আমার প্রিয় পোস্ট

যে ঘড়ি তৈয়ার করে - সে - লুকায় ঘড়ির ভিতরে

পলিটিক্যালি ইনকারেক্ট ডিসকোর্স

২৯ শে মে, ২০০৭ সকাল ১১:২৯

শেয়ারঃ
0 0 0

এক। মায়ের কাছে মাসির গল্প ।।

মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষ শক্তি (ক) ও চেতনা যারা ঘোষণা দিয়ে ধারন করেন (খ) সেই অমি রহমান পিয়াল, কৌশিক, হাসান মোরশেদ আর সুমন চৌধুরীরা ঠিক করলেন একজন অন্যজনকে মুক্তিযুদ্ধের গল্প শোনাবেন৷ যেইভাবা সেই কাজ৷ ঠিক হলো প্রতিদিন কাজ শেষে তিনজন ঘটা করে একে অন্যের বৈঠকখানায় মিলিত হবে (গ)৷

খুব জোশের সাথে প্রথম তিনদিন একে অন্যকে গল্প শুনায়, একজন আরেকজনের পিঠে সাবাশ দেয়৷ তুখোড় তুখোড়৷ কখনো টেবিল ভেঙ্গে ফেলতে যায় থাপ্পর মেরে (ঘ)৷ শুরুর উততেজনা থিতিয়ে আসে চতুর্থ দিনে৷

হঠাত্‍ চারজনে বুঝতে শুরু করলেন যে গল্প, যে ঘটনাই তারা বলেন, বাকিরা সেইটা জানে৷ প্রথম প্রথম 'ইতোমধ্যেই জানা' এই মনোভাব কৌশলে লুকিয়ে খুব আগ্রহ ধরে রাখা মুখে শুনে যেত বাকি দুইজন৷ কিন্তু একসময়ে সেটা আর হয়ে ওঠে না৷ সপ্তম দিনে তাদের হঠাত্‍ গল্প ফুরিয়ে যায়৷ চারজনের বগলে বয়ে আনা মুক্তিযুদ্ধের আর্কাইভ থেকে যে গল্পটা টেনে বলতে যায় , বাকি তিনজন এমন একটা নিরাসক্ত ভাব করেন, যাতে গল্প বলিয়ের বুঝতে বাকি থাকে না, এ গল্প তিনজনেরই জানা৷

সেই বৈঠকখানায় চারজনের এখনো যাতায়াত হয় কি না জানি না৷ যদি হয়ও, এটা বুঝি ইদানিং তারা চায়ে ডুবিয়ে শুকনো টোস্ট সহযোগে, সোফায় বসে ভারতের ক্রিকেট খেলা দেখে থাকেন৷ আগ্রহী ও যুতসই শ্রোতার অভাবে মুক্তিযুদ্ধের গল্প বলা তারা থামিয়ে দিয়েছেন৷


দুই। গল্প শোনা যার বেশি জরুরী।।

উপরের গল্পের পেছনের মজমাটা এইবার বলি৷ এর আগেও অনেকভাবে বলার চেষ্টা করছি৷ পলিটিক্যালি ইনকারেক্ট চেষ্টা ছিলো প্রতিবার৷ এইবারও দূর্বল প্রচেষ্টা৷ তবু আরেকবার চেষ্টা করা আর কি৷

আমার পয়েন্ট এই:
এই ব্লগে যারা মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানার ডেফিসিয়েন্সি রোগে আক্রান্ত এবং একই সাথে ধর্ম রাজনীতি বায়াসে আক্রান্ত, তারাই সবচে বেশি মুক্তিযুদ্ধের পোস্টের যুতসই পাঠক৷ তাদেরকে "ফুট্" বইলা খ্যাদানোটা তাই সমর্থন করি না৷

কারন তাদের ভিতরেই মুক্তিযুদ্ধের আসল চিত্র তুলে ধরাই বেশি জরুরী৷ নাইলে বাইতুল মোকাররম থেকে তারা বগলে করে গো. আজম আর নিজামী বাড়ি নিয়ে পড়তেই থাকবে, পড়তেই থাকবে আর পড়তেই থাকবে। তাদের অপকর্ম আর দ্বিমুখো সুবিধাবাদী চরিত্র আর জানা হবে না। অমি রহমান পিয়াল, আড্ডাবাজ, হাসান মোরশেদ, হযবরল, আরিফ জেবতিকের ব্লগে তাদের বিচরনটাই সবচেয়ে বেশি জরুরী।


তিন। পোলারাইজেশন।।

এক্সট্রিমিজম নিয়ে যারা কাজ করেন তাদের পর্যবেক্ষন হইলো, যেকোন বিতর্ক ও তর্কে যারা অন্যমতের, এমনকি ভুল মতের অধিকারী তাদের ভিন্ন মতের প্লাটফর্মে অংশগ্রহন ও ইন্টিগ্রেশন করাটাই - ভুল মত ও পথ থেকে সঠিক পথে ফিরায়ে নিয়ে আসার সবচেয়ে কার্যকর পন্থা৷ এর উল্টাটা: "থাকলে এমনেই থাকতে হবে, নইলে ফুট্" - আপাতত পলিটিক্যালি কারেক্ট মনে হইলেও সেইটা আরো ডীপ ও এক্সিট্রিম কোন ফোরামে তাদের জড়ো হইতে উসকানী দেয়৷ ফলাফল হয় আরো বায়াসনেস, আরো এক্সট্রিম পোলারাইজেশন।

চার। তাহলে ব্লগে গো. আজম, নিজামী লিটারেচার, ছবির প্রতিকার কি??

সভ্য প্রতিকারের সবচেয়ে কার্যকর পন্থা হবে আরো বেশি করে তাদের মুখোশ উন্মোচন৷ যাদের পপুলার ভোটে নব্য রাজাকার ডাকা হয়, তাদের নতুন শত্রু হিসাবে না দেখে পটেনশিয়াল মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ধারনকারী দেখাটা একটা কার্যকর বিকল্প পন্থা৷ কারন বেশিরভাগের ব্রেইনওয়াশই খুব মার্জিনাল৷

আসল ইতিহাস, সঠিকভাবে তুলে ধরলে এদের সিংহভাগের ভিতরেই বায়াসনেস কাটানো সম্ভব মনে করি৷

এর জন্য চ বগীয় গালাগালি আর নারী পুরুষ নির্বিশেষে নব্য রাজাকারদের ধর্ষনের অবদমিত ইচ্ছার বমিকরন (পোস্টে পোস্ট) কোন রকম সমাধান হইতে পারে না৷ তাতে ব্লগটার সামগ্রিক পরিবেশটাই বারোটা বাজছে৷


.................................
টীকা
ক) এইটাও এখন পলিটিক্যাল টার্ম, কি যন্ত্রনা!
খ) ঘোষনার কথা বলতে হইলো কারন দেশটা যদি অদ্ভুত উটের পিঠে না চলা দেশ হইতো তাইলে প্রত্যেকেরই জন্মযুদ্ধ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারন করার কথা ছিলো৷
গ) এখানে মিলন শব্দটি সঙ্গম অর্থে নয়, আলাপ আলোচনার নিমির্তে একত্র হ্ওয়া বুঝাইতে৷ এই ক্লারিফিকেশনের কারন আর কিছু না, ব্লগে অনেকে বেশ বুঝেন তাই৷ যেমন ভাসমান শব্দটায় কেউ কেউ পতিতা বুঝেন৷
ঘ) কথাটা নজরুলের থেকে ধার করা৷

..............................................
ডিসক্লেইমার: এই পোস্টরে গো. আজম, জামাতী বা নিজামী গ্রুপের ডিফেন্ডার পোস্ট হিসাবে না দেখে, দেখার দৃষ্টিটা আরেকটু প্রসারিত করতে পারেন৷ টানেল ভিশন একটা বাস্তাবিক চক্ষু রোগ হইলেও, যেখানে রোগী খুব অল্প টানেলের মতো ফোকাসে দেখতে পায়, দেখার বিস্তার অনেক কমে যায়; সেই 'টানেল ভিশন' রূপক অর্থে একটা দৃষ্টিভঙ্গি সম্পকিত সমস্যাও বটে৷ প্রার্থনা করি আপনার চিন্তা ও ভাবনার সম্ভাবনাটা টানেল ভিশনে আক্রান্ত না হয়।


- মাইক্রোফ্র্যাব্রিকেশন ল্যাব,
ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অফ সিংগাপুর, সিংহপুর।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): দুইপয়সাদুইপয়সাদুইপয়সা দুইপয়সাদুইপয়সা দুইপয়সা দুইপয়সা দুইপয়সাদুইপয়সা দুইপয়সা দুইপয়সা দুইপয়সা দুইপয়সা দুইপয়সা দুইপয়সা দুইপয়সাদুইপয়সা দুইপয়সা দুইপয়সা দুইপয়সা দুইপয়সা দুইপয়সা দুইপয়সা দুইপয়সা দুইপয়সা দুইপয়সা দুইপয়সা দদুইপয়সা দুইপয়সা দুইপয়সা দুইপয়সা দুইপয়সা দুইপয়সা দুইপয়সা দুইপয়সা দুইপয়সা দুইপয়সা দুইপয়সা দদুইপয়সা দুইপয়সা দুইপয়সা দুইপয়সা দুইপয়সা দুইপয়সা দুইপয়সা দুইপয়সা দুইপয়সা দুইপয়সা দুইপয়সা দ ;
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরিআমার দিনকাল  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে মে, ২০০৭ সকাল ১১:৪৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

৩. ২৯ শে মে, ২০০৭ সকাল ১১:৪৩
অঃরঃপিঃ বলেছেন: আমি আমার বক্তব্যে অটল। রাজাকার দ্যাখলেই গাইল পারুম। এইটা আমার সমস্যা। ব্লগীয় পরিবেশের মায়রে বাপ
৪. ২৯ শে মে, ২০০৭ সকাল ১১:৪৪
মানবী বলেছেন: ভালো লেখার জন্য ধন্যবাদ সাদিক মোহাম্মদ আলম।
৫. ২৯ শে মে, ২০০৭ সকাল ১১:৪৯
অচেনা বাঙালী বলেছেন: ব্লগের পরিবেশ, হাহ্‌ !!!!
রাজাকারের আখড়া ।
৬. ২৯ শে মে, ২০০৭ সকাল ১১:৫২
সাদিক মোহাম্মদ আলম বলেছেন: বেশি এ্যাবসট্রাক্ট হইছে নাকি? @ মুর্শেদ?

সক্কলেই মনে করে হ্যায় ঠিক। এইটাই হইলো কারবার @ অ.র.পি
৭. ২৯ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১২:০১
অঃরঃপিঃ বলেছেন: হ, তালগাছ আমার @ সা.মো.আ
৮. ২৯ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১২:০৫
সাদিক মোহাম্মদ আলম বলেছেন: তালগাছ কোই? সব তালগাছ সেই কোন প্রস্তর যুগে বিলুপ্তপ্রায়।

এখন নতুন কোন অচিন গাছ দাবী করার সময়। @ অ.র.পি
৯. ২৯ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১২:২০
হেজাব বলেছেন: পোষ্টের সাথে একমত। যেহেতু তাদের মগজ ধোলাই করা হইছে তাই বুঝাইতে একটু সময় লাগবে এই যা। তবে তারা একদিন অবশ্যই বুঝবে বলে আমার বিশ্বাস@সাদিক
১০. ২৯ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১২:৫৫
তেলাপোকা বলেছেন: সাদিক ভাই, পাঁচ দিলাম। কোনমতে কমাইতে পারিলাম না :(
১১. ২৯ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১২:৫৭
তেলাপোকা বলেছেন: অরপির সমস্যা কি? অনেককেইতো মা' বাপের সামনে সিগারেট টানতে দেখি। অমিকে তেমন মনে হয়না। উহু এর প্রেক্ষিতে কোন মন্তব্য আশা করিনা।
১২. ২৯ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১২:৫৯
অমনিবাস বলেছেন: ফেডারেটেড নিকের ব্যাপারটা আমার পছন্দ হইছে
১৩. ২৯ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১:১৭
চোর বলেছেন: ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অফ সিঙ্গাপুরের ফ্র্যাব্রিকেশন ল্যাবের গবেষণালব্ধ পোস্টের বক্তব্য অনেক উইক।

১। পোস্টে ব্যক্তিকে মুখ্য হিসেবে ফোকাস করা হয়েছে। কিন্তু ব্লগে ব্যক্তির চেয়ে ব্যক্তির লিখাই মূখ্য। রাজাকারেরা ব্লগের পাতায় পাতায় মনের আনন্দে নেঁচে বেড়াক, কাঙাবনে মুড়ি খাওয়ার গল্প লিখুক, সুফীজম নিয়া জ্ঞানগর্ভ পোস্ট দিক (এইখানে সাদিকের পোস্টকে ইংগিত করা হয় নাই), কোনো সমস্যা নাই। সমস্যা হয় মুক্তিযুদ্ধকে হেয় করে পোস্ট দিলে; কিংবা মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষের দেশদ্রোহীদেরকে মহাপুরুষ বানিয়ে পোস্ট দিলে। সবাই চাইছে ওই পোস্টগুলো দেয়া বন্ধ হোক। অ্যান্ড দ্যাট'স অল।

২। ওই পোস্টগুলো দেয়া কেন বন্ধ করা দরকার? অপপ্রচার রোধের স্বার্থে। গোলাম আযমকে একজন মহাপুরুষ হিসেবে দেখাতে পারলে ৭১এ তার ভূমিকার সাফাই গাওয়া অনেক সহজ হয়। এবং তার যতই সাফাই গাওয়া হয়। ৭১ এ আমাদের অর্জনকে ততোই অবমূল্যায়ন করার চেষ্টা করা হয়।

৩। "তারা যা ইচ্ছা বলে যাক, যেভাবে ইচ্ছা অপপ্রচার চালাক, কেউ বায়াসড হবে না" আপনি কি এটা বলতে চান? বলতে চাইলে তা ভুল। উদাহরণ চোখের সামনে। রাজাকারদের পক্ষে বলা লোকগুলোকে উনারা অলরেডি ব্রেইন ওয়াশ করে ফেলেছেন এই অপপ্রচার দিয়ে। ব্লগের আপনি আমি যে জনাব গোলাম আযমের কীর্তি শুনে প্রভাবিত হবো না, তা নিশ্চিত করে বলতে পারবেন?

৪। এখন কথা হলো, স্বাধীনতা বিরোধিদের অপপ্রচারে প্রভাবিত হই আর না হই, তাদেরকে এই অপপ্রচার চালানোর সুযোগ কেন দেওয়া হবে? আপনি কি নিশ্চিত যে, রাজাকারেরা স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিলো, তারা স্বাধীনতা যুদ্ধের বিরোধী শক্তি, আর সর্বোপরি, আপনি পাকিস্তানের অধীনতা নয়; বরং আমাদের স্বাধীনতার সমর্থক? যদি তাই হয়, তাহলে আপনি স্বাধীনতার বিপক্ষের শক্তিকে স্বাধীনতার বিপক্ষে অপপ্রচার চালানোর সুযোগ কেন দিবেন? তাদেরকে লিখতে দেওয়ার অর্থ হলো, স্বাধীনতাকে ব্যর্থতা হিসেবে দেখানোর জন্য তেনা পেচাতে দেওয়া। আপনি কি তাদেরকে এই তেনা পেচাতে দিতে চান? আপনি তাদের মুখ থেকে শুনতে চান, ৭১ এ তাদের ভূমিকা কত মহান ছিলো, কতোটা ইসলামসম্মত (!) ছিলো?

৫। রাজাকারেরা ব্রেইন ওয়াশ করে দিয়ে অপপ্রচার চালাতে ব্লগে পাঠাবে আর সেই অপপ্রচার চলতে দিয়ে তাদের ব্রেইন ওয়াশকে দূর করতে হবে, ব্লগে এই মহান দায়িত্ব নিয়ে কেউ এসেছে বলে মনে হয় না। "নিযামী সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহাপুরুষ" এইটা নিয়ে পোস্ট না দিতে পারলে কেউ মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের প্রতি বিতৃষ্ঞ হলে কিছু করার নেই। কারণ, তাদেরকে বিতৃষ্ঞ না করতে হলে ওই পোস্টে গিয়ে মারহাবা বলে ৫ দিয়ে আসতে হবে। আপনি সেটা করবেন?

৬। সব রোগের ওষুধ একরকম না। কোনো কোনো রোগে আক্রান্ত অঙ্গটিকেই কেটে বাদ দিতে হয়, নাহলে সমস্ত শরীরটাই যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। যাদের ব্রেইন ওয়াশ সারার, তাদেরটা রাজাকারদের পক্ষে পোস্ট না দিয়েই সারবে। রাজাকারদের পক্ষে পোস্ট দিয়ে দিয়ে কেউ ব্রেইনওয়াশ থেকে মুক্ত হবে আর সেই আশায় ব্লগবাসী তীর্থের কাকের মত বসে থাকবে - এমন গবেষণা একটু কষ্টকল্পিতই বটে!

-----
ডিসক্লেইমার: মন্তব্যে কোথাও সাদিককে আক্রমণ করা হয় নাই।
১৪. ২৯ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১:২৪
সুর বাংলা বলেছেন: খাইসে!

কুন আবাল যেন কইলো জামাতগো প্রচারনা চালাইতে দিবো না! হারামজাদায় প্রচারনা বন করবো কেম্বায়! শুয়োরের বাচ্ছা তুই ক, জামাত এহনো সংসদে যায় কেম্বে! তুমরা বইয়া বইয়া আঙ্গুল চুষো! না নিজের াল চুষো!
১৫. ২৯ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১:৩৫
তেলাপোকা বলেছেন: গোলাম আযমরা যখন শেখ মুজিবদের হাতে ধরা পড়ে সাদা হয় তখন সেখানে এসব দেশপ্রেম দেখা যায়না। খাঁটি কথা। আমরা রাজাকারদের বাথরুমে মলত্যাগও করিনা, ঘুরঘুর ও করিনা। মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী তাদের লেখাগুলোতে আমার হিসু আবিস্কার করার জন্য চোরকে অনুরোধ করা গেল।

এখানে সবচেয়ে বেশি হাইলাইটেড হয়েছে দেশপ্রেমিকদের গালিগালাজগুলোই, তাদের দেশপ্রেম না। তাদের গালাগালাজ সম্মৃদ্ধ পোষ্টগুলোতে স্বজাতি এবং রাজাকাররাই হাগু করতে যায়। সুস্থ্য মানুষ সেখানে বিচরন করে কম।

একজন আনকোরা কম বয়সী ব্লগার এখানে এসে কি পাবে? কাদের প্রতি বিতৃষ্ণা পোষন করবে? সে কি মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে পড়াশুনা করার অনুপ্রেরণা এই সাইট থেকে পাবে?

সত্য কথা বলতে কি, আমি চোরদের মত 'চ' বর্গীয় ব্লগারদের পোষ্টে যদিও প্রবেশ করি, মুক্তিযোদ্ধা/ধার্মিক/রাজাকারদের পোষ্টে ভুলেও হিসু করতে যাইনা। চোররাও যদি ঐসব লোক দেখানো আবেগী ভেঁড়াগুলোর দলে ঢুকে যায়, তো কিচ্ছু করার নাই। আমি নিজের পছন্দের পথে হাঁটতে পছন্দ করি।
১৬. ২৯ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১:৪৮
চোর বলেছেন: তেলু, এইজন্যই গালির উত্স খোঁজা দরকার আগে। নো রাজাকার (পোস্ট), নো গালি।
১৭. ২৯ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১:৫৩
সুমন চৌধুরী বলেছেন: প্রথম দুই পার্ট ঠিকাছে। ৩য় পার্টের ত্রুটি হইল সেইক্ষেত্রে একধরণের গ্যাসবেলুন অবস্থান নিতে হয়। শুধু পলিটিক্যালি কারেক্ট বলতে কিছু নাই। একেকটা অবস্থান তার নিজস্ব সঠিক বেঠিক নির্ধারণ করে। ইতিহাসে রাজনৈতিক পক্ষপাতের যেই বিষয়টা গত শ-দেড়েক বছরে সমাজবিজ্ঞানে ডেভেলপ করছে সেইটাও ইতিহাস কে লিখছে তার রাজনৈতিক উদ্দেশ্য কি তার উপর নির্ভর করছে। মেরুকরণ ঠেকানো বিষয়টার কোন বস্তুগত চেহারা নাই। ইউনিটি অ্যান্ড স্ট্রাগল অফ দি অপজিশন থাকবোই। বিরোধের মাত্রার উপর নির্ভর করে স্ট্রাগল এর চেহারা কেমন হবে।

একটা সাধারণ ভূল সংশোধন করা দরকার। জামায়াত সহ তাবৎ যূদ্ধাপরাধীদের রাজনীতিতে পূনর্বাসনের ক্ষেত্রে শেখ মুজিবর রহমানের সাধারণ ক্ষমার সরাসরি কোন যোগ নাই। এইটার দায় আক্ষরিক অর্থে যারা ১৯৭৫ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের বেনিফিসিয়ারি তাদের। সামরিক ফরমানের মেহেরবানিতে তারা রাজনীতি করার অধিকার পাইছে। জনগণের কাছ থিকা মতামত নিয়া তাদের ফেরত আনা হয় নাই। কিন্তু নিষিদ্ধ করা হইছিল গণদাবীর মুখে। সুতরাং বিরোধের মৌল উপাদানে কোন পরিবর্তন আসে নাই। পরিবর্তন আনতে তারা চাইতেছে। এই কাজে তারা ব্যবহার করতেছে কিছু মতলববাজ "নিরপেক্ষ"লোকরে। যারা ১৯৭২ পরবর্তী অভ্যন্তরীন রাজনীতির টানাপোড়েনের ডিটেইলস দিয়া সুকৌশলে এই আন্তর্জাতিক ফ্যাসিস্ট চক্ররে বাঁচানোর চেষ্টা করে। পিয়াল ভাই এর লেখাটা আবার পড় খিয়াল কইরা। শিবির সভাপতিরে কানধইরা উঠবস করানো আর গোলাম আজমরে জুতা দিয়া বাইরানো হইতেছে জামাত বিরোধীতার মিনিমাল ফেইজ। সেইটা রাষ্ট্রের দৃষ্টিতে না জনগণের দৃষ্টিতে। ১৯৭১ এর ১৬ ডিসেম্বর থিকা ১৯৭২ এর মাঝামাঝি পর্যন্ত যেই গণধোলাই এর ভয়ে জামাত নেতারা হয় পালাইতেছিল অথবা গ্রেফতার হইয়া জান বাচাইতেছিল - ঠিক সেই গণরোষটাই জামাত বিরোধিতার প্রকৃত চেহারা। আমাদের পপুলার রাজনীতির মধ্যেও ফ্যাসিবাদের উপাদান আছে। ওই হোমোজিনিয়াস উপাদান থিকাই তারা বিভিন্নভাবে জামাত তোষন করে। জনগণের অবস্থান অনিবার্যভাবে ফ্যাসিবাদের বিপরীতে।

সুতরাং প্রতিক্রিয়া চলতেই থাকবে। "ভদ্র"ভাষায় পুতুপুতু কইরা কথা বললে যে তারা এক্সট্রিম অবস্থান ছাড়বে এইটা ঠিক না।

১৮. ২৯ শে মে, ২০০৭ দুপুর ২:৩৭
সাদিক মোহাম্মদ আলম বলেছেন: ... পড়লাম সম্পূরক মন্তব্যগুলা।

ধন্যবাদ।
১৯. ২৯ শে মে, ২০০৭ দুপুর ২:৫৮
চোর বলেছেন: সম্পূরক মন্তব্যগুলো পড়ে আপনার অনুধাবন কি সেটা জানতে খুব ইচ্ছে করছে। :)
২০. ২৯ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৩:১৯
দ্বিতীয়নাম বলেছেন: সোজা কথা, যেমন কইর‌্যা হউক রাষ্ট্রযন্ত্র দিয়া জামাতগোরে নিষিদ্ধ করাটাই একমাত্র সমাধান। এই লক্ষ্যে যা করা দরকার তা করা প্রয়োজন। হেরা আন্ডারগ্রাউন্ডে গিয়া যা করবার পারুক করুক গিয়া। যেমন ইউরোপে নাৎসীগো করা হইছে। আমাগো গালি শুইন্যা ফকরুদ্দিন-মইনরা যদি এইটা করবার উৎসাহ পায় তয় গালিই সই, তা না হইলে এইটা পন্ডশ্রম।
২৩. ২৯ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৩:৩৯
মদন বলেছেন: গালি দিয়ে কোন মহান কাজ হয়েছে কখনও শুনিনি। রাজাকার-দালালদের শাস্তি দেয়া যায় বা তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা যায় তেমন পদক্ষেপ হাতে নিতে হবে। গালি দিয়েই যদি সব হতো তাহলে দেশ স্বাধিনের জন্য ৩০ লক্ষ্ প্রান বিসর্জনের প্রয়োজন ছিলনা। গালি দিয়াই পাকিদের খেদাইতে পারতাম। গালি দেয়া হলো সর্বৌচ্চ অক্ষমতার লক্ষন।
২৪. ২৯ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৩:৪২
দ্বিতীয়নাম বলেছেন: তয় আত্মতৃপ্তি পাওয়া যায়, নিজেরে গাজী, গাজী লাগে।
২৫. ২৯ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৩:৪৭
চোর বলেছেন: মদনা, গালি দিতে কেউ চায় না। রাজাকারদের পোস্টগুলোই গালিকে উত্সাহিত করে।

নো রাজাকার, নো গালি।
২৬. ২৯ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৩:৫১
মদন বলেছেন: দ্বিতীয়নাম,
আমরা গালি দিয়া গাজী হইতাছি বইলাই নিজামী সাভারে স্মৃতিসৌধে যায়, জাতীয়পতাকা গাড়িতে লাগায়া ঘুরে। পবিত্র সংসদে গিয়া আইন পাশ করে আর আমরা গালি দিয়া গাজী হই...
২৭. ২৯ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৩:৫৬
দ্বিতীয়নাম বলেছেন: হ, মাগী খাওয়ার সাহস নাই, তাই হাত মারি।
৩০. ২৯ শে মে, ২০০৭ রাত ৯:২৩
চোর বলেছেন: সাদিক ভাই, এত বিশাল একটা মন্তব্য দিলাম আপনার চমত্কার পোস্টে। নীরবতায় মনে হইতেছে আপনি আমার কথার সাথে একমত। তাই কি?
৩২. ২৯ শে মে, ২০০৭ রাত ১১:২৩
ধুসর গোধূলি বলেছেন: সাদিক, তুমি যে কয়জনের কথা বললা তারা কি সম্পূর্ণ বাংলাদেশকে রিপ্রেজেন্ট করে!- এইটা নাম্বার ওয়ান। আর নাম্বার টু হইলো, মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষ শক্তি যদি একটা পলিটিক্যাল টার্ম হয় তাইলে বাংলাদেশের সব মানুষই পলিটিক্যাল। যারা রাজনৈতিক দলের অনুসারী তারাতো বটেই, যারা কোন রাজনৈতিক দলের নামও শুনতে পারে না তারাও।


উল্লিখিত ৩ জনের 'স্টক' ফুরালো কি বাড়লো সেটা নিয়া তুমি কনসার্ণড হলেও তারা ভাবে অন্যকিছু নিয়ে যেটার কথা বদ্দা বলেছেন।


ভাবনার কথা যতোটা না স্বাধীনতা বিরোধী রাজাকারদের নিয়া তারচাইতে বেশী ভাবনার কথা হইলো মতলববাজ 'নিরপেক্ষ' লোকরে নিয়া।


রাজাকারগো বিরুদ্ধে তুমি দলিল খাড়া করাইতে পারবা, কিন্তু এই মতলববাজগো বিরুদ্ধে কি দলিল দিবা তুমি? রাজাকারগোরে সাপোর্ট? সেইটা ক্যামনে হবে, স্বাধীন, গনতান্ত্রিক দেশ- যে কেউ, যে কাউরে সাপোর্ট দিতে পারে। এখন কথা হইলো, এই সাপোর্টটা মতলববাজ 'নিরপেক্ষ'গো কাছে গণতান্ত্রিক অধিকার মনে হইলেও বাংলাদেশী 'পলিটিক্যাল জনগোষ্ঠি'র কাছে সেইটা সেইরূপে না। তাগো কাছে এইটা ধৃষ্টতা।


এই ধৃষ্টতার খুব যৌক্তিক একটা কারণ হলো, 'নিজের অস্তিত্বের বেলায় কোন যুক্তিতর্ক নাই'! আইদার নিরপেক্ষ মতলববাজ অথবা (তোমার ভাষায়) পলিটিক্যাল।
৩৩. ৩০ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৩:৪৫
চোর বলেছেন: সাদিক সা'ব, মনে না হওয়ার কারণ কি একটু খোলাসা করবেন? আমি কোন কথাটা ভুল বলেছি এবং কেন ভুল, সেটা বলা উচিত।

নাকি সেটাকে পন্ডশ্রম মনে করেন? পন্ডশ্রম মনে করলে কিন্তু বিপদ। আপনি রাজাকারদের ব্রেইন ওয়াশ সারাবেন আর সামান্য চোরের কথার রিপলাই দিতে ধৈর্য হারালে তো বিপদ।
৩৪. ১২ ই জুন, ২০০৭ রাত ১২:১১
ত্রিভুজ বলেছেন: এই জটিল লেখাটা আমার চোখ এড়িয়ে গেল কিভাবে কেউ বলতে পারেন?


৫ + ৫ = ১০
৩৫. ২৪ শে জুন, ২০০৭ রাত ৯:৩৫
মইন বলেছেন: ভাই প্রবলেম গুলো আপনাদের মাঝেই।
এই ব্লগে আপনারা বহুত চেঁচামেচি করেছেন, গালি দিয়েছেন, কিন্তু কোথায় আপনারা তার বিপরীতে সঠিক তথ্য উপস্থাপন করতে পারেননি (কিছু ক্ষেত্রে ভিন্নতা লক্ষ্য দেখা গেছে, কিন্তু তার অবস্থাটা ১৫ - ২০%)। অবস্থাটা হইল, চোরের মায়ের বড় গলার মতন। চোরের মা বড় গলায় চিল্লাইতে পারে, কিন্তু কিছুই করতে পারে না।
আপনার গালি দিতেই থাকেন, কে কি মনে করবে? কুকুর তো ঘেউ ঘেউ করতে থাকবেই।

ও আরেকটা কথা, আপনে যখন একটি খারাপ গালি দিবেন, একজন ১০০ মানুষের মধ্যে ১০-১৫ জন মানুষ আপনার গালি দেওয়ার কারণ জানবে, বাকী ৮৫-৯০ জন মানুষ শুধু জানবে আপনি গালি দিয়েছেন এবং বলবে, "ছেলেটা বখে গেল।"

তাই আমার কথা, গালি না দিয়ে তথ্য নিয়ে তর্কে আসুন, জিততেও পারেন। কথায় বলেনা, মানুষ পারেনা এমন কিছুই নাই।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৯৬৫ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
প্রথমত: সময় নাই। দ্বিতীয়ত এখনই সময়। তৃতীয়ত: আমি না থাকলেও ব্যাপারটা ঘটবে, তবু আমাকেই চাই।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ