আমাদের রিপোর্টার ভাইয়েরা বড়ই মজা পান দেশে যদি একটা ধর্ষনের ঘটনা ঘটে। আর আমাগোর দেশটা তো একটা ধর্ষনের প্রেক্ষাগার; যেইখানে নিয়মিতই এই সুটিং টা হইয়া থাকে । আর এই শুটিং এর বিশদ বিবরন মজা কইরা ছাপাই দেন আমাগোর সংবাদিকেরা । যাগোর আমরা গরিব জনগনেরা; অবোধ মূর্খ পাবলিকেরা জাতির বিবেক বইলা মানি ।
তারা রসাই রসাই লেখেন ধর্ষনকাব্যের রসালো বিবরন। নিজেদের তো খাড়া করেনই ধর্ষকের ভূমিকায়; পাশাপাশি আমজনতা পাঠককে দাড় করান ধর্ষকের ভুমিকায়। পাঠকেরা পড়েন আর পড়েন;
পড়িতে পড়িতে ধর্ষনের সুখে পাগল হইডা ওঠেন।
পুরা রিপোর্টটা এমুন কইরা লেখা হয়; যেন কাহিনীটা পাঠকের সামনে ঘটতে থাকে: এইটা মনে হয় তাদের 'বস্তুনিষ্ঠতার' প্রমান!
গত ২৫ তারিখ জনকন্ঠের শেষ পাতায় এমনই এক ধর্ষনরিপোর্ট ছাপা হইছে। যেখানে দেখানো হইছে মোবইলে দুই তরুনিকে ডেকে নিয়ে কিভাবে ধর্ষকেরা পালাক্রমে (দুখিত শব্দটা আমার ও লিখতে হলো) তাদের কর্মটা সম্পাদন করেন।
আমরা কোনো পত্রিকাতেই ধর্ষনের এই রসালো বিবরন পড়তে চাই না; আমরা চাইনা এমুন পরিস্থিতি তৈয়ার হোক যা আমগোরকে ধর্ষনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ জন্ম না দিয়া লোভ জন্ম দিব। রাষ্ট্রযন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভের সেবকের একটু বিবেকবান হইবে বলিয়াই আমার বিশ্বাস!
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৬:৫২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



