“দেখিনু সেদিন রেলে
কুলি বলে এক বাবুসাব তারে টেলে দিল নিচে ফেল
চোখ ফেটে এল জল,
এমনি করে কি জগত জুড়িয়া মার খাবে দুর্বল।”
ট্রেনে চড়ার সময় ববুসাবের হাতে কুলিকে নির্যাতিত হতে দেখে কাজী নজরুল ইসলাম লিখলেন এই কবিতাটি। সাহিত্যের আয়নায় প্রতিফলিত হল জীবনের রূঢ় বাস্তবতা। এভাবে যুগে যুগে কবি সাহিত্যিকদের কলম থেকে বেরিয়ে এসেছে জাতির আনন্দ, দু:খ-বেদনা, চাওয়া-পাওয়া, স্বপ্ন-আশা ইত্যাদির চিত্র। আজো বাংলা সাহিত্যে দৃষ্টান্ত হয়ে আছে রবীন্দ্রনাথের ‘গোরা’, মীর মোশাররফ হোসেনের ‘বিষাদ সিন্ধু’, মানিক বন্দোপাধ্যায়ের ‘পদ্মাীনদীর মাঝি’, শরতচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘শেষ প্রশ্ন’, বিভূতিভূষন চট্টোপাধ্যায়ের ‘পথের পাঁচালী’, অদ্বৈত মল্লবর্মনের ‘তিতাস একটি নদীর নাম’ প্রভৃতি।
আমাদের গৌরবময় অতীতকে লালন করে প্রবিনদের হাত ধরে আজো সহিত্য চর্চা চালিয়ে যাচ্ছেন নবীন লেখিয়েরা।কারণ সাহিত্যই পারে মনোগ্রাহী ভাবে জীবনের ছবি আঁকতে। সাহিত্যই সমৃদ্ধ করতে পারে মানুষের চিন্তার শক্তি এবং মনের শক্তি। সাহিত্য যেমন বিক্ষোভে, বিদ্রোহে আক্রমনাত্মক ও লক্ষভেদী হেত পারে তেমনি বয়ে আনতে পারে শান্তি ও সৌহার্দ। তাই আজকের লেখিয়েদের কলম হাতে নিতে হবে সত্যের জয় আর মিথ্যার পরাজয়ের জন্য। ন্যায়ের পক্ষে শক্তি যোগতে হবে আর অন্যায়ের প্রতিবাদে জ্বলে ওঠতে হবে। কারণ সত্য ও সু্নদরের জন্যই আমাদের এই পৃথিবী।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

