যাদের কম্পু আর ইন্টার নেট নিয়া সাধারণ ধারণা আছে তারা যানেন যেকোন সময় তা ভাইরাস বা হ্যাকের কবলে পড়তে পারে।
পুত্তুম আলুতে দেখলুমঃ
ইভিএম হ্যাকিং করা যায় না : ছহুল বলেছেন
নির্বাচন কমিশনার মো. ছহুল হোসাইন বলেছেন, ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) নিয়ে নানা রকমের প্রচারণা চলছে। কিন্তু ইভিএম হ্যাকিং করা যায় না। তিনি বলেন, নারায়ণগঞ্জের ২০টি ভোটকেন্দ্র ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার (সিসিটিভি) আওতায় থাকবে। এছাড়া ভিডিও ক্যামেরার মাধ্যমে কমিশন প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচারণা পর্যবেক্ষণ করবে।
তবে মানুষ আজকাল সচেতন হচ্ছে বোঝা যায়। কয়েজন এমন বলেনঃ
১ ঃ হ্যাক করা যায় না এমন কোন সিস্টেম পৃথিবীতে সৃষ্টি হয়নি আর হবেও না। এত ভাইরাস আসলো কোথ্থেকে যদি হ্যাক করা না যায়।
২ ইভিএম যদি এতই কার্যকর , তবে জার্মানীর মতো হাইটেক দেশ এটা নিষিদ্ধ করলো কেন ? আপনারা বরং এই শেষ সময়ে একটু জার্মানী ঘুরে আসুন ! কিছু জানতেও পারবেন, দেশটাও দেখা হবে !
৩ ইভিএম নিয়ে নির্বাচন কমিশনের এত কথা। এ বিষয়ে আরও তথ্য জানতে চাচ্ছিলাম। নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে গেলাম কিন্তু কোন তথ্য পেলাম না। অন্তত নির্বাচন কমিশন যে ইভিএম ব্যবহার করবে তার ভিডিও ক্লিপিংসহ সংক্ষিপ্ত তথ্য থাকা উচিত ছিল।
৪ ইভিএম নিয়ে জনাব ছহুল হোসাইনের এ বক্তব্য এক ধরনের পাণ্ডিত্যপূর্ণ বাতুলতা বই কিছু নয়। আমি জানি না ছহুল হোসাইন সাহেব কী ধরনের তথ্য-উপাত্তের উপর ভিত্তি করে এ বক্তব্য দিয়েছেন।
প্রযুক্তি সম্পর্কে যারা ওয়াকিবহাল তারা জানেন ইভিএম হ্যাক সম্পর্কে। ইভিএম নিয়ন্ত্রক একটি সফট্ওয়্যার ছাড়া আর কিছু নয়। যে সফট্ওয়্যার একটি সেন্ট্রাল ডেটাবেজ ব্যবহার করবে। এখন কেউ যদি মনে করেন নির্বাচনের ফল পরিবর্তনের তাহলে পুরো দেশের ইভিএম সিস্টেম হ্যাক করবার কোন দরকার নেই। সেন্ট্রাল ডেটাবেজে ডাটা ওলট-পালট করে অনেক কিছুই করা সম্ভব। ছহুল হোসাইন কী করে এতোটা নিশ্চিত হলেন কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রক সফট্ওয়্যার ও ডেটাবেজ হ্যাক করা সম্ভব নয় ?
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যেহেতু তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা থাকবে না সেহেতু নির্বাচন কমিশনও আদৌ কতটুকু নিরপেক্ষ থাকবে তা' নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহের কারণ রয়েছে। হয়তবা হ্যাক করবারও দরকার পড়বে না, নির্দিষ্ট মহলের ইশারায় পুরো ভোটিং সিস্টেমের ডাটা নিমিষের মধ্যে পরিবর্তন করা কঠিন কিছু নয়।
কাজেই আগ বাড়িয়ে এ ধরনের বক্তব্য প্রদান উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেই মনে হচ্ছে।
৫। হ্যাকিং এর সঠিক বাংলা অনুবাদ কি তা আমার যানা নেই। তবে ইভিএম যে দুর থেকেও প্রভাবিত করা যায় তার প্রমান পাওয়ার পরই নেদারল্যান্ডস সরকার ২০০৬ সালে এর ব্যাবহার রহিত করে। ছহুল হোসাইন চাইলেই ঢাকায় ডাচ দুতাবাস থেকে ব্যাপারটা যেনে নিতে পারেন। বলা হতে পারে বাংলাদেশের ইভিএম গুলো আরো আধুনিক। তা হলে এটাওতো যানার দরকার যে, যে ইভিএম গুলো বাংলাদেশ কিনছে সগুলো কেনার সাধ্য কি নেদারল্যান্ডসের নাই ? না হলে তারা ৫ বছর পরও কেন ইভিএম পুনরব্যাবহার করার চিন্তা করছে না ? আমার যানা মতে নেদারল্যান্ডসেই সর্ব প্রথম এভিএম ব্যাবহার শুরু হয়।
৬ দোহাই লাগে ইভিএম নিয়ে আবোলতাবোল বকা বন্ধ করুন। এর মধ্যে যে আপনাদের দুরভিসন্ধি লুকায়িত তা বুঝতে আমাদের মোটেও কষ্ট হচ্ছে না। উন্নত বিশ্ব থেকে শিক্ষা নিয়ে ডিজিটাল চুরির এ পথ থেকে বিরত হোন। বিতর্কিত না হয়ে সম্মানের সহিত বিদায় নেয়ায় বুদ্ধিমানের কাজ।
কমেণ্ট গুলো এটই ভালা পাইছি যে নিজের কিছু কইতে মুঞ্চায় না। বিপরীত শক্ত যুক্তি থাকলে কয়া যান। তবে নির্বাচন কমিশোনারের মনে কুমতলব আছে এইটা আমার মনে হইছে। উনি ছক কেটে দেয়া পথে হাওটছেন। ভোলায় তার প্রমাণ পাওয়া গেছে.।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


