somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

রাষ্ট্রপতির মৃত্যুদণ্ড মওকুফ.............কতটা সাংবিধানিক?

৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৫:৩০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

রাষ্ট্রপতি দেশের সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠান ও সম্মানীত ব্যক্তি হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশের ইতিহাসে তিনি যতবার অপরাধীদের দন্ড মওকুফ করেছেন তার সবই প্রশ্নবিদ্ধ এবং দলীয় আনুগত্যের ষ্পষ্ট প্রকাশ। বিস্তারিত পড়ুন-

দৈনিক আমারদেশ সম্পাদকীয়,৩০ডিসেম্বর।

রাষ্ট্রপতি কোনো ব্যক্তিবিশেষ নন, কারও নামও নয়। রাষ্ট্রপতি দেশের সর্বোচ্চ একটি ‘পদ’ বা ‘আসন’, যা মর্যাদাপূর্ণ ও সম্মানিত। সংবিধানের ৪৮(২) ধারায় বলা হয়েছে : ‘রাষ্ট্রপ্রধান রূপে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অন্য সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে স্থান লাভ করিবেন এবং এই সংবিধান ও অন্য কোন আইনের দ্বারা তাঁহাকে প্রদত্ত ও তাঁহার উপর অর্পিত সকল ক্ষমতা ও কর্তব্য পালন করিবেন।’
দেশে সংসদীয় সরকার চালু থাকলে রাষ্ট্রপতি সব সমালোচনার ঊর্ধ্বে থাকেন, কারণ তিনি প্রশাসনিক কোনো দায়িত্ব পালন করেন না। সংবিধানে রাষ্ট্রপতির অন্যতম ক্ষমতা হলো বিচারপতি নিযুক্ত করা। তবে বিচারপতি বাছাই করার দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রী পালন করেন। সংবিধানের ৯৫(১) ধারায় বলা হয়েছে :
‘প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারকগণ রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন।’
বিচারপতি বা বিচারকদের নিয়েই আদালত গঠিত। সংবিধান এবং সংসদীয় আইনের অধীনে থেকে বিচার কার্য পরিচালনা করতে হয় বিধায় কোনো স্তরের আদালত সংবিধনের ঊর্ধ্বে নয়। কারও অপরাধ প্রমাণিত হলে আইনের বিধিমতে আদালত দণ্ডাদেশ প্রদান করেন। সর্বোচ্চ আদালত কর্তৃক বহাল রাখা বা প্রদত্ত দণ্ড বাতিল বা সামান্যতম পরিবর্তন বা হেরফের করার ক্ষমতা কারও নেই। সংবিধান শুধু রাষ্ট্রপতিকে এই বিশেষ ক্ষমতা প্রদান করেছে। সংবিধানের ৪৯ ধারায় বলা হয়েছে :
‘কোন আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্যকোন কর্তৃপক্ষ প্রদত্ত যে কোন দণ্ডের মার্জনা, বিলম্বন ও বিরাম মঞ্জুর করিবার এবং যে কোন দণ্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করিবার ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির থাকিবে।’
উল্লিখিত ধারার ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি যে কোনো দণ্ডসহ মৃত্যুদণ্ডও মওকুফ করে খুনিকে মুক্ত করতে পারেন। রাষ্ট্রপতিকে প্রদত্ত এই ক্ষমতা মৌলিক অধিকার ও ন্যায়বিচারের পরিপন্থী এবং সংবিধানের ২৭ ধারার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ২৭ ধারায় বলা হয়েছে :
‘সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের আশ্রয় লাভের অধিকারী।’
জাতি, ধর্ম, বর্ণ, গোত্র, ধনী, দরিদ্র, সামাজিক বা রাজনৈতিক ক্ষেত্রে ক্ষমতাবান, ক্ষমতাহীন বা দুর্বল প্রত্যেকেই আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং সমভাবে আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকারী। ন্যায়বিচার প্রাপ্তির সাংবিধানিক অধিকার অথবা প্রাপ্ত ন্যায়বিচার থেকে কাউকে বঞ্চিত করার এখতিয়ার কারও নেই। কারও পিতা, মাতা, পুত্র, কন্যা বা নিকটতম আত্মীয়ের খুনির বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হলে আদালত দণ্ডাদেশ প্রদান করেন। ঠাণ্ডা মাথার খুনিকে প্রদত্ত মৃত্যুদণ্ড নিহতের পরিবারকে ন্যায়বিচার প্রাপ্তি নিশ্চিত করে। তাদের দুঃখ-যন্ত্রণার কিঞ্চিত অবসান করে এবং সেই সঙ্গে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠাকে চালু রাখে। কিন্তু রাষ্ট্রপতি যখন কোনো মৃত্যুদণ্ড মওকুফ করে খুনিকে জেল থেকে মুক্তি দেন, তখন নিহতের পরিবার প্রাপ্ত ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হয় এবং সংবিধানে উল্লিখিত আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকার লঙ্ঘিত হয়। মানুষের কাছে কৃত যে কোনো অপরাধ, অত্যাচার, জুলুম ইত্যাদি আল্লাহ ক্ষমা করবেন না বলে আমাদের জানিয়েছেন। তিনি আরো জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্ত, বঞ্চিত বা নির্যাতিত ব্যক্তিই ক্ষমা করার অধিকারী। অতএব তার বা তাদের কাছে থেকেই ক্ষমাপ্রাপ্ত হতে হবে। সুতরাং রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী বা প্রধান বিচারপতি কোনো আত্মীয়ের অথবা দলীয় পরিচয়ের সুবাদে কোনো ঘাতকের ফাঁসি মওকুফ করে মুক্তি দিলে তা হবে ক্ষতিগ্রস্তদের ব্যাপারে আল্লাহর বিধান এবং সংবিধানের ২৭ ধারার লঙ্ঘন। একই অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত একজন দণ্ড ভোগ করবে আর ক্ষমতাবানদের আত্মীয় বা ক্ষমতাসীন দলের দণ্ডপ্রাপ্ত অন্যজন মুক্তি পাবে—পৃথিবীতে এর চেয়ে বড় অবিচার আর কী হতে পারে? অন্যদিকে রাজনৈতিক পরিচয়ে মুক্তি পাওয়া খুনি ফের খুন করতে দ্বিধা করবে না। সম্প্রতি নাটোরের একটি সাড়া জাগানো হত্যাকাণ্ডের পর রাষ্ট্রপতির মৃত্যুদণ্ড মওকুফ করার বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা জরুরি হয়ে পড়েছে বলে অনেকেই মনে করছেন।
নাটোরের বড়াই গ্রামের সর্বশেষ হত্যাকাণ্ডটি খুনের ধারাবাহিকতার ফসল। ১৯৮০ সালে জেলা আওয়ামী লীগের সম্পাদক ও বড়াই গ্রাম-গুরুদাসপুর নির্বাচনী আসনের সংসদ সদস্য রফিক সরকারকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। ২০০২ সালের ২৯ মার্চ বিএনপির অঙ্গসংগঠন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি আলিম মোল্লা একই ভাবে খুন হন। এই খুনের বদলা নিতে একই দিন সন্ধ্যায় বড়াইগ্রাম উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ৭১ বছর বয়সী ডা. আইনাল হককে মোটরসাইকেলের পেছনে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাস্তায় টেনেহিঁচড়ে বনপাড়ায় শত শত লোকের সামনে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ২০০৩ সালের ৬ জুন লালপুর আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য মমতাজ উদ্দিনকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ২০০৬ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি বিএনপি সরকারের ভূমি উপমন্ত্রী রুহুল কুদ্দুস তালুকার দুলুর ভাতিজা সাব্বির হোসেন গামাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। ২০১০ সালের ৮ অক্টোবর বড়াইগ্রাম উপজেলা চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা সানাউল্লাহ নূর বাবুকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। বাবু হত্যার অন্যতম অভিযুক্ত আসামি হলেন এর আগে নিহত ডা. আইনাল হকের ছেলে, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসেন।
গত ৮ বছরে নাটোর জেলায় আওয়ামী লীগ ও বিএনপির ৫ জন নেতা নৃশংসভাবে খুন হয়েছেন। প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করার ধরনই প্রমাণ করে প্রতিটি হত্যাকাণ্ড ছিল পূর্বপরিকল্পিত এবং ঠাণ্ডা মাথায় সংঘটিত। ঠাণ্ডা মাথার খুনির (পড়ড়ষ নষড়ড়ফবফ সঁত্ফবত্বত্) ফাঁসি মওকুফ করে মুক্ত করলে সেই খুনি আরও খুন করতে অনুপ্রাণিত হবে। বিদগ্ধজনরা মনে করছেন, গামা হত্যার জন্য দণ্ডিত ফাঁসির আসামিরা আপিল বিভাগে বিচারাধীন থাকাবস্থায় রাষ্ট্রপতির ক্ষমায় মুক্ত হওয়ার পরই উপজেলা চেয়ারম্যান বাবু খুন হয়েছেন। আদালত কর্তৃক কোনো মামলা নিষ্পত্তি হওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট অভিযুক্তকে সাংবিধানিক ক্ষমতাবলে মুক্ত করে দেয়ার বিষয়টি ক্ষমতার অপব্যবহার ছাড়া আর কিছুই নয়। ফলে নাটোরে পরস্পরকে হত্যা করা একটি উল্লসিত খেলায় পরিণত হয়েছে।
আহত বাবু রাস্তায় শুয়ে হাত-পা ছুড়ছেন আর ঘাতকরা তাকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে, একটি টেলিভিশনে সংবাদের সময় প্রচারিত নৃশংস ও অচিন্ত্যনীয় চলমান এই দৃশ্যটি অবলোকন করে দর্শকরা শুধু বিমূঢ় হননি, রীতিমত আতঙ্কিত হয়েছেন। শত শত মানুষের সামনে এবং কয়েক ডজন সাংবাদিকের উপস্থিতিতে বেপরোয়া ভাবে হত্যা করার দৃশ্যটি টেলিভিশনে দেখে কোন দর্শকেরই বুঝতে অসুবিধা হয়নি যে, শাস্তি না হওয়ার ব্যাপারে হত্যাকারীরা কতটা নিশ্চিত ছিল।
ঘটনার দুই দিন পর বাবুর হত্যাকে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল বলে সন্দেহ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী মিডিয়ায় বক্তব্য রেখেছেন। এই বক্তব্য নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য একটি অলঙ্ঘনীয় প্রাচীর।
অবশেষে চার দিন পর বাবু হত্যার বিচার হবে বলে প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীকে আশ্বাস দিয়েছেন। সব প্রধানমন্ত্রী ভালো ভালো কথাই বলেন, জনগণকে আশার বাণীও শোনান; কিন্তু দলের নেতা-কর্মীর ক্ষতি হলে সেই ভালো কথাগুলো আর বাস্তবায়িত করতে পারেন না। তাই দুই বছর পর বাবুর খুনিদের শাস্তি হলে হত্যাকারীরা ‘দলের ত্যাগী কর্মী’ বিবেচনায় রাষ্ট্রপতির ক্ষমায় মুক্তি পাবেন না, এই আশ্বাস কি প্রধানমন্ত্রী দিতে পারবেন? পারবেন না। কারণ তিনি শুধু প্রধানমন্ত্রী নন, ক্ষমতাসীন দলেরও প্রধান। প্রধানমন্ত্রীদের সততা ও নৈতিকতার সঙ্গে কিছু করার সদিচ্ছা থাকলেও দলীয় প্রধান হিসেবে তাদের সেই সদিচ্ছা থেকে সরে আসতে হয়। অন্যদিকে দলীয় লোক বিধায় রাষ্ট্রপতিকে দল ও প্রধানমন্ত্রীর প্রতি বিশ্বস্ত থাকতে হয় এবং স্বীয় পদ রক্ষার জন্য দলীয় প্রধানের পরামর্শ (নাকি নির্দেশ?) মেনে চলতে হয়।
তাই ফাঁসির আসামিকে মুক্ত করার জন্য রাষ্ট্রপতির সমালোচনা করে এই বিতর্কের সমাধান হবে না। কারণ, সব রাষ্ট্রপতি সাংবিধানিক ক্ষমতা বলেই খুনিকে মুক্ত করছেন। রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে মৃত্যুদণ্ড মওকুফ করার ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির অবশ্যই থাকতে হবে। তবে ফাঁসি মওকুফ করা হলে ‘সংশ্লিষ্ট আসামির মৃত্যুদণ্ডের শাস্তি যাবজ্জীবনে পরিণত হইবে’ সংবিধানের ৪৯ ধারায় এমন একটি উপধারা সংযোজন করা হলে রাষ্ট্রপতিকে যেমন অবিতর্কিত রাখা যাবে, তেমনি দেশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত থাকবে। কিন্তু বর্তমান সংসদ তো এই সংশোধনী সংবিধানে সংযোজন করতে পারবে না। কারণ, পঞ্চম সংশোধনী বাতিল করে দেয়া আদালতের রায় মেনে নেয়ার পর সংসদের সার্বভৌমত্ব বিলুপ্ত হয়েছে, সেই সঙ্গে সংবিধানের ১৪২ (১) ধারার (ক) উপধারাটি অকার্যকর হয়ে গেছে। ১৪২(১) (ক) ধারায় বলা হয়েছে :
‘সংসদের আইন দ্বারা এই সংবিধানের কোন বিধান সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন বা রহিতকরণের দ্বারা সংশোধিত হইতে পারিবে।’
অতএব সর্বোচ্চ আদালতই একমাত্র ভরসা। সর্বোচ্চ আদালত যদি ৪৯ ধারায় বর্ণিত রাষ্ট্রপতির দণ্ড মওকুফের বিধানে আমাদের প্রস্তাবটি সংযোজনের জন্য রায় দেন তাহলে প্রধান বিচারপতির ভাষায় ‘তা সংশোধনী হিসাবে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংবিধানে প্রতিস্থাপিত হয়ে যাবে।’ তাহলে আদালতের রায় যেমন কার্যকর থাকবে, তেমনি প্রতিপক্ষকে হত্যা করার প্রবণতাও হ্রাস পাবে। নচেত্ বিচারবঞ্চিত পুত্রহারা পিতা-মাতার, স্বামীহারা স্ত্রীর এবং পিতা-মাতাহারা সন্তানের অসহায় কান্নাই শুধু শোনা যাবে।
# আ তি কু ল ই স লা ম
মহাসচিব, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ।
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিলিয়নিয়ার রবিন খুদা ও আমাদের জাতীয় অগ্রাধিকার

লিখেছেন জুয়েল তাজিম, ০৯ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:৩০

বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে জরুরি বিষয় কী?

কর্মসংস্থান? না।

বিনিয়োগ? না।

ডলার সংকট? না।

গার্মেন্টস খাতে ছাঁটাই? না।

ব্যাংকিং খাতের আস্থা সংকট? না।

সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো— কোনো অনুষ্ঠানে জুলাই চেতনা কত মিলিলিটার ঢুকেছে, কে কতবার উচ্চারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×