ঘটনাটি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এর
মাস্টার্সের এক আপুর শ্লীলতাহানির চেষ্টা করল তারই ডিপার্টমেন্টের সেকেন্ড ইয়ারের স্টুডেন্ট (!). শ্লীলতাহানি হইল সুন্দর শব্দ দিয়ে কিছু গর্হিত কাজকে ঢেকে ফেলা।
১ নং গেট থেকে সিএনজি করে আপুটি ক্যাম্পাসে ফিরতেছিলেন।
যারা ওই খানে থাকেন তারা হয়ত জেনে থাকবেন যে সিএনজি জন প্রতি হিসেবে ভাড়ায় টানে।
হয়ত মাত্র সন্ধ্যা হয়ে আসছিলো, তখন ই ঘটনাটি ঘটে।
ছেলেটা কি করতে চাইছিল?আপুটাকে জোর করে জড়িয়ে ধরে তার বুকে,পেটে,স্পর্শকাতর অংগে হাত দিতে চেয়েছিল।
আপুটি ইজ্জত বাঁচাতে চলন্ত সিএনজি থেকে ঝাঁপ দিতে বাধ্য হলেন, প্রানে বেঁচে গেলেন কিন্তু ---
কতৃপক্ষ এর শাস্তি দিল সাময়িক বহিষ্কার্। এর মানে পরিস্থিতি ঠান্ডা হইলে তুই আসিস।
আজ আমার বোন আপনার বোন তার ক্যাম্পাসে নিরাপদ না।
আজকে যা হয়েছে এই বোন টির সাথে কাল হয়ত আপনার বোন টির সাথে হবে।
কিন্তু এই ব্যাপার গুলোতে বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষ এই জানোয়ারদের সাপোর্ট করে।
কঠোর কোনো শাস্তি দেয় না সাময়িক ভাবে বহিস্কার পর্যন্ত ই থাকে , এক সময় আবার ফিরে আসে ক্যাম্পাসে ।। যদি কঠিন কোনো শাস্তি হতো তাহলে হয়তো এই ঘটনা গুলো বার বার ফিরে আসতো না।
ঘটনা এক ই রকম কিন্তু স্থান আর সময় আর মানুষ গুলো ভিন্ন হয়।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এর শিক্ষার্থীরা আজ প্রতিবাদে ফেটে পড়েছে , কিন্তু প্রশসন বরাবর এর মত ই রহস্যজনক অবস্থানে।
আজকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এর সাথে সারাদেশের শিক্ষার্থীরা এ প্রতিবাদ করুক। এই শুয়োর দের কে চিনে রাখুক সবাই
আর কোনো বোন যেনো শ্লীলতাহানি মত ঘটনার সম্মুখীন না হয়।
প্রতিবাদ হোক রাস্তায়, প্রতিবাদ হোক প্রতিটি ক্যাম্পাসে , প্রতিবার হোক ফেইসবুকে, অনলাইনে।
প্রশাসনের টনক নড়ুক।
অপরাধীর শাস্তি হোক
Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে মে, ২০১৩ রাত ২:৩২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


