আমার প্রিয় পোস্ট

ঈশ্বর ও বিজ্ঞান- "আছে" ও "নাই" প্রমাণের কথিত দ্বন্দ্ব (শেষ পর্ব)

২৪ শে মে, ২০০৮ রাত ১২:২৫

শেয়ারঃ
0 0 0

আগের পর্বের লিংকঃ Click This Link

ঈশ্বর বিশ্বাসের বংশানুক্রমিকতাঃ
এতক্ষণের আলোচনায় আশা করি মানুষের ঈশ্বর ভাবনার উৎপত্তি ও বিবর্তন সম্পর্কে কিছু ধারণা পেয়েছেন। এবারে দেখি সেই ভাবনাগুলো কিভাবে মানুষ ধীরে ধীরে আকড়ে ধরে। মানুষ এই ঈশ্বর ভাবনাগুলো তার কল্পনাশক্তি অনুযায়ী সৃষ্টি ও পরিবর্তন যে করে, সেটি কিন্তু সবসময়ের সমস্ত মানুষের জন্য সাধারণ ঘটনা নয়। একটা সময়ে মানুষ কোন বিশেষ ধারণাকে গ্রহণ করার পরে, সেটার প্রসার ও প্রচার ঘটে। কোন একটা অংশের মানুষ যখন এটিকে আকড়ে ধরে, তখন ধীরে ধীরে সেটি বংশানুক্রমিকভাবে প্রজন্মান্তরে ভ্রমণ করতে থাকে। নতুন নতুন শিশু এরপরে জন্মের পর থেকে সে ধারণার মধ্যে বেড়ে ওঠে, ফলে সেই ধারণা তার মধ্যে বিশ্বাসের রূপ নেয়। এভাবে একসময় যে ঈশ্বর চিন্তা ছিল মানুষের কল্পনাশক্তির বহিপ্রকাশ কালে তাই হয়ে পড়ে বিশ্বাস বা অন্ধ বিশ্বাসের আরেক নাম। সেখানে আর যাচাই বাছাই গ্রহণ-বর্জনের কোন উপায় থাকে না। আর, মজার ব্যাপার হলো এ এমন এক চক্র যে, এক প্রজন্ম থেকে আরেক প্রজন্ম এভাবেই এই ধারণাটিকে বয়ে নিয়ে চলে, কেউ জানেনা এই ধারণাটির পক্ষে কোন যুক্তি আছে কি না, প্রমাণ আছে কি না; তারপরেও চলতে থাকে অবিরাম। গৌতম বুদ্ধ তাই বলেছেন,
" 'বাশিষ্ঠ!......ত্রৈবিদ্য ব্রাহ্মনের মধ্যে এমন একজনও নেই যিনি নিজের চোখে ব্রহ্মাকে দেখেছেন। .....এক আশ্চর্য.... এক আচার্য-প্রাচার্য..... সপ্ত-পর্যায় ধরেও আচার্যই হতে পারে না.... ব্রাহ্মনগণের পূর্বজ ঋষি, মন্ত্রকর্তা, প্রবক্তা.... অষ্টক,বামক, বামদেব, বিশ্বামিত্র, জমদগ্নি, অঙ্গিরা, ভরদ্বাজ, বশিষ্ঠ, কাশ্যপ, ভৃগু....... এদের মধ্যে কি কেউ ব্রহ্মাকে স্বচক্ষে দেখেছেন? ......যাঁকে দেখেননি, জানেননি তাঁরই অস্তিত্ব নিয়ে উপদেশ করেন!........ বাশিষ্ঠ! এ যেন সেই অন্ধগণকে ক্রমপর্যায়ে পংক্তিবদ্ধ করা; প্রথমজনও দেখতে পায় না, দ্বিতীয়জনও দেখতে পায় না, তৃতীয়জনও নয়....।'" (তেবিজ্জসূত্র, ১/১৩)।

অজ্ঞতা, অসহায়তা, দুর্বলতা বনাম ঈশ্বরঃ
এর আগের আলোচনায় আমরা দেখেছি যে, ঈশ্বরের ধারণা মানুষের অজ্ঞতা থেকে শুরু। মানুষ যখন কোন ঘটনার ব্যাখ্যা জানে না, কার্যকারণ সূত্র কি সেটা জানে না- তখন একজন কল্পিত ঈশ্বর বা কল্পিত কারণ কল্পনা করে নিয়ে নিজেকে প্রবোধ দিতে চেয়েছে। মানুষ যখন অসহায়-দুর্বল অবস্থায় পড়ে এবং সেখান থেকে বেড়ুনোর পথও সে খুঁজে পায় না তখনই সে কাল্পনিক ঈশ্বরে নির্ভর করে মানসিক বল পেতে চায়। মানুষের স্বাভাবিক কথোপকথনেও এটি দেখা যায়। যখন মানুষ কোন কিছু না জানে, তখন বলে ফেলে আল্লাহই জানে। যখন অসহায়, দুর্বল এক পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়, তখন শেষ ভরসা হিসাবে ইশ্বরকে জপ করা আরম্ভ করে দেয়। হঠাৎ চমকে উঠলে, ভয় পেলে- বলে ওঠে "হায়! আল্লাহ!" বা "ওহ! মাই গড!" কিংবা "রাম! রাম!" ইত্যাদি।

শিশুকে ঘুম পাড়ানোর জন্য অনেকেই ভূতের গল্প শোনান, ফিস ফিস গলায় জানানঃ "বাইরে এক ভূত আছে, সে রাতের বেলা ঘুরে ঘুরে বেড়ায় আর বাচ্চাদের খুঁজে বেড়ায়। যখনই কোন বাচ্চা না ঘুমিয়ে কান্নাকাটি করে বা জোরে কথা বলে, সেই ভূত টের পেয়ে যায় আর বাচ্চাটাকে ধরে নিয়ে যায়"। কোথায় ধরে নিয়ে যায়, ধরে নিয়ে কি করে এ প্রশ্নগুলো করার মতো সাহসটুকুও আর ঐ শিশুটির থাকে, দম বন্ধ করে চুপচাপ থাকে, একসময় ঘুমিয়ে পড়ে। ঈশ্বরে বিশ্বাস সেরকমই শিশুসুলভ বিশ্বাস, যা পরকালের কথিত শাস্তির ভয় দেখায়, মানুষ প্রশ্নটুকু করার সাহস হারিয়ে ফেলে। তাইতো আইনস্টাইন ১৯৫৪ সালে Eric Gutkind কে লিখিত এক পত্রে ( Click This Link)
জানাচ্ছেন, "The word God is for me nothing more than the expression and product of human weaknesses, the Bible a collection of honourable, but still primitive legends which are nevertheless pretty childish."

বিজ্ঞান সৃষ্টি করে না, করে উদ্ভাবনঃ
অনেকেই বলে থাকেন, বিজ্ঞান কিছু সৃষ্টি করে না, সৃষ্ট জিনিসগুলো উদ্ভাবন করে মাত্র। এটা ঠিক। বিজ্ঞানের কাজ সৃষ্টি করা নয়, সৃষ্টি করার দরকারো নেই। বিজ্ঞান হলো মানুষের আহরিত জ্ঞান। বিজ্ঞান আমাদের জানায় প্রকৃতির নিয়মাবলী, বস্তুজগতের পরিবর্তনের নিয়মাবলী, কার্যকরণ সূত্র। সে নিত্য এই বিশ্বজগতের অভ্যন্তরীন নিয়ম উদ্ভাবনের চেষ্টায় লিপ্ত। এ ধরণের ব্যাখ্যা ধর্মসমূহও দেয়ার চেষ্টা করেছে, সে জায়গা থেকে নানাবিধ দেবতত্ত্ব তথা ঈশ্বরতত্ত্বও তৈরী হয়েছে এবং একটা সময় পর্যন্ত সেগুলো মানুষের চিন্তাজগতে রাজত্বও করেছে। কিন্তু বিজ্ঞানের কাছে সেসবের কানাকড়ি গুরুত্ব আজ নেই।

"আছে" ও "নাই" এর দ্বন্দ্বঃ
ধরেন, এক ওঝা দাবী করলো যে তার সাথে এক ভূত থাকে। অপর ব্যক্তি সেটা বিশ্বাস করলো না।
ব্যক্তিঃ আপনি যে বিশ্বাস করতে বলছেন, আপনার সাথে ভূত থাকে- সেটির প্রমাণ দেন।
ওঝাঃ আপনি যে বলছেন, আমার সাথে কোন ভূত থাকে না- সেটারই কি প্রমাণ দিবেন আপনি?
ব্যক্তিঃ কেননা আপনিই যেহেতু ভূতের দাবী করেছেন সেহেতু আপনাকেই তো সেটা প্রমাণ দিতে হবে।
ওঝাঃ কিন্তু আপনি তো এখন দাবী করছেন যে, ভূত নেই- সুতরাং তার প্রমাণ দেন।

এই ওঝার মত করে অনেকে এইরকম যুক্তি করতে থাকে। ফলে, বুঝুন এইভাবে যুক্তি করে কত সহজেই ভূত-প্রেত, দেও-দানব, আল্লাহ-ভগবান, ফেরেশতা-জ্বিন, পরী-হুর সবকিছুই আছে দাবী করা যায়! একে বলে বাঁকা যুক্তি। আসলে, আস্তিকেরা জানে যে, তার ঈশ্বর বিশ্বাসের পেছনে কোন যুক্তি নেই, সেটা শুধু বিশ্বাস এবং এই বিশ্বাসের জোরেই তারা দাবী করে যে ঈশ্বর আছে। তাই আস্তিকেরা নাস্তিকদেরও সেটার পাল্টা দিতে চায়ঃ "আমাদের অন্ধ মানছি, কিন্তু তোমরাও তো অন্ধ"। মনে পড়ে যায় এক লোকের কথা, শিক্ষাভবনে চাকরী করতো, খুব ঘুষ খেতো। ঘুষ কেন খান, এটা জিজ্ঞেস করায় তিনি নির্বিকারভাবে বলেছিলেন, আজকের দুনিয়ায় কে ঘুষ খায় না? যাহোক আস্তিকেরা এভাবে নিজেদের অন্ধত্ব স্বীকার করছে, এটাও কম অর্জন নয়। যাহোক, "বিজ্ঞান "নেই" প্রমাণ করতে পারে না বিধায় আল্লাহ, ফেরেশতা, বেহেশত, দোযখ এসবকে নেই বলাটা অবৈজ্ঞানিক" -কাঙাল মুরশিদের আলোচনাটি ছিল যেহেতু অনেকটি এরকম, সেহেতু এখানে বিজ্ঞান ভাবনাটি কিরূপ সেটি আলোচনা করিঃ
প্রথমত, বিজ্ঞান মনে করে একমাত্র প্রমাণ সাপেক্ষেই কোন কিছু আছে দাবী করা যেতে পারে। প্রমাণ যেহেতু নেই সুতরাং জোর গলায় ঈশ্বরের অস্তিত্ব "আছ" এটা বলা অবৈজ্ঞানিক।
দ্বিতীয়ত, বিজ্ঞান অতিপ্রাকৃত বিষয়, অর্থাৎ যা প্রকৃতির বিভিন্ন নিয়মকে মানে না, তা অস্বীকার করে।

অর্থাৎ, সৃষ্টিকর্তা ঈশ্বর যদিও "আছে" বলেও কেউ ধরে নেয়, তবে সেই ঈশ্বরকেও প্রকৃতির সমস্ত নিয়ম মেনেই চলতে হবে। এ প্রসঙ্গে আইনস্টাইনের একটি চমৎকার আলোচনা আছেঃ
"What I am really interested in, is knowing whether God could have created the world in a different way; in other words, whether the requirement of logical simplicity admits a margin of freedom."

এটি বুঝলেই আশা করি বিজ্ঞানের ঈশ্বর সম্পর্কে আগ্রহের জায়গাটি পরিষ্কার হবে। বিজ্ঞানের মূল কাজ হচ্ছে প্রকৃতির বিভিন্ন নিয়মকে উদঘাটিত করা। প্রকৃতির কোন একটি ঘটনা কোন একজন ঈশ্বরের কারণেও যদি হয়েও থাকে, তবে সেই ঈশ্বরেরও প্রকৃতির নিয়মকে অস্বীকার করার কোন ক্ষমতা নেই। আর এ কারণে একজন বিজ্ঞানী যখন কোন বিষয়ে গবেষণারত, প্রকৃতির নিয়ম উদঘাটনই তার মূল উদ্দেশ্য, ফলে তখন মাথা থেকে ঈশ্বরকে ছুড়েই ফেলতে হয়, কেননা প্রকৃতির নিয়ম ঈশ্বরের ইচ্ছাধীন নয়- বরং ঈশ্বর যদি থেকেই থাকেন তবে তিনিই প্রকৃতির নিয়মাধীন। এভাবেই ঈশ্বরতত্ত্ব বিজ্ঞানের আওতামুক্ত সাবজেক্ট।

সূত্রঃ
১। ইতিহাসে বিজ্ঞান- জেডি বার্ণাল (অনুবাদঃ আশীষ লাহিড়ী)
২। মিথলজি- এডিথ হ্যামিল্টন (অনুবাদঃ আসদ ইকবাল মামুন)
৩। দর্শন দিগ দর্শন- রাহুল সাংকৃত্যায়ন
৪। মহাভারত- গদ্যাকারে অনুবাদঃ রাজশেখর
৫। আইনস্টাইনের পত্রের লিংকঃ Click This Link
৬। কাঙাল মুশিদের পোস্ট "বিজ্ঞানের দৃস্টিতে "আছে" বলার চেয়ে "নাই" বলা অধিকতর কঠিন" ( Click This Link)
৭। হ্যারি সেলডনের পোস্ট "আস্তিকরা সবাই বেক্কল কেন?" ( Click This Link) এর মন্তব্য।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ঈশ্বরবিজ্ঞান ;
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে মে, ২০০৮ সকাল ৮:১৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

২৪ শে মে, ২০০৮ সকাল ১০:২৩

লেখক বলেছেন:
আপনারেও....

২৪ শে মে, ২০০৮ রাত ১২:৫২

লেখক বলেছেন:
আচ্ছা

২৪ শে মে, ২০০৮ সকাল ৮:২৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৬. ২৪ শে মে, ২০০৮ সকাল ৯:১৪
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
৩ জন কমেন্ট ছাড়া চুপেচাপে মাইনাস দিয়ে গেছে!!!

হা হা হা...
পোস্ট ভালো লাগেনি, কিন্তু পোস্টের কথগুলো খণ্ডন করার মতো পর্যাপ্ত রসদও মনে হয় সেই তিনজনের নেই!!!
৭. ২৪ শে মে, ২০০৮ সকাল ১০:৩৫
দ্বিতীয়নাম বলেছেন: আর এই ঈশ্বর থাকলেই বা কি? যদি থাকতেই যদি হয়, তবে দরকার এমন ঈশ্বর:
Click This Link
৮. ২৪ শে মে, ২০০৮ সকাল ১১:৩৬
মহাজাগতিক বলেছেন: বিজ্ঞানের মূল কাজ হচ্ছে প্রকৃতির বিভিন্ন নিয়মকে উদঘাটিত করা। প্রকৃতির কোন একটি ঘটনা কোন একজন ঈশ্বরের কারণেও যদি হয়েও থাকে, তবে সেই ঈশ্বরেরও প্রকৃতির নিয়মকে অস্বীকার করার কোন ক্ষমতা নেই। আর এ কারণে একজন বিজ্ঞানী যখন কোন বিষয়ে গবেষণারত, প্রকৃতির নিয়ম উদঘাটনই তার মূল উদ্দেশ্য, ফলে তখন মাথা থেকে ঈশ্বরকে ছুড়েই ফেলতে হয়, কেননা প্রকৃতির নিয়ম ঈশ্বরের ইচ্ছাধীন নয়- বরং ঈশ্বর যদি থেকেই থাকেন তবে তিনিই প্রকৃতির নিয়মাধীন। এভাবেই ঈশ্বরতত্ত্ব বিজ্ঞানের আওতামুক্ত সাবজেক্ট।
=========
আপনি আইনস্টাইরে বরাত দিয়ে যা কিছু বলেছেন সেসক কথা আইনস্টাইনের বিজ্ঞানী হিসেবে ডেভলপমেন্টের প্রথম পর্যায়ের কথা যা আইনস্টাইনের আগের বিজ্ঞানের সাধারণ প্রতিপাদ্য হিসেবে সকলেই জানত। এ কথা নতুন করে বলার জন্য আইনস্টাইনের জন্ম হয়েছিল না। আইনস্টাইন যখন 'আইনস্টাইন' হয়ে উঠেছিলেন তখনকার মতামত তার এসব কথার সাথে পাথ্যর্ক করে বৈকি। আইনস্টাইন ছিলেন ক্লাসিক্যাল পদার্থবিজ্ঞােনের সমর্থক। তিনি
'কোয়ান্টাম' পদার্থবিদ্যার ব্যাপারে একপ্রকার প্রেজুডিসড ছিলেন। 'কোয়ান্টাম' ফিজিক্সকে তিনি নীতিগতভাবে স্বীকার করেছেন বটে কিন্তু 'কোয়ান্টামের' ব্যাপারে একধরনের প্রেজুডিস পোষণ করতেন। 'ক্লাসক্যিাল ফিজিক্স' কে সবসবময় সমর্থন দিয়ে এসেছেন।
দেখুন তার উদাহরণ। 'কোয়ান্টাম' ফিজিক্স-এ যেখানে বলা হয় যে, কোনো ভৌত বাস্তবতারই দর্শকনিরপেক্ষ উপযোগিতা নেই। মানুষের 'মন' বা দর্শকের উপস্তিতি 'কোয়ান্টাম' ফিজিক্সের একটি মেজর ফ্যক্টর। অতিআণবিক পর্যায়ে পদার্থের কণাগুলি স্বৈরাচারী ধরনের। অর্থাৎ অতিআণবিক পর্যায়ে বস্তুর আচরণ সম্পর্কে কোনো ভবিষৎতবাণী করা সম্ভব নয়। ফলে বিজ্ঞানের ভৌত বিষয়ে বিজ্ঞানের ভবিষতবাণী নাকচ হয়ে যায়।
২৪ শে মে, ২০০৮ সকাল ১১:৪৪

লেখক বলেছেন:
মানুষের মন বা দর্শকের উপস্তিতি 'কোয়ান্টাম' ফিজিক্সের একটি মেজর ফ্যক্টর।

=======>>>>>

এটা আপনি কোথায় পেলেন???
আপনি কি কোয়ান্টাম মেথড, মন নিয়ন্ত্রণ এসবকে কোয়ান্টাম ফিজিক্স বলছেন???


কোয়ান্টাম ফিজিক্স সম্পর্কে আরেকটু বেশী পড়াশুনা করে তারপরে আলোচনা করা উচিৎ নয় কি??

আর, সায়েন্সের কোন শাখাকে টেনে নিয়ে যখন আলোচনা করবেন তখন সে শাখাটি কি কি বিজ্ঞানের আলোচনা করছে সেটি না পড়ে, সেখান থেকে কোথাকার কে কি কি সিদ্ধান্ত টেনেছে, সে সংক্রান্ত আলোচনা পরিহার্যই মনে করি। একজন কোয়ান্টাম ফিজিক্সের স্টুডেন্ট হিসাবে আমি বলতে পারি, আমাদের একাডেমিক যত কোর্স পড়েছি, তার কোথাও মন বিষয়টি খুঁজে পাইনি। আপনাকে ধন্যবাদ।

৯. ২৪ শে মে, ২০০৮ সকাল ১১:৪১
মহাজাগতিক বলেছেন: ভুল করেও এটা ভাববেন না যে পদার্থ বিজ্ঞান নিয়ে আপনি যে ধরনের নিশ্চয়তা বোধ করছেন; বিষেশজ্ঞ পর্যায়ে পদার্থ নিয়ে সে ধরনের দায়িত্বহীন নিরাপত্তাবোধ কাজ করে। তাহলে তো আর ক্ল্যাসিক্যাল আর কোয়ান্টাম নামে দুই ধারার পদার্থবিদ্যার নাম শোনা যেত না। শুনেছেন তো দুই ধারার নাম? এমনকি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথও তার যুগে 'কোয়ান্টাম ফিজিক্স' সম্পর্কে সাধারণ জ্ঞান রাখতেন। তিনি সে সম্পর্কে স্বংয় আইনস্টাইনের সাথে এক আলোচনায় এভাবে বলেছেনঃ
Tagore and Einstein met through a common friend, Dr. Mendel. Tagore visited Einstein at his residence at Kaputh in the suburbs of Berlin on July 14, 1930, and Einstein returned the call and visited Tagore at the Mendel home. Both conversations were recorded and the above photograph was taken. The July 14 conversation is reproduced here, and was originally published in The Religion of Man (George, Allen & Unwin, Ltd., London), Appendix II, pp. 222-225.





TAGORE: I was discussing with Dr. Mendel today the new mathematical discoveries which tell us that in the realm of infinitesimal atoms chance has its play; the drama of existence is not absolutely predestined in character.



EINSTEIN: The facts that make science tend toward this view do not say good-bye to causality.



TAGORE: Maybe not, yet it appears that the idea of causality is not in the elements, but that some other force builds up with them an organized universe.



EINSTEIN: One tries to understand in the higher plane how the order is. The order is there, where the big elements combine and guide existence, but in the minute elements this order is not perceptible.



TAGORE: Thus duality is in the depths of existence, the contradiction of free impulse and the directive will which works upon it and evolves an orderly scheme of things.



EINSTEIN: Modern physics would not say they are contradictory. Clouds look as one from a distance, but if you see them nearby, they show themselves as disorderly drops of water.



TAGORE: I find a parallel in human psychology. Our passions and desires are unruly, but our character subdues these elements into a harmonious whole. Does something similar to this happen in the physical world? Are the elements rebellious, dynamic with individual impulse? And is there a principle in the physical world which dominates them and puts them into an orderly organization?



EINSTEIN: Even the elements are not without statistical order; elements of radium will always maintain their specific order, now and ever onward, just as they have done all along. There is, then, a statistical order in the elements.

TAGORE: Otherwise, the drama of existence would be too desultory. It is the constant harmony of chance and determination which makes it eternally new and living.



EINSTEIN: I believe that whatever we do or live for has its causality; it is good, however, that we cannot see through to it.
এখানে শুধু প্রসাঙ্গিক অংশটুকু দেয়া হলো। পরবর্তী অংশে তাঁরা আলোচান করেেছেন সঙ্গীত নিয়ে তাই তা দেয়া হঅেলা না। সম্পূর্ণ জানতে ভিজিট করুন। নিচের লিংকটি।
Click This Link
২৪ শে মে, ২০০৮ সকাল ১১:৪৯

লেখক বলেছেন:
হুম, এই আলোচনাটি আবার পড়লাম। সেখান থেকে কোয়ান্টাম ফিজিক্স যে মন বিষয়ক কথা বলে সেরকম কিছু পেলাম না। বরং আইনস্টাইন বারবার কার্যকারণ সম্পর্কের কথাই উল্লেখ করেছেন। আমি তো কোন সমস্যা পেলাম না!!

১০. ২৪ শে মে, ২০০৮ সকাল ১১:৫০
মহাজাগতিক বলেছেন: দেখুন আইনস্টাইন কিভাবে তার বক্তব্য শেষ করেছেনঃ
I believe that whatever we do or live for has its causality; it is good, however, that we cannot see through to it.

নোট করুনঃ I believe that.........
তিনি 'বিশ্বাস করেন...'
যদিও একজন বিজ্ঞানীর বিশ্বাস 'বিজ্ঞান' পর্যায়ের বিশ্বাসই বটে। তারপরও তিনি ক্ল্রাসক্যিাল পদার্থবিদ্যার সমর্থক হয়েও সৎভাবে এটা স্বীকার করেছেন যে, বস্তু অতিআণবিক পর্যায়ে স্বৈরাচারী ধরনের। আতিআণবিক পর্যায়ে ব্সতুর আচরণ সম্পর্কে ভবিষ্যতবাণী করা যায়না। তবে তিনি বিশ্বাস করেন যে, whatever we do or live for has its causality; 'এ যে আমরা বেঁচেবর্তে আছি এ ঘটনার কার্যকারণ ভিত্তিক সূত্র আছে।" এটা আইনস্টাইনের বিশ্বাস কারণ তিনি 'কোয়ান্টাম' ফিজিক্সর ব্যাপারে প্রেজুডিসড ছিলেন। এটা অনেকটা বিচারকের 'প্রেজুডিসড' হওয়ার মত ব্যাপার। বিচারক যখন সকল সাক্ষ্য প্রমাণিত হওয়ার পরও বিপরীত রায় দেন তখন বলা হয় বিচারক 'প্রেজুডিসড' বোধ করছেন।
২৪ শে মে, ২০০৮ দুপুর ১২:১৮

লেখক বলেছেন:
আপনি যে কি জিনিসের কি মানে করেন!!!

এরকম অভ্যাস তো ছিল সা. চৌ এর!!!


আই বিলিভ দ্যাট... যখন কথোপকথনে ব্যবহার করা হয়, সেটি আর একটা বিলিফ এর মধ্যে পার্থক্য আছে। কথোপকথনের ভাষা আর টার্মলজির পার্থক্য কি জানেন না??

আইনস্টাইনের সায়েন্স এণ্ড রিলিজন শীর্ষক প্রবন্ধটি পড়েন। সেখানে শুরুই করেছেন "বিলিফ" এবং "নলেজ" দিয়ে। সেখানে স্পষ্ট করে দেখিয়েছেন, বিলিফ আর নলেজের পার্থক্য কি! সেখানে বিলিফ যে অর্থে সংজ্ঞায়িত করেছেন আপনি কি মনে করেন, কথার তোড়ে আই বিলিভ দ্যাট এ বিলিভ একই ধরণের??


যাহোক, আপনার মনে হয় আরো পড়াশুনার প্রয়োজন আছে। রবীন্দ্রনাথ কোয়ান্টাম ফিজিক্স কিভাবে বুঝলো, বা দুজনে কি ভাবে কি আলোচনা করলো- সেগুলো থেকে ধারণা না নিয়ে কোয়ান্টাম ফিজিক্স টি একটু ভালো করে পড়ে আইসেন। এসে বুঝিয়ে দিয়েন, কোথায় মন সংক্রান্ত আলোচনা আছে??

১১. ২৪ শে মে, ২০০৮ সকাল ১১:৫৯
মহাজাগতিক বলেছেন: যাহোক রবীন্দ্রনাথ কোয়ান্টাম সম্পর্কে যতটুকু জ্ঞান রাখতেন তাতে তিনি এ বিষয়ে আরও আলোচনা চালাতে এমনকি বিতর্কেও যেতে পারতেন আইনস্টাইনের সঙ্গে কিন্তু তিনি আইনস্টাইনের
I believe that whatever we do or live for has its causality; it is good, however, that we cannot see through to it.
এই বক্তব্যর পর আর বিতর্কে যাওয়া সমীচিন মনে করেন নি। একজন বিজ্ঞান মহীরথী যখন অমন কথা বলেন তখন তার সাথে একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে রবীন্দ্রনাথ আর এগুতে চান নি। তারপর তাদের মধ্যে আলোচনা চলেছে ভারতীয় সঙ্গীত নিয়ে।
২৪ শে মে, ২০০৮ দুপুর ১২:১১

লেখক বলেছেন:
হা হা হা!
রবীন্দ্রনাথ কোয়ান্টাম নিয়ে আইনস্টাইনের সাথে বিতর্কে যেতে পারতেন কিন্তু আইনস্টাইন যখন আই বিলিভ দ্যাট বললো, তখন আর আলোচনায় যাবার আগ্রহ পেলো না!!!!!!!!


ভাই আপনার মাথা টাথা ঠিক আছে তো?????

১২. ২৪ শে মে, ২০০৮ দুপুর ১২:০৩
মহাজাগতিক বলেছেন: হেই কোয়ান্টাম মানে মন নিয়ন্ত্রণ এ ই শিখে এসেছেন 'কোয়ান্টাম' নিয়ে আলোচনা করতে?
২৪ শে মে, ২০০৮ দুপুর ১২:২২

লেখক বলেছেন:
না আমি নই, আপনার আলোচনা দেখে তাই মনে হলো।

কোয়ান্টাম মেথড, মন নিয়ন্ত্রণ প্রভৃতি সহ আরো কিছু ধ্যান সংক্রান্ত বই এ দেখেছিলাম তারা কোয়ান্টাম ফিজিক্সের আলোচনা করে ধ্যান-ট্যান এসবের বৈজ্ঞানিক কার্যকারিতা বুঝিয়েছিল। আপনার আলোচনা দেখে সেগুলোর কথা মনে পড়ে গেলাম।


আবারো বলছি, আমি কোয়ান্টাম ফিজিক্স, কোয়ান্টাম মেকানিক্স যতখানি পড়েছি, কোথাও মন বা দর্শকের উপস্থিতি এসব পাইনি। আপনি যদি পেয়ে থাকেন, তবে আমাকে দেখাতে পারেন। আমি যথেষ্ট কৃতজ্ঞ থাকবো।

১৩. ২৪ শে মে, ২০০৮ দুপুর ১:১৪
মহাজাগতিক বলেছেন: আপনি পড়েন প্রচুর বোঝার চেস্টা কম। পড়েন, যাতে বলতে পারেন পড়েছি। আর শুধু রেফারেন্স দেন। আচ্ছা, আপনার সাথে আর কোনো আলোচানায় যাওয়ার আগে দয়া করে আপনি সৎভাবে নিচের প্রশ্নগুলির উত্তর দিবেন কি?

TAGORE: I was discussing with Dr. Mendel today the new mathematical discoveries which tell us that in the realm of infinitesimal atoms chance has its play; the drama of existence is not absolutely predestined in character.
রবীন্দ্রনাথের এই বক্তব্যে যে, 'কোয়ান্টাম' ফিজিক্স বিষয়ে স্পস্ট ইঙ্গিত আছে তা কি আপনি বারবার পড়ার পরেও বুঝেছিলেন?
হুমম..
আগেও এটা আপনি পড়েছিলেন, এ নিয়ে দুবার হলো, ভবিষ্যতেও আবার পড়বেন মনে হয়।
১। কিন্তু রবীন্দ্রনাথের কথার ইঙ্গিত যে 'কোয়ান্টাম' ফিজিক্স বিষয়ে তা কি বুঝেছিলেন। যদি বুঝে থাকেন তো আমাকে একটু বুঝিয়ে বলুন তো কথাটির মধ্যে কিভাবে কোয়ান্টাম ফিজিক্সরে মূলনীতিটি লুকিয়ে আছে?
২। ক্লাসিক্যাল ফিজিক্স আর কোয়ান্টাম ফিজিক্স: দুই ধারার দুটি পদার্থবিজ্ঞান তা আপনি আগে জানতেন কিনা। জানলেও এ দুটিকে আপনি কিভাবে বোঝেন?
৩। "বস্তু অতিআণবিক পর্যায়ে স্বৈরাচারী ধরনের। "- একথার দ্বারা আপনি কি বোঝেন?
৪। পদার্থ বিজ্ঞানে যখন বলা হয়, 'ক' এবং 'খ' শর্ত পূরণ করা হলে 'গ' ফলাফল পাওয়া যাবে- এ কথার সাথে "বস্তু অতিআণবিক পর্যায়ে স্বৈরাচারী ধরনের। " এ বক্তব্য কতটুুক পাথ্যক্য তৈরী করে।

=====
আবারো বলছি, আমি কোয়ান্টাম ফিজিক্স, কোয়ান্টাম মেকানিক্স যতখানি পড়েছি, কোথাও মন বা দর্শকের উপস্থিতি এসব পাইনি। আপনি যদি পেয়ে থাকেন, তবে আমাকে দেখাতে পারেন। আমি যথেষ্ট কৃতজ্ঞ থাকবো।
=====
আমি হাজার বার স্বীকার করি আপনি পড়েছেন। কিন্তু বুঝেছেন একথা মানতে আমি হাজারবার দুঃখিত। আপনি যদি পড়ে থাকেন তবে আপনাকে একটা সুত্র দিচ্ছি এর জবাব আপনাকে দিতে হবে। বলুন, কোয়ান্টাম ফিজিক্সে একটা 'বেড়াল পরীক্ষা' বলে একটা বিখ্যাত পরীক্ষা বা 'টেস্ট' আছে। সেটা কি? সেটা যদি আপনি এখানে বলতে পারেন তবেই আমি মানতে পারি আপনি পড়েন। আর এ 'বেড়াল পরীক্ষা' সম্পর্কে ভালোভাবে আবার পড়েন তাহলেই বুঝবেন ভৌতবিজ্ঞানে 'মন' বা দর্শকের ভুমিকা কি?
=====
এরকম অভ্যাস তো ছিল সা. চৌ এর!!!
====
সা. চৌ কে ভালভাবে চিনি না। তবে আপনার কথা শুনে মনে হচ্ছে আপনার 'কোয়ান্টাম' জানার দৌড় ঐ সা. চৌ এর বরাতেই। এত রথী মহারথী থাকতে সা. চে/ৗ > । কথায় বলে চোরের মন 'পুলিশ পুলিশ'।
২৪ শে মে, ২০০৮ দুপুর ১:২৩

লেখক বলেছেন:
হুম!! দেখা যাচ্ছে আমি কোন কিছু পড়লেও আপনার মত করে বুঝতে বা বুঝার চেষ্টা করতে অপারগ।

যাহোক, আমার বুঝ না হয় শূণ্যের কোঠায়- আপনি যেহেতু ভালো বুঝেছেন বা বুঝেন, তাই বলেছিলাম- আলোচনা করবেন কোয়ান্টাম ফিজিক্স নিয়ে আর এক রবীন্দ্রনাথ কোন আলোচনায় কি বললেন তাও আবার ইংগীতে সেটা দিয়ে একটা সিদ্ধান্ত টানবেন- সেটা যেন কেমন লাগে!!!!


আর, বিড়ালের পরীক্ষার টেস্ট সম্পর্কেও জানি না। বা জানলেও পুরো বুঝিনি। আশা করি, আপনিই সেটা পরিষ্কার করবেন!!!!!!!

১৪. ২৪ শে মে, ২০০৮ দুপুর ১:৩৯
মহাজাগতিক বলেছেন: অনেক ধন্যাবাদ। এভাবে কথা বলার জন্য। তাহলে আমার যুক্তির অনেক কিছুই আপনি না বুঝে অনেক কিছু বলেছিলেন সেটা স্বীকার করছেন। সেজন্য আবারও ধন্যবাদ। এবার আসুন।
TAGORE: I was discussing with Dr. Mendel today the new mathematical discoveries which tell us that in the realm of infinitesimal atoms chance has its play; the drama of existence is not absolutely predestined in character.
একথার realm of infinitesimal atoms chance has its play
অংশটুকুর মধ্যে কোয়ান্টাম ফিজিক্সের ইঙ্গিত আছে। এখানে বলাা হচ্ছে, 'অতি আণবিক পর্যায়ে 'চান্স' ভাগ্যের বিরাট 'রোল' বা ভূমিকা আছে। অর্থাৎ, পদার্থ বিজ্ঞানে যখন বলা হয়, 'ক' এবং 'খ' শর্ত পূরণ করা হলে 'গ' ফলাফল পাওয়া যাবে- এ কথা নিশ্চিত করা যায় না। তারপরও যখন আণবিক পর্যায়ে এবং বৃহত্তর পর্যায়ে সবকিছু ঠিকঠাক চলতে দেখা যায় তখন এটা ধরে নেয়া সম্ভব যে, 'অতি আণবিক পর্যায়ের সেই 'চান্স' ভাগ্য যেন বুঝে শুনে একটা নির্ধারিত লক্ষ্র্যের দিকে আগাচ্ছে।
১৫. ২৪ শে মে, ২০০৮ দুপুর ১:৪০
মহাজাগতিক বলেছেন: আতি আণবিক পর্যায়ে বস্তুর আচরণ অনিশ্চিত- এটাই কোয়ান্টাম ফিজিক্সের মূল প্রতিপাদ্য।
১৬. ২৪ শে মে, ২০০৮ দুপুর ১:৪৪
মহাজাগতিক বলেছেন: ফিজিক্স যে দুই ধারায় চালিত একথা জানতে ফিজিকস্ বিশেষজ্ঞ হওয়া লাগে না। সাধারণ কিছু পড়াশুনা দ্বারাই বুঝা যায়। ফিজিক্সের উচ্চতর শ্রেণীর যে কোনো ছাত্রের কাছে জিজ্ঞাস করে জেনেে নেবেন দয়া করে। ক্লাসিক্যাল আর কোয়ান্টাম ফিজিক্স কাকে বলে। এত দিন শুধু জানতেন যে, ক্লাসিক আর রোমান্টিক বোধ শুধু সাহিত্যের ক্ষেে্রেই হয় কিন্তু বিজ্ঞানের ক্ষেত্রও যে হয় তা জেনে কি মাথা ঘুরে যাওয়ার মত অবস্থা?
২৪ শে মে, ২০০৮ দুপুর ২:০৯

লেখক বলেছেন:
হা হা হা হাহহহহহহহহ

১৮. ২৪ শে মে, ২০০৮ দুপুর ২:১৬
মহাজাগতিক বলেছেন: বোঝা আর না বোঝার মাঝামাঝি সেই হাসি...
তুমি আর হাসবে কি কখনও/আবারও..........

তবুও ধন্যবাদ।
পড়াশুনায় মনোযোগী হলে আপনাদের মত মানুষ অনেকদুর যেতে পারবে।
১৯. ২৪ শে মে, ২০০৮ দুপুর ২:১৯
মহাজাগতিক বলেছেন: 'বিড়াল টেস্ট'এর ব্যাপারটি মুছলেন মুছলেন কেন?
ভয় হয়?
২৪ শে মে, ২০০৮ দুপুর ২:৫৭

লেখক বলেছেন:

আমি আমার ব্লগিং লাইফে আজ পর্যন্ত দুটি কমেন্টই মুছেছিলাম। একটা মাত্রাতিরিক্ত খারাপ গালি ছিল ফা১৬ কে উদ্দেশ্য করে। কিন্তু মুছলেও সেটির ভাবার্থটি ঠিক দিয়েছিলাম এবং জানিয়েছিলাম কেন মুছেছি। আরেকটি ছিল মুহম্মদ সা ও আয়েশ কে কেন্দ্র করে মাত্রাতিরিক্ত বাজে ভাষায়। সেটিও মুছলেও কারণ জানিয়েছিলাম, এবং তাকে অনুরোধ সেই কথাটি ভদ্র ভাষা ব্যবহার করে লিখতে।


আপনি আবার লিখেন।

২০. ২৪ শে মে, ২০০৮ দুপুর ২:৩৮
মহাজাগতিক বলেছেন: ওটার তো কপি আমি রাখি নাই আবার লিখতে হবে।
২১. ২৪ শে মে, ২০০৮ দুপুর ২:৪১
সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন:

লেখক বলেছেন:
আপনি যে কি জিনিসের কি মানে করেন!!!

এরকম অভ্যাস তো ছিল সা. চৌ এর!!!



অবশেষে বললেন-

লেখক বলেছেন:
হুম!! দেখা যাচ্ছে আমি কোন কিছু পড়লেও আপনার মত করে বুঝতে বা বুঝার চেষ্টা করতে অপারগ।

.........................


কি মজা! কি মজা!

সাচৌ নাস্তিকের ধর্মকথার বক্তব্যের সুক্ষ কারচুপি ধইরা দেন বইলা তিনি ডিজলাইক করেন সাচৌকে।
দ্রষ্টব্য 'নিম গাছে আম' পোস্ট। ওই পোস্টে শেষের মন্তব্যের জবাবে কিছু বলেন নাই। অথবা আমার বিরুদ্ধে বানোয়াট প্রপাগান্ডাতে মনে দুক্কু পাইসেন!

এই পোস্টেও কিছু বক্তব্য তরলিকৃত আছে।


যাক নাস্তিকের ধর্মকথাকে ধন্যবাদ এই জন্যে যে মহাজাতককে সাচৌ বলেন নি।
২৪ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৩:০৭

লেখক বলেছেন:
আপনার বিরুদ্ধে প্রোপাগাণ্ডাটা বানোয়াট কি না জানি না, কেননা আপনার শক্ত প্রতিবাদ তো ছিলই না, বরং কমেন্ট-পোস্ট সব মুছে পলায়ন করেছিলেন। বরং, আপনার এক কমেন্টে মাৎস্যকন্যাকে যে আপনি মেইলগুলো করেছিলেন- সেটিই প্রমাণিত হয় বলে মনে হয়েছিল।


তবে, মনে দুষ্ক পেয়েছিলাম ঠিকই, সেটা আপনার জন্য না- সেটা হলো ঐ গ্রুপটির জন্য। কেননা, ব্যক্তিগত জীবনে কার চরিত্র কেমন, কে লম্পট, কে প্লেবয় টাইপের সেটা আমার বিবেচ্য বিষয় নয়। বিশেষ করে একজনের সাথে যখন আমার যুক্তির লড়াই, আদর্শিক লড়াই চলছে। কেননা, আপনার বিরুধিতা করার জন্য সেই পোস্টই জন্য যেখানে আপনি নগ্নভাবে নারী রাজাকারদের পক্ষে মায়াকান্না কেঁদেছেন। কিন্তু আমি এটা কোনভাবেই মেনে নিতে পারছিলাম না যে আপনাকে ধরার জন্য এ ধরণের বিষয়কে টেনে নিতে আসতে হবে!!!!

২৪ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৩:১২

লেখক বলেছেন:

সাচৌ নাস্তিকের ধর্মকথার বক্তব্যের সুক্ষ কারচুপি ধইরা দেন বইলা তিনি ডিজলাইক করেন সাচৌকে।

========>>>>>>>

নাহ!! ডিজলাইক করার প্রশ্নই আসে না।
আপনি আমার বক্তব্যের মধ্যে সূক্ষ্ম কারচুপি আবিষ্কার করার চেষ্টা করেন বলে প্রচোর বিনোদন লাভ করি। আপনার বিজ্ঞান আলোচনায় সত্যি বলছি, অনেক আমোদ পাই।


আজকেও মহাজাগতিক যখন কোয়ান্টাম ফিজিক্সে নোবেল বিজয়ী বিজ্ঞানী ড. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর:) থেকে বিজ্ঞান আলোচনা করলেন, তখন প্রচণ্ড বিনোদিত হয়েছি। এবং আপনার কথা মনে পড়েছে। এই ক্ষমতাটি শুধু আপনারই দেখেছিলাম কি-না!!:):):)

২২. ২৪ শে মে, ২০০৮ দুপুর ২:৪৩
সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন:

@মহাজাগতিক


বিড়াল টেস্টটা কি রোজার পেনরোজ ও হকিংয়ের?
২৩. ২৪ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৩:১১
মহাজাগতিক বলেছেন: কোয়ান্টাম পর্যায়ে বস্তুর আচরণ পূর্বে থেকে অনুমান করা যায় না। ফলে বাস্তব জগতে কোনো ঘটনার কমপক্ষে দুইটি সমান সম্ভাবনা থাকতে পারে। ঐ দুইটির মধ্যে কোনটি আসলে বাস্তব তা কেবল ঘটনার 'দর্শক' বা কোনো 'মন' ই বলতে পারবে। গাণিতিক সম্ভাবন একের অধিক হলেও বাস্তব একটাই এবং সেটা ''দর্শক'' এর উপস্থিতিতে। 'বিড়াল টেস্ট' দ্বারা এটাই পরিক্ষা করা হয়। একটি বিড়ালকে একটি চারদিক বন্ধ বাক্সে রেখে খাবার খেতে দেয়া হয়। আর বাক্সের মধ্যে এমনভাবে একটি 'বিষ' বা পয়েজনের পাত্র রাখা হয়। তারপর বাক্সের বাহির থেকে নিয়ন্ত্রণ করে একটি আণবিক 'কণা' নির্গত করা হয়। কোয়ান্টাম সূত্র অনুসারে ঐ কণাটি চলার কমপক্ষে দুইটি পথ থাকতে পারে। কণাটি যদি একটি বাক্সের মধ্যে নিদিৃস্ট পয়েন্টে আঘাত করে তবে বিড়ালের খাবারের সাথে বিষ মিশে যায় এবং বিষ মিশ্রিত খাবার খেয়ে বিড়াল মারা যায়। এখন কোয়ান্টাম সুত্র অনুযায়ী যেহেতু কণাটির চলার পথ একাধিক তাই বিড়ালের খাবারে বিষ মিশে যাওয়ার সম্ভাবনা এবং একই সঙ্গে না মিশে যাওযার সম্ভাবনা সমান সমান। অর্থাৎ বাক্সবন্দী বিাড়লটি 'একই সঙ্গে জীবিত ও মৃত' যা বাস্তবে হওয়া সম্ভব নয়। অথচ ক্লাসক্যিাল পদার্থবিদ্যা অনুযায়ী কণাটি চলার একটিমাত্র পথ থাকা উচিত তাতে, প্রতি মুহুর্তে বিড়ালটি 'হয় জীবিত নতুবা মৃত'- যা গাণিতিক সিধান্ত হিসেবে সঠিক এবং বাস্তবে হওয়া সম্ভব। কিন্তু কোয়ান্টাম বিদ্যা অনুযায়ী বিড়ালটি "প্রতি মুহুর্তে একইসঙ্গে জীবিত ও মৃত"- যা গাণিতিক সিন্ধান্ত হিসেবে একটি ভুতুড়ে সিধান্ত। এক্ষ্রেত্রে একজন "দর্শকের" বা একটি সচেতন 'মন' ই কেবল বাস্তব সিধান্তটি দিতে পারে। এ্ক্রেত্রে একজন 'দর্শক'ই কেবল বলতে পারে কোনটি সঠিক বাস্তবতা। তাই ভৌত বাস্তবতার 'দর্শক'নিরপেক্ষ বা 'মন'নিরপেক্ষ উপযোগিতা নেই। এ ই হচ্ছে 'বেড়াল পরীক্ষা'র প্রতিপাদ্য। এবং কোয়ান্টাম পদার্থ বিদ্যা এটাই বলতে চায়। মানুষের 'অনু থেকে পরমাণু আর পরমাণু থেকে আরও সুক্ষ পর্যায়ে যতই গবেষণা করতে ততই কোয়ান্টাম বিদ্যার সম্ভাবনা উজ্জল হয়ে উঠছে। তবে পদার্থবিদ্যার সাধারণ ভিত্তি হিসেবে ক্লাসিক্যাল পদার্থ বিদ্যার প্রয়োজনীয়তা থাকবে সবসময়।
২৪. ২৪ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৩:১৩
মহাজাগতিক বলেছেন: সা. চৌ এর উত্তরে, হ্যাঁ।
২৫. ২৪ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৩:২৮
বৃত্তবন্দী বলেছেন: বিড়াল টেস্ট বুঝি নাই @মহাজাগতিক
২৬. ২৪ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৩:৩১
মহাজাগতিক বলেছেন: যাহোক, আমার বুঝ না হয় শূণ্যের কোঠায়- আপনি যেহেতু ভালো বুঝেছেন বা বুঝেন, তাই বলেছিলাম- আলোচনা করবেন কোয়ান্টাম ফিজিক্স নিয়ে আর এক রবীন্দ্রনাথ কোন আলোচনায় কি বললেন তাও আবার ইংগীতে সেটা দিয়ে একটা সিদ্ধান্ত টানবেন- সেটা যেন কেমন লাগে!!!!
=======
আপনার ফিজিক্স পড়াশুনা আরও আগানো উচিত এটা ঠিক। তবে দুঃখ লাগল রবীন্দ্রনাথ সম্পর্কে আপনার 'অবমূল্যায়ন' দেখে। রবীন্দ্রনাথকে আপনি কি মনে করেন? নবু ছবু? আর তাছাড়া রবীন্দ্রনাথ আইনস্টাইনের সাথে কোয়ান্টাম নিয়ে যে আলোচনা করেছেন তা অতি সাধারন পর্যায়ের আলোচনা যা রবীন্দ্রনাথের মত একজন উচ্চমানের কবি ও দার্শনিক জানতেন এবং অনেক সাধারন মানুষ এসব বিষয়ে প্রচুর জানেন। আপনি হয়ত মনে করছেন, আপনি যা বুঝতে পারছেন না তা কেউ বুঝতে পারছে না। আর আপনি যা বোেঝেন বিশেষজ্ঞ পর্যায়ের লোকজন ছাড়া কেউ তা বোঝে না। রবীন্দ্রনাথ কম দুঃখে কোয়ান্টাম নিয়ে আগ্রহ দেখান নি। যিনি বলেন, "আমার প্রাণের মানুষ আছে প্রাণে তাই.... ' কিংম্বা 'আমি কান পেতে রই....' 'তুমি কি কেবলই ছবি..." এরকম আরও অনেক তিনি যখন কোয়ান্টাম নিয়ে আগ্রহ দেখান তখন তার একটা উদ্দেশ্য আছে। তিনিও আসলে বিজ্ঞানের এ তথ্যের সাযুজ্যে বুঝতে চেস্টা করছিলেন যে, এ মহাজগত, এ মানবজীবন এসবের কোোন বিজ্ঞানভিত্তিক পরমার্থিক সম্ভাবনা থাকতে পারে কি-না। যেমন আপনার পোাস্টেও আপনি ঐ একই প্রশ্ন তুলেছেন। রবীন্দ্রনাথের সাথে আপনার মিলটা এখানেই যে, ঐ পরমার্থিক সম্ভাবনার কথা রবীন্দ্রনাথ ভেবেছিলেন ইতবিাচক অর্থে আর আপনি ঐ একই চিরন্তন প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে লেগেছেন নেতিবাচক অর্থে। ধন্যবাদ আপনার পোস্টের জন্য।।
২৭. ২৪ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৩:৩২
বৃত্তবন্দী বলেছেন: আপ্নার পারমিশন ছাড়াই আপ্নাকে আমার লিংকে নিলাম।
সরি।
২৮. ২৪ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৪
মহাজাগতিক বলেছেন: বৃত্তবন্ধীকে বলছি, মানুষ যদি 'বিড়াল টেস্ট' না বোঝে তাহলে বিড়ালের উচিত 'মানুষ টেস্ট' বোঝা। আপনি না বুঝলে আবার পড়ুন। বার বার পড়ুন। আর আপনার না বোঝার ব্যাপারে আমার দায়িত্বটি কোথায় তা বলুন। আমি সাধ্যমত চেস্টা করব। ধন্যবাদ।
২৯. ২৪ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৪
মহাজাগতিক বলেছেন: অসুবিধা নাই, ধন্যবাদ।
৩০. ২৪ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৬
মহাজাগতিক বলেছেন: আজকেও মহাজাগতিক যখন কোয়ান্টাম ফিজিক্সে নোবেল বিজয়ী বিজ্ঞানী ড. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর থেকে বিজ্ঞান আলোচনা করলেন, তখন প্রচণ্ড বিনোদিত হয়েছি।
========
মানুষ কতখানি কুপমুন্ডুক হলে এধরনের কথা বলতে পারে আমি ভেবে অবাক হই। 'নাস্তিকের ধর্মকথা' আপনি কি সত্যিই মনে করেন রবীন্দ্রনাথ আইনস্টাইনের সাথে কোয়ান্টাম নিয়ে যে পর্যায়ের আলোচনা করেছেন তা তিনি করার মত জ্ঞান রাখেন না। আপনি মনে করেন যে ঐ পর্যায়ের জ্ঞান রাখা বা কোয়ান্টাম সম্পর্কে ঐ পর্যায়ের কথা বলার জন্য ফিজিক্সে নোবেল পাওয়া দরকার? বেকুব আর কাকে বলে। আদেখলা নাকি আলুকে বলে সন্দেশ। আপনি আলুকেই সন্দেস ভেবেছেন, সন্দেস দেখলে যে কি মনে করবেন ভেবে পাইনা।
৩১. ২৪ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৪
অপ বাক বলেছেন: ('অতি আণবিক পর্যায়ে 'চান্স' ভাগ্যের বিরাট 'রোল' বা ভূমিকা আছে। অর্থাৎ, পদার্থ বিজ্ঞানে যখন বলা হয়, 'ক' এবং 'খ' শর্ত পূরণ করা হলে 'গ' ফলাফল পাওয়া যাবে- এ কথা নিশ্চিত করা যায় না। তারপরও যখন আণবিক পর্যায়ে এবং বৃহত্তর পর্যায়ে সবকিছু ঠিকঠাক চলতে দেখা যায় তখন এটা ধরে নেয়া সম্ভব যে, 'অতি আণবিক পর্যায়ের সেই 'চান্স' ভাগ্য যেন বুঝে শুনে একটা নির্ধারিত লক্ষ্র্যের দিকে আগাচ্ছে।)

(আতি আণবিক পর্যায়ে বস্তুর আচরণ অনিশ্চিত- এটাই কোয়ান্টাম ফিজিক্সের মূল প্রতিপাদ্য।)

বিজ্ঞানের আলোচনায় এত আনন্দ অনেক দিন পাই নি আমি। কোয়ান্টাম ফিজিক্সে যে ভাগ্য এত গুরুত্বপূর্ণ এই বিষয়টাই নজরে পড়ে নি ভাই। মহাজাগতিক ভাই আপনাকে কোয়ান্টাম মেকানিক্স কি শমসের আলী পড়িয়েছে? অন্য কোনো ছাগলের কাছে এই তত্ত্বের কাছাকাছি কিছু শুনি নি আমি।
যাই হোক কোয়ান্টাম মেকানিক্সে ভাগ্যের ভুমিকা বলে কিছু নেই- একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ অনিশ্চয়তা থাকবে প্রতিটা পর্যবেক্ষণে- আর এই পর্যবেক্ষণের অনিশ্চয়তার ন্যুনতম মানটা নির্দিষ্ট করে দেওয়া আছে-
পর্যবেক্ষণের এই অনিশ্চয়তা কেনো তৈরি হয় তারও একটা ব্যখ্যা দেওয়া আছে-

আমাদের পর্যবেক্ষণের পদ্ধতি সম্পর্কে অবগত থাকলে হয়তো সেটা বুঝানো সহজ হতো। আমাদের পর্যবেক্ষণ অন্তত অতি আণবিক ক্ষেত্রে যন্ত্রের উপর নির্ভরশীল। এই যন্ত্র আমাদের অতি আণবিক কণার অস্তিত্ব সম্পর্কে জানায়- তার বিভিন্ন দশা কিংবা পর্যায় সম্পর্কে জানায়।

শ্রোয়েডিঙ্গারের কালো বিড়ালের উপাখ্যানে যে কথাটা বলা আছে সেটা দার্শণিক সমস্যা না, সমস্যা হলো অন্ধকার একটা ঘরে একটা বেড়াল আছে- সেটা জীবিত কিংবা মৃত এই দুই অবস্থায় থাকতে পারে- আপনার পর্যবেক্ষণের কাজটা করতে হলে ঘরটা কিংবা বাক্সটা খুলতে হবে, বাক্সটা খুলার আগে বিড়ালটার অবস্থা দুটোই হতে পারে- হয় সেটা জীবিত কিংবা সেটা মৃত- তার দশা কিংবা অবস্থা নিয়ে যদি কোনো গাণিতিক সমীকরণ তৈরি করতে হয় তবে তার জীবিত অবস্থা এবং মৃত অবস্থা এই দুটি অবস্থাকেই আমার সম্ভাবনায় রাখতে হবে-
যখন আমি বাক্সটা খুলবো ( স্থুল অর্থে বললে- সুক্ষ্ণার্থে যখনই আমরা কোনো একটা পর্যবেক্ষণ করবো তখনই পদার্থ কিংবা অতি আণবিক কণার দশাটা নির্দিষ্ট হবে) তখনই আমি জানতে পারবো বিড়ালটা মৃত না কি জীবিত- অর্থ্যাৎ আমাদের বাক্সটা খোলা কিংবা পর্যবেক্ষণ একটা নির্দিষ্ট দশা কিংবা অবস্থায় দেখায় অতি আণবিক কণাগুলোকে।

আমাদের প্রতিটা পর্যবেক্ষণ অতি আণবিক কণাগুলোর দশার পরিবর্তন করে-
আরও সংক্ষিপ্ত উদাহরণ হতে পারে আপনি একটি রাস্তায় হাঁটছেন- আপনার অবস্থান এবং আপনার গতিবেগ জানা থাকলে ঠিক পরবর্তী ১০ সেকেন্ডে আপনি কোথায় থাকবেন এটা নিশ্চিত করে বলা যাবে- এটাই ক্ল্যাসিকাল ফিজিক্সের বক্তব্য- ডিটারমিনিস্টিক নেচার কিংবা পরবর্তী দশা সম্পর্কে ভবিষ্যতবাণী করতে পারবার ক্ষমতা-
কিন্তু এটা কি সত্য হবে যখন আপনার গতিবেগ মাপার জন্য আমি একটা কামানের গোলা ছুড়লাম। কামানের গোলা আপনার গায়ে লেগে যখন আমার কাছে কিংবা পর্যবেক্ষণ যন্ত্রের কাছে ফেরত আসবে তখন কামানের গোলার যাওয়ার বেগ আসার বেগ, তার কৌণিক সরণ এইসব মেপে আমি বলতে পারবো আপনি ঠিক সেই মূহূর্তে কোথায় ছিলেন- তবে আপনি কি সত্যিই কামানোর গোলার ধাক্কা খাওয়ার পরে আগের গতিতেই সরল পথে চলতে থাকবেন?
আপনার গতিতে পরিবর্তন আনবার জন্য সামান্য ভরবেগই যথেষ্ট- এটাই নিউটন বলে গিয়েছেন সপ্তদশ শতাব্দিতে- ভরবেগের সামান্য সংযুক্ত আমাদের গতির অবস্থা পরিবর্তন করে।


অতি আণবিক পর্যায়ে আমাদের প্রতিটা পর্যবেক্ষণ বস্তুকণার দশাকে বাড়তি কিছউ ভরবেগ দিয়ে দেয়- তাই তার তাৎক্ষণিক অবস্থান কিংবা গতিবেগ জানতে পারলেও আমাদের জানা হয় না এইমূহুর্তে সেটা কোন দিকে রওনা দিলো- প্রতিটা পর্যবেক্ষণ এক একটা কামানোর গোলার মতোই বস্তুকণাকে দিক পরিবর্তণে বাধ্য করে-
আর বস্তুর দশা সম্পর্কিত অনিশ্চয়তার উৎস আমাদের সাম্ভাব্য যতগুলো অবস্থা হওয়া সম্ভব তার সবগুলোকে বিবেচনায় আনলে পর্যবেক্ষণ শেষে আমরা উপরে উল্লেখিত দশাগুলোর একটাতে বস্তুকণাকে দেখবো- অনিশ্চয়তা হলো ঠিক কোন দশায় দেখবো এটা আমরা বলতে পারবো না- তবে আমি চাইলে যেই দশায় দেখতে চাই সেই দশায় বস্তুকণা থাকবে এই বাস্তবতা নেই- বস্তুকণা আমার মনের খবর জানে না, বস্তুকণা জানে তার পক্ষে ঠিক কোন কোন খানে যাওয়া উচিত কিংবা যাওয়া বৈধ - সেই বৈধ অবস্থান ব্যতিত অন্য কোনো অবস্থানে গিয়ে বস্তুকণাকে জেনা করতে দেখা যাবে না- আপনি আপনার যাবতীয় প্রার্থনা কিংবা মনের জোড় খাটিয়েও দুটো ইলেক্ট্রনকে একই দশায় রাখতে পারবেন না-
৩২. ২৪ শে মে, ২০০৮ রাত ৮:০৯
মহাজাগতিক বলেছেন: অপবাক, খুব বলেছেন। ধন্যবাদ বিস্তারিত বলার জন্য। আপনার মন্তব্য থেকে আরও জানলাম। তবে আপনি যদি 'মহাজাগতিক' এর মতামত জানতে চান তবে বলব, মাহজাগতিক এ পোস্টে যতগুলো মন্তব্য করেছেন তার কোথায় এমন কোনো কথা পাওয়া গেল যে,
"যাবতীয় প্রার্থনা কিংবা মনের জোড় খাটিয়েও দুটো ইলেক্ট্রনকে একই দশায় রাখা যাবে।" কিম্বা এধরনের কোনো কথা। বস্তর উপর মনের প্রভাব খাটানো যায় এমন কথা মাহজাগতিক কোনো ভাবে বলেছেন তা কি এখানে কোথাও আছে? অপবাকের কথা গুলি তাদের জন্য খাটে যারা কোয়ান্টাম মন নিয়ন্ত্রণে বিশ্বাসী। 'কোয়ান্টাম পদ্ধতিতে মন নিয়ুন্ত্রণ' জাতীয় আলোচনার অবতারণা আমি করিনি। অপবাক যদি এটুকু মনে রাখেন তবে আমার প্রতি ন্যায়বিচার করা হবে।

=======
অনিশ্চয়তা হলো ঠিক কোন দশায় দেখবো এটা আমরা বলতে পারবো না- তবে আমি চাইলে যেই দশায় দেখতে চাই সেই দশায় বস্তুকণা থাকবে এই বাস্তবতা নেই-
=======
ঠিক এই কথাটাই আমিও বলতে চেয়েছি। আর মনের ভূমিকা ওখানেই যে, বিকল্প 'দশা'গুলির গাণিতিক সম্ভাবনা সবগুলিরই সমান কিন্তু বাস্তবে রূপ পাবে একটিমাত্র 'দশা'। সেই একটিমাত্র 'দশা' কোনটি তা দেখার জন্য একজন 'দর্শক' লাগবে। তবেই না তাকে 'বাস্তব' বলা যাবে। আশা করি বুঝেছেন। ধরে নিন, মহাজগতে মানুষ বা অন্যকোনো চেতনাশীল কোনো সত্ত্বা অনুপস্থিত। সেক্ষ্রত্রে একটি কণা'র সবগুলি 'দশা'ই গাণিতিকভাবে সত্য। তাহলে আপনাকে স্বীকার করতে হচ্ছে একটি কণার সবগুলি সম্ভাবনাই 'সিমালটেনিয়াসলি' সত্য। এখন অপবাকের কাছে প্রশ্ন- তা কি হওয়া সম্ভব? অতগুলি সম্ভাবনার মধ্যে একটিই সঠিক হওয়া সম্ভব। অতগুলি সিমালটেনিয়াস সত্যের মধ্যে ঠিক কোনটি আসলে 'বাস্তব' হবে তা চাক্ষুস করার জন্য ও অতগুলি সিমালটেনিয়াস সত্যের মধ্যে ঠিক কোনটি আসলে 'বাস্তব' সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য একজন 'দর্শক' বা চেতন 'মন' দরকার। আমার বক্তব্য এটাই। এবং এটাই কোয়ান্টাম বিদ্যার ফিলোসফি। ধন্যাবাদ। অপবাক।
৩৩. ২৪ শে মে, ২০০৮ রাত ৮:২৫
অপ বাক বলেছেন: চেতন মনের প্রয়োজন কেনো? বস্তু নিজের মতোই সময় কাটাবে- সেটা নিজের নির্ধারিত বিধিতেই কাটাবে। সবগুলো দশাই গাণিতিক ভাবে সত্য- তবে বস্তু একই সাথে সবগুলো দশায় অবস্থান করবে না এই অনুসিদ্ধান্ত ভুল- সবগুলো দশায় বস্তু অবস্থান করবে- অন্তত পরীক্ষাগারে এটাই প্রমানিত হয়েছে-
কিভাবে সে এটা করে এটা একটা প্রশ্ন হতে পারে- তবে বস্তুর পক্ষে গাণিতিক ভাবে নির্ধারিত যতগুলো সাম্ভাব্য পথ আছে তার সবগুলোই সে গ্রহন করে- গাণিতিক হিসেবের সাথে পরীক্ষাগারে পরীক্ষার পরে প্রাপ্ত তথ্য যাচাই করে দেখলে এটাই প্রমাণিত হয়।

আমাদের চেতন মন কিংবা আমাদের সচেতনতা আসলে বস্তু কণার এই চরিত্রকে পরিবর্তন করতে পারে না। আমাদের গাণিতিক কল্পনাগুলোর ক্ষমতা সম্পর্কে নিশ্চিত হতে বলছি কিংবা অনুরোধ করছি- আমাদের সমীকরণের হিসাব কষেই বস্তুজগত চলে-
সেখানে ডিটারমিনিস্টিক নেচারের পরিবর্তন হয় না- বস্তুকণার দশাগুলোও নির্ধারণ করা সম্ভব- আমাদের ১ লক্ষ বার পর্যবেক্ষণের পরে অবশ্যই আমরা বিভিন্ন অনুপাতে বিভিন্ন অবস্থান দেখবো- তবে পর্যবেক্ষণ সংখ্যা বাড়ালে দেখবো মোটামুটি গ্রহনযোগ্য সবগুলো অবস্থানের অনুপাত আমাদের সমীকরণের বেধে দেওয়া অনুপাতেই থাকবে।
৩৪. ২৪ শে মে, ২০০৮ রাত ৮:৪২
মহাজাগতিক বলেছেন: আমাদের চেতন মন কিংবা আমাদের সচেতনতা আসলে বস্তু কণার এই চরিত্রকে পরিবর্তন করতে পারে না।
======
একই ভুলটা আপনি আবার চাপিয়ে দিলেন। ব্স্তুর গতিকে মন পূর্ব থেকে প্রভাব খাটিয়ে পরিবর্তন করতে পারে না সেটা ঠিক একশবার। আমি বলছিলাম যে, আপনার গাণিতিক হিসাব যখন অনেকগুলি সম্ভাবনার কথা বললো বটে কিন্তু শেষ পর্যন্ত ১০ টা (ধরে নিচ্ছি) সিমালটেনিয়াস সম্ভাবনার মধ্যে ঠিক কোনটা শেষ পর্যন্ত রূপলাভ করল আর কোন সম্ভাবনাগুলি বাতিল হলো তা আপনি যতক্ষণ না দেখার জন্য জীবিত থাকছেন ততক্ষণ আপনার গাণিতিক হিসাব আর আপনার সমীকরণ সবই শুভঙ্করের ফাঁকি হয়ে থেকে গেল। ঐ গণিত কষার 'মন' নিরপেক্ষ এবং ইউনিভার্সাল কোনো মূল্য থাকলো না।
৩৫. ২৪ শে মে, ২০০৮ রাত ৮:৫০
মহাজাগতিক বলেছেন: যেমনটি থাকে 'ক্লাসিক্যাল' পদার্থবিদ্যায়।
৩৬. ২৪ শে মে, ২০০৮ রাত ৯:০৫
মহাজাগতিক বলেছেন: কোথায় কি যে পড়াশুনা করেন জানিনা। দুঃখ লাগে যখন আপনাদের মত কুপমুন্ডুকরা বলগায়। এত কিছু বলগাইলেন আর এটুকু জানেন না যে শ্রোয়েডিঙ্গাররের বিাড়াল পরীক্ষার নামটি যদিও একটি উপাখ্যানের নাম অনুসারে করা হয়েছে। তা ঐ নামটি মাত্র নেয়া হয়েছে উপাখ্যান থেকে প্রকৃত পক্ষে এটা সম্পূর্ণ একটি বিজ্ঞানের একটি ল্যাবরেটরী টেস্ট। বিস্তারিত দেখুনঃ বহুল জনপ্রিয় উইকিপিডিয়াতে, নিজে দেখুন, অন্্যদেরকে জানান। ছবি, তথ্য, সমীকরণ সবই পাবেনঃ দ্রুত দেখুনঃhttp://en.wikipedia.org/wiki/Schrödinger's_cat
৩৭. ২৪ শে মে, ২০০৮ রাত ৯:১৬
মহাজাগতিক বলেছেন: শ্রোয়েডিঙ্গারের কালো বিড়ালের উপাখ্যানে যে কথাটা বলা আছে সেটা দার্শণিক সমস্যা না, সমস্যা হলো অন্ধকার একটা ঘরে একটা বেড়াল আছে- সেটা জীবিত কিংবা মৃত এই দুই অবস্থায় থাকতে পারে- আপনার পর্যবেক্ষণের কাজটা করতে হলে ঘরটা কিংবা বাক্সটা খুলতে হবে, বাক্সটা খুলার আগে বিড়ালটার অবস্থা দুটোই হতে পারে- হয় সেটা জীবিত কিংবা সেটা মৃত-
দেখুনঃhttp://en.wikipedia.org/wiki/Schrödinger's_cat
৩৮. ২৪ শে মে, ২০০৮ রাত ৯:৫৯
অপ বাক বলেছেন: মহাজাগতিক আপনার সাথে এই বিষয়ে বিতর্ক করাটা বন্ধ্যাগমনের মতো হয়ে যাচ্ছে-
এরপরও বলি- আপনি যদি উইকিপিডিয়ার সেই লিংক যেটা সার্চ বক্সে শ্রোয়েডিংগার ক্যাট লিখলে আসে সেটার ছবি এবং সমীকরণের কথা বলছেন তবে উপরে বেড়ালের পাশের বক্তব্য না পড়ে সম্পূর্ণ পাতাটা পড়ুন। সময় নিয়ে পড়ুন- সমস্যা নেই-
অন্তত এই বিভ্রান্তি নিয়ে যদি বসে থাকে শ্রোয়েডিংগারের এই কাল্পনিক পরীক্ষাটা কেউ বাস্তবে করেছে- তবে আপনাকে বুঝানোর ক্ষমতা আমার নেই-

সম্পূর্ণটা না পড়লে কিভাবে বুঝিয়ে বলবো বুঝতেছি না-
তবে সেখানে যা লেখা আছে তার বাংলা করলে দাঁড়ায়- এটা সম্পূর্ণ একটা কাল্পনিক পরীক্ষা- কোথাও কেউ এই পরীক্ষাটা করে নি- এটা আইনস্টাইনের সাথে একটা বিতর্কের জন্য উত্থাপিত থট এক্সপেরিমেন্ট ছিলো- যার উদ্দেশ্য ছিলো কোয়ান্টাম মেকানিক্সের গাণিতিক সমীকরণের অনন্যতা বুঝানোর প্রচেষ্টা-

এটার অনেকগুলো ব্যখ্যা বিদ্যমান- সে সময়ের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে একই বিষয়ের নানাবিধ ব্যখ্যা ছিলো- সেগুলোর কোনটা সঠিক কোনটা ভুল এটা নির্ধারণের একটা সুযোগ এই পরীক্ষায় আছে-

তবে প্রথম এবং শেষ বক্তব্য হলো- এই পরীক্ষাটা কেউ পরীক্ষাগারে এখনও করে নি- আপনি করে অন্তত বিশ্বে আমিই প্রথম এই রায়হান গফুরের শব্দটা গ্রহন করতে পারেন।
৩৯. ২৪ শে মে, ২০০৮ রাত ১০:২২
একবাল হুসেন বলেছেন: পড়ছি মনোযেগ দিয়ে। আমি ততটা বুঝিনা। তবে এই নিয়ে পোস্ট দেবো।
৪০. ২৫ শে মে, ২০০৮ সকাল ১০:৫৫
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: আপনারা লেখাটা পড়লাম এবং এটা জেনে আনন্দিত হলাম যে আমি নাস্তিকতা বা মানুষের নাস্তিক হওয়া সম্পর্কে যা ভাবি - নাস্তিকতা আসলেই তাই। আপনি যদি আমার লেখাটার সবগুলো পর্বই পড়ে থাকেন তাহলে আশা করি আপনিও আমার সাথে একমত হবেন।
আমার লেখার পরের পর্বে আসছে : নাস্তিকতার অন্যতম কারণ আল্লাহ সম্পর্কিত ভুল ধারনা। আশা করি সময় নিয়ে পড়বেন।

আমার বক্তব্যের সরাসরি জবাব না দিয়ে মানুষের ইশ্বর সম্পর্কিত ধারনার উদ্ভব ইত্যাদি নিয়ে বিশাল আলোচনার অবতারনা করে শেষ পর্যন্ত আমার কথাতেই ফিরে এসেছেন। আপনার লেখার শেষ প‌্যারায় আপনি বলেছেন : "বিজ্ঞানের মূল কাজ হচ্ছে প্রকৃতির বিভিন্ন নিয়মকে উদঘাটিত করা।" তাহলে সেই নিয়মটা বানাল কে? আমি যদি উদ্ভাবন করি "সুইচ টিপলে লাইট জ্বলে" - তার মানে কি আমিই সব? - না। এই পদ্ধতিটা-নিয়মটা একজন বানিয়ে রেখেছে বলেই আমি সুইচ টিপলে লাইট জ্বলছে। বিজ্ঞানও একই ভাবে প্রকৃতির বিভিন্ন নিয়ম উদ্ভাবন করছে - সেই নিয়ম কে বানিয়েছে সে ব্যাপারে বিজ্ঞানের কোন জ্ঞান নেই।
আপনার শেষ কথাটার বক্তব্যও একই - "এভাবেই ঈশ্বরতত্ত্ব বিজ্ঞানের আওতামুক্ত সাবজেক্ট।" -
আমি আপনার সাথে সম্পুর্ণ একমত - আসলেই ইশ্বর বিজ্ঞানের আওতার বাইরে - সুতরাং ইশ্বর আছে কি নেই সে কথা বলার ক্ষমতা বিজ্ঞানের নেই। তাহলে আপনি কিভাবে দাবি করছেন "ইশ্বর নেই" এটা বৈজ্ঞানিক সত্য। যে বিষয়টা আপনি নিজেই স্বীকার করছেন যে বিজ্ঞানের আওতার বাইরে সেই বিষয়ক সিদ্ধান্তকেই আপনি আবার বৈজ্ঞানিক সত্য বলছেন - একটু গোলমেলে মনে হচ্ছে না।
৪১. ২৫ শে মে, ২০০৮ সকাল ১১:৫১
মহাজাগতিক বলেছেন: অপ বাক বলেছেন: মহাজাগতিক আপনার সাথে এই বিষয়ে বিতর্ক করাটা বন্ধ্যাগমনের মতো হয়ে যাচ্ছে-
এরপরও বলি- আপনি যদি উইকিপিডিয়ার সেই লিংক যেটা সার্চ বক্সে শ্রোয়েডিংগার ক্যাট লিখলে আসে সেটার ছবি এবং সমীকরণের কথা বলছেন তবে উপরে বেড়ালের পাশের বক্তব্য না পড়ে সম্পূর্ণ পাতাটা পড়ুন। সময় নিয়ে পড়ুন- সমস্যা নেই-
=====
কি যে বলেন, এই Click This Link লিংকটি থেকে লেখা, বক্তব্য, ছবি সমীকরণ সবকিছু সহ উইকিপিডিয়ার 'আটিৃকেল' পাতাটি ওপেন হয়। আপনি কিভাবে চেস্টা করেছেন জানিনা। সরাসরি কপি করে 'এ্যাড্রেসববার' এ পেস্ট করে এন্টার চাপুন। আমি কি সমীকরণ না দেখেই বলেছি যে, লেখা ও সমীকরণসহ ছবি আছে? আর পরীক্ষাটা কেউ করে দেখেনি। কারণ ওটা এত সরল একটা পরীক্ষা যা করারই দরকার হয়না। চিন্তাভাবানায় বিষয়টা ধরতে পারলেই কাজ হয়ে যায় যেখানে প্রতিপাদ্য বিষয় হলো কোয়ান্টাম সম্ভাবনাগুলি মিশ্রিত অবস্থায় থাকে না কি স্বতন্ত্র সম্ভাবনা হিসেবে বিরাজ করে।
৪২. ২৫ শে মে, ২০০৮ সকাল ১১:৫৯
দ্বিতীয়নাম বলেছেন: এই পোস্টের সাথে এই লিংকটা থাকলে বিষয়টা সম্পূর্ন হয়ঃ
http://www.sachalayatan.com/avijit/15356
৪৩. ২৫ শে মে, ২০০৮ দুপুর ১২:১৫
জামাল ভাস্কর বলেছেন: সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন: @মহাজাগতিক বিড়াল টেস্টটা কি রোজার পেনরোজ ও হকিংয়ের মহাজাগতিক বলেছেন: সা. চৌ এর উত্তরে, হ্যাঁ।

বিড়াল পরীক্ষাটা আমিও করতে চাই...পেনরোজ আর হকিং সাহেবের অনুমতি লাগবো?
৪৪. ২৫ শে মে, ২০০৮ দুপুর ১২:২৫
মেন্টাল বলেছেন:
মহাজাগতিক বলেছেন:
-------------আর পরীক্ষাটা কেউ করে দেখেনি। কারণ ওটা এত সরল একটা পরীক্ষা যা করারই দরকার হয়না। .........

৪৫. ২৫ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৭
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: আমার লেখাটার পঞ্চম পর্ব আজকে পোস্ট করলাম। আশা করি সময় নিয়ে পড়বেন।
সামি মিয়াদাদকে বলছি: এই পোস্ট টি পড়ার পর আমার ইমান আরো বৃদ্ধি পেয়েছে কারণ আমি বুঝতে পারছি নাস্তিকরা কেন আল্লাহকে অস্বীকরা করে। আমার লেখাটার শেষ পর্ব পড়লে বিষয়টা আপনিও বুঝতে পারবেন আশা করি। Click This Link
৪৬. ২৫ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৩
মহাজাগতিক বলেছেন: এত ব্যস্ত হলে কি আর বিজ্ঞান নিয়ে আলোচনা চলে? আচ্ছা, অতবড় একটা আলোচনায় যেখানে আইনস্টাইনও অংশ নিয়েছিলেন, যেখানে আইনস্টাইনেরই পরামর্শে শ্রোয়েডিঙ্গার পরীক্ষাটা করেছিলেন, (ক্লাসিক্যাল পদার্থবিদ্যার সমর্থক আইনস্টাইন)
দেখুনঃ
Influenced by a suggestion of Albert Einstein, Schrödinger extrapolated the concept to a larger scale. He proposed a scenario with a cat in a sealed box, where the cat's life or death was dependent on the state of a subatomic particle. According to Schrödinger, the Copenhagen interpretation implies that the cat remains both alive and dead until the box is opened.
আপনি পুরো রচনাটি আবার মনোযোগদিয়ে পড়ুন আর সৎভাবে বলুন রচনাটিতে আসলে কি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এই পোস্টে আরও অনেকেই আসে যারা শুধু হাততালি দেওয়ার দর্শক, এদের শুধু হাত দুটিই আছে মাথায় কিছু নেই। নিজস্ব কোনো বিজ্ঞান চেতনা নেই। কিন্তু আমি মনে করি আপনার তা আছে তাই আমি আপনার কাছে একটা বিজ্ঞানমনস্ক এবং গভীর পর্যায়ের চিন্তভাবনার আলোকপাত আশা করি। দেখুন উইকিপিডিয়াতে দেয়া ঐ রচনার মূল বিষয় ছিল, কোয়ান্টাম স্টেট নিয়ে কোপেনহেগেন ইন্টারপ্রিটেশনের বিপরীতে আইনস্টাইনের ব্যাখ্যা কিভাবে কার্যকরী তা প্রমাণ করা। সে কারণেই আইনস্টাইন শ্রোয়েিডিঙ্গারকে একটি পরীক্ষা হাজির করতে বলেন যাতে আইনস্টাইনের ব্যাখ্যাটি সঠিক বলে প্রমাণ হয় যদিও পরীক্ষাটি ছিল 'থিয়োরিটিক্যাল ওয়ান' । (থিয়োরিটিক্যাল ওয়ান- কাল্পনিক পরীক্ষা??? না কি তত্বমুলক পরীক্ষা? এমনকি বিজ্ঞাান আলোচনায়ও মানুষ বিকৃতির আশ্রয় নিয়ে দলবাজী করতে চাইবে? সরি)
এখন এক এক করে আলোচনা করা যাক।
কোয়ন্টাম নিয়ে আজকাল যেমন 'মন নিয়ন্ত্রণ' জাতীয় বই আমাদের দেশে পাওযা যায় তেমনি কোয়ান্টাম থিয়েরি নিয়ে জার্মানীর কোপেনহেগেন এর একদল বিজ্ঞানী ও তাদের কিছু অনুসারী কোয়ান্টাম স্টেট কে একটি 'অধিভৌতিক অবস্থা' বলে বর্ণনা করতে চাইলেন। তাদের বক্তব্য ছিল, 'যে কোয়ান্টাম পর্যায়ে বস্তুর সম্ভাবনাগুলি একটির সাথে আরেকটি মিশেল অবস্থায় থাকে এবং সেটা একটা 'অতিপ্রাকৃতিক অবস্থা' এবং এ ব্যাখা দিয়ে তারা প্রকৃতিতে 'সুপারস্টিশনকে' জায়গা করে দিতে চাইলেন। তারা বলতে চেয়েছিলেন, কোয়ান্টাম পর্যায়ে বস্তুর সম্ভাগুলি একত্রে অবস্থান করে একটি খিচুড়ী মার্কা অবস্তায় থাকে যে অবস্থাকে 'ক্লাসিক্যাল স্টেট' বলা যায়না। তাদের কোয়ান্টাম পর্যায়ের ঐ খিচুড়ীমার্কা অবস্থাকে ক্লাসিক্যাল পদার্থবিদ্যা দ্বারা ব্যাখ্যা করা যায়না। তাদের মতে ওটা একটা অধিভৌতিক অবস্থা। কিন্তু ক্লাসিক্যাল পদার্থবিদ্যার সমর্থক আইনস্টাইন তা মানতে চাইলেন না। ফলে তিনি শ্রোয়েডিঙ্গারকে একটি পরীক্ষা হাজির করতে বলেন যেখানে কোপেনহাগেন দলের ব্যাখ্যাকে ভুল প্রমাণ করা যায়। এভাবে শ্রোয়েডিঙ্গার এই 'থট এক্সপেরিমেন্ট' বা 'চিন্তামূলক পরীক্ষা' হাজির করেন। 'থট এক্সপেরিমেন্ট' চিন্তামূলক পরীক্ষা ('কাল্পনিক পরীক্ষা' নয়। আপনাদের চিন্তাভাবানা কি কাল্পনিক???? কল্পনাবাদী চিন্তাভাবনা পোষণ করেন নাকি? না চিন্তার মধ্যে যুক্তী থাকে আপনাদের? যুক্তি যদি থাকে আর আপনাদের চিন্থাভাবনার যদি কোনো মূল্য থাকে তাহলে 'থট এক্সপেরিম্নেট' কথাটিকে কিভাবে অনুবাদ করেন, 'কাল্পনিক পরীক্ষা'? নিজের মূল্য কিছুই বোঝেন না দেখছি।)
আপনার মত বিজ্ঞান বোদ্ধা আমি স্বল্প ব্লগজীবনে একজনকেই দেখলাম, বাকীরা সব হাতসাফাই। তাই আপনার কাছে প্রত্যাশা আমার বেশী। আপনার বিজ্ঞানভাবনার দোহাই, বলুন তো উইকিপিডিয়ার ঐ রচনাতে নিচের বিষয়গুলি ঠিক এভাবেই আছে কি না। ঐ রচনার সারমর্ম হিসেবে নিচের কথাগুলি যদি সঠিক হয় তাহলে 'হ্যাঁ' বলুন আর যদি সঠিক না হয় তবে আমাকে সঠিকটি বুঝিয়ে বলুন।

১। 'কোপেনহেগেন দল' কোয়ান্টাম পর্যায়ে বস্তুর সম্ভ্যাব 'দশা'গুলিকে একটি খিচুড়ি মার্কা অবস্থায় থাকে (a mixture of states) বলে বর্ণান করেন।

২। আইনস্টাইন একজন ক্লাসিক্লাল পদার্থবিদ্যার ঘোর সমর্থক হিসেবে একথা মানতে চাইলেন না। তিনি বললেন, . কোয়ান্টাম পর্যায়ে বস্তুর 'দশা'গুলি খিচুড়ি অবস্তায় নয বরং এক একটি তন্ত্র সম্ভাবনা' হিসেবে বিরাজ করে। একারণে তিনি শ্রোয়েডিঙ্গার কো একটি পরীক্ষা হাজির করতে বলেন যে পরীক্ষায় দেখানে সম্ভব হয় যে, কিভাবে বস্তুর 'দশা'গুলি একটি লিনিয়ার সমীকরণের আওতায় স্বতন্ত্র সম্ভাাবনা হিসেবে বিরাজ করে।


৪। কোপেনহেগেন দলের বিপরীতে আইনন্টাইন বলতে চেয়েছিলেন যে, কোয়ান্টাম পর্যায়ে বস্তুর দশাগুলি একত্রে মিলেমিশে (collapse into a definite state) একটি 'অধিভৌতিক' বা সুপারস্টিশাস অবস্থা তৈরী করে না বরং সব সম্ভাবনা আলাদা আলাদা ভাবে বিরাজ করে।

৫। 'থট এক্সপিরিমেন্টের' উদ্দেশ্য ছিল কোয়ান্টাম পর্যায়ে বস্তুর দশাগুলি 'ক্লাসিক্যাল' নিশ্চয়াতপূর্ণ অবস্থায় থাকে না কি কোপেনহেগেন দলের প্রস্তাবিত 'অধিভৌতিক' বা '(collapse into a definite state) এ থাকে তা প্রামাণ করা।
Schrödinger's famous thought experiment poses the question: when does a quantum system stop existing as a mixture of states and become one or the other? (More technically, when does the actual quantum state stop being a linear combination of states, each of which resemble different classical states, and instead begin to have a unique classical description?)
৬। শ্রোয়েডিঙ্গার বেড়াল পরীক্ষায় দেখান যে, কোপেনহেগন দলের কথা যদি ঠিক হয় অর্থা কোয়ান্টাম 'দশা'গুলি (collapse into a definite state) থাকে তাহলে বাক্সবন্দী বেড়ালটি একটি 'জ্যান্তমরা' বেড়াল বা 'একইসঙ্গেজীবিতওমৃত' একটি ভৌতিক বেড়াল হিসেবে অবস্থান করে- যা হওয়া সম্ভব নয়। কিন্তু যদি আইনস্টাইনীয় 'ক্লাসিক্যাল' পদার্থবিদ্যা অনুযায়ী প্রতি মূহুর্তের 'দশা' গণনা করে সমীকরণের আওতায় আনা হয় তাহলে বেড়ালটি 'প্রতি মূহুর্তে- হয় জীবিত না হয় মৃত' একটি বেড়াল হিসেবে থাকে- যা হওয়া সম্ভব।

এবার বলুন রচনাটিতে এসব কথার বাইরে আর কোনো কথা আছে কি? যদি না থাকে তবে বলু আমার বক্তব্যের ভুলটা কোথায় হলো? আমি বলেছিলাম, কোয়ান্টাম পর্যায়ে বস্তুর 'দশা' শেষ পর্যন্ত কি হবে তা বলা যাবে একজন 'দর্শক' বা একটি সচেতন 'মন' শেষ পর্যন্ত কেমন ঘটতে দেখবে তা ই সত্য। 'রিয়েলিটি' বা সত্যটা শেষ পর্যন্ত প্রকাশিত হবে 'দর্শকের' বা 'মনের' সামনে। অন্যথায় কোয়ান্টাম দশা গুলি গাণিতিক সম্ভাবনা হিসেবেই মূল্যহীন 'আনরিয়েল' থেকে যাবে।

কোয়ান্টাম দশাগুলি কোপেনহেগেন দলের কথামতো 'খিচুড়ি' অবস্থায়ই থাকুক আর আইনস্টাইনের মতানুসারে তা 'স্বতন্ত্র' অবস্থায়ই থাকুক না কেন তাতে আমার বক্তব্যের কোনো হেরফের তো হয়না। কোয়ান্টাম দশাগুলি যে অবস্তাতেই থাকুক না কেন শেষ পর্যন্ত কোন সম্ভাবনাটি 'রিয়েল' বা বাস্তব হয়ে উঠবে তা প্রতক্ষ্য করার জন্য একজন 'দর্শক' দরকার, তা না হলে ঐ গাণিতিক সম্ভাগুলি 'আনরিয়েল' থেকে যাবে। আমার বলবার বিষয় ছিল কোয়ান্টাম পর্যায়ে বস্তুর আচরণ বিশ্লেষন করলে এ সিদ্ধান্ত নেয়া যায় যে, আমাদের চারপাশের এই ভৌতজগত বা ফিজিক্যাল ওয়ার্ল্ডের একাধিক প্যারালাল আছে। সেই প্যারালাল গুলির কোনটি 'সত্য' হয়ে দেখা দেবে তা একজন 'দর্শক' বা 'মন' ই কেবল প্রতক্ষ্য করতে পারে। 'দর্শক' ছাড়া ঐ প্রকারের 'সত্য'র কোনো একরৈখিক, চিরন্তন বা ইউনিভার্সাল কোনো রূপ নেই।

৪৭. ২৫ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৩:৫২
দ্বিতীয়নাম বলেছেন: ঈশ্বরের আসলে অনেক কিছু শেখার জানার আছে :||
৪৮. ২৫ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৯
জামাল ভাস্কর বলেছেন: পেনরোজ আর হকিং'এর বিলাই পরীক্ষা থেইকা এখন আবার শ্রোয়ডিঙ্গার সাহেব আইলেন কেমনে বুঝলাম না...
৪৯. ২৭ শে মে, ২০০৮ রাত ১১:০০
জামাল ভাস্কর বলেছেন: শুরুতে বিলাই পরীক্ষাটা পেনরোজ আর হকিংয়ের কইয়া পরে শ্রোয়েডিঙ্গার সাহেব কোত্থেইকা আইলেন সেইটাই বুঝলাম না...
৫০. ২৮ শে মে, ২০০৮ রাত ১২:৩১
দ্বিধা বলেছেন: নিজেরে জ্ঞানী জ্ঞানী লাগতেসে...এত্ত জ্ঞানের কথা শুনলাম...
৫১. ২৮ শে মে, ২০০৮ দুপুর ১২:১৩
সমাজতান্ত্রিক ফোরাম বলেছেন: প্রিয় সমাজতান্ত্রিক ফোরাম গ্রুপের সদস্য,

আমাদের প্রিয় ব্লগার নিকো "সমাজতন্ত্রের প্রায়োগিকতা" শীর্ষক তার একটি পোস্টে ( Click This Link) একটি আলোচনা উপস্থাপন করেছিলেন, যেখানে তিনি বাংলাদেশের বাম দলগুলোর বিরোধ নিয়ে চমৎকার একটি সমালোচনা করেছেন। এই আলোচনাটি নিয়ে সমাজতান্ত্রিক ফোরাম গ্রুপের সদস্যদের মধ্যে একটি ওপেন বিতর্ক হতে পারে বিবেচনা করে পোস্টটিকে স্টিকি করা হয়েছে। এবং মূল আলোচনার সাথে যুক্ত করে তিনটি প্রশ্ন নির্ধারণ করা হয়েছে। আমরা আশা করছি, আপনারা এই বিতর্কে অংশ নিবেন এবং আপনাদের গুরুত্বপূর্ণ মতামতটি জানাবেন।
প্রশ্ন গুলো নিম্নরূপঃ
১। কেন বাম দলগুলো এত ভাগে বিভক্ত? অন্তত তাদের নেতাদের বক্তৃতা শুনলে খুব বেশী পার্থক্য আছে বলে মনে হয় না। ২। বিপ্লবের স্তর কি হবে? সমাজতান্ত্রিক? জনগণতান্ত্রিক? বুর্জোয়া গণতান্ত্রিক? ৩। আমাদের রাষ্ট্র ব্যবস্থা ও উৎপাদন পদ্ধতি কিরূপ? পুঁজিবাদী? সামন্তীয়? আধা পুঁজিবাদ, আধা সামন্তবাদ? আধা সাম্রাজ্যবাদ আধা সামন্তীয়?
৫৩. ০৮ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৫:১৬
উবুনটু বলেছেন: নাস্তিকের ধর্মকথা ভাইজান যে

Quantam physics, Quantam Mechanics, Classical Physics, Mathmetics, Quran, Bibel, Mythology, Philosophy

সব বিষয়ে P.H.D holder জেনে খুশি হলাম :)

ভাইজান, superposition theory টা তে সমস্যা আছে, একটু বুঝায় দিলে বড় ই খুশি হইতাম :)
৫৪. ১১ ই জুন, ২০০৮ সকাল ১০:৫০
নিকো৮১২৩ বলেছেন: ভাই মহাজাতক আপনি কোয়ান্টাম মেকানিক্স এর যে পরীক্ষাটার কথা বলেছেন সেটা এক্ষেত্রে উল্লেখ করাটা ভুল হয়েছে। প্রথম কারণ হলো হাইজেনবার্গের আনসার্টেনেটি প্রিন্সিপাল এর প্রস্তাবণা নিয়ে যে ডিবেট টা হচ্ছিল - যে বস্তুর একাধিক সাম্ভাব্য অবস্থার মধ্যে থেকে পর্যবেক্ষক এর উপর নির্ভর করে একটা অবস্থা বাস্তবায়িত হয় এই প্রস্তাবটার হাস্যকর দিকটা বোঝানর জন্য শ্রোয়েডিংগার বিড়াল এর এক্সপেরিমেন্টটার প্রস্তাব করেন।
"n 1935 Schrodinger, who was responsible for formulating much of the wave mechanics in quantum physics, published an essay describing the conceptual problems in quantum mechanics. A brief paragraph in this essay described the, now famous, cat paradox."-http://zebu.uoregon.edu/~js/21st_century_science/lectures/lec14.html
লিংক দিয়ে দিলাম।
৫৬. ১১ ই জুন, ২০০৮ সকাল ১০:৫৫
নিকো৮১২৩ বলেছেন: Schrödinger's cat is a seemingly paradoxical thought experiment devised by Erwin Schrödinger that attempts to illustrate the incompleteness of the theory of quantum mechanics when going from subatomic to macroscopic systems. - Click This Link

আপনি wikipedia-এর রেফারেন্স দিলেন তাই ওখানে এই বিড়াল এক্সপেরিমেন্ট নিয়ে শুরু করেছে কি কমন্টে দিয়ে তা দিলাম। বাকি আলোচনায় পরে আসছি।
৫৭. ১১ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ১:৪৭
নিকো৮১২৩ বলেছেন: আর দুই নাম্বার হলো আপনি এক্সপেরিমেন্টটার বর্ণনা একটু অন্যভাবে দিয়েছেন। আসল বর্ণনাটা দেই এটাও উপরের লিংক থেকেই পাবেন -

One can even set up quite ridiculous cases. A cat is penned up in a steel chamber, along with the following diabolical device (which must be secured against direct interference by the cat): in a Geiger counter there is a tiny bit of radioactive substance, so small that perhaps in the course of one hour one of the atoms decays, but also, with equal probability, perhaps none; if it happens, the counter tube discharges and through a relay releases a hammer which shatters a small flask of hydrocyanic acid. If one has left this entire system to itself for an hour, one would say that the cat still lives if meanwhile no atom has decayed. The first atomic decay would have poisoned it. The Psi function for the entire system would express this by having in it the living and the dead cat (pardon the expression) mixed or smeared out in equal parts.[1] - Click This Link
৫৮. ১১ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ২:০১
নিকো৮১২৩ বলেছেন: এই বর্ণনায় প্যারাডক্সটা দেখেন - এত ছোট একটা তেজষ্ক্রিয় পদার্থ রাখা হয়তো একঘন্টায় সেটা থেকে একটা মাত্র কণা ক্ষয়ে যাবে আবার নাও ক্ষয় হতে পারে। কিন্তু বাকি সেট আপটা এমন যেন একটা মাত্র কনা বের হলেও হাইড্রোসায়ানাইড নির্গত হবে এবং বিড়ালটা মারা যাবে। তো একঘন্টা পর কি হবে? আমরা কি না দেখা পর্যন্ত বিড়ালটা মারা গেছে অথবা বেচে আছে দুটা অবস্থানেই থাকবে। এবং দেখার পর তার একটা অবস্থা বাস্তবায়িত হবে? এটাই তো প্যারাডক্সটা তাই না? এবং কোয়ান্টাম মেকানিক্সের দার্শনিকেরা যেভাবে ব্যাখ্যা করতে চান এই প্যারাডক্সের কোন ব্যাখ্যা কিন্তু তারা দিতে পারেননি।

তিন নম্বর হলো - আপনি শুধু আইনষ্টাইনের কথা বললেন যে হাইজেনবার্গের দার্শনিক ব্যাখ্যা তিনি মানতে পারেননি। কিন্তু আরও অনেক বড় বড় বিজ্ঞানীও ছিলেন যে তারা এই ব্যাখ্যাটা মানতে পারেননি। শ্রোয়েডিংগারের কথা তো বলেইছি আরও ছিলেন ম্যাক্স প্লাংক, লর্ড রাদারফোর্ড, নাথান রোজেন, ডেবিড বম, রজার পেনরোজ, লুই দ্যা ব্রগলি, মাকস বর্ন এরকম আরও অনেকে।
৫৯. ১১ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ২:০৬
নিকো৮১২৩ বলেছেন: চার নম্বর হলো - আইনষ্টাইন,রোজেন ও পোদলস্কি আর একটা এক্সপেরিমেন্ট এর প্রস্তাব করেন। যা ইপিআর প্যারাডক্স নামে পরিচিত। সেখানে মাইক্রো পার্টিকেল এর ক্ষেত্রেও যে কার্যকারণ সম্পর্ক একই ভাবে কাজ করে তা প্রমান করবার চেষ্টা করেন।
৬০. ১১ ই জুন, ২০০৮ দুপুর ২:১০
নিকো৮১২৩ বলেছেন: পাচ নাম্বার হলো
বিজ্ঞানী বর্ন এর মতে নিউটনীয়ান মেকানিক্স causality and determinism -কে সমার্থক ধরে দুটাই গ্রহণ করেছে আর কোয়ান্টাম মেকানিক্সও দুটোকেই সমার্থক ধরে দু্টাই বাদ দিতে চাইছে। যদিও দুটো এক না।
৬১. ১২ ই জুন, ২০০৮ সকাল ৮:৪২
নিকো৮১২৩ বলেছেন: আর শেষ যে কথাটা তা হলো রবীন্দ্রনাথ আইনষ্টাইনের সাথে দার্শনিক বিতর্কের ক্ষেত্রে কোয়ান্টাম মেকানিক্স নিয়ে কথা বলার ক্ষমতা রাখতেন এর চেয়ে বেশি না। কারণ কোয়ান্টাম মেকানিক্স'এ ম্যাথমেটিক্যাল পয়েন্ট থেকে আইনষ্টাইনের সাথে ডিবেট করবার ক্ষমতা সে সময় যে কয়জনের ছিলো রবীন্দ্রনাথ তাদের মধ্যে ছিলেন না।
৬২. ১৮ ই জুন, ২০০৮ রাত ৩:৫১
আরিফুর রহমান বলেছেন: না ধ...

আপনের সাথে কথা আছে.. ইয়াহুতে আসেন দয়া করে!
১৮ ই জুন, ২০০৮ ভোর ৬:০৪

লেখক বলেছেন:
সরি, অনেক পরে এটি চোখে পড়লো....

৬৩. ২১ শে জুন, ২০০৮ দুপুর ১২:২৩
বিবর্তনবাদী বলেছেন: ভাই কেমন আছেন?? আপনার লেখাগুলা পড়া হয়ে উঠছে না। নিজেও তেমন ঘাটাঘটি করে লিখতে পারছি না।

ছেলের নাম এতদিনে নিশ্চয়ই রেখেছেন!!! আমারেতো কইলেন না :(
৬৪. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:২৬
জয়েনটু বলেছেন:
আইনস্টআইন: I believe that whatever we do or live for has its causality; it is good, however, that we cannot see through to it.
আমি দূঃখিত, আমাকে ইংরেজিতে লিখতে হচ্ছে-

I would say what Einstein wanted to say that is nothing but the doctrine of "Causes" and "Conditions" which is called "Causality". The doctrine of Causality defines not necessarily to believe on Supreme Power (God) at all, but everything happen due to "Causes" and "Conditions", where none of God could play any contribution. The Buddha in his language called it "Paticcasamudpada" (in English-Dependent-Origination). There are no things which can originate without any cause. So to say, Einstein accepted the doctrine of the Buddha, because the Buddha was not just a religious founder or leader, who did not accept any idea about Supreme, Omniscience Powerful, Creator God, but he discovered the Truth of the Universe. The Buddha explained it clearly....

http://www.geocities.com/dependentorigination/

Any of logical idea will be accepted!!!!!
১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৫

লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ।

 

মোট সময় লেগেছে ১.১৫৩৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
মানুষেরে ঘৃণা করি'/
ও কারা কোরান, বেদ, বাইবেল চুম্বিছে মরি' মরি'/
ও মুখ হইতে কেতাব-গ্রন্থ নাও জোর ক'রে কেড়ে,/
যাহারা আনিল গ্রন্থ-কেতাব সেই...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই