নারীরা পুরুষদের জামাতে ইমামতি করতে পারবেন না, ইসলামেরর এ ধারা ন্যায়সঙ্গত নয়
১৪ ই জুলাই, ২০০৭ দুপুর ১:২৯
ইসলামে নারীদেরকে ইমামাতি করতে দেয়া হয় বলে লিখেছেন সাদিক আলম আর তার বিপরীতে নারীদের ইমামতি জায়েজ নয়, বলে লিখেছেন আশরাফ রহমান নিউইয়র্ক কোন এক অতি নামীদামী(!) বাংলা পত্রিকার রেফারেন্স টেনে। কোরান হাদিসের ব্যখ্যা আর অপব্যখ্যার জণ্জালে আমাদের মতো সাধারন মানুষদের নাভিশ্বাস হবার মতো অবস্থা। কিন্তু আমরা সাধারণ মানুষরা সুফি, আলেম নই, ইরানের মোল্লাতন্ত্রে আমাদের চোখ ধাঁধায় না, আমাদের তো এমনি হবার কথা! এর পেছনে একটাই কারণ। আমরা কোন কিছুরই অন্ধ অনুসারী নই। আমরা নিজেদের বিবেক, শিক্ষা ও বুদ্ধিবৃত্তি ব্যাবহার করেই চলি। আমরা বুশের কর্মকান্ডকে ঘৃনা করি, ইসরাইলী আগ্রাসনকে নিন্দা করি, আবার হামাজের কর্মকান্ডকেও সমালোচনা করতে দ্বিধা করি না। আমাদের চোখ খোলা বলেই তা করতে পারি, কোনটা ন্যায়, কোনটা অন্যায়, তার বিচারে অন্ততপক্ষে: যথাসাধ্য চেষ্টা থাকে আমাদের।
আশরাফ সাহেবের কথায় আমি। মেয়েদেরকে পুরুষদের জামাতে ইমামতি করতে দেয়া জায়েজ নয় কেন? এর কারণ কি? এর পেছনে কি ধর্মীয় ব্যাখ্যা? একজন মহিলা সেরকম ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে ও নিজের বিশ্বাসের বলে মুসলমান হিসেবে সে যোগ্যতা অর্জন করেন, তাহলে নারী হয়েছেন বলেই কেন তাকে অযোগ্য ঘোষনা করা হবে?
তারপরও যদি আশরাফ সাহেব কোন উপযুক্ত ব্যাখ্যা ছাড়াই একে ধর্মের অনুশাসন বলে চালিয়ে দেবার চেষ্টা করেন, তাহলে বলবো ধর্মের এই অনুশাসন ন্যায়সঙ্গত ও সময়োপযোগী নয়। এর সাথেই সাধারণ ধার্মিক আর মৌলবাদীদের পার্থক্য। মৌলবাদীরা কোন কিছু না ভেবেই ধর্মের প্রতিটি অনুশাসনকে অন্ধভাবে মানায় বদ্ধপরিকর। সেখানে তারা তাদের বিবেক বুদ্ধিকেও ব্যবহার করার ক্ষমতা রাখেন না। যারা বিবেক আর বুদ্ধির ব্যাবহারের ক্ষমতা না রাখে, তারা সহজেই যান্ত্রিক রোবটে পরিনত হয়। মানবিক চিন্তা থেকে দুরে সরে এরা আর মানুষ থাকে না। আর যারা মানুষ নয়, তারা কি করে ধার্মিক হতে পারে, তা আমার জানা নেই। ধর্মতো একমাত্র মানুষের জন্যেই।
এদের চিন্তা ভাবনাতেও সততা নেই। রসুলুল্লাহর চার বিবি, বা চার বিয়ে করার অধিকারের কথা তোলা হয়, তখন তারা তোলেন সে সময়ের সমাজে মেয়েদের করুন অবস্থার কথা। সেখানে বিয়ে করে চারজন মেয়েকে একটি সন্মানীয় অবস্থায় আনা হচ্ছে, এটাই বা কম কি? মেনে নিলাম যুক্তির খাতিরে। “এই যুক্তি দাঁড় করানোর জন্যে তারা সে সময়ের সমাজকে বিচারে ধরছেন অথচ এ সময়ের সমাজকে বিবেচনায় ধরে ধর্মের কিছু অনুশাসনের সময়োপযোগী ব্যখ্যায় তারা একেবারেই আগ্রহী নয়”। একবার তারা তাদের বিচারে সময়কে অক্ষমাত্রা হিসেকে ধরেছেন, আবার পরেরবার তারা তাদের যুক্তির ও শক্তির সুবিধা বজায় রাখার প্রয়াসে সময়কে বিচারেই ধরতে চাইছেন না। এটা চুড়ান্ত সুবিধাবাদী নগ্নতা ও অসৎ। আমাদের মতো সাধারণ ধর্মের লোকদের কাছে হয়তো আশা করা যেতে পারে, কিন্তু ওনাদের মতো মহা অলেমরা এতোটা অসৎ কি করে হন?
মোদ্দা কথা হচ্ছে এই যে, “মেয়েরা জামাতে ইমামতি করার অধিকার রাখেন না”, এ অনুশাসন যদি ইসলামে থেকে থাকে, তাহলে তা ভুল ও অন্যায় এ অনুশাসন। প্রতিটি রাজাই চায় যে, তার প্রজারা রাজার করা প্রতিটি নিয়মই মেনে চলে। কয়জন প্রজা তা করে? প্রতিটি ধর্মই তার অনুসারীদের কাছে একশো ভাগ আনুগত্য দাবী করে। কয়জন তা করে? আশরাফ সাহেবরা করতে পারছেন? করতে পারছেন না। তাহলে তাদের ব্যখ্যায় সততা থাকতো। তারা পৃথিবীর নানা ধরণের অন্যায়কে, হত্যাকে অর্থহীন রেফারেন্স টেনে ন্যয় বলে প্রকাশ করায় প্রয়াসী হতো না। অথচ “সততা” ইসলামে আরো অন্যান্য ধর্মের মতোই অতি প্রাথমিক মূলমন্ত্র। এই সততাকে যখন ধুলায় লুন্ঠিত করা হয়, তখন কোথায় থাকে ধর্ম? রাজাকার,আল কদরের কুকর্মকে যখন ধামাচাপা দেয়া হয়, তখন কোথায় থাকে ধর্ম? নিজের সুবিধা বজায় রাখার জন্যে মেয়েদেরকে যখন ধর্মের কথা বলে অবদমিত করা হয়, তখন কোথায় থাকে ধর্ম? সেভাবেই “মেয়েরা জামাতে ইমামতি করার অধিকার রাখেন না” এটা ধর্মের যদি হয়েও থাকে, তা কখনোই “এ সময়ের ধর্মের কথা নয়”। এই সব ধর্মান্ধরা এ ধরণের অনুশাসনকে তাদের সুবিধাবাদী চরিত্রের হাতিয়ার হিসেবেই ব্যাবহার করে।
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
দ্বিতীয়নাম বলেছেন:
এ বছরের প্রথম ৫টি শ্রেষ্ঠ পোস্টের মধ্যে এটা একটি!
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
আপনি শুধু ঘোষনা ভাষনা দিয়াই গেলেন, দুই একটা কোট না দিলে জিনিসটা একটু অসিধিবার মতো মনে হয়!
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
"এটা চুড়ান্ত সুবিধাবাদী নগ্নতা ও অসৎ। "আলেমগো ক্ষেত্রে আমি বুঝি না এই কথার মানে কি? ধরেন আমি একটু মেয়েদের সাথে মিশতে পছন্দ করি, তো এইখানে সুবিধা বাদী হইলাম কেমনে? আমারে কি ইসরাইল টাকা দিছে? আমি একটা জিনিস লক্ষ্য করছি যখন সারাদেশে বোমা ফাটলো তখন শুনলাম আমেরিকা, ইন্ডিয়া, ইসরাইলিরা মদদ দিছে। অহনদেহি আমাগো কিছু বকলম হুজুর, নেতারা এইটা করাইছে। আর মেয়েদের সাথে একটু কথা কইলেই আপনেরা মনে করেন বেডে লইয়া নগ্নতা। জিনিসটাকি এতই শুজা। আসলে আমাদের মন মানষিকতার পরিবর্তন হওয়া উচিত (তয় আমারটা বাদে!)।
কৌশিক বলেছেন:
এই বিষয়টার সাথে সম্পর্কিত আরো চারটি বিষয়। ১. মুসলিম আইনে মেয়েররা অর্ধেক সম্পদ পায় পুরুষের থেকে। (এতে মেয়েদের অর্থনৈতিক বঞ্চনা করা হয়েছে)
২. মেয়েদের দুইটা সাক্ষী = পুরুষের একটা সাক্ষী (মেয়েদের সামাজিকভাবে বঞ্চনা করা হয়েছে)
৩. আকীকাতে পুরুষের জন্য দুই খাসী, মেয়েদের জন্য এক খাসী। (পুরুষের চেয়ে মেয়েদের সম্মান হানি করা হয়েছে।)
৪. পুরুষরা - পুরুষ ও মহিলাদের জন্য ওয়াজ করতে পারবে, নারীরা কেবল নারীদের জন্য ওয়াজ করবে। (নারীদেরকে আনস্কিলড রাখা হয়েছে)।
তীরন্দাজ বলেছেন:
আমি আলেম না, উদাসী সপ্ন।এ ধরণের উদাসী সপ্ন সবাই দেখে। আপনি স্বীকার করেন, আর অনেকে করে না। এটুকুই পার্থক্য।
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
আরে কৌশিক তুমিতো দেহি হেভী লোভী! অহনও ওগো সম্পতির দিক থিকা নজর সরে নাই!
তীরন্দাজ বলেছেন:
ধন্যবাদ কৌশিক, আরো কিছু সত্য যোগ করেছেন বলে।এখন তথাকথিত আলেম পয়েন্টে পয়েন্টে উত্তর দিলেই হয়। এরা তো শুধুমাত্র আলেম নন, রাজনীতিবিদও বটে। 'বান' মাছের মতো পিছলে যেতেই অভ্যস্ত।
মদন বলেছেন:
কৌশিকদার মাথা থেইকা সম্পদের ভাগ এখনও দুর হয় নাই দেখি তাইলে তো এখন মোহরানা দেয়া বন্ধ করন লাগে, স্বামীর সম্পদের ভাগ দেওন বন্ধ করন লাগে। বাবা-মায়ের দেখা শোনার জন্য বোনরেও তার সম্পদ থেইকা খরচ করন লাগে। ভরপোষন দায়িত্ব থেইকা স্বামীদের মুক্ত করন লাগে।
কৌশিক বলেছেন:
তীরন্দাজ, আপনার পোস্টের উপরে মন্তব্য। নারীরা রাষ্ট্রক্ষমতার প্রধান হবার দৃষ্টান্ত নাই ইসলামের প্রাথমিক যুগে। ধর্মীয় নেতা তো দূরের কথা। কয়েকটা যুদ্ধে নারীর অংশগ্রহণ ও কোথাও কোথাও নেতৃত্ব দেখা যায় মাত্র। ইসলাম নারীকে ঐসময়ের অবস্থান থেকে অনেক সম্মান দিয়েছে ধরা হলে বলা যায় এটা এক মহৎ মানুষের কীর্তি। তবে তাতে আল্লাহ পুরোপুরি ইকুয়াল হিসাবে নারীদেরকে স্বীকৃতি দিয়েছেন এটা প্রমান হয় না। অথবা আল্লাহ যদি স্বীকৃতি দেন ধরে নেই, তবে ইসলামের প্রাথমিক যুগে নারীর ক্ষমতায়ন না হওয়াতে বলা যায়, মোহাম্মদ সাঃ ঘোষিত ইসলামে নারীর কিঞ্চিত মুক্তি মিলেছে, কিন্তু তা আল্লাহর সমাধিকার ডিকলারেশনকে প্রতিষ্ঠিত করেনা। সেক্ষেত্রে সেমেটিক আল্লাহকে মোহাম্মদ সাঃ কেবল ব্যবহার করেছেন। ঐ সময়ের সমাজব্যবস্থায় নারী সমতার চিন্তাও অসম্ভব কল্পনা ছিল। কাজেই নবীরও নারীকে সমান ভাবার প্রশ্নই আসে না, আর সংগতভাবেই আল্লাহ তা ভাববেনই না। সুতরাং নিয়মকানুনগুলো ঐ সময়ের তুলনায় অবশ্যই আধুনিক। সমাধিকার বিষয়টা এখন সোচ্চারিত, কোন নবী এখন এলে তিনি নিশ্চয়ই এটা তার ধর্মমতে ইনক্লুড করতেন।
তীরন্দাজ বলেছেন:
নারীরা অনৈসলামিক সমাজেও খুব সহজে বড় অবস্থায় আসতে পারেন নি বা তাদেরকে আসতে দেয়া হয়নি। ক্যথলিকরা এখনও কোন নারীকে চার্চের প্রিষ্ট করে নি। প্রোটাষ্টান্টরা করেছে।
আমি ধর্মমত নির্বশেষে এ দাবীকে সময়ের দাবী বলেই মানি ও জানি। এ দাবীকে একদিন না একদিন পুরণ করতেই হবে, রক্ষনশীলরা যতোই ভাওতা দিক না কেন কৌশিক!
কর্ণফুলি বলেছেন:
অনেকদিন পর ব্লগে একটি ভালো পোস্ট। কমেন্ট ও রেটিং করার জন্য লগইন করলাম।@কৌসিক, আপনার ১নং অভিযোগটি ঠিক নয়। এই বিষয়ে, ইসলামি আইনের সাথে ইসলামী অনুশাসন একসাথে দেখতে হবে। ৩নং টি ইসলামী কোন নিয়ম নয়, বরং বলা যায় মুসলিমদের মধ্যে একটি ভুল আচার। ৪নং বিষয়টি বিতর্কিত, কোরান সমর্থিত নয় কিন্তু হাদিসে পাওয়া যায়।
২নং অভিযোগের সাথে একমত। জেনা বিষয়ে সাক্ষীর ব্যপারে ২ জন মহিলা সাক্ষী=১পুরুষ সাক্ষী। এ ক্ষেত্রে, ইসলাম মেয়েদের সিদ্ধান্তে বিচার-বুদ্ধির প্রয়োগের চেয়েও আবেগের প্রাধান্যের দিকে বেশি নজর দিয়েছে। তারপরেও বিষয়টি মেনে নেয়া যায় না, অন্তত এইযুগে।
কৌশিক বলেছেন:
ইসলামী আইন ও অনুশাসন - কিভাবে ইকুয়ালিটি জাস্টিফাই করে একটু যদি বিস্তারিত আলোচনা করতেন।
কৌশিক বলেছেন:
১ নং এর বিষয়ে কর্ণফুলির কাছে উপরোক্ত অনুরোধ।
কর্ণফুলি বলেছেন:
ইসলামে ধরে নেয়া হয় যে একজন মহিলা গৃহবাসিনী। তার তার দেখাশুনার (আর্থিকদিকটা, যেমন, থাকা, খাওয়া এবং অন্যান্য) ভার ইসলামী অনুশাসন অনুযায়ী তার বাবা অথবা স্বামী অথবা তার ছেলেদের উপর বর্তায়। ইসলামী আইন অনুযায়ী, একজন মহিলা আবার তার বাবা থেকে ও তার স্বামী থেকে সম্পত্তি পায় (একজন পুরুষ স্ত্রীর সম্পত্তির অধিকারী হন না, হন তার ছেলেমেয়েরা)। ইসলামের মূল উদ্দেশ্য এখানে মহিলাটির "লিভিং স্টান্ডার্ট" তার অন্যান্য আপন ভাইয়ের মত থাকে। বিষয়টি নিয়ে আরো ইন্টারেস্ট থাকলে কিছু ফিকাহ্র বই পড়তে পারেন।
নুর3ডিইডি বলেছেন:
একজন সুস্থ মহিলা যেখানে এক মাসে প্রায় ২১দিন নামাজ পরতে পারেন। যদি তিনি ইমাম হয়, তাহলে বাকি প্রায় সাতদিন কে নামাজ পড়াবে?আল্লাহ যাহা করেন , মানুষের ভালোর জন্যই করেন।
কৌশিক বলেছেন:
কর্নফুলি - ইসলামে যে ধরে নেয়া হয় নারী গৃহবাসিনী - এই সত্যটা ইসলামের সবচেয়ে বড় একটা দূর্বল দিক। আমার বক্তব্য এটাই ছিল। এটা মানা এখন আর কোন মতেই সংগত নয়, কারণ নারীকে গৃহবাসী এখন কেউ ভাবার স্পর্ধা দেখাতে পারে না। যারা এখনও নারীকে গৃহবাসী দেখার ইসলাম পালন করে তাদের বিষয়টা সংস্কার করে নেয়া উচিত।
কৌশিক বলেছেন:
নুর - মেয়েদের মেনেস্ট্রেশন বিষয়ে আপনার পড়াশুনা আরো বাড়িয়ে দিন।
কর্ণফুলি বলেছেন:
কৌশিক, ব্যপারটা একটু অন্যরকম। ইসলাম নারীকে গৃহবাসী দেখতে চাই, তা নয়। নারী যেকোন কাজ থেকে এমনকি যোদ্ধাও হতে পারে। প্রশ্ন হচ্ছে জেনারালাইজেশনের। আপনি গৃহবাসী বলতে গৃহাবদ্ধ বুঝছেন। এটা ঠিক নয়। গৃহবাসী বলতে কর্মক্ষেত্র গৃহ বুঝাবে। দুয়েকটা ইসলামী বই পড়া আশরাফ, ফজলের ইসলামকে ইসলাম মনে করলে, আপনি ভুল করবেন।
কর্ণফুলি বলেছেন:
নুর, ছেলেরা কি দুর আত্মীয়-স্বজনের বাড়ী যায় না? ওরা কি বেড়াতে (সফর) যায় না। তখন কে ইমামতি করে? কোন বিষয়ে গভীর ধারণা না থাকতে, ঐ বিষয়ে কথা বলা উচিত?
কর্ণফুলি বলেছেন:
তাহলে ৪৫-৪৭ বছর বয়সের পড় মেয়েরা ইমামতি করতে পারবে। বাহ্! কি আজব যুক্তি। @নুর।
মদন বলেছেন:
কাজের ঠেলায় গৃহের আর অফিসের মধ্যে পার্থক্য নাই। অফিসে বেতন দেয় আর গৃহে নারীরা রোবটের মতো খেটে যায় তাই মনে হয় গৃহের কাজ কোন কাজই না।
কৌশিক বলেছেন:
এবং সেজন্য তারা গৃহেই থাকবে। আর যারা বাইরে কাজ করে তারাও ঐ একই আইনভুক্ত। মদন, ভাই আমার, তোমার পায়ে ধরছি, একটু মাথা দিয়ে চিন্তা করো।
নুর3ডিইডি বলেছেন:
৪৫-৪৭ বছর বয়সের পর একজন মহিলার শরন সক্তি কেমন হবে তাও আপনার চিন্তা করা দরকার।@কর্ণফুলি।
যে ব্যক্তি আল্লাহর কুরআন হাদীসের উর্দে উঠতে চায়, সে কেমন ব্যক্তি ? কেমন ব্যক্তি তার পক্ষে বলতে পারে একজন বোকাও বুঝে।
আল্লাহ যাহা নির্দেশ করেন , তাহা মানুষের ভালোর জন্যই করেন।
মদন বলেছেন:
কোরান-হাদিসে কি কোথাও মেয়েদের ইমামতীর পক্ষে বলা নাই?
কৌশিক বলেছেন:
আমি জানি না। তবে এটা তো ইন প্রাকটিস নাই।
কোপা সামছু বলেছেন:
ব্লগে এত বড় বড় ইসলামী চিন্তাবিদরা আছেন, কিন্তু উনারা ইসলামী সাইটে গিয়া এই ধরনের গুরুত্বপূর্ন আলোচনা করেন না কেন বুঝা যায় না।সাধারন পাবলিকের কাছে আইস্যা ওয়াজ পড়া শুরু করেন, আরে ভাই সাধারন পাবলিক তো 'কামারের" মতন।
কামারের কাছে কোরান পইড়া লাভ কি?
এর জন্যই হুমায়ুন আহমেদ কইছিল, " ইসলামের সমালোচনাকারী বুদ্ধিজীবিরা সারাদিন সমালচনা করে, আর নানা ধর্মের আলোচনা ওনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে বক্তিতা দেয়, কিন্তু কোন দিন ওয়াজ মাহফিল্ এ উপস্থিত হতে দেখা যায় না। আর আলেম দের সাথে এই গুলা নিয়া আলোচনায় বসতে দেখা যায় না।
আলেম দের সাথে বসতে উনাদের সমস্যা কোথায়? তাতে তো আলেমদের ভূলটা ভাংঙ্গে।"
আলেম দের সাথে বসলে তো তার ভূল প্রমানিত হইব, আর নিজেও কিছু শিখতে পারব। আগো তো শিখার ইচ্ছা নাই, আছে শুধু বিভ্রান্তি ছড়ানো।
কর্ণফুলি বলেছেন:
নুর, তাহলে তো আপনার কথা মতো " শরন সক্তি" (স্বরণশক্তি)-র বিচারে ৪৫-৪৭ এর পর পুরুষদেরও ইমামতি ছেড়ে দেওয়া উচিত, কি বলেন? আল্লাহ্র নির্দেশের উর্দ্ধে উঠার প্রশ্নই আসে না, যতক্ষন পর্যন্ত আল্লাহ্র বিশ্বাস থাকে। আসল কথা হচ্ছে - "আল্লাহ্র নির্দেশ"কে কে কিভাবে বুঝতে পারছে? জনাব লাদেন আত্মাহুতিকে "আল্লাহ্র নির্দেশ" অনুযায়ী ঠিক দেখলেও, আমি কোরানেই এটাকে বেঠিক (নাজায়েজ) দেখি।
একই বিষয় পড়ে একেকজন একেকভাবে দেখেন। এতে যোগ হয়, ব্যক্তির সামাজিক অবস্থান, শিক্ষা (বিশেষ করে, দর্শন ও ইতিহাস), সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য এবং ঐ বিষয়ে জ্ঞানের গভীরতা। হয়ত আমার বক্তব্য আপনাকে বুঝাতে পারলাম।
মদন বলেছেন:
কোরআন আর হাদিসে বড় কইরা না থাকলে মেয়েদের দিয়া ইমামতী করাইতে গেলে বিপদ আছে। লোকে পিডাইবো। এমনিতে কি নামাজে সমস্যা হচ্ছে? জুমার দিন তো মসজিদে জায়গা পাইনা। ছাদে দাড়াইতে হয়।
যুব বলেছেন:
what is ur "standard" or "criteria" measuring right or wrong. thats what my question. for example, to most of western nation having sex out of wed-lock is not usually illegal if there is common consent in concerning parties. But ask our common people whether they think its right or wrong. probably most of them will claim it to be wrong, illegal, etc. Go back to history. read about even 18th or 19th century moral and social values of these nation. to ur dismay, u'll find them alike to most of us. so the inference is u gotta have a standard to judge things if u want it to be accepted by people. or u can just say, to my(ur) mind, its not right or wrong or whatever.
to muslim who believes in Allah and Muhammad(PBUH) and afterlife, the standard is the ISLAM. Islamic jurisprudence is different and have some criteria to measure things, from generally what we have in countries. So if u have guts u can debate with persons with the knowledge of Islamic Jurisprudence about matters u find confusing, irritating, or u study about Islamic Laws and Jurisprudence.
Then say ...
So if u know nothing and try to pretend to be wise like most of ..
Act ur knowledge and not ur wish like "if i were a king or something"
Have a GOOD ONE.
Bye
আমার মনে হয় না খুব বেশি মুসলিম মেয়ে সিজদার পজিশনে থাকা অবস্থায় পুরুষ নামাযীদের দিয়ে পরিলক্ষিত হওয়াটা উপভোগ করবেন। মেয়েদের ইমাম বানিয়ে এই সমস্যাটা রিজলভ করার জন্য তাহলে আমাদের প্রার্থনার ধরণ বদলাতে হবে।
মাঝে মাঝে কোনটা ভুল কোনটা ঠিক দেখার জন্য একটু দূরে দাড়িয়ে দেখতে হয়, যেন পুরা চিত্রটা সামনে আসে। না হলে, অন্ধের হাতি দর্শন হবে। কৌশিক আর তীরন্দাজ, দু:খিত, কিন্তু আপনাদের ইসলাম দর্শন সেরকম।
ধন্যবাদ।
দীক্ষক দ্রাবিড় বলেছেন:
সন্ধ্যাবাতি, পুরুষরা নারী ইমামের নিতম্ব দেখবে সেজন্য নারী ইমাম হতে চাইবে না? বুরখা পড়লেন, হিজাব পড়লেন, তাও মুসলিম পুরুষরা নিতম্ব দেখে বলে নেতা হয় না মুমিনা। এই যুক্তি সত্য হলে যেসব নারী ইমাম হতে চান তারা কারা। তাদের নিতম্ব কী একেবারেই ফ্ল্যাট?
নামাজ ছাড়া যখন একজন মুমিনা রাস্তায় এমনি হাঁটেন, হাতের কাগজ মাটিতে পড়ে গেলে উবু হয়ে তুলেন, বা অন্যসব কারণে প্রকাশ্যে রুকু বা সেজদার কাছাকাছি ভঙিতে যান তখন কি মুমিনদের অঙ্গ দেখামাত্রই সমুন্নত হয়ে যায়?
তো মুমিনরা যখন অমুসলিম নারীদের স্পোর্টস, যেমন জিমনাস্টিক, টেনিস খেলা দেখেন তখনো কি তাদের এরকম হয়?
পুরুষ মুমিনদের রক্তে কি ন্যাচারাল ভায়াগ্রার পরিমাণ বেশি নাকি?
নারী-পুরুষ চুম্বক, মোম আর আগুন, এইসব ওষুধ বটতলার ওষুধবিক্রেতার ব্যাখ্যা থেকে ধর্মকে আরেকটু এগিয়ে নেয়া যায় না আস্তবাতি?
একটু মানুষ হন। মন সম্পন্ন মানুষ। শুধু শরীর, যৌনাঙ্গ দিয়ে সবকিছু ব্যাখ্যা করার মধ্যযুগ থেকে বের হয়ে আসেন।
সাদিক মোহাম্মদ আলম বলেছেন:
সাদিক মোহাম্মদ আলম বলেছেন:
সে যাক গে, আমাকে মানুষ হওয়ার আহবান জানালেন অর্থ্যাৎ আমাকে মানুষ ভাবছেন না। যার অতটুকু ভদ্রতা করার মুরদ নেই, তার সাথে ধর্ম অধর্ম কোন ব্যাপারেই কথা বলার বিন্দু মাত্র আগ্রহ/রুচি আমার নেই। আপনি ভালো থাকুন আপনার অতিরিক্ত ন্যাচারাল ভায়াগ্রা নিয়ে!
পথহারা বলেছেন:
দীক্ষক দ্রাবিড় তোমার পুরুষাংগের শক্তি কেমন?তোমার লাইফের প্রথম রতি মিলনের কাহিনী নিয়ে একটা পুষ্ট দাও শানে নুজুল সহো। কতা না বুঝলে আওয়াজ দিও।
অলৌকিক হাসান বলেছেন:
হ। পরে দ্রাবিড়রে চটিবাজ কইবা। হুনতে তো ঠিকই চাও, কইলে পরে কও ফাতরামি (সুফীর মতে)যাউগ্গা, কইলা না তুমি আছু কিমুন ?
মদন বলেছেন:
ঘটনা এটটু বে লাইনে যাইতেছে মন লয়...
পথহারা বলেছেন:
অলৌ হাসান একটু বিজি আছি। কয়দিন বাদে দেশের বাইরে যাওয়া নাগবো রিসারচের কামে। তোমগো ছাইরা থাকুন নাগবো মাস খানেক। মনে বড়ই দুষ্ক।
দ্রাবিড় আমার কতায় জবাব দেয় না কে? ভালো মন্দ কিচু কও সোনা।
অলৌকিক হাসান বলেছেন:
এইডা কি কইলা। কুন দেশে যাইতাছ?যাউগ্গা। দ্রাবিড় একটা ফাউল পোলা। খালি জ্ঞানের কতা কয়। তুমি রসময় টাইপের লিকা পড়তে চাইলে একটা পুস্ট দিয়া আমারে কও। আমি লিখা দিমু নে। তুমি যে যে স্টাইলে চাও। তুমি বইলা কতা।
কি লইয়া রিসাচ কর তুমি ?
পথহারা বলেছেন:
অ হাসান তোমার লেকা চটি মারকেট পাইবো না।
দ্রাবিড়ে কতা কয় না কে? ও কেমতে ছোনা কন্ট্রোল করে একটু জানবার চাইছলাম। যে বিছয় নিয়া এতো গিয়ান ছরাচ্ছে ঐটার মদে ওর নিজের অবস্থা কিমুন জানবার মন চাইছিলো। (আবিয়াইত্যা অইলে হাত মারে কি রেটে ঐটা বি জানবার চাই)
গেতাছি সাতসমুদ্দর তেরো নদীর হেইপার।
সোনার বাংলা বলেছেন:
''এ সময়ের ধর্মের কথা নয়''! এ সময়ের ধর্ম কেমন? ইহা তীরন্দাজের কথা যেমন তসলিমায় বলে ছিলো!
সোনার বাংলা বলেছেন:
সহমত@কোপা সামছু।৫
আজাইরা বলেছেন:
অই মিয়া তীরন্দাজ আপনে তো মনে হয় এক ওয়াক্ত নামাজও পড়েন না , আপনের এইসব বিষয় লইয়া মাতামাতির দরকার কি ? যেমন আছেন তেমনই থাকেন । খালি আজাইরা প্যাচাল ।
ত্রিভুজ বলেছেন:
'ধর্মনিরপেক্ষ' হলে তার অন্যতম উপসর্গ হলো ইসলাম নিয়ে খোচাখুচি করা.. এটাকে উনারা মোটামুটি শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে গেছেন। @ আজাইরাএই পোষ্টকে কেউ কেউ বছরের সেরা পোষ্ট বলেছেন। সেই মন্তব্যের জন্য ৫ ;-)
ওয়েল সেইড @ সামসু
বলে লাভ নাই.. @ সন্ধ্যাবাতি
@তীরন্দাজ...
ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীদের নিয়ে একটা গবেষনা করছি। আপনাদের কথাবার্তাগুলো খুব কাজে আসছে। সো কিপ ইট আপ!
আজাইরা বলেছেন:
অই ছাগু , আমারে আবার আপনের মত মৌলবাদী ভাইবেন না । আমি শুধু এইসব নিয়া এত লাফালাফি করনের কোন দরকার দেখি না । আমি ধর্ম পালন করি চিন্তা ভাবনা কইরা, তয় ধর্ম বা আল্লাহ-রাসুল কে গালালাগাল দেওনের মত সাহসও রাখিনা ।
কৌশিক বলেছেন:
সন্ধ্যা - তোমার মন্তব্যে যেখানে "মাঝে মাঝে কোনটা ভুল কোনটা ঠিক দেখার জন্য একটু দূরে দাড়িয়ে দেখতে হয়, যেন পুরা চিত্রটা সামনে আসে" এ বিষয়টা এসেছে - তার আগে করা মন্তব্যটা সবচেয়ে দুর্বল একটা পয়েন্ট। আমার মনে হয় তোমার এর চেয়ে ভাল লজিক নিয়ে আসার যোগ্যতা আছে। আমি ডিসএপয়েন্টেড।
ফজলে এলাহি বলেছেন:
তীরন্দাজ সাহেবের "যাহা বলিব সত্য বলিব" হলো ব্লগ টাইটেল।
"নারীরা পুরুষদের জামাতে ইমামতি করতে পারবেন না, ইসলামেরর এ ধারা ন্যায়সঙ্গত নয়" হলো পোষ্ট হেডিং।
পোষ্টের শুরুর দিকে লিখেছেন-
"কোরান হাদিসের ব্যখ্যা আর অপব্যখ্যার জণ্জালে আমাদের মতো সাধারন মানুষদের নাভিশ্বাস হবার মতো অবস্থা।"
=========
এখন বুঝার বিষয় যে, ইসলামের ধারা/বিধান যার/যাদের নিকট ন্যায়সঙ্গত মনে হয়না। অন্যকথায় যারা মানতে নারাজ। তারা যদি বলে যে, কুরআন-হাদীসের ব্যাখ্যা বুঝতে নাভিশ্বাস উঠছে, তবে বড্ড জানতে ইচ্ছ হচ্ছে যে, এই "অস্বীকারকারী সাধারণ মানুষ"দের সে বিষয়ে নাভীশ্বাস উঠানোর কী প্রয়োজন যা তারা মানতে বা বিশ্বাসই করতে পারছে না???????????????
========
তাহলে কি ধরে নিতে হবে যে, "যাহা বলিব সত্য বলিব"র ধরণ ব্যক্তি ভেদে ভিন্নতা পায়??????
তীরন্দাজ বলেছেন:
ফজল সাহেব,আমি কোরান হাদিসের ব্যাখ্যার সাথে আপনাদের মতো কাঠমোল্লা মৌলবাদীদের অপব্যখ্যার কথাও বলেছি।
ধর্মের নামে আপনাদের অমানবিক কর্মকান্ডে সাধারণ মানুষদের নাভিশ্বাস হবারই কথা।
সন্ধ্যাবাতির মন্তব্যটা পড়েছেন? আপনারা নামাজে দাড়ালেও নাকি মেয়েদের পশ্চাতদেশে চোখ বুলাতে ছাড়েন না। সেজন্যেই নাকি কোন মেয়ের ইমামতি করা উচিত না। এবার দেখুন নামাজ পড়েন সময়ও আপনাদের কা অবস্থা!
"সত্যটি কতোটা নির্দয়" দেখলেন এলাহী সাহেব। আমি যাহা বলি সত্যই বলি।
ফজলে এলাহি বলেছেন:
তীরন্দাজ, আমার জানার উত্তর তো সম্পূর্ণ হলো না। জানতে চেয়েছিলাম-
=========
এখন বুঝার বিষয় যে, ইসলামের ধারা/বিধান যার/যাদের নিকট ন্যায়সঙ্গত মনে হয়না। অন্যকথায় যারা মানতে নারাজ। তারা যদি বলে যে, কুরআন-হাদীসের ব্যাখ্যা বুঝতে নাভিশ্বাস উঠছে, তবে বড্ড জানতে ইচ্ছ হচ্ছে যে, এই "অস্বীকারকারী সাধারণ মানুষ"দের সে বিষয়ে নাভীশ্বাস উঠানোর কী প্রয়োজন যা তারা মানতে বা বিশ্বাসই করতে পারছে না???????????????
========
তার উপর মন্তব্যেও সন্ধ্যাবাতির উদ্ধৃতি দিয়ে ইঙ্গিত দিয়েছেন এই বলে যে, "আপনারা নামাজে দাড়ালেও নাকি মেয়েদের পশ্চাতদেশে চোখ বুলাতে ছাড়েন না।"
এখানে যারা নামাজ পড়ে তাদেরকে বুঝিয়েছেন তা পরিস্কার।
তাহলে আপনি কে? অথবা আপনারা কারা? যারা নামাজ পড়ুয়াদের বিপরীতে?
তীরন্দাজ বলেছেন:
আমি আবারো বলছি, আমার লেখায় শুধুমাত্র ব্যখ্যার কথা ছিলনা, অপব্যখ্যার কথাও বলেছি। এর মিশ্রণে অবশ্যই নাভিশ্বাস!আপনি এবার ধর্মের নামে রাজনীতি ঝাড়তে এসেছেন এলাহী মাহেব। নামাজ পড়ুয়ার বিপরীতে আমি নই। যারা নামাজ পড়ে, কিন্তু মেয়েদের পশ্চাতদেশে নজর দিতে ছাড়েনা, তাদের বিপরীতে। আপনাদের মতে কাঠমোল্লারা সবার আগে যে মানুষের মন ও দৃষ্টিভঙ্গী পরিস্কার করা দরকার, তা না ভেবে স্বরচিত শারিয়া (হাদিসের অপব্যাখ্যা) দিয়ে মানুষকে বন্দী করতে চান। তার বিপরীতে। আপনারা যারা নিজেদের চোখের পর্দা না টেনে, অন্যদেরকে পর্দাবন্দী করতে চান, তাদের বিরুদ্ধে।
ত্রিভুজ বলেছেন:
ফজল ভাই,আপনার প্রশ্নের উত্তর দেয়ার যোগ্যতা যদি তীরন্দাজদের থাকতো, তাহলে তো আর ধর্ম নিয়ে গবেষনা করতে যেতেন না। উনার মত ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীদের দেখবেন কোন এক অজানা ব্যাক্তি ধর্ম পালনের পাশাপাশি কি কু-কর্ম করেছে বা জনৈক ব্যাক্তির চিন্তাধারার কাল্পনিক চিত্র এঁকে ইসলামের সমালোচনা করবে। প্রকৃত ইসলাম কি বলতে চায় তা এরা কোনদিনই জানতে চায়নি। মুক্ত চিন্তার নামে চিন্তার জগতে সবচেয়ে বেশী প্রতিবন্ধকতা এরাই সৃষ্টি করে রাখে।
এখানে উনি উনার চিন্তার অসারতা ঢাকতে সন্ধ্যাবাতির মন্তব্যেকে উলটো ব্যাখ্যা করে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করেছেন। কতটা নির্বোধ হলে মানুষ এরকম মন্তব্য করে! নির্বোধ বললে অবশ্য ভুল বলা হয়। এরা হলো ধূর্ত!!
শমসের আলম বলেছেন:
বুজলাম। সন্দাবতির পরিচিত লুকেরা খালি পাছার দিকে তাকায়, বুরকা পড়লেও উকিঝুকি মারে, আন্ধার পাইলে হাত দেয়।
সাঈফ শেরিফ বলেছেন:
ত্রিভুজ এসব আজে বাজে গার্বেজ পোস্ট মন্তব্য, হিট বাড়িয়ে এটাকে প্রথম পাতায় তুলে ধরার কোন দরকার আছে??যারা ইসলামে বিশ্বাসই করেনা, নাস্তিক, অমুসলিম তাদের কাজই হলো নিজ বিশ্বাস ধর্মের যৌক্তিকতা নিয়ে কথা না বলে ইসলাম নিয়ে খুচাখুচি করা.......
এটা অবশ্য ভাল ...কারণ একমাত্র ইসলামকেই তারা তাদের বিশ্বাসের জন্য হুমকি ও চ্যালেঞ্জিং মনে করে........
নো মুসলিম সুড কমেন্ট হেয়ার এনি মোর........
তীরন্দাজ বলেছেন:
নামাজ পড়ার অর্থ হচ্ছে সৃষ্টিকর্তার কাছে নিজেকে পুরোপুরি নিবেদন করা। নয় কি? এলাহী সাহেব ও ত্রিভুজ।সেসময় মহিলা যদি ইমাম হন, তাহলে তার পশ্চাতদেশে নজর যাবার কথা কেন আসবে? আর সে কথার দিকে ত্রিভুজেরই বা কেন সমর্থন থাকবে? আমরা সন্ধ্যার কথা বুঝতে পারছি না বলে কেন কটাক্ষ থাকবে আপনার ত্রিভুজ? তাছাড়া আপনার কটাক্ষ এসেছে তার উত্তরে আমার বক্তব্যের আগেই। আমার অপব্যখ্যা কোথায়, তা সরাসরি বলবেন ত্রিভুজ? এধরণের কথা আপনি আরো কয়েকবার বলেছেন। কথা সত্য হলেই আপনার কাছে তা উলটো ব্যাখ্যা হয়ে দাড়ায়! তাই না ত্রিভুজ?
সন্ধ্যাবাতি কথাটি ভুল বলেন নি। এরকমই ঘটে। কিন্তু নামাজের মতো এমন একটি পবিত্র কর্তব্যের সময় এমনটি ঘটবে কেন?
ফজলে এলাহি বলেছেন:
তীরন্দাজ,ব্লগারদেরকে কি এতটাই অবুঝ ভেবে বসে আছেন যে, আপনি একবার বলবেন যে, "ইসলামেরর এ ধারা ন্যায়সঙ্গত নয়", যার অর্থ দাঁড়ায় এটা মানি না, এটা ন্যায়ের বিপরীত অন্যায়!!!
আবার অন্যদিকে বলবেন আপনি কাঠমোল্লাদের বিপরীতে খাঁটি মোল্লা, নামাজে বিকৃত দৃষ্টিওয়ালাদের বিপরীতে পাক্কা নামাজী, নাকি? (উপরের মন্তব্যে)
=====
তা এটাও কি ধর্মনিরপেক্ষ চরিত্রের বহিঃপ্রকাশ? বাহঃ বাহঃ চমৎকার
====
ঠিক বলেছেন সাইফ, কিন্তু এত উলঙ্গ বাস্তবটাকে এড়াতে পারলাম না, তাই মন্তব্য করলাম। পাঠকদের চেনা উচিত।
তীরন্দাজ বলেছেন:
"একজন মহিলা সেরকম ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে ও নিজের বিশ্বাসের বলে মুসলমান হিসেবে সে যোগ্যতা অর্জন করেন, তাহলে নারী হয়েছেন বলেই কেন তাকে অযোগ্য ঘোষনা করা হবে?"এই প্রশ্নের সরাসরি উত্তর তো কেউ দেবার সামান্য চেষ্টাও তো আপনাদের দেখলাম না, ত্রিভুজ, এলাহী সাহেব ও সাঈফ শেরিফ সাহেব। নাকি আসল প্রশ্নের কাছাকাছি এলেই আর উত্তর মুখে যোগায় না? আর উত্তর না যোগালেই ফতোয়া বেরিয়ে আসে?
মদন বলেছেন:
আমার মনে হয় নারী হয়েছে বলে অযোগ্য নয়, বরং ইসলামে এসব ক্ষেত্রে নারীদের রাখা হয়নি। যদি বলেন কেন, তাইলে কমু জানিনা। যদি কন বিষয়ডা ঠিক না, তাইলে কমু কোরান আর হাদিস দিয়া যদি সিস্টেম করতে পারেন তাইলে মহিলারা ইমাম কেন যা মন চায় হোক আপত্তি নাই।
তীরন্দাজ বলেছেন:
ফজল সাহেব। আপনার বেশ দ্রুতই বুদ্ধিবিকৃতি ঘটছে। আমি কখন দাবী করলাম, আমি খাটি মোল্লা? একজন খাটি মোল্লাও যখন আল্লার কাছে প্রার্থনা করেন, নিজেকে পাপী হিসেবেই তুলে ধরেন। সেখানে আমার এ দাবী করার সাহস কোথায়?এটা আপনার বুদ্ধিবিকৃতি না মিথ্যাচার? এসব তো আপনার মতো নুরানী লোকের পোষায় না!
তীরন্দাজ বলেছেন:
মদন, এরকম সরল সহজ উত্তরের প্রচেষ্টার প্রতি আমার সন্মান আছে অবশ্যই।
ফজলে এলাহি বলেছেন:
তীরন্দাজ,আপনার মন্তব্যের কোটেশন তুলে দিলাম, পড়ে বুদ্ধিবিকৃতি করুন-
"আপনি এবার ধর্মের নামে রাজনীতি ঝাড়তে এসেছেন এলাহী মাহেব। নামাজ পড়ুয়ার বিপরীতে আমি নই। যারা নামাজ পড়ে, কিন্তু মেয়েদের পশ্চাতদেশে নজর দিতে ছাড়েনা, তাদের বিপরীতে। আপনাদের মতে কাঠমোল্লারা সবার আগে যে মানুষের মন ও দৃষ্টিভঙ্গী পরিস্কার করা দরকার, তা না ভেবে স্বরচিত শারিয়া (হাদিসের অপব্যাখ্যা) দিয়ে মানুষকে বন্দী করতে চান। তার বিপরীতে। আপনারা যারা নিজেদের চোখের পর্দা না টেনে, অন্যদেরকে পর্দাবন্দী করতে চান, তাদের বিরুদ্ধে।"
এখানে এটা সুস্পষ্ট যে, আপনার ভাষায় যারা নামাজে ....... দৃষ্টি দেয়, আপনি তাদের বিরুদ্ধে অর্থাৎ, তেমনটি দেন না, ভাল নামাজী। কাঠমোল্লা বলে এবং তাদের বিপরীতে বলে নিজেকে খাঁটি মোল্লা জানান দিলেন। হাদীস বিকৃতকারীদের বিরুদ্ধে বলে হাদীসের পক্ষের হিসেবে নিজেকে প্রকাশ করলেন নয় কি??????????
========
তাহলে শুনুন- ইসলামের বিধিবিধানকে যদি আপনার কাছে ন্যায়সঙ্গত মনে না হয় তো নিজের অবস্থান পরিস্কার করুন। যেসব পয়েন্টে আপনি বিপরীত অবস্থানকারী হিসেবে নিজেকে দেখাতে চেষ্টা করলেন, তার কোন একটিতেও যদি কোন পাক্কা নামাজী খাঁটি মোল্লাও ইসলামের ছোট কোন বিধানকে অস্বীকার করে তো সে অস্বীকার কারীদের অন্তর্ভুক্ত হয়। অস্বীকার করে আবার পাক্কা খেতাব নেবেন নিজে নিজেই আপনাদের রাজনীতির তুলনা হয়না।
সুতরাং রাজনীতি আমি করতে আসিনি বরং আপনার পুরো পোষ্টটাই হীন রাজনৈতিক এবং বিভ্রান্তি মূলক।
তীরন্দাজ বলেছেন:
"কিন্তু আমরা সাধারণ মানুষরা সুফি, আলেম নই, ইরানের মোল্লাতন্ত্রে আমাদের চোখ ধাঁধায় না, আমাদের তো এমনি হবার কথা! এর পেছনে একটাই কারণ। আমরা কোন কিছুরই অন্ধ অনুসারী নই। আমরা নিজেদের বিবেক, শিক্ষা ও বুদ্ধিবৃত্তি ব্যাবহার করেই চলি। আমরা বুশের কর্মকান্ডকে ঘৃনা করি, ইসরাইলী আগ্রাসনকে নিন্দা করি, আবার হামাজের কর্মকান্ডকেও সমালোচনা করতে দ্বিধা করি না। আমাদের চোখ খোলা বলেই তা করতে পারি, কোনটা ন্যায়, কোনটা অন্যায়, তার বিচারে অন্ততপক্ষে: যথাসাধ্য চেষ্টা থাকে আমাদের।"পড়েন নি এলাহী সাহেব। এরপর মন্তব্য করার আগে একটি পোষ্ট ভাল করে পড়ে নেবেন। কেমন?
আজাইরা বলেছেন:
দেখলাম তীরু আমারে ৫+৫=১০ দিছে । ক্যান দিছে ? বুঝলাম না । আল্লাহরে , ভগবানরে, ঈশ্বররে কেউ কোনদিন দেখে নাই তাও মনে বিশ্বাস আছে তাঁদের অস্তিত্ব সম্পর্কে, ঠিক একইভাবে ইসলামের অনেক নির্দেশ আমাগো বিশ্বাস করতে হইবো । সেইটার পিছনে মনূষ্য যুক্তি থাক বা না থাক । এইটাই সত্যি এইটাই বাস্তব । এগুলান লইয়া এত ফালাফালি কইরেন না । যার পছন্দ না হইবো সে পালন করবো না ।
তীরন্দাজ বলেছেন:
এত আজাইরা সন্দেহ কেন। আপনার মন্তব্য সত্যি সত্যিই ভাল্লাগছে বইলাই ১০ দিলাম।আসলেই আমাগো এক ফালফালি করা ভাল না। আখেরে ও বর্তমানে নিজের কোন লাভ হইব না।
কিন্তু আমার পয়েন্টটা অরেকখানে। হেইডা কারে বুজামু?
মনিটর বলেছেন:
শমসের আলম বলেছেন :২০০৭-০৭-১৫ ১১:৪২:০১
বুজলাম। সন্দাবতির পরিচিত লুকেরা খালি পাছার দিকে তাকায়, বুরকা পড়লেও উকিঝুকি মারে, আন্ধার পাইলে হাত দেয়.
>>>>>>>>>>
ফজু, তিরভুজ এরাইএইসব করে।
অপ বাক বলেছেন:
অপ বাক বলেছেন:
ফজলে এলাহী সাহেবের কথাটা বেশ মজার-=========
এখন বুঝার বিষয় যে, ইসলামের ধারা/বিধান যার/যাদের নিকট ন্যায়সঙ্গত মনে হয়না। অন্যকথায় যারা মানতে নারাজ। তারা যদি বলে যে, কুরআন-হাদীসের ব্যাখ্যা বুঝতে নাভিশ্বাস উঠছে, তবে বড্ড জানতে ইচ্ছ হচ্ছে যে, এই "অস্বীকারকারী সাধারণ মানুষ"দের সে বিষয়ে নাভীশ্বাস উঠানোর কী প্রয়োজন যা তারা মানতে বা বিশ্বাসই করতে পারছে না???????????????
তার এই রাজনৈতিকৃত করে ফেলবার প্রবনতাটা মজার- যেখানে মানুষের স্বাভাবিক বেবেচনার কথা উঠে সেখানেই ফজলে এলাহী সাহেব সারা গায়ে টেল মেখে লাফ দিয়ে পড়েন- একটা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বক্তব্য দিয়ে একটা সহানুভূতির জায়গা তৈরি করতে চান-
প্রবণতাটা বহুল ব্যবহারের পরেও কার্যকরী-
সমস্যা হলো ইসলামী বিশ্বাসের অনুসারী যে সকল মানুষ না তাদের মাথা ব্যাথার একটা কারণ যারা এই বিষয়টাকে অন্যায় ভেবে ন্যায়ের কথা বলছে তাদের বিপরীতে যাচ্ছে ইসলামী বিশ্বাস- আর ইসলাম ধর্মের অধিকাংশ মানুষই আসলে ফজলে এলাহীর বিশ্বাস ধারণ করে- ধর্ম নিরপেক্ষ একটা মানুষ( যদিও এই পুরো বিশেষণটাই ভুল- এর পরও তারা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে সেকুলারিজমের বিরুদ্ধে মুখিয়ে উঠবার জন্য কিংবা ধর্মান্ধতাকে সমর্থন করবার জন্য একজন মানুষকে ধর্ম নিরপেক্ষ বানিয়ে ফেলে, যেখানে ধর্ম নিরপেক্ষ হওয়া এবং না হওয়া একটা প্রাতিষ্ঠানিক বিষয়, যেখানে প্রতিষ্ঠানের কাছে ধর্ম নিরপেক্ষ সুবিচার আশা করা হয়, সেখানে একটা মানুষের নিজস্ব বিশ্বাসের জায়গাটাতে ধর্ম নিরপেক্ষতার অবস্থান কেমন কিংবা কতটুকু নির্বোধ হলে একজন ব্যক্তিকে প্রতিষ্ঠান কল্পনা করে নেয়)
তারা বিষয়টা গ্রহনযোগ্য মনে করছে না কারণ এখানে একটা অসমতা আছে- ব্যক্তিগত বোধের জায়গাটাতে যারা নারী পুরুষ সাম্যতার ভাবনা ভাববে তাদের কাছে সব স্থানেই সমান সুযোগ দাবী জানানোর জায়গাটাতে এই ইমামতির অধিকারের বিরুদ্ধ ধর্মীয় অনুশাসন গ্রহনযোগ্য মনে না হওয়ার যথার্থ কারণ ধর্মীয় অনুশাসনে বিদ্যমান-
আর সন্ধ্যাবাতির মন্তব্যের যেই বক্তব্য সেটা খুবই লজ্জাজনক- বিব্রতকর এবং অশালীন- যা আসলে কোনো মেয়ে কিংবা সেই মেয়ের পেছনে নামাজ পড়া সকল নামাজীর প্রতি অসম্মানজনক-
আর অন্য কথা হলো এখন সমকামীতার বিষয়টা প্রকাশ্য এবং গ্রহনযোগ্য একটা বাস্তবতা- সে হিসাবে পুরুষের এমন রুকুতে যাওয়া ভঙ্গি কোন পুরুষকে প্রলুব্ধ করলে কিংবা নারীর পেছনে দাঁড়ানো নারীকে প্রলুব্ধ করলে এটার সমাধান কোথায়-
যৌনতার জায়গাটাতে নিজস্ব যৌনকামনার পরিতৃপ্তির জন্য শুধুমাত্রই নারী পুরুষ সম্পর্কের ধারণা থেকে বিগত ২০ বছরে মানুষ বের হয়ে এসেছে।
তীরন্দাজ বলেছেন:
অপ বাক, আপনার মুল্যবান কমেন্টাও অনেক পরে পড়লাম। সেজন্যে দু:খিত ও আপনাকে ধন্যবাদ।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















