আমার প্রিয় পোস্ট

নবীজী মুহম্মদ সা. এর বিয়েসমূহ এবং কিছু প্রশ্ন

২২ শে জুন, ২০০৮ দুপুর ১২:০১

শেয়ারঃ
0 11 0

উৎসর্গঃ ইউসুফ আল কারদাওয়ী, মাহমুদ রহমান, মাহিরাহি ও তৌসিক আহম্মেদ।

পড়ে আসুনঃ
১। নবীজি সা: এর বহুবিবাহের কারন- মাহিরাহি
২। রসুল সা. এর চারের অধিক বিয়ে প্রসংগঃ ইউসুফ আল কারদাওয়ী- মাহমুদ রহমান
৩। ইসলাম সম্পর্কে অমুসলিমদের কিছু প্রশ্নের উত্তর। উত্তর নং: ১, ২।
(মুসলমান পুরুষদের একাধিক বিবাহের অনুমতি দেয়া হয়েছে কেন? এবং পুরুষদের একাধিক বিয়ের অনুমতি থাকলেও নারীদের নেই কেন?

এক
মাহিরাহি তার পোস্টে লিখেছেনঃ
নবীজী সা: এর স্ত্রীদের দুজনের বয়স শুধু ৩৬ বছরের নীচে ছিল। বাকী স্ত্রীগনের বয়স ছিল ৩৬ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে।

এটা যে একটি নির্জলা মিথ্যাচার তা নিচের তালিকা দেখলেই পরিষ্কার হবে।
৩৬ বছরের নীচের স্ত্রীদের তালিকাঃ(1)
১। আয়েশাঃ আয়েশাকে বিয়ে করেন ৬ বছর বয়সে(2) এবং আয়েশা মুহম্মদ সা এর ঘরে প্রবেশ করেন (বাসর হয়) ৯ বছর বয়সে।
২। হাফসাঃ হাফসা বিধবা হন ১৮ বছর বয়সে, উমর রা পর্যায়ক্রমে আবু বকর রা ও ওসমান রা কে প্রস্তাব পাঠালে তাঁরা উভয়েই হাফসা কে বিয়ে করতে অসম্মত হন কেননা তাঁরা জানতেন যে মুহম্মদ সা হাফসা কে বিয়ে করতে মনস্থির করেছেন (3)! অবশেষে মুহম্মদ সা যখন হাফসাকে বিয়ে করেন তখন তার বয়স ছিল ২০ বছর
৩। সাফিয়াঃ খায়বরের যুদ্ধে সাফিয়ার (4) স্বামিকে হত্যা করে সাফিয়াকে বন্দী করা হয়। প্রথমে মালে গনীমতের ভাগাভাগিতে সাফিয়া অন্য এক সাহাবার ভাগে পড়েছিল। কিন্তু সাফিয়ার রূপের কথা ছড়িয়ে পড়লে, মুহম্মদ সা তাকে নিজের করায়ত্তে নেন এবং বিয়ে করেন। বিয়ের সময় সাফিয়ার বয়স ছিল ১৭ বছর
৪। জুহারিয়াঃ বনী মুস্তালকের যুদ্ধে গোত্র প্রধানের কন্যা জুহারিয়াকে গনীমতের মালের সাথে মদীনায় আনা হয়। বাবা মুক্তিপণ দিয়ে পাঠাতে চাইলেও মুহাম্মদ সা ফিরিয়ে দেন এবং জুহারিয়াকে বিয়ে করেন। তখন জুহারিয়ার বয়স ছিল ২০ বছর
৫। সালমাঃ সালমা ও তার স্বামী ইসলামের প্রথম যুগে ইসলাম গ্রহণকারী এবং যথেস্ট নির্যাতন সহ্যকারী। একসময় সালমা তার স্বামী সন্তানকেও হারিয়েছিলেন, সেখান থেকে অনেক কষ্ট স্বীকার করে তিনি স্বামী সন্তানের সাথে মদীনায় মিলিত হন (এই ঘটনা পড়লে বুঝবেন কতখানি ভালোবাসতেন তার স্বামীকে!)। উহুদের যুদ্ধে ওনার স্বামী খুব খারাপভাবে আহত হন এবং একসময় মৃত্যুবরণ করেন। স্বামী মারা যাবার মাত্র ৪ মাস ১০ দিন পরেই (৪ ইদ্দত পার হলে) সুন্দরী সালমাকে বিয়ে করার জন্য আবু বকর প্রস্তাব পাঠান, আবু বকরকে না করে দিলে এবারে উমর বিয়ে করার প্রস্তাব পাঠান। তাকেও না করে দেন। এবারে মুহম্মদ সা প্রস্তাব পাঠালে তিনি তার সন্তান-সন্ততির কথা সহ আরো কিছু আপত্তির কথা জানালেও মুহম্মদ সা কে ফিরিয়ে দেয়া সম্ভব হয়নি! সালমাকে বিয়ে করার সময় বয়স ছিল ২৯ বছর
৬। জয়নবঃ জয়নবকে বিয়ে করার সময় তার বয়স ছিল ৩০ বছর। (বিয়ের পর মাত্র ৮ মাস বেঁচে ছিলেন তিনি)।

এর বাইরে হাবিবার কথা বলা যায়। অবশ্য তাকে মাহিরাহির তালিকাতে রাখতেও আপত্তি নেই।
৭। হাবিবাঃ হাবশায় স্বামী সহ হিজরত করার পর স্বামী ইসলাম ত্যাগ করে খৃস্টান হয়ে গেলে স্বামীর সাথে তালাক হয়ে যায়। তখন মুহম্মদ সা দূত মারফত ১ হিজরী সনে হাবিবাকে বিয়ে করেন। তখন হাবিবার বয়স ছিল ২৯ বছর। তারো প্রায় ৬ বছর পরে হাবিবা মদীনায় আসেন এবং নবীজির ঘর করেন। যেসময় মদীনায় নবীর ঘরে আসেন সেসময় তার বয়স ছিল ৩৫।

১১ জনের মধ্যে মাত্র ৪ জনের বয়স বিবাহ কালীন সময়ে ৩৬ উর্ধ্ব ছিল (যয়নবের বয়স অবশ্য ছিল৩৫!)।
আর নবী পত্নী মতান্তরে উপপত্নী মারিয়া ও রায়হানার কারোরই বয়স ২০/২২ বছর এর বেশী ছিল না।

দুই
মাহিরাহি তার পোস্টে বলেছেনঃ
বলা হয়ে থাকে তার দুটো বিয়েকেই শুধু স্বাভাবিক বিয়ে বলা যায়। বাকীগুলো ছিল মুলত সোসাল রিফর্ম কিংবা রাজনৈতিক কারনে।

কোন দুটি বিয়ে স্বাভাবিক? খাদিজার সাথে বিয়ে কি আপনার মতে সোসাল রিফর্ম বা রাজনৈতিক কারণে?

সওদা ছিলেন মধ্যবয়স্ক ও বিধবা। সওদা কে বিয়ের পেছনে মূল কারণ হিসাবে জানা যায় মুহম্মদ সা এর সন্তানদের দেখাশুনা ও ঘর সামাল দেয়া। সেখানে রাজনৈতিক কারণ কি?

আয়শা ও হাফসা যথক্রমে আবু বকর রা ও উমর রা এর কন্যা। যেসময়ে বিয়ে করেন তখন আবু বকর ও উমর রা উভয়েই ইসলামের পরীক্ষিত সেনা। এখানে রাজনৈতিক কারণ কি? বা সোশাল রিফর্ম ই বা কি?

জয়নবকে(পালক পুত্রের স্ত্রী যয়নব না) বিয়ের পেছনে রাজনৈতিক বা সোশাল রিফর্ম কি?

মায়মুনা নিজে থেকে মুহম্মদ সা কে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। মায়মুনার এক বৈমাত্রীয় বোন জয়নবকে নবীজি আগেই বিয়ে করেছিলেন, অপর বৈমাত্রীয় বোন আসমা আবু বকরের স্ত্রী এবং আরেক বৈমাত্রীয় বোন সালমা 'আসাদুল্লাহ' হামজার স্ত্রী। সেকারণে মায়মুনাকে "আহলুল বায়েত" বলা হতো। মায়মুনাকে বিয়ে করায় কোথায় কি সোশাল রিফর্ম হয়েছে বা রাজনৈতিক কারণ ছিল?? মায়মুনার এক বোন নাজাদ গোত্র প্রধানের স্ত্রী ছিল ঠিকই, কিন্তু সেই নাজাদ গোত্র প্রধানের স্ত্রী তো জয়নব, আসমা, সালমারও বোন ছিলেন!!!

সালমার স্বামী মারা যাবার পরে তাকে বিয়ে করার পেছনে রাজনৈতিক কারণ কি ছিল? এই বিধবা বিয়ের মধ্য দিয়ে কি-ই বা সোশাল রিফর্ম হয়েছে?

হাবিবার ক্ষেত্রেও রাজনৈতিক কারণ কি ছিল? হাবশায় হিজরত করলেও পিতা আবু সুফিয়ান ইসলামের শত্রুতা কমান নি। এমনকি ১ম স্বামী ইসলাম ত্যাগ করার পরে নবিজি হাবিবাকে বিয়ে করার পরেও অসংখ্যা যুদ্ধে কোরায়েশদের আর্থিক সাহায্য করে গেছেন, হাবিবা মদীনায় সংসার শুরু করার পরেও আবু সুফিয়ান একই কাজ করে গেছেন। কেবল মক্কা বিজয়ের পরেই যখন কোরায়েশরা মুসলিম বাহিনীর করায়ত্ত হয় তখনই সুফিয়ান ইসলাম গ্রহণ করেন।

খায়বরের যুদ্ধে আর বনী মুস্তালকের যুদ্ধে হস্তগত সাফিয়া ও জুহারিআর সাথে বিয়েকে আপনি রাজনৈতিক বলতে পারেন। কিন্তু একে চরম অন্যায় না বলার কোন কারণ দেখি না। যুদ্ধে পরাজিত পক্ষের নারীদের ধরে ধরে ভোগ করা, বন্দী করা, কৃতদাসী বানানো এসব খুবই ঘৃণ্য কাজ।

তিন
কারদাওয়ী বলেছেন (মাহমুদ রহমানের পোস্ট), "চিন্তা করে দেখুন রাসুল সা. যদি চারজন স্ত্রী রেখে অন্যদের তালাক দিতেন তবে তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রীদের বাকী জীবন অন্যকোন পুরুষের সাথে নিষিদ্ধ হতো। ফলে বাকী জীবন তাদেরকে স্বামীবিহীন অবস্থায় কাটাতে হতো। ..."

খাদীজার মৃত্যুর পরেই মুহম্মদ সা বাকি বিয়ে গুলো করেন - মূলত ৫৩ থেকে বছর থেকে ৬০ মতান্তরে ৬২ বছর বয়স পর্যন্ত। মুহম্মদ সা এর জন্য নতুন বিয়ে নিষিদ্ধ করে আয়াত আসে ওনার ৬০ বছর বয়সে, সে হিসাবে মায়মুনাই ওনার শেষ স্ত্রী হওয়ার কথা। মুহম্মদ সা মৃত্যুবরণ করেন ১১ হিজরীতে ৬৩ বছর বয়সে, মানে ৩ বছর পরেই। ফলে ৬০ বছর বয়সে ৪ জনকে রেখে বাকিদের তালাক দিয়ে দিলে স্ত্রীরা সঙ্গীহীন অবস্থায় অতিরিক্ত ৩ বছর কাটাতো। সঙ্গীহীন অবস্থায় যতটা ওনারা এমনিতেই কাটিয়েছেন- তার তুলনায় এই ৩ বছর মনে হয় নগণ্যই!!

এক পলক দেখি কে কত বছর সঙ্গীহীন কাটিয়েছেন?(5)
সওদাঃ মৃত্যুবরণ করেন ৫৩ হিজরীতে। মানে ৪২ বছর সঙ্গীহীন কাটিয়েছেন।
আয়শাঃ ১১ হিজরীতে বয়স ১৬ বছর। মৃত্যুবরণ করেন ৫৮ হিজরীতে ৬৩ বছর বয়সে। মানে বিধবা অবস্থায় কাটান ৪৭ বছর।
হাফসাঃ ১১ হিজরীতে বয়স ২৭ বছর। মৃত্যবরণ করেন ৪৫ হিজরীতে ৬১ বছর। মানে ৩৪ বছর বিধবা অবস্থায় কাটিয়েছেন।
সালমাঃ ১১ হিজরীতে বয়স ৩৫, মৃত্যুবরণ করেন ৬১ হিজরীতে ৮৫ বছর বয়সে। মানে বিধবা অবস্থায় সঙ্গীহীন কাটাতে হয়েছে ৫০ বছর।
যয়নবঃ ১১ হিজরীতে বয়স ৪০, মৃত্যুবরণ করেন ২০ হিজরীতে ৫০ বছর বয়সে। মানে সঙ্গীহীন থাকেন ১০ বছর।
জুহারিআঃ ১১ হিজরীতে বয়স ২৬ বছর, মৃত্যুবরণ করেন ৫০ হিজরীতে ৬৫ বছর বয়সে। মানে বিধবা অবস্থায় কাটান ৩৯ বছর।
হাবিবাঃ ১১ হিজরীতে বয়স ৩৯ বছর। মৃত্যুবরণ করেন ৪৪ হিজরীতে ৭২ বছর বয়সে। মানে ৩৩ বছর সঙ্গীহীন কাটান।
সাফিয়াঃ ১১ হিজরীতে বয়স ২১ বছর। মৃত্যুবরণ করেন ৫০ হিজরীতে ৬০ বছর বয়সে। মানে বিধবা অবস্থায় কাটান ৩৯ বছর।
মায়মুনাঃ ১১ হিজরীতে বয়স ছিল ৪০ এবং ৮০ বছর বয়সে ৫১ হিজরীতে মারা যান, তার মানে বিধবা অবস্থায় ৪০ বছর একা কাটিয়েছেন।
খাদিজা ও জয়নব মুহম্মদ সা এর জীবদ্দশায় মারা যান। সওদা মুহম্মদ সা এর ওফাতের ৫ বছর পরে ও মারিয়া কিবতিয়া ১ বছর পরেই মারা যান।

উপরের এই তালিকা উল্লেখের আরেকটি গুরুত্ব আছে তা হলোঃ এটাই যে মুহম্মদ সা যেসকল নারীদের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন তাদের প্রতি কতখানি অবিচার করা হয়েছে তা বুঝা। নবীজীর বিয়েগুলোর মধ্যে অধিকাংশই বিধবা বিয়ে। তারমধ্যে কিছু ক্ষেত্রে নবীজী ২য় নন, ৩য় স্বামী। অনেকে ৩৫/৪০ বছর বয়সে এসেও নবীকে বিয়ে করেছেন। অন্য সাহাবীদের খোঁজ নিলেও দেখা যায় ওনাদের বিয়ের মধ্যেও বিধবা বিবাহ আছে। সুতরাং,বলা যায়আরবে এই বিদঃবা বিয়ে একটি সাধারণ ও স্বাভাবিক চল ছিল। যেমন খাদিজা নিজেই ৪০ বছর বয়সে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছেন, তেমনি অনেক বিধবাই নতুন বিয়েতে আগ্রহী ছিলেন। অথচ, নবীজী শেষ বয়সে কম বয়স্ক নারীদের বিয়ে করে সেই নারীদের জীবনের একটা বড় সময় সঙ্গীহীন রাখতে বাধ্য করেছেন। মৃত্যুর সময়ে আয়েশার বয়স ছিল মাত্র ১৬, সাফিয়ার ২১, জুহারিআর ২৬, হাফসার ২৭ বছর বয়স ছিল। এবং তাদেরকে বাকি জীবনটি (৪০ থেকে ৫০ বছর) একা নিসঙ্গ কাটাতে বাধ্য করা হয়েছে!!!

সাফিয়া-মায়মুনাকে নবীজী ৬০ বছর বয়সে বিয়ে করেন, অর্থাৎ মাত্র ৩ বছর ছিল তাদের দাম্পত্য জীবন!!!
এবং এ সমস্ত অন্যায় সবই করা হয়েছে কোরআনের বরাদ দিয়ে!!

চারঃ
কারদাওয়ী এক পর্যায়ে ঘোষণা করেছেন,:
বিস্তরিত এ আলোচনায় বোঝা যায় যে, রাসুল সা. এর প্রতিটি বিয়ের পিছনেই ছিল মহত উদ্দেশ্য। রুপ সৌন্দর্য, অর্থ সম্পদ বা যৌন কামনা তাড়িত বিয়ে একটিও ছিলো না।

এই বাক্য দুটির আগের আলোচনা কয়েকবার পড়ে দেখলাম, মুহম্মদ সা এর কয়েকটি বিয়ের ব্যাপারে একটা গড়পরতা আলোচনা (সত্য-মিথ্যা মিলিয়ে) করার চেষ্টা হয়েছে। যেমন: সালমা রা. ধৈর্যের সাথে বৈধব্যকাল অতিবাহিত করায় আল্লাহ তায়ালা ধৈর্যের পুরস্কার স্বরূপ রাসুল সা. এর স্ত্রী হওয়ার সৌভাগ্য দান করেন। জুওয়াইয়া রা. কে রাসুল সা. এ উদ্দেশ্যে বিয়ে করেছিলেন যে, বিয়ের পর জুওয়াইয়ার কওমের লোক ইসলাম গ্রহণ করবে। আবু সুফিয়ানের কন্যা উম্মে হাবিবাকে তার কষ্ট লাঘবের জন্য (হাবশায় হিজরতের পর তার স্বামি মুরতাদ হয়েছিল ও মারা গিয়েছিল) রাসুল সা. বিয়ে করেন এবং ইসলামের প্রতি আবু সুফিয়ানের শত্রুতা যাতে কমে সে উদ্দেশ্যও ছিল।

এ আলোচনায় কোনভাবেই কি পরিষ্কার হয় যে, রূপ সৌন্দর্য, অর্থ সম্পদ বা যৌন কামনা তাড়িত বিয়ে একটিও ছিলো না?

মুহম্মদ সা এর বিয়ে গুলোর পেছনে রূপ-সৌন্দর্য, বংশ গরিমা, অর্থ-সম্পদ, যৌন কামনাই মূল নিয়ামক এটা আমি দাবী করছি না, তবে ইতিহাস যতখানি দেখি, সেখান থেকে এটুকু বলতে পারি- ওনার স্ত্রীদের কারো কারো ছিল অঢেল অর্থ-সম্পদ, কারো ছিল বংশ গরিমা, অনেকেই ছিল নজরকাড়া সুন্দরী; এবং বিভিন্ন ঘটনায় ওনার যৌন কামনার বিষয়টিও ফুটে ওঠে বৈকি!!

খাদিজা ছিলেন আরবের শীর্ষ ধনীর অন্যতম। আয়েশা, হাফসা, মায়মুনা, সালমা, হাবিবা, যয়নব প্রত্যেকেই উচু বংশের। এমনকি যুদ্ধে ধৃত জোহারিআ ও সাফিয়াও ছিলেন স্ব স্ব গোত্রপ্রধানের মেয়ে। আয়েশা নাবালিকা হলেও, একসময় তিনি হন খুবই রূপবতী। যেকারণে ওমর রা তার মেয়েকে সাবধান করে বলেন যে, "... এবং কখনোই তোমার প্রতিবেশীকে (আয়েশা রা. কে) নবীজীর প্রতিপক্ষ বানিয়ো না, যদিও সে তোমার চেয়ে অধিক সুন্দরী ও মুহম্মদ সা. এর বেশী প্রিয়"। (6)
সালমা, যয়নব, জুহারিআ, সাফিয়া, মারিয়া যে ভীষণ সুন্দরী ছিলেন তা অনেক গুলো হাদিসে পাওয়া যায়, অনেক আলেম-ইতিহাস রচয়িতার বয়ানেও আমরা তার সমর্থন পাই। জুহারিআকে যখন বন্দী অবস্থায় মদীনায় আনা হয়, তখন তিনি মুহম্মদ সা এর সাথে দেখা করার জন মনস্থির করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু শুরুতে আয়েশা যখন দেখেন যে জুহারিআ অনেক সুন্দরী, বংশও উচু, তখন আয়েশা জুহারিআর সাথে যাতে মুহম্মদ সা এর সাক্ষাৎ না হয়, সে চেস্টা করেছিলেন! সালমা এমন সুন্দরী ছিলেন যে, সালমার স্বামী মারা যাওয়ার পরে ৪ ইদ্দত কাল পার হতে না হতে একে একে আবু বকর, উমর বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে পাঠান এবং ওনাদের প্রত্যাখ্যান করলে মুহম্মদ সা নিজে প্রস্তাব পাঠান ও বিয়ে করেন। খায়বরের যুদ্ধে সাহাবীদের মধ্যেই মৃত কিনানার স্ত্রীর সৌন্দর্য নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়েছিল, এবং নবীজী নিজের ভাগে শোকাহত সাফিয়াকে নিয়ে নেন এবং বিয়ে করেন।

যৌন কামনার বিষয়টি বুঝা যায়, এতগুলো স্ত্রী থাকার পরেও তার কৃতদাসী বা উপপত্নীদের সাথে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করার ঘটনাসমূহ থেকে। রায়হানা ও মারিয়ার কথা ইসলামী স্কলারেরা(7) অস্বীকার করেন না। অনেকেই তাদের উম্মুল মুমিনীন বলেও মানেন। তবে সুন্দরী মারিয়াকে বিয়ে করলেও সেটা তিনি করেছেন, সন্তান ইব্রাহীম জন্মানোর আগে নয়। মারিয়াকে নিয়ে তার স্ত্রীদের সাথে একবার বড় ধরণের মনোমালিন্যও তৈরী হয়েছিল (8), এবং সুরা তাহরীমের ১ম ৫টি আয়াত (9) অবতীর্ণ করে পরিস্থিতি সামাল দিতে হয়েছিল!! একসময় নবীজীর যে ৯ স্ত্রী ছিল এবং যাদের কাছে পর্যায়ক্রমে যেতেন- সেই ৯ জনের তালিকায় মারিয়া বা রায়হানা কেউ ছিলেন না।

আরেকটি ঘটনাও এখানে গুরুত্বপূর্ণ, তা হলো- সাওদা যখন বয়স্ক ও যৌন অক্ষম হয়ে যান- তখন তাকে তালাক দিতে চেয়েছিলেন(10)। পরে সাওদা তার পালা আয়েশাকে দিতে চাইলে নবীজী তালাক আর দেননি এবং এ প্রসঙ্গে আয়াত ৪:১২৮ অবতীর্ণ হয়। প্রশ্ন হলো, যৌন কামনা যদি ওনার বিয়ে গুলোর কোন উদ্দেশ্য না হয় তবে কেন সাওদা বয়স্ক হওয়ার সাথে সাথে তাকে তালাক দিতে চাইবেন? কেন ই বা ৮ স্ত্রীর সাথে ও কিছু উপপত্নী/দাসীর সাথে সম্পর্ক থাকার পরেও এক বুড়িয়ে যাওয়া সাওদার সাথে পালার একটা দিন / রাত কাটাতে পারেন না???

তথ্যসূত্র ও টীকাঃ স্বতন্ত্র পোস্টে।

 

সর্বশেষ এডিট : ২২ শে জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২২ শে জুন, ২০০৮ দুপুর ১২:০৩
মাহবুব সুমন বলেছেন: নাস্তিকের ধর্মকথা কি ইসলাম ছাড়া অন্য ধর্ম চোখে দেখেন না ?
২২ শে জুন, ২০০৮ দুপুর ১২:১১

লেখক বলেছেন:
অন্য ধর্ম নিয়ে ইউসুফ আল কারদাওয়ী, মাহমুদ রহমান, মাহিরাহি ও তৌসিক আহম্মেদ প্রমুখের পোস্টগুলোর মত পোস্ট চোখে পড়ে না।

অন্যধর্ম নিয়ে এমন পোস্ট থাকলে সেগুলো নিয়েও লেখতে হতো বৈকি!!!

২. ২২ শে জুন, ২০০৮ দুপুর ১২:০৫
মাহবুব সুমন বলেছেন: আর, কষে মাইনাস দিয়েছি
২২ শে জুন, ২০০৮ দুপুর ১২:১২

লেখক বলেছেন:
আর কষে আনন্দও পেয়েছি...

৪. ২২ শে জুন, ২০০৮ দুপুর ১২:০৮
ফিউজিটিভ বলেছেন: কি বলতে বা বোঝাতে চান তার সারাংশ বলেন।
৬. ২২ শে জুন, ২০০৮ দুপুর ১২:১৭
দুঃখবিলাস বলেছেন: ধর্মের সো কল্ড গুডি গুডি ইমপ্রেশন নিয়ে কাজ করছেন দেখে ভালো লাগলো। ব্যক্তিগতভাবে আমি আস্তিক। তবে, সত্য জানার আগ্রহ ও সতসাহস রাখি।
৮. ২২ শে জুন, ২০০৮ দুপুর ১২:২৪
মাহবুব সুমন বলেছেন: আপনাকে আনন্দিত করতে পেরে আমিও আনন্দিত ;) পনার মতোপ এতো মহা গ্যানিগুনি মানুষকে আনন্দিত করতে পরে গর্ব বোধ করছি।

আপনি বলেছেন
"ধর্ম নিয়ে ইউসুফ আল কারদাওয়ী, মাহমুদ রহমান, মাহিরাহি ও তৌসিক আহম্মেদ প্রমুখের পোস্টগুলোর মত পোস্ট চোখে পড়ে না।

অন্যধর্ম নিয়ে এমন পোস্ট থাকলে সেগুলো নিয়েও লেখতে হতো বৈকি!!! "

>> তাহলে আপনার দৌড় ব্লগ পর্যন্তই ?
আপনার নামতো তাইলে "নাস্তিকের ইসলামকথা" রাখা দরকার :)
"নাস্তিকের ধর্ম" হইলে তো সব ধর্ম নিয়ে লেখা উচিৎ। তাইনা ভাইটু ?

ভেবেছিলাম আপনার পড়াশোনা ধর্ম- তুলনামুলক ধর্মতত্ব- ইত্যাদি নিয়ে, এখন দেখছি আপনার পড়াশোনা ও আকর্ষন শুধুমাত্র ইসলাম ধর্ম বিদ্বেষ কেন্দ্রিক !
আচ্ছে কিছু এন্টাই ইসলাম সাইট ও বইয়ের নাম দ্যান না দয়া করা, আমিও নাস্তিকতার নামে ইসলাম বিদ্বেষী লেখা লিখতে চাই। ব্লাডি মুক্তমনা হতে চাই ;)
২২ শে জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০১

লেখক বলেছেন:
বেশী কোরআন হাদীস পড়ুন, তাহলেই হবে।

৯. ২২ শে জুন, ২০০৮ দুপুর ১:১৭
মো: খায়রুল বাসার বলেছেন: ভবঘুরে বলেছেন: কি বলতে বা বোঝাতে চান তার সারাংশ বলেন।
নাস্তিক ভাই : আমারও একই কথা ।
১১. ২২ শে জুন, ২০০৮ দুপুর ২:৪২
দ্বিতীয়নাম বলেছেন: মাহবুব সুমনরে:

নাস্তিকের ধর্মকথার বায়াপসি থুইয়া, হে কি কি ভুল তথ্য দিছে, ভুল ব্যাখ্যা দিছে - পারলে তাই কন। যত সব ফালতু X(
১২. ২২ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৫
মাহবুব সুমন বলেছেন: দ্বিতীয় নামরে কইঃ

আপনে কন না কেন ? X( আমি কি কমি আর কি কমু না, সেইটা আমার ব্যপার। আপনে আপনার মতো থাকেন, আমারে আমার মতো থাকতে দ্যান।
নিজেতো কিছু লেখেন না, প্রথম নামটা জানলে বুঝতে পারতাম কুন মানুষ আপনে। নিজের নামে যারা কিছু কইতে পারে না তাগো লগে কথা বলার ইচ্ছা নাই আমার,
কথা হইতাছিলো নাস্তিকের ধর্মকথার লগে, আপনের লগে না। আজাইরা মাথা গলাইয়েন না।
১৩. ২২ শে জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১৭
হট্টগোল বলেছেন:

মাহবুব সুমন : একজন মুসলমান হিসেবে আপনার তো দায়িত্ব হওয়া উচিত নাস্তিকের ইসলাম সম্পর্কিত প্রশ্ন কিংবা লেখাগুলোর জবাব বা সমালোচনা করা। তিনি কেন শুধুই ইসলাম নিয়ে লেখেন কিংবা তাকে অন্যান্য ধর্ম নিয়েও লিখতে বলা পরোক্ষভাবে আপনার এড়িয়ে যাওয়া কিংবা নাস্তিকের যুক্তিগুলোর খন্ডাইতে না পারার ব্যর্থতা নয়?

নাস্তিক কেন বার বার ইসলাম নিয়েই লেখেন এই ধরনের অভিযোগ ছেড়ে যতোবারই লিখবেন ততোবারই তার লেখার যুক্তি খন্ডানো হবে এমন মনোভাব হওয়া দরকার মুমিন মুসলমান এবং আস্তিকদের।
১৪. ২২ শে জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৯
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: নাস্তিক ভাই,

আপনার চিন্তা চেতনার গোড়াতেই গলদ। গলদটা কোথায় সংক্ষেপে বলছি। ইসলামের আগমনের পুর্বে আরবে একটা সভ্যতা ছিল - যার বিভিন্ন বৈশিস্টের মধ্যে অন্যতম ছিল মদ-জুয়া-সুদীকারবারের ব্যাপক প্রচলন, মুর্তি পুজা, কন্যা শিশুকে জীবন্ত হত্যা ইত্যাদি ইত্যাদি। সেই সমাজে ইসলামের আবির্ভাব হয় নতুন একটি সভ্যতা নতুন একটি জীবন দর্শন হিসেবে। যখনই কোন পুরোন সভ্যতাকে বাতিল করে নতুন কোন সভ্যতা প্রতিস্ঠিত হতে যায় - সেখানে সংঘাত সংঘর্ষ অনিবার্য - ইসলামের সাথেও সেটা হয়েছে। এখন এই সভ্যতার দ্বন্দে আপনি যেপক্ষে থাকবেন তার বিপরিত পক্ষের সবকাজকেই আপনি খারাপ হিসেবে দেখতে পাবেন-এটাই স্বাভাবিক।
যেমন ধরুন - ৭১ এর আগে আমাদের এই দেশে একটা সরকার ব্যাবস্থা ছিল। সেখানে নানা ধরনের অবিচার জুলুম নির্যাতন ছিল। আমরা সেই সরকার ব্যাবস্থা বাতিল করে বাংলাদেশ প্রতিস্ঠা করেছি। কিন্তু কিছু মানুষ কি এখনও আছে না যারা সেই আগের সভ্যতাকেই ভাল মনে করত? আছে। তারা মুক্তিযুদ্ধের সবকিছুকেই খারাপ হিসেবে দেখে। যেমন -
মুক্তিযোদ্ধারা কোন সেনা ক্যাম্প লুঠ করেছে - আমরা দেখী তাদের বীরত্ব হিসেবে - তারা দেখে ডাকাতি হিসেবে - বলুন তাদের দৃস্টিতে কিসেটা ডাকাতি নয়?
মুক্তিযোদ্ধারা কোন ব্রীজ উড়িয়ে দিয়েছে - তারা বলে দেশের সম্পদ ধ্বংস করেছে। বলুন দেশের সম্পদ কি ধ্বংস হয়নি?

একই অবস্থা বর্তমান আমেরিকার নেতৃত্বাধীন সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধের ক্ষেত্রে। আপনি যদি আফগান বা ইরাকী স্বাধারণ নাগরিকের পক্ষে থাকেন তাহলে আমেরিকান সেনাদের সকল কাজকে অমানবিক মনে হবে - কিন্তু বুশ দেখুন কত সহজে গুয়ান্তানামোবে এর সন্দেহভাজন বন্দিদের উপর করা অমানুশিক নির্জাতনকেও ভাল মনে করছে।

সুতরাং মৌলিক প্রশ্ন হচ্ছে আপনি কোন দৃস্টিভঙ্গীতে দেখছেন। যদি ইসলামপুর্ব সভ্যতার পক্ষের দৃস্টিভঙ্গিতে দেখেন - তাহলে ইসলামের প্রতিটি বিষয়ে আপনি প্রশ্ন তুলতে পারবেন - প্রতিটি বিষয়কে খারাপ হিসেবে উপস্থাপন করতে পারবেন - যেমন পাকিস্থান পন্থিরা মুক্তিযুদ্ধের প্রতিটি বিষয়কে খারাপ হিসেবে উপস্থাপন করতে পারে। একই ব্যাক্তির একই কাজ একজনের কাছে খুবই ভাল - অন্য জনের কাছে খুবই খারাপ হিসেবে আসতেই পারে।

রাসুল ( স: )এর বিয়ের ব্যাপারেও একই কথা - আমরা বলি তিনি বিধবাদের দ্বায়িত্ব নিয়েছেন - মানবিক কাজ করেছেন আর আপনি বলেন তিনি ভোগ করার জন্য বিয়ে করেছেন। কোনটাকে কি অশ্বীকার করা যাবে? তিনি তাদের সাথে যৌন সম্পর্ক যেমন করেছেন তেমনি তাদের দ্বায়িত্বও তো নিয়েছেন। এখন আপনি কোনটাকে বড় করে দেখবেন সেটা আপনার মানষিকতার উপর নির্ভর করে। একজন রাজাকারকে যেমন শুধুমাত্র যুক্তিতর্ক দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বুঝান যায় না, সবসময় একটা না একটা খারাপ দিক তুলে আনবেই - নাস্তিকদেরও তেমনি ইসলামী বিষয়গুলো বুঝান প্রায় অসম্ভব। গ্লাসের ৯০ ভাগ ভরাটা তাদের চোখে পরে না ১০ ভাগ খালি কেন সেটা নিয়েই তাদের যত মাথা ব্যাথা। ইসলাম যে জ্ঞানে বিজ্ঞানে পুরো পৃথিবীকে প্রায় এক হাজার বছর নেতৃত্ব দিয়েছে - সেটা তাদের কখনই চোখে পরে না - ইসলাম কেন চারবিয়ের অনুমতি দিল - ইসলামের নবী ( স: ) এগুলো বিয়ে করল - এ'সব খুটিনাটি বিষয় নিয়েই তারা ব্যাস্ত। ভাবখানা এমন যেন ইসলামকে খারাপ হিসেবে উপস্থাপন করতে পারলেই যেন দুনিয়ার বিরাট উপকার হয়ে যাবে - অথচ ধর্মহীন পশ্চিমা সমাজের পচনগুলি তাদের চোখেই পরে না।

সুতরাং গোড়ার গলদ আগে দুর করুন - ইসলাম বিদ্বেষ নিয়ে দোষ খোঁজার নিয়তে না পড়ে - মুক্তমনে কোরআন হাদীস ইসলামের ইতিহাস পড়ুন। ইসলামের সৌন্দর্য অনুধাবন করতে পারবেন। বিশ্বের বহুলোক এ'ভাবেই ইসলামের পথে আসছে - ভবিষ্যতে আরো বেশী আসবে ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ আপনাকে ইসলামের সৌন্দর্য অনুধাবনের তৌফিক দিন - আমীন।
২২ শে জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৮

লেখক বলেছেন:
দেখুন আমার পোস্টের একজায়গাতেও কি বলেছি যে মুহম্মদ সা ভোগের উদ্দেশ্যে বিধবা করেছেন??

আমি শুধু ওনার বিয়েসমূহ নিয়ে যেসব মিথ্যাচার করা হয় বা হয়েছে সেগুলোই দেখানোর চেস্টা করেছি।

আমি মুহম্মদ সা কে অনেক রেসপেক্ট করি, এবং সেটা একজন রক্ত মাংসের মানুষ হিসাবে- ১৪০০ বছর আগের জামানায় জন্ম নেয়া সে আমলের সংস্কৃতির-রুচির একজন মানুষ হিসাবেই রেসপেক্ট করি। মূল রেসপেক্টের জায়গা- সোসাইটি নিয়ে অবশ্যই তার কিছু অবদান ছিল।

কিন্তু, সমস্যা হয় তখনই, যখন ওনার খাস উম্মতেরা অন্ধভাবে আজকের নৈতিকতার আলোকেও ওনার কাজ কর্মের বিচার করতে যান এবং রায় দিয়ে দেন ওনার সমস্ত কিছু ঠিকই আছে, এবং এক পর্যায়ে ওনার সমস্ত কিছু আজকের যুগেও অনুসরণ করার পরামর্শ দেন- তখন এসমস্ত বিষয়ের আলোচনা প্রয়োজন হয়ে যায়।


আপনি এই যেমন এখন বললেন যে, বিধবাদের বিয়ে করে তাদের অনেক উপকার করেছেন!!!
তখন আসলে আপনাদের অন্ধ বলা ছাড়া কি বলা যেতে পারে। ৬০ বছরে ১৭ বছরের সাফিয়াকে বিয়ে করে, তার ৩ বছরের মধ্যে মারা গেলে - সেই ২০ বছরে বিধবা হওয়া সাফিয়ার কি উপকার হলো সেটা আমাকে বুঝান দেখি!!!

২২ শে জুন, ২০০৮ রাত ৮:০১

লেখক বলেছেন: দেখুন আমার পোস্টের একজায়গাতেও কি বলেছি যে মুহম্মদ সা ভোগের উদ্দেশ্যে বিধবা করেছেন??
===>>>> দেখুন আমার পোস্টের একজায়গাতেও কি বলেছি যে মুহম্মদ সা ভোগের উদ্দেশ্যে বিধবা বিয়ে করেছেন??

১৫. ২২ শে জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৭
আরিফুর রহমান বলেছেন: আমি বুঝি না, ইসলামের খাঁটি ভক্তগন একটু চোখটা খুইলা, তারপর তাদের নবীরে একজন মানুষ ভাবতে পারেন না কেন?

কেন তারা বুঝতে চান না যে চাতুরতা ও কবিদের সাথে মেলামেশা এই দুই বস্তুই কোরান 'নাযিল' হওয়ার আসল কারন!

এই বিশ্বাস জিনিসটা ভাইঙ্গা তার ভেতর থাইকা বাইর হয়া আসলে কি সমস্যা?

কন্ডিশনিং হয়া আছেন আপনারা, মাতায় এখনো ঘুর্তাছে পিচ্চিকালে হুজুরের বয়ান, ভাঙ্গা রেকর্ডের মতন।

আফসোস আপনেগো লাইগা!
১৬. ২২ শে জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৯
আরিফুর রহমান বলেছেন: কাঙ্গাল, আপনের হুর বিষয়ক কল্পনা শেষ?

যাক! নাস্তিকের ধর্মকথা যে সব 'গোড়ার গলদ' দেখাইসেন, সেইগুলার কোন উত্তর কি আছে আপনার কাছে?
১৭. ২২ শে জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪১
আরিফুর রহমান বলেছেন: যেই লোক ৬০ বছর বয়সে ১৭ বছরের মাইয়ার দিকে চোখ দেয়, তারে ভীমরীতি ধরা বলবো না তো কি বলবো?
১৮. ২২ শে জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৬
মাহবুব সুমন বলেছেন: কাঙাল ও হট্টগোল,
আমি আপনাদের মতো মুমিন জামাতি হইতে চাই না যেখানে এক চেহারায় ইসলামের কথা বলবো আরেক চেহারায় মালে গণিমতের নামে ধর্ষনকে সমর্থন করবো।
আমি সাধারন মানুষ। ইসলামে বিশ্বাষ করি , সেই সাথে অন্যের বিশ্বাষকেও সম্মান করতে চাই।
যে অন্যের বিশ্বাষকে সম্মান করে না তার বিশ্বাষকেও সম্মান করি তবে সেই সাথে ব্যক্তি হিসেবে তার নোংরা কর্মকেও অপছন্দ করি।

নাস্তিকের ধর্মকথার লেখালেখি নিয়ে আমি তেমন চিন্তিত না। মুক্তমনা নামে একটা সাইটের মেম্বার আমি যদিও সেখানের অনেক মতবাদের সাথে আমি আদৌ একমত না। এখানে যে ধরনের লেখা ( যা আসলে অনেক সময়ই কাট-পেস্ট) তার চাইতে অনেক কঠিন ও যুক্তিযুক্ত লেখা সেখানে পড়ি, নেটে ওরকম আরো অনেক সাইট আছে সেখানেও পড়ি, যুক্তি পড়ি, সেই সব যুক্তির বিপক্ষের যুক্তিও পড়ি।

নাস্তিকের ধর্মকথা ধর্ম বলতে ইসলামকেই টেনে আনেন যেটা আমি মানতে পারি না। এখানেই মুলত আমার আপত্তি।
নাস্তিকতা হলে সবধর্মমতের বিপক্ষেই কথা বলে স্রস্টার অস্তিত্বের বিপক্ষে যুক্তি আসবে; নাস্তিকতার পক্ষে যুক্তি আসবে।
কিন্তু কেউ যদি সব যুক্তির কথা না বলে শুধু মাত্র ইসলামকেই টেনে আনেন তবে তার উদ্দেশ্য সম্পর্কে আমার প্রশ্ন জাগে যেটা নাস্তিকের ধর্মকথার আচরনে আমি খুঁজে পাই। তার পোস্টগুলোকে আমার ইসলাম বিদ্বেষী মনোভাব খুঁজে পাই বলেই আমার আপত্তি আমি "স্বনামেই" প্রকাশ করি, ছদ্দনামে নয়।

আমার বিশ্বাষ এতো ঠুনকো না যে কে কি বল্ল সেইটা আমার বিশ্বাষকে নস্ট করবে বা টলায় দিবে। সেটা নাস্তিকের ধর্ম কথা হোক আর আবালের অধর্মকথা হোক।

আমি আমার টা নিয়া নিয়া চলি, আমার মতো বলি, আমার মতো ভাবি। ঝাঁকের কৈয়ের মতো চলি না।

আমি অনেকের মতো এত আবাল শিক্ষিত না যে মাথায় ধর্ম বলতে ইসলামকে বুঝবো। ধর্ম বলতে পৃথিবীতে অনেক ধর্মকেই বুঝি। সেটা অগ্নি উপাসক হোক বা আমাজনের রেড ইন্ডিয়ানের ধর্ম হোক। সব ধর্মকেই সম্মান করি। আমার এ মনোভাবে আমাকে কে কি ভাবলো সেটায় আমার কিছু যায় আসে না।

অনেকের মতো ধর্ম সম্পর্কে এতো গ্যানি না আমি, তবে পড়াশোনা করার চেস্টা করি। কোরআনের পর আমি বাইবেল পড়েছি। গীতা সামান্য পড়েছি। ওগুলোর ব্যক্ষা , সমালোচনাও পড়ার চেস্টা করেছি। তবে আবারো বলছি আমার বিশ্বাষ এতো ঠুনকো না যে ইসলাম বিদ্বেষীকারো কথায় তা টলে যাবে। ইসলাম বিদ্বেষী প্রচু সাইট আছে, যেখানে ইসলামের বিভিন্ন খূত বের করা হয়, এ সব সাইট/ বইয়ের যুক্তি/অপযুক্তির বিপক্ষে ( ইসলামের স্বপক্ষে ) বই/সাইট আছে।
যারা ইসলামকে আক্রমন করে লিখেন তারা লিখতে থাকুন। এটা শত বছর ধরেই চলে আসছে। এদের সাথে আলোচনা বা যুক্তি কখনো শেষ হবে না। আমার এতো সময় বা গ্যান নাই এদের যুক্তির সাথে পাল্লা দেবার। এজন্যই দেই না।

সবাই ভালো থাকুন।
২২ শে জুন, ২০০৮ রাত ৮:১৩

লেখক বলেছেন:
আপনার আপত্তির জায়গাটি বুঝলাম। এই পোস্টে সেটির জবাব দেয়ার চেস্টা করেছি।
(Click This Link)
পড়ে দেখতে পারেন।

আর, অন্য ধর্ম নিয়ে বা সাধারণ ভাবে আলোচনাগুলোও তো আমার আছে! সেগুলো কি আপনার মতো সাচ্চা মুসলিমের চোখে পড়ে???


আর, এই পোস্ট কিন্তু সম্পূর্ণই প্রতিক্রিয়া পোস্ট।
কিছু পোস্টে ইসলাম নিয়ে মিথ্যাচার করা হয়েছে, তারই জবাবে এটা লেখা। যেমন পোস্টে ঢুকে আপনি মাঝে মধ্যে আপনার দ্বিমতগুলো নিয়ে কমেন্ট করে যান। তেমনি আমিও কি অন্য কোন পোস্টের সাথে আমার দ্বিমতের জায়গাগুলো তুলে ধরতে পারবো না???

১৯. ২২ শে জুন, ২০০৮ রাত ৮:০৬
আরিফুর রহমান বলেছেন: হুমমম...

মাহবুব সুমনের লাস্ট কমেন্ট পড়ে একটা সন্দেহ জাগলো... যদিও এর সত্য উত্তর পাওয়া যাবে না।

মাহবুব আপনি কি শুধু এই একটা নিকেই লেখেন? নাকি আপনার আরো কয়েকটা 'উগ্র' নিকও আছে?

জাস্ট কৌতুহল! ;)
২০. ২২ শে জুন, ২০০৮ রাত ৮:১৩
মহাজাগতিক বলেছেন:
মাহবুব সুমন বলেছেন: ইসলাম বিদ্বেষী প্রচুর সাইট আছে, যেখানে ইসলামের বিভিন্ন খূত বের করা হয়, এ সব সাইট/ বইয়ের যুক্তি/অপযুক্তির বিপক্ষে ( ইসলামের স্বপক্ষে ) বই/সাইট আছে।
========
নাস্তিকের ধর্মকথা সময় ব্যয় করে ওয়েবসাইট ঘেঁটে ইহুদী খৃস্টানীয় অভিযোগগুলি যে বাংলায় অনুবাদ করেছেন- সেজন্য তাকে ধন্যবাদ দেই। তবে ভাল হত যদি তিনি নিজের বিভ্রান্তি দূর করার জন্য ইসলামের স্বপক্ষে তুলে ধরা যুক্তিগুলি ওয়েবসাইট ঘেঁটে জেনে নিতেন। আরও ভাল হতো যদি তিনি পুরাতন এই বিতর্কগুলির সমাধানে ওয়েবসাইটের সাহায্য নিয়ে ইসলামরে স্বপক্ষে দেয়া সমাধান গুলি বাংলায় অনুবাদ করে দিতেন। আসলে আমার তত সময় নেই থাকলে আমি নিজেই অনুবাদ করে দিতাম। যাহোক, নাস্তিকের ধর্মকথার পক্ষে এসব একেবারে পন্ডশ্রম হচ্ছে বলে মনে হয় না কারণ ৫০ বছর আগের কুতর্ক নিয়ে তিনি বেশ চালিয়ে মজা পাচ্ছেন।
২২ শে জুন, ২০০৮ রাত ৮:২০

লেখক বলেছেন:
একজন বললেন তার সময় ও গ্যান নেই,.....

আপনি বলছেন, আপনারো নাকি সময় নাই....



অন্য অনেক কিছুতেই আপনাদের সময়ের কোন অভাবতো দেখি না!!!!!


ভাই, এই সব গলাবাজি আর কত করবেন????

২১. ২২ শে জুন, ২০০৮ রাত ৮:১৫
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: নাস্তিক ভাই,

আপনাকে অনেক দিন পর দেখলাম।
ভাল আছেন তো?
এতদিন কোথায় ছিলেন?

আরিফ ভাই,
নাস্তিক ভাইএর মত আপনাকেও বলি-ইসলাম বিদ্বেষ বাদ দিয়ে মুক্ত মনে কোরআন হাদীস পরেন। মুক্ত মনে কোরআন হাদীস আর ইসলামের ইতিহাস পড়ে বহু অমুসলিম ইমান আনছে আর আপনি মুসলমানের সন্তান হয়ে ইমানদার হতে পারবেন না - তা কি করে হয়? চেস্টা করেন - ইহকাল পরকাল দুটোই হারাইয়েন না। আর জানেন তো কাঙ্গালের কথা বাসী হলে ফলে - যেদিন আমার কথা ফলবে সেদিন হয়ত আর ফিরে আসার সময়ই পাবেন না।

আর গোড়ার গলদ সারানোর ওষুধ হচ্ছে প্রত্যেকটা বিষয়কে বিভিন্ন দিক থেকে দেখা এবং প্রত্যক্ষ প্রমান ছাড়া খারাপ চিন্তাগুলি দুরে রেখে ভাল চিন্তা করা। যেমন আপনার আগের এক পোস্টে আমি বলেছিলাম বেহেস্তের সুন্দরী নারীদের ব্যাপারে। তাদেরকে আপনি যেমন গনিকালয়ের যৌনকর্মী ভেবেছেন - ঠিক তেমনি আমি ঘরের স্ত্রী ভেবেছি - দেখুন দুটির মধ্যে কোনটি ভাল - ভাল ভাবনাটা গ্রহন করুন। আপনি হুরের কথা বলেছেন - তাদেরকে আপনি কী ভাবেন বলেন নি - আমি তাদেরকে সেবক - নার্স - বা ওয়ার্ড বয় ভাবি - এবং মনে করি তাদের সাথে জান্নাতিদের যৌন সম্পর্ক থাকবে না - কারণ সেরকম কোন কথা কোরআনে কোথাও নাই। এখন আমার এই ভাবনা যদি আপনার থেকে ভাল হয় - এটা মেনে নিতে সমস্যা কোথায়?

আর ৬০ বছর বয়সে ১৭ বছরের মেয়েকে বিয়ে করার কথা বলছেন - সক্ষম পুরুষের জন্য এটা কোন ব্যাপারই না - কথা হচ্ছে সেই মেয়ে বিয়েতে রাজি ছিল কি না এবং বিয়ের পর তার প্রতি কোন অবিচার করা হয়েছিল কি না। এখনও যদি কোন ১৭ বছরের মেয়ে ৬০ বছরের পুরুষকে সেচ্ছায় বিয়ে করে আপনার কোন অধিকার আছে বাধা দেয়ার?

গোড়ার গলদ দুর করার আর একটা উপায় হচ্ছে ঘটনা বা বিষয়ের গুরুত্ব অনুধাবনের চেস্টা করা। কম গুরুত্বপুর্ণ বিষয় নিয়ে বেশি চিন্তা করলে বিভ্রান্ত হবার সম্ভাবনা অনেক বেশি। রাসুল ( স: ) তাঁর জীবনে অনেক বড় বড় কাজ করেছেন - একটা প্রায় অসভ্য সংঘাতময় আরব জাতিকে জাগিয়ে তুলেছেন যারা পরবর্তিতে পুরো বিশ্বকে হাজার বছর নেতৃত্ব দিয়েছে। কোন সে শক্তি যা এভাবে একটি জাতিকে বদলে দিতে পারে? ইসলামের মধ্যে কি এমন আছে যা বিশ্বের শতকোটি মানুষের জীবনবোধ, জীবনধারা বদলে দেয়ার ক্ষমতা রাখে - এ'সব বিষয় বাদ দিয়ে শুধুমাত্র ৬০ বছর বয়সে ১৭ বছরের মেয়েকে কেন বিয়ে করল তাই নিয়ে ব্যাস্ত থাকা কি ভাল মানুষের লক্ষন?
২২ শে জুন, ২০০৮ রাত ৮:৩৭

লেখক বলেছেন:
এই যে, আপনি আবার একটি যুক্তি করলেন- ৬০ বছরের পুরুষের সাথে ১৭ বছরের যুবতীর বিয়ের পক্ষ নিয়ে!!!


তখন সেই খোড়া যুক্তিকে খণ্ডন তো করতেই হয়....


আপনার যুক্তিতে যে কটি বিষয় এসেছে সেগুলো হলোঃ
১। ৬০ বছরের পুরুষ সক্ষম হলে এটা কোন ব্যাপার না।
২। কথা হচ্ছে সেই মেয়ে বিয়েতে রাজি ছিল কি না।
৩। বিয়ের পর তার প্রতি কোন অবিচার করা হয়েছিল কি না।

=====>>>>>>>>

১। আপনার কথা মতো তাহলে দাড়াচ্ছে- পুরুষের যতদিন যৌন সক্ষমতা থাকবে- ততদিন সে বিয়ে করে যেতে পারবে!!! এটাকে কি আপনি নৈতিক মনে করেন? একজন মানুষ কি এমনই যৌন সর্বস্ব প্রাণী যে আমৃত্যু (যৌন সক্ষম থাকা পর্যন্ত) যৌনতার প্রয়োজনে একের পর এক বিয়ে করে যাবে?
২। সাফিয়া কি আদৌ স্বেচ্ছায় রাজি ছিল? তার স্বামীকে খুন করে তাকে কিন্তু বন্দী করা হয় আগে। ফলে- বন্দিনীর জন্য মতের কোন বালাই কি আদৌ ছিল? তাকে বিয়ে না করেই ভোগ করলেও ইসলাম মতে কোন অন্যায় হতো না। মুহম্মদ সা অবশ্য তা না করে স্ত্রীর মর্যাদা দিয়েছিলেন!!!
২য় প্রশ্ন হলো, অনুমতি কি শুধু যার সাথে বিয়ে হচ্ছে তার বিষয়? পূর্বতন স্ত্রীদের মতামতের কোন বালাই নেই??? সাফিয়াকে যখন বিয়ে করে তখন ৭ জন স্ত্রী ওনার ছিল। তাদের কি মতামত নেয়া হয়েছিল??? যুদ্ধক্ষেত্রে ধৃত সাফিয়াকে সেখানেই বিয়ে করা হয়!!!
৩য় প্রশ্ন, একজন ক্ষমতাশালী-প্রতাপশালী পুরুষকে অনেক নারীই বিভিন্ন কারণে বিয়ে করতে চাইতে পারে। যেমন মায়মুনা চেয়েছিলেন- এবং মুহম্মদ সা ৬০ বছরে তাকে বিয়ে করেছিলেন। এখন এরকমভাবে কোন নারীকে রাজী করিয়ে বা রাজী হওয়া মাত্রই বিয়ে করাকে আপনার কি খুব ভালো লাগে???

৩। সবচেয়ে বড় অবিচার হলো- ১৭ বছররে সাফিয়াকে মাত্র ৩ বছর স্বামীর ঘর করার সুযোগ পাওয়া- ২০ বছর বয়স থেকে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তাকে বৈধব্য দশায় কাটাতে হয়েছে!!!

২২. ২৩ শে জুন, ২০০৮ রাত ২:৩৩
নেমেসিস বলেছেন: আচ্ছা ঐশ্বরিক ধর্ম বড় না ঐ ধর্মের প্রচারক বড় ?
২৩. ২৩ শে জুন, ২০০৮ ভোর ৪:৪৩
মাহবুব সুমন বলেছেন: আমি স্বনামেই লিখি এবং আপাত ১ টাই নিক। আরেকটি ছিলো,ওটা ব্যবহার করা হয় না। তবে আমি এক নিকে নারি অধিকারের কথা বলা, আরেক নিকে বউ পেটানোর মতো নোংরা কাজকে সমর্থন করার মতো ভন্ডামী করি না ;) ( উদাহরনসরুপ বল্লাম ;) )আপনার কৌতুহলের জন্য জানাইলাম @ আরিফুর রহমান।

আমি সাচ্চা মুসলমান না, তবে হতে চেস্টা করি @ নাস্তিকের ধর্মকথা।

ভাইটু, আমি কোথায় বলেছি যে আপনে আপনার দ্বিমতের কথা বলতে পারবেন না?? একটি বলবেন কি দয়া করে।

আপনি আপনার মত প্রকাশ করতে অবশ্যই পারবেন ও সে অধিকারও আপনার আছে। আপনার অধিকার ক্ষুন্ন করার কোনোরকম অধিকার আমার নেই যদিও আপনার সাথে আপনার পরিপুর্ন দ্বিমত আছে। বুঝাইতে পারলাম।

আপনার লিংকটা আগেই পড়েছি, আবারো পড়লাম।
কেউ যদি ৯৯ টা খারাপ কাজ করে তবে আর ১ টা ভালো কাজ করে তবে সেই সব ৯৯ টা খারাপ কাজ ১ ভালো কাজ দ্বারা জাস্টিফাই করা যায় না। ;)

ভালো থাইকেন।

আপনার গুনমুগ্ধ ;)
২৪. ২৩ শে জুন, ২০০৮ ভোর ৪:৫০
আরিফুর রহমান বলেছেন: আরে নাহ! নাস্তিকের ধর্মকথা, উনি আসলে ৬০ বছর বয়সে ১৭ বছরের মেয়েকে 'নিছক যৌন কারনে' বিয়ে করেন নি।

ঐ মেয়ে আসলে নার্স বা সেবিকা বা আরো কি কি সব আছে না বেহেশতে... ঐ সব কারনে বিয়ে করেছিলো!

আর আপনি যে কি কি সব বলছেন! ;)
২৫. ২৩ শে জুন, ২০০৮ সকাল ১০:৫৬
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: নাস্তিক ভাই,

আমি আগেই বলেছি দৃস্টিভঙ্গির ত্রুটি নিয়ে যতই আলোচনা করুন কোন সমাধানে আসতে পারবেন না। আপনি ধরেই নিয়েছেন মানুষ বিয়ে করে শুধুমাত্র যৌন চাহিদার কারণে। এবং এই দৃস্টিভঙ্গী নিয়ে সবকিছু বিবেচনা করতে চাচ্ছেন। বিয়ের আরো কি কি কারণ থাকতে তা নিয়ে কি আপনার কোন চিন্তা আছে?

আর একটা বিষয় বলা জরুরী - আপনার এই কাজের উদ্যেশ্ব্য কি? আপনি প্রমান করতে চাচ্ছেন রসুল ( স: ) যৌনকাতর হয়ে অন্যায়ভাবে অনেকগুলি বিয়ে করেছেন। যদি তর্কের খাতিরে ধরেই নেই যে আপনার কথা ঠিক - তাহলে আপনার এই প্রচেস্টা দ্বারা মানব সমাজের কি কি উপকার হবে বলে আপনি মনে করেন? মুসলমানরা সবাই ইসলাম ছেড়ে নাস্তিক হয়ে যাবে? আর হলেই কি তা দেশ জাতি ও পৃথিবীর জন্য খুব কল্যানকর হবে? মানুষের জাগতিক সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে? যদি না হয় তাহলে এই কুটতর্কের অর্থ কি? শয়তান নিরন্তন চেস্টা চালায় মুসলমানকে নানা কুটতর্কে জরিয়ে বিভ্রান্ত করার - কারণ সেটা তার জীবনের লক্ষ তার চ্যালেঞ্জ। কিন্তু আপনি তো মানুষ - আপনার তো সেরকম কোন চ্যালেঞ্জ থাকার কথা না - তাহলে এ'সব ছোটখাট বিষয় নিয়ে অযথা এত পরিশ্রম কেন করছেন? এই পরিশ্রমটা ভাল কিছুর পিছনে দিলে কি আমরা আরো বেশী উপকৃত হতে পারতাম না?

এবার আসুন আপনার গোড়ার গলদের ব্যাপারে। আপনি ধরেই নিয়েছেন মানুষ শুধুমাত্র যৌনআকাংক্ষার কারনে বিয়ে করে। সেখান থেকে বেরিয়ে এসে বুঝতে চেস্টা করুন সাফিয়া( রা: ) এই বিয়ের মাধ্যমে কি কি ভাবে উপকৃত হয়েছিলেন - পরকালীন মুক্তির কথা যদি বাদও দেন ( কারণ আপনারা তো পরকালে বিশ্বাস করেন না) ইহকালেও তিনি যতদিন জীবিত ছিলেন ততদিন উম্মুল মুমিনীন হিসেবে সমাজের সবচেয়ে সম্মানিতাদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন এবং কেয়ামত পর্যন্ত কোটি কোটি মুসলমানের দোয়া তিনি পাবেন। এই যে আপনি দেড় হাজার বছর পরও তাঁকে নিয়ে কথা বলছেন তার কারনও কি সেই বিয়ে নয়? এগুলোকে কি আপনি কম প্রাপ্তি মনে করন? হ্যা রাসুল( স: ) তাঁর সাথে যৌন সম্পর্ক করেছেন কিন্তু তার সাথে সাথে এ'সব প্রপ্তিগুলোওতো তিনিই দিয়েছেন। এখন আপনি কোনটাকে বড় করে দেখবেন সেটা একান্তই আপনার দৃস্টিভঙ্গীর ব্যাপার। আসলে রাসুল ( স: ) এর ব্যক্তিত্ব এবং মর্যাদা এত উচুতে যে তাঁর সান্নিদ্ধ পাওয়া যেকোন ব্যাক্তির জন্যই পরম সৌভাগ্যের ব্যাপার - যদি অনুধাবন করতে পারেন।

একটা উদাহরণ দেই - একজন দরিদ্র পঙ্গু মুক্তিযোদ্ধাকে যখন কোন রাজাকরা উপহাস করে বলে - "আরে মিয়া যুদ্ধ কইরা পাইছটা কি? খালি খালি ঠ্যাং হারাইয়া সারা জীবন কস্ট কইরা গেলা" তখন কি সেই রাজাকার দৃস্টিভঙ্গির মানুষটিকে বুঝান সম্ভব যে ঐ মুক্তিযোদ্ধা কিসের জন্য যুদ্ধে গিয়ে ছিলেন? আপনিও যদি সেরকম নেতিবাচক দৃস্টিভঙ্গী নিয়ে বিষয়গুলি দেখেন তাহলে কোন দিনও বুঝতে পারবেন না রাসুল ( স: ) তাঁর স্ত্রী এবং অন্যসব মুসলমানের কী উপকার করে গেছেন। আপনার মনে হবে তাঁর অনুসারী সাহাবাগন ঐ পঙ্গু মুক্তিযোদ্ধার মত শুধু কস্টই করে গেছে, যুদ্ধবিগ্রহে প্রান হারিয়েছে, স্ত্রীগন তাঁকে বিয়ে করে দীর্ঘদিন বৈধব্যের শিকার হয়েছে ইত্যাদি ইত্যাদি। সুতরাং প্রতিটি বিষয়কে মুক্ত মন নিয়ে বিভিন্ন দৃস্টিভঙ্গী থেকে দেখতে চেস্টা করুন এবং খারাপের পরিবর্তে ভালর অনুসন্ধান করুন - আশা করা যায় অনেক কিছু সহযে বুঝতে পারবেন। আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেদায়াত নসীব করুন - আমীন।
২৩ শে জুন, ২০০৮ দুপুর ১২:০৭

লেখক বলেছেন:
দেখুন, আপনি নিজের আলোচনাগুলো একটু ভালো করে পর্যালোচনা করুন। আপনি আমার কমেন্ট গুলোও আবার পড়েন, খোলা মনে পড়ার চেস্টা করুন। তাহলে হয়তো অনেক কিছুই পরিষ্কার হবে!

আপনি যেসব প্রাপ্তির কথা বলছেন, সেগুলো যে আসলে কতখানি ভেক তা চোখ-মনের দরজাটা খুললেই টের পাওয়ার কথা। এই দরজা-জানালা খোলা থাকলে কোনমতেই স্বামী হন্তাকারীর স্ত্রী হওয়াটা বিশাল প্রাপ্তি মনে করতে পারতেন না!!!
আর, আজো যে আমরা সাফিয়াদের কথা আলোচনা করছি- এটাকে তার প্রাপ্ত মনে করছেন দেখে হাসিই পেল! আজো আমরা রাবনের বোন সুর্পনাখাকেও স্মরণ করি- কাপুরুষ লক্ষণ তার নাক কেটে দিয়েছিল, সেজন্য বলতে হবে যে ভাগ্যিস লক্ষণ তার নাক কেটেছিল- নাহলে তো এতদিন পরেও তাকে স্মরণ করা যেত না। পরকালের যে মোয়া ঝুলিয়েছেন, সেখানে তো যেকোন নারীকে ভোগ করলে বা ধর্ষণ করলেও যুক্তি দিতে পারেন যে, নবী ধর্ষণ করেছে বলেই তিনি আল্লাহর মহান কৃপা পাবেন- পরকালে বেহেশত তার জন্য ফকফকা!! যেমনটি হিন্দু পুরানের অনেক যায়গায় পাওয়া যায়!!!!

এসব করে, নারীদের উপর নির্যাতন সবসময় হয়েছে, এখনও আপনাদের মত ধর্মান্ধ পুরুষেরা সেই নির্যাতনের পক্ষে সাফাই গেয়ে যান!!!


আর যে মুক্তিযুদ্ধার তুলনা করলেন, সেখানেও একটা গলদ থেকে যায়। কেননা একজন মুক্তিযোদ্ধার জন্য সেই মুক্তিযুদ্ধটা অনেক গর্বের, সে নিজে সেখানে অংশ নিয়েছে- তার একটা আদর্শও আছে। কিন্তু সাফিয়ার ক্ষেত্রে কি হয়েছে? যুদ্ধে বিপক্ষ দলের কাছে পরাজিত হয়ে, স্বামী-আত্মীয় স্বজনকে হারিয়ে, সেই পক্ষের হাতে ধৃত হয়ে- সেই পক্ষের প্রধান নেতার স্ত্রী হওয়াটা আপনি যতই সম্মানের ও প্রাপ্তির বলেন না কেন- এক জন মুক্ত বিবেক ব্যক্তি তা বলতে পারে না।
সাফিয়া গোত্রপ্রধানের মেয়ে, প্রচণ্ড সুন্দরী ছিল, তাই নবীজীর চোখে পড়েছিলেন, এবং নবী তাকে বিয়ে করেছিলেন। কিন্তু সেখান থেকে ধৃত অন্য নারীরা- যারা অন্য সাহাবাদের ভাগে পড়েছিল, এবং যাদের বিয়ে না করেই ভোগ করা হয়েছিল- তাদের প্রাপ্তির জায়গাটি কি??? সাহাবারাও জানতেন না যে, নবী সাফিয়াকে বিয়ে করবেন কি না, সেটা ছিল সম্পূর্ণ নবীজীর মর্যিমাফিক। বিয়ে যদি না করতেন- না করেই সাফিয়াকে ভোগ করতেন (মারিয়া বা রায়হানার মত), ইসলাম অনুযায়ীই তিনি সেটা করতে পারতেন, তবে সাফিয়ার কি কিছু বলার ছিল?

২৬. ২৩ শে জুন, ২০০৮ দুপুর ১২:১৪
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
আর, বিয়ে করার অন্য অনেক কারণ থাকতে পারে বলে আপনি যে তালিকা দিলেন, সেটার মধ্যে আমি আসলেই যৌক্তিক কারণ পেলাম না। আপনি বলছেন, এর ফলে ওনার স্ত্রীরা প্রভূত সম্মান-শ্রদ্ধা অর্জন করেছেন, অনেক দোয়া পেয়েছেন এবং পাচ্ছেন... ইত্যাদি। এসব কি মুহম্মদ সা এর জন্য বিয়ে করার কোন কারণ?? মুহম্মদ সা কি চেয়েছিলেন- অমুক অমুক নারীকে অনেক অনেক সম্মান দিতে হবে- সেজন্য তাকে বিয়ে করতে হবে- এরকম কিছু??? পরকালের বেহেশত নিশ্চিত করার গরজ থেকে তিনি নাবালিকা আয়েশাকে, সওদাকে, সাফিয়াকে, হাফসাকে প্রমুখকে বিয়ে করেছেন?????
২৭. ২৩ শে জুন, ২০০৮ দুপুর ১২:২১
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
কাঙ্গাল মুরশীদ,
আমার উদ্দেশ্য নিয়েও কিছু প্রশ্ন এবং পরামর্শ ছুড়ে দিয়েছেন দেখলাম!! সেখানে দুনিয়ার জন্য বড়ই পেরেশান বলে আপনাকে মনে হলো!!!
দুনিয়ার মানুষের কি উপকারে আসবে আমরা এসব আলোচনা- সেটা আপনার বড় প্রশ্ন??? দুনিয়ার মানুষের উপকারে এমন কাজে যেন শ্রম দেই- এটা আপনার পরামর্শ।

খুব ভালো, খুব ভালো!!

তো আপনি আমারে একটু দয়া করে- দুনিয়ার মানুষের উপকারে লাগে এমন কাজের একটা তালিকা দিয়েন- বড়ই কৃতার্থ হবো!!

ধন্যবাদ।


২৮. ২৩ শে জুন, ২০০৮ দুপুর ১২:২২
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: আপনি আমার প্রথম প্রশ্নের কোন উত্তর না দিয়ে সমানতালে কুটতর্ক চালিয়ে যাচ্ছেন।

"আপনার এই কাজের উদ্যেশ্ব্য কি? আপনি প্রমান করতে চাচ্ছেন রসুল ( স: ) যৌনকাতর হয়ে অন্যায়ভাবে অনেকগুলি বিয়ে করেছেন। যদি তর্কের খাতিরে ধরেই নেই যে আপনার কথা ঠিক - তাহলে আপনার এই প্রচেস্টা দ্বারা মানব সমাজের কি কি উপকার হবে বলে আপনি মনে করেন? মুসলমানরা সবাই ইসলাম ছেড়ে নাস্তিক হয়ে যাবে? আর হলেই কি তা দেশ জাতি ও পৃথিবীর জন্য খুব কল্যানকর হবে? মানুষের জাগতিক সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে? যদি না হয় তাহলে এই কুটতর্কের অর্থ কি? শয়তান নিরন্তন চেস্টা চালায় মুসলমানকে নানা কুটতর্কে জরিয়ে বিভ্রান্ত করার - কারণ সেটা তার জীবনের লক্ষ তার চ্যালেঞ্জ। কিন্তু আপনি তো মানুষ - আপনার তো সেরকম কোন চ্যালেঞ্জ থাকার কথা না - তাহলে এ'সব ছোটখাট বিষয় নিয়ে অযথা এত পরিশ্রম কেন করছেন? এই পরিশ্রমটা ভাল কিছুর পিছনে দিলে কি আমরা আরো বেশী উপকৃত হতে পারতাম না?"

এই প্রশ্নের উত্তর আগে দেন - তাহলে বুঝা যাবে আপনার এই কুটতর্কের আসল হেতু কি।
২৩ শে জুন, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৫

লেখক বলেছেন:
আপনার প্রশ্ন এ কাজের উদ্দেশ্য কি- এর উত্তরে বলবো এ পোস্টের উদ্দেশ্য হলো মাহিরাহি, ইউসুফ কারদাওয়ি, মাহমুদ রহমান এর ইতিহাস নিয়ে মিথ্যাচারের জবাব দেয়া, এবং আপনার যারা ভুল-চিন্তা প্রসূত বাজে ও অযৌক্তিক কথা বলছেন, তারও জবাব দেয়া।

কিন্তু আপনি আমাকে কুটতর্কের অভিযোগে যে অভিযুক্ত করলেন- সেটার মাজেজা বুঝলাম না। যেকোন যুক্তিতর্কে তো জানি বিষয়ে না থেকে "আপনার অবস্থানের উদ্দেশ্য কি?", "আপনার এ কাজে দুনিয়ার কি উপকার হবে?" এসব অবান্তর প্রশ্ন করাই কুটতর্ক, যেটি বিষয়ের যুক্তিতে না পেরে বা কোন যুক্তি খণ্ডাতে না পেরে লোকে করে থাকে!!!

তো ভাই, করেন এমন কুটতর্ক, আমার কোন আপত্তি নেই- তবে মনে হয়, এসব কুটতর্ক করে মানুষকে ধোকা দেয়া আর গোজামিল দেয়া বুঝবাঝ দেয়ার দিন শেষ হতে চলেছে!!!

২৯. ২৩ শে জুন, ২০০৮ দুপুর ১২:২৫
দ্বিতীয়নাম বলেছেন: ভালবাসা, ভক্তি, ভয় কি যুক্তি মানে? :-&
৩০. ২৩ শে জুন, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৯
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: নাস্তিক ভাই,

আপনি এতবড় জ্ঞানী মানুষ, দেড় হাজার বছর আগে কোন নারীর প্রতি কি কি অবিচার করা হয়েছিল - কাকে তার অমতে বিয়ে করা হয়েছিল - সব জানেন, দেড়হাজার বছর আগের মানুষের মনের ব্যাথা পর্যন্ত অনুভব করতে পারেন আর বর্তমান দুনিয়ার মানুশের উপকার কিসে হয় সেটাই জানেন না? এটা কি করে সম্ভব?

আর আপনার এই কর্মপ্রচেস্টা দ্বারা মানব সমাজের কি কি উপকার হবে তার জবাবও এড়িয়ে গেলেন মনে হয় - তার মানে কি আপনি আপনার কাজের উদ্যেশ্বই জানেন না? হতেও পারে - আপনারা তো বিশ্বাস করেন মানুষের জীবনেরই কোন সুনির্দিস্ট লক্ষ উদ্যেশ্ব নাই- এমনি এমনি দুর্ঘটনাবশত জন্ম হয়েছে কয়দিন পরে মরে মাটির সাথে মিশে যাবেন। যার জীবনেরই কোন উদ্যশ্ব্ নাই তার কাজ তো ভিত্তিহীন হতেই পারে, কি বলেন?
২৩ শে জুন, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৯

লেখক বলেছেন:
ভাই, শুধু তো আমি না- আপনারো তো জানার কথা, যদি কোরআন-হাদীস- কোরআন তাফসীর- সীরাতুন্নবী এসব পড়ে থাকেন!!


আমার তথ্যসূত্র ও টীকায় তো হাদীসগুলো উল্লেখও করেছি!!
একটু পড়ে দেইখেন!!!

৩১. ২৩ শে জুন, ২০০৮ দুপুর ১:৪৭
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন:
নাস্তিক ভাই,
আপনি বলেছেন-
"একজন মুক্তিযোদ্ধার জন্য সেই মুক্তিযুদ্ধটা অনেক গর্বের" ..
সেটা কে বুঝতে পারে? আপনি, আমি। কিন্তু একজন রাজাকার কি তা বোঝে? যদি বুঝত তাহলে কি ওভাবে কটাক্ষ করতে পারত? তাহলে সমস্যাটা কার?

ঠিক একই ভাবে আপনি যখন বিশ্বের সর্বকালের সর্বশ্রেস্ঠ মানব মুহাম্মদ( স: )কে কটাক্ষ করেন তখন কি বুঝা যায় না যে সমস্যাটা কোন দিকে?

আপনি এবং আপনার মত অন্য নাস্তিকেরা যেভাবে রাসুল( স: ) এবং তাঁর সাহবাদের চিত্রিত করতে চান - আল্লাহ তাদেরকে রক্ষা করেছেন - যদি তাদের নৈতিক-মানবিক চরিত্রের দুর্বলাতার দিক থেকে তার ১%ভাগও সত্য হত - তাহলে আপনি আমি আজকে ইসলামের নামও শুনতে পেতাম কি না সন্দেহ। ইসলাম সেই আরবের মরুর বুকেই হারিয়ে যেত। বিশ্বের শতকোটি মানুষের জীবন আলোকিত করারমত কাজ যার নেতৃত্বে হয়েছে তাঁকে ছোট করার আগে তাঁকে হেয় করার আগে কি নিজের জ্ঞানের স্তরের দিকে একবার তাকিয়ে দেখা উচিত নয়? মনে রাখবেন দুনিয়ার সবাই স্বাধারণভাবে নিরপরাধ - শুধুমাত্র অকাট্য প্রমান দ্বারা যাকে অপরাধী প্রমান করা হয়েছে সে ছাড়া। যে কোরআন হাদীসের উপর লক্ষ লক্ষ মানুষ সারা জীবন পড়াশুনা করল - তারা কিছুই বুঝল না - আর আপনি বুঝে ফেল্লেন রাসুল( স: ) অন্যায় করেছেন? এবং শুধু বুঝলেনই না সেটাকে অকাট্য প্রমান হিসেবেও দাবি করছেন?

আগেই বলেছি - আপনার দৃস্টিভঙ্গীতেই আসল সমস্যা। আপনি ধরেই নিয়েছেন মানুষ শুধুমাত্র ভোগ করার জন্য বিয়ে করে।একটা প্রশ্ন করি-আশা করি কিছু মনে করবেন না - আপনি কি আমাদের ভাবিকে শুধুমাত্র ভোগ করার জন্য বিয়ে করেছিলেন? আশা করি আপনার উত্তর না বোধক হবে। তাহলে আর কি কি উদ্যেশ্ব ছিল? তাকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক নিরাপত্তা দেয়া, তাকে সম্মানিত করা, তাকে মাতৃত্বের স্বাদ দেয়া এবং আরো অনেক। নয় কি? তাহলে সেই এই কারণে কি রাসুল( স: ) বিয়ে করতে পারেন না? আপনি কিভাবে শতভাগ নিশ্চিত হলেন যে তিনি ভোগের জন্য বিয়ে করেছেন? আপনি কি তাঁর মনের খবরও রাখেন? আর শতভাগ নিশ্চিত না হয়ে রাসুল( স: )এরমত ব্যাক্তিকে অপরাধী বলা কি গ্রহনযোগ্য?

অবশ্ব আপনারা এরকমই বলতে অভ্যস্ত। নিজেরাই বলেন - ইশ্বর চিন্তা বিজ্ঞানের কোন বিষয়ই না - আবার বলেন নাস্তিকতা বিশ্বাস না -বৈজ্ঞানিক সত্য। এ'রকম মানুষিকতা নিয়ে আপনি কিভাবে সত্যের সন্ধান পাবেন?
২৩ শে জুন, ২০০৮ দুপুর ২:১৪

লেখক বলেছেন: মুক্তিযুদ্ধটা যে মুক্তিযোদ্ধার জন্য গর্বের সেটা রাজাকারেও বুঝে ও জানে। রাজাকারে এটা মানে না যে, মুক্তিযোদ্ধা যেটাকে নিয়ে গর্ব করে বা সেই মুক্তিযুদ্ধকেই তারা ঠিক মনে করে না বা গৃহযুদ্ধ মনে করে বা পাকিস্তান ভঙ্গের চক্রান্ত মনে করে। কিন্তু মুক্তিযোদ্ধারা যে ভুল করেই হোক বা ব্রেইন ওয়াশড হয়েই হোক আর অন্যদের উস্কানিতেই হোক- মুক্তিযুদ্ধকে প্রচণ্ড আবেগের একটা কিছু মনে করে- সেটা সম্পর্কে মনে হয় রাজাকারেরাও প্রশ্ন তুলে না।


এট লিস্ট এখানে ঘটনা দুটি যে সম্পূর্ণ বিপরীত, সেটা বুঝতে সমস্যা হওয়া উচিৎ নয় বলেই মনে হয়। একটি হলো একজনের স্বামী- আত্মীয় স্বজন সবাইকে খুন করে বিয়ে করা হয়েছে, সেটাকে আপনি মেলাচ্ছেন নিজ উদ্যোগে যারা দেশ স্বাধীনের লক্ষে যুদ্ধে নেমেছে তাদের সাথে। কিভাবে মেলে???

আর, আপনার তর্কের খাতিরে যদি ধরেও নিই যে, নিজ কওমের লোকদের খুন করার পরে সাফিয়াকে ধরে নিয়ে মুহম্মদ সা বিয়ে করায় সাফিয়া খুব ই খুশী হয়েছেন, স্বেচ্ছায় উনি বিয়ে করেছেন, এবং উম্মুল মুমিনীন হওয়ার লোভে, প্রচণ্ড প্রতাপশালী মুহম্মদ সা এর স্ত্রীর মর্যাদার লোভে মুহম্মদ সা কে বিয়ের জন্য প্রচণ্ড ইচ্ছা ও প্রকাশ করেছিলেন; তারপরেও কি বলবেন? তখন সাফিয়ার চরিত্র, সাফিয়ার মানসিকতা নিয়েই কি প্রশ্ন আসবে না?????

৩২. ২৩ শে জুন, ২০০৮ দুপুর ২:৩৬
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: "একজনের স্বামী- আত্মীয় স্বজন সবাইকে খুন করে বিয়ে করা হয়েছে" ....

আপনি তো নিজের স্ট্যান্ডের বাইরে যেতেই পারছেন না। আপনি ধরেই নিয়েছেন সাফিয়াকে ভোগ করার জন্য তার স্বামী আত্মীয় স্বজন সবাইকে খুন করা হয়েছে। কিভাবে আপনি এত নিশ্চিত হলেন?

আর আপনি সেটাকে খুন বলছেন এ'কারণে নয় কি যে আপনি মুসলমাদের যুদ্ধকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে নয় বরং ক্ষমতার লোভের যুদ্ধ মনে করেন? ঠিক যেভাবে একজন রাজাকার জেনে বুঝেও মুক্তিযুদ্ধকে দেশ ভাঙ্গার ষড়যন্ত্র বলে? ধরুন মুক্তিযুদ্ধে একজন রাজাকার স্বপরিবারে নিহত হল - শুধুমাত্র তাঁর অসহায় যুবতি স্ত্রী জীবিত। তাকে নিয়ে কি করবেন? কোন স্ব-হৃদয় ব্যাক্তি যদি সেই অসহায় নারীকে স্ত্রীর মর্যাদা দিয়ে সামাজিক এবং অর্থনৈতিক নিরাপত্তার ব্যাবস্থা করে - তাহলে তাকে কী বলবেন? যদি তাকে এ'ভাবে পুনর্বাসিত করা না হয় তাহলে তার পরিনতি কী হবে?

আমি বারবার মুক্তিযুদ্ধের উদাহরণ আনছি এ'জন্য যে মুক্তিযুদ্ধটা আমাদের কাছে যেমন আবেগ এবং অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে সংগ্রামের প্রতীক - মুসলমানদের যুদ্ধগুলোও তেমনি অন্ধকার পৃথীবিতে ন্যায়ের আলো প্রতিস্ঠার সংগ্রামের প্রতীক। যারা সেটা মানে না - তাদের পক্ষে সেই আবেগ অনুধাবন করা সম্ভব নয় - ঠিক যে কারনে রাজাকরদের পক্ষে মুক্তিযুদ্ধের আবেগ অনুধাবন করা অসম্ভব।
২৩ শে জুন, ২০০৮ দুপুর ২:৫৯

লেখক বলেছেন:
খায়বরের যুদ্ধ মুসলমানদের জন্য জেহাদ, অনেক পবিত্র কর্ম- কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু সাফিয়া ও তার গোত্রের মানুষের জন্য সেটা কি?

এই জেহাদ এমন ভাবে করা হয়েছে যে, রাতের অন্ধকারে অতর্কিতে হামলা করে করা হয়েছে।

আর মুক্তিযুদ্ধ আমাদের কাছে যতই আবেগের হোক না কেন, ধরেন কোন মুক্তিযোদ্ধা গ্রুপ যদি আক্রোশের বশে ৭১ এ এদেশে বসবাসরত এক পাকিস্তানী পরিবারকে খুন করে সে পরিবারের এক সুন্দরী- যুবতী মেয়ে ধরে নিয়ে কেউ বিয়ে করে ফেলে, তবে কি সেই মেয়েটির জন্য সেটি খুব সুখকর কাজ হবে?
মুক্তিযুদ্ধ যতই ন্যায়েরই হোক না কেন, এখানে কোন মতেই কি বলতে পারি যে, হানাদার বাহিনীর কোন মেয়েকে যদি রেপ করা হয় বা ধরে বিয়ে করা হয়; সেটাও ঐ মেয়ের জন্য খুব সম্মানের- যেহেতু মুক্তিযুদ্ধটা একটা ন্যায়ের যুদ্ধ। আপনাদের আলোচনা শুনে সেরকমই মনে হচ্ছে। সাফিয়া খুবই উইলিংলি- ধেই ধেই করে নাচতে নাচতে নবীজীর সাথে সংসার করতে এসেছেন!!!

৩৩. ২৩ শে জুন, ২০০৮ দুপুর ২:৫০
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:

আমি কখনোই বলি মানুষ শুধু ভোগের কারণেই বিয়ে করে। আমি তা মনেও করি না। তবে সেই সাথে এটাও মনে করি, যৌনতা মানুষের জন্য খুব স্বাভাবিক ও প্রাকৃতিক চাহিদা। ফলে, বিয়ে নামক ইনস্টিটউশনটিতে যৌনতার ব্যাপারটিও অবধারিতভাবে চলে আসে। কিন্তু অবশ্যই মানুষের সঙ্গী বা পার্টনার মানে শুধুই যৌনসঙ্গীই নয়, আরো অনেক কিছুই থাকে, সেখানে মূল বিষয় ভালোবাসা, আস্থা, বিশ্বাস, মর্যাদা অনেক কিছুই, এটাইতো সৌন্দর্য। এ জায়গাতেই কুকুর-বিড়ালের সাথে মানুষের পার্থক্য।

কিন্তু, যখন কোন পুরুষ একের পর এক বিয়ে করে যায়, আগের স্ত্রীর মতের কোন তোয়াক্কা না করেই, যুদ্ধক্ষেত্রে ধৃত নারীকে বিয়ে করে, সম্রাটের উপঢৌকন পাওয়া নারীকে বিয়ে না করেই ভোগ করে যায়, কোন স্ত্রী মেনোপেজে পৌছলে তাকে তালাক দিতে চায়- তার ঘরে আর রাত্রি কাটাতে চায় না- বদলে যুবতী ও আকর্ষণীয় স্ত্রীর ঘরে রাত কাটায়, তখন সে পুরুষের কাজ কর্মকে কিভাবে বিচার করা যায়??? এসবে কি কোন সৌন্দর্য পাওয়া সম্ভব????


আর আমার ব্যক্তিজীবন নিয়ে এখানে আলোচনা অপ্রাসঙ্গিকই মনে করি। আর, এরকম একজনের পাশাপাশি আমার নিজের বৈবাহিক অবস্থার আলোচনা ওঠাটা আমার বা আমার সঙ্গী উভয়ের জন্য যথেস্ট বিব্রতকর ও আপত্তিকর।

আপনাকে ধন্যবাদ।
২৩ শে জুন, ২০০৮ দুপুর ২:৫২

লেখক বলেছেন:

কারেকশনঃ
আমি কখনোই বলি মানুষ শুধু ভোগের কারণেই বিয়ে করে===>>> আমি কখনোই বলিনি মানুষ শুধু ভোগের কারণেই বিয়ে করে।

৩৪. ২৩ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:০০
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন:
নাস্তিক ভাই,
আপনি বলেছেন-
"আর, এরকম একজনের পাশাপাশি আমার নিজের বৈবাহিক অবস্থার আলোচনা ওঠাটা আমার বা আমার সঙ্গী উভয়ের জন্য যথেস্ট বিব্রতকর ও আপত্তিকর।"

তার মানে আপনি নিজেকে রাসুল( স: ) এর চেয়েও উত্তম মনে করেন!! আপনার নিজের সম্পর্কিত উচ্চ ধারনা জেনে ভালই লাগছে!!!!!!!

ঠিক আছে থাকুন আপনি আপনির বিশ্বাস নিয়ে - যেহেতু আপনার দৃস্টিভঙ্গী সম্পুর্ন ভিন্ন তাই আপনার সাথে এ'ব্যাপারে আর আলোচনা না চালানোই ভাল - এর কোন শেষ হবে না - গ্লাসের অর্ধেক পুর্ণ না অর্ধেক খালির মত।

ভাল থাকুন, আরো পড়াশুনা করুন এবং ছোটখাট বিষয় বাদ দিয়ে মৌলিক আলোচনায় আসুন। আল্লাহ আমাদের সঠিক বুঝ দিন - আমীন।

অন্য কোন আলোচনায় আবার কথা হবে - খোদা হাফেজ
২৩ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:০৯

লেখক বলেছেন:

না আমি নিজের সম্পর্কে কোন উচ্চ ধারণা পোষণ করি না। মুহম্মদ সা কে যথেস্ট রেসপেক্ট করি, অন্য কারণে,- এবং ওনার সাথে নিজেকে তুলনাও করি না।

তবে বিয়ে সংক্রান্ত বিষয়েই যেহেতু আলোচনা, ওনার এ বিষয়টিকে অবশ্যই আমি সাপোর্ট করি না। এবং সেটার আলোচনায় যখন আমার ব্যক্তিজীবন টেনে আনেন- তখন ওনার পাশাপাশি আমার আলোচনা আমার কাছে বিব্রতকরই মনে হয়। অন্তত এক্ষেত্রে আমি মনে করি- ওনার মত আমার হওয়াটা সম্ভব না।


কেননা, আমার দ্বারা ওরকম একের পর এক বিয়ে করা, কাউকে বাগে পেলেই বিয়ে, দাসীদের যৌন সম্পর্ক গড়ে তোলা, স্ত্রী বৃদ্ধ হলে তাকে বাদ দিয়ে কচি কোন নারীর দিকে হাত বাড়ানো এরকম কাজ গুলো সম্ভব না।

৩৫. ১০ ই জুলাই, ২০০৮ ভোর ৪:৪৩
বেঁচে আছি বলেছেন:

এই মন্তব্যটি মুছে ফেলা হয়েছে, মন্তব্য করার সময় ব্লগ ব্যবহারের শর্তাবলীর দিকে খেয়াল রাখুন । শর্তাবলী

৩৬. ২৪ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:৩৯
গিফার বলেছেন: নাস্তক ভাই আপনি এখন কই?
৩৭. ২৪ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১১:৫০
সিন-লাম-মীম বলেছেন: মজা পাইলাম, তাই প্লাস দিলাম।
৩৯. ০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:১১
দিপক কুমার বলেছেন:
অনেক কিছু জানতে পারলাম তাই লেখককে ধন্যবাদ। আসলে নারীকে যুগের পর যুগ এভাবে ভোগের সামগ্রী হিসেবেই দেখা হয়েছে। নারীকে কখনো পুরুষের সমান অধিকার দেওয়া হয়নি এবং এখনো সেই অবস্হার খুব একটা পরিবর্তন হয়েছে এটা বলা যাবে না। বৌদ্ধ ধর্মটা এক্ষেত্রে শুধু ব্যতিক্রম। অন্য সব ধর্মেই কমবেশী নারীকে ছোট করা হয়েছে। ধর্মপ্রচারকগন ছিলেন পুরুষ তাই তারা পুরুষের সুবিধা কিসে হয় তাই বেশী দেখেছেন।
৪০. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:৫০
রিসাত বলেছেন: এই পর্যন্ত পড়া সামহয়ারে বেস্ট পোস্ট
৪১. ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:২৩
মজিদ বিশ্বাস বলেছেন: গ্লাসের ৯০ ভাগ ভরাটা তাদের চোখে পরে না ১০ ভাগ খালি কেন সেটা নিয়েই তাদের যত মাথা ব্যাথা।

দৃষ্টিভঙ্গিই আসল।
৪২. ২৫ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৬
দ্বিজু বলেছেন: + এবং প্রিয়তে রাখলাম- The Atheist Bible অনুবাদ করছি, সময় পেলে একবার আমার ব্লগ থেকে ঘুরে আসবেন।
৪৩. ২০ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:৩৬
লুতফুল বারি পান্না বলেছেন: ভাই বিয়া লইয়া লাগলেন কেন? আপনের কি ঈর্ষা লাগতেছে? লাগলে আপনেও করেন- মানা করছে কেডা।

বিয়া না দেইখ্যা- তার কাজগুলা একটু দেখেন না মিয়া ভাই। ১৪০০ বছর পর্ও তো তারে স্মরণ করতেছেন।

আপনের জেমসবন্ড যখন মাইয়া লইয়া ফুর্তি করে - সেইডা হয় হিরোইজম। আর উনি তো বিয়া কইরা লইছিলেন। ভাইরে সেই সময়ের সামাজিক অবস্থাটাও বিবেচনায় আইনেন। আদমের যুগে তো ভাই-বইনেও বিয়া করা জায়েজ আছিল। যে সময়ের যে ভাও ভাইজান তা না জাইনা কমেন্ট করতে গেলেই মুশকিল। তাঁ‍রে একজন মানুষ হিসাবে দেখেন যে মানুষের জন্য কি কি করছিল তার তালিকা করেন।

মাইকেল হার্টের মত লোক কেন তারে সেরা মানুষ মনে করে জানার চেষ্টা করেন। নারীদের তিনি কেমন স্বাধীনতা দিছেন জানার চেষ্টা করেন। তিনি একজন মানুষই ছিলেন ভাইজান। আপনের মত মুক্ত চিন্তার মানুষ যদি প্রতিক্রিয়াশীল মৌলবাদীদের কথা শুনে প্রতিক্রিয়াশীল হয়ে পড়েন- তখন সত্যি ভাবতে বসি আসলে কারা কারা প্রতিক্রিয়াশীল।

আপনার সংগৃহিত তথ্য কতটা সঠিক সেটাও একটু ভাবিয়া দেখিয়েন মিয়া ভাই। এইসব তথ্যের সূত্র কি?

যাউকগা অনেক বকলাম- জ্ঞানী লোকজন দেখলে আমার আবার ভক্তি উথলাইয়া ওঠে কিনা।
৪৫. ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:১৩
এনোনিমাস বলেছেন: ভাই আপনার ব্লগে কমেন্ট করতে ভয় পাই। কারণ অন্য পাঠকেরা "আস্তিক" অথবা "নাস্তিক" ট্যাগ লাগিয়ে দেবে। ভাই, ধর্মের ব্যাপারটা মানুষ খুব সেন্সিটিভলি নেয়। ভাই, আপনার লেখাপড়া বা গবেষণা করার যোগ্যতা আছে বোঝা যায়। তাই অনান্য বিষয়গুলো নিয়ে যদি লেখেন, আমার পড়তে ভালো লাগবে।
৪৬. ০৮ ই জুলাই, ২০১০ সকাল ৯:৪২
অপলক বলেছেন: আসেন কোলাকুলি করি। =p~ =p~ :P তাঁদের তুলনায় আমরা অনেক ভাল। B-)
৪৭. ১২ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৪২
আমি স্যাম বলেছেন: অনেক কিছু জানতে পারলাম। সো কল্ড আস্তিকরা আসলে ঘটনাগুলোকে এভাবে ভাবতে ভয় পায়.........আর পোস্টে প্লাস।।।
৪৮. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১১ বিকাল ৩:৪০
শ্রাবন্য বলেছেন: সত্য কটু, যার ভালো লাগে লাগবে। তবে সত্য সহ্য করার ক্ষমতা সবার থাকে না। আর যারে ভালো লাগে, সে অন্যের কেন, নিজের বউ ভাগাইয়া নিলেও ভালো লাগে...
“ফলে তাদের অন্তরে মোহর মেরে দেয়া হয়েছে। অতএব তারা বুঝে না।” (সূরা মুনাফিকুনঃ আয়াত ৩) “এদের (অবিশ্বাসীদের) অন্তরে আল্লাহ মোহর মেরে দিয়েছেন এবং তারা নিজেদের খেয়াল-খুশীর অনুসরণ করে।” (সূরা মুহাম্মদঃ আয়াত ১৬) ... কোরআনের আয়াত মিথ্যা হতে পারে না, যাদের অন্তরে মোহর মারা তাদের কখনোই বোঝানো সস্ভব নয়। আমি নিশ্চিত, আল্লাহ তায়ালা কথাগুলো কড়া মুমিন মুসলমান বন্দাদের উদ্দেশ্য করেই বলেছেন।
৪৯. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১১ বিকাল ৪:০১
ছিচকা চোর বলেছেন: আমি গোঁড়া ধার্মিক না। ধর্ম নিয়ে ক্যাচক্যাচানী তেমন ভালো লাগেনা। আপনাকে একটা ছোট প্রশ্ন করব। নবী যদি যৌন কাতরতার বংশবর্তী হয়েই এতগুলো বিয়ে করতেন তাহলে তিনি বুড়ো বয়সে(৫৩ বছর) এসব করতে গেলেন কেন? আমরা তো জানি বয়সের সাথে সাথে মানুষের যৌন উত্তেজনা কমতে থাকে। উনার কি বয়স বাড়ার সাথে সাথে যৌন উত্তেজনা বেড়ে যাচ্ছিল বলে আপনি মনে করেন?
৫১. ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ২:৫৪
বাতিল প্রতিভা বলেছেন: পোস্ট পর্যবেক্ষন
৫২. ২২ শে নভেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:০৯
জনতার নেতা বলেছেন: Proman deli na keno. Kon history thake paisos ei informationgula? Eigula tor kotha. Reference da... Noile hoga maira duniya sara kormu, khankir pola

 

মোট সময় লেগেছে ১.০২৮৭ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
মানুষেরে ঘৃণা করি'/
ও কারা কোরান, বেদ, বাইবেল চুম্বিছে মরি' মরি'/
ও মুখ হইতে কেতাব-গ্রন্থ নাও জোর ক'রে কেড়ে,/
যাহারা আনিল গ্রন্থ-কেতাব সেই...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই