গানের কথাগুলা এইরকম:
পাগল, পাগল - সবাই পাগল
তবে কেন পাগল ঘুটা?
দিল দরিয়ায় ডুব দিয়া দ্যাখ
পাগল বিনে ভালো কেডা?

এই ভালো মানুষ পাগলটা আমাদের নিয়া তার প্রিয় শহরে পৌছাইলো। রাস্তায় যায় আর আমাদের জিগায় এরপরে কোন দিকে? নিজের বাড়ি, আমাদের জিগায় কোন দিকে যাবে? আমরা র্যান্ডমলি বলি ডাইনে নাইলে বামে। কখনো এক দিকে কতদূর গিয়া, আমাদের বিভ্রান্ত কইরা বলে না, তাইলে অন্যদিকে যাই।

অবশেষে অনতিবিলম্বে তার রাজপ্রাসাদে পৌছালাম। পরিচয় হইলো তার টুকটুকে রাজপুত্তুর আর শাহজাদীর সাথে। আরো পরিচয় হইলো তার অসম্ভব ভালো বউটার সাথে।

আমার ধারনা বোকারা (আর শিশুরা) খুব দ্রুত আর সহজে মুদ্ধ হয়। বুঝলাম আমি একলা বোকা না, আমার সাথে বাকি দুই বন্ধুও (ঝড়ো আর মাশা) বোকা অথবা এখনো শিশু। কারন আমরা তিনজনেই দারুন মুদ্ধ শুভ'র সবকিছু নিয়ে। ওর বাড়ি ঘর, ওর জীবনযাপন, ওর পরিবার এবং ওর অসম্ভবক রকমের মিষ্টি বউটারে নিয়ে।

ঘরে পৌছেই ভাবীর আতিথেয়তায় আমাদের এক দফা হত্যা করা হইলো। সেটা ছিলো অনেকগুলো ধারাবাহিক মৃতু্যর সুচনা। হত্যার ভেনু্য শুভ'র ডাইনিং টেবিল। এমন উপচানো আয়োজন দেইখা খবর। ভাবী অসাধারন জিনিসপত্র বানায়।

খাইয়া শুভর সাথে আড্ডা, গান শোনা, ব্লগ বিষয়ক কথাবার্তা, বইপত্র লাড়াচাড়া, শুভর বিশাল প্রাচীনতার সংগ্রহ দর্শন হইলো। এর মধ্যে শুভ গ্যালো গোসলে। মাশা উসখুশ করে আর বলে, নতুন জায়গায় বইসা থাকলে ক্যামনে কি? আমরা তিনজন বেরিয়ে আসি ঘরের বাইরে।

তিতাস একটি নদীর নাম থাকলেও সেটা বদলে এখন তিতাস একটি খালের নাম। সেই প্রায় মরা তিতাসের উপরে বাঁশের সাকো পেরিয়ে এদিক সেদিক। বাড়ি ফিরে এসে আরেক প্রস্থ হত্যা হইতে হইলো। এত অল্প সময়ে মানুষকে খুন করা প্রথম শ্রেনীর অপরাধ। কিন্তু বাঙ্গালী আতিথেয়তা বইলা কথা। হও খুন। সমবেতভাবে আমরা আবারও খুন হইলাম একই ভেনু্যতে, শুভ'র ডাইনিং টেবিলে। এইবারে হত্যার আয়োজন আরো ভয়াবহ। আমিসহ সবাই (শুভ বাদে) ব্যাপক উৎসাহ ও তৃপ্তিতে খুন হই। আমি তখন প্রায় নিশ্চিত এই দফায় আর শহরটা ঘুরে দেখা যাবে না। ওরকম খেয়ে নড়া যায়?!

কে যেন একবার প্রিয় মানুষের রান্না কেন এত সুস্বাদু হয় তার মেটাফিজিক্সের ব্যাখ্যা দিয়েছিলো, পড়েছিলাম। সে বলছিলো, প্রিয় জনদের (যেমন মা) যত অল্প আয়োজনে রান্না করুক না কেন, সেটা এত মজার হয় কেন বলোতো? কারন রান্নায় মসলা ছাড়াও প্রিয় জনের রান্নায় আরেকটা গুওুত্বপূর্ণ উপাদান থাকে, সেটা হলো মমতা। শুভর অসম্ভব ভালো বউটাও যে প্রচুর মমতা মিশিয়ে রান্না করেছিলেন সেইটা খেতে খেতে বেশ বুঝতে পারছিলাম। তবে শুভ বেটা বদ। নিজে না খেয়ে আমাদের চোখের পাতা না কাপিয়ে উপর্যুপরি খুন করে গেছে।

দ্বিতীয়বার খুন হওয়ার পরে চা পান করে আমাদের যীশুর মতো প্রায় অলৌকিক পুনরুত্থান ঘটে শুভর পড়ার ঘরে। আমরা এবার সুযর্ালোকে বেরিয়ে আসি। আশেরপাশের কয়েকটা দর্শনীয় জায়গা দেখাই উদ্দেশ্য। অপ্রত্যাশিতভাবে সবুজ ধানের খেতের ভিতরে এক সুপ্রাচীণ স্মৃতিমন্দির দেখে আমরা সবাই পুলকিত। কি যে সুন্দর! তারপরে পাগলের সাথে, পাগলে মতো একটা বিশাল বোকার মতো কাজ করি। রেললাইনের উপর দিয়ে (যেখানে পাশে নামার কোন উপায় নেই) সেরকম পায়ে হাটার জন্য নিষিদ্ধ একটা ব্রীজ চার পাগলে পার হই। নীচে মাটি আর পানির দূরত্ব প্রায় চারতলা। ওই সময়ে একটা ট্রেন আসলে কি যে হইতো উপরওয়ালা জানে। আমরা ট্রেন লাইন হেটে আসার একটু পরেই ভগবান আমাদের 'হতে পারতো আমাদের যম' ট্রেনটাকে দর্শন করায়। 7 মিনিটের ব্যবধানে সেটা গর্জন করে ওই ট্রেন লাইনের উপর দিয়েই চলে যায়। আমরা একটা চমৎকার ঘাম ছুটানো দু:স্বপ্নের মূলধন মগজে জমিয়ে সামনে এগিয়ে যাই।

ভাবী, মানে শুভ'র বউয়ের কথা আলাদা করে লিখতেই হয়। এইরকম মমতাময়ী মানুষ খুব বেশি দেখা যায় না। বাইরে ঘুরে আমরা যেন সরাসরি ট্রেনে না চলে যাই, বাড়ি যেন অবশ্যই আসি তার জন্য সে প্রথমবার খোদা হাফেজটা পর্যন্ত জানালো না। পরিশেষে সত্যি সত্যি, ফিরে আসার আগে আবার শুভর বাড়ি। ভাবী যে তৃতীয়বার আমাদের খুন করার পরিকল্পনা করছে সেইটা বুঝলাম হাতেনাতে।

সারাদিনের মেনু্যর কথা নাই বা বললাম। তাতে আপনাদের আফসোসটাই বাড়বে। তবে এটা জানিয়ে রাখি, একটা খুব বড় হৃদয়, অনেক মমতা, অপরিসীম ভালোবাসা আর শুভর মতো একটা ভালো মানুষ পাশে থাকলে কি ধরনের অকৃত্রিম আতিথেয়তা পাওয়া যায় সেটা হাড়ে হাড়ে বুঝে আমরা বিদায় নিয়েছি পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর শহর থেকে।

বোকার খুব সহজে মুদ্ধ হয়। আমি একটু বেশি বোকা। তাই মুদ্ধতার সব পর্ব লিখলাম না। শুভ আর শুভনীকে বিব্রত করতে চাই না। আমি জানি ওদের মতো (পৃথিবী থেকে প্রায় হারিয়ে যাওয়া) ভালো মানুষদের বিব্রত করা পাপ। এর'চে হাসিমুখে ওদের হাতে মৃতু্যবরণ করা অনেক পূণ্যের।

চতুর্থবার আমরা খুন হই ট্রেনের কামরায়। তখন মাশার হাতে শুভ ভাবীর ধরিয়ে দেওয়া ব্যাগের ভিতরে অন্য পৃথিবী। আমরা একটু সময় নিয়ে আবার মৃতু্যবরণ করি, মু্দ্ধতায় ডুব দিয়েই। মানুষ এতো ভালো হয়! এই বিস্ময় গোপন করার প্রাণপন চেষ্টায় আমি সাবধানে ভিতরে চেপে থাকা শ্বাস ছাড়ি। ওদিকে শুভ'র ফোন বাজছে মোবাইলে ...

পুনশ্চ:
শুভ,
গতকাল ভাবীকে অনেকবার রসিকতা করে বলছিলাম, শুভ নামের পাগলটার সাথে থাকাটা যন্ত্রনার। কথা ফিরিয়ে নিলাম। আসলে শুভ নামক ভালো মানুষের আশেপাশে থাকতে পারা সৌভাগ্যের।

ভাবী,
আপনি অসম্ভব ভালো একটা মানুষ। আমাদের সবার ভীষন ভালো লেগেছে আপনাকে এবং আপনাদের সব। বাংলাদেশে আবার কবে আসি ঠিক ঠিকানা নাই। সুতরাং কবে আবার দেখা হয় কি না, কোন ঠিক নাই। সুতরাং যেখানেই থাকেন, অনেক ভালো থাকবেন।

ছবি: শুভর বসার ঘরের দেওয়াল জুড়ে দেশের ঐতিহ্য। ওর কাছে বহুৎ দেখার মতো পুরনো ঐতিহ্যময় জিনিস আছে। বাড়িটা অনেকটা যাদুঘর। নিজেও কথার যাদুকর, মিলায়ে বাড়িটাও।

 

প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরি  বিভাগে ।

 

  • ২৪ টি মন্তব্য
  • ৬০৫ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ০ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ১০ ই মার্চ, ২০০৭ ভোর ৬:৪৬
comment by: অতিথি বলেছেন: সাদিক,
আপনারে আমি খুন করমু... হা হা হা
ঈর্ষা ... ঈর্ষা ...

আর ঐ পোকামানবটাকেও দু'চার ঘা দিতে হবে ...
ব্যাটা কি সুখে আছে!!
প্রতিদিন খুন হয় ... আহারে !!
দাওয়াত দেয়ার আগেই নিয়ে নিলাম ... কইলাম কিন্তু

একটা ব্যাপার সাদিক,
এত মায়া দিয়ে লিখলেন কিভাবে? ... অসম্ভব ঝরঝরে লেখা ... যেকারও পরে যাইতে ইচ্ছা করবে সেই দেশে
এখন তো শুভর খবর আছে!! ... সবাই লাইন ধরব ... হে হে
২. ১০ ই মার্চ, ২০০৭ ভোর ৬:৪৯
comment by: অতিথি বলেছেন: জি্বনের বাদশা,
আমি অনেকখন ঝিম মেরে বসে ভাবছিলাম এই আনন্দযাত্রা ক্যামনে লিখি। যা ভাবছি তার কানাও লিখতে পারি নাই। ট্রাস্ট মি।

মুদ্ধতা কঠিন জিনিস। সব কিছু প্রকাশ করতেও দেয় না মরার এই লিখিত ভাষা।

আপনে আছেন ক্যামন? নতুন চাকুরী হইছে নাকি শুনলাম চামেলী হাতের ... কাছে। লিখবেন নতুন জীবনের কথা।
৩. ১০ ই মার্চ, ২০০৭ ভোর ৬:৫৩
comment by: অতিথি বলেছেন: লিখব ভাই ... সকালে সাতটায় উঠে অফিস যাই ... রাত নয়টায় ফিরি ... কঠিন অবস্থারে ভ্রাতঃ।
তারওপর আপনার কঢিন কঢিন আনন্দগুলার যন্ত্রণা পড়ে ঝিম মারি ... ... লিখব কখন?

মনে মনে চাই যত তাড়াতাড়ি হোক, ব্যাটা সিংহপুরে ফিরুক
৪. ১০ ই মার্চ, ২০০৭ ভোর ৬:৫৯
comment by: অতিথি বলেছেন: আপনি কি দেশ পালটাইছেন? সেইরকমই খবর পাইলাম।

নতুন জায়গা কেমন লাগতাছে? উইকএন্ডে করেন কি? @ জি্বন
৫. ১০ ই মার্চ, ২০০৭ সকাল ৭:০১
comment by: মাহবুব সুমন বলেছেন: আমিও খুব হতে চাই , দেশে গিয়ে খুন আমি হবই শুভর হাতে, কেউ ঠেকাতে পারবে না , কেউ না।
৬. ১০ ই মার্চ, ২০০৭ সকাল ৭:১১
comment by: নজমুল আলবাব বলেছেন: লেখাটা পইড়া ভাল লাগতাছে। সাথে একটা লোভও! সাদিক সিলেটে আসবে, তখন আমারে নিয়াও এমন মনটানা একটা রচনা ও আমারেই উৎসর্গ করবে...!!!
আবার এইটাও মনে হইতাছে, শুভ'র মত, তার বৌ এর মত আমি কি ওমন যতন নিতে পারব... মনে হয়না...
৭. ১০ ই মার্চ, ২০০৭ সকাল ৭:১২
comment by: নজমুল আলবাব বলেছেন: শুভ এবং তার বাজে বৌটার জন্য বাজে কামনা...

(শুভতো আছেই! তাগো বাজে দরকার! সেইটাই দিলাম!)
৮. ১০ ই মার্চ, ২০০৭ সকাল ৭:১৩
comment by: অতিথি বলেছেন: সিনডিকেট টু্যর !!
কথাটা ... ভুইলা গেলে চলবো না, সাদিক !

খাওয়া দাওয়া ঃ 1ম পর্ব
নাস্তার আইটেম গুলোর নাম বলি - পরোটা, আলু ভাজি, ডিম পোচ, পায়েশ, গাজরের হালুয়া, পেষ্ট্রি কেক, কয়েক পদের ফল, চা। মনে হয় কয়েকটা আইটেমের নাম বাদ পরে গেছে।
৯. ১০ ই মার্চ, ২০০৭ সকাল ৭:১৫
comment by: অতিথি বলেছেন: না ভাই দেশ পালটাইনাই ...
এখনও কাঁচামাছ খাই ... আমার াসলে এই দেশটা বেশ মনে ধরছে
১০. ১০ ই মার্চ, ২০০৭ সকাল ৭:১৭
comment by: অতিথি বলেছেন: ঝড়ো হাওয়াকে ঝড়ো বাতাস দিয়ে একটা মাইর দিতে হইব ...
মিয়া!! খিদা চাউর কইরা দিলেন
১১. ১০ ই মার্চ, ২০০৭ সকাল ৭:২৫
comment by: অতিথি বলেছেন: (খাইয়ালামু)
১২. ১০ ই মার্চ, ২০০৭ সকাল ৭:৩৪
comment by: অতিথি বলেছেন: ভালো লাগলো।
১৩. ১০ ই মার্চ, ২০০৭ সকাল ৭:৪৩
comment by: মাহবুব সুমন বলেছেন: ঝড়ু, খাবার কি কি ছিলো সেইটা কন জলদি , এইবার আক্রমন............শুভর বাড়ীতে আক্রমন। মমতার ভাগ নেবার আক্রমন।
১৪. ১০ ই মার্চ, ২০০৭ সকাল ১০:২০
comment by: শুভ বলেছেন: সাদিক ওরফে সুফি,
বাহ, এইখানে দেখি খুনাখুনির আলাপ হইতাছে...!

আসলে সুফিদের সব কিছুতেই বাড়াবাড়ি!
সুফি মিয়া, লজ্জায় ফালায়া দিলেন।

নিজেদের আনন্দটাই দেখলেন, আমারটা দেখলেন না! হা হা হা, আনন্দে শিশুর মতো হামাগুড়ি দিলাম- এইটা দেখলেন না, বড়ই আচানক!

আচ্ছা সুফী সাহেব, খাবার প্রসঙ্গের এতো অবতারণা কেন রে ভাই- এই বিষয়ে আমার স্পষ্ট কথা, কে কাকে খাওয়াতে পারে!

জনশ্রুতি ছিল, অমাবস্যা পূর্ণিমায় কারা কারা নাকি আমাকে দেখেছে নাংগুপাংগু হয়ে থাকতে, আমার বিশ্বাস হয়নি- সুফি সাহেব আমাকে এতোবার পাগল বলেছেন, এক্ষণ আমার বিশ্বাস না করে উপায় কী!

ফিরে পেলাম শৈশবের সেই খানিকটা অংশ...।
আপনাদের উপলক্ষে দেখা হলো মঠটা-বাড়ির কতো কাছে অথচ যাওয়া হয়নি কখনও।
পুরনো জিনিস আমাকে কী যে টানে- স্পর্শ করে মনে হয়, এটা যখন ছিল তখন আমি ছিলাম না- অন্য একটা অনুভূতি!!
সম্ভব হলে, মঠটার একটা ছবি পোস্টটার সঙ্গে এড দিয়েন তো...।

ভাল কথা, আমার পছন্দের মানুষদের জন্য আমার দরোজা সব সময় হাট করে খোলা- বিনা রক্তপাতে যারা খুন হতে আগ্রহী...
১৫. ১০ ই মার্চ, ২০০৭ সকাল ১১:২১
comment by: অতিথি বলেছেন: নজমুল,
সিলেট ভ্রমন ঝুলিয়া আছে। আমার মা' আমারে মাইরাই ফেলাবে দেশে আইসা এইরকম ঘরের বাইরে বাইরে ঘুরতে থাকলে। তাই রয়েসয়ে বুইঝা লই।

সুমন বদ্দা,
চোখ পাকান ক্যালা? চোখে নজর লাগবো তো আপনার।

জুবায়ের, মাহবুব সুমন,
ধন্যবাদ।

শুভ,
মানুষ হিসাবে আমরা ব্যাপক স্বার্থপর। তাই নিজেগো আনন্দের চোখ দিয়াই অন্যের আনন্দ দেখি। তয় আপনার আনন্দ এমন তীব্র, লুকাইলেও উপচায় পড়ে। না অনুভব কইরা উপায় কি?

শৈশব আগলাইয়া রাখা বিলকুল সম্ভব সেইটা তো দেখাইলেনই। আফসোস আমার শৈশবের জিনিসপাতি বারবার বাড়ি পরিবর্তনে হারায়ে গ্যাছে গা।

আপনে যে পাগল এই বিষয়ে বিন্দু সন্দেহ থাকলে আপনার শাহজাদী নাহিয়ানরে জিগান। আমার হইয়া সুইট কইরা উত্তর দিয়া দিবে।
১৬. ১০ ই মার্চ, ২০০৭ দুপুর ২:৪৩
comment by: অতিথি বলেছেন: হুম..
১৭. ১০ ই মার্চ, ২০০৭ বিকাল ৩:৩১
comment by: রঙহীন বলেছেন: ঈর্ষা হইতাছে। আর শুভ ভাইকে খুব দেখতে ইচ্ছা করতাছে :) শুভ ভাই নাগ করে একবার ভাগতে চাইলেন, মনে আছে? (অ্যাহ)
১৮. ১০ ই মার্চ, ২০০৭ বিকাল ৩:৫৪
comment by: কনফুসিয়াস বলেছেন: আমি এইসব লেখা পড়ি না। কে কার বাড়িতে কি খাইলো তাতে আমার কি?
বেল পাকলেও কাক চুপ কইরাই বইসা থাকে। :-((
১৯. ১০ ই মার্চ, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:০২
comment by: অতিথি বলেছেন: আমিও এইসব লেখা পড়ি না।
কনফুরে ডিটো দিলাম।

সাদিক,
রামা ঢাকা যাবেন দুই দিনের জন্যে। এপ্রিলের সাত ও আট। জানতে চাচ্ছিলেন, ওখানে মোটামুটি ভদ্্রস্থথাকা ও খওয়ার ব্যবস্থা কোথায় ও কি রকম দক্ষিণার বিনিময়ে মিলবে। আমার কোন ধারণা না থাকায় বলে দিলাম জেনে নিয়ে বলছি। উনি বোধ হয় ট্রড ফেয়ার এর জন্যে যাবেন। একটু খবরটা দাও তো। রামাকে মেল করেও জনিয়ে দিতে পারো। জানিও।

( কত কাম যে দিতেসি :(( )
২০. ১০ ই মার্চ, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:১৮
comment by: কালপুরুষ বলেছেন: সাদিক,
আপনার উপর আমি ভীষণ গোসসা করছি। শুভ'র বাড়ি যাবেন সেটা আমাকে জানান দেন নাই। তাইলে আমি লেজুর ধরতাম। খুব মজা করছেন। আমি মিস করলাম। কামটা ভাল করেন নাই।
২১. ১১ ই মার্চ, ২০০৭ রাত ২:২১
comment by: অতিথি বলেছেন: রঙহীন,
ঈর্ষায় কাম নাই। শুভ যে নিভৃতচারী, দেখতে চাইলে দেখা মিলা সৌভাগ্যের অর্জন।

কনফু,
না পড়াই ঠিকাছে।

শ্যাজা,
আচ্ছা, খোঁজ নিবো রামার ব্যাপারে। আমি জানাবো ইমেইল করে। হ' তোমারে কিছু না কইতে না কইতে তুমি ঘাড় রাইখা মাথায় উঠতাছো। খাড়াও একটু! পেতিশোধ লমু পরে। সিংহপুর থেইকা যখন সরাসরি বাজেট এয়ারলাইনস লইয়া তোমার বাড়ি হাজির হমু তখন বুঝবা মাথায় ওঠন কয় প্রকার!!

কালপুরুষ,
দিলেন তো প্যাচ মাইরা। এইটা আছিলো স্বল্প নোটিশে, ব্যাচেলার সিন্ডিকেটের যাত্রা। আপনে মিয়া সংসারি মানুষ। আমি, মাশা, ঝড়ো ল্যাঞ্জা বিহীন। তাই ফুট কইরা দৌড় দিছি। তয় নেক্সট টাইম আপনারেও ... নো টেনশন।

২২. ১১ ই মার্চ, ২০০৭ সকাল ৭:৪১
comment by: অতিথি বলেছেন: বিয়া করলে যে বেড়াতে যেতে পারুম না,এইটা কেমুন কতা@সাদিক।

দেখুম নে আপনে কুনুদিন বিয়া করেন কী না...
২৩. ১২ ই মার্চ, ২০০৭ ভোর ৫:০৪
comment by: অতিথি বলেছেন: যেমন মেহমানদারী তেমন উপভোগ্য বর্ণনা। খুব ভাল্লাগলো।..শুভ-র বাড়ির ভেতরের ছবিটাও।
২৪. ১২ ই মার্চ, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৩৮
comment by: অতিথি বলেছেন: বহুৎ বিবাহিতের দৌড় দেখনের পরেই কইলাম @ জেবতিক। বিয়া তো করুম হয়তো, তয় তারপরে মোবিলিটির যে বারোটা বাজে সেইটা অস্বীকার করি না।

শুকরিয়া @ শেখ জলিল

 



 


পাগলামী থাকা না থাকা
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ৬৬৫২২