আমার প্রিয় পোস্ট

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, আমাদের জাতীয় সঙ্গীত ও ত্রিভুজ গোত্রীয়দের বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেস্টা

১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:২২

শেয়ার করুন:                   Facebook

গতকাল রাতে, আনব্যানের দাবি আদায়ে বিজয় অর্জনের কিছুক্ষণের মধ্যেই অবাক হয়ে ত্রিভুজের একটি পোস্ট দেখলাম। সেখানকার লিংক ধরে তার আরো দুটি ও আশরাফ রহমানের একটি পোস্ট পড়লাম।

কিছু কথা বলা আবশ্যক মনে হওয়াতে আজ ফুল রেস্টে থাকার কথা থাকলেও নেটের সামনে বসতে হলো।

তাদের মূল বক্তব্য কি?
আমাদের জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে আমার সোনার বাংলা গানটি থাকার যৌক্তিকতা কতখানি? কারণ-
রবীন্দ্রনাথ বাংলাদেশ চেতনার বিরুধী ছিলেন, বা বাংলাদেশ তথা পূর্ববঙ্গের উন্নতির বিরুদ্ধপক্ষ মানুষ ছিলেন।
এর পক্ষের যুক্তি কি?
১। তিনি বঙ্গভঙ্গ রদের জন্য আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী ভূমিকা নিয়েছিলেন।
২। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করে কলকাতায় আয়োজিত সমাবেশের সভাপতিত্ব করেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
৩। আমাদের স্বাধীনতা হরণকারী ব্রিটিশদের তাবেদার ছিলেন। কেননা, তিনি জনগণমন ভাগ্যবিধাতা গানটি রচনা করেছিলেন সাদা চামড়ার স্তুতির উদ্দেশ্যে।

উপরের তিনটি ঘটনাকে সত্য ধরেও কি তাকে বাংলাদেশ চেতনার বিরুধী বলা যায়?
১। বঙ্গভঙ্গের ঘটনার সাথে বাংলাদেশ চেতনার কোন সম্পর্কই নেই। এটা ঠিক যে, পূর্ববঙ্গের মুসলিম উঠতি বুর্জোয়া শ্রেণীর তুলনায় পশ্চিমবঙ্গের হিন্দু বুর্জোয়া শ্রেণী বিভিন্ন দিক থেকে এগিয়ে ছিল, কেননা- তারা মুসলিমদের আগে থেকেই ইংরেজী শিক্ষার দিকে ঝুকেছিল এবং বণিকী পেশাতেও তারা অগ্রজ ছিল। ফলে, ইংরেজরা যখন ডিভাইড এণ্ড রুল এর নীতিতে বঙ্গভঙ্গ করলো- ঐ হিন্দু বুর্জোয়া অংশ স্বভাবতই তার বিরুধীতা করে। এবং মুসলিম অংশটিকে গোষ্ঠী স্বার্থেই ইংরেজরা পক্ষে পায়। তবে, এই অংশদুটির বাইরে হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে দুই বঙ্গের অনেক মুক্তমনা এই বঙ্গভঙ্গের বিরোধীতা করেছিল এই জায়গা থেকে যে, প্রথমত ইংরেজরা প্রথমবারের মত সাফল্যের সাথে হিন্দু-মুসলিমে বিভেদ টানতে সক্ষম হয়, যা স্পষ্ট হয় পরবর্তি দাঙ্গায়, নজরুল সহ অনেকের লেখনীতে এই দাঙ্গা-বিরোধী বক্তব্য পাবেন (আমার কাজী নজরুল ইসলাম শীর্ষক পোস্ট দ্রষ্টব্য)- [যার চুড়ান্ত ফলাফল গিয়ে দাঁড়ায় দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে ধর্মকেন্দ্রিক পাকিস্তান নামক হাস্যকর রাষ্ট্রটির উদ্ভব]; এবং দ্বিতীয়ত- অবিভক্ত বাংলার স্বপ্নচারী ও অভ্যস্ত মানসিকতায় ইংরেজ কর্তৃক নির্মম আঘাতের কষ্ট।
এটা পরিস্কার যে, এই বঙ্গভঙ্গের পরিকল্পনাকারী ইংরেজরা, মুসলীম লীগের উত্পত্তির পেছনেও তাদের ভূমিকা ছিল এবং এটাও ঠিক যে, তাদের এ উপমহাদেশে কংগ্রেসের প্রতিদ্বন্দ্বী একটি রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন ছিল- এবং হিন্দু ও মুসলিমকে বিভক্ত করাও প্রয়োজন ছিল; বেশীদিন এখানে তাদের শাসন-নির্যাতনের রাজত্ব টিকিয়ে রাখার তাগিদেই।
২। ঢাকা কিন্তু তখন বাংলাদেশের রাজধানী নয়, ফলে ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের বিরোধীতার সাথে বাংলাদেশ চেতনার কোন সম্পর্কই থাকতে পারে না। একটি উদাহরণ দেই- ধরেন এই মুহুর্তে পদ্মাসেতুর একটি সিদ্ধান্ত হতে যাচ্ছে। এখন কোথায় এই সেতু নির্মিত হবে সেটা নিয়ে দুদল লোক এলাকাগত সুবিধার ভিত্তিতে একদল মাওয়া আরেকদল পাটুরিয়ায় সেতু নির্মাণের দাবি করলো। সে দাবিতে- পাটুরিয়ায় সেতু নির্মিত হলে যারা লাভবান হবেন তারা সমাবেশ করলো- মাওয়ায় সেতু নির্মাণের সিদ্ধান্তের বিরোধীতা করে। সেক্ষেত্রে কি বলা যেতে পারে? আমরা এটুকুই বলতে পারি পাটুরিয়ার লোকজন দেশের বৃহত্তর স্বার্থের কথা ভাবতে ব্যর্থ হয়েছে, কেননা মাওয়া সেতু হলেই সবদিক থেকে মঙ্গল। কিন্তু বাংলাদেশ যদি দুটুকরা হয়ে দুটি দেশ হয় যার একদিকে মাওয়া আর দিকে পাটুরিয়া তবে মাওয়ার দিকের লোকজন কি দাবি করবে- অমুক ঐ সমাবেশে মাওয়া সেতুর বিরোধিতা করেছিল- সেজন্য সে আমাদের এই দেশের চেতনা পরিপন্থী??
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শান্তিনিকেতন নিয়ে বিশেষ পরিকল্পনা ছিল- সেটা তাঁর বিশেষ স্বপ্ন ছিল। আর, বিভিন্ন সময়ে কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সহ উভয়বঙ্গের শিক্ষাবিস্তার নিয়ে তাঁর অনেক নিরন্তর ইতিবাচক ভূমিকার কথা সকলেই জানে।
৩। রবীন্দ্রনাথ ছিলেন ব্রিটিশ বিরোধী সংগ্রামের আপোষকামী অংশের প্রতিনিধি। উঠতি বুর্জোয়া, জমিদার শ্রেণীর প্রতিনিধিত্বশীল রাজনৈতিক দল কংগ্রেসও তাই। সূর্যসেন-ক্ষুধিরাম-ভগত সিং- প্রীতিলতা- পরবর্তিতে সুভাষ বোস - এনাদের বিপ্লবী ধারার বিপরীতে কংগ্রেসের ভূমিকা ছিল ব্রিটিশদের সাথে আপোষ-লড়াই-সুবিধা আদায়-আপোষ- নীতিতে চলা এক রাজনৈতিক সংগ্রাম। যার ফলস্বরূপ আমরা পেয়েছি ব্রিটিশদের দান করা পাকিস্তান ও ভারত নামের দুটি স্বাধীন রাষ্ট্র- এ আমাদের লজ্জা যে, আমরা ব্রিটিশদের বিতাড়িত করতে পারিনি- এ লজ্জা আমাদের দান করেছে কংগ্রেস তথা মহাত্মা গান্ধী ও নেহরু- জিন্নাহরা; যদিও অগ্নিপুরুষ ঐ বিপ্লবীদের কারণেই ব্রিটিশরা এ উপমহাদেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছিল- তাই এ লজ্জা আমাদের লাঘবও হয়।
যাহোক, যা বলছিলাম- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আপোষকামী অংশের প্রতিনিধি- ফলে ওনার চিন্তা-ভাবনার মধ্যে এই সংগ্রাম ও আপোষ উভয়েরই সংমিশ্রন পাওয়া যায়। তবে তাঁর সাহিত্য-কর্ম, তাঁর জীবন, তাঁর কর্মপদ্ধতি সবকিছু দেখে তাঁকে একজন অত্যন্ত সংবেদনশীল মনের অধিকারী- সত ব্যক্তি বলেই মনে হয়। ফলে, তার যাবতীয় কর্মকাণ্ডের পেছনে সুবিধা গ্রহণের কোন বিষয় থাকাটা সম্ভব নয়, বরং চিন্তাগত সারল্য জনিত কিছু ভুলের প্রভাবই মনে হয় আপোষের অংশটুকুকে। মনে রাখবেন জালিয়ানওয়ালাবাদের ঘটনায় কংগ্রেস তথা গান্ধীও এত তীব্র প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

বাংলা ভাষা, বাঙ্গালি সংষ্কৃতি ও রবীন্দ্রনাথঃ
হুমায়ুন আজাদের ভাষায় বলি, "আকাশে সূর্য ওঠে প্রতিদিন, আমরা সূর্যের স্নেহ পাই সারাক্ষণ। সূর্য ছাড়া আমাদের চলে না। তেমনি আমাদের আছেন একজন, যিনি আমাদের প্রতিদিনের সূর্য। তাঁর নাম রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর [১৮৬১-১৯৪১]। তিনি আমাদের জীবনে সারাক্ষণ আলো দিচ্ছেন। তিনি বাঙলা ভাষার সবার বড় কবি। তাই নয় শুধু, তিনি আমাদের সব। তিনি কবিতা লিখেছেন, গল্প লিখেছেন, উপন্যাস লিখেছেন, নাটক রচনা করেছেন, গান লিখেছেন, প্রবন্ধ লিখেছেন। তিনি কি লেখেন নি? তিনি একাই বাঙলা সাহিত্যকে এগিয়ে দিয়ে গেছেন কয়েকশো বছর। আজ যে বাঙলা সাহিত্য বেশ ধনী- তার বড় কারণ তিনি"। কিন্তু তিনি শুধু বাঙলা ভাষার শ্রেষ্ঠ কবি নন, বাঙলা ভাষার শ্রেষ্ঠ বর্ণনামূলক ভাষাবিজ্ঞানীও। তিনি তাঁর সৃষ্টির মাঝে বাংলাকে যেন নবপ্রাণ দান করেন। ভাষাকেই করে তুলেন সমৃদ্ধ।
সংক্ষেপে ইতিহাসটা একটু বলি(বিস্তারিত অন্য সময়ে বলা যাবে)। চর্যাপদ এর কালে বাঙলা ভাষা ছিল খুবই অবিকশিত। ১৮০১ সালে শুরু হয় আধুনিক বাঙ্গালীর বাংলা গদ্যের ধারা। কেরি, রামরাম বসু, মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার, রামমোহন রায়, অক্ষয়কুমার দত্ত এবং আরো অনেকের শ্রমে ক্রম বিকশিত হয় সাধুভাষা। ১৮৬০ সালে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ভাষায় সাধুরীতি স্থির মানরূপ লাভ করে। এরপরে বঙ্কিমচন্দ্র, রবীন্দ্রনাথ ও আরো অনেকে সাধুরীতির বাংলায় নিয়ে আসেন আরো অনেক বৈচিত্র। তবে রবীন্দ্রনাথের কৃতিত্ব অন্যখানে। তা হলো চলতি বাংলা। প্যারীচাঁদ মিত্র ও প্রমথ চৌধুরীর পথ ধরে যখন রবীন্দ্রনাথ গদ্যরীতি হিসাবে চলতি রীতিতে লেখা আরম্ভ করেন- তখন থেকেই কিন্তু চলতি রীতিই মান ভাষা, বাংলা ভাষা। এ কাজ করতে গিয়ে তাঁর ভাষাকে সৃষ্টি করতে হয়েছে। তাই তিনি বাংলা ভাষার শ্রেষ্ঠ সন্তান।
শুধু সাহিত্য ও ভাষার ক্ষেত্রেই নয়- রবীন্দ্রনাথ তাঁর অসংখ্য কবিতা, গান, গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ প্রভৃতির মাধ্যমে বাঙ্গালীর মনন, রুচি, সংস্কৃতিও তৈরি করতে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন।

ফলে, আমাদের ভাষা কেন্দ্রিক যে জাতীয়তা বোধ- সেই বাঙ্গালী জাতিয়তাবোধই অসম্পূর্ণ থেকে যায় রবীন্দ্রনাথকে বাদ দিলে।

কেন ও কিভাবে সোনার বাংলা আমাদের জাতীয় সঙ্গীতঃ
পাকিস্তান সৃষ্টির শুরু থেকেই পশ্চিম পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠীর হাতে পাকিস্তানের শাসন ক্ষমতা থেকে যায়- মুসলীম লীগের প্রতিষ্ঠাতা নেতা জিন্নাহর হাত ধরে। যে দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে পাকিস্তান রাষ্ট্রের উদ্ভব- সেখানে পূর্ব ও পশ্চিম দুটি অংশের মধ্যে একমাত্র মিল ধর্ম- ইসলাম।

পশ্চিম পাকিস্তানী শাসক গোষ্ঠী প্রথমেই আঘাত হানে আমাদের বাংলা ভাষার উপর। পাকিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠীর ভাষা বাংলাকে বাদ দিয়ে উর্দুকে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্র ভাষা হিসাবে চাপিয়ে দেয়ার চেস্টা করা হলো। মূল কারণ ঐ ধর্মকেন্দ্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থার সৃষ্টি। ভারতের এক বড় অংশের হিন্দু জনগোষ্ঠীর ভাষা বাংলা, এই ভাষার উতপত্তি-বিকাশে বড় ভূমিকা বিভিন্ন হিন্দু কবি-সাহিত্যিকদের, তদুপরি পূর্ববঙ্গের মানুষদের সাথে সমস্ত দিক দিয়েই পশ্চিম পাকিস্তানীদের তুলনায় পশ্চিমবঙ্গের মানুষদের সাথে আত্মিক যোগাযোগ যুগযুগ ধরেই অনেক ভালো ছিল। ফলে, পশ্চিম পাকিস্তানী শাসক গোষ্ঠী প্রথম থেকে এখানকার লোকদের ভাষা, কৃষ্টি-কালচারকে ভালো নজরে দেখতে পারেনি- যা তাদের চোখে হয়ে দাঁড়ায় হিন্দুয়ানি। বাংলাকে তারা দেখেছিল হিন্দুর ভাষা হিসাবে। ফলে খড়গ নেমে আসে ভাষার উপরে- তৈরি হয় বায়ান্নো।

এই ভাষার লড়াই করতে গিয়ে অনন্য এক অভিজ্ঞতা হয় বাংলার। আগের স্ট্রীমের বাংলা থেকে তার একটি পার্থকয় তৈরি হয়ে যায়। এবারে বাংলা পায় একটি লড়াই এর চেতনা। ভাষার জন্য লড়াই- পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল এই ঘটনার মধ্য দিয়ে আমাদের বাংলা হয়ে ওঠে তেজোদ্দীপ্ত বাংলা। আর, এর মধ্য দিয়ে আরেকটি ঘটনা ঘটে, সেটা হলো বাঙ্গালী জাতিসত্তার উন্মেষ। এই ভাষা আন্দোলনের তাতপর্য এখানেই অনন্য যে, এর মধ্য দিয়ে আমরা পাকিস্তানী ধর্মভিত্তিক জাতিসত্তার অন্তসারশূণ্যতা উপলব্ধি করি এবং একই সাথে- আবহমান অবিভক্ত বাংলার যে বাঙ্গালী জাতিসত্তা তার সাথেও একটা সীমারেখা তৈরি হয়ে যায় আমাদের এই ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে জন্ম নেয়া বাঙ্গালী জাতিসত্তার। ফলে, স্বভাবতই এই বাঙ্গালী জাতীয়তাবোধের সাথে আছে লড়াইয়ের তেজ, আছে অসাম্প্রদায়িকতার চেতনা এবং ভাষার সাথে গাটছাড়া এক সম্পর্ক।

এদিকে ভাষার লড়াইয়ে হেরে গিয়ে শাসক গোষ্ঠী শুরু করে দেয় সাংস্কৃতিক দমন, পীড়ন, নির্যাতন। অন্যান্য অর্থনৈতিক শোষণের সাথে সমান তালে এসবও চলতে থাকে। ফলে, একে কেন্দ্র করে লড়াইও চলতে থাকে সমান তালে। সবচেয়ে বেশী আক্রমণ আসে, রবীন্দ্র চর্চার উপর। কেননা, আগেই বলেছি- রবীন্দ্রনাথকে বাদ দিলে বাঙ্গালিত্বের আর কিছু থাকে। খুঁজে-ফিরে আমদানি করা হয় মুসলমান কবি-সাহিত্যিককে। এককালের কাফের উপাধী পাওয়া নজরুলকে মুখোমুখি করাতে চাইলো রবীন্দ্রনাথের। আমরা দুজনকেই আকড়ে ধরলাম, কাউকে কারো প্রতিদ্বন্দ্বী হিসাবে নয়, দুজনকেই পরম বন্ধু হিসাবে। ফলে, আমরা প্রতিবাদী জলসায় কারার ঐ লৌহ কপাট এর সাথে সাথে আমার সোনার বাংলাও গাইলাম।

তারপর তো, সবই ইতিহাস। রবীন্দ্র জন্ম শতবার্ষিকী। রবীন্দ্র চর্চার উপর নিষেধাজ্ঞা- জন্ম শতবার্ষিকী উদযাপনে বাঁধা, আর অন্যদিকে তার বিরুদ্ধে লড়াই- এবং রবীন্দ্রনাথের আমার সোনার বাংলাকে আমাদের জাতীয় সঙ্গীতের মর্যাদায় অভিষিক্ত করা।

এভাবে শাসক গোষ্ঠী রবীন্দ্রনাথকে যতই আমাদের কাছ থেকে দূরে সরাতে চেয়েছে- ততই রবীন্দ্রনাথ হয়ে গেছেন বাঙ্গালী চেতনারই অংশ-বিশেষ।

বাংলা ভাষা, রবীন্দ্রনাথ, জাতীয় সঙ্গীতের বিরোধীতা একই সূত্রে গ্রোথিতঃ
বাংলা ভাষা, রবীন্দ্রনাথ ও জাতীয় সঙ্গীতের বিরোধীতার মূলে আছে- সাম্প্রদায়িকতা, উপরের আলোচনায় তা নিশ্চয় এতক্ষণে পরিস্কার হয়েছে। ত্রিভুজ সেনাপতি আশরাফও তার এক পোস্টে এরকম একটি কথা লিখেছিলেন যে, রবীন্দ্রনাথ নিজে ব্রাহ্ম হলেও তিনি হিন্দুত্ববাদের প্রচার করে গেছেন!!!

ত্রিভুজ গোত্রীয়রা আজ যেসব যুক্তি(!!) করছে- একই কথা পশ্চিম পাকিস্তানী শাসক গোষ্ঠী আমাদের এখানে প্রচারের চেস্টা চালাতো। তাদের হয়ে এ প্রচারকার্যের মূল দায়িত্ব পালন করতো এখানকার রাজাকার ও মুসলিম লীগের দালালরা। তবে মজার ব্যাপার হচ্ছে এই যে, সে সময়ে চেতনার জায়গা বা লেভেলটা এমন জায়গায় ছিল যে, যখনই কেউ রবীন্দ্রনাথ বা হিন্দুত্ব নিয়ে কথা বলতে আসত- সাথে সাথেই তাকে দালাল হিসাবে প্রতিরোধ করতো। ফলে, রবীন্দ্রনাথ নিয়ে কোন চক্রান্তই হালে পানি পায়নি।

আজও, দালালরা, মানে রাজাকার-রাজাকারপুত্র-নব্যরাজাকাররা একই ধরণের যুক্তি করতে চায়- জাতীয় সঙ্গীত পাল্টানোর কথা বলে - এর মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা যার অপরনাম বাঙ্গালিত্বের চেতনার মূল যে চেতনা সেই অসাম্প্রদায়িক সেক্যুলার চেতনাকে আঘাত করা।

আরেকটি চমতকার(!) যুক্তি আজকাল প্রায়ই শোনা যায়ঃ এই জাতীয় সঙ্গীত আমাদের বাংলাদেশকে ধারণ করে না; বা আরো ভালো কোন সঙ্গীত যদি বাংলাদেশকে ধারণ করতে পারে তবে- সেটিকে জাতীয় সঙ্গীত করা উচিত। আজ জাতীয় সঙ্গীতকে কেন্দ্র যিনিই কথা বলছেন- বুঝতে হবে চিন্তায়-মানসিকতায় সকলেই 'একই গোয়ালের গরু' প্রকৃতির। সেদিনের মত আজও তাদের দালাল-রাজাকার হিসাবে প্রতিরোধই কাম্য।
আর, বাংলাদেশকে ধারন করা প্রসঙ্গে আমার বক্তব্য হলো- এই গানের মত বাংলাদেশকে ধারণ করে, আমাদের ইমোশনকে ধারণ করতে পারে আর একটি গানও আমি কোনদিন শুনিনি। এমনকি অন্য যেকটি দেশের জাতীয় সঙ্গীতের ইংরেজী অনুবাদ পড়েছি- সেগুলোকেও আমাদের জাতীয় সঙ্গীতের তুলনায় কিছুই মনে হয়নি- কেননা আমাদেরটি একই সাথে দেশকে ও দেশের প্রতি আবেগকে তুলে ধরে। আর, যদি এই গানটির কথায়-সুরে তা এমন মাটিছোয়া-হৃদয়গ্রাহী না-ও হতো, তারপরেও এই গানটিকেই জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে রাখতে হবে এ কারণে যে, এর সাথে একটি ইতিহাস আছে, তাকে ছাপিয়ে আছে একটি চেতনা- যে চেতনাটি হলো অসাম্প্রদায়িক-সেক্যুলার বাংলার চেতনা।সকলকে ধন্যবাদ

 

 

  • ৫৭ টি মন্তব্য
  • ৮৫৫ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ২০ জনের ভাল লেগেছে, ১২ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:২৮
comment by: নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
সুশান্তের একটি পোস্ট এই মাত্র দেখলাম। চমতকার রেফারেন্স সহ দেখিয়ে দিয়েছেন- রবীন্দ্রনাথ কোন গড়ের মাঠেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেন নি।

সুশান্তকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।


ওদের প্রধান অস্ত্রই তো মিথ্যাচার ও বিভ্রান্তির ধোঁয়াজাল।
২. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:২৮
comment by: শয়তান বলেছেন: চলুক +++++
৩. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:২৮
comment by: অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: View this link এটা পড়ুন
৪. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:২৯
comment by: সু-শান্ত বলেছেন: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করে কলকাতায় আয়োজিত সমাবেশের সভাপতিত্ব করেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর#
এটা নিয়ে আমি একটা পোস্ট দিয়েছি। যাবতীয় উত্তর পাবেন আশা রাখি। Click This Link

৫. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:৩০
comment by: মাথামোটা বলেছেন:
আজি ঠান্ডা বেশ বেশী পড়িয়াছে,
ছাগু ুটকি অত্যন্ত চুলকাইতেছে।
কেহ এর বিরাম করে না তায়,
ছাগু জোরে জোরে চেচায়।

হয়েছে যে তার পাচড়া,
চিরুনি দিয়ে ধরে আচড়া।
যদি না হয় তবু শান্ত
লোহার দন্ড আন তো।

হায়, তলদেশের জ্বলুনী
যদি না থামাতে পারিস আজি,
রবীদার কবিতা সে বুঝিবেই
ছাগু তাই ধরেছে বাজী।আজি ঠান্ডা বেশ বেশী পড়িয়াছে,
ছাগু ুটকি অত্যন্ত চুলকাইতেছে।
কেহ এর বিরাম করে না তায়,
ছাগু জোরে জোরে চেচায়।

হয়েছে যে তার পাচড়া,
চিরুনি দিয়ে ধরে আচড়া।
যদি না হয় তবু শান্ত
লোহার দন্ড আন তো।

হায়, তলদেশের জ্বলুনী
যদি না থামাতে পারিস আজি,
রবীদার কবিতা সে বুঝিবেই
ছাগু তাই ধরেছে বাজী।
৬. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:৩০
comment by: নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
এই পোস্টেই এডিট করে করে অসমাপ্ত অংশ সমাপ্ত করার চেস্টা করবো,
এবং সমাপ্ত হলে- মন্তব্যে জানান দিবো।
৭. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:৩৯
comment by: আউটসাইডার বলেছেন: সাহিত্য কে সাহিত্যিক এর ব্যক্তিগত জীবনের সাথে মিলানো কি ঠিক? একজন রবীন্দরনাথ কখনোই এতো সংকীণ' কিছু চিন্তা করবেন না যে তাঁকে বাংলাদেশের চেতনাবিরোধী বলা সম্ভব হবে। রবীন্দ্রনাথ কে নিয়ে খামোখাই কিছু লোক এর কলহে লিপ্ত হওয়া অবশ্য নতুন নয়। লেখক বা কবির পরিচয় তাঁর সাহিত্যকমে'র মাধ্যমেই হওয়া বান্চনীয় বলেই মনে করি। ব্যাক্তির অনেক চিন্তার প্রতিফলন হয়তো তাঁর সাহিত্যকমে' পড়বে, কিন্তু রবি ঠাকুরের লেখনীতে কি আমরা সেরকম কোন কিছু পেয়েছি কখনো যার মাধ্যমে আমরা বলবো যে রবিঠাকুর বাংলাদেশের চেতনা বিরোধী?
৮. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:৪১
comment by: জামাল ভাস্কর বলেছেন: রবীন্দ্রনাথ সম্পর্কে লেখাটা ভালো লাগলো...প্রতিষ্ঠার আগে তিনি ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় বিরোধী আন্দোলনে সায় দিলেও ১৯২৬'এই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসছেন...তখন তার বয়স ষাটোর্দ্ধ হইলেও চিন্তা কাঠামো নিয়া যেইরম flexible ছিলেন সেইটা প্রশংসনীয়। যেই কারনে রবীন্দ্রনাথ একটা সময়রে একদম একা প্রতিনিধিত্ব করতে পারছিলেন...ঐ সময়ে ভারতবর্ষের রাজনৈতিক আর সামাজিক প্রেক্ষিত বিবেচনা করলে তার চরিত্রের প্রগতিশীলতাটারে টের পাওন যায়।
৯. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:৫০
comment by: ষড়যন্ত্রকারীদের জম বলেছেন: আমাদের জাতীয় সঙ্গীতে বাংলা আছে,বাংলাদেশ নাই ।

আর এই বাংলা তৎকালীন বিট্রিশ বাংলা ।

বঙ্গভঙ্গের বিরহে রবীন্দ্রনাথ এই গান লিখেছিলেন , তাই এর সুরটা বিরহের,বিচ্ছেদের ।

কিন্তু জাতীয় সঙ্গীত হওয়া উচিত উদ্দীপনার,শরীরে শিহরণ আনয়নকারী।

স্কুলে দেখেছি ছেলে মেয়েরা জাতীয় সঙ্গীত গায় ঝিমাইতে ঝিমাইতে।আমরাই গাইতাম একই রকম।

তাই আমাদের জাতীয় সঙ্গীত পরিবর্তন করা দরকার ।


পূথিবীর অনেক দেশেই জাতীয় সঙ্গীত পরিবর্তন হয়েছে ,যেমন রাশিয়া ।


আমাদের দেশে জাতীয় সঙ্গীত পরিবর্তন হলে বাংলাদেশ হারাইয়া যাবে না ।



একান্তই ব্যক্তিগত মত,যখন দেশের বেশীর ভাগ মানুষ আমার মত করে দেখবে তখনই হয়ত পরিবর্তন হবে।
১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২৬

লেখক বলেছেন:
মা'শায়াল্লাহ !!
জব্বর বলেছেন!!!!!!!!!!!

১০. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:৩৭
comment by: নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
এই অংশ এডিট করা হয়েছে।

বাংলা ভাষা, বাঙ্গালি সংষ্কৃতি ও রবীন্দ্রনাথঃ


বাকিটিও ধীরে ধীরে করবো।
১১. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:৫০
comment by: সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন:



গুড পোস্ট

রবীন্দ্রনাথের অবদান অতুলনীয়।

জাতীয় সঙ্গীত পরিবর্তনের ব্যাপারটি তর্ক সাপেক্ষ। ম্যান্ডেটরী হতে পারে। বাংলাদেশকে পরিপূর্ণভাবে ধারন করে এমন সঙ্গীত জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গ্রহন করা যেতে পারে।
১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৬

লেখক বলেছেন:
বাংলা ভাষা, রবীন্দ্রনাথ, জাতীয় সঙ্গীতের বিরোধীতা একই সূত্রে গ্রোথিত

১২. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:৫২
comment by: হলদে ডানা বলেছেন: মাঝখানের একটি বিষয় নিয়ে কথা বলি-

বঙ্গভঙ্গ হলে কলকাতার বাবুদের কি ক্ষতি হতো? তারা বিরোধিতা করলেন কেন? এখানে তো একপক্ষীয়ভাবে পূর্ববঙ্গীয়দের লাভ হতো।

এর সাথে মাওয়া-পাটুরিয়ার তুলনা দেয়াটা কি প্রাসঙ্গিক হলো?
১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৩

লেখক বলেছেন:
বঙ্গভঙ্গের বিষয়টিতে ১ নং পয়েন্টে আলোচনা করা হয়েছে। আবার দেখেন। কার কিসে লাভ হতো সেখানেই পাবেন।

মাওয়া-পাটুরিয়ার তুলনা- ২ নং পয়েন্টে- তা রবীন্দ্রনাথের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা নিয়ে করা মিথ্যাচারকে সত্য ধরলেও যে সেটি ওনার বাংলাদেশ চেতনার বিরোধী হওয়া প্রমানিত হয় না- তা বুঝাতে করা হয়েছে।

১৩. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:০৫
comment by: আশরাফ রহমান বলেছেন: কোলকাতা গড়ের মাঠে রবীন্দ্রনাথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন-এটা প্রমাণিত সত্য। এবারে একটি পোষ্ট দেয়ার কথা ভাবছি।
১৪. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:০৯
comment by: অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: এ ব্যাপারে যে পোস্ট দেয়া হইছে সেইটা আগে ভাঙ্গেন
১৫. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:১০
comment by: অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন:



গুড পোস্ট

রবীন্দ্রনাথের অবদান অতুলনীয়।

জাতীয় সঙ্গীত পরিবর্তনের ব্যাপারটি তর্ক সাপেক্ষ। ম্যান্ডেটরী হতে পারে। বাংলাদেশকে পরিপূর্ণভাবে ধারন করে এমন সঙ্গীত জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গ্রহন করা যেতে পারে
...............................

আপনারে আর কি যে বলবো
১৬. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:১৩
comment by: অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: সারওয়ার ভাই একটা জাতীয় সঙ্গীত লেখেন, জামাতে ইসলামী থেকে বরাদ্দের ব্যবস্থা আমরা করে দেবো, নয়তো চাদা তুলে অনুদান দেবো। আপনার স্ট্যান্স আমার ডুবিয়াস মনে হ্‌ইতেছিল বরাবর। মনরে প্রবোধ দিতাম জামাতি এক ললনার ছিনানীর ছলনায় মোহগ্রস্থ হইয়া আপনার এই ভিমরতি। এখন দেখতাছি না, এইটাই আপনার বেসিক। আপনার সঙ্গে আর আলোচনা নাই
১৭. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:২৭
comment by: সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন:


অমি রহমান পিয়াল ভাই,
ব্লগে যারা আমার অহেতুক বিরোধিতা করেন বলে মনে হয়, তাদের মধ্য থেকে আপনাকে আমি আসলে আলাদাভাবে দেখি। কারণ আপনি কখনো গালিবাজদের কাতারে গেলেও আপনার মৌলিক লেখার ক্ষমতা আছে।
আমি কারো প্রতি অন্ধ বিরোধ পুষে রাখি না। জামাতি রাজনীতিকে আমি মোটেই পছন্দ করি না। তবে কখনো আমার কোন চিন্তার সাথে জামাতি কারো চিন্তার মিলে যাওয়াটাকে যদি বলেন আমি জামাতি এটা আমার জন্য পীড়াদায়ক।
রবীন্দ্রনাথের প্রতি আমার পূর্ণ শ্রদ্ধা রেখেই বলতে চাই, বর্তমান জাতীয় সঙ্গীতটির চাইতে যদি দেখি অমি রহমান পিয়ালের লেখা দেশাত্মবোধক একটি গান বাংলাদেশকে আরো গভীর আরো উজ্জল আরো সমুন্নত করছে, তাহলে আমি মত দিবো পিয়ালের গানটি জাতীয় সঙ্গীত করা হোক।
ভিন্নমত পোষণ করলেই জামাতি তকমা লাগিয়ে দিবেন না প্লিজ। আর শান্তি প্রক্রিয়া নিয়ে যারা কাজ করেন তাদেরকে আপাতদৃষ্টিতে ডিউবিয়াস মনে হয়। আসলে কিন্তু তা না।
১৮. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৬
comment by: অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: একটা কথা কই সারওয়ার চৌধুরী। চেতনার ব্যাপারটা অনেকখানি আবেগপ্রসুত মানেন? এখানে যুক্তির কোনো স্থান নাই। যুক্তি দিয়া আমারে নাস্তিকরা বুঝাইতে পারবে আল্লাহ নাই, কিন্তু আমার আবেগ দিয়া আমি বিশ্বাস করবো তিনি আছেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় অনেক আবেগ নিয়াই আমরা এই গানটারে জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে বরণ করছি, তারে বর্জন মানে সেই চেতনারে বিসর্জন। আমার বাবার একটা শার্ট আমি এখনো গায়ে দিই, পুরানো হওয়ার পরও দিই, কারণ এতে তার গন্ধ আছে মনে হয়। তার অনেক স্মৃতি মনে করায় এই শার্ট। একটা সুন্দর শার্ট তো পাওয়াই যায়, আমি আমার স্মৃতি বিসর্জন দেব?
১৯. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:৪২
comment by: অচেনা বাঙালি বলেছেন: ষুছিল সারওয়ার আর ছাগা ত্রিভুজের মধ্যে পার্থক্য দেখতেছিনা।
২০. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৩
comment by: মনিটর বলেছেন: নামের শেষে চৌধুরী যুক্ত ধোপাদীঘির পাড়ের এ সম্পাদক প্রাণীটি তার ব্লগ জীবনের প্রথম দিকে প্রচন্ড জামাত ঘেঁষা ছিল। ফটোশপে এডিট করা ছবি না, তার কমেন্ট ফলো করেই এমন কথা বলছি। বিভিন্ন বার তাকে ধরা হয়েছিল, কোটেশন বলে কেটে পড়তো এই মহান 'থেরাপিস্ট'।
ধীরে ধীরে ভাও পাল্টানোর চেষ্টা করলেও এই বৃটিশ একসেন্টে ইংরেজি বলা মানুষটির প্রতি ধারণা পাল্টায় নাই। এমন কি তার ' ইসলামিক দৃষ্টিভঙ্গিঃ জাতীয়তা এবং জাতির পিতা প্রসঙ্গ" পোস্টে পোস্টে বলেছিলাম - "সরওয়ারচৌধুরীর আগের ব্লগাচরণের সাথে এ পোস্টের কনটেন্ট খুব বেমানান। ফারহান দাউদের ছদ্মবেশের কথা অনেকেরই মনে থাকবে। কারণ, জামাতীরা আগেও ভন্ড ছিলো, এখনো আছে, ভবিষ্যতেও থাকবে। আর কিছু বলার নাই।"

আজ আবার নিশ্চিত হলাম। ঝিলের মাঝে 'শাপলা'রূপী হয়ে যতই 'মুনশী'য়ানা দেখাক না কেনো, সারওয়ারচৌধুরীর মূল অবস্থান জামাতের শুঁড়িখানায়। ফরহাদ মজহারীয় তরিকায় ভাব ধরার ব্যর্থ চেষ্টা তার দেশে গিয়ে প্রচন্ড গরমে সুট টাই পরে আজিজ মার্কেটে ঘোরার মতো হাস্যকর।
২১. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৯
comment by: হলদে ডানা বলেছেন: "রবীন্দ্রনাথের প্রতি আমার পূর্ণ শ্রদ্ধা রেখেই বলতে চাই, বর্তমান জাতীয় সঙ্গীতটির চাইতে যদি দেখি অমি রহমান পিয়ালের লেখা দেশাত্মবোধক একটি গান বাংলাদেশকে আরো গভীর আরো উজ্জল আরো সমুন্নত করছে, তাহলে আমি মত দিবো পিয়ালের গানটি জাতীয় সঙ্গীত করা হোক।"

সম্পূর্ণ একমত। পিয়ালের বক্তব্য তার নিজের জন্য আবেগ প্রসুত হতে পারে তাই বলে সকলের আবেগের প্রতিনিধিত্ব করেনা। তার মন্তব্যটি অতি প্রান্তিক বলেই আমার কাছে মনে হয়।
২২. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৭
comment by: সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন:


বাবার শার্টের ব্যাপারটিকে সম্মান করি। ব্যাক্তি পর্যায়ে এই আবেগটুকু সামাজিক মুল্যোবোধের জন্য জরুরী। কিন্তু জাতীয় চেতনাজাত বিভিন্ন বিষয়ে পরিশীলতা আনয়নের সাথে বিশ্ব সভায় আমাদের উন্নততর সংস্কৃতিবোধের চেতনার প্রসঙ্গটিও জড়িত।
বর্তমান জাতীয় সঙ্গীত আমার কাছে অগ্রহনযোগ্য নয়।
যে কোন পরিবর্তন পরিশীলন পরিবর্ধনের দিকে যাওয়াটা সময়ের এক অপ্রিয় বাস্তবতা। সেই বাস্তবতার সিঁড়িতে পা রাখে পৃথিবীর সকল জাতি গোষ্ঠী।
আর জাতীয় সংগীতের পরিবর্তন করলেই চেতনা বিসর্জন হবে কেন? চেতনাকে শাণিত করার জন্যই পরিশীলন পরিবর্তনের কথা আসতে পারে। এখানে আপনার সাথে একমত হতে পারলাম না।@ অমি রহমান পিয়াল
১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:১৯

লেখক বলেছেন:
দেখুন, আপনার বক্তব্য আসলে কোনটি???
একবার বলছেন- জাতীয় সঙ্গীত পরিবর্তনের ব্যাপারটি তর্ক সাপেক্ষ। .....বাংলাদেশকে পরিপূর্ণভাবে ধারন করে এমন সঙ্গীত জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গ্রহন করা যেতে পারে,

আবার এখানে বললেন,
বর্তমান জাতীয় সঙ্গীত আমার কাছে অগ্রহনযোগ্য নয়।

এক ধরণের বক্তব্য প্রদান করুন, আপনার অবস্থান পরিস্কার করুন।

জানেন, কারা এই জাতীয় সঙ্গীত পরিবর্তনের দাবি তুলছে?
কেন এই দাবি তুলছে??

যাহোক, যেসময় এই কমেন্ট করেছিলেন- তখন আমার পোস্ট অসম্পূর্ণ ছিল। আশা করি এখন পুরো পোস্টের পরিপ্রেক্ষিতে আপনার বক্তব্য পরিস্কার করবেন।

আর, একটি প্রশ্ন।
এখন যদি- জাতীয় সঙ্গীতকে অগ্রহণযোগ্যই মনে না হয়- তবে তা পরিবর্তনের প্রসঙ্গ তুলার অর্থ কি????

২৩. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:০২
comment by: অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: সেটাই তো বললাম আগে। চেতনায় গলদ থাকলে এ ধরণের কথা ভাবতেই পারে যে কেউ। আমার চেতনার পরিবর্তন, পরিবর্ধন আর পরিমার্জনায় আমি নাই। স্যরি সারওয়ার চৌধুরী আপনার সঙ্গে আমি আর আলোচনা করতে রাজী না, কিছু ব্যাপারে আমি উগ্রপন্থী বলতে পারেন। ত্রিভুজের সঙ্গে যার মননের মিল, তার সঙ্গে আলোচনা করতে আমার অপমান বোধ জন্মায়
২৪. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:১৯
comment by: দ্বিতীয়নাম বলেছেন: অমি রহমান পিয়াল: ত্রিভুজের সঙ্গে যার মননের মিল, তার সঙ্গে আলোচনা করতে আমার অপমান বোধ জন্মায়

তাইলে, শাপলা তরকারী বাদ দিয়া গোলাপরে জাতীয় ফুল, আর ....
২৫. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:২১
comment by: মনিটর বলেছেন: হ গোলাপ জাতীয় ফুল, ছাগল জাতীয় প্রাণী, উর্দু জাতীয় ভাষা,
২৬. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:২৬
comment by: দিগন্ত বলেছেন: "রবীন্দ্রনাথের প্রতি আমার পূর্ণ শ্রদ্ধা রেখেই বলতে চাই, বর্তমান জাতীয় সঙ্গীতটির চাইতে যদি দেখি অমি রহমান পিয়ালের লেখা দেশাত্মবোধক একটি গান বাংলাদেশকে আরো গভীর আরো উজ্জল আরো সমুন্নত করছে, তাহলে আমি মত দিবো পিয়ালের গানটি জাতীয় সঙ্গীত করা হোক।"
- এটার সাথে একমত নই। যদি তার এক মাস পরে অমি রহমান পিয়াল যদি আরো একটি গান লেখেন যেটি আরো বেশী দেশাত্মবোধক তাহলে আবার জাতীয় সঙ্গীত পরিবর্তন হবে। আর তার ২ বছর পরে আবার কেউ লিখলে সেটা ... চলতেই থাকবে। যুক্তিগত ভাবে আপনি কি সেটাই চাইছেন?
অন্যান্য যে যে দেশের জাতীয় সঙ্গীত পরিবর্তন হয়েছে তাদের প্রত্যেকের ক্ষেত্রে কি কি অবস্থায় আর কাদের মত নিয়ে পরিবর্তন হয়েছিল জানার ইচ্ছা রইল। রাশিয়ার জাতীয় সঙ্গীত পরিবর্তন হয় নি, সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙ্গে রাশিয়া তৈরী হবার সময় আলাদা জাতীয় সঙ্গীত গ্রহণ করা হয়েছিল মাত্র।
১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২৩

লেখক বলেছেন:
একমত

২৭. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩১
comment by: নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
পুরো লেখাটি সম্পূর্ণ করলাম।

অবশ্য প্রতিবারেই একটি করে পোস্ট আকারে দিয়েছি জানান দেয়ার জন্য। সেগুলো দুয়েকদিনের মধ্যেই মুছে ফেলবো।


আর, শরীরটা একটু অসুস্থ থাকায়- ভালো করে স্টাডিও করতে পারিনি- রেফারেন্সও উল্লেখ করতে পারলাম না (হুমায়ুন আজাদের লাল নীল দীপাবলী ব্যতিত)।
তথ্যগত কোন ভুল-ত্রুটি পেলে- ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। এবং অনুগ্রহ করে, শুধরিয়ে দিয়ে বাধিত করবেন।
তবে বিশ্লষণের ক্ষেত্রে কোন দ্বিমত থাকলে যুক্তি-কারণ সহ খণ্ডন কাম্য।
২৮. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৮:০৯
comment by: শান্ত বলেছেন: বক্তব্যে কোন শক্তিশালী কোন তথ্য পেলামনা ।
২১ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:২১

লেখক বলেছেন:
পাওয়ার কথাও নয়!!!!!!
সব পাবেন আলা মওদুদীর বই এ।

২৯. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৮:৫৮
comment by: মুকুল বলেছেন:
গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট। +
৩০. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:১৪
comment by: নরাধম বলেছেন: সুন্দর পোস্ট।
৩১. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৪৮
comment by: হমপগ্র বলেছেন: নাস্তিকের ধর্মকথা

আপনার কাছে প্রথমেই কর জোরে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি, যখন আমাকে আপনি পড়তে বলেছিলেন, ঠিক সেই সময়টা একটা ব্যাস্ততা বশত পড়া হয়নি। কিন্তু এখন পড়তে এসে চোখ ফেরাতে পারছিলাম না। এক ধারছে পড়েই গেলাম। একটা কথা বার বার মনে হচ্ছিলো, এই মাটি রবীন্দ্রনাথের জন্মে দেয়, শেখ মুজিবের জন্ম দেয়। আপনি এত রেফারেন্স এনে, এত বিষদ এবং এত সুন্দর যুক্তি দিয়েছেন, আসলেও মনে হয় মুজিব বা রবীন্দ্রনাথ এখানে জন্মায় ভুল করেন নি। আমি বুঝলাম না কোন যুক্তিতে আপনার পোস্টটি কার ভাল না লাগতে পারে? আপনি কোথাও ফাঁক রাখেননি এতটুকু। আমি অনেক কিছু শিখেছি, অনেক কিছু জেনেছি। সামহোয়ারে আসাটা পানিতে ফেলনা নয় আর।
আপনাকে কোথাও এতটুকু আন্ডার-এস্টিমেট করে থাকলে আমি ক্ষমা প্রার্থী। কারণ আন্ডার-এস্টিমেট করা তো আমাদের স্বভাব। করেও থাকতে পারি পূর্বে।

(সম্মানিত পাঠকবৃন্দের জন্যঃ রবি ঠাকুর ঐ পারে জন্মালেও আমি এই সেন্সে এই মাটিতে বলেছি, যে তিনি বাঙ্গালি, আবার ভাববেন না আমি এইটাই জানি না রবি ঠাকুরের জন্ম কোথায়।)
৩২. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:৩৮
comment by: সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন:

নাস্তিকের ধর্মকতা
ব্লগে একটা কথা উঠেছে দেখে আলোচনায় অংশ নেয়া মাত্র। আমি আমার মত প্রকাশ করেছি শুধু এইজন্য যে জাতীয় সংগীতটিতে বাংলাদেশ শব্দটি নেই। এটা নিয়ে কেউ রাজনীতি করলে আমি তার সাথে নেই।

আর দিগন্ত যে বললেন, বারবার বদল করতে হবে কেন? আমাদের চেতনাবোধকে ধারণ এবং সামগ্রিক পরিচয় তুলে ধরে এমন হলেই হয়। সেটা লাস্ট ফর লং হতে পারে।
১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:২০

লেখক বলেছেন:
তাহলে এটাই আপনার বক্তব্য যে,
আমাদের জাতীয় সঙ্গীতটিতে বাংলাদেশ শব্দটি নেই বলে এটিকে পরিবর্তন করা যাবে।
দিগন্তের কথার উত্তরে যেটা বললেন- সে পরিপ্রেক্ষিতে একটা প্রশ্ন করি- আপনার কি মনে হয়, আমার সোনার বাংলা গানটি আমাদের চেতনাবোধকে ধারণ করতে পারে না বা সামগ্রিক পরিচয় তুলে ধরে না????

আপনি আমার এই পোস্টের শেষ দুটি পরিচ্ছেদ অনুগ্রহ করে আরেকবার পড়েন। আপনার অবস্থান জানতে চাচ্ছি।

আপনার অবস্থান যথেস্ট কনফিউজিং। জেরা করলে বলেন- আপনার কাছে অগ্রহণযোগ্য নয় আমাদের জাতীয় সঙ্গীত, আপনার অবস্থান জানতে চাইলে বলেন- এ গানটিতে বাংলাদেশ শব্দ নেই, যুক্তি দেয়া আরম্ভ করলে- বলেন আমি আসলে আমার বক্তব্য বলিনি, জাস্ট জানার চেস্টা করছি- আপনাকে রাজাকার বললে- গালির বিরুদ্ধে লম্বা লম্বা লেকচার দেন- সমস্ত সুশীলদের নিয়ে বিশাল একটা হইহই রব তুলে ফেলেন!!!!!!!!

৩৩. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:০৯
comment by: জামাল ভাস্কর বলেছেন: পোস্ট অনেক প্রয়োজনীয় আর সুলিখিত হইছে...
৩৪. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:০৬
comment by: দ্বিতীয়নাম বলেছেন: হ..
৩৫. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৮
comment by: অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: শোকেসে এড করলাম
৩৬. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:১০
comment by: নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
অন্য পোস্টগুলো মুছে ফেললাম-

ঐ পোস্টের মন্তব্যসমূহ এখানে দিচ্ছি-


ত্রিভুজ বলেছেন:

সেই বাঙ্গালী জাতিয়তাবোধ নিয়ে আমার কিছু বলার ছিলো... অফিসের কাজের চাপে আপাতত কিছু বলা যাচ্ছে না... রাতে দেখা হবে.. তবে ছোট একটা পোস্ট দিয়ে যাচ্ছি.. পড়ে নিবেন... (সবকিছু মিলিয়েই)

৩৭. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:১৪
comment by: নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
ত্রিভুজ বলেছেন:

উপস... আপনার একটা মন্তব্য পড়লাম এই মাত্র... লিখেছেন-
=============
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
সুশান্তের একটি পোস্ট এই মাত্র দেখলাম। চমতকার রেফারেন্স সহ দেখিয়ে দিয়েছেন- রবীন্দ্রনাথ কোন গড়ের মাঠেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেন নি।

সুশান্তকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।


ওদের প্রধান অস্ত্রই তো মিথ্যাচার ও বিভ্রান্তির ধোঁয়াজাল।
===============


আপনার জানার দৌড় বুঝতে পেরে আপনার সাথে আর সময় নষ্ট করার ইচ্ছে রইলো না।


ভাল থাকুন :=)
৩৮. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:২২
comment by: নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:

একদম ভিনটেজ রামছাগু


অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:

ছাগু এখন বাঙালী আর বাংলাদেশী নিয়া ফেনাবে। সেই পোস্ট বিনোদনের জন্য দারুন হইবে গ্যারান্টিড
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন


লেখক বলেছেন:

অমি ভাই,
ওনার ফেনানোর ইচ্ছা ছিল।
কিন্তু আমার জানার দৌঁড় বুঝে ফেলেছেন উনি।


ফলে, বিনোদন থেকে বঞ্চিত হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা দেখছি।
৩৯. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:২৬
comment by: নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
সাঈফ শেরিফ বলেছেন:

"রাগিব বলেছেন :
২০০৭-০৭-১৫ ১৬:০৯:১৯
আমার এক সময়ের পাকিস্তানী রুমমেটকে আমরা বাকি দুই বাঙালি রুমমেট বিশাল সবক দিয়েছিলাম।
তবে, ভারতীয়রা মোটেও কম যায় না এই ক্ষেত্রে। এর মধ্যে ভারতীয় অনেক বাঙালির মনোভাব দেখলে দুঃখ পাই। অর্কুটে পশ্চিমবঙ্গের এক বাঙালি "দি থিঙ্কিং বেঙ্গালি" নামের গ্রুপ খ