আমার প্রিয় পোস্ট

কোরআনের চ্যালেঞ্জঃ যেখানে সব্বাই ফেল মারছে!!!- ১

২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১:২৮

শেয়ারঃ
0 0 0

আজকাল ইসলাম নিয়ে দু'চারপাতা পড়ে বড় বড় কথা বলতে গেলে, এমনকি কোরআন নিয়েও যত্ত সব আলতু ফালতু প্যাচাল পাড়তে গিয়ে, বিশ্বাসীদের কাছ থেকে প্রায়শই এক বিশেষ ধরণের চ্যালেঞ্জের কথা শোনা যায়।

এই তো সেদিন সন্ধাবাতি আমার এক পোস্টে আমাকে বললেন,
"এক কাজ করুন, কুরআনের চ্যালেঞ্জটা নিয়ে ফেলুন... কুরআনের মত শক্তিশালী একটা বই লিখে ফেলুন... যেই বই পড়ে ১৪০০ বছর পরে পৃথিবীর এক চতুর্থত মানুষ সেই বইকে মাথায় তুলে রাখবে... আর তার মধ্যে বড় একটা অংশ সেই বই ঠাঠা মুখস্ত করে ফেলবে"।

আর, স্ক্রু লুজ আরেক পোস্টে বললেন,
"আল্লাহ নিজেই চ্যালেঞ্জ করেছেন - পারলে কোরআনের মত কয়েকটা আয়াত লিখো। আর কোরআনকে রক্ষা করা, কোরআনের যাতে শব্দ, দাড়ি কমা, বিন্দু কোন কিছু বাদ দিয়ে বা প্রবেশ করিয়ে কোরআনকে যাতে বিকৃত করা না যেতে পারে সে দায়িত্বও তিনি নিজে নিয়েছেন। ..... মুহাম্মদ স. এর সময়ের গ্রেট গ্রেট কবিরা ফেল করেছে"।

এর আগেও কেউ কেউ আমাকে এ ধরণের চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিলেন, কিন্তু এখন সেসব পোস্টের কথা মনে নেই।

তো আমি মানুষটা চ্যালেঞ্জ নিতে সবসময়ই পছন্দ করি, কিন্তু সমস্যা হলো গিয়ে, এই চ্যালেঞ্জের ধরণটি ঠিক বুঝে উঠতে পারছি না। আমার পোস্টটিতে সন্ধাবাতিকে বুঝিয়ে বলার জন্য সনির্বন্ধ অনুরোধ করলাম, কিন্তু তিনি সে বিষয়ে সম্ভবত তার মূল্যবান সময় নষ্ট করতে উৎসাহী নন।

আসলে আমি ঠিক বুঝে উঠতে পারছি না কি করতে হবে?

যেমন সন্ধাবাতি বলেছেন, কোরআনের মত শক্তিশালী বই লিখে ফেলতে। এখন কোরআনকে একটি শক্তিশালী বই হিসাবে মানলে, এরকম শক্তিশালী বই তো এই দুনিয়ায় কম নেই। প্রাচীণ আমল থেকে এখন পর্যন্ত এমন বহু শক্তিশালী বই দুনিয়ার মানুষ লিখে গিয়েছে। সেই ওডিসি, ইলিয়াড, এখানকার রামায়ন, মহাভারত, এরিস্টটল-প্লেটো-সক্রেটিসের শক্তিশালী বইয়ের কথাও আমরা জানি, রুশো-ভলতেয়ারের শক্তিশালী বই, ডারউইনের বই, বিজ্ঞানের বই, এনসাইক্লৈডিয়া এসব অসংখ্য শক্তিশালী বই তো আছে। এখন তার কোন একটি বইয়ের মত শক্তিশালী বই লেখা মানে কি এটা বুঝাটা একটু কঠিন। ১৪০০ বছর আগের বই মানুষ মাথায় তুলে রাখা দিয়ে কি বুঝাতে চাইলেন বুঝলাম না। এখনও মহাভারত, রামায়নকেও অনেকে মাথায় তুলে রাখেন, সেগুলো আরো প্রাচীণ। আমরা আমাদের প্রাচীণ সাহিত্য চর্যাচর্যবিনিশ্চয়কেও মাথায় তুলে রাখতে চাই। জিনিসটা ক্লিয়ার না।

আবার, স্ক্রুলুজ যে কথাটা বললেন, আল্লাহ নাকি স্বয়ং দায়িত্ব নিয়েছেন যাতে কেউ শব্দ, দাড়ি কমা, বিন্দু কোন কিছু বাদ দিয়ে বা প্রবেশ করিয়ে কোরআনকে বিকৃত করতে না পারে। এটিও ঠিক বুঝতে পারছি না। এই চ্যালেঞ্জ মানে কি কোরআনকে কেউ বিকৃত করতে পারবে এটা যদি মিন করেন, তবে সেটা তো নেয়া যেতেই পারে, কোরআনের যেকোন আয়াতে শব্দ, দাড়ি, কমা উল্টা পাল্টা করে দিলেই তো বিকৃত করা হয়ে গেল, এবং এমন বিকৃত তো অহরহই হয় (মাদ্রাসায় বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোরআনের আয়াত আরবীতে লেখতে গিয়ে ভুলে হয়ে যেতে পারে, বা মুদ্রণের সময় মুদ্রণ প্রমাদের কারণে)। আবার যদি বলেন, ঐটাতো বিকৃত কোরআন হলো, আসল কোরআনের মত গ্রন্থ হলো না! তবে তো বলা যায়, আল্লাহ বা ওনার মত আর কেউ কোন দায়িত্ব গ্রহণ না করার পরেও তো মার্চেন্ট অব ভেনিস, ইউলিসিস, মেঘনাদ বধ কাব্য, বা ধরুন নজরুলের "আমি হব সকাল বেলার পাখি" এই কবিতাটা কেউ বিকৃত করার ক্ষমতা রাখে না। কোন বাচ্চা ছেলেও যদি ভুলে ভুলে তার পরীক্ষার খাতায় ঐ কবিতা লিখতে গিয়ে এমনকি দাঁড়ি কমাও ভুল করে, বিকৃতির দায়ে নাম্বার কাটা পায়।

স্ক্রু লুজের পোস্টে কোরআনের কিছু সুরার (নাস, ফালাক, ফীল ইত্যাদি)কাব্যগুণের প্রশংসা করায় তিনি গদগদ হয়ে ঘোষণা করলেন, এই কোরআনের কাছে না-কি মুহাম্মদ স. এর সময়ের গ্রেট গ্রেট কবিরা ফেল করেছে!! এটাও ঠিক পরিষ্কার নয়। প্রাচীণ ছন্দের যে সমস্ত বৈশিষ্ট্য থাকার কথা সে সমস্ত বৈশিষ্ট্যই আছে এই গ্রন্থের কিছু কবিতায়। কিন্তু আধুনিক যুগে ছন্দের যত বৈচিত্র তার কানাকুড়িও কি এটাতে পাওয়া যায়? অবশ্য সেটা আশাও করিনা। যেমন চর্যাপদের পদ্যগুলোতে বা রামায়নের শ্লোকগুলোতে পয়ার বা চতুর্দশপদী আশা করাটা হাস্যকর।

কিন্তু, আমার চ্যালেঞ্জ গ্রহণের কি হবে??
কেউ কি একটু সাহায্য করবেন....

চলবে

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১:৩৪
কৌশিক বলেছেন: আরবী পুথিপাঠের মজাই আলাদা। সুর করে ছন্দে ছন্দে! ইয়া সিন অল কুরআনুল হাকিম!
২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১:৩৮

লেখক বলেছেন:
খুব মজা......

পরে এইটা নিয়ে একটি পোস্ট দেওনের ইচ্ছা আছে....

২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১:৫৩

লেখক বলেছেন:
যেমন ধরেন,

কুল আউযু বিরাব্বিন্নাস
মালিকান্নাস
ইলাহিন্নাস

মিন শররিল ওয়াসওয়াসিল খান্নাস
আল্লাজি ইয়ুওয়াসইউসু ফি সুদুরিন্নাস
মিনাল জিন্নাতি ওয়ান্নাস

একদম মুখের মধ্যে কেমন একটা ভাব তৈরী করে....
খুব মজা...

২. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১:৩৮
বৃত্ত বলেছেন: তোমাকে বুঝিয়ে আর কি লাভ! আমি মনে করি সন্ধ্যাবাতিও টাইম নষ্ট করেছেন তোমাকে বলতে গিয়ে। আমিও এলাম কিছুটা টাইম নষ্ট করতে।

মাইনাস দিয়ে গেলাম।
২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১:৫৫

লেখক বলেছেন:
সময় নষ্ট করার জন্য কৃতার্থ....

২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১:৫৭

লেখক বলেছেন:
ক্লিক কর্লাম

৪. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১:৪০
বৃত্তবন্দী বলেছেন: আমি নিজেও এ ব্যাপারটা নিয়ে ভাবিত
৫. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১:৪২
সমালোচনাকারী বলেছেন: খোদা কৈসিক্যার মাইডারে একটা কঠিন ব্যামো দাও
৬. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১:৪৫
দ্বিধা বলেছেন: হুম... আচ্ছা এক আমিরুল মোমেনিনের সময় কোরানের যাবার/যের (কিযেন বলে এগুলোকে?) যুক্ত হইছিলো না?...
৭. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১:৪৬
কৌশিক বলেছেন: আমার কুরআন শরীফ ছহি উচ্চারণের সাথে পাঠ করতে ভাল লাগে। সে কথাই তো বললাম!

সমালোচনাকারী, তোমার বাবামা সুস্থ্যে বেঁচে থাকুক অনেক বছর।
৮. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১:৫০
মুহিব বলেছেন: এত বিতর্কের দরকার কি। আমার কাছে যেটা ভাল মনে হয় করব। আমারটা আমার। সেরাটা আমার নাও হতে পারে।
৯. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১:৫০
সমালোচনাকারী বলেছেন: নাস্তিকের পুস্টগুলিতন একটা জিনিস কিলিয়ার, এই আবালীয় পোরোবলেম গুলির সঠিক বেখ্যা না দিতারলে এইদেশে ইসলামে পোরসার সম্ভব না।


নাস্তিক মিয়া আফনের এডডেরস চাইলাম দিলেন না যে? ভারচুয়াল এডডেরেস চাইছি সো ডরের কিছু নাই। আমি রগ কাটি না! কিছু জিনিস জানার জন্য......আফনেরে দরকার.........।
১০. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১:৫৪
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:

১১. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১:৫৫
নতুন বলেছেন: ধম` মানা মানে ... তাল গাছটা "GOD" এর তা মেনে নিয়া চিন্তা শুরু করা....

সকল ধম`ই তাই করে...
২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ২:০৮

লেখক বলেছেন:
সকল ধর্মে গড কই পাইলেন?

১২. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১:৫৬
কৌশিক বলেছেন: অথবা ধরেন

কুলহু আল্লাহু আহাদ
আল্লাহু সামাদ
লাম ইয়ালিদ অলাম ইউলাদ
অলাম ইয়া কুল্লাহু কফুয়ান আহাদ

দেখছেন সবলাইনের শেষে দ আছে। অদ্ভুত সুন্দর!

এই সুরাটা এত ছোট কিন্তু জটিল এর পুন্য।
২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ২:০২

লেখক বলেছেন:
আমার খুব প্রিয় সুরা ছিল, কাউসার....

ইন্না আতাইনা কাল কাউসার
ফাসাল্লি লিরাব্বিকা ওয়ান হার
ইন্না শানিয়াকা হুয়াল আবতার

এইটা দিয়াই যে কত নামাজ চালাইছি.....


খুব মজা।

১৩. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ২:০৬
নতুন বলেছেন: ৩ লাইনের সুরা দিয়া স`ট কাটে নামাজ.... হইবোনা..
২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ২:২০

লেখক বলেছেন:
আপনারে কে বলছে??

১৪. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ২:০৬
সমালোচনাকারী বলেছেন: কৈশিক আমারে বেন মারসোস কেন?
১৫. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ২:০৭
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
কিন্তু সমস্যা হলো, এই চ্যালেঞ্জ নিতেও বলবে, এমনকি কোরআনেও স্বয়ং আল্লাহ চ্যালেঞ্জ নিতে নাকি বলেছেন, অথচ, এখন আমাদের কেউ যদি সে চ্যালেঞ্জ নিয়ে কোন সুরার মত আরেকটি সুরা লেখতে চাই- সাথে সাথে গর্দান চেয়ে ঘোষণা করা হবে......

জনকন্ঠ বালাদিল আমিন এর মানে বলদের আমিন বলে কি এক ফতোয়া সম্পর্কিত প্রবন্ধ ছাপছিল- সাথে সাথে আর যায় কোথা, .....
১৬. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ২:০৮
কৌশিক বলেছেন: আমার সবচেয়ে প্রিয় সুরাটা ভুলে গেছি। সেটার সুর ও বাক্য, শব্দের মধ্যে অন্যরকম দ্যোতনা। ত্রিশ পারার কোন একটা সুরা। ত্রিশ চল্লিশ আয়াত হবে, কি যেন! ফজরের নামাজে এই সুরাটা বেশী পরা হয়। এক অদ্ভুত তন্ময়তা প্রতি ছত্রে ছত্রে।
১৭. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ২:১১
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
তবে যাই বলেন প্রাচীণ আমলের কোবতে গুলোর ছন্দ সব একঘেয়ে টাইপের, একই রকমের..... অবশ্য সেসময় এগুলো মুখস্ত রাখতে হতো বলে এরকম ছন্দের কারণে সুবিধা হতো....


সেদিন এক পোলা শুনাইলো...

ঢাকায় করি বাস
পাদ মারি ঠাস ঠাস

অনেকটা এই রকম.....
১৮. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ২:১৪
কৌশিক বলেছেন: তবে সুরা আররহমানে আল্লাহতায়ালা বারবার একই বাক্য রিপিট করে মহাকাব্যিক হয়ে গেছেন, যা ঠিক আল্লাহর আভিজাত্যের সাথে মিল খায় না। তবে এটা ঠিক মানুষতো আল্লাহরই ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশ মাত্র। সেজন্য ইশ্বরের সবকিছু প্রায় মানুষের মত। বা মানুষের মধ্যে ইশ্বরের গুনাবলী স্পষ্ট।
১৯. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ২:২৩
সমালোচনাকারী বলেছেন:
হে খোদা কৈশিক মামুর মাতায় কিচু চুল গজাইয়া দাও। হেতের বউর বেমো চাওয়াত হেতে আরে বেন মাইচ্চে..........

২০. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ২:৫২
ব্লুজ বলেছেন: এখানে চ্যালেঞ্জের প্রশ্ন আসাটাই ঠিক হয়নি। ধর্ম গ্রন্থ হচ্ছে মানুষের বিশ্বাসের একটি বস্তু যেখান থেকে সে সবই খোঁজার চেষ্টা করে, কারন তার বিশ্বাস এটি একটি ঐশী বানীর একত্রিত রুপ। তার কাছে এই ধারনা আসবেই যে, যেহেতু স্রষ্টা হইতে প্রদত্ত সেহেতু তা অদ্বিতীয়। আর মানুষের বিশ্বাসকে আরো প্রবল করার জন্য গ্রন্থে অবশ্যি থাকতেই পারে যে এটি মনুষ্য রচিত নয় এবং এর অবিকৃতি স্রষ্টাই রক্ষা করবেন। এটি স্রষ্টার এক ধরনের দূর দর্শিতা ও হতে পারে[স্রষ্টাই সর্বজ্ঞ]। কেননা এর ফলে ধর্ম গ্রন্থের উপরে মানুষের সন্দেহ কমে যাবে, বিশ্বাস সুদৃঢ় হবে এবং স্রষ্টা দায়িত্ব নেয়ায় মানুষ নিজেকে ভারমুক্তও মনে করবে। মানুষও সবসময় ধর্ম গ্রন্থের মহিমা খুঁজে বেড়াবে কেননা এর প্রতি তার রয়েছে সুদৃঢ় বিশ্বাস । এ ক্ষেত্রে যে কোন বিকল্পকেই সে অস্বীকার করবে। এ যেন প্রতিটি বাবা মার কাছে তার সন্তান অতুলনীয় অথবা সন্তানের কাছে বাবা মা।
২১. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৩:০৬
ব্লুজ বলেছেন: আমি যখন কোরান শিখছিলাম তখন আমি জানতে পারি কোরানে একটা সংখ্যা তাত্ত্বিক রহস্য আছে। আমি ঠিক মনে করতে পারছিনা। রহস্যটা এমনঃ কোরানে সুরার সংখ্যা ১১৪ যা কিনা ১৯ দ্বারা বিভাজ্য। এই ১৯ সংখ্যাটার একটা ব্যখ্যা আছে, কোরানের অনেক কিছুই (সংখ্যায়) এই ১৯ দ্বারা বিভাজ্য। আপ্নারা খুজে দেখতে পারেন নেটে। যার যা বুঝে নিতে পারেন।

পরিশেষে বলতে চাই এ ধরনের চ্যালেঞ্জ দেয়া মানে হচ্ছে স্রষ্টাকে বিতর্কিত বানানোর জন্যই আহবান করা। স্রষ্টার প্রতি আবেগ শো করতে যেয়ে নিজের, ধর্মের ও স্রষ্টার প্রতি বিশ্বাসের বারোটা বাজানো ছাড়া আর কিছুই নয়। চ্যালেঞ্জ না জানিয়ে বরং স্রষ্টা ধর্ম গ্রন্থে কি বলেছেন তা সবাইকে ব্যখ্যা করাটাই অধিকতর শ্রেয়।
২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৪:১৯

লেখক বলেছেন:
আপনার ১৯ এর থিওরিটি খুব মজার......
এটি নিয়ে মোল্লারাও কম লম্ফ ঝম্ফ করেনি।

বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম এ অক্ষর আছে ১৯ টি। এই ১৯ দিয়ে সুরার সংখ্যা ১১৪, আয়াতের সংখ্যা ৬৬৬৬ ইত্যাদি না-কি বিভাজ্য।

এই থিওরির সবচেয়ে মজা হলো এটা একটা ভুয়া থিওরি, একটু চিন্তা করলেই বুঝতে পারবেন।

১। কোরআনে আছে আয়াত, সুরা, পারা। পারার সংখ্যা ৩০। এটি ১৯ দ্বারা বিভাজ্য নয় কেন?

২। আয়াতের সংখ্যা আসলেই কি ৬৬৬৬টি? একটু খোঁজ নিয়ে জানাবেন।

৩। কোরআনে আরো অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ আয়াত আছে। সেগুলোর অক্ষর সংখ্যা বিভিন্ন। এমনকি কালেমা তাইয়েবার গুরুত্বও মুসলিমদের জন্য কম নয়। সেগুলোকে কেন্দ্র করে কোন থিওরি থাকলো না কেন? ফলে এটাই মনে হয়, বিসমিল্লাহর ১৯ এর সাথে কাকতালীয়ভাবে সুরা ১১৪ মিলে গেছে, তেমনি হয়তো আর কোন আয়াত ১৫ অক্ষরের হলে, বলা যাবে পারা ৩০ বিভাজ্য..... ইত্যাদি।

৪। আর, যেহেতু কোরআন হলো মুহম্মদ সা. এর নিজ হাতে সংকলিত নয়, তিনি বিভিন্ন সময়ে যেসব উক্তি ঐশী বলে প্রচার করেছেন, সেগুলো ওসমান, হাফসা প্রমুখেরা মিলে সংকলিত করেছেন, সুতরাং তাদের সজ্জার ব্যাপারে, আয়াত -সুরা - পারা প্রভৃতির ব্যাপারে কিছু স্বাধীনতা তো ছিলই। ফলে, সেখানে কিছু আয়াত বাড়ানো, কমানো অস্বাভাবিক নয়। এবং এটা ঐতিহাসিক সত্য যে, আজ আমরা যে আয়তনে কোরআন দেখি তার কয়েকগুণ বেশী আয়তনে কোরআন সংগৃহীত হয়েছিল- যেখান থেকে বর্তমান কোরআন সংকলিত করে ওসমানের নেতৃত্বে বাকিটুকু ধ্বংস করা হয়। অবশ্য ফতোয়া দেয়া হয়েছিল যে, ঐ বাকি অংশটুকু নাকি ঐশী নয়। কে জানে?

৪।

২২. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৩:০৭
রিয়াজ শাহেদ বলেছেন: ভালো পোস্ট নাস্তিক ভাই।

সেদিন সততার আলো নামক ব্লগার ভাইটি ওপেন চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিলো- "একটা আবিষ্কারের নাম বলেন যা কোরানে লেখা নাই।" আমিও তাকে ওপেন চ্যালেঞ্জ জানালাম- "ধরে নিচ্ছি কোরানে সব আবিষ্কারের কথা লেখা আছে, সেক্ষেত্রে আপনি বলেন দেখি আর কোন কোন জিনিস আবিষ্কার করা বাকি আছে? কোরান দেখেই বলেন।"

আমি এখনো পর্যন্ত রিপ্লাই পাইনি।
২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৪:২০

লেখক বলেছেন:
রিপ্লাই দিলে ওনাদের গুরুত্বপূর্ণ সময় নষ্ট হবে যে....!!!!!!!!!

২৩. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৪:৩১
সমালোচনাকারী বলেছেন:
এইডা দেকতারেন...@নাস্তিক


৩০ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১২:৩৬

লেখক বলেছেন:
অহন স্পিড ভালো না, কাইলকা দেখুননে....

তয় মিরাকল অব কোরআন নামে একখান গাজাখুরি সাইট আছে, ঐটা দেখছি....

২৪. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৮
আরিফ জেবতিক বলেছেন: কোরআনের মতো শক্তিশালী বই লিখে ফেলার চ্যালেঞ্জ যারা দেয় তাদেরকে অবিলম্বে চিকিৎসা দেয়া দরকার ।
২৫. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৫:০৬
মাইনুল বলেছেন: (I have to use English font because the computer I am using has not got good bangla font)

There is no need to accept the Challange of The Holy Quran because it was not sent for the challenging.

The Holy Quran was sent to the believers to follow it. That is the one and only reason.
২৬. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৫:১০
হ্যারি সেলডন বলেছেন: নাস্তিকভাই, আপনার মেইন পয়েন্টটা কি?
কোরাণ মানুষের রচিত এটাইত? ইসলাম খারাপ এবং ভুয়া? আল্লাহ নেই?

তো সমস্যা কি? আপনি আপনার বিশ্বাস নিয়ে থাকেন। আপনাকে কেউ মুসলমান বানানোর চিন্তা করতেছেনা ত। আপনার যদি বাইবেল ভাল লাগে তাহলে খ্রীস্টান হোন, আর অন্য ধর্ম ভাল লাগলে সেটাই হোন। অথবা কিছুই ভাল না লাগলে নিজে একটা ধর্ম প্রচার করেন। অথবা নাস্তিকই থাকেন। যা ইচ্ছা তাই করেন, কিন্তু অন্যদেরকে নাস্তিক বানানোর চেষ্টায় ত কোন লাভ দেখতেছিনা। আপনার ব্লগের এইসব ফেইথ-ফ্রিডম থেকে কপি-পেস্ট পোস্ট ছাড়া আর কোন পোস্ট দেখতেছিনা। আপনি তো ফেইথ-ফ্রিডমেই থাকতে পারেন, সেখানে লিখতে পারেন। নাকি সামহয়ারে ক্যাচাল না লাগালে ভাল লাগেনা? ড়াজাকাররা নিয়মিত মুক্তিযুদ্ধকে বিতর্কিত করে পোস্ট দেয় আর আপনারা অর্ধেক-বুঝা নাস্তিকরা এসব নিয়ে পোস্ট দেন। আমি দুটার মধ্যে তেমন পার্থক্য দেখতেছিনা।
৩০ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১২:৪১

লেখক বলেছেন:

মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে যারা জল ঘোলা করছে, আর আমরা যারা থিওলজি নিয়ে আলোচনা করি- ধর্মতত্ত্ব-বিজ্ঞান-দর্শনে আগ্রহ বোধ করি, এই দুই গ্রুপের মধ্যে যদি কোন পার্থক্য না দেখেন, তবে আপনার উদ্দেশ্যে আমার বলার তেমন কিছুই নেই।

একটা কথা মনে রাখা মনে হয় সবারই উচিৎ যে অপোজিট থটকে রুদ্ধ করতে চাওয়া মানে কিন্তু দুনিয়া তথা মানুষের উন্নতিকেই লাগাম টেনে ধরা। যাহোক, মনে হচ্ছে আপনার মত মানুষকে এসব বলা বৃথাই...

২৭. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৯
ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান বলেছেন: হাতী ঘোড়া গেল তল,

নাস্তিক ছাগল বলে কত জল।

২৮. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৯
হট্টগোল বলেছেন:

কুল্লু আল্লাহু আহাদ - আল্লাহর একটি কুল গাছ ছিল
আল্লাহুস সামাদ - সামাদেরও একটি ছিল

বাকিটা আর কইলাম না ...
৩০ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১২:৩৩

লেখক বলেছেন:
কনরে ভাই....
জব্বর লাগতেছে....

২৯. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৮:৩১
বিগব্যাং বলেছেন: আল্লা এমন ওজনের একটা জিনিস বানাক যেইডা উচু করার সামরথো তার নেই...দেখি তার কত খ্যামতা...(চন্দ্রবিন্দু দিতে পারি না, নতুন টাইপ শিখতাছি, তায়...)
৩০. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৮:৩৬
চিকনমিয়া বলেছেন: হ্যারিরে উত্তম ঝাঝা:)

এইসব নাস্তিকেরগো কাম হইলো ইসলাম নিয়া কচকচানি
সকল ধর্ম নিয়া কচকচাও, তাইলে ঠিকাচে
নাস্তিক হইবা, আর কইবা ইসলামেরে এইডা কেমুন কতা
নাস্তিক ভাইয়ের একডা পুষ্ট ও দেকলামনা অন্য ধর্ম নিয়া কইতে?

অন্য ধর্ম নিয়া নাস্তিক ভাইয়ের পুস্ট কি পামু নিকি?
৩০ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১২:৪৪

লেখক বলেছেন:
অন্য ধর্ম নিয়ে আমার পোস্ট পাবেন এসব পোস্টে...

বিশ্বাসে মেলায় বস্তু, তর্কে বহুদূর
নাস্তিক আস্তিক সমাচার

তবে, ইসলাম নিয়ে পোস্টের সংখ্যা বেশী। কারণ, নতুন পোস্ট দিয়েই তাহলে জানাই....

৩০ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১২:৩২

লেখক বলেছেন:
থ্যাংকু.....

৩২. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৮:৫৯
আরিফুর রহমান বলেছেন: হেরি, আমার মনে হয় নাস্তিকের ধর্মকথা অন্ততঃ কারো কারো চেয়ে বেশিই পড়াশুনা করেছেন এ ব্যাপারে। তোমার যদি ভালো না লাগে তার কথা তবে এই পোস্ট না পড়লেই হয়। ধর্ম সাপোর্ট করতে গিয়ে তুমি কাদের সুবিধা করে দিচ্ছ এটা একটু ভেবে দেখো!

তোমার সাথে এবিষয়ে একবার বিশাল বাদানুবাদ হয়ে গেছে। শুধু বোঝার চেষ্টা করো যে ধর্ম যার যার বিশ্বাসের ব্যাপার, এর বিরুদ্ধে বলার ফলে তোমার বিশ্বাসে চিড় ধড়বে না।

টিপিক্যাল ব্যাক্তি আক্রমন না করে যদি পয়েন্টে থাকতে পারো তাতে কারো লাভ বৈ তো ক্ষতি নেই!
৩৩. ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৯:৩৯
আরিফ থেকে আনা বলেছেন: ৪। আর, যেহেতু কোরআন হলো মুহম্মদ সা. এর নিজ হাতে সংকলিত নয়, তিনি বিভিন্ন সময়ে যেসব উক্তি ঐশী বলে প্রচার করেছেন, সেগুলো ওসমান, হাফসা প্রমুখেরা মিলে সংকলিত করেছেন, সুতরাং তাদের সজ্জার ব্যাপারে, আয়াত -সুরা - পারা প্রভৃতির ব্যাপারে কিছু স্বাধীনতা তো ছিলই। ফলে, সেখানে কিছু আয়াত বাড়ানো, কমানো অস্বাভাবিক নয়। এবং এটা ঐতিহাসিক সত্য যে, আজ আমরা যে আয়তনে কোরআন দেখি তার কয়েকগুণ বেশী আয়তনে কোরআন সংগৃহীত হয়েছিল- যেখান থেকে বর্তমান কোরআন সংকলিত করে ওসমানের নেতৃত্বে বাকিটুকু ধ্বংস করা হয়। অবশ্য ফতোয়া দেয়া হয়েছিল যে, ঐ বাকি অংশটুকু নাকি ঐশী নয়। কে জানে
-------------------------------------

ঐতিহাসিক সত্য ঘটনাটার প্রমাণ চাই। কোনো লিংক / কোনো বইয়ের প্‌ষ্ঠা নাম্বার।
৩৫. ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১:০৭
ভক্কডা বলেছেন: শপথ ডুমুরের জলপাইয়ের আর এই শান্তিময় শহরের....( সুরা ত্বীন)। আল্লাহর মতো শক্তিশালী স্বত্বা যিনি কিনা শুধু এই তিনটি জিনিষই না, বলা হয় সব কিছুরই স্রষ্টা, সেই আল্লাহ কেন এমন সব জিনিষের শপথ করবেন? ব্যাপারটা আমার কাছে পরিষ্কার না। ধর্মানুরাগীরা যদি ইট্টু বুঝাই বলেন যারপরনাই কৃতজ্ঞ থাকুম।
০১ লা মে, ২০০৮ সকাল ৭:২১

লেখক বলেছেন:
আল্লাহ মনে হয় একটুক তামাশা করেছিলেন......

৩৭. ০১ লা মে, ২০০৮ রাত ১:১০
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
হাচা কতায় বিলাই ব্যজার - এ আর নতুন কি!
৩৮. ০১ লা মে, ২০০৮ সকাল ৭:৩৭
জেনারেল বলেছেন:
ইয়াসিন নবী
চাল ভাজা চাবাবী
আর মিঠে দিয়ে খাবি......

ছল্লেল্লাহ... মোহাম্মাদ!!!!!!!!!!
০১ লা মে, ২০০৮ সকাল ৭:৩৯

লেখক বলেছেন:
বাহ বাহ!
সব লাইনের শেষে বি/বী আছে...

৩৯. ০১ লা মে, ২০০৮ সকাল ৭:৫১
এস্কিমো বলেছেন: দারুন পোস্ট!

নাস্তিকের ধর্মকথা শুনতে বেশ ভাল লাগলো। তবে একটা কথা কি জামায়াতের ইসলাম আসলে প্রকৃত ইসলাম কিনা এই বিষয়ে যথেষ্ঠ বিতর্ক আছে। তাই একটু সতর্ক থাকা দরকার। জামাত যেমন ইসলামকে বর্ম হিসাবে ব্যবহার করে - ঠিক তেমনি জামাতিদের সাথে ইসলাম নিয়ে আলোচনা করা প্রকৃতপক্ষে ওদের লেবাসটাকে গুরুত্বপূর্ন করে তোলারাই নামান্তর বলে মনে হয়। এতে ওরাই লাভবান হয়।

আপনে কি মনে করেন?
০১ লা মে, ২০০৮ সকাল ৮:১৭

লেখক বলেছেন:
আমি জামাতকে অপছন্দ করি বা ঘৃণা করি তআদের একাত্তরের ভূমিকার কারণেই। এটা ঠিক যে, তারা একাত্তরের অপকর্মের পেছনে ইসলামকে ঢাল হিসাবে ব্যবহার করেছে, কিন্তু তাই বলে ইসলামকেই দায়ী করি না।

আমি ধর্মকর্ম নিয়ে কথা বলি- সেটির মূল জায়গা হলো, আমি মুক্তচিন্তার ও মুক্তবুদ্ধির বিকাশ চাই, মানুষের মনের সমস্ত অন্ধকার-কুসংস্কার দূর হোক চাই। ধর্মতত্ত-ইতিহাস-দর্শন-বিজ্ঞান আমার প্রিয় বিষয়ও বটে।


আপনাকে ধন্যবাদ।

৪১. ০৫ ই মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৮
আমিই স্রোত বলেছেন:
দারুন পোসট আইকোনাসক্লাসটাস ওরফে ণা.ধর্মকথা।
৪২. ০৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:২৩
প্রশ্নোত্তর বলেছেন: স্রোতের মনে হয় ভুল হইসে...!
৪৩. ২৬ শে অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:৩৩
নির্বাসন বলেছেন: অল্প বিদ্যা ভয়ঙ্করী...
৪৪. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৪
কলুর বলদ বলেছেন: গাইতে ভালো লাগে বলেছেন: অল্প বিদ্যে ভ্য়ন্করী....ঠিক বুঝলাম না কিসের ভিত্তিতে তিনি এই কথা বললেন...নিশ্চয় লেখকের চেয়ে বেশি কিছু জানেন তিনি.....আমরা অন্ধবিশ্বাসীরা এই কথাটা প্রায় ব্যবহার করি(নিজের ক্ষেত্রেও কথাটা সত্য বুঝে !)
৪৫. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৫১
অনিশ্চিত বলেছেন: আচ্ছা, কুরআন শরিফকে পবিত্র বলা হয়। বলা হয়, পবিত্র কুরআন শরীফ। কিন্তু সেদিন একটি ওরশ শরীফের পোস্টার দেখলাম। সেখানে লেখা 'মহা পবিত্র ওরশ শরীফ'। কুরআন শরীফ পবিত্র হলে ওরশ শরীফ ক্যামনে মহা পবিত্র হয়?
৪৬. ১২ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:০৮
জলপাই দেশি বলেছেন: সকল কথারই জবাব দেয়া যায়, জবাব আছে। তেব কেউ যদি সিদ্ধান্ত নিয়ে ভুল পথে চলতে চায় তা হলে তাকে কেউ বোঝাতে পারবে না।
৪৮. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫৩
কে জানে বলেছেন: সুন্দর লেখা। চালায় জান।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৮৫৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
মানুষেরে ঘৃণা করি'/
ও কারা কোরান, বেদ, বাইবেল চুম্বিছে মরি' মরি'/
ও মুখ হইতে কেতাব-গ্রন্থ নাও জোর ক'রে কেড়ে,/
যাহারা আনিল গ্রন্থ-কেতাব সেই...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই