বাংলাদেশের সরকারী চাকুরীতে এখন ৫৫ % কোটা। মেধার এই ভয়াবহ অসম্মান কে দেখেছে কবে??
এই নিয়ে ফেসবুকে গড়ে উঠেছে প্রচারণা।দেখি তারা কি বলে??
১।
মুক্তিযুদ্ধের সময় আমার দাদা জীবিত ছিলেন না ।তার আগেই ৬৬ তে মারা গিয়েছিলেন ।তাই তিনি মুক্তিযুদ্ধে যেতে পারেন নি ।আমার পিতার বয়স ৭১ এ ছিল মাত্র ১০ তাই তিনিও মুক্তিযুদ্ধে যেতে পারেন নি ।এজন্য আমি হব কোটাবঞ্চিত ।শত যোগ্যতা থাকা সত্বেও আমার চেয়ে কম যোগ্যতাসম্পন্নরা দখল করবে সরকারী চাকুরী ।
এটা কি আমার অপরাধ?নাকি আমার বাপ দাদার যারা মুক্তিযুদ্ধে যান নি ?
২।
বাংলাদেশ সংবিধানের মৌলিক
অধিকার ভাগে অনুচ্ছেদ-২৭ এ বলা হয়েছে, "সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী"
.
অনুচ্ছেদ-২৯ এ বলা হয়েছে, "প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ-
লাভের ক্ষেত্রে সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা থাকবে"
মুক্তিযোদ্ধাদের (এবং তাদের সন্তান ও নাতি-নাতনীদের) জন্য ৩০% কোঠা সংবিধানের উপরোক্ত বিধানের সাথে সরাসরি সাংঘর্ষিক।
.
সংবিধানের অনুচ্ছেদ-৭ বলা হয়েছে, "জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তিরূপে এই সংবিধান
প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং অন্য কোন আইন যদি এই সংবিধানের সাথে অসমঞ্জস হয়, তা হলে সেই আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হবে" ফলে সংবিধানের বিধান
অনুসারে মুক্তিযোদ্ধা কোঠা অবশ্যই বাতিলযোগ্য।
.
মুক্তিযোদ্ধা কোটা শুধু অসাংবিধানিক নয়, দেশের জন্য ক্ষতিকরও। কারন এই কোটার কারনে মেধাবীরা বঞ্চিত হচ্ছে, অন্য দিকে প্রশাসন পরিচালনার
দায়িত্ব পাচ্ছে অযোগ্যরা।
৩।
এরপরে আবার গোদের উপর বিষফোড়া হল স্পেশাল বিসিএস।
.
আমরা কি এই ক্ষতিকর কোঠা পদ্ধতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হব না?
ফেসবুকে

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

