আমার প্রিয় পোস্ট
- এন্ড্রয়েড থেকে প্রথম বাংলা পোস্ট - নেহাল হাসনাইন সার্জা
- লাল সবুজ – বাংলাদেশ – আর কিছু ভাবনা - নেহাল হাসনাইন সার্জা
- আজ বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস - নেহাল হাসনাইন সার্জা
- মোবাইলে বাংলা লেখার এবং পড়ার ব্যবস্থা(নকিয়া এন, ই সিরিজ এবং তৃতীয় ও পঞ্চম প্রজন্মের সিমবিয়ান ফোন) - নেহাল হাসনাইন সার্জা
- Windows সফটওয়্যার এর লিনাক্স একুইভালেন্ট/অল্টারনেটিভ(৩য় কিস্তি ) - টেকনো
- লিনাক্স :: একটি বিশ্বস্ত, শক্তিশালী এবং স্বপ্নের অপারেটিং সিস্টেম (ইতিহাস, ইন্সটল, ব্যবহার) - পাপী
- আমিও ২ বছর পার করলাম সামুতে, একখানা বর্ষ্পূর্তি পোষ্ট!!!! - মুকুট
- প্রিয়জন হারিয়ে যাওয়ার আগেই আসুন সতর্ক হই - লেখাজোকা শামীম
- রেসকোর্স, ৭ মার্চ ও একটি ইসলামী জলসার গল্প - অমি রহমান পিয়াল
- আসুন, গড়ে তুলি জ্ঞানের ভাণ্ডার - রাগিব
- একাত্তরের চিঠি সংকলনের টেক্স্ট কন্টেন্ট রিভার্সিং: একটি প্রকল্পের প্রস্তাবনা - তর্পন
- ডায়াবেটিস - প্রকারভেদ এবং চিকিৎসা - নেহাল হাসনাইন সার্জা
- খালেদা জিয়া'র জন্মদিনের ডকুমেন্টস - সেলটিক সাগর
- উইন্ডোজের জন্য মুক্ত সফ্টওয়্যার- শেষ অংশ - টানিম
- যারা ল্যাপটপ কেনার কথা ভাবছেন...একটি সতর্কতামুলক পোষ্ট - তাসমান
- ১৯৭১ সালে সংঘটিত যেসব অপরাধের বিচার হওয়া জরুরী - একরামুল হক শামীম
- যেকোনো মুঠোফোনে বাংলায় ব্লগ ব্যাবহারের নিয়মাবলি - নেহাল হাসনাইন সার্জা
- সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম কর্তৃক প্রকাশিত যুদ্ধাপরাধীর তালিকা - কাক ভুষুন্ডি
- সাপের বিষ সাপের জন্য বিষাক্ত নয়, কিন্তু মানুষের জন্য বিষাক্ত কেন? - নেহাল হাসনাইন সার্জা
- লাল-সবুজময় এক বিকেল - নেহাল হাসনাইন সার্জা
আজ বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস
১৪ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪০
আজ বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস উপলক্ষে ব্লগে ডায়াবেটিস নিয়ে আমার লেখা গুলোকে এক করলাম।
ডায়াবেটিস – যা বাংলাতে বহুমূত্র রোগ নামে পরিচিত তা এখন ছড়িয়ে পড়েছে সমাজের প্রতিটি স্তরে। ডায়াবেটিসের জন্য দেখা দেয় নানা ধরনের সমস্যা , আর এই রোগটি অন্যান্য রোগ থেকে ভিন্ন ধরনের -
কেন এই ভিন্নতা??
খেয়াল করে দেখুন আগের বেশির ভাগ রোগই হত কোন না কোন organism দ্বারা আক্রমনের জন্য। ফলে, এন্টি ব্যাক্টেরিয়াল কিংবা এন্টি ফাংগাল ঔষধের মাধ্যমে চিকিৎসা করা যেত। কিন্তু, ডায়াবেটিসের জন্য এমন কোন Organism নেই, বরং বলা হয়, জীবনযাত্রার পরিবর্তন, কায়িক শ্রম কমে যাওয়া, দুশ্চিন্তা বেড়ে যাওয়া - সব মিলিয়ে ডায়াবেটিসের সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
:::ডায়াবেটিসের প্রকারভেদ:::
ডায়াবেটিস প্রধানত ২ ধরনের -
১) টাইপ ১ ডায়াবেটিস – (Insulin Dependent Diabetes , Juvenile Diabetes)
২) টাইপ ২ ডায়াবেটিস (Insulin Non Dependent Diabetes, Adult Onset Diabetes)
১) টাইপ ১ ডায়াবেটিস – (Insulin Dependent Diabetes , Juvenile Diabetes)
নাম দেখেই বুঝা যাচ্ছে যে টাইপ ১ ডায়াবেটিস সাধারনত ছোট বয়সেই দেখা দেয় এবং প্রত্যহ ইনসুলিন গ্রহন ব্যাতিরেকে এর কোন চিকিৎসা নেই। (যত দিন বেঁচে থাকবে, ইনসুলিন নিয়েই বেঁচে থাকতে হবে)
২) টাইপ ২ ডায়াবেটিস (Insulin Non Dependent Diabetes, Adult Onset Diabetes)
টাইপ ২ ডায়াবেটিস বলতে ই আমরা সাধারনত ডায়াবেটিসকে বুঝাই, যার সূচনা ঘটে ৪০ বছর পরবর্তি সময়ে। এবং এই ডায়াবেটিস ই বংশ পরম্পরায় ছড়িয়ে পড়ে।
এর চিকিৎসার জন্য রয়েছে নানা ধরনের ঔষধ, যার ভেতর রয়েছে Oral Hypoglysemic Agents – Metformin, Glipizide, Repaglinide etc এই ঔষধ গুলো মুখে খাওয়ার জন্য, এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ি খেতে হয়।
টাইপ ২ ডায়াবেটিস এর আরেকটি ঔষধ হচ্ছে INSULIN – যখন উপরোক্ত ঔষধ গুলো আর কাজ করে না কিংবা liver diseases অথবা Surgery এর সময় এ Insulin দেয়া হয়।
আর টাইপ ২ ডায়াবেটিস এ সব সময় রোগীকে বলা হয় প্রত্যহ ব্যায়াম করার জন্য।
(((প্রশ্ন করা যেতে পারে কতটুকু ব্যায়াম ??
সবার শারীরীক ক্ষমতা তো আর সমান নয়, তাই, ব্যায়াম ও সবার সমান নয়, তবে যেই পরিমান ব্যায়াম করলে বুক ধড়ফড় করবে ততটুকু ব্যায়াম করা যেতে পারে - তার অধিক নয়!!!!)))
****উপসর্গ****
সাধারনত ডায়াবেটিসের উপসর্গ খুব ভালো বুঝা যায় না, একটু খেয়াল করলেই দেখা যায়, ডায়াবেটিস হওয়ার বেশ পরেই আমরা জানতে পারি, যখন চিকিৎসকের কাছে গেলে তিনি রোগীকে রক্তে শর্করা পরীক্ষার জন্য বলেন। তারপর ও কিছু উপসর্গ রয়েছে–
১)প্রশ্রাবের পরিমান বৃদ্ধি পাওয়া,
২)পানির পিপাসা বৃদ্ধি পাওয়া,
৩)ক্ষুধা বৃদ্ধি পাওয়া,
৪)দূর্বলতা বৃদ্ধি পাওয়া,
৫)মানসিক সহ্য শক্তি কমে যাওয়া,
৬)ক্ষত সারতে অতিরিক্ত সময় নেয়া।
তবে আমার পরামর্শ হচ্ছে কারো সামর্থ থাকলে ৪০ বছর বয়স হওয়ার পর থেকে নিয়মিত ডায়াবেটিস পরীক্ষা করানো উচিত(বছরে ১ বার হলেও)।
Hyperglycemia - সহজ ভাষায় বললে, রক্তে গ্লুকোজের পরিমান স্বাভাবিকের চাইতে বৃদ্ধি পাওয়া।
Hypoglycemia - রক্তে গ্লুকোজের পরিমান স্বাভাবিকের চাইতে কমে যাওয়া।
এই দুটি নাম ডায়াবেটিস এর সাথে অত্যন্ত ভাবে জড়িত -
ডায়াবেটিস হয় রক্তে গ্লুকোজের পরিমান স্বাভাবিকের চাইতে বৃদ্ধি পাওয়ার কারনেই।
রক্তে গ্লুকোজের পরিমান 5.5-7.8 mmol/L এর ভিতর থাকাটা স্বাভাবিক। যখন তা বেড়ে যায় তখনি ডায়াবেটিস হয়।
Oral Glucose Tolerance Test ::
স্বাভাবিক - 5.5 mmol/L - 7.8 mmol/L
Impaired Glucose Tolerance - 7.8 mmol/L - 11mmol/L
ডায়াবেটিস - more than 11 mmol/L
প্রশ্রাবে গ্লুকোজ তখনি আসে যখন রক্তে গ্লুকোজের পরিমান স্বাভাবিকের চাইতে বেড়ে যায়। কিন্তু এই পরীক্ষা রক্তে গ্লুকোজ পরীক্ষার মত এত নির্ভরযোগ্য নয়, কেননা কিডনীতে সসম্যার জন্যও প্রশ্রাবে গ্লুকোজ পাওয়া যেতে পারে।
:::HYPOGLYCEMIA:::
এটা ডায়াবেটিস এ গুরূত্বপূর্ন কারন ডায়াবেটিস এর ঔষধ খেলে কিংবা ইনসুলিন নিলে কখনো কখনো এমনটা হতে পারে।
ঔষধ খাওয়ার নির্দিষ্ট সময় পর খাবার না খেলে কিংবা মাত্রাতিরিক্ত ঔষধ সেবন করলে এমনটা হতে পারে -
Hypoglycemia হলে হঠাৎ রোগীর কাপুনি হওয়া, কিংবা চোখে হঠাৎ ঝাপসা দেখা, হঠাৎ অস্বাভাবিক আচরন করার মত ঘটনা ঘটতে পারে।
এক্ষেত্রে রোগীকে দ্রুত খাবার দিতে হবে(অল্প উপসর্গের ক্ষেত্রে), তাতে অবস্থার উন্নতি না হলে(বেশি উপসর্গের ক্ষেত্রে) গ্লুকোজ বা চিনির সরবত খাওয়াতে হবে।
বর্তমানে আমাদের পরিবারের অনেকেই ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত রয়েছেন এবং দিনে দিনে আমাদের সমাজে এ রোগের প্রাদূর্ভাব বেড়েই চলেছে।
আমার এই পোস্টটি তাদের জন্য যাদের নিকট আত্মীয়দের ভেতর কারো রয়েছে এ রোগ।
জেনেটিক ভাবে যাদের মিল রয়েছে তাদের কারো Type 2 Diabetes হলে অন্যের ও হতে পারে, সহজ উদাহরনের মাধ্যমে বলতে গেলে যদি কারো বাবার Type 2 ডায়াবেটিস থাকে, তবে সন্তানদের ও এ রোগ হওয়ার যথেষ্ট সনভাবনা থাকে।
******* ডায়াবেটিস হোক দেরিতে *******
যাদের পারিবারিক ভাবে এমন রোগ রয়েছে তাদের এ রোগ হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায় এবং অনেকেরই হয়, সাধারনত Type 2 ডায়াবেটিস হয় ৩০ পরবর্তি সময়ে।
যদি ডায়াবেটিস হয়েই যায় সেক্ষেত্রে তাকে ঔষধ এবং শৃক্ষলা বদ্ধ জীবন যাপন করে সেটাকে নিয়ন্ত্রনে রাখতে হবে, কিন্তু আস্তে আস্তে ডায়াবেটিসের complication গুলো দেখা দেয়।
এক্ষেত্রে যার পারিবারিক ভাবে Type 2 ডায়াবেটিস রয়েছে, তিনি যদি ৩০ বছর বয়স থেকেই নিয়মিত ভাবে রক্তে গ্লকোজের পরিমান পরীক্ষা এবং কিছু ব্যায়াম নিয়মিত ভাবে করেন তবে তার এ অসুখ দেখা দিতে সময় নেবে, এমন ও হতে পারে যার ৩৫ বছরে রোগ হোত, সেটা ৫০বছরে গিয়ে দেখা দিচ্ছে আগে থেকেই নিয়মিতভাবে শৃক্ষলাবদ্ধ জীবন যাপনের জন্য।
******* কি করা উচিত *******
আগে দেখতে হবে পরিবারের নিকট আত্মীয় (যাদের সাথে জেনেটিক মিল রয়েছে) তাদের Type 2 ডায়াবেটিস আছে কিনা?
এমন নিকট আত্মীয় (যাদের সাথে জেনেটিক মিল রয়েছে) এর ভেতর রয়েছেন -
মা, বাবা,
সন্তানাদি,
চাচা , ফুফু,
মামা, খালা,
আপন দাদা দাদী এবং নানা নানী।
যদি তাদের কেউ এ রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে তবে মধ্যবয়স থেকেই সাধারন কিছু নিয়ম মেনে চললে ডায়াবেটিস এর Pre Diabetic phase কে দীর্ঘায়িত করা সম্ভব -
সময়মতো খাবার গ্রহন
শৃক্ষলাবদ্ধ জীবন যাপন
নিয়মিত ব্যায়াম
দুশ্চিন্তামুক্ত জীবন যাপন
এভাবে কিছু সাধারন কথা মেনে চললেই খুব সহজেই Pre Diabetic phase কে দীর্ঘায়িত করা সম্ভব।
****অসুস্থতার সময়ে যে কাজটি করা উচিত নয়****
বর্তমানে আমাদের সমাজের অনেকেই ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত, এর চিকিৎসা হিসেবে কেউ ঔষধ খান, কেউ বা ইনসুলিন নেন, আর সাথে আছে আরো অনেক নিয়ম কানুন মেনে চলার ব্যাপার।
এসব কথায় যাচ্ছি না, এসবের বেশ কিছু ব্যাপার নিয়ে আলোচনা করেছি আগে।
যে সাধারন ব্যাপারটা আমাদের অনেকেই ভুল করেন সেটা হচ্ছে যখন কোন অসুখ হয়, তখন কেউবা ডায়াবেটিস এর ঔষধ খাওয়া বা ইনসুলিন নেয়া ছেড়ে দেন, যা সম্পূর্নই ভুল
****বরং ডায়াবেটিস রোগীর কোন অসুস্থতা হলে ঔষধের ডোস বাড়িয়ে দিতে হয়(চিকিৎসকের পরামর্শে), তাছাড়া অসুস্থতা বরং আরো খারাপ দিকে মোড় নেয়!!!!****
শেষে একটি কথাই বলি - (((শৃংক্ষলাই জীবন)))
***~~~শৃংক্ষলা মেনে চললে ডায়াবেটিস রোগ নিয়ন্ত্রনে রাখা সম্ভব~~~~***
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৪৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
কুয়াশায় ডাকা বলেছেন:
সুন্দর পোস্ট... ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: না, ব্যপারটা তেমননা,
কে কতটা খাবার খেলো, আর কতটা শ্রমের মাধ্যমে খরচ হলো, সেটা একটা ব্যপার!
আর, বংশগত কারন ও রয়েছে!!
স্পেলবাইন্ডার বলেছেন:
ডায়াবেটিস এর ভেষজ চিকিৎসা আছে?
লেখক বলেছেন: ভেষজ সম্বন্ধে জানিনা, তবে সাধারন (এলোপ্যাথি) চিকিৎসাতেই ডায়াবেটিস সম্পূর্ন নিয়ন্ত্রনে রাখা সম্ভব!!
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন:
আমার ডায়াবেটিস নাই। অখন আমার কি কর্তে হৈবো?
লেখক বলেছেন: এখন কিছু করতে হবে না, প্রত্যহ কিছু ফ্রী হ্যান্ড ব্যায়াম ছাড়া(এটা সবারই করা উচিত)
শয়তান বলেছেন:
অটঃ শৃক্ষলা বানানটা ঠিক করুন ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
এডভোকেট বলেছেন:
বাহ চমৎকার করে লিখেছেন। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ![]()
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ![]()
লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা
নাহিদ মাহমুদ বলেছেন:
ভালো লিখছো। তয় ২ ডায়াবেটিসের মূল এক্সটার্নাল ফিচার, ডিটারমিনেটিং কজ আর ট্রিটমেন্টটা বোল্ড করে দিও পারলে।খুব ভাল লিখেছো। যেহেতু স্টিকি ফিচার এইটা এখন, সুতরাং আরেকটু সাজিয়ে দাও লেখাটা।
থার্ড ইয়ার মনে হচ্ছে। কোন মেডিকেল? শুভ কামনা থাকলো।
লেখক বলেছেন: ৫ম বর্ষ, ইব্রাহিম মেডিকেল।
লেখক বলেছেন: তুমি কোন মেডিকেল?? ![]()
কালপুরুষ বলেছেন:
চমৎকার পোস্ট। আমার কাজে লাগবে। প্রিয়তে রেখে দিলাম।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: হাহা....
লেখক বলেছেন: জ্বী, টাইপ ১ ডায়াবেটিস ছোট বয়সেই ধরা পড়ে, কিন্তু এখন অনেক কম বয়সে টাইপ ২ ডায়াবেটিস এর কিছু রোগী ও দেখা যায়।
আশিক১১৪ বলেছেন:
ভাল লিখেছেন।সবার জন্য শুভ কামনা রইল।মাঝে মাঝে আমাদের ব্লগারদেরও ..... হয়
তা নিয়ে যদি কেউ লিখতেন বড়ই উপকৃত হতাম
কোন মন্তব্য না পাওয়ার পরও কয়েকটা করে পোষ্ট/রিপোষ্ট করেন যা বড়ই জ্বালাময়
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ..
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, ভয় পাওয়ার কিছু নাই, সচেতনাটাই যথেষ্ট!!
লেখক বলেছেন: ভালই তো, ভাইয়া এখন কি করছেন??
লেখক বলেছেন:
রনি রাজশাহী বলেছেন:
ভাল পোস্ট। + সহ প্রিয়তে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ..
শয়তান বলেছেন:
পোষ্টের একমাত্র মাইনাসদাতার উদ্দেশ্যে ১৭ নং কমেন্ট
লেখক বলেছেন: সেটা বুঝেছি। হয়তো সে ডায়াবেটিস রোগকেই মাইনাস দিছে!!
অবয়ব বলেছেন:
ভাল লিখেছেন। প্রিয়তে... +
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
মানবী বলেছেন:
সুন্দর লিখেছেন..."যদি তাদের কেউ এ রোগে আক্রান্ত......" এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট যোগ করলে আরো ভালো হতো.. তাহলো -
- পা এর যত্ন। ডায়াবেটিসের রুগীদের উদ্দেশ্যে চিকিৎসকের, বিশেষ করে বারডেমে ডাক্তারদের একটি কমন উপদেশ.."দিনে একবাত আয়নায় মুখ দেখলে নিজের পা, বিশেষ করে পায়ের পাতা দেখবেন পাঁচবার" :-)
দীর্ঘদিন ডায়াবেটিসে ভুগলে নার্ভের সংবেদনশীলতা হ্রাস পায় ফলে ছোটখাট ব্যাথা অনুভব করেনা। যেকারনে শরীরে ছোট্ট একটি আঘাত বা ক্ষত ভয়াবহ রূপ ধারন করতে পারে অসতর্কতার কারনে! পা চোখের আড়ালে থাকে বলে সে অংশের ক্ষত চোখ এড়িয়ে যায় সহজেই!
তথ্যসমৃদ্ধ পোস্টের জন্য ধন্যবাদ নেহাল হাসনাইন সার্জা।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মানবী।
ঠিক বলেছেন, পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথী হওয়ার কারনে পায়ে আলসার অনেক বেশি হয়, এজন্য বিশেষ ধরনের জুতা ব্যবহারের জন্যও পরামর্শ দেয়া হয়!!!
মুভি পাগল বলেছেন:
আমার মায়ের গত প্রায় ৯ বছর যাবৎ ডায়াবেটিস। এই রোগের কোন চিকিৎসা নাই। শুধু নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। তাই যারা যারা এই দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত তাদের সকলের প্রতি অনুরোধ যে আপনারা সবাই সাবধানে জীবন যাপন করবেন এবং নিয়ম মেনে চলবেন। তবেই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকবে এবং সুস্থভাবে ডায়াবেটিস সাথে নিয়েও জীবন যাপন করা যাবে।
লেখক বলেছেন: ডায়াবেটিস এ নিয়ম মেনে চলাটাই প্রধান, আর রোগ নিয়ন্ত্রনে রাখাটাই কাম্য।
আশরাফ বলেছেন:
ধন্যবাদ সার্জা ভাই। চমৎকার পোষ্ট। অনেকেরই কাজে লাগবে।
লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা আশরাফ ভাই।
মানবী বলেছেন:
ঠিক বলেছি জেনে খুব ভালো লাগলো ভাইয়া, মেডিকেল কলেজের ৫ম বর্ষ অনেক আগে পার হয়ে এসেছিতো.. বিশেষ ধরনের জুতা, আমাদের দেশের আর্থ সামাজিক অবস্থার প্রেক্ষিতে সাধারন প্রতিরোধক হিসেবে তেমন বাস্তবসন্মত নয়। খাদ্যাভ্যাস নিয়ন্ত্রন, নিয়মিত হাল্কা ব্যায়ামের মতো পায়ের নিয়মিত পরিচর্যা বা যত্ন জরুরী। খুব ছোট্ট একটি বয়েল রুগীর অজান্ত ভয়াবহ আকার ধারন করতে পারে, যার ফলশ্রুতিতে এ্যাম্পুটেশন বা অস্ত্রপোচারের মাধ্যমে অঙ্গহানী হতে পারে।
প্রিডায়বেটিক ফেজে তেমন জরুরী নয়, তবে রোগটি ধরা পড়ার পর পায়ের যত্ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
গুডলাক উইথ ফাইনাল প্রফ!
লেখক বলেছেন: হাহা.... ধন্যবাদ আপু!!
দোয়া করেন ফাইনাল প্রফের জন্য।
স. ম. হাসান বলেছেন:
যাদের হার্টে এনজিওপ্লাস্টি করা এবং ডায়াবেটিসও আছে তাদের শারিরীক পরিশ্রমের বিষয়টি কেমন মাত্রায় বা কি ধরনের হওয়া আবশ্যক। শুধু হাটাহাটি নয়, কায়িক পরিশ্রমের বিষয়ে সঠিক ধরনা চাচ্ছি।লেখক বলেছেন: সকল ক্ষেত্রে যে কায়িক পরিশ্রমের মাধ্যমেই নিয়ন্ত্রনে রাখতে হবে এমন কোনো কথা নেই, কেননা সকল ক্ষেত্রে তা সম্ভব হয় না, সেসব ক্ষেত্রে রোগীর সামগ্রিক অবস্থার উপর নজর রেখে আকে ওরাল এন্টি হাইপো গ্লাইসেমিক এজেন্ট দিয়ে অথবা ইন্সুলিনের ব্যবহারের মাধ্যমে রোগ নিয়ন্ত্রনে রাখা যেতে পারে!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
সিউল রায়হান বলেছেন:
ডায়াবেটিস হওয়ার বয়স এখনো হয়নাই.... হইলে তখন এই পোস্ট কাজে লাগবে দারুন লিখছো....... প্লাস
লেখক বলেছেন: বয়স ব্যাপার না, সচেতনাটাই আসল।
ধন্যবাদ সিউল ![]()
লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা..
কাজের পোষ্ট।
ধন্যবাদ।
স্টিকি করার জন্য কর্তৃপক্ষকেও ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা..
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ডিজিটাল ভাই, আছেন কেমন?
দীপান্বিতা বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ সুন্দর এবং দরকারী পোস্টটা দেবার জন্য .....আজ আনন্দবাজারে দিয়েছে শহরে দ্রুত উপসর্গহীন ডায়াবেটিস ছরাচ্ছে, কম বয়সীদের মধ্যেও! যা খুবই চিন্তার বিষয়!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ... দিনে দিনে জীবন যাত্রার পদ্ধতি পরিবর্তনের সাথে সাথে ডায়াবেটিস হওয়ার প্রবনতা বৃদ্ধি পাচ্ছে!!
লেখক বলেছেন: ভবিষ্যতে টাইপ ২ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার ইচ্ছা আছে...
খোন্দকার সিদ্দিক-ই-রব্বানী বলেছেন:
পোষ্টটির জন্য ধন্যবাদ। সেইভ করে রাখছি।ডায়াবেটিস রোগীদের পা এর বিভিন্ন অঞ্চলের চাপ মাপতে পারলে আগে থেকে সাবধান করে দেয়া যায় ও চাপ অনুযায়ী জুতো বানিয়ে দেয়া যায়। পায়ের ডাইনামিক চাপ মাপার জন্য একটি কম্পিউটারাইজড যন্ত্র বানাচ্ছি, আর কয়েক মাসের মধ্যে হয়ত দেখাতে পারব (এটি পাকিস্তানের একটি আন্তর্জাতিক ডায়াবেটিক কেন্দ্র আমাকে অর্ডার দিয়েছে, বারডেমে আমার একটি বক্তৃতা শুনে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেছে)। বিদেশের জন্য আগে করছি এ কারণে যে দেশের বিশেষজ্ঞরা আমাদের ক্ষমতার উপর আস্থা রাখেন না (গেঁয়ো যোগী ভিখ পায় না!)। এর আগে আরও একটি আধুনিক যন্ত্র (কম্পিউটারাইজড ইএমজি / নার্ভ কনডাকশন যন্ত্র - ১৯৮৮ সালে) বানিয়ে সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা চেয়ে পাই নি। ১৯৯৬ সালে সাফ গেমসের সময় ইলেকট্রনিক স্কোরবোর্ডের প্রোটোটাইপ মন্ত্রীকে সফলভাবে দেখাবার পরেও অর্ডার পাই নি। বিদেশীরা নেয়ার পর হয়ত দেশের বিশেষজ্ঞরা আস্থা পাবে।
লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা রইলো স্যার।
আপনার কথার সাথে সম্পূর্ন একমত - গেঁয়ো যোগী ভিখ পায় না!
আর যদি পায়ের বিভিন্ন অংশের রক্ত চাপ মাপা সম্ভব হয় অবে ডায়াবেটিস এর চিকিৎসায় সেটা খুবই বড় ভূমিকা পালন করবে, কেননা ডায়াবেটিস এর ফুট আলসার (পরে গ্যাংগ্রিন) এর জন্য অনেক রোগীর এম্পুটিশান করতে হয়, এমন কোন যন্ত্র পাওয়া গেলে হয়তো সেই এম্পুটিশান এর হার অনেকাংশেই কমে আসতো।
জুহো. বলেছেন:
সুন্দর পোষ্ট। তবে কয়েকটা জিনিষ আরেকটু পরিষ্কার করলে ভাল হয়।ডায়াবেটিস রোগী হিসাবে একজন কে চিহ্নিত করা হবে যদি রক্তে গ্লুকোজ
অভুক্ত (Fasting) অবস্থায় 7 বা তার অধিক থাকে অথবা
ভরা পেটে(2hours after meal) 11.1 বা তার অধিক থাকে।
তবে
অভুক্ত (Fasting) অবস্থায় 6.1 থেকে 6.9 পর্যন্ত
অথবা
ভরা পেটে(2hours after meal) 7.8 থেকে 11.1
পর্যন্ত পাওয়া গেলেই কারুর সতর্ক হওয়া উচিৎ, কারন একেও সহজ ভাষায় Borderline ডায়াবেটিস বলা হয়। এই অবস্থা থেকে একদিকে যেমন ধীরে ধীরে পরিপূর্ন ডায়াবেটিস হয়ে যায় অন্য দিকে এই অবস্থায় ও হার্ট ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ন অঙ্গের ক্ষতি হতে থাকে।
ভেষজ চিকিৎসার মধ্যে একসময় মেথি নিয়ে বারডেমে যথেষ্ট গবেষনা হয়েছে এবং কিছুটা আশাব্যঞ্জক ফলাফল ও লক্ষ করা গিয়েছিল।
ডায়াবেটিস এর Classic লক্ষন যদিও এরকমই যা মূল পোষ্টে উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু এটা অনেকের ক্ষেত্রেই হয় না। একারনে যাদের নিচের Risk Factor গুলো পাওয়া যাবে তাদের সমস্যা না অনুভূত হলেও ডায়াবেটিস পরীক্ষার জন্য সুপারিশ করা হয়ে থাকে--
১. শারীরিক পরিশ্রম হীনতা
২. নিকট আত্নীয় (যেমন উল্লেখ করা হয়েছে) দের ডায়াবেটিস
৩. উচ্চ রক্তচাপ বা High Blood Pressure থাকলে
৪. রক্তে চর্বির পরিমান বেশি হলে বা অতিরিক্ত স্থুলতা থাকলে।
(আরো কয়েকটি আছে তবে সেগুলো চিকিৎসকদের জানাটাই যথেষ্ট।)
উপরের Risk Factor গুলো না থাকলে ও ৪৫ বৎসরের পর থেকে সকলেরই মাঝে মাঝে ডায়াবেটিস পরীক্ষা শুরু করা উচিত।
সবাই ডায়াবেটিস মুক্ত থাকুক এই কামনা রইল।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ বিস্তারিত আলোচনার জন্য।
সবাই ডায়াবেটিস মুক্ত থাকুক এই কামনা রইল।
কালা বলেছেন:
উপকারী পোস্ট। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা..
প্রাকৃত বলেছেন:
সুন্দর পোস্ট। সোজা প্রিয়র ঠিকানায়....
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
অজানা আমি বলেছেন:
+ প্রিয়তেবিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস গতকাল শেষ হয়েছে। অনুগ্রহপূর্বক শিরোনাম পরিবর্তন করুন
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ![]()
খোন্দকার সিদ্দিক-ই-রব্বানী বলেছেন:
লেখকের প্রোফাইল দেখে মজা পেলাম। আমিও ফরিদপুর জিলা স্কুল থেকে এসএসসি করেছি, তবে অনেক আগে - ১৯৬৫ সালে।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...





















