আমার প্রিয় পোস্ট
- "সানস্ক্রিন ব্যবহার করো" - মেরি শ্মিক এর বিখ্যাত কল্পিত সমাবর্তন বক্তৃতা - বিলাশ বিডি
- সর্বকালের সেরা ফানপোস্ট বাঁচিয়ে তুলল আসিফ মুভি পাগলা চোখ বন্ধ করে প্রিয়তে রাখার মত পোস্ট - আসিফ মুভি পাগলা
- ইবনে সিনা: একজন কাফের? - উম্মু আবদুল্লাহ
- ওহে সামী মিয়াদাদ - আমার সঙ্গে দ্বন্দ যুদ্ধ!! - তবে তাই হোক - রাজামশাই
"সেই হিরোসিমা আর এই হিরোসিমা" - যেন ইতিহাসের নীরব স্বপ্ন
০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:১৪
এই সেই বিখ্যাত মাশরুম বিস্ফোরন। বোমাবর্ষনের পর পর তৈরী হওয়া এই মাশরুম বিস্ফোরনটি আজ নিজেই যেন একটি ইতিহাস।
"ইনোলা গাই" নামের এই বিমান হতেই ফেলা হয়েছিল বোমাটি। সামনে বিমানের ক্রুদের দেখা যাচ্ছে।
এই রকম বেশ কিছু ঘড়ি পাওয়া যায় হিরোসিমার গ্রাউন্ড জিরোতে যেগুলো থেমে গিয়েছিল সকাল ৮টা ১৫ তে। সময় তখন থমকে গিয়েছিল। নাকি থমকে গিয়েছিল ইতিহাসও?
বোমা বিস্ফোরনের পরবর্তী সময়ের হিরোসিমা। দেখে কে বলবে এখানে মানুষ থাকতো। এটা মরুভূমি না।
ইতিহাস বিখ্যাত ছবিগুলোর একটি। বিস্ফোরনস্থল হতে কিছু দূরের এই ভবনটি আজো সাক্ষ্য দেয় সেই ইতিহাসের।
এ রকম হাজারো মানুষ সেদিন জীবন্ত পুড়ে মারা গিয়েছিল।
আর তাই আজো হিরোসিমা যেন ইতিহাসের আর্তনাদ।
কিছুটা স্বপ্রণোদিত হয়েই হিরোসিমা নিয়ে একটু আধটু পড়ার ট্রাই করছিলাম। নেট তো এখন সারা দুনিয়ার আনাচে কানাচের খবরও রাখে। তাই শরনাপন্ন হলাম নেট এর ই। ১৯৪৫ সালের সেই সময়ের ছবিগলো দেখে অবাক হচ্ছিলাম্ কারন মাত্র একটা বোমা যে এত ব্যাপক প্রভাব ফেলতে পারে তা আমার একেবারেই অজানা ছিল। এটম বোমার বিষাক্ত ছোবলে ১৯৪৫ সালের আগষ্টে ক্ষত বিক্ষত জাপানের হিরোশিমা সেই রক্তস্নাত শোকাহত স্মৃতি আজো বিশ্বব্যাপী স্মরন হয় শোক আর বেদনার অভিব্যক্তিতে। যুগে যুগে যুদ্ধ বিরোধী প্রচার এবং আন্দোলনে হিরোশিমার সেদিনের ভয়াল স্মৃতিকে তুলে ধরা হয় যুদ্ধকে ঘৃনা জানাতে।
তারপরই মনে হল আধুনিক হিরোসিমার চেহারাটা দেখতে। তাই আবারো নেট। আবারো সার্চ। তবে এইবার যা দেখলাম তাতে আমি আরো মুগ্ধ। মাত্র ৫৩ বছরের বিবর্তনে সেদিনের ধ্বংসপ্রাপ্ত এই হিরোশিমা নগরী যেন এখন আধুনিক স্থাপত্যের এক অন্যন্য নিদর্শন হয়ে মাথা উচু করে দাঁড়িয়ে আছে। ছবি গুলি দেখলে বুঝার উপায় নেই এখানেই অনুষ্ঠিত হয়েছিল শতাব্দীর সেই ভয়াবহ ধ্বংসশীলা। সাবাশ হিরোসিমা।
আধুনিক হিরোসিমা, যেন স্বপ্ন দেখায় নতুন বিশ্বকে।
অবাক হয়ে তাকিয়ে দেখতে হয় আবারো জেগে ওঠা জাতিটিকে। মাত্র অর্ধশতাব্দীর মধ্যে যারা জেগে ওঠে নতুন বিশ্বের মডেল হিসেবে।
আর তাই ৫০ বছর আগের সেই হিরোসিমা যেন আজ মাথা উঁচু করে প্রকাশ করছে তার শ্রেষ্ঠত্বের।
আর এ জন্যই তো হিরোসিমা আজ বীর। হিরোসিমা একটি প্রতিবাদ। হিরোসিমা একটি অনুপ্রেরনা।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:১৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
বিডি আইডল বলেছেন:
++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
শেরিফ আল সায়ার বলেছেন:
এই ঘটনাটি পৃথিবীর ইতিহাসের কলংকজনক অধ্যায়। বিভৎস এই বিষ্ফোরনের প্রতিক্রিয়া আজও বহন করছে সেখানকার মানুষ। শহর যতই উন্নত হোক, শহরের বাতাস আজও বিষাক্ত। হিরোশিমা-নাগাসিকার বাতাসে যেনো আজও পাওয়া যাবে জীবিত মানুষগুলোর আগুনে পুড়ে যাওয়ার আর্তনাদ। ঘিন্না জানাই তাদের, যারা এই মানবতা বিরোধী হত্যাকান্ড চালিয়েছে।
লেখক বলেছেন: ঘিন্না জানাই তাদের, যারা এই মানবতা বিরোধী হত্যাকান্ড চালিয়েছে। .................................... সহমত।
মৃত হাসানের প্রেতাত্মা বলেছেন:
একটি তথ্যবহুল পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ভাই ক্ষমা করবেন অতটা তথ্যবহুল পোস্ট করিনি বলে। আসলে ইচ্ছে ছিল না তথ্য দেয়ার।
চেষ্টা করেছি ছবি দিয়েই বোঝানোর, যা বোঝাতে চেয়েছি।
সৈয়দা তাহমিনা বেগম সীমা বলেছেন:
এই ঘটনাটি পৃথিবীর ইতিহাসে সাম্রাজ্যবাদের কলংক। বিভৎস এই বিষ্ফোরনের প্রতিক্রিয়া আজও বহন করছে সেখানকার মানুষ। শহর যতই উন্নত হোক, শহরের বাতাস আজও বিষাক্ত। হিরোশিমা-নাগাসাকির বাতাসে যেনো আজও পাওয়া যাবে জীবিত মানুষগুলোর আগুনে পুড়ে যাওয়ার আর্তনাদ। ঘৃণা ও নিন্দা জানাই মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের, যেই সাম্রাজ্যবাদ এই মানবতা বিরোধী হত্যাকান্ড ও ধংসযজ্ঞ চালিয়েছিল।
সাম্রাজ্যবাদ নিপাত যাক।
দ্বিপদী অশুভ শক্তি নয়, শেষ পর্যন্ত মানবিক বোধ সম্পন্ন মানুষের জয় হোক।
লেখক বলেছেন: ইতিহাস কাউকে ক্ষমা করে না।
বিবেক সত্যি বলেছেন:
দারুন পোষ্ট... চোখে আঙুল দিয়ে দেখানো স্রোতের গতিপথ উল্টে দেয়া এক জাতির ইতিহাস... ++++++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ব্রাদার
।
মৃত হাসানের প্রেতাত্মা বলেছেন:
আসলে ছবিই কথা বলে। আমি আপনার লেখাকে তথ্য বহুল এই জন্যই বলেছি কারণ দুটি ভিন্ন সময়ে একটি জাতির অবস্থার কথা আপনি ছবির মধ্যমে খুব সহজে তুলে ধরেছেন। যাই হোক আপনি যদি অনেক তথ্য বহুল লেখনীয় প্যাঁচাল পারতেন তবে লেখাটা কখনও পড়া হত কিনা সন্দেহ। হয়ত আপনাকে বলতাম "অনেক তথ্য বহুল লেখা। তবে বেশ বড়। প্রিয়তে রাখলাম পরে পড়ব"। অন্য কোন এক সময় প্রিয়তে লেখাটা দেখে ভাবতাম এটা এখানে কিভাবে এল? এবং আবারও বড় দেখে কিংবা সময়ের অভাবে পড়া হত না। কিন্তু আপনার ছবি গুলো দেখে অল্পতেই বুঝতে পেরেছি কিভাবে একটি পরিশ্রমী জাতি অতি অল্প সময়ের মধ্যে নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তন করে। কিভাবে ধ্বংস স্তুপের মধ্যে সভ্যতা সৃষ্টি করে। আমিও হয়ত সাম্রাজ্যবাদ, পুজিবাদ ইত্যাদি নিয়ে অনেক কথা বলতে পারতাম। কিন্তু তা হত একটি পরিশ্রমী জাতির প্রচেষ্টাকে কিছু পার্থিব মতাদর্শের কাছে ছোট করে দেখানো। ইতিহাস হয়ত কাউকেই ক্ষমা করবে না কিংবা চিরদিন অত্যাচারীর জয় গান করে যাবে। সেটা ইতিহাসের একান্তই ব্যাক্তিগত ব্যাপার। কিন্তু আমাদের কখনই উচিত হবে না একটি পরিশ্রমী জাতির প্রচেষ্টার কথা ইতিহাসের অধ্যায়ে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করা।
দেখেন ভাই Google এ আমরাও অনুসন্ধান করতে পারি। হিরোসিমার কথা কম বেশি সবাই জানি। কিন্তু বিষয়টাকে এভাবে দেখার অনভূতি হয়ত অনেকেরই নেই।
যাই হোক অনেক বেশি বলে ফেললাম। ওই সময় একটু ব্যস্ত ছিলাম। কিন্তু চোরের মত প্লাস কিংবা মাইনাস দেওয়ার পক্ষপাতী নই বলেই অল্প কিছু বলে আপনাকে সাধুবাদ জানাতে চেয়েছিলাম আরকি। আর একটা বিষয় কি জানেন ছবি কিন্তু মস্তিস্কে অনেক বেশি কাজ করে। আপনাকে আবারও ধন্যবাদ।
আমি কিন্তু প্লাস দিয়েছি।
লেখক বলেছেন: ভাই আমার খুব শখ ভালো লিখতে পারার।
কিন্তু আমি পারি না।
একজন কবির নাকি ১টা কবিতা লেখার আগে অন্তত ১০০০টা কবিতা পড়া উচিত।
লেখকদের কি এই টাইপ এর কোনো নিয়ম আছে?
থাকলে আওয়াজ দিয়েন।
আমার খুব অবাক লাগে আপনাদের প্রকাশভঙ্গি দেখলে। আপনারা ক্যামনে পারেন?
নাজমুল। বলেছেন:
তথ্যবহুল পোষ্টের জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: থ্যাংক ইউ ব্রাদার। ![]()
লেখক বলেছেন: থ্যাংক ইউ। ![]()
আপনার মুখে ওইডা কি?
রাঙা মীয়া বলেছেন:
তিনটি পোস্টের লিংক রেখে গেলাম । সময় পেলে একবার পড়ে আসবেন । প্রথম
দ্বিতীয়
তৃতীয়
আমার নতুন পোস্টে সমালোচনা করলে খুশী হবো আপনার মতো সমালোচক পাওয়াও ভাগ্যের ব্যাপার
ভালো থাকবেন
লেখক বলেছেন: লজ্জা পাইলাম ব্রাদার।
সোনালীডানা বলেছেন:
+++
লেখক বলেছেন:
।
তারানা_শব্দ বলেছেন:
+ + + = +
লেখক বলেছেন: জটিল একটা ইকুয়েশন শিখলাম তো!!!
ত্রিভুজ বলেছেন:
চমৎকার পোস্ট নাহিদ... খুবই ভাল লাগলো।
লেখক বলেছেন:
থ্যাংকু ভাইয়া।
![]()
রাঙা মীয়া বলেছেন:
ব্লগে আপনার বিচরণ দেখে কে বলবে যে,আপনার ভেতরের সত্তাটি খুব সিরিয়াস বিষয় নিয়েও রসিকতাপূর্ণ বুদ্ধিদীপ্ত মন্তব্য করে ! আমি সত্যি ভীষন অবাক ও খুশী হয়েছি। আপনার আত্মিক শক্তি আরও পরিস্ফুটিত হোক।
লেখক বলেছেন: চলো সবাই......................
জীবনের আহবানে সামনে এগিয়ে যাই...........................
লেখক বলেছেন: থ্যাংক ইউ।
বিবেক সত্যি বলেছেন:
খবর্কি ? উধাও হৈইলেন্নাকি আবার ?
লেখক বলেছেন: আমি আইসা পর্ছি।
অক্ষর বলেছেন:
পোষ্টের জন্য +
লেখক বলেছেন: থ্যাংক ইউ।
লেখক বলেছেন: আমি একেবারেই সময় বের করতে পারছি না। তবে চেষ্টা করছি।
লেখাপড়ার এই বিদায়লগ্নে আমি পড়াশুনার চাপে চ্যাপ্টা হয়ে যাচ্ছি।
:/
সাংবাদিক বলেছেন:
+++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++আর লাগবে নাকি ভাই.............. লাগলে বলেন..............
+++++ দিতে আমি কার্পণ্য করবো না, কারণ আপনার লেখাটা সত্যিই ভালো এবং সংগ্রহে রাখার মতো।
নতুন গ্রুপ 'সাংবাদিক' - মুক্ত মনের প্রতিচ্ছবি
হাটি হাটি পা করে পথ চলতে শুরু করেছে নতুন গ্রুপ 'সাংবাদিক' এর। সুচিন্তিত মতামত প্রকাশকারী ব্লগারদের এই গ্রুপে স্বাগতম জানাই। আমাদের ডাকে সাড়া দিয়ে যরা ঐকবদ্ধ্য হয়েছে, তাদের জানাই অভিনন্দন ও ধন্যবাদ আমাদের সাথে থাকার জন্য। সত্যের পক্ষে অন্যায়ের বিরুদ্ধে কলম চালাতে আমরা দ্বিধাবোধ করি না। আমরা যা দেখি তাই লেখি কারণ আমাদের চোখ সবসময় প্রস্তুত সত্য উদঘাটনে আর আমাদের হাত সব সময় প্রস্তুত সত্য প্রকাশে। তো আর দেরী কেন? যদি হোন সাহসী সাংবাদিক, লেখক কিংবা সমমনা ব্যক্তি, তবে এক্ষুণিই ঐক্যবদ্ধ হোন আমাদের সাথে। সদস্যপদ গ্রহণ করুন আমরা তো আছিই আপনার সাথে। আর হ্যাঁ, আরেকটি শুভ সংবাদ হচ্ছে শীঘ্রই আত্মপ্রকাশ পাচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের নিউজ পোভাইডার সার্ভিস ইউকে বিডি নিউজ। ইতিমধ্যে এই কার্যক্রমে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বাংলাদেশী সাংবাদিকরা। এ ব্যাপারে আপনার মূল্যবান মন্তব্য ও পরামশ আমাদের কাম্য। আমাদের কাছে মেইল করুন :
শুভ হোক আপনাদের প্রতিটি ক্ষণ।
সাংবাদিক গ্রুপের জন্য ক্লিক করুন : http://www.somewhereinblog.net/group/Sangbadik
লেখক বলেছেন: থাকবো। কতটুকু বলতে পারবো জানিনা, ভাবতে পারবো....জানিনা।
তবে শিখতে অন্তত চাই।
বিবেক সত্যি বলেছেন:
ওই মিয়া !!!
সাইফুর বলেছেন:
ভাই তাহলে বেচে আছেন?
লেখক বলেছেন: এইতো । ![]()
ত্রিশোনকু বলেছেন:
এত কম সময়ের মধ্যে এত নিরীহ নিরাপরাধ মানুষকে মারার কোন নজীর পৃথিবীর ইতিহাসে নেই।দায়ী আমেরিকানদের মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ ও যুদ্ধাপরাধের বিচার করার আশু প্রয়োজন।
প্রচেত্য বলেছেন:
ছবিগুলো আমাদের অনেক কিছু শেখায়
লেখক বলেছেন: অনেক পুরাতন পোস্ট।
পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
ধূসর মানচিত্র বলেছেন:
মজার ব্যাপার হল এই নিশংস হত্যার নির্দেশকারি ট্রম্যান ইতিহাসের পাতায় খলনায়ক হিসেবে তেমনভাবেআঁকা হয় নাই, কারণ সে বিজয়ী জাতির প্রেসিডেন্ট। এই আণবিক বোমা বর্ষণ অহেতুক ছিল,শুধু জগতবাসীকে দেখান দরকার ছিল যে, আমরা আমেরিকান জাতি এখন কত বড় শক্তিশালি।
ছবিগুলোর জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আমেরিকা বরাবরই ইতিহাসে তার দ্বৈতনীতির জন্য বিখ্যাত বা কুখ্যাত বা ঘৃণিত।
তাজুল ইসলাম মুন্না বলেছেন:
প্রিয়তে....
লেখক বলেছেন: কৃতজ্ঞতা থাকলো।
ধন্যবাদ পড়ার জন্য।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















