যখন তার বয়স ১৬ তখন তার মনে এই ধারণা বধ্যমূল হয় যে শুধুমাত্র খ্রীষ্টান পরিবারে জন্মগ্রহণ করার কারণেই তিনি খ্রীষ্টান। তিনি শ্রীলঙ্কায় জন্ম নিলে হয়তোবা তিনি হতেন একজন বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী। তিনি অন্যান্য ধর্মের ব্যাপারে আগ্রহী হয়ে ওঠেন। ১৯৭৭ সালে মাত্র ১৭ বছর বয়সে তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন। ইসলাম গ্রহণের পূর্বে সে বছরেই একটি গাড়ি দুর্ঘটনায় তিনি মৃত্যুমুখে পতিত হন যা তার জীবণের মোর ঘুরিয়ে দেয়। এ ঘটনাটি তাকে মৃত্যু পরবর্তী জীবন বিষয়ে আগ্রহী করে তোলে। তিনি বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থ পড়া শুরু করেন এবং পবিত্র কুরআন শরীফ পাঠ করার পর তিনি ইসলাম সম্পর্কে আগ্রহী হয়ে ওঠেন। ইসলাম গ্রহণ করার পর ইসলাম সম্পর্কে আরো জানার ইচ্ছায় তিনি দীর্ঘ এক দশক সউদী আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত সহ উত্তর ও পশ্চিম আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে ভ্রমণ করেন এবং প্রখ্যাত ইসলামী আলেম ও চিন্তাবিদদের কাছ থেকে জ্ঞানলাভ করেন। দীর্ঘ দশ বছর পর তিনি যুক্তরাষ্ট্রে প্রত্যাবর্তন করেন এবং পরবর্তী সময়ে ইম্পেরিয়াল ভ্যালি কলেজ থেকে নার্সিং-এ এবং স্যান হোসে স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে ধর্মীয় বিষয়ে ডিগ্রী লাভ করেন। ১৯৯৬ সালে তিনি ক্যালিফোর্নিয়ার হেওয়ার্ড শহরে জয়তুনা ইন্সটিটিউট নামে একটি ইসলামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। ২০০৯ সালে তিনি ইমাম জায়েদ শাকির ও ডঃ হাতেম বাজাইনকে সাথে নিয়ে প্রতিষ্ঠা করেন জয়তুনা কলেজ।
শেখ ইউসুফ আরব লীগ, ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের পরামর্শক হিসেবেও কাজ করেছেন। ব্রিটিশ পত্রিকা The Guardian এর মতে তিনি পাশ্চাত্যে সবচেয়ে প্রভাববিস্তারকারী মুসলিম চিন্তাবিদদের একজন। জর্ডানের Royal Islamic Strategic Studies Centre বর্তমান সময়ের সবচেয়ে প্রভাব বিস্তারকারী ৫০ জন মুসলিমের তালিকায় তাকে স্থান দেয় এবং Egypt Today ম্যাগাজিন তাকে পাশ্চাত্যের আধ্যাত্নিক রক স্টার আখ্যা দেয়। তিনি বিবাহিত ও পাঁচ ছেলে সন্তানের জনক।
তথ্যসূত্রঃ
www.sheikhhamza.com
en.wikipedia.org/wiki/Hamza_Yusuf www.zaytunacollege.org www.salaam.co.uk/themeofthemonth/june02_index.php?l=14
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই জুলাই, ২০১১ বিকাল ৩:৪৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



