আমার প্রিয় পোস্ট
- বোকা বাউলের পদ্য: নিজেকে ওভাবে মেলতে নেই - প্রণমি যীশু, মনসুর আল হাল্লাজ অথবা হুমায়ুন আজাদ - সাদিক মোহাম্মদ আলম
- সিংহপুরের ডায়েরী - সাদিক মোহাম্মদ আলম
- আমরা ভালো আছি - রাসেল ( ........)
- কুয়ালালামপুরের ডায়েরী: গোপালীয় খানাপিনা আর রোবোকন প্রতিযোগিতা - সাদিক মোহাম্মদ আলম
- কনক্রিটের সৌধে পুস্প দেওয়া ইসলাম সম্মত না - বলেছেন রাম সন্না। ধমর্ান্ধরা মুড়ি খাও - সাদিক মোহাম্মদ আলম
- কুরবাণী করতে হুকুম প্রাণ প্রিয় ধন। গরু ছাগল হইলো কি তোর এতই প্রিয় ধন? - ফিরে দেখা কুরবাণী - সাদিক মোহাম্মদ আলম
- আমাদের সক্রেটিস - আরজ আলি যেভাবে একজন আরজ আলি হয়ে ওঠেন - সাদিক মোহাম্মদ আলম
- ধর্মান্ধরা মুড়ি খাও: চাঁদ দেখতেই হবে? - সাদিক মোহাম্মদ আলম
- শেষ কবে আপনি একেবারে নতুন কিছু করেছেন? - সাদিক মোহাম্মদ আলম
- প্যারাডক্স : সব পূর্ব-নির্ধারিত (প্রিডেস্টিনেশন বা ভাগ্য) হলে আপনার আমার কি দোষ (শেষ বিচার, কর্মফল -এর ধারনা অর্থহীন )? - সাদিক মোহাম্মদ আলম
- অভিযানের নাম 'মেজবান সঙ্গে লইয়া ভ্রমন'। গন্তব্য শুভর বাড়ি এবং চতুর্থ মৃতু্যর উপাখ্যান - সাদিক মোহাম্মদ আলম
- 100তম পোস্ট: আগন্তুকের সাথে মৌন কথোপকথন - সাদিক মোহাম্মদ আলম
ফটোব্লগ। বৃষ্টি বিকেলের কৃষ্ণচূড়া
১৫ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:২০
![]()
![]()
সানে নুজুল। বৈশাখী জৈষ্ঠ্য সময়টার বৃষ্টি আসার ঠিক আগে আগে একটা অদ্ভুত দমকা হাওয়া আসে, যেন বৃষ্টির আগমনী বার্তা নিয়ে। সেই পাগলা হাওয়ার সৌজন্যে আঙ্গিনার বড় কৃষ্ণচূড়া গাছের নিচে অনেকটা জায়গা জুড়ে কৃষ্ণচূড়া ফুলে, আর ফুলের নিবিড় লাল পাপড়িতে এক বিছানো গালিচা তৈরী হয়ে গিয়েছিলো। সেই গালিচার কাছে গিয়ে উবু হয়ে কিছু ম্যাক্রো ছবি তুলতে তুলতেই প্রথমে টুপটাপ, তারপরে বুঝে ওঠার আগেই ঝুম বৃষ্টি। বৃষ্টির বড় বড় ফোটারা গাছের শাখা প্রশাখায় হামলে পড়তেই লাল আগুনের গাছ থেকে আস্ত কৃষ্ণচূড়া ফুলের টুপটাপ ঝড়ে পড়া।
তীব্র বৃষ্টিতে ক্যামেরা ভিজে যাওয়ার ভয়ে সেই বিশাল কৃষ্ণচূড়া গাছতলায় বন্দী। গাছটাও তার অতিথির প্রতি মমতা ভরে যতখানি পারে বৃষ্টিকে ঠেকিয়ে রাখছিলো। ক্যামেরার বৃষ্টিতে ভিজে যাওয়া উপেক্ষা করেই কয়েকটা কৃষ্ণচূড়াকে হাতে নিয়ে আবারো ম্যাক্রো তোলার চেষ্টা। এবার ঘন বৃষ্টিটাই ব্যাকড্রপ। ম্যাক্রো ফিচারে সেই ঘন বৃষ্টি আরো ঘোলাটে হয়ে আসে। কাছ থেকে কৃষ্ণচূড়ার পাপড়ির বাহারী নকশা আরেকবার খুব মনখুলে দেখা হয়। ম্যাক্রো ছবি তোলার এই এক সুবিধে। যা 'দেখা হয় না চক্ষু মেলিয়া, কাছে লইয়া' - ঠিক তাকেই খুব কাছ থেকে, চোখ মেলে দেখতে সুযোগ করে দেয়।
কে জানতো দেখতে লাল লাল কৃষ্ণচূড়ার পাপড়ির উপরেও প্রকৃতি পরম মমতায় কি সুন্দর নকশা করে রেখেছে! ভুল করে এমনই এক পাগলা হাওয়ার অলস বিকেলে হয়তো কোনো পথিক তুলে নেবে, দেখবে, মুদ্ধ হবে - এই তার পরম তৃপ্তি, এই সামান্য মুদ্ধতার জন্য প্রকৃতির কত না অসামান্য আয়োজন!
![]()
'আমারে তুমি অশেষ করেছো
এমনই লীলা তব।
ফুরায়ে ফেলে আবার ভরেছো
জীবন নব নব। '
- রবি ঠাকুর
লোকেশন। ফুলার রোড, ঢাকা ভার্সিটি ক্যাম্পাস।
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরি বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:৪৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
সৌম্য বলেছেন:
বেশি জোস। দুর্দান্ত।
লাল দরজা বলেছেন:
অসম্ভব সুন্দর!
কৌশিক বলেছেন:
ইউ আর অলওয়েজ বস!
সাদিক মোহাম্মদ আলম বলেছেন:
থ্যাংকুস সব্বাইকে। আনিকা পিচ্চিটা তারাশংকর ফেলে এই পঁচা ব্লগে কি করে! তার না নেপাল থাকার কথা? ছবি তোলারও কথা ছিলো সেই হিমালয়ের দেশটার, তারই বা কি খবর?
আনিকা শাহ বলেছেন:
তারাশঙ্কর ফেলিনি...সেটা ফেলা যায়না। নেপাল যাত্রা একদিন পিছিয়েছিল। আগামীকাল (১৬ তারিখ) সকালে যাচ্ছি। ছবি...আপনার এই ছবি দেখার পর আমার কি আর ছবি তুলতে ইচ্ছে করবে?!
রাজামশাই বলেছেন:
অপূর্ব
ময়ুরাক্ষী বলেছেন:
KOTTHIN !!!
ইমন জুবায়ের বলেছেন:
সুন্দর।
লেখক বলেছেন: খাইছে, আমিও। ![]()
(ক্যামেরাটা বাসায় রেখে এসে পুরো ইচ্ছে স্বাধীন কাক ভেজা স্নান। বৃষ্টি মানেই বিধাতার এক বিশাল শাওয়ারের নীচে স্নানের নিমন্ত্রন)
কৌশিক বলেছেন:
মুইও ভিজছি বোঝলা!
ঝড়ো হাওয়া বলেছেন:
ফাইন ছবি !গতবছর এই সময়ে এক গ্রামে গেছিলাম। অসাধারন এক কৃষ্ণচূড়া গাছের দেখা পেলাম। কিন্তু সাথে ক্যামেরা ছিল না !
হাসান ইকবাল বলেছেন:
আপনার কৃষ্ণচূড়া নিয়ে নিলাম।
রেজোওয়ানা বলেছেন:
সুন্দর এসছে ছবি গুলো.....
লেডি বার্ড বলেছেন:
চক্ষু জুড়ায়া গেলো ভাইডি।
আগামি বলেছেন:
জট্টিল ছবি।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















