আমার প্রিয় পোস্ট

যে ঘড়ি তৈয়ার করে - সে - লুকায় ঘড়ির ভিতরে

ফটোব্লগ। বৃষ্টি বিকেলের কৃষ্ণচূড়া

১৫ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:২০

শেয়ারঃ
0 2 0







সানে নুজুল। বৈশাখী জৈষ্ঠ্য সময়টার বৃষ্টি আসার ঠিক আগে আগে একটা অদ্ভুত দমকা হাওয়া আসে, যেন বৃষ্টির আগমনী বার্তা নিয়ে। সেই পাগলা হাওয়ার সৌজন্যে আঙ্গিনার বড় কৃষ্ণচূড়া গাছের নিচে অনেকটা জায়গা জুড়ে কৃষ্ণচূড়া ফুলে, আর ফুলের নিবিড় লাল পাপড়িতে এক বিছানো গালিচা তৈরী হয়ে গিয়েছিলো। সেই গালিচার কাছে গিয়ে উবু হয়ে কিছু ম্যাক্রো ছবি তুলতে তুলতেই প্রথমে টুপটাপ, তারপরে বুঝে ওঠার আগেই ঝুম বৃষ্টি। বৃষ্টির বড় বড় ফোটারা গাছের শাখা প্রশাখায় হামলে পড়তেই লাল আগুনের গাছ থেকে আস্ত কৃষ্ণচূড়া ফুলের টুপটাপ ঝড়ে পড়া।

তীব্র বৃষ্টিতে ক্যামেরা ভিজে যাওয়ার ভয়ে সেই বিশাল কৃষ্ণচূড়া গাছতলায় বন্দী। গাছটাও তার অতিথির প্রতি মমতা ভরে যতখানি পারে বৃষ্টিকে ঠেকিয়ে রাখছিলো। ক্যামেরার বৃষ্টিতে ভিজে যাওয়া উপেক্ষা করেই কয়েকটা কৃষ্ণচূড়াকে হাতে নিয়ে আবারো ম্যাক্রো তোলার চেষ্টা। এবার ঘন বৃষ্টিটাই ব্যাকড্রপ। ম্যাক্রো ফিচারে সেই ঘন বৃষ্টি আরো ঘোলাটে হয়ে আসে। কাছ থেকে কৃষ্ণচূড়ার পাপড়ির বাহারী নকশা আরেকবার খুব মনখুলে দেখা হয়। ম্যাক্রো ছবি তোলার এই এক সুবিধে। যা 'দেখা হয় না চক্ষু মেলিয়া, কাছে লইয়া' - ঠিক তাকেই খুব কাছ থেকে, চোখ মেলে দেখতে সুযোগ করে দেয়।

কে জানতো দেখতে লাল লাল কৃষ্ণচূড়ার পাপড়ির উপরেও প্রকৃতি পরম মমতায় কি সুন্দর নকশা করে রেখেছে! ভুল করে এমনই এক পাগলা হাওয়ার অলস বিকেলে হয়তো কোনো পথিক তুলে নেবে, দেখবে, মুদ্ধ হবে - এই তার পরম তৃপ্তি, এই সামান্য মুদ্ধতার জন্য প্রকৃতির কত না অসামান্য আয়োজন!


'আমারে তুমি অশেষ করেছো এমনই লীলা তব। ফুরায়ে ফেলে আবার ভরেছো জীবন নব নব। ' - রবি ঠাকুর

লোকেশন। ফুলার রোড, ঢাকা ভার্সিটি ক্যাম্পাস।

 

প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরি  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:৪৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৫ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:২৬
সৌম্য বলেছেন: বেশি জোস। দুর্দান্ত।
৪. ১৫ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:৩৫
আনিকা শাহ বলেছেন: অসাধারণ ছবি। তার সাথে মিল রেখে চমৎকার লেখা। পারফেক্ট কম্বিনেশন :)
৬. ১৫ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:৪৪
সাদিক মোহাম্মদ আলম বলেছেন: থ্যাংকুস সব্বাইকে।


আনিকা পিচ্চিটা তারাশংকর ফেলে এই পঁচা ব্লগে কি করে! তার না নেপাল থাকার কথা? ছবি তোলারও কথা ছিলো সেই হিমালয়ের দেশটার, তারই বা কি খবর?
৭. ১৫ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:৫২
আনিকা শাহ বলেছেন: তারাশঙ্কর ফেলিনি...সেটা ফেলা যায়না। :)
নেপাল যাত্রা একদিন পিছিয়েছিল। আগামীকাল (১৬ তারিখ) সকালে যাচ্ছি। ছবি...আপনার এই ছবি দেখার পর আমার কি আর ছবি তুলতে ইচ্ছে করবে?!:)
৯. ১৫ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:৫৯
আনিকা শাহ বলেছেন: এই যা! আপনি আমাকে পিচ্চি বলেছেন!!...ঠিক হল না...একদম ঠিক হল না...
;)
১০. ১৬ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:২৫
তারার হাসি বলেছেন:
ইচ্ছা করছে এমন করে বৃষ্টিভেজা হাতে কৃষ্ণচূড়ার একটা ডাল, হাতে তুলে নিই।
১৪. ১৬ ই মে, ২০০৯ সকাল ১১:১২
রেজওয়ান শুভ বলেছেন: কালকে আমি বছরে প্রথমবার বৃষ্টিতে ভিজছি ;) :)
১৬ ই মে, ২০০৯ সকাল ১১:২৬

লেখক বলেছেন: খাইছে, আমিও। :)

(ক্যামেরাটা বাসায় রেখে এসে পুরো ইচ্ছে স্বাধীন কাক ভেজা স্নান। বৃষ্টি মানেই বিধাতার এক বিশাল শাওয়ারের নীচে স্নানের নিমন্ত্রন)

১৬. ২১ শে মে, ২০০৯ বিকাল ৪:৫০
ঝড়ো হাওয়া বলেছেন: ফাইন ছবি !
গতবছর এই সময়ে এক গ্রামে গেছিলাম। অসাধারন এক কৃষ্ণচূড়া গাছের দেখা পেলাম। কিন্তু সাথে ক্যামেরা ছিল না !
১৭. ০৪ ঠা মে, ২০১১ বিকাল ৪:১২
হাসান ইকবাল বলেছেন: আপনার কৃষ্ণচূড়া নিয়ে নিলাম।
১৮. ০৪ ঠা মে, ২০১১ বিকাল ৪:১৯
রেজোওয়ানা বলেছেন: সুন্দর এসছে ছবি গুলো.....
১৯. ০৪ ঠা মে, ২০১১ বিকাল ৪:১৯
লেডি বার্ড বলেছেন: চক্ষু জুড়ায়া গেলো ভাইডি।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০০২৯ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
প্রথমত: সময় নাই। দ্বিতীয়ত এখনই সময়। তৃতীয়ত: আমি না থাকলেও ব্যাপারটা ঘটবে, তবু আমাকেই চাই।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ