somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

জীবনের দাম নেই। মৃতের দাম অনেক বেশী

২৪ শে মে, ২০১৩ রাত ৮:৪৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

একটা নাটক এর ঘটনা বলি।
অনেক দিন আগে দেখেছিল সৃতি হাতড়ে খুজে পেলাম।
মেয়েটির নাম অহনা, মোটামুটি ভালো ছাত্রী , একটা নাম করা স্কুল এ পড়তো।
এক শিক্ষিকা তাকে এক্সট্রা কেয়ার নিতো। সে হিসেবে শিক্ষিকা প্রত্যাশা করতো তার কাছে অনেক বেশী , কিন্তু সে অনুযায়ী ফলাফল না পাওয়ায় শিক্ষিকা সবার সামনে অকথ্য ভাষায় বকাবকি করে আর এই অপমান সহ্য করতে না পেরে মেয়েটি suicide করে।
এমন আর ও অনেক কিছু আমাদের চারপাশে ঘটে থাকে।

কয়েক দিন আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থিত উদয়ন স্কুলের কিছু মেয়ের জামার হাতা কেটে দেয় সেখানকার প্রভাবশালী অধ্যক্ষ , উনি নাকি ঘ্যাচাং বলে বলে তাদের হাতা কেটে দেয়। সেখানে উপস্থিত ছিল তাদের সহপাঠী সিনিয়র জুনিয়র ছেলেরা ও। সবার সামনে ই অপমান।
তাদের অপরাধ ছিলো তারা ফুলহাতার জামা পড়ে আসে। আচ্ছা যদি ড্রেস কোড না মেনে থাকে এই মেয়ে গুলা তাহলে গেট থেকে ই তাদের ঠুকতে দেয়া না হলে ই হয়। কিন্তু এই ভাবে সবার সামনে অপমান কেনো ?
যদি এই অপমান এর পরে কোনো মেয়ে লজ্বায় সুইসাইড করতো এর দায় ভার কে নিবে?

কয়েক দিন আগে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এর মাস্টার্সের এক আপুর শ্লীলতাহানির চেষ্টা করল তারই ডিপার্টমেন্টের সেকেন্ড ইয়ারের স্টুডেন্ট , এই আপুটি নিজের ইজ্জ্বত বাঁচাতে চলত্ব গাড়ি থেকে লাফ দেয়।
প্রানে বেঁচে যায়।
এই প্রানে বেঁচে যাওয়াতে ই হয়তো তার পাশে দাঁড়ানোর মত কেও নাই।
আজ যদি উদয়ন এর কোনো মেয়ে অপমানে সুইসাইড করতো তাহলে এমন নক্কারজনক ঘটনার জন্যে দেশব্যাপী আলোড়ন হতো ,অধ্যক্ষের শাস্তি হতো।
আজ যদি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এর মাস্টার্সের আপু অপমান সহ্য করতে না পেরে সুইসাইড করতো তখন সবাই আজ প্রতিবাদ করতো।
কারন এই দেশে জীবিতের মূল্য নাই
এই দেশে লাশের মূল্য অনেক বেশী
লাশ পড়লে ই তখন সচেতনতা বাড়ে না হইলে বাড়ে না সচেতনতা। না হলে প্রতিবাদ হয় না।
আগে জানতাম রাজনীতির অঙ্গন এ লাশ ছাড়া আন্দোলন জমে না।
এখন দেখি অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের জন্য ও লাশ লাগে।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এর মাস্টার্সের আপু কে তার ইউনিভার্সিটির শিক্ষক বলছে বড় আপু মনে করে ছোট ভাই একটু আদর করছে এই নিয়ে প্রতিবাদের কি আছে?
আমরা ছাত্র রা শিক্ষক দের কাছে যাই, জানতে শিখতে আর তারা আমাদের ইজ্জত এর দাম দিবে না।
তারা আমাদের জামার হাতা কেটে রেখে দিবে।
তারা ছোট ভাই মনে করিয়ে বড় আপুদের গায়ে হাত দেয়াবে,
কিছু মানুষের কারনে আমাদের শিক্ষক সমাজ এর বদনাম হচ্ছে। এমন শিক্ষিত না হওয়া ই ভালো এর থেকে ক্ষেতে খামারে গিয়ে কাজ করা ভালো।
তবে আমার মনে হয় এই মানুষ গুলো খেতে খামারে কাজ করলে জমিন ও ফসল দিবে না এদের কে।

Click This Link
৪টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে যায় লঙ্কায় সে হয় রাবণ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৩২


ব্যাংকের সিএসআর বা কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (Corporate Social Responsibility) তহবিল জিনিসটা খাতায় কলমে বড়ই পুণ্যের কাজ। ব্যাংক ব্যবসা করে লাভ করবে, সেই লাভের একটা অংশ সমাজের জন্য আলাদা রাখবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্মৃতির নৌকা

লিখেছেন সেজুতি_শিপু, ১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:১১


কোন কোনদিন আলোর শৈশবে চোখ মেলে
মাধবীলতার হাসিমুখ সম্ভাষণের ওপাশে স্বচ্ছ আকাশে
এক ঝাঁক কবুতরের ওড়াউড়ি দেখতে দেখতে-
নিজেকে বড় ভাগ্যবান বলে মনে হয়,
চকিতে অপার্থিব আলো যেন ঢুকে পড়ে আত্মায়।

কোন কোন সন্ধ‍্যেয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×